/ হোম / একতার কণ্ঠ
টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭৩ বস্তা চালসহ গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭৩ বস্তা চালসহ গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ছিলিমপুর বাজারে একটি পাটের গুদামে সোমবার (৮ নভেম্বর) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে ৭৩ বস্তা (২.২ মেট্রিক টন) সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল উদ্ধার করেছে র‌্যাব।এ সময় দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বড়বেলতা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন মন্ডলের ছেলে আব্দুল আজিজ মন্ডল (৬০) ও একই উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মো.সোহেল (২৮)।

র‌্যাব-১২ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব দেলদুয়ার উপজেলার ছিলিমপুর বাজারে অভিযান চালায়।অভিযানে র‌্যাব সদস্যরা ছিলিমপুর বাজারের জনৈক সেকান্দরের পাটের গুদামের ভেতর থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩০ কেজি ওজনের ২৩ বস্তা চাল জব্দ করে। এ সময় পাচারের জন্য মিনি ট্রাকে রাখা আরো ৫০ বস্তা সহ মোট ৭৩ বস্তা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-১২ আরো জানায়, অভিযানকালে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুল আজিজ মন্ডল ও মো. সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২১ ০৮:৫৯:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সংর্বধনা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সংর্বধনা

একতার কণ্ঠঃ জাতীয় পর্যায়ে ২১ শে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সংর্বধনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উদ্যোগে ওই সংর্বধনা  প্রদান করা হয়।

সংর্বধনা অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ইমরান, ষাটের দশকের অন্যতম কবি বীর মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর, মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের যুগ্ম- সম্পাদক ড. জান্নাত আরা হেনরী, টাঙ্গাইল বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার নাজিম উদ্দিন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. জাফর আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রিন্সিপাল শাহানা বেগম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুল এর পরিচালনা পরিষদের সদস্য হারুন-অর-রশিদ।

এ সময় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-অভিভাবক, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২১ ০২:৪৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঐন্দ্রিলা কর্মকার(১৪) নামের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার(৮ নভেম্বর) ভোরে সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কালিদাস রোডের পল্টনপাড় নামক এলাকায় ওই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। ঐন্দ্রিলা  একই এলাকার ডা:গোপাল কর্মকারের মেয়ে।

পুলিশ ও পারিবারিকসূত্রে জানা যায়,ঐন্দ্রিলা কর্মকার সখীপুর পি এম পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পরিবারের সাথে রাতের খাবার শেষ করে সে তার নিজ রুমে ঘুমাতে যায়।

সোমবার ভোরে নিহতের মা তার খোঁজ খবর নিতে রুমে গিয়ে ঐন্দ্রিলাকে গলায় গামছা বাধাঁ অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

সখীপুর থানার পরিদর্শক(এসআই) মো.মেহেদী হাসান জানান,হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক সুরতহাল করা হয়। পরিবারের লোকজনের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. নভেম্বর ২০২১ ০১:১১:এএম ৫ বছর আগে
যেসব কারণে মানুষ কোমায় চলে যান - Ekotar Kantho

যেসব কারণে মানুষ কোমায় চলে যান

একতার কণ্ঠঃ কোমা শব্দটির সঙ্গে আমরা অনেকেই পরিচিত। মূলত কোমা হচ্ছে এমন একটি পরিস্থিতি যেটি দীর্ঘস্থায়ী অচেতনতা বা অজ্ঞান হয়ে থাকার মতো অবস্থার সৃষ্টি করে। এমনটি হলে মানুষের চেতনা কাজ করে না। তাই তারা জেগেও উঠতে পারে না।

এ সমস্যাটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। বিশেষ করে মাথায় জোরে আঘাত পেলে, স্ট্রোক, মস্তিষ্কের টিউমার, বিভিন্ন ড্রাগ বা অ্যালকোহল গ্রহন বা নেশা, ডায়বেটিস বা বিভিন্ন অন্তর্নিহিত অসুস্থতার কারণেও এটি হতে পারে।

কোমা হচ্ছে একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি অবস্থা। এটি হলে তা সেরে ওঠাও অনেক কষ্টকর। আর এটি মস্তিষ্ককে অকেজো করে দেওয়া ও মৃত্যু ঘটানোর মতো পর্যায়ে যেতে পারে। তাই জীবন এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সংরক্ষণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

