একতার কণ্ঠঃ লিভার আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এটি আমাদের শরীরে ৫০০টিরও বেশি কাজ করে থাকে। শরীরে রক্ত পরিশোধন, শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেওয়া, হজমের জন্য পিত্ত উৎপন্ন করা, শরীরে ভিটামিন এ, ডি, ইসহ বিভিন্ন উপাদান ধরে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে লিভার।
ক্যালিফোর্নিয়ার হেলথউইনস কোচিং অ্যান্ড কনসালটিংয়ের মালিক ও নিবন্ধিত ডায়েটিশিয়ান এবং পুষ্টিবিদ জানা মোয়ারার বলছেন, কার্যত শ্বাস নেওয়া ছাড়া শরীরের সব কিছু করতে লিভার গুরুত্বপূর্ণ।
তাই নিজেকে সুরক্ষিত ও সুস্থ রাখতে লিভার ভালো রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজ জানুন এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো আপনার লিভার ভালো রাখতে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।
খাবার গুলো হলঃ–
১. কফি
কফি আমাদের লিভারের জন্য অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে। ডায়েটিশিয়ান জেমি হিকির বলছেন, কফি দীর্ঘস্থায়ী লিভারের রোগ, সিরোসিস— এমনকি লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে চিনি ছাড়া ও ব্ল্যাক কফি খেলে এটি চর্বি এবং কোলাজেন উৎপাদনে বাধা দিয়ে লিভারকে সাহায্য করে।
২. বেরিজাতীয় ফল
বিভিন্ন বেরিজাতীয় ফল যদিও আমাদের দেশে অতোটা প্রচলিত না, তার পরও এখন এসব ফলের দেখা মেলে বাজারে। এর মধ্যে রয়েছে স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাম্পবেরি ইত্যাদি। এসব ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি ও পানি থাকে। এ কারণে এসব ফলগুলো লিভারের জন্য অনেক উপকারী ভূমিকা রাখে।
৩. চর্বিযুক্ত মাছ
মাছের ফ্যাট বা চর্বি লিভারের জন্য অনেক উপকারী। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকায় তা লিভারের জন্য অনেক ভালো। ট্যাম্পার গ্যাস্ট্রো এমডির সহকারী চিকিত্সক কাইল হ্যারিস বলছেন, রাতের খাবারে চর্বিযুক্ত মাছ লিবারের জন্য অনেক উপকারি হতে পারে।
৪. পানি
পানি আমাদের কাছে অনেক সাধারণ মনে হলেও এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। বিশেষ করে এটি লিভারের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পানি আমাদের শরীরে খাবারকে হজম করতে সাহার্য করে এবং লিভারকে তার কাজ ভালোভাবে করতে সহায়তা করে।
৫. অলিভ ওয়েল
যদিও আমাদের দেশে খাবারের জন্য অলিভ ওয়েল অতোটা প্রচলিত না, তবে এটি লিভারের জন্য অনেক উপকারী। এতে অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যেটি লিভার ও শরীরের জন্য অনেক উপকারী।
৬. বাদাম ও শশ্য
বিভিন্ন বাদাম ও মটরশুটি, মশুর ডাল, চিনাবাদাম ইত্যাদি শশ্যের মিশ্রণে ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকে। এ কারণে এগুলো লিভারের জন্য উপকারী হওয়ার পাশাপাশি হার্টেরও অনেক উপকার করে বলে বলছেন হিকি।
ওয়ার্ল্ড জার্নাল অফ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির ২০১৫ সালের রিপোর্ট অনুসারে জানা যায়, আখরোট জাতীয় বাদাম লিভারের রোগে আক্রান্তদের সুস্থতায় বেশ সাহায্য করতে পারে।
তথ্যসূত্র: ইউএস নিউজ ডটকম
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন না মঞ্জুর হয়েছে।সোমবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে এ বিষয়ে শুনানি শেষে এমন আদেশ দিলেন আদালত।এ নিয়ে মোট ১৬ বার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হল।
সহিদুর টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার ভাই এবং ওই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে। প্রায় ১১ মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি মনিরুল ইসলাম জানান, প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মুক্তির আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন করেছিলেন। সোমবার (২৫ অক্টোবর) এই আবেদনের শুনানিতে তারা যে কোনো শর্তে সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে বিচারক মাসুদ পারভেজ তাদের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। তারপর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারা হেফাজতে আছেন।
