মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

টাঙ্গাইলে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার নলুয়া বাজারে বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রশাসনের ব্যবস্থায় সেবার মূল্য তালিকা প্রদর্শণ না করা ও প্রতিশ্রুত সেবা না দেওয়ার কারনে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জানা গেছে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে একটি টীম বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার নলুয়া বাজারে একটি অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় প্রতিশ্রুত সেবা না দেয়ায় এ্যানি ডেন্টাল কেয়ারকে ৫ হাজার টাকা ও সেবার মূল্য তালিকা প্রদর্শণ না করা, বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রচুর পরিমানের মূল্য বিহীন ঔষধ সংরক্ষণ, মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা (অবৈধ্যভাবে নামের আগে ডাক্তার লেখা/ভূয়া ডাক্তার) করায় রোকেয়া ডেন্টাল ক্লিনিককে ২০ হাজার টাকাসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থায় মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। ব্যবসায়িদের ক্রয়/বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে হ্যান্ড মাইকের সহায্যে অনুরোধ জানানো হয় এবং সচেতন করতে লিফলেট, প্যামপ্লেট বিতরণ করা হয়।

এই তদারকিমূলক অভিযানে সহায়তা করেন টাঙ্গাইলের জেলা পুলিশ। জনস্বার্থে এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:১৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্লাস্টিকের বস্তায় চাল বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্লাস্টিকের বস্তায় চাল বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দীর্ঘদিন ধরে পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করা ও প্লাস্টিকের বস্তায় চাল বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৩ আগস্ট) বিকালে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের গোবিন্দাসী বাজারে এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অর্থদণ্ড প্রাপ্ত দুই ব্যবসায়ী হলেন- গোবিন্দাসী বাজারের মো: বেলাল হোসেন ও মো. আলমগীর। এদের মধ্যে বেলালকে ৩ হাজার ও আলমগীরকে ২ হাজার টাকা, মোট ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার। এতে উপস্থিত ছিলেন- উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান খান।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার জানান, পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০-এর মাধ্যমে গোবিন্দাসী বাজারের দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়া সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
মানিকগঞ্জের শ্রেষ্ঠ  ওসি রউফ সরকার - Ekotar Kantho

মানিকগঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি রউফ সরকার

একতার কণ্ঠঃ এবার মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরষ্কার পেয়েছেন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আঃ রউফ সরকার। সোমবার (২১ আগস্ট) পুলিশ সম্মেলন কক্ষে পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ গোলাম আজাদ খান পিপিএম (বার) তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

জানা যায়, মানিকগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা নিষ্পত্তি, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল, অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার ও জনবান্ধব পুলিশিং এ বিশেষ অবদান রাখায় তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হন।

এ বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশে আঃ রউফ সরকার বলেন, আমি পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (সদর সার্কেল), থানায় কর্মরত সদস্য ও মানিকগঞ্জবাসীর নিকট কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। ভবিষ্যতেও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্বপালন করে এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করবো।

উল্লেখ, এ দক্ষ ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ারের কৃতি সন্তান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:৪৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দেন।

সাকিব মিয়া বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, চলতি বছরের ১৪ মে দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়া একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবে বলে ওই গৃহবধূর স্বামীর মোটরসাইকেল নিতে আসে। মোটরসাইকেল নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই গৃহবধূর স্বামীকে মোটরসাইকেল ত্রুটির কথা বলে ডেকে নেন। এরই ফাঁকে তার সহযোগি সাইদুল মিয়া ও শাহেদ মিয়ার সহযোগিতায় সাকিব মিয়া ওই গৃহবধূকে কৌশলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় গত ১৬মে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাকিব ও তার দুই সহযোগী সাইদুল ও শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তারা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হন। পরে আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাদিপক্ষের আইনজীবী জিনিয়া বখশ বলেন, মামলার প্রধান আসামি সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরআগে মামলার বাকি দুই আসামি সাইদুল ও শাহেদ ১৫দিন কারাভোগের পর নিম্ন আদালত থেকে ২৩ জুলাই ফের জামিন পান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে র‍্যাব পরিচয়ে বাস থেকে নামিয়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে র‍্যাব পরিচয়ে বাস থেকে নামিয়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে র‌্যাব পরিচয়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখা থেকে সৌদি প্রবাসী ইয়াকুব মোল্লার টাকা উত্তোলন করে হেলাল মোল্লা নামে তার এক চাচাত ভাই বাসযোগে বাড়ি যাচ্ছিলেন।

হেলাল মোল্লার বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের গবরা গ্রামে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঘটনাটি ঘটলেও বুধবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখায় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার (ডিবি) সদস্যরা তদন্তে আসলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে সৌদি প্রবাসী ইয়াকুব মোল্লার আনা কিছু স্বর্ণ চাচাত ভাই হেলাল মোল্লা মির্জাপুর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ জুয়েলার্সে বিক্রি করেন। ৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা নগদ এবং ১৪ লাখ টাকার চেক দেন ওই ব্যবসায়ী। পরে হেলাল মোল্লা সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখা হতে টাকা উত্তোলন করে মির্জাপুর বাইপাস বাস স্ট্যান্ড হতে বিনিময় পরিবহনের একটি বাসে উঠে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক হয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে শুভূল্যা নামক স্থানে একটি প্রাইভেটকার বাসের গতিরোধ করে।

পরে তারা র‌্যাবের পরিচয়ে টাকাসহ হেলাল মোল্লাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে প্রাইভেটকারে তুলে চোখ বেঁধে টাঙ্গাইলের দিকে রওনা হয়। টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে মহাসড়কের জামুর্কী কবরস্থান নামক স্থানে হেলালকে ফেলে ছিনতাইকারীরা কার নিয়ে চম্পট দেয়। ছিনতাইকারীদের পরনে র‌্যাবের কালো কটি ও হাতে পিস্তল এবং ওয়্যারলেস ছিল বলে হেলাল মোল্লা জানিয়েছেন।

এদিকে এ ঘটনায় মির্জাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরফুউদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার (ডিবি) সদস্যরা বুধবার বিকেলে সোনালী ব্যাংক মির্জাপুর শাখায় তদন্তে আসলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) এস এম মুনসুর মুসা, মির্জাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) গিয়াস উদ্দিনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরফুউদ্দীনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৩ ০২:১৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা ফি আদায়ের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা ফি আদায়ের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আশেকপুরে ৫নং জোবায়দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগমের বিরুদ্ধে পরীক্ষার ফি’র নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

তিনি বিদ্যালয়ের প্রায় ২ শত কোমলমতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে শ্রেনী ভেদে ৭০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত ফি আদায় করেছেন এমন তথ্য দিয়েছেন বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কালাম আজাদের জানান,প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা পরিচালনা ব্যায় নির্বাহের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি বিদ্যালয় আলাদা অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে কোনক্রমেই পরীক্ষার ফি’র টাকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা যাবে না। অথচ সরকারী প্রজ্ঞাপণের তোয়াক্কা না করে জোবায়দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুইশত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষা ফি বাবদ প্রায় ২০ হাজার টাকা আদায় করেছে। সরেজমিনে এমন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

 

জানা গেছে,টাঙ্গাইল পৌরসভার আশেকপুর এলাকায় ৫০ শতাংশ জায়গার উপর ১৯৬৪ সালে স্থাপিত এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ২শত। শিক্ষকের সংখ্যা ৮ জন। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে বিভিন্ন শ্রেনীর অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের পরীক্ষা শেষে বেশ কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রীদের কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৭৫ টাকা হারে পরীক্ষা ফি আদায় করা হয়েছে। এছাড়া তৃতীয় শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ১ শত টাকা হারে পরীক্ষার ফি আদায় করা হয়েছে।

তারা আরো জানায়, শুরুতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেনীর জন্য ১শত টাকা ও তৃতীয় শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত ২শত টাকা পরীক্ষা ফ্রি নির্ধারন করা হয়।পরে অভিভাবকদের প্রতিবাদের মুখে পরীক্ষার ফি কমানো হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েক জন অভিভাবক জানায়,সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা থেকে শুরু করে বেতন-পরীক্ষা ফি সরকার বহন করে। এমনকি শিক্ষার্থীদের বছরের শুরুতেই বিনামুল্যে পাঠ্যপুস্তক দেওয়া হয়। এছাড়া মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখা উৎসাহ প্রদানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।

অথচ জোবায়দা খানম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগমের একক সিদ্ধান্তের কারণে আমাদের সন্তানের কল্যাণ চিন্তা করে নিয়মবর্হিভুত ভাবে দাবি করা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম বলেন, তিনি কোন পরীক্ষা ফি বাবদ অতিরিক্ত টাকা আদায় করেননি। তার বিদ্যালয়ের কিছু ঈর্ষান্বিত সহকর্মী তাকে বিপদে ফেলার জন্য এসব অভিযোগ করেছে।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম জানান, তিনি ব্যবসা সুত্রে ঢাকায় থাকেন। যদি পরীক্ষা বাবদ অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগের সত্যতা মেলে তাহলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, কোন অবস্থাতেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি আদায় করা যাবে না। যদি কোন প্রধান শিক্ষক পরীক্ষার ফি নিয়ে থাকেন তবে তিনি আইনগতভাবে অপরাধ করেছেন।

তিনি আরো জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে। যদি তদন্তে দোষী প্রমানিত হয় তবে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২৩ ০৮:১৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দুই ব্যবসায়ীকে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন টাঙ্গাইল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার রামপুর ভাসানী মার্কেটে এ অভিযান পরিচালনা করেন তাঁরা।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারি পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে একটি টিম উপজেলার রামপুর ভাসানী মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় সংরক্ষণ মূল্য তালিকা প্রদর্শণ না করা, নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এল.পি.জি. গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, লাইসেন্স ছাড়া এবং গ্যাসের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ না রাখায় রাহাত গ্যাস স্টোরকে ১০ হাজার ও মাসুদ এন্টারপ্রাইজকে ৫ হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।

তবে অভিযানের সংবাদ পেয়ে অন্যান্য ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে দ্রুত উধাও হয়ে যায়।

এ অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে হ্যান্ড মাইকের সাহায্যে অনুরোধ জানানো হয় এবং সচেতন করতে লিফলেট, প্যামপ্লেট বিতরণ করা হয়।

জনস্বার্থে এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এই তদারকিমূলক অভিযানে সহায়তা করেন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২৩ ০৪:১০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিক্ষককে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বিয়ে করার নোটিশ দিলেন প্রধান শিক্ষক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিক্ষককে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বিয়ে করার নোটিশ দিলেন প্রধান শিক্ষক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরের একটি বিদ্যালয়ে এক শিক্ষককে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বিয়ে করার নোটিশ দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। নোটিশ পাওয়া ওই শিক্ষকের নাম রনি প্রতাপ পাল। তিনি উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের সাজানপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তাঁকে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বিয়ে করার জন্য গত ২৬ জুলাই লিখিত নোটিশ দেন।

ওই নোটিশের বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষককে নানাভাবে হয়রানি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রনি প্রতাপ গোপালপুর উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর ওই বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন। যোগদানের পরেই তিনি এমপিওভুক্ত হন।

নোটিশে বলা হয়, আপনি গত ৬/১১/২০১৬ তারিখ এই বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (হিন্দু ধর্ম শিক্ষা) পদে যোগদান করেন। যোগদানের পর অবগত হলাম, আপনি অবিবাহিত রয়েছেন। পরবর্তী সময়ে আপনাকে বারবার মৌখিকভাবে তাগিদ দিয়েছি বিবাহ করার জন্য। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয়, যোগদানের কয়েক বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও আপনি বিবাহ করেননি। বিদ্যালয়টিতে সহশিক্ষা চালু রয়েছে। অভিভাবকগণ অবিবাহিত শিক্ষক নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন। সুতরাং বিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে নোটিশপ্রাপ্তির ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বিবাহকার্য সম্পন্ন করে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য আপনাকে বিশেষভাবে নির্দেশ প্রদান করা হলো।

নোটিশ পাওয়ার দুই দিন পর শিক্ষক রনি প্রতাপ প্রধান শিক্ষককে লিখিত জবাব দেন। লিখিত জবাবে তিনি বলেন, আমার অভিভাবকেরা আমার বিয়ের চেষ্টা করছেন। কিন্তু বাংলাদেশের হিন্দুদের বিয়ের পাত্রপাত্রী বাছাইয়ে গোত্র বা বর্ণের বিষয় রয়েছে। এ ছাড়া হিন্দুধর্মাবলম্বীরা শ্রাবণ থেকে কার্তিক পর্যন্ত বিয়ে করাটা শুভ মনে করে না। সুতরাং পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতির কারণে আগামী অগ্রহায়ণ মাসে আমার অভিভাবকেরা আমাকে বিবাহ করাবেন বলে জানিয়েছেন।

রনি প্রতাপ বলেন, জবাব দেওয়ার পরও প্রধান শিক্ষক তাঁকে নানাভাবে মানসিক যন্ত্রণা দিতে শুরু করেন। পরে তিনি বিষয়টি তাঁর অন্য সহকর্মী এবং অন্যদের জানান। রনি প্রতাপ গত ৩০ জুলাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিতভাবে প্রধান শিক্ষকের নোটিশের বিষয়টি জানান। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, আমি অবিবাহিত থাকলেও কোনো অভিভাবক বা শিক্ষার্থী কখনো কারও কাছে আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি। কিন্তু বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলামের স্বাক্ষর জাল করে চেকের মাধ্যমে স্কুলের বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চলমান সরকারি তদন্তে যাতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য না দিই, সে জন্য আমাকে বিয়ের নামে চাপাচাপি ও হয়রানি করা হচ্ছে।

বিদ্যালয়টির সহকারী প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন জানান, রনি প্রতাপ ভালো শিক্ষক। তাঁকে নিয়ে কেউ কখনো কোনো প্রশ্ন তোলেননি। অথচ দুটি সরকারি তদন্তে মিথ্যা সাক্ষী দিতে না চাওয়ায় প্রধান শিক্ষক তাঁকে এমন একটি নোটিশ দিয়ে হয়রানি করছেন।

নোটিশের ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, রনি প্রতাপের স্বভাব-চরিত্র নিয়ে বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। তবে সহশিক্ষা চলমান রয়েছে, এমন প্রতিষ্ঠানে কোনো অবিবাহিত শিক্ষক থাকলে নানা অসুবিধা হতেই পারে। নানা অনৈতিক কিছু ঘটতেও পারে। এ জন্য তাঁকে দ্রুত বিয়ে করার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা জানান, ঘটনাটি খুবই লজ্জাজনক। এভাবে নোটিশ করার এখতিয়ার কোনো প্রধান শিক্ষকের নেই। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) তিনি বিদ্যালয়টিতে গিয়েছিলেন। এই নোটিশ দেওয়ার ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক কোনো উত্তর দিতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানটিতে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে কয়েক বছরের। এটি তদন্তের জন্য সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আহ্বায়ক এবং অন্য দুটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সদস্যসচিব করে একটি তদন্ত কমিটির প্রস্তাব করা হবে।

টাঙ্গাইল শহরের সরকারি এম এম আলী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শামসুল হুদার মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান, বিয়ে করা না-করা মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপার। রনি প্রতাপকে বিয়ে করার জন্য প্রধান শিক্ষক যে নোটিশ দিয়েছেন, তা মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। এমন নোটিশ দেওয়া অনৈতিক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চলাচলের রাস্তায় দেয়াল নির্মাণ, অবরুদ্ধ ৫ পরিবার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চলাচলের রাস্তায় দেয়াল নির্মাণ, অবরুদ্ধ ৫ পরিবার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার আবাসন আইন অমান্য করে চলাচলের রাস্তায় দেয়াল নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন ওই এলাকায় বসবাসরত পাঁচটি পরিবার। স্থানীয় মাতাব্বরদের মধ্যস্থতায় এর নিস্পত্তি না হওয়ায় সমস্যা নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ওই পরিবারগুলো।

প্রায় দুই বছর ধরে এমন অমানবিকতার শিকার হচ্ছেন টাঙ্গাইল পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ডের কচুয়াডাঙা প্রাইমারী স্কুলের সামনে বসবাসরত পাঁচ পরিবার।

সমস্যা সমাধানে দফায় দফায় স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলেও এর স্থায়ী কোন সুরাহা পায়নি পরিবারগুলো। পরিবারগুলোর চলাচলের জন্য দুই ফুট রাস্তা ছাড়ার সিদ্ধান্ত দেন বৈঠকের স্থানীয় মাতাব্বররা। মাতাব্বরদের রাস্তা ছাড়ার সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করেই দেয়াল নিমার্ণ করেছেন ওই প্রতিবেশী বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসির অভিযোগ, প্রভাবশালী কতিপয় মাতাব্বরের ইন্দনে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আবাসন আইনে প্রতিবেশীদের চলাচলের জন্য রাস্তা ছাড়ার বিধান থাকলেও ওই মাতাব্বরদের প্ররোচনায় সে আইনের তোয়াক্কা করছেন না জমি ক্রেতারা। রাস্তা না থাকায় অন্যের বাড়ির উপর দিয়ে পরিবারগুলোর চলাচল করতে হচ্ছে। যা সম্পূর্ণ অনৈতিক। স্থানীয়রা নীরিহ হওয়ায় এ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন মিজানুর রহমান, আব্দুল্লাহ্, শাহাদত, শাওন ও মনিদের পরিবার। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান দাবি করেছেন তারা।

ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান বলেন, ইতোপূর্বে এই স্থান দিয়ে চলাচলের রাস্তা ছিল। দুইজন ওই স্থানের ৮ শতাংশ জমি কিনে চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয় মাতাব্বররা দুই ফুট রাস্তা ছাড়ার জন্য বললেও এ জমির ক্রেতা সেই সিদ্ধান্ত না মেনেই দেয়াল নির্মাণ করেছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমরা চর থেকে এসে এখানে বাড়ি করেছি বলে এমন অত্যাচারের শিকার হচ্ছি। রাস্তা না থাকার কারণে মানুষের বাড়ির উপর দিয়ে আমাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে নানা ধরণের সমস্যায় রয়েছি আমরা। বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলরকে অবগত করা হলেও এর কোন সুরাহা পায়নি।

আব্দুল্লাহ্ বলেন, অতীতে জমিগুলো ফাঁকা ছিল। এ কারণে চলাচলের কোন সমস্যা হত না। সম্প্রতি জমিটুকু বিক্রি হওয়াসহ সেই জমিতে দেয়াল নির্মাণ করার কারণে চলাচলের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মাতাব্বররা দুই ফুট রাস্তা ছাড়ার জন্য জমি ক্রেতাদের বললেও রাস্তার জন্য কোন জায়গা ছাড়ছেন না তারা। এতে আমাদের পাঁচটি পরিবারের যাতায়াতে চরম সমস্য দেখা দিয়েছে। পৌর আইনে প্রতিবেশীদের চলাচলের সুবিদ্ধার্থে রাস্তা ছাড়ার বিধান থাকলেও সেই আইনী সুবিধা পাচ্ছিনা আমরা।

চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয়াল নির্মাণের কথা স্বীকার করেছেন জমি ক্রেতা রহিম। তিনি বলেন, আমার দুই শালিকার নামে ওই জমিটুকু কেনা হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলরের হস্তক্ষেপে দুই ফুট রাস্তা ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রাস্তার জন্য ছাড়া ওই দুই ফুট জায়গার বিপরীতে রাস্তা সুবিধাভোগীরা আমাকে দুই ফুট জায়গা দেয়ারও সিদ্ধান্ত দেন কাউন্সিলর। প্রতিবেশীরা জায়গা না দেয়ায় আমি দেয়াল নির্মাণ করেছি।

জমি ক্রেতা সত্তর বলেন, আমার জমি এক অংশ দিয়ে রাস্তা ছাড়া আছে। এক জমির দুই দিক দিয়ে রাস্তা দেয়া কি সম্ভব ?

পাঁচ পরিবারের চলাচলে চরম অসুবিধার কথা স্বীকার করেছেন স্থানীয় মাতাব্বর বাবর আলী। তিনি বলেন, আমরা কয়েকবার রাস্তার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। সমাধানের জন্য আমি ওই জমি ক্রেতাদের রাস্তার জন্য তিন ফুট জমি ছাড়লে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে দুই ফুট জমি নিয়ে দিব এমন প্রস্তাবও দিয়েছিলাম। তবে রহস্যজনক কারণে আমাদের সেই প্রস্তাবও মানেননি তারা। বিষয়টির সমাধানে পৌর কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মেহেদী হাসান আলীম বলেন, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোছা: মাহমুদা বেগম জেবু জানান, প্রতিবেশীদের চলাচলের ব্যবস্থা না থাকলে অবশ্যই রাস্তা ছাড়তে হবে জমির মালিকদের। লিখিত অভিযোগ দিলে পৌর কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৫৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূ সাহিদা হত্যাকাণ্ড: ৯ মাস পর স্বামী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূ সাহিদা হত্যাকাণ্ড: ৯ মাস পর স্বামী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গৃহবধূ সাহিদা বেগমকে (৪০) হত্যার ঘটনায় তাঁর স্বামী সোনা মিয়াকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ৯ মাস পর মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) সকালে সাভারের ধামরাই এলাকা থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাউদ্দিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর সকালে উপজেলার কৈয়ামধু গ্রামের কারিগরপাড়া এলাকার বাসিন্দা সোনা মিয়া তাঁর স্ত্রী সাহিদাকে নিয়ে লাকড়ি কাটতে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে দেওবাড়ি বনে যান। সেখানে দুজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সোনা মিয়া দা দিয়ে সাহিদাকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

এ সময় মাথার মগজ ও ভুঁড়ি বের হয়ে ঘটনাস্থলেই সাহিদার মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই সোনা মিয়া পলাতক ছিলেন। তিনি উপজেলার কৈয়ামধু গ্রামের কারিগরপাড়া এলাকার মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাহিদার বড় ভাই হাফেজ আলী বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সালাউদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ সোনা মিয়াকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার সকালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রেল লাইনে মাথা দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রেল লাইনে মাথা দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রেল লাইনে মাথা দিয়ে মহসিন রাব্বী (২০) নামে এক যুবককের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২১ আগস্ট) দুপুরে জয়দেবপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু রেল লাইনের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার রাজাবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মহসিন রাব্বী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের বড় ইছাপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রাজাবাড়ী রেল ক্রসিংয়ের গেটম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, রেল ক্রসিং থেকে একটু দূরে রেললাইনের ওপর বসেছিলেন মহসিন রাব্বী। এ সময় ঢাকাগামী আন্তঃনগর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি হুইসেল দিচ্ছিল। মহসিন রাব্বী হুইসেল উপেক্ষা করে ট্রেনের নিচে মাথা পেতে দেয়। এতে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বাংড়া ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি জানান, রাব্বীর মা কিছু দিন আগে মারা গেছেন। তারপর থেকে রাব্বী কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল।

টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ আলী আকবর জানান, খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এসে রাব্বীর লাশ শনাক্ত করে। লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের পর লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:৫৯:এএম ৩ বছর আগে
খেলা হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে: শামীম ওসমান - Ekotar Kantho

খেলা হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে: শামীম ওসমান

একতার কণ্ঠঃ নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একে এম শামীম ওসমান বলেছেন, খেলা হবে এদেশের সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে, খেলা হবে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তির বিরুদ্ধে, খেলা হবে বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।

২০০৪ সালে ২১ আগস্ট তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যৌথ আয়োজনে সোমবার (২১ আগস্ট)বিকালে শহরের শহীদস্মৃতি পৌর উদ্যানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।

শামীম ওসমান এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু আপনার আমার ভবিষ্যত নয়, আমার-আপনার সন্তানদেরও ভষিষ্যত। শেখ হাসিনা দিনরাত পরিশ্রম করে কিসে এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হবে, কিসে এদেশের মানুষের ভালো হবে সেই চিন্তায় করে। শেখ হাসিনা হাসলে এদেশের মানুষ হাসে। সারা দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা চোখে পরার মতো। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই তা আজ সম্ভব হয়েছে।

টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র সিরাজুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশরাফ উজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রৌফ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা।

এ সময় আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতিম সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।