এ জন্য নিজেকে সচেতন রাখতে জেনে নিন যেসব কারণে চলে যেতে পরেন কোমায়—

১. মস্কিষ্কে আঘাত
বেশিরভাগ কোমাই মস্তিষ্কে সজোরে আঘাত পাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। তাই সচেতন থাকতে হবে যাতে মস্তিষ্কে আঘাত না লাগে।

২. স্ট্রোক
মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ হ্রাস বা বাধাগ্রস্ত হলে, রক্তবাহী ধমনীর পথ সংকীর্ণ হলে বা রক্তনালী ফেটে গেলে স্ট্রোক হয়। আর এ রকম বড় ধরণের স্ট্রোকের কারণে মানুষ কোমায় চলে যেতে পারে।

৩.টিউমার
মস্তিষ্কের ভিতর অনেকের টিউমার হয়ে তাকে। আর এ ধরনের টিউমারের কারণে অনেক সময় রোগীকে কোমায় চলে যেতে হতে পারে।

৪. ডায়াবেটিস
ডায়বেটিসের সময়ে রক্তে শর্করার মাত্রা হটাৎ খুব বেশি হয়ে গেলে অথবা খুব কম হয়ে গেলে কোমা হতে পারে।

৫. অক্সিজেনের অভাব
ডুবে যাওয়া থেকে উদ্ধার করা অথবা হার্ট অ্যাটাকের পরে পুনরুজ্জীবিত হওয়া ব্যাক্তিদের মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিতে পারে। আর এর ফলেও কোমা হতে পারে।

৬. সংক্রমণ
এনসেফালাইটিস এবং মেনিনজাইটিসের মতো সংক্রমণের ফলে মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ডের কর্ড বা মস্তিষ্কের চারপাশের টিস্যু ফুলে যায়। আর এমন সংক্রমণের গুরুতর ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের বড় ক্ষতি বা কোমা হতে পারে।

৭. খিঁচুনি
খিঁচুনির মাত্রা অনেক বেড়ে গেলে বা গুরুতর হয়ে গেলে অনেকে কোমায় চলে যেতে পারেন।

৮. টক্সিন
কার্বন মনোক্সাইড বা সীসার মতো বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং এর পরিণতিতে কোমায় চলে যেতে পারেন।

৯. মাদক এবং অ্যালকোহল
বিভিন্ন ওষুধ, নেশাজাত দ্রব্য এবং অ্যালকোহল অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণের কারণে অনেকে কোমায় চলে যেতে পারেন।

সংবাদ সূত্র- যুগান্তর আনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০৭:৩৪:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপির ৭ই নভেম্বেরের অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির ৭ই নভেম্বেরের অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোল

একতার কণ্ঠঃ ৭ই নভেম্বরের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের সৃস্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ওই ছবি তুলতে গেলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাতে বাঁধা প্রদান  করেন।টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নব গঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু অনুষ্ঠানে হট্টগোলের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

রবিবার( ৭ নভেম্বর) দুপুরে শহরের জেলা সদর রোড় সংলগ্ন সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত আলোচনা সভায় ওই হট্টগোল ও  বাঁধা দেওযার ঘটনাটি ঘটে।

অনুষ্ঠানে আলোচনা চলাকালীন সময় স্লোগান দেওয়ায় বিএনপির টাঙ্গাইল জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড.ফরহাদ ইকবাল ও জেলা যুবদলের আহবায়ক আশরাফ পাহেলীর সমর্থকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেন্দ্রিয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এসময় বিশৃঙ্খলার চিত্র ধারন করতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা দেন বিএনপির কর্মী সমর্থকরা।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল বলেন, অনুষ্ঠানে বক্তব্য চলাকালিন সময়ে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃস্টি হলেও তা তাৎক্ষনিক ভাবে সমাধান করা হয়েছে।

জেলা যুবদলের আহবায়ক আশরাফ পাহেলী বলেন, স্লোগান কোন ভাইয়ের নামে হবেনা। স্লোগান হবে নেতাদের নামে। তবে যতটুকু বিশৃঙ্খলা হয়েছিলো তা ওই সময়েই মিমাংসা করা হয়েছে।

আলোচনা সভায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহবায়ক আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিন ও এড. ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।

এসময় জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, মহিলাদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০২:০৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

