একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আফজাল হোসেন সোমবার(১৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ কিডনীজনিত রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
মরহুমের মরদেহ সোমবার বিকাল ৪ টার দিকে তার পৈত্রিক নিবাস টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চারাবাড়ি গ্রামে আনা হয়। পরে বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাজা নামাজ শেষে চারাবাড়ি সামাজিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
প্রধান শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের মৃত্যুতে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তিনি মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডে ভূমিকম্পের বিপদাপন্নতার মূল্যায়ন (সামাজিক ও অবকাঠামো) শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল পৌরসভার মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুল হাসান মামুনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অনলাইনে অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখেন, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক রাকিব আহসান, নগর পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক শাকিল আক্তার, সহকারী অধ্যাপক শেমন্তী আজিজ, নগর পরিকল্পনা বিভাগের প্রভাষক সাদিয়া আফরোজ।
এছাড়া পৌরসভা মিলনায়নে ১৩,১৪,১৫ নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর উল্কা বেগমসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।
এ সময় বক্তরা বলেন, ভৌগলিকভাবে বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ দেশ। তবে দুর্যোগের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া, এগুলোর প্রভাব বা ক্ষয়ক্ষতি থেকে সর্বোচ্চ মাত্রায় রক্ষা পাওয়া, ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা এবং তা পুষিয়ে নিয়ে পুনরায় জনগণকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। সে লক্ষে টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডে ভূমিকম্পের মোকাবেলায় সবাইক কাজ করতে হবে। একই সাথে সকলের সহযোগিতায় ভূমিকম্পের বড় ধরনের ক্ষতিক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের সরকারি রাবার বাগান থেকে চুরি হওয়া অপরিশোধিত ৩৫০ কেজি রাবারসহ আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২।
সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পীরগাছা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রাজ্জাক(৪২) একই উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের পীরগাছা গ্রামের আমির আলীর ছেলে।
র্যাব-১২ জানায়, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার গোলাম ফারুকের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পীরগাছা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ৩৫০ কেজি অপরিশোধিত চোরাই রাবার সহ আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে মধুপুর মামলা দায়ের পূর্বক তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ১১০ বছর আগে ১৯১১ সালে ধুমধাম করে একটি ট্রেনের সূচনা করেছিল ইতালির জেনেটি নামে একটি রেল সংস্থা।উদ্বোধনের দিন সব যাত্রীকে বিনা টিকিটে ঘোরানোর ব্যবস্থা করেছিল সংস্থাটি।ছয়জন রেলকর্মী এবং ১০০ যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়েছিল ট্রেনটি। কিন্তু গন্তব্যে আর পৌঁছানো হয়নি। মাঝ পথে রহস্যজনকভাবে আস্ত ট্রেনটিই গায়েব হয়ে যায়! আজ পর্যন্ত যার কোনো খোঁজও মেলেনি।
খোঁজ পাওয়া যায়নি যাত্রীদেরও। ১১০ বছর আগের সেই দিনের কথা ভাবলে আজও গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে। এতগুলো যাত্রী নিয়ে আস্ত ট্রেন কীভাবে মুহূর্তে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে তার কারণ অনুসন্ধান করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। শোনা যায়, অনেক খুঁজেও ট্রেনের কোনো চিহ্ন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