গত ১৮ আগস্ট সহিদুর রহমান খান মুক্তি কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়েছিল। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে তাকে আবার টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজ পাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে এ দু’জনের দেওয়া স্বাীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন এমপি আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পন করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দাওয়াত খেয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় মা ও ছেলে নিহত হয়েছে। এতে বাবা ও বড় ছেলে আহত হয়েছে।শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা রেলক্রসিং এ ওই দুর্ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
হতাহতরা হলেন, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ময়থা উত্তরপাড়া গ্রামের আজগর আলীর স্ত্রী সানসিয়া সুলতানা সারা (২৫) ও তার ছোট ছেলে রাইয়ান ( আড়াই বছর)। আহত হয়েছে নিহতের স্বামী আজগর আলী (৩০) ও বড় ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৫)।
সানসিয়া সুলতানা সারার ভাই জামিলুর রহমান বলেন, হাতিলা গ্রামে আজগর আলী তার মামার বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে স্ত্রী ও দুই ছেলেকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। হাতিলা রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় তারা ছিটকে পড়ে যায়। এতে মা ও ছেলের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়। আহত বাবা ও বড় ছেলেকে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাজিব পাল চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে দুইজনকে আনা হয়। তবে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ঘারিন্দা রেল স্টেশন মাস্টার সোহেল রানা জানান, আজগর আলী স্ত্রী ও দুই সন্তানকে মোটরসাইকেলে নিয়ে রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় তার মোটরসাইকেল পাশের খাদে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই দুই জনের মৃত্যু হয়।
একতার কণ্ঠঃ অঘটন? তা বলাই যায়। শক্তি ও অভিজ্ঞতায় আয়ারল্যান্ডের ধারে–কাছেও নেই নামিবিয়া। অথচ আফ্রিকার এই দলটি–ই কি না আজ আয়ারল্যান্ডকে বিদায় করে জায়গা করে নিল টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে!
প্রথম রাউন্ডে ‘এ’ গ্রুপ থেকে পরিষ্কার সমীকরণ ছিল আয়ারল্যান্ড ও নামিবিয়ার সামনে—যে দল জিতবে তারাই উঠবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে। এমন ম্যাচে অভিজ্ঞতা ও শক্তিতে সবাই এগিয়ে রেখেছিলেন আয়ারল্যান্ডকে। ওয়ানডে কিংবা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও গ্রুপপর্ব উতরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে দলটির।
মহাগুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ভালো করতে পারেনি আয়ারল্যান্ড। ৮ উইকেটে ১২৫ রানের সাদামাটা স্কোর দাঁড় করায় অ্যান্ডি বলবার্নির দল। তাড়া করতে নেমে জয়ের জন্য শেষ ৫ ওভারে ৩৩ রান দরকার ছিল নামিবিয়ার। গেরহার্ড এরাসমাস ও ডেভিড ভিসে মিলে দারুণ এক জুটি গড়ে ৯ বল হাতে রেখে ঐতিহাসিক এক জয় এনে দেন নামিবিয়াকে।
দক্ষতা ও অভিজ্ঞতায় আইরিশ খেলোয়াড়েরা নামিবিয়ার চেয়ে যোজন যোজন ব্যবধানে এগিয়ে। বটে! কথায় আছে ‘দ্য গেম ইজ অ্যা গ্রেট লেভেলার’—আয়ারল্যান্ডকে আজ ৮ উইকেটে হারিয়ে নামিবিয়া যেন ক্রিকেটের এ আপ্তবাক্য মনে করিয়ে দিল।
আইসিসির বিশ্বকাপে এর আগে শুধু ২০০৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপেই খেলেছে নামিবিয়া। ১৪টি দলের মধ্যে ১৪তম হয়ে বিদায় নিয়েছিল। তারপর এবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে আইসিসি আয়োজিত কোনো বিশ্বকাপে পা রেখেই গ্রুপপর্ব উতরে যাওয়ার ইতিহাস গড়ল নামিবিয়া। দেশটির রাজধানী উইন্ডহকে আজ তাই উৎসবের লগ্ন।

নামিবিয়া জিতে শুধু সুপার টুয়েলভই নিশ্চিত করেনি, জায়গা করে নিয়েছে আগামী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও। এর আগে আইসিসি জানিয়েছিল, এবার সুপার টুয়েলভে ওঠা দলগুলো ২০২২ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলবে, আলাদা করে বাছাইপর্ব আর খেলতে হবে না। অর্থাৎ এক ‘ঢিলে’ দুই ‘পাখি’ মারল নামিবিয়া।
তৃতীয় উইকেটে ৩১ বলে ৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন ভিসে-এরাসমাস। উইকেটে দুজন যখন জুটি বাঁধেন ৪০ বলে ৫৩ রানের দূরত্বে ছিল নামিবিয়া।
কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইরিশ বোলার ক্রেগ ইয়াং, জশ লিটল কিংবা কার্টিস ক্যাম্ফারদের বিপক্ষে নামিবিয়ান ব্যাটসম্যানদের এ লক্ষ্য ছোঁয়া বেশ কঠিনই ছিল। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ভিসে এবং এরাসমাস ঠান্ডা মাথায় যেভাবে ব্যাট করেছেন তা অনেক দিন মনে রাখবে নামিবিয়া ক্রিকেট।
কোনা চাপ টের পেতে না দিয়ে ১৮.৩ ওভারে দলের জয় নিশ্চিত করেন দুজন। ৪৯ বলে ৫৩ রানে অপরাজিত ছিলেন এরাসমাস। ১৪ বলে ২৮ রানে অন্য প্রান্ত ধরে রাখেন ভিসে।
তার আগে জেন গ্রিনের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৯ বলে ৪৮ রানের আরেকটি ভালো জুটি গড়েন এরাসমাস। সহযোগী দেশ নামিবিয়ার হিসেবি ক্রিকেটের তুলনায় টেস্ট খেলুড়ে আয়ারল্যান্ডই বরং বাজে খেলেছে।
পল স্টার্লিং ও কেভিন ও’ব্রায়েন ছাড়া আর কেউ সেভাবে রান পাননি। ওপেনিং জুটিতে স্টার্লিং-ও’ব্রায়েনের গড়া ৪৪ বলে ৬২ রানই আয়ারল্যান্ডের ইনিংসে সর্বোচ্চ। ২৪ বলে ৩৮ রান করেন স্টার্লিং। সমান বলে ২৫ রান ও’ব্রায়েনের। ২১ রানে ৩ উইকেটে নেন নামিবিয়ার ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ক। ১৪ রানে ২ উইকেট নেন আয়ারল্যান্ডের পেসার ক্যাম্ফার।
নামিবিয়াসহ মোট দুটি সহযোগী দেশ জায়গা করে নিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে। ‘বি’ গ্রুপ থেকে স্কটল্যান্ড এর আগে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করেছে। আজ নামিবিয়া সে টিকিট পাওয়ার পর আনন্দাশ্রু ঝরেছে খেলোয়াড়দের চোখে।
নামিবিয়া ক্রিকেটের ইতিহাসে নিঃসন্দেহে এটা সেরা দিন। অন্য দিকে অবিশ্বাস্য হারে মাঠেই স্থাণুর মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন আয়ারল্যান্ডের কিছু খেলোয়াড়। হার যেন তাদের বিশ্বাস হচ্ছিল না। এটাই তো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মজা!
৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে সুপার টুয়েলভে উঠল নামিবিয়া। সেখানে নিজেদের গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আয়ারল্যান্ড: ২০ ওভারে ১২৫/৮ (পল স্টারলিং ৩৮, কেভিন ওব্রায়েন ২৫, অ্যান্ডি বালবিরনি ২১; জান ফ্রিলিংক ৩/২১)।
নামিবিয়া: ১৮.৩ ওভারে ১২৬/২ (গেরহার্ড ইরাসমাস ৫৩*, ডেভিড ওয়াইজ ২৮*, জেন গ্রিন ২৪, ক্রেগ উইলিয়ামস ১৫।
ফল: নামিবিয়া ৮ উইকেটে জয়ী।
একতার কণ্ঠঃ চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিনী জাহানারা কাঞ্চনের ২৮ তম শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(২২অক্টোবর) বিকেলে নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার উদ্যোগে টাঙ্গাইল পৌরসভার মিলনায়তনে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক। নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ঝান্ডা চাকলাদারের সঞ্চালনায় আলোচক ছিলেন নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার সহ-সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বাচ্চু ও সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ প্রমুখ।
আলোচনা শেষে জাহানারা কাঞ্চনের আত্নার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখা অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ নানা কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইলে বিশ্ব নিরাপদ সড়ক দিবস পালন করা হয়েছে। শুক্রবার(২২ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহমুদ হাসান। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সামনে গিয়ে শেষ হয়।
দিবসটি উপলক্ষে ‘গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়দেব পাল, বিআরটিএ টাঙ্গাইল সার্কেল সহকারী পরিচালক মো. আলতাব হোসেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন, মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনি, নিরাপদ সড়ক চাই টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ঝান্ডা চাকলাদার প্রমুখ।
এ সময় জেলা প্রশাসন, সড়ক বিভাগ, বিআরটিএ ও নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার সহ-সভাপতি,অর্থ সম্পাদক,প্রচার সম্পাদকসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে ইয়াসমিন (১৯) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের ধরাটি টানপাহাড় এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই গৃহবধূর স্বামী নুরুন্নবীকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত ইয়াসমিন ওই এলাকার আব্দুল লতিফ মৃধার মেয়ে।