একতার কণ্ঠঃ আগামী তিন মাসের জন্য টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক ও মাহমুদুল হককে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

বুধবার (৩ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রেজভী ৪৬ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, অমল ব্যানার্জি, দেওয়ান সফিকুল ইসলাম, সদস্য বেনজির আহমেদ টিটু, শ্যামল হোড়, আলী ইমান তপন, সাইদুল হক সাদু, ফাইজুর রহমান, সফিকুল ইসলাম রিপন, আব্দুল আজিজ চাঁন খা, শাহজাহান সাজু, আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, এম এ সালাম, মোয়াজ্জেম হোসেন, আতাউর রহমান জিন্নাহ, সরকার শহীদ, জি এস বাবুল, আলমগীর হোসেন, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, সিরাজুল হক সানা, গোলাম মোস্তফা, জাকির হোসেন, এনামুল করিম অটল, আবুল কাশেম, আব্দুল কাদের, সৈয়দ শাহিন, আশরাফ পাহেলী, খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, তারিকুল ইসলাম ঝলক, সফিকুল ইসলাম সফিক, রফিকুল ইসলাম স্বপন, শাহিন আকন্দ, ইজাজুল হক সবুজ, নুরে আলম সাদেক, রক্সি মেহেদী, শামসুল আলম, শামীম হাসান স্বপন, দীপু হায়দার খান, খ. আ. মোকাদ্দেস, আনিস চৌধুরী, মনিরুল ইসলাম মনির ও শহিদুল করিম।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. নভেম্বর ২০২১ ০১:০৩:এএম ৫ বছর আগে
আবারও বাড়লো বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলের হার - Ekotar Kantho

আবারও বাড়লো বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলের হার

একতার কণ্ঠঃ দেশের বৃহৎ বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিতীয় দফায় বেড়েছে যানবাহন থেকে টোল আদায়ের হার। এর আগে ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর ২০১১ সালে টোল বৃদ্ধি করা হয়। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বৃদ্ধি নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (উন্নয়ন) মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের এর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ওই তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন জারি হলেও বুধবার ৩ (নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু সেতুতে পারাপার হওয়া যানবাহন থেকে পূর্বে ধার্যকৃত রেটে টোল আদায় করছে কর্তৃপক্ষ। তবে বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকেই চালকদের অবহিত করতে তাদের হাতে টোল বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বিলি করছেন।

বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সেতু বিভাগের আওতাধীন বঙ্গবন্ধু সেতুর জন্য অনুমোদিত যানবাহনের শ্রেনীবিন্যাস এবং টোল হার ধরা হয়েছে যথাক্রমে মোটরসাইকেল ৫০ টাকা, হাল্কা যানবাহনের মধ্যে কার/জিপ ৫৫০, মাইক্রো, পিকআপ ৬০০, ছোট বাস (৩১ আসন বা এর কম) ৭৫০, বড় বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) ১০০০, ছোট ট্রাক (৫ টন) ১০০০, মাঝারি ট্রাক (৫ টন থেকে ৮ টন) ১২৫০, মাঝারি ট্রাক (৮ টন থেকে ১১ টন) ১৬০০ টাকা, ট্রাক (৩ এক্সেল) ২০০০, ট্রেইলার (৪ এক্সেল) ৩০০০, ট্রেইলার (৪ এক্সেলের অধিক) ৪০০০ টাকা এবং সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন চলাচলের জন্য প্রতিবছর ১ কোটি টাকা টোল আদায় করা হবে।

বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, টোল বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। অতিদ্রুতই নতুন রেটে সেতুতে টোল আদায় শুরু হবে। টোল বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন চালকদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ব্যাপক প্রচারের জন্য সেতু কর্তৃপক্ষ আলাদাভাবে এই সংক্রান্ত লিফলেট ছাপানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সেতু টোল বৃদ্ধি নিয়ে চালকদের মাঝে কোনো প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২১ ০১:২৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জেলহত্যা দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জেলহত্যা দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বুধবার(৩ নভেম্বর) সকালে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ।

জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, সহ-সভাপতি ছানোয়ার হোসেন এমপি।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভির হোসেন ছোট মনির এমপি, সহ-সভাপতি শামসুল হক ও আনিসুর রহমান আনিস, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর,  সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা ও জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

পরে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা লীগসহ অন্যান্য সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে।

এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলা হত্যা দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২১ ০১:৪৪:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার(২ নভেম্বর) থেকে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরআগে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য গত ২৫ অক্টোবর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল সমূহ খুলে দেওয়া হয়।

করোনা মহামারীর কারণে বন্ধ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ায় মঙ্গলবার সকালে শিক্ষার্থীরা সশরীরে ক্লাসে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান ফটকের সামনে পৌছলে শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ফুল ও মাস্ক দিয়ে বরণ করা হয়। পরে তাদেরকে মিষ্টিমুখ করানো হয়।

শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুল হক, প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন- শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. এএসএম সাইফুল্লাহ।
এসময় ডিন, অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৪৭তম (জরুরি) সভার সুপারিশের ভিত্তিতে একই দিন অনুষ্ঠিত ২২৩তম (জরুরি) রিজেণ্ট বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০৩:১৬:এএম ৫ বছর আগে
দীর্ঘায়ুর গোপন রহস্য জানা গেল নতুন গবেষণায় - Ekotar Kantho

দীর্ঘায়ুর গোপন রহস্য জানা গেল নতুন গবেষণায়

একতার কণ্ঠঃ নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, যেসব মানুষ প্রক্রিয়াজাত মাংস, রেডমিট, চিনি বেশি খান তাদের মৃত্যু ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় ২১ শতাংশ বেড়ে যায় এবং তাদের হৃদরোগের ঝুঁকিও অন্যদের তুলনায় বাড়ে ২২ শতাংশ।

নতুন গবেষণাটিতে আরো জানা গেছে, যারা খাদ্যশস্য, শিম জাতীয় খাবার, মাছ, সবজি বেশি খান তাদের মৃত্যু ঝুঁকি ও হৃদরোগের হার যথাক্রমে ১৭ শতাংশ ও ২৮ শতাংশ কমে যায়। গবেষণাপত্রটি আমেরিকান জার্নাল ‘সার্কুলেশন’ এ প্রকাশিত হয়েছে।

খাবার ও দীর্ঘায়ুর সম্পর্ক: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা বার বার এটা বলে আসছেন- আমরা যা খাই, তার সঙ্গে সার্বিক সুস্থ থাকার ব্যাপারটা জড়িত। নতুন প্রকাশিত গবেষণাটির জন্য গবেষকরা বিশ্বের সেসব এলাকায় জরিপ চালিয়েছেন যেখানে মানুষ বেশি দিন বাঁচে। আর সেই গবেষণায় জানা গেছে সেসব এলাকার মানুষ সবাই প্রায় একই ধরনের খাবার খান, যা তাদের দীর্ঘায়ুর গোপন রহস্য। বিশ্বের সেসব এলাকাকে ব্লু জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সেখানকার মানুষরা সাধারণত শিম জাতীয় খাবার বেশি খান।

ব্লু জোন ডায়েট কী?: ব্লু জোন হলো বিশ্বের কয়েকটি স্থান যেখানকার মানুষ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করেন ও যাদের আয়ু বেশি হয়। সেসব এলাকার মধ্যে আছে- গ্রিসের ইকারিয়া দ্বীপ, ইতালির সার্ডিনিয়া, জাপানের ওকিনাওয়া, কোস্টারিকার নিকোয়া উপত্যকা। সেখানকার মানুষদের খাদ্য তালিকায় আছে উদ্ভিজ্জ খাবার, যাতে প্রতিদিনের খাবারের ৯৫ শতাংশই হয় সবজি, ফল, খাদ্যশস্য ও শিমজাতীয় খাবার। ব্লু জোন এলাকার মানুষজন সাধারণত মাংস, দুধ ও চিনি জাতীয় খাবার ও কোমল পানীয় পরিহার করেন। প্রক্রিয়াজাত খাবারও খান না সেসব এলাকার মানুষ।

শিম জাতীয় খাবার কীভাবে আয়ু বাড়ায়?: ব্লু জোন এলাকার মানুষরা সাধারণত প্রতিদিন এক কাপ পরিমাণ শিম জাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন। শিম জাতীয় খাবার যেমন- শিম, মটর, ছোলা আর ডাল খান ব্লু জোন এলাকার মানুষ। আর সেসব খাবারে প্রোটিন ও ফাইবার থাকে বেশি, চিনি ও ফ্যাট থাকে কম। প্রোটিন শরীরের মাংসপেশি তৈরি করে, ওজন ঠিক রাখে। আর ফাইবার হাইপার টেনশন, হজমের সমস্যা, ডায়াবেটিসের সমস্যা, হতাশা দূর করে। শিমে পলিফেনল নামের একটি শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, গবেষকরা বলছেন আয়ু বাড়ার ক্ষেত্রে এটি বেশ সহায়ক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০৩:২৪:এএম ৫ বছর আগে
আর কবে ‘বড়’ হবে বাংলাদেশ? - Ekotar Kantho

আর কবে ‘বড়’ হবে বাংলাদেশ?

