/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে বাড়িতে প্রেমিকাকে দেখে পালাল প্রেমিক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাড়িতে প্রেমিকাকে দেখে পালাল প্রেমিক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এক প্রেমিকা অবস্থান নিয়েছেন। এ সময় প্রেমিকসহ পরিবারের সবাই ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) পাথরাইল ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন, উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে ইলিয়াস।

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, অনেক দিন ধরে ইলিয়াসের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইলিয়াস আমার সঙ্গে অনেকবার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক করেছে। প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে আমাদের বাড়িতে ইলিয়াসের যাতায়াত ছিল। সম্প্রতি আমাকে এড়িয়ে চলায় মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিয়ের দাবিতে ইলিয়াসের বাড়িতে উঠেছি।

ভুক্তভোগীর মা ডলি বেগম জানান, আমার মেয়ের সঙ্গে ইলিয়াসের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি জানি। পার্শ্ববর্তী সবাই তাদের চলাফেরা করতে দেখেছে। আমার বাড়িতেও ইলিয়াসের আসা-যাওয়া ছিল। প্রথম পর্যায়ে মেয়েকে বাধা দিয়েছি। এতে কয়েকবার গলায় ফাঁস দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

তিনি আরও জানান, ইলিয়াস বিয়ের আশ্বাস দিয়ে প্রতারণা করায় মেয়ে বাড়িতে না জানিয়ে ইলিয়াসের বাড়িতে উঠেছে। আমরা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও মেয়ে বাড়ি আসছে না।

অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে তালা থাকায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে অভিযুক্ত ইলিয়াসের বাড়ি গিয়ে মেয়ের অবস্থান কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু শিশু ও নারী বিষয়ক ঘটনা মীমাংসা করার অধিকার আমাদের নেই। মেয়ের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করলে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মার্চ ২০২৩ ০৩:২০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ডাব চুরির ঘটনায় মাকে অপমান; ফাঁসিতে জীবন দিল স্কুলছাত্র - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডাব চুরির ঘটনায় মাকে অপমান; ফাঁসিতে জীবন দিল স্কুলছাত্র

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গাছের ডাব খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধর ও মাকে অপমান করায় তা সহ্য করতে না পেরে ক্ষোভে-দুঃখে ও অপমানে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে বাথরুমে ফাঁসি দিয়ে আবির (১৪) নামে এক স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে।

আবির ভূঞাপুর উপজেলার অজুর্না ইউনিয়নের কুঠিবয়ড়া গ্রামের বাদশা মন্ডলের ছেলে। সে স্থানীয় ঘাটান্দি আলহাজ্ব হায়দার আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র।

মঙ্গলবার(৭ মার্চ) দুপুর ৩ টার দিকে ভূঞাপুর পৌর এলাকার ঘাটান্দি সোনিয়া হাসপাতালের পাশে একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। সে ঘাটান্দি এলাকায় পরিবারের সাথে ভাড়া বাসায় থাকতো।

স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার রাতে মাকে নিয়ে ঘাটাইল উপজেলার যদুরপাড়া গ্রামের তার নানা সুজ্জত আলীর বাড়িতে যায়। পরে ৮-১০ জন বন্ধু মিলে ডাকনাপটল গ্রামে ওয়াজ মাহফিল শুনতে গিয়ে সিংগুরিয়া গ্রামের ডাঃ ওয়াজেদ’র বাড়ির গাছের ডাব খাওয়ার জন্য যায় এবং আবির গাছে ওঠে।

একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেলে তাদের ধাওয়া করে ও বন্ধুরা পালিয়ে যায়। সেসময় আবির গাছে থাকা অবস্থায় পালাতে না পারায় স্থানীয়রা তাকে ধরে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এরপর আবিরের মাকে ডেকে নিয়ে তাকে চুরির অপবাদ দিয়ে মাকেও অপমান করে। পরে আবিরকে বাসায় নিয়ে আসে তার মা।

এ ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে আবিরের মা ও তার বড় ভাই নিজ কর্মস্থলে চলে যায়। দুপুরের দিকে তার মা বাড়িতে এসে আবিরকে ডাকতে থাকে এবং বাথরুমের দরজা ধাক্কা দিয়ে দেখতে পায় ভেতর থেকে আটকানো। পরে তার বড় ছেলেকে ফোন করলে সে বন্ধুদের নিয়ে এসে বাথরুমের দরজা ভেঙে আবিরের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, দুপুরে স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আবির নামে ওই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মার্চ ২০২৩ ০২:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনায় ১২ ল্যাপটপসহ গ্রেফতার ৭ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনায় ১২ ল্যাপটপসহ গ্রেফতার ৭