১৯১১ সালে রোমের একটি স্টেশন থেকে ১০০ যাত্রী এবং ওই ছয় কর্মী নিয়ে রওনা দিয়েছিল ট্রেনটি। যাত্রীরা সবাই খুব উপভোগ করছিলেন যাত্রা। যাত্রীদের জন্য ট্রেনে এলাহি খাবারের ব্যবস্থাও ছিল। উদ্দেশ্য ছিল ট্রেনে করে যাত্রীদের ইতালির বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখানো।যাত্রাপথে একটি সুড়ঙ্গ পড়েছিল। ট্রেন সেই সুড়ঙ্গে প্রবেশ তো করেছিল কিন্তু আর বের হয়নি। পরবর্তীকালে ট্রেনের সন্ধানে সুড়ঙ্গের মধ্যে অনেকেই গেছেন। কিন্তু তন্ন তন্ন করে খুঁজেও তার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
পাহাড়ের বুক চিরে তৈরি হওয়া ওই সুড়ঙ্গের ভেতর আর কোনো রাস্তাও ছিল না। ট্রেন দুর্ঘটনারও কোনো চিহ্ন মেলেনি।দুজনের কথার বিষয়বস্তু ছিল একই। সুড়ঙ্গে প্রবেশের মুহূর্তে সাদা ধোঁয়া গ্রাস করেছিল ট্রেনটিকে। সেই সময় নাকি কোনোক্রমে দুজন ট্রেন থেকে ঝাঁপ দেন। তার পর আর কিছু মনে ছিল না তাদের।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বোমা পড়ে সুড়ঙ্গের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খোঁজও থামিয়ে দিতে হয়। এর অনেক বছর পর ট্রেনটিকে ঘিরে এমন কিছু ঘটনা বা তথ্য সামনে আসতে শুরু করে, যা জানলে আরও হতচকিত হয়ে যেতে হয়।
মেক্সিকোর এক চিকিৎসক দাবি করেন, অনেক বছর আগে মেক্সিকোর একটি হাসপাতালে নাকি ওই ১০৪ যাত্রীকে ভর্তি করা হয়েছিল। তারা প্রত্যেকেই অসংলগ্ন কথা বলছিলেন। প্রত্যেকেই কোনো একটি ট্রেনের উল্লেখ করেছিলেন। সেই ট্রেনে করেই নাকি তারা মেক্সিকো পৌঁছেছিলেন।এমনকি ইতালির বিভিন্ন প্রান্তে, জার্মানি, রোমানিয়া এবং রাশিয়াতেও নাকি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষ ঠিক ওই রকমই একটি যাত্রীবোঝাই ট্রেন দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করতে শুরু করেছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা ট্রেনের যে বর্ণনা দিয়েছিলেন তা হুবহু ওই অদৃশ্য হওয়া ট্রেনটির মতো ছিল। সেই সময় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ট্রেনটি নাকি ট্রাইম ট্রাভেল করে ১৮৪০ সালের মেক্সিকোয় পৌঁছে গিয়েছিল।যদিও এই সব দাবির পক্ষে কোনো জোরালো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ট্রেনকে ঘিরে টাইম ট্রাভেলের যে কাহিনি ছড়িয়ে পড়ে তাতেও সিলমোহর দেওয়া যায়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ডাক্তার ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলায় রিনা বেগম (২৬) নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার( ১০ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইল জেনারেল হাসাপাতালের দক্ষিন পার্শ্বে(সাবালিয়া) অবস্থিত নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস মেডিক্যাল সেন্টারে সকাল ১০ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। রিনা বেগম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের রাঙাচিরা গ্রামের ইসরাইল মিয়ার স্ত্রী।
নিহতের স্বামী ইসরাইল মিয়া জানান, প্রসব ব্যাথা শুরু হলে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস সেন্টারে রিনা বেগমকে ভর্তি করা হয়। পরে গাইনী ডাক্তার ডা. সাদিয়া আফরিনের নেতৃত্বে অস্ত্রপাচারের (সিজার) মাধ্যমে রিনা বেগম কন্যা সন্তান জন্ম দেয়। পরে তাকে কেবিনে আনার পর রাত থেকে প্রচুর পরিমাণ রক্ত পড়তে থাকে। বিষয়টি ক্লিনিকের নার্সকে জানানো হয়। পরে সেই নার্স ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তারকে অবগত করে। তাদের একাধিকবার ফোন করার পরও তারা রোগীকে দেখতে আসেনি। পরে শুক্রবার সকালে রিনা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে ক্লিনিকের পক্ষ থেকে রিনা বেগমকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।
ক্লিনিকের দায়িত্ব প্রাপ্ত নার্স অনামিকা সরকার বলেন, আমি সকাল থেকে দায়িত্ব পালন করছি। রাতে ও বৃহস্পতিবার কি হয়েছে আমি তা জানি না।
রিনা বেগমের মা চায়না বেগম বলেন, সিজার ভালভাবে করা হয়নি। সিজার করার পরপরই পেট ফুলতে থাকে। পেটের দুই পাশ দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তার কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আমার মেয়ে বারবার ডাক্তারের কথা বলেছে। কিন্তু ডাক্তার দেখতে আসেনি। ডাক্তারের অবহেলায় আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আমাকে যারা সন্তানহারা করলো আমি তাদের কঠিন শাস্তি দাবি করছি।