গৃহবধূর চাচা জুলহাস উদ্দিন জানান, কুড়াগাছা ইউনিয়নের ধরাটি গ্রামের হাসু মিয়ার ছেলে নুরুন্নবীর সাথে পারিবারিকভাবে ইয়াসমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে পারিবারিক কলহের জের ধরে ইয়াসমিনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার উপর নির্যাতন করত। এক বছর আগে ইয়াসমিন একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ধরাটি টানপাহাড় এলাকায় একটি জলপাই গাছের নিচে ইয়াসমিনকে রক্তাক্ত অচেতন অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইয়াসমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
গৃহবধূর শাশুড়ি নূরজাহান বেগম জানান, তাদের নতুন বাড়িতে কাজ চলছে। এ জন্য তিনি সেখানেই ছিলেন। ছেলের বউ বাড়িতে একাই ছিল। কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে তা তিনি বলতে পারছেন না।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক কামাল জানান, বিকেলে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর বাবা আব্দুল লতিফ মৃধা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহবধূর স্বামী নুরুন্নবীকে আটক করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিভিন্ন কর্মসুচির মধ্যে দিয়ে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত দোয়া দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার(২১ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরিফুল ইসলাম, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাজ্জাদ, এনজিও ফোরামের প্রতিনিধি শামীম আল মামুন, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার শিমু সাহা, মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আর্দশ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইবনে মায়াজ প্রামানিক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় ঘটনা আলাদা হলেও একই এলাকায় একই সময়ে দুই কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বুধবার(২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের বোর্ডবাজার ও বার্থা দক্ষিণপাড়া থেকে তাদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহতদের লাশ সন্ধ্যায় হাসপাতালের বেডে একই সময় পাশাপাশি রাখা ছিল। দুটি ঘটনা আলাদা হলেও একই এলাকা ও একই সময়ে হওয়ায় উপজেলাব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিহতরা হলেন— উপজেলার কাউলজানী বোর্ডবাজার এলাকার কামাল মিয়ার মেয়ে শারমিন আক্তার (১৫) ও একই ইউনিয়নের বার্থা দক্ষিণপাড়া গ্রামের মোস্তফা সিকদারের মেয়ে মুক্তা (১৫)।
স্থানীয়রা জানান, বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার কাউলজানী বোর্ডবাজার এলাকায় শারমিন আক্তারের লাশ ঘরের ধন্যার সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা।
পরিবারের লোকজন ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল হাসান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে, একই ইউনিয়নের বার্থা দক্ষিণপাড়া গ্রামে মুক্তাকেও বিকাল ৫টার দিকে ঘরের ধন্যার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের লোকজন। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল হাসান তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) হারুন অর রশিদ, দুটি ঘটনায়ই আলাদা দুটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, দুই কিশোরীই পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মোটরসাইকেলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু ও শ্যালক-দুলাভাইসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন।বুধবার(২০অক্টোবর) রাত ৮ টায় ও বৃহস্পতিবার(২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীর এলেঙ্গার পাথালকান্দি ও চর ভাবলাএলাকায় ওই দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবারের দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, কালিহাতী উপজেলা এলেঙ্গা পৌরসভার হায়েতপুর গ্রামের মৃত হেলাল মোল্লার ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৩) ও কুঁড়িঘড়িয়া গ্রামের আছর উদ্দিনের ছেলে সোহেল রানা (২০)। তারা সম্পর্কে বন্ধু ছিলেন।
বুধবার রাতের দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, পাবনা সদর উপজেলার হান্নান মোল্লার ছেলে স্বাধীন (২৪) ও মোস্তাক হোসেন (২৮)। তারা সম্পর্কে শালা-দুলাভাই।