একতার কণ্ঠঃ ছেলেবেলার ভুল লোকে আমলে নেয় না। বরং আদরের ছলে পিঠ চাপড়ে বলে, ‘ছোট মানুষ, বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে।’ কিন্তু ঠিক কত বড় হলে ‘সেসব’ ঠিক হয়ে যায়, সে বিষয়ে কেউ নিদান দেয় না। ধরে নেওয়া হয়, পূর্ণবয়স্ক হলে ঠিক হয়ে যাবে।

লোকসমাজের এই প্রথা বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গেও বেশ মানানসই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ভালো করতে পারছে না? হতাশ হবেন না। বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে। ধৈর্য ধরুন।

সান্ত্বনাবাণী কিংবা সুনীলের ‘কেউ কথা রাখেনি’র নাদের আলীর মতো কবিতাসর্বস্ব প্রতিশ্রুতি নয়। মরাবাড়িতে আসা প্রতিবেশীদের বাস্তব পরামর্শের মতো নিতে পারেন কথাটা।

সেই প্রার্থনার ভাষা অনেকটাই জেমসের এই গানের কথার মতো—‘সবুজ ঘাসে/একা একা/শুধু পথচলা/সারারাত তারা দেখে/নির্ঘুম ডানা মেলা/বৃষ্টির আঁধারে/অবিরাম ভিজে চলা/সব ভুলে চিৎকারে/এসো হোক প্রার্থনা/বড় হও, দীর্ঘ হও, শুধু বেড়ে ওঠো, শুধু বেড়ে…।

একটা উদাহরণ দিই। দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আজ ৯ ওভারের মধ্যে ৩৬ রান তুলতে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। নিঃসন্দেহে ‘নস্টালজিক পারফরম্যান্স’। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ সর্বশেষ কোনো ম্যাচে ৯ ওভারের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়েছিল প্রথম সংস্করণে—২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

সে ম্যাচে ৯ ওভারের মধ্যে ৪৮ রান তুলতে ৫ উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৮৩ রানে অলআউট। এই ১৪ বছর পেরিয়ে আজ বাড়ল ১ রান—মানে ৮৪ রানে অলআউট।

এবার একটি হিসেব কষা যাক। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বয়স ১৫ বছর পেরিয়ে গেছে। সংস্করণটির দৈর্ঘ্য বিচারে টগবগে ‘যুবক’ বলাই যায়। তো, এই যুবক শৈশবে থাকতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেট হারানোকে কেউ ব্যর্থতার চোখে দেখেনি। ছোট মানুষ, বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে—ভেবেছেন সবাই।

দুর্ভাগ্য, সব ভাবনা বাস্তবতার আলো দেখে না। উদাহরণ রয়েছে আমাদের আশপাশেই।

এই তো আমাদের লোকসমাজেই এমন অনেক মানুষ আছেন—যাদের বয়স পঞ্চাশ পেরিয়ে গেলেও মাথাটা আর বাড়ে না। নাবালকই থেকে যায়। সমাজে তাঁরা যেমন মশকরার পাত্র তেমনি দীর্ঘশ্বাসও ফেলা হয়।

তেমনি বাংলাদেশ দলও এই সংস্করণে ১৫ বছর পার করেও শৈশব (প্রথম বিশ্বকাপের স্মৃতি) ধরে রাখায় মশকরা করবেন না দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন, তা একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে বাস্তবতাকে এড়িয়ে চলার সুযোগ তো নেই। এই ম্যাচের বাস্তবতা বলছে, বাংলাদেশ দলের বয়স কমছে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সে ম্যাচে ৮.১ ওভারে ৪০ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর অনেক জল গড়িয়েছে পদ্মা-মেঘনা-যমুনায়, বাংলাদেশ দল বড় হয়ে ওঠার বেগ বাড়াতে খেলোয়াড় পাল্টিয়েছে এন্তার, কিন্তু চাইলেই তো সব হয় না। তাহলে পৃথিবীতে ‘বুড়ো খোকা’ শব্দটা থাকত না। (সমর্থকদের) প্রার্থনায় কাজ হতো।