নিহতের স্বামী ইসরাইল মিয়া আরও বলেন, ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিক কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আমার মেয়ে এতিম হয়েছে। আমার মেয়েকে যে এতিম করলো আমি ওই ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকের শাস্তি দাবি করছি।
নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস মেডিক্যাল সেন্টারের মালিক সরোয়ার হোসেন খান বলেন, আমি খবর পেয়ে ক্লিনিকে এসে জানতে পারি ডা. সাজিয়া আফরিন রোগিকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে রেফার্ড দিয়েছে। রোগির আত্মীয় স্বজন গাড়ীর সাথে যেতে রাজি না হওয়ায় আমার ক্লিনিকের ৩ জন স্টাফ দিয়ে মির্জাপুর পাঠানোর ব্যবস্থা করি।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডাক্তারই ভালো জানেন রোগিকে কোথায় রেফার্ড করবেন। এবিষয়ে ক্লিনিক মালিক কিছু বলতে অধিকার রাখে না।
একতার কণ্ঠঃ প্রশস্ত হচ্ছে টাঙ্গাইল-কালামপুর সড়ক। এ জন্য ‘টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালীপাড়া-কালামপুর বাসস্ট্যান্ড সড়ক আঞ্চলিক মহাসড়কের যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে, এক হাজার ৪৩৫ কোটি ৮৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।
প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগরপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সাথে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবে। এছাড়া প্রকল্প এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধিত হবে। তাই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সাথে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় পিইসি (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি) সভা। ওই সভায় দেওয়া সুপারিশগুলো প্রতিপালন করায় প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদফতর।
প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া (বালিয়াটি) সড়কটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা মহাসড়ক। যেটি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা থেকে শুরু হয়ে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি নামক স্থানে সমাপ্ত হয়েছে। জেলা মহাসড়কটির ঢাকা-টাঙ্গাইল জাতীয় মহাসড়ক এবং ঢাকা আরিচা জাতীয় মহাসড়কের মধ্যে ন্যূনতম সময়ে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছে। উল্লিখিত মহাসড়কটিকে আঞ্চলিক মহাসড়কের যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় নির্মাণ করা হলে নাগপুরসহ টাঙ্গাইল অঞ্চলের মানুষ প্রায় ৪০ কিলোমিটার কম দূরত্ব অতিক্রম করে সহজে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবে।
এছাড়া টাঙ্গাইল জেলার সঙ্গে মানিকগঞ্জ জেলার মধ্যে ন্যূনতম সময়ে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা সম্ভব হবে। ২৮ দশমিক ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া জেলা মহাসড়কটির সঙ্গে মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগাধীন গোলড়া-সাটুরিয়া জেলা মহাসড়কের ২ দশমিক ২৬ কিলোমিটার কাওয়ালিপাড়া-সাটুরিয়া জেলা মহাসড়কের ৪ দশমিক ২৪ কিলোমিটার, কালামপুর বাসস্ট্যান্ড-কাওয়ালিপাড়া-বালিয়া-ওয়ার্শি-মিজৃাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ১০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার, নতুন সড়ক নির্মাণ, বাঁকসরলীকরণ ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার ও টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগাধীন টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার জেলা মহাসড়ক ১১ কিলোমিটারসহ মোট ৫টি মহাসড়কের ৬১ দশমিক ৫২ কিলোমিটার অংশকে একীভূত করে কালামপুর থেকে কাওয়ালীপাড়া, সাটুরিয়া, লাউহাটি, দেলদুয়ার হয়ে টাঙ্গাইল পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ক মানে উন্নীতকরণ করা হলে নিরাপদ ও উন্নত সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে।