স্বজনরা জানান, নিহত রফিকুল ইসলাম ও সোহেল রানা পাড়াপড়শি বন্ধু।বৃহস্পতিবার দুই বন্ধু বেড়াতে যমুনায় উদ্দেশে মোটরসাইকেলে রওনা হন। পথে পাথারকান্দি এলাকায় গাড়ি চাপায় রফিকুল ঘটনাস্থলেই মারা যায় ও সোহেল রানাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে, স্বাধীন ও তার বোনজামাই মুস্তাক দুজনেই ঢাকার একটি কোম্পানিতে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ছুটি শেষে বুধবার বিকেলে পাবনা থেকে ঢাকার উদ্দেশে মোটরসাইকেলে রওনা হন। পথিমধ্যে মহাসড়কের চরভাবলা নামকস্থানে এসে পৌঁছালে অজ্ঞাত বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয় ।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সম্প্রতি ফেসবুক ব্যবহারকারীরা একটি নোটিফিকেশন পাচ্ছেন। যা নিয়ে ব্যবহারকারীদের মনে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। অ্যাকাউন্ট নিরাপদে রাখতে ‘ফেসবুক প্রোটেক্ট’ করতে হবে এমন বার্তা পাচ্ছেন অনেকে। এ ফিচার চালু না করলে লক হবে অ্যাকাউন্ট, এমনটাই জানাচ্ছে ফেসবুক।
ফেসবুক জানিয়েছে, ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ফেসবুক প্রোটেক্ট নামে একটি ফিচার ‘টার্ন অন’ বা ‘চালু’ না করলে অ্যাকাউন্টটি লক হয়ে যাবে। মূলত অ্যাকাউন্টকে বাড়তি নিরাপত্তা দিতে ফেসবুক প্রোটেক্ট নামে নতুন একটি ফিচার আনছেন তারা। এটি একটি ভলান্টারি প্রোগ্রাম, যা নির্বাচনী প্রার্থী, তাদের প্রচারণা এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অ্যাকাউন্টকে বাড়তি সুরক্ষা দেবে।
অনেকেরই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হচ্ছে। হ্যাকাররা মূলত যে অ্যাকাউন্টগুলোর অনেক বেশি ফলোয়ার থাকে, গুরুত্বপূর্ণ পেজ পরিচালনা করে কিংবা যার কমিউনিটি গুরুত্ব রয়েছে; সেগুলোর প্রতি আগ্রহী হয়। এ ধরনের টার্গেটেড অ্যাটাক বা উদ্দেশ্যপূর্ণ হামলা রোধ করতেই উন্নত নিরাপত্তার প্রোগ্রামটি চালু করার অনুরোধ করেছে ফেসবুক।
আইডি প্রোটেক্ট করবেন যেভাবে
যারা ফিচারটি চালু করতে পারবেন, তারা ফেসবুকের মাধ্যমেই তা জানতে পারবেন। যারা এর আওতায় পড়বেন, তারা ফেসবুকের সেটিংসে গিয়ে সিকিউরিটি অ্যান্ড লগ-ইন অপশনে গেলে ফেসবুক প্রোটেক্ট নামে অপশন পাবেন। সেখান থেকে ফেসবুক প্রোটেক্ট অপশন অন করা যাবে।
এছাড়াও ফিচার চালু করতে ফেসবুকে প্রবেশ করলে কোড যাবে ব্যবহারকারীর নাম্বারে। সেটি দেওয়ার পর আগের মতোই ফেসবুক চালাতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।
প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির নির্বাচনের সময় সেখানকার প্রার্থীদের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের সুরক্ষায় প্রোগ্রামটি তৈরি করা হয়েছিল। পরে এটি কানাডায় চালু করা হয়। ২০২১ সালে এটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য সরবরাহ করা হবে।
বাংলাদেশে কেউ কেউ এ ধরনের নোটিফিকেশন বা ই-মেইল পেয়েছেন বলে জানা গেছে। আবার অনেকেই এ ধরনের নোটিফিকেশন পাননি। তবে এ বিষয়ে আপডেটও ফেসবুকের মাধ্যমেই জানানো হবে বলে জানিয়েছে ফেসবুক।
সূত্র: বিবিসি
একতার কণ্ঠঃ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে টাঙ্গাইলের যমুনা নদী থেকে ‘মা’ ইলিশ ধরার অপরাধে মো. আ. খালেক নামে এক জেলেকে ৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া আরও দুই জেলেকে ২০০ টাকা করে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২০ অক্টোবর) দিনব্যাপী সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।এসময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হক ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আইয়ুব আলীসহ নৌ পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রসঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলাম জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা, পরিবহন ও বিক্রি বন্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করছে সরকার। সেই সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে যমুনা নদী থেকে ইলিশ ধরার অপরাধে সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের চক গোপাল গ্রামের আজিম উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে মো. আ. খালেককে ৫ দিনের কারাদণ্ড এবং আরো দুই যুবককে ২০০ টাকা করে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, এছাড়াও প্রায় ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল বিনষ্ট করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।