কিছু বিষয় তো ভাগ্যের হাতে—ঠিক যেভাবে বাবা-মায়ের শত প্রার্থনার পরও গায়ে-গতরে বেড়ে ওঠা সন্তানের বুদ্ধি-সামর্থ্য হয় না। অভিজ্ঞতার যূপকাষ্ঠে পুড়ে অঙ্গার হওয়া মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহর চেয়ে তা কে ভালো বুঝবে!

২০০৭ বিশ্বকাপের সে ম্যাচের দল থেকে শুধু তিনজন খেলোয়াড় এখনো টিকে আছেন টি-টোয়েন্টি দলে। এদের একজন চোটে পড়ে বিদায় নিয়েছেন এবারের বিশ্বকাপ থেকে। বাকি নাম দুটো না বললেও চলছে। শুধু তাঁদের বুদ্ধিমানের মতো কাজগুলো দেখুন।

প্রতি ম্যাচ হারের পর মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর সব রকম কথার অন্তর্নিহিত বার্তা একটাই—‘চেষ্টা তো করছি কিন্তু হচ্ছে না।’ অর্থাৎ, ভাগ্য—সেই বুড়ো খোকার ভাগ্য! শরীর ও বয়স বাড়লেও মনের তো বুদ্ধি কমছে। মুশফিক নিজে তা স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না বলেই হয়তো বুদ্ধি খাঁটিয়ে আয়নায় সবাইকে দেখে নিতে বলেছেন।

তেমন এক নস্টালজিক আয়নাতেই ধরা পড়ল সত্যটা—১৪ বছর আগের সে ম্যাচে ৮.১ ওভারে ৪০ রান তুলতে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৪ বছর পর তেমনই এক ম্যাচে সেই ৮.১ ওভারেই বাংলাদেশের অর্জন ৫ উইকেটে ৩৪। সামর্থ্যের ‘বয়স’টা তাহলে বাড়ল না কমল?

মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর মতো সিনিয়র খেলোয়াড়েরা যেহেতু সরাসরি বলতে পারছেন না, আনুষ্ঠানিক কথার ভাঁজে ‘গোপন বার্তা’ রেখে বোঝাতে হচ্ছে—দায়িত্বটা তাই কাঁধে তুলে নিয়েছে কচি-কাঁচার দল। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সে ম্যাচে ৮.১ ওভারে রান তোলার তাড়া সইতে না পেরে রানআউট হয়েছিলেন নাদিফ চৌধুরী। তখন তিনি দলের ‘নতুন কুঁড়ি’দের একজন, টি-টোয়েন্টিতে ভবিষ্যৎ হিসেবে ভাবা হয়েছে।

১৪ বছর পর আজকের ম্যাচে সেই একই পরিস্থিতিতে দলের মনের বয়সটা যে একই জায়গায় আছে, সেটাও বুঝিয়েছেন আরেক ‘নতুন কুঁড়ি’—আফিফ হোসেন।

ম্যাচ পরিস্থিতি কোনো বিষয় না, অনেকটাই বয়ঃসন্ধি কালের রোমাঞ্চের জ্বালা-পোড়া সইতে না পেরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টির ‘ভবিষ্যৎ’ প্রথম বলেই হাঁকিয়ে মারতে গিয়ে আউট।

কিন্তু এ কথাও সত্য, কেউ তো ইচ্ছে করে আউট হয় না। সমাজে যে লোকটা বুড়ো বয়সে কম বুদ্ধি-সামর্থ্যের বলি হয়ে প্রতিনিয়ত লাঞ্ছনা-গঞ্জনা সইছে, খোঁটা শুনছে —সে কী আর ইচ্ছে করে এসব করবে! মোটেও না। হয়ে যায়।

যেমন ধরুন, আজ আবুধাবির উইকেট—দক্ষিণ আফ্রিকা টস জেতার পর সবুজাভ উইকেট দেখে বোলিং নেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। বোঝাই যাচ্ছিল, সবুজ উইকেটের পূর্ণ সদ্ব্যবহারে প্রস্তুত দুই পেসার কাগিসো রাবাদা ও আনরিখ নর্কিয়া।

প্রস্তুত ছিলেন মুশফিক-মাহমুদউল্লাহও। রাবাদা ও নর্কিয়ার লেংথ থেকে তোলা বলগুলো খেলতে দুজনের ঘাম ছুটলেও চেষ্টার কমতি ছিল না। কিন্তু ওই যে দুর্ভাগ্য, ব্যাটে খেলতে গিয়েও বলের ছল-চাতুরীর শিকার! ছুঁয়ে দিয়ে ‘আপন’ করেছে ফিল্ডারকে!

দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দুই খেলোয়াড় ১৫-১৬ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়েও যখন এমন বল সামলাতে পারেন না, তখন ছোটদের কথা না তোলাই ভালো।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, কেউ তো আর ইচ্ছে করে খারাপ খেলে না, ক্যাচ ছাড়ে না, আউট হয় না। সবই অনিচ্ছাকৃত ভুল। হয়ে যায়। ব্যাপারটা এমনই ‘প্রাকৃতিক’—আর কে না জানে প্রকৃতির খেয়াল-খুশির ওপর কারও হাত নেই। এই কথাটা খেলোয়াড়েরা বুঝলেও অবুঝের মতো আচরণ করছেন শুধু সমর্থকেরা।

সব ম্যাচেই শুধু চাই, চাই আর চাই। আরে ভাই, বিধিলিপি বলেও তো কিছু আছে! সেই ‘লিপি’র তোয়াক্কা না করে খেলোয়াড়দের এন্তার সমালোচনার হেতু কি? মাহমুদউল্লাহই বলেছেন,খেলোয়াড়েরাও তো মানুষ! আর মানুষ মাত্রই ভাগ্যের শৃঙ্খল-বন্দী।

বোকা সমর্থকেরা তা না বুঝেই প্রতি হারের পর মা-বাবা যেমন সন্তানদের শাসন করেন, খেলোয়াড়দের সেভাবে ‘শাসন’ করে আবার প্রার্থনায় বসেন পরের ম্যাচের জন্য।

সেই প্রার্থনার ভাষা অনেকটাই জেমসের এই গানের কথার মতো—‘সবুজ ঘাসে/একা একা/শুধু পথচলা/সারারাত তারা দেখে/নির্ঘুম ডানা মেলা/বৃষ্টির আঁধারে/অবিরাম ভিজে চলা/সব ভুলে চিৎকারে/এসো হোক প্রার্থনা/বড় হও, দীর্ঘ হও, শুধু বেড়ে ওঠো, শুধু বেড়ে…।

হ্যাঁ, শুধুই বেড়ে ওঠা। আর কিছু না!

সংবাদ সূত্রঃ প্রথম আলো অনলাইন

ছবিঃ রাইজিং বিডি

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০২:২০:এএম ৫ বছর আগে
উপ-নির্বাচনে জহুরুল ইসলাম আজাদ কাউন্সিলর নির্বাচিত - Ekotar Kantho

উপ-নির্বাচনে জহুরুল ইসলাম আজাদ কাউন্সিলর নির্বাচিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচনে ২ হাজার ২৬৬ ভোট পেয়ে জহুরুল ইসলাম আজাদ (পানির বোতল) বেসরকারিভাবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী মোশারফ হোসেন (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ৯২৮ ভোট।মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচমএম কামরুল হাসান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে দুটি কেন্দ্র দুই ম্যাজিষ্ট্রেট সহ পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, ৭ হাজার  ২৭৬ জন ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৯৩৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

এর মধ্যে জহুরুল ইসলাম আজাদ (পানির বোতল) পেয়েছেন ২ হাজার ২৬৬ ভোট, মোশারফ হোসেন (ডালিম) পেয়েছেন ১ হাজার ৯২৮ ভোট, মীর মঈনুল হক লিটন (উটপাখি) পেয়েছেন ৭২৫ ভোট, হাবিবুল হাসান কনক (পাঞ্জাবি) পেয়েছেন ১০ ভোট ও আমির হোসেন (টেবিল ল্যাম্প) পেয়েছেন ৬ ভোট। এছাড়াও ৩১ টি ভোট বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকা মৃত্যুবরণ করেন। তারপর থেকে এই ওয়ার্ডটি শূন্য ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২১ ০১:৪০:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।