প্রস্তাবিত প্রকল্পে টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটি-সাটুরিয়া-কাওয়ালীপাড়া-কালামপুর বাসস্ট্যান্ড সড়কটিকে আঞ্চলিক মহাসড়কের যথাযথমানে উন্নীত করার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে ৬১ দশমিক ৫২ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তশরণ ও মজবুতিকরণ, দূর্ঘটনা প্রবণ ঝুকিপূর্ণ স্থানে সড়ক বাঁক সরলীকরণ, বাজার এলাকায় রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ, ঝুকিপূর্ণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও সরু সেতু কালভার্টের স্থলে ৪৪৬ মিটার ৩১টি কালভার্ট এবং ৩৮১ দশমিক ১৪ মিটার ৫টি সেতু পুনঃনির্মাণ করা হবে। এছাড়া পানি নির্গমনের জন্য ড্রেন ও সড়ক বাধ রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় রক্ষাপ্রদ কাজ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। টাঙ্গাইল ও মানিকগঞ্জের বিশাল জনপদে যোগাযোগের জন্য এটিই হবে মূল সড়ক এবং এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মূলত এই সড়কটিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার অধিকাংশ মানুষ পেশায় কৃষক এবং ব্যবসায়ী। তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য এবং অন্যান্য দ্রব্যাদিও দ্রুত ও সহজে পরিবহনের জন্য প্রস্তাবিত সড়কটি ব্যবহৃত হবে।
প্রকল্পের আওতায় মূল কার্যক্রমগুলো হচ্ছে, পেভমেন্ট প্রশস্তশরণ ও মজবুতিকরণ, ওভারলে সার্ফেসিং, সার্ফেসিং, গ্রেড সেপারেটেড ইন্টারসেকশন নির্মাণ, ইউ লুপ, আন্ডারপাস, আরসিসি রিজিড পেভমেন্ট, সসার ড্রেন এবং আরসিসি রিটেননিং ওয়াল নির্মাণ করা হবে।
এ বিষয়ে প্রকল্পটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন আল রশীদ বলেন, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল, দেলদুয়ার, নাগরপুর, ধামরাই ও সাটুরিয়া উপজেলার সাথে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার মধ্যে স্বল্পতম সময়ে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবে। এছাড়া প্রকল্প এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধিত হবে। তাই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ যমুনা, ধলেশ্বরী, ঝিনাই নদীর পানি কমায় টাঙ্গাইলের কয়েকটি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে নিন্মাঞ্চল হওয়ায় বাসাইল উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আছে। এ উপজেলার অধিকাংশ এলাকা এখনও বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। এদিকে,পানি কমতে থাকায় এ উপজেলায় নদী ভাঙ্গন আবারো তীব্র আকার ধারন করেছে। বন্যা কবলিত এলাকার গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বানভাসি মানুষগুলো গবাদিপশু নিয়ে পড়েছেন মহাবিপাকে।
পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে বীজতলা, রোপা আমন ধান ও সবজি খেত। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট। ভেঙ্গে গেছে রাস্তা-ঘাট। বানভাসিদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পারাপারের জন্য নৌকা কিংবা কলাগাছের ভেলাই একমাত্র ভরসা। শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে বেশ কিছু এলাকায়।
উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকার মধ্যে বেশি দুর্ভোগের শিকার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আদাজান, কোদালিয়াপাড়া, যৌতুকি,জিকাতলী পাড়া, মটেশ্বর, তারাবাড়ি, সৈদামপুর পুর্বপৌলী, সিঙ্গারডাক, কালাচান পাড়াসহ ইউনিয়নের বেশিরভাগ গ্রাম। হাবলা ইউনিয়নের টেংগুরিয়াপাড়া, ছয়শত, জীবনেশ্বর, থুপিয়া, গুল্লা, বয়রা। ফুলকী ইউনিয়নের ফুলকী দক্ষিণপাড়া, বালিয়া, খাটরা, নিড়াইল, করোটিয়াপাড়া, ময়থা। কাশিল ইউনিয়নের ফুলবাড়ি, বাঘিল, স্থলবল্লা। কাউলজানী ইউনিয়নের বাদিয়াজান, সুন্না, বার্থা, গিলাবাড়ি, ডুমনীবাড়ি, কাঙ্গগাগলীছেও, এবং বাসাইল সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর, রাশড়া, ইশ্বরগঞ্জ, হান্দুলী। এসব এলাকার মানুষের নৌকা ছাড়া যাতায়াতের কোন উপায় নেই।
বন্যা দুর্গত এলাকার কমলা রানী বলেন, গরু-বাছুর, হাস-মুরগী নিয়ে আমরা অনেক কষ্টে আছি। সবচেয়ে বেশি চিন্তা শিশু বাচ্চাদের নিয়ে। সব সময়ই আতংকে দিন কাটছে।
অসহায় ভূক্তভোগীরা জানান, করোনার ধকল না কাটতেই বন্যার জলে বন্ধি আমরা। কামাই-রোজি একবারে বন্ধ। অনেকেরই ঘরে চুলা জ্বলছে না। করোনার লকডাউন, আবার বন্যার পানি । জীবন আর চলে না।
কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন অর রশিদ জানান আমার ইউনিয়নে প্রায় প্রতিটি গ্রামের মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। পাকা কাঁচা রাস্তাগুলো তলিয়ে গেছে। কালর্ভাট ভেঙ্গে গেছে। রাস্তা ভেঙ্গে অনেকে জায়গায় বড়বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে। নৌকা ছাড়া চলাই যায় না।
বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ হতে আমরা বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়ে ত্রান পৌছে দিচ্ছি। ৩৩৩ নম্বরে কল দিলেও আমাদের পক্ষ হতে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়।ত্রাণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা উপজেলা প্রশাসনের রয়েছে।
বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, ভৌগলিক ভাবে বাসাইল একটি নীচু এলাকা। তাই প্রতি বছরই বন্যার সঙ্গে যুদ্ধ করেই বাঁচতে হয়। এবারও উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নেই মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে গ্রামীণ অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পানি-বন্ধি সহায়তার জন্য ত্রাণ কার্যক্রম চলছে। এলাকায় আরও পর্যাপ্ত ত্রাণসহযোগিতার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি।বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এসময় ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান হাসরত খান ভাসানী, যুগ্ম-মহাসচিব মো. আলাউদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ ডা. আব্দুল করিম, প্রধান শিক্ষক (অব.) নুরু, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেন, বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক মো. শামীম আল মামুন ও সদস্য সচিব শফিকুল ইসলামসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা সদর রোডস্থ ‘সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে’ এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী নিলুফা ইয়াসমিন খানের সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাদেকুল আলম খোকা, আলী ইমাম তপন, মাহমুদুল হক সানু, জিয়াউল হক শাহীন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম,সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী সহ অনান্য নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এড.মমতাজ করিম। আলোচনা শেষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা মহিলা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নিখোঁজের ৩দিন পর ফাহিম (১০) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার(৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধায় উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের বিলছাইয়া এলাকার একটি বিল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফাহিম উপজেলার দেউপুর দক্ষিন পাড়া গ্রামের শরীফুল ইসলামের ছেলে ও স্থানীয বিলছাইয়া আল মারকাযুদ্দীনিয্যাহ মদিনাতুল উলূম মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায় ,ফাহিম স্থানীয় ‘বিলছাইয়া আল মারকাযুদ্দীনিয্যাহ মদিনাতুল উলূম মাদ্রাসায়’ হেফজ খানায় পড়াশোনা করতো। সে গত সোমবার ভোর থেকে নিখোঁজ ছিলো । পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিলের মধ্যে ভাসমান মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা । পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
এ প্রসঙ্গে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার (৯ই সেপ্টম্বর) দুপুরে চকলেটের লোভ দেখিয়ে এক তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা ধর্ষক মোঃ শাকিলকে ধরে বেঁধে রাখে। পরে পুলিশ এসে শাকিলকে গ্রেপ্তার করে।
ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত মোঃশাকিল(২৫) লক্ষিন্দর ইউনিয়নে আকন্দের বাইদ(কাজীপাড়া) গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে।
শিশুটির মা জানায়, সকালে মেয়েকে হঠাৎ খুঁজে না পেয়ে ডাকা ডাকি করতে থাকলে পাশের বাড়িতে চিৎকারের আওয়াজ পান। পরে পাশের বাড়ির শাকিলের ঘর থেকে দৌড়ে আসে তার মেয়ে। জিজ্ঞাস করলে তার মেয়ে গোপন অঙ্গ দেখায়।
স্থানীয়রা জানান, বখাটে শাকিল একজন চিহ্নিত মাদকসেবী। এর আগেও মাদকসহ এলাকাবাসী আটক করে । শিশুকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে কৌশলে ডেকে নিজ ঘরে ধর্ষণ করে।
স্থানীয় লক্ষিন্দর ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান খান জানান, ঘটনা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে শাকিলকে অবরুদ্ধ দেখে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ এসে শাকিলকে আটক করে।
সাগরদীঘি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. আলাল মিয়া জানান, তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক শাকিলকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগে আটক শাকিলকে আসামি করে থানায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছে প্রথমবারের মতো অনুদানের সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। খোরশেদ আলম খসরু প্রযোজিত শাকিব খানের অনুদানের সিনেমা ‘গলুই’ পরিচালনা করছেন এস এ হক অলিক। সম্প্রতি জানা গেছে সিনেমাটি নিয়ে নতুন খবর। প্রকাশিত খবরে প্রকাশ যমুনার চর থেকে শুরু হচ্ছে শাকিব খানের অনুদানের সিনেমা ‘গলুই’ এর দৃশ্যধারনের কাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো শাকিব খানের নায়িকা হয়ে পর্দায় আসছেন পূজা চেরী।
জানা গেছে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে শাকিব খানের অনুদানের সিনেমা ‘গলুই’ এর দৃশ্যধারনের কাজ। ম্যাসব্যাপী সিনেমাটির দৃশ্যধারন হবে টাঙ্গাইল ও জামালপুরের বিভিন্ন লোকেশনে। প্রথম দিন জামালপুরের যমুনার চর এলাকায় শুরু হবে দৃশ্যধারন। আর এই লটের শুটিংয়ে অংশ নিচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার সময়ের সবচেয়ে বড় তারকা শাকিব খান।
এ প্রসঙ্গে একটি অনলাইন পত্রিকার সাথে আলাপকালে এস এ হক অলিক বলেন, ‘আমাদের টানা শুটের পরিকল্পনা আছে জামালপুর ও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন লোকেশনে। ৩৫ থেকে ৪০ দিন লাগবে সিনেমাটির শুট করতে। অভিনয় শিল্পীরা যাওয়া-আসার মধ্যে থাকবেন, যাঁর যখন শুট, তখন তিনি যোগ দেবেন।‘ তবে শাকিব খান ছাড়া সিনেমাটির অন্য শিল্পীদের নাম এখনই প্রকাশ করতে চান না এই নির্মাতা। এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘সিনেমাটিতে কারা অভিনয় করছেন, সেটি মহরত অনুষ্ঠানেই জানাতে চাই; সেটি শুট শুরুর কয়েক দিন আগে ঢাকায় করা হবে।’
ছবির নাম ‘গলুই’ রাখা হয়েছে নৌকা চালানোর জন্য যে গলুই লাগে তা থেকে। নৌকা বাইচ, একজন মাঝির জীবন জীবিকা, প্রেম, ভালোবাসার মাধ্যমে সমাজের প্রতিচ্ছবি উঠে আসবে ‘গলুই’ সিনেমায়। সিনেমাটিতে একজন মাঝির চরিত্রে অভিনয় করবেন ঢাকাই সিনেমার সময়ের সেরা নায়ক শাকিব খান। প্রযোজক সূত্রে জানা গেছে সিনেমাটি ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৬০ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছে।
প্রসঙ্গত, শাকিব খান এবং পূজা চেরী ছাড়াও সিনেমাটিতে আরো অভিনয় অভিনয় করছেন আজিজুল হাকিম ও ফজলুর রহমান বাবু। আর সিনেমাটির বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কুমার বিশ্বজিৎ এবং হাবিব ওয়াহিদ সহ অনেকেই।
উল্লেখ্য যে, এস এ হক অলিক একাধারে নাটক এবং সিনেমা নির্মান করে থাকেন। অলিক পরিচালিত ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’ সিনেমা দুটি দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলো। এছাড়া অলিক এর আগে সুপারস্টার শাকিব খানকে নিয়ে ‘আরো ভালোবাসব তোমায়’ নামের একটি সিনেমা নির্মান করেছিলেন। ২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিলো এই সিনেমাটি।