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের ভুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চুরির ঘটনায় ১২ ল্যাপটপ উদ্ধারসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর)। সোমবার(৬ মার্চ) বিকেলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের বিচারক ৩ জনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এছাড়াও চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে। চুরির ঘটনায় গত ২৬ ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এপ্রিল পল মৃ বাদি হয়ে মধুপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, মধুপুর উপজেলার ভুটিয়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মো. রেজাউল করিম (২১),শোলাকুড়ি কুড়ালিয়া গ্রামের মনোয়ার হোসেনের ছেলে শরীফ ওরফে শুভ (২০),ধনবাড়ী উপজেলার উখারিয়াবাড়ী গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে মুক্তার হোসেন (২৪),মমিনপুর কাউচিবাজার গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে মো. ইমরান (১৯) একই গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে মো.খায়রুল ইসলাম (১৯) মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে আবু সাইদ (২২), ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর নয়াপাড়া গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে ওমর সানি (২৫)।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উত্তরের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, গত ২২ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের যে কোন সময় ভুটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলায় শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব থেকে ১৬ টি ল্যাপটপ চুরি হয়। ল্যাপটপ সহ যার আনুসাঙ্গিক মালামালের আনুমানিক মূল্য ৮ লাখ টাকা। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করা হয়। চুরির ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের নির্দেশনায় দ্রুত মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম এস আই মনির হোসেনের নেতৃত্বে নিরন্তর চেষ্টা চালায়।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে চুরির ঘটনার সাথে জড়িত মো. রেজাউল করিমকে রবিবার ভোর রাতে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত রেজাউলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানা এলাকার ওমর সানি ও আবু সাইদকে গ্রেফতার করা হয়। আসামীদের দেওয়া তথ্যর ভিত্তিতে মুক্তার হোসেন, মো. ইমরান, মো. খায়রুল ইসলাম ও মো. শরীফ ওরফে শুভকে জেলার মধপুর ও ধনবাড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সোমবার সকালে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরও জানান, রেজাউল করিমের হেফাজতে থাকা ৬টি ,ওমর সানির কাছ থেকে ২ টি ও আবু সাইদ, ইমরান, খায়রুল মুক্তারের নিকট থেকে ১টি করে চুরি যাওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়। বিজ্ঞ আদালতের বিচারক রেজাউল, ওমর সানি ও আবু সাইদকে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এছাড়াও বাকি চার জন চোরাইকৃত ল্যাপটপ ক্রেতা ১৬৪ ধারায় নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। চুরি যাওয়া অন্যান্য মালামাল উদ্ধারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. মার্চ ২০২৩ ১১:৪৪:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনে শুয়ে পড়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেন লাইনে শুয়ে পড়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে চলন্ত ট্রেনে কাটা পড়ে আলী আকবর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি ট্রেন কাছে আসার সঙ্গে সঙ্গে লাইনের উপর শুয়ে পড়েন।

সোমবার (৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের হরিষা গ্রামের রেললাইনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আলী আকবর বেড়াডাকুরী গ্রামের আনছার আলীর শ্বশুর।

জানা যায়, নিহত আলী আকবর জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার টিকলাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। দুই যুগ আগে বেড়াডাকুরী গ্রামে আনছার আলীর সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে দেন। বিয়ের পর আলী আকবর মেয়ে ও জামাইকে সব সম্পত্তি লিখে দেন। সহায় সম্পদ বিক্রি করার পর আলী আকবর স্ত্রীকে নিয়ে দেড় যুগ ধরে মেয়ের বাড়িতেই বসবাস করতেন। দেনার দায়ে তার মেয়ে ও জামাতা ঢাকায় চাকরি নেন। জামাতার বাড়িতে শুধু আলী আকবর ও তার স্ত্রী থাকতেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আতিকুর রহমান জানান, সকালে নিহত আলী আকবরকে জামাইবাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে হরিষা গ্রামের রেললাইনের ওপর শুয়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় ট্রেন আসতে দেখে এক নারী তাকে সংকেত দেন। সংকেত পেয়ে শোয়া থেকে উঠে দাঁড়ান আকবর। ট্রেনটি কাছে আসার সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় লাইনের ওপর শুয়ে পড়েন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনে কাটা পড়ে তার দেহ খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. মার্চ ২০২৩ ০১:৫৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্র জাহিদ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্র জাহিদ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণির স্কুল ছাত্রকে গলাকেটে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

রবিবার (৫ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলার বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম লোটন, প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, সদস্য মিনহাজ, শিক্ষার্থী আ. মান্নান ও ফাতেমা, এলাকাবাসীর পক্ষে শাহীন মিয়া ও ইউপি সদস্য বিপ্লব প্রমুখ।

এ সময় বক্তরা সাতদিনের মধ্যে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি করেন।এছাড়া শিক্ষার্থীরা ক্লাস কার্যক্রম বর্জন করে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।

উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ সন্ধ্যার দিকে বাড়তি আয়ের আশায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বাবার ব্যাটারি চালিত ভ্যানগাড়ি নিয়ে বের হয় জাহিদ।এর পর আর বাড়ি ফেরেনি সে। এ দিনগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভূঞাপুর-গোপালপুর সড়কের পাশে ঘাটাইল উপজেলার পাঁচটিকড়ী দক্ষিণপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছ থেকে ভূঞাপুর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের সুজন তালুকদারের ছেলে জাহিদের (১৪) গলাকাটা মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তবে ভ্যান গাড়িটি পাওয়া যায়নি। সে ভূঞাপুর উপজেলার বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, আমরা হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে অনেকটা অগ্রসর হয়েছি। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. মার্চ ২০২৩ ০১:২১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চার খুন ও ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চার খুন ও ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলার চারটি খুনসহ ডাকাতি ও অস্ত্র মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামি মো. মজনুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন সায়দাবাদ এলাকা তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মো. মজনু মিয়া (৪২) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার খোর্দ্দ যোগনী গ্রামের আয়নাল হক এর ছেলে।

শুক্রবার (৩ মার্চ) রাতে র‌্যাব-১৪ এর ৩ নং কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগরীর সায়দাবাদ এলাকা থেকে চারটি খুনসহ ডাকাতি ও অস্ত্র মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত এই পলাতক সন্ত্রাসিকে গ্রেপ্তার করা হয়। মজনু এলাকায় বিভিন্ন সময়ে চাঁদাবাজিসহ নাশকতা, খুন, অপহরণ, ধর্ষণসহ নানাবিধ অপরাধে জড়িত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় পরিচয় লুকিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মার্চ ২০২৩ ০৫:২৩:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সরকারের কাছ থেকে ক্রয়কৃত বালু বিক্রিতে বাঁধা,গাড়ী ভাঙচুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সরকারের কাছ থেকে ক্রয়কৃত বালু বিক্রিতে বাঁধা,গাড়ী ভাঙচুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সরকারের কাছ থেকে ক্রয়কৃত বালু বিক্রিতে বাঁধা ও বালু বহনকারী গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার(২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বেড়ীপোটল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বালু বিক্রিতে বাঁধা ও গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনায় কালিহাতী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে,কালিহাতী উপজেলার নিউ ধলেশ্বরী নদীর ড্রেজড মেটিরিয়াল(বালু) উন্মুক্ত পদ্ধতিতে বেড়ীপোটল মৌজার নিলামকৃত লট-২( বেরীপোটল ও দুর্গাপুর) ডান তীরের বালু স্থানীয় মো. জসিম উদ্দিন ৩৮ লাখ টাকায় ক্রয় করেন। সেই বালু বিক্রির ট্রাফে ট্রাক্টর যাতায়াতের জন্য ক্ষতিপুরণের মাধ্যমে রাস্তা বের করে বালু বিক্রি করে আসছিলেন তিনি। এ সময় স্থানীয় প্রতিপক্ষ ট্রাক্টর প্রতি ২’শ টাকা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা না দিলে সোমবার সন্ধ্যায় বেশ কয়েকটি বালু ভর্তি ট্রাক্টর ভাঙচুর করা হয়। হামলার ঘটনায় ট্রাক্টর চালকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। বর্তমানে সরকারের কাছ থেকে ক্রয়কৃত এই বালু বিক্রি বন্ধ রয়েছে। ফলে সরকার নির্ধারিত দুই মাস সময়ের মধ্যে ক্রয়কৃত সম্পুর্ন বালু বিক্রি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছেন।

অভিযোগকারী জসিম উদ্দিন জানান, এই লট কিনতে স্থানীয় বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী দরপত্র দাখিল করেন।কিন্তু দর সর্বোচ্চ হওয়ায় তিনি নিলামে এ সরকারি লট পান। সম্প্রতি তাকে বালু বিক্রির ছাড়পত্র দেওয়া হয়। বালু বিক্রি করতে গেলে স্থানীয় কাউছার সর্দার, মো. রাসেল, রুহুল আমীন, রাব্বী, নাজমুল, সাইফুল, শাহআলমসহ আরো কয়েকজন মিলে বালু ভর্তি ট্রাক্টর ভাঙচুরসহ কয়েকজন ড্রাইভার ও তাকে মারপিট করে। এ বিষয়ে কালিহাতী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

অভিযুক্ত রাসেল সর্দার হামলার ঘটনা অস্বীকার করে জানান, বালু পরিবহনের জন্য রাস্তা তৈরী করা নিয়ে জমির মালিকদের সাথে গন্ডগোল হয়েছে বলে শুনেছি।

এ বিষয়ে দুর্গাপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান জানান, হামলাকারীরা ওই বালু মহলের লট কিনতে ব্যর্থ হয়ে বালু বিক্রিতে প্রতি গাড়ীতে ২’শ টাকা করে চাঁদা দাবি করে তারা। চাঁদা না দেওয়ায় এই হামলা চালায় তারা। সামাজিকভাবে মীমাংসায় ব্যর্থ হওয়ায় ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান,অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মার্চ ২০২৩ ০২:৩১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭ম শ্রেণির ছাত্রের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭ম শ্রেণির ছাত্রের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকেড়পাড়া ইউনিয়নের পাঁচটিকড়ি এলাকা থেকে জাহিদ (১২) নামে ৭ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভূঞাপুর-গোপালপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে পাঁচটিকড়ি দক্ষিণপাড়া স্কুলের কাছ থেকে তার গলাকাটা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত জাহিদ ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের সুজনের ছেলে। সে স্থানীয় বলরামপুর হাই স্কুলের ৭ম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।

নিহতের চাচা শামচুল তালুকদার জানায়, বুধবার সন্ধ্যার দিকে জাহিদ বাড়তি আয়ের আশায় বাবার ব্যাটারি চালিত ভ্যানগাড়ি নিয়ে বের হয়। এরপর খবর আসে পাঁচটিকড়ি এলকায় তার মরদেহ পাওয়া গেছে। পাশের জঙ্গলে  রক্তাক্ত একটি কাচি উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহ পাওয়া গেলেও ভ্যানগাড়িটি পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে ভ্যানগাড়িটি ছিনিয়ে নিতেই দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করেছে।

লোকেড়পাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল হক মিলন জানান, স্থানীয়রা পাঁচটিকড়ি দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি গলাকাটা মরদেহ দেখতে পায়। পরে তারা বিষয়টি তাকে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে এসে পুলিশকে খবর দেয়।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজাহারুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্কুল ছাত্রের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জনান, এখন পর্যন্ত থানায় কোন মামলা দায়ের করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে  ব্যাটারি চালিত ভ্যানগাড়িটি ছিনতাইয়ের জন্য জাহিদকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মার্চ ২০২৩ ০১:২৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাকিতে ইয়াবা  না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাকিতে ইয়াবা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বাকিতে ইয়াবা না দেওয়ায় এক মাদক ব্যবসায়ীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে সেবনকারীরা। ঘটনার তিন দিন পর তিন সেবনকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বুধবার (১ মার্চ)দুপুরের টাঙ্গাইলের পিবিআই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমীন সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- নাগরপুর উপজেলার ভাড়রা গ্রামের মো. আনোয়ার তালুকদারের ছেলে মো. অলি তালুকদার (১৯), মৃত সিরাজ মন্ডলের ছেলে মো. কামাল হোসেন (২৯) ও শালিয়ারা গ্রামের মো. শফিকুল আলমের ছেলে মো. সোহানুর ইসলাম ফারদিন (২০)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকালে নাগরপুর উপজেলার বীরসলীল গ্রামের সেচ পাম্পের ঘর থেকে ফরিদ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন বিকালে ফরিদ উদ্দিনের স্ত্রী শারমিন সুলতানা লিলি বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে নাগরপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি মামলাটি পিবিআই গ্রহণ করে।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর কৃষি জমিতে পানি দেওয়ার জন্য ফরিদ উদ্দিন তার সেচ পাম্পের ঘরে যান। পর দিনও তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। ২৫ ফেব্রুয়ারি তার চাচাতো ভাই মধু মিয়া ও প্রতিবেশী পান্নু মিয়া সেচ পাম্পের ঘরের কাছে কাজ করার সময় ঘরটি তালাবদ্ধ দেখেন। এ দিকে ফরিদ উদ্দিনের পোষা কুকুর উচ্চশ্বরে ঘেউ ঘেউ করতে থাকে। তখন মধু ও পান্নু ঘরের ফাঁক দিয়ে দেখতে পান ফরিদ বিছানার উপর পড়ে আছে। তারা বিষয়টি তার পরিবার ও পুলিশকে অবগত করে। মামলার পর তদন্ত করে মঙ্গলবার রাতে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছেন। বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, ফরিদ উদ্দিন দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবার ব্যবসার সাথে যুক্ত ছিলেন। তার কাছ থেকে আসামিরা ইয়াবা কিনে সেবন করতো। ঘটনার দিন ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে আসামিরা ফরিদের কাছে ইয়াবা বাকি চাইলে দিতে অস্বীকার করে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ঘরে থাকা স্লাইডরেঞ্জ দিয়ে ফরিদের মাথার পেছনে আঘাত করলে সে পড়ে যায়। পরবর্তীতে রশি দিয়ে তার হাত পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার সঙ্গে তারা তিনজনই জড়িত ছিল বলে তিনি আরো জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মার্চ ২০২৩ ০২:৩২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পৃথক পৃথক স্থান থেকে দুই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দিন মৃধা।

রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের গাছ কুমুল্লি গ্রামের মৃত দুখিরাম ঘটকের স্ত্রী রাসমণি ঘটক (৪৫) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রাসমণি ঘটক রান্না ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে বলে দেলদুয়ার থানা সুত্রে জানা যায়।

অপরদিকে উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের স্বল্প বড় টিয়া গ্রামের মৃত শওকত আলীর মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী সাথি আক্তার (১৫) তার নিজ বসত ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস নেয়। পরে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুজনেই আত্মহত্যা করেছে। থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৩:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে । এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে আরো একজন।

রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভুয়াপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের গুলিপেঁচা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোটরসাইকেল আরোহীর নাম টিটু খন্দকার (৩৮) সে উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ভেঙ্গুলা গ্রামের মোস্তফা খন্দকারের ছেলে।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নুরুল ইসলাম (৬০) । সে উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ঘোড়ামারা গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রবিবার বিকালে দুইজন আরোহীসহ মোটরসাইকেলটি ভুয়াপুর থেকে গোপালপুরের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে বালুবাহী ট্রাকটি নলিন বাজার থেকে ভুয়াপুরে যাচ্ছিল।

ভুয়াপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের গুলিপেঁচা এলাকায় পৌছালে মোটরসাইকেল ও বালুবাহী ট্রাকটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী টিটু খন্দকারের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা গুরুতর আহত মোটরসাইকেলের অপর আরোহী নুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে।

হেমনগর পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বালুবাহী ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পলাতক রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হাত মুখ বাঁধা অবস্থায় কৃষকের মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হাত মুখ বাঁধা অবস্থায় কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফরিদ মিয়া (৪০) নামের এক কৃষক খুন হয়েছে। অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোন এক সময় তাকে খুন করে লাশ ফেলে রেখে যায়।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাত মুখ বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের বীর সলিল গ্রামে। সে ওই গ্রামের তোরাফ আলীর ছেলে।

এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়,শুক্রবার রাত ১১টার দিকে নিহত ফরিদ তার বাড়ির পাশে জমিতে বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প বন্ধ করতে মেশিন ঘরে যায়।ওই রাতে সে আর বাড়ি ফেরেনি।

নিহত ফরিদের চাচাতো ভাই জাকির হোসেন জানান, ফরিদের সাথে শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে বাড়ীর সামনে তার দেখা হয়। এ সময় ফরিদ তাকে জানায় সেচ পাম্প (মেশিন) বন্ধ করে বাড়ি ফিরবে।

আরেক চাচাতো ভাই মধু মিয়া জানান, তিনি শনিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে জমি দেখতে সেচ মেশিন ঘরের দিকে যায়। মেশিন ঘর বন্ধ থাকায় দরজার ফাঁক দিয়ে উকি মেরে দেখে,ফরিদের নিথর আংশিক দেহ চৌকির উপর পড়ে আছে। পা নিচে ঝুলছে। পরে তার ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ও স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে মেশিন ঘরের দরজা খুলে ফরিদের হাত ও মুখ বাঁধা মৃত মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে যাই। নিহতের গলায় মুখে ও হাতে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। সে মাদক সেবী ছিলো। মাদক নিয়ে খুন হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, তবে ময়নাতদন্ত রির্পোট পেলে প্রকৃত রহস্য জানা যাবে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে ও তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:২৮:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।