/ হোম / টাঙ্গাইল সদর
টাঙ্গাইলের নতুন আড্ডাখানা: শহরজুড়ে বাড়ছে ফুড কার্ট সংস্কৃতি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের নতুন আড্ডাখানা: শহরজুড়ে বাড়ছে ফুড কার্ট সংস্কৃতি

আরমান কবীরঃ শহরের ব্যস্ততা, সময়ের অভাব আর জীবনযাত্রার ধরন বদলের সাথে আমাদের খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাসও পাল্টে গেছে। এক সময়ের হোটেল-রেস্তোরাঁর জায়গা এখন ধীরে ধীরে দখল নিচ্ছে ফুড কার্ট। শপিং মল, অফিস কমপ্লেক্স, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস — সব জায়গাতেই ফুড কার্ট এখন জীবন যাপনের অপরিহার্য অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। আমাদের টাঙ্গাইল শহরও এর ব্যতিক্রম নয়।

পৌরশহরের জেলা সদর রোড, ৯০ বাড়ি রোড, ক্যাপসুল মার্কেটের সামনে সহ কয়েকটি ব্যস্ত পয়েন্টেই এখন গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি ফুড কার্ট। তরুণ-তরুণী, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী — এখানে সন্ধ্যার পর সবার ভিড় লেগেই থাকে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই চিত্রটা কিছুটা বদলেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টাঙ্গাইল শহরে আগমন উপলক্ষে শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির অংশ হিসেবে সদর উপজেলা ভূমি অফিসের দক্ষিণ সাইড, ঢাকা রোড, রেজিস্ট্রি পাড়ার রাস্তার পাশে গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি ফুড কার্ট উচ্ছেদ করা হয়েছে। ফলে শহরের খাবার মানচিত্রে এখন নতুন ভারসাম্য তৈরি হচ্ছে।

ফুড কার্ট এখন শুধু খাওয়ার জায়গা না, এটা আড্ডার জায়গা। বন্ধুদের সাথে দেখা, পরিবারের সদস্যদের সাথে নিয়ে হালকা কিছু খাওয়া, প্রেমিক প্রেমিকার সময় কাটানো,সবকিছু এখানেই হয়। আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা থাকায় তরুণদের কাছে এটা একটা আড্ডার “থার্ড প্লেস” হয়ে উঠেছে — বাসা আর অফিসের বাইরে তৃতীয় ঠিকানা।

আধুনিক মানুষের হাতে সময় কম। অফিসের এক ঘণ্টার লাঞ্চ ব্রেক, ক্লাসের ফাঁকে, কিংবা শপিংয়ের মাঝে বসে খাওয়ার জন্য ফুড কার্ট আদর্শ। ফাস্ট ফুড, চাইনিজ,দেশি খাবার, কফি — সব পাওয়া যায়। অর্ডার দাও, বসো, খাও। রান্না, ওয়েটিং, বিলের ঝামেলা নেই।

ছোট ছোট উদ্যোক্তাদের জন্যও ফুড কার্ট একটা সহজ প্ল্যাটফর্ম। আলাদা দোকান ভাড়া না নিয়ে একটা কিয়স্ক দিয়েই ব্যবসা শুরু করা যায়। আবার ভোক্তার জন্যও বাজেট-ফ্রেন্ডলি। ৮০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা পর্যন্ত খাবার মেলে। একা খেলে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় ভালো পেট ভরে যায়, যা আলাদা রেস্তোরাঁয় সম্ভব না।

টাঙ্গাইল শহরের ফুড কোর্টগুলোতে এখন মোটামুটি সবই পাওয়া যায়। তরুণদের মূল আকর্ষণ বার্গার, পিজ্জা, ফ্রাইড চিকেন, নাগেটস, শর্মা, মম। সাথে আছে ফ্রাইড রাইস, চাউমিন, সিজুয়ান চিকেন, থাই স্যুপের মতো চাইনিজ-থাই আইটেম। হালকা খাওয়ার জন্য চটপটি, ফুচকা, ঝালমুড়ির স্টলও চোখে পড়ে।

টাঙ্গাইল শহরের উল্লেখযোগ্য কার্টগুলো হচ্ছে ,জেলা সদর রোডে Drip n dip, dumplings ,আপ্যায়ন অন্যতম।

এ ছাড়া ৯০ বাড়ি রোডে SAODA’S kitchen , সি ফুড কর্নার, হাংরি প্যালেস, জান্নাতি ফাষ্ট ফুড,

ভিক্টোরিয়া রোডের ক্যাপসুল মার্কেটের সামনে হালাল ফুড কর্নার সহ সাতটি ফুডকোর্টে রয়েছে।

Drip n dip এর স্বত্বাধিকারী নাফিস আবির খান সাদাব জানান, আমি সাদা’ত কলেজে অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ি ।পড়ালেখার পাশাপাশি মায়ের অনুপ্রেরণায় এই পেশায় এসেছি। প্রায় ৬ মাস হলো এই পেশায় এসে বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। আমার চিকেন শর্মাটি সবচেয়ে বেশি চলে,। এছাড়াও এখনে চিকেন বার্গার, হটডগ, চিকেন উইংস ভালোই চলে। টাঙ্গাইলের ফাস্টফুড প্রেমিদের এখানে আমন্ত্রণ রইল।

এখানে কথা হয় পরিবার নিয়ে খেতে আসা ব্যবসায়ী নাইমুল হাসানের সাথে, তিনি জানান Drip n dip এর শর্মা হলো শহরের সেরা শর্মা। তাই তিনি সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে এখানে খেতে আসেন।

পাশের dumplings ফুড কার্টের স্বত্বাধিকারী সাদিকুর জানান, তিনি অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে পড়েন । পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি চিকেন বারবিকিউ মম ও চিকেