আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার আহমেদুল হক সাতিলের নেতৃত্বে নির্বাচনী গণমিছিল ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ অক্টোবর)দুপুরে গণমিছিলটি শহরের কলেজ মোড় থেকে শুরু হয়ে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, নিরালা মোড়, জেলা সদর রোড হয়ে পুনরায় কলেজ মোড় গিয়ে সংক্ষিপ্ত পথ সভার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।
এ ছাড়া বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষে টাঙ্গাইলে বিএনপি’র লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
হাজার হাজার নেতাকর্মীর অংশ গ্রহণে শহরের সড়কে আহমেদুল হক সাতিলের পক্ষে ও ধানের শীষের পক্ষে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। মিছিলের দীর্ঘ সারির কারণে সাময়িক যান চলাচলে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়।
এতে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও হাজার হাজার সাধারণ মানুষজন অংশগ্রহণ করে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের নামদার কুমিল্লি গ্রামের যুবক সোহাগ প্রেমের দায়ে ৪ মাস যাবত কারাভোগের শিকার।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নামদার কুমুল্লি বাজারে সোহাগের মুক্তির দাবিতে গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।
মানবন্ধন বক্তব্য রাখেন-গ্রামের হৈতষী মাতাব্বর হাফিজ উদ্দিন ভুইয়া,খলিলুর রহমান,আশরাফ আলী মিঞা, মজিবর রহমান মিঞা,আবুল কালাম আজাদ,মো. জাহিদ মিয়া ও ফরিদ মিয়া প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কুমিল্লি গ্রামের মো. লোমান মিয়ার মেয়ে নাফিজা আক্তার লুবনার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে একই গ্রামের সোহাগের সাথে। সেই সুবাদে লুবনা প্রেমিক সোহাগদের বাড়িতে গত দুই বছরে চারবার উঠে পড়েন। পর্যায়ক্রমে স্থানীয় মাতাব্বরগন লুবনাকে বুঝিয়ে তার বাবার কাছে রেখে আসেন। সম্প্রতি ফের লুবনা সোহাগের কাছে চলে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লুবনার পিতা লোমান মিয়া সোহাগকে আসামী করে অপহরণের মামলা দায়ের করেন। যাহার নাম্বার নারী শিশু ১৫৭/২৫ । ওই মামলায় গত ৪ মাস যাবত সোহাগ টাঙ্গাইল জেল হাজতে আটক আছেন।
তারা আরও বলেন, মেয়ের বাবা ধনাঢ্য ব্যক্তি হওয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ও তৃতীয় পক্ষের যোগসাজসে প্রেম গঠিত বিষয় গোপন রেখে সোহাগের নামে অপহরণ মামলা দিয়েছে। সেই মামলায় সোহাগের মুক্তি দাবি করছি। মুক্তি না দিলে পুনরায় কঠোর কর্মসুচির দেওয়া হবে বলে মানববন্ধ থেকে বক্তারা জানায়।
মানববন্ধনে সোহাগের পিতা সহিদুল ইসলাম ও মাতা সুর্য ভানু কান্না বিজরিত কণ্ঠে ছেলের মুক্তির দাবি জানায়।
মানবন্ধন শেষে নামদার কুমুল্লি বাজার এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে তিন শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ গ্রহণ করে।
আরমান কবীরঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্ততি হিসেবে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮ টি ওয়ার্ডের সাবেক ও বর্তমান বিএনপির নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে শহরের জেলা সদর রোডে অবস্থিত টাঙ্গাইল ক্লাবের হলরুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থীর বিজয়ের জন্য দলের সকল পর্যায়ের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ভোটাররা যাতে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়, সে জন্য সকল শ্রেনী-পেশার মানুষের কাছে যেতে হবে এবং তাদের মাঝে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা অবহিত করতে হবে।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহামুদুল হক সানু’র সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ আজগর আলী, টাঙ্গাইল শহর বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুর রহমান চৌধুরী।
মতবিনিময় সভার সঞ্চালনা করেন, টাঙ্গাইল শহর বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আকন্দ। অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম (ভিপি)।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে ‘মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি’ স্লোগানে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালন করা হয়েছে। এ সময় বিনামূল্যে হেলমেটও বিতরণ করা হয়।
বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উদ্যোগে শতাধিক হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালকদের হাতে হেলমেট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সিনথিয়া আজমিরী খান জানান, সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং নাগরিকদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও নিরাপত্তা সচেতনতা জাগ্রত করতেই চালকদের মধ্যে হেলমেট বিতরণ করা হয়।
তিনি আরও জানান, একটি হেলমেট শুধু আইন মেনে ব্যবহার করা কোনো বস্তু নয়, এটি জীবনের নিরাপত্তার প্রতীক। সড়কে চলাচলের সময় হেলমেট ব্যবহার ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য সকল মোটরসাইকেল চালকদের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এ সময় উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল ট্রাফিক বিভাগের টিআই দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ দইয়ের উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকা, বেশ কিছু পরিমাণ পচে যাওয়া দই উদ্ধার এবং মিষ্টান্ন তৈরীর বড় কড়াইয়ে টিকটিকির মল পাওয়ার দায়ে টাঙ্গাইলের বিখ্যাত গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার পার্ক বাজার সংলগ্ন গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।
তিনি জানান, দোকানে থাকা দইয়ের উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকা, বেশ কিছু পরিমাণ পচে যাওয়া দই দোকানে সংরক্ষণ করা এবং মিষ্টান্ন তৈরীর বড় কড়াইয়ে টিকটিকির মল পাওয়ার দায়ে টাঙ্গাইলের গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে, আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবেন।
অভিযানে পৌর স্যানেটারি ইন্সপেক্টর ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী স্বপ্নন কুমার ঘোষ জানান, সাধারণত তিনি খুচরা ভাবে দধি বিক্রি করে থাকেন। ফলে তৈরিকৃত দধিতে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে এখন থেকে দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত পচে যাওয়া দধিগুলো ফেলে দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল। এছাড়া যে মিষ্টি তৈরীর বড় কড়াইয়ে টিকটিকির মল হাওয়া গেছে, সেটি বর্তমানে মিষ্টি তৈরীর কাজে ব্যাবহার করা হচ্ছে না। আমরা সবসময় চেষ্টাকরি গ্রাহককে সর্বোচ্চ মানের দধি ও মিষ্টান্ন সরবরাহ করার।
আরমান কবীরঃ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জেলা নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে দলীয় নেতাকর্মী আর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে শেষ বারের মতো বিদায় জানানো হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহনকে।
এদিকে, হামিদুল হক মোহনের মৃত্যুতে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
এরপূর্বে মঙ্গলবার বাদ যোহর টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড-অফ-অনার প্রদান করা হয় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
জানাজা নামাজে বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা জামায়েত ইসলামীর আমির আহসান হাবিব মাসুদ, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতির অঙ্গনের প্রায় তিন সহস্রাধিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।
উল্লেখ্য, সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তার নির্বাচনী এলাকায় এক মত বিনিময় সভায় বক্তব্য শেষ করে টাঙ্গাইল ফেরার পথে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও তিন কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ঘনিষ্ঠ সহচর হামিদুল হক মোহন বিএনপি’র জেলা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। আমৃত্যু তিনি রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল- ৬ (নাগরপুর- দেলদুয়ার) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে গনসংযোগ চালাচ্ছিলেন।
হামিদুল হক মোহন জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছাড়াও টাঙ্গাইল নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি, টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা, টাঙ্গাইল কালচারাল রিফর্মেশন ফোরামের উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিনের বোন জামাই।
আরমান কবীরঃ বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জেলা নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন মৃত্যুবরণ করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল আলম জানান, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে হামিদুল হক মোহনকে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে আমরা দ্রুত তার ইসিজি করি। ইসিজি রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যায় তিনি পথিমধ্যেই মৃত্যুবরণ করেছেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও তিন কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
হামিদুল হক মোহনের জ্যেষ্ঠ পুত্র নাজমুল হক মিল্টন জানান, সোমবার বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেলদুয়ার উপজেলার দেউলি ইউনিয়নের দেউলি গ্রামে লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণা শেষে বাদ মাগরিব টাঙ্গাইল শহরের কলেজ পাড়ার নিজ বাসভবনে ফেরার পথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন হামিদুল হক মোহন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বাদ যোহর হামিদুল হক মোহনের নামাজে জানাজা টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
বিএনপি’র এই প্রবীণ রাজনীতিবিদদের মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, হামিদুল হক মোহন ৮ আগস্ট ১৯৫২ সালে টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের মঙ্গলহোড় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আইনউদ্দিন আহমেদ ছিলেন পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের দীর্ঘদিনের চেয়ারম্যান ছিলেন। হামিদুল হক মোহনের শিক্ষাজীবন শুরু টাঙ্গাইল শহরে, পরে বিন্দুবাসিনী বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও জামুর্কী নবাব স্যার আব্দুল গণি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি (১৯৬৫), এইচএসসি (১৯৬৬) ও স্নাতক (১৯৬৮) সালে সম্পন্ন করেন সা’দত কলেজ থেকে। মাওলানা ভাসানীর ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে তিনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আহ্বানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগদান করেন। তিনি দীর্ঘদিন জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার যমুনা নদীতে সরকার ঘোষিত ‘মা ইলিশ সংরক্ষণে লক্ষ্যে অভিযান’ পরিচালনা করা হয়েছে।
রবিবার (১৯ অক্টোবর) সদর উপজেলার কাকুয়া ও মাহমুদনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় যমুনা নদীতে দিনব্যাপী এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেওয়ান আসিফ পেলে। এসময় মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে প্রায় ১৩ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য পাঁচ লাখ ত্রিশ হাজার টাকা। অভিযানে জব্দকৃত জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের ফেসবুকে পেইজে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া বাজারে এক স্বর্ণকারকে কুপিয়ে তার কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়েছে একদল দুর্বৃত্ত।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করটিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, স্বর্ণকার বিপ্লব কর্মকার (৫০) দোকান থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় প্রাইভেটকার নিয়ে চারজন এসে হঠাৎ ধারালো চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে জখম করে। হামলাকারীরা বিপ্লবের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নেয়।
তারা জানায়, ঘটনাস্থল ত্যাগের আগে দুর্বৃত্তরা আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য দুটি পটকা বিস্ফোরণ করে পালিয়ে যায়।
আহত বিপ্লবকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। করটিয়া বাজার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, তারা ঘটনা তদন্ত করছেন এবং দুর্বৃত্তদের ধরতে অভিযান চলছে।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি’র আয়োজনে এই কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাঘিল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মো. হারুন-অর রশীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিএনপি ৩১ দফা উপস্থাপন করেছে- আগামী বাংলাদেশ কীভাবে চলবে। আমরা আমাদের অবস্থান তুলে ধরেছি। ৩১ দফায় স্বাস্থ্য-শিক্ষা, যুবকদের কর্মসংস্থান, বেকার ভাতার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে। প্রতিটি পরিবার এ ফ্যামিলি কার্ড পাবে। স্বাস্থ্য বীমার কথাও চিন্তা করছে বিএনপি। বিগত সময়ে বিএনপি জাতির সামনে যে ওয়াদা করেছে, তা পূরণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ চায়- আগে জাতীয় নির্বাচন হোক। পরবর্তীতে সরকার কি সিদ্ধান্ত দিবে এটি আমরা বলতে পারবো না। যেহেতু আমরা জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কাজ করছি, বাংলাদেশের জনগণের সেই প্রত্যাশা এই সরকার পূরণ করবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী, টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক এডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব, সহ-সভাপতি এডভোকেট রকিবুল ইসলাম, ৮নং বাঘিল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম সারোয়ার প্রমুখ।
সাহান হাসানঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে ছাত্রদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের আনুহলা উচ্চ বিদ্যালয়ে সদর উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব সোহেল রানার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছেন, মানুষের পাশে থেকেছেন। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের জনগণ তার কর্ম, সততা ও ত্যাগে মুগ্ধ।
বক্তারা আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ধানের শীষের প্রকৃত সৈনিক হিসেবে টুকু ভাই জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন। ছাত্রদলের প্রতিটি কর্মী তার পাশে আছে, থাকবে — ইনশাআল্লাহ। টাঙ্গাইল সদরে এবারের নির্বাচনে মানুষের ভোটে বিজয়ের ধ্বনি উঠবে ধানের শীষের পক্ষে, টুকু ভাইয়ের নেতৃত্বে হবে গণতন্ত্রের পুনরুত্থান!
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক শাকিলুর রহমান শাওন , মীর নাইম, সদস্য সোহানুর রহমান সোহান, সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ-আহ্বায়ক নয়ন ইসলাম, মো. রাজু, ইয়ালিদ নাঈম প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং শেখার আগ্রহ গত এক দশকে অনেক বেড়েছে। তরুণ প্রজন্ম বুঝতে শুরু করেছে যে ভবিষ্যতের দুনিয়ায় টিকে থাকার অন্যতম শর্ত হচ্ছে প্রযুক্তি দক্ষতা। মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিংবা সাইবার সিকিউরিটি প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রোগ্রামিং অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে, আগ্রহ বাড়লেও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এখনো কাটেনি। শহরের কিছু শিক্ষার্থী সুযোগ পেলেও গ্রামের অধিকাংশ তরুণ এই প্রতিযোগিতা থেকে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।
বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায়, উন্নত দেশগুলো প্রাথমিক স্তর থেকেই শিশুদের কোডিং শেখাচ্ছে। এস্তোনিয়া প্রথম শ্রেণি থেকেই প্রোগ্রামিং শিক্ষা চালু করেছে। চীন শিক্ষার্থীদের জন্য রোবোটিক্স ও এআই ভিত্তিক কারিকুলাম তৈরি করেছে। ভারত সরকার কোটি কোটি শিক্ষার্থীকে কোডিং শেখানোর জাতীয় পরিকল্পনা নিয়েছে। অথচ বাংলাদেশে স্কুল-কলেজের পাঠ্যপুস্তকে এখনো প্রোগ্রামিংকে একটি মৌলিক দক্ষতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে তরুণরা আগ্রহী হলেও সঠিক পথ খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছে।
শহর ও গ্রামের মধ্যে সুযোগের বৈষম্যও এখানে বড় বাধা। ঢাকাসহ বড় শহরে কিছু আইটি ট্রেনিং সেন্টার, বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ল্যাব কিংবা কো-ওয়ার্কিং স্পেস আছে। কিন্তু গ্রামের শিক্ষার্থীরা পুরনো কম্পিউটার, ধীরগতির ইন্টারনেট এবং সীমিত শিক্ষকের উপর নির্ভর করছে। অনেকে ইউটিউব বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে শিখতে চেষ্টা করে, কিন্তু ইংরেজি দুর্বলতা ও লজিক্যাল চিন্তার অভাবে বেশিরভাগই মাঝপথে থেমে যায়। এর ফলে শেখার আগ্রহ থাকলেও সেটি পূর্ণতা পায় না।
অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুতগতির ইন্টারনেট এখনও সবার কাছে পৌঁছেনি। অনেক শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত কম্পিউটার নেই, আর যারা আছে তাদের ডিভাইসগুলো বেশিরভাগ সময় পুরনো এবং ধীরগতির। ফলে সফটওয়্যার ইন্সটল করা, কোড রান করা বা অনলাইন ক্লাসে অংশ নেওয়ার মতো মৌলিক কাজগুলো করতে গিয়েই তারা সমস্যায় পড়ে। একদিকে শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকতার অভাব, অন্যদিকে প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের স্বল্পতা এই দ্বৈত সংকটে মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের বিশাল একটি অংশ।
বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং শেখার পেছনে প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। তরুণরা বিশ্বাস করে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত আয় করা সম্ভব, তাই তারা এই দিকেই ঝুঁকছে। নিঃসন্দেহে এতে আর্থিক উপার্জন হচ্ছে, অনেকেই বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। কিন্তু এর বাইরে গবেষণা, উদ্ভাবন কিংবা নতুন প্রযুক্তি তৈরি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে আছে। যখন ভারত, চীন কিংবা ভিয়েতনাম নিজেদের সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি তৈরি করে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা করছে, তখন আমরা আউটসোর্সিংয়ের কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে আছি।
তবে সম্ভাবনা কম নয়। বাংলাদেশ যদি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়, তবে তরুণদের এই আগ্রহকে জাতীয় শক্তিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে প্রোগ্রামিংকে আধুনিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ইংরেজি দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি মাতৃভাষায় মানসম্পন্ন কনটেন্ট তৈরি করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা সহজে বুঝতে পারে। গ্রাম পর্যন্ত দ্রুত ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে হবে এবং সাশ্রয়ী দামে কম্পিউটার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে গবেষণা, স্টার্টআপ কালচার এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগকে উৎসাহ দিতে হবে।
সবশেষে বলা যায়, বাংলাদেশে প্রোগ্রামিং শেখার আগ্রহ যেমন বাড়ছে, বাস্তবতার চ্যালেঞ্জও তেমনি বড়। যদি আমরা সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারি, তবে বাংলাদেশ শুধু ফ্রিল্যান্সিংয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে। এটাই হতে পারে ডিজিটাল বাংলাদেশের পরবর্তী বড় অর্জন।
লেখক – সামির তালুকদার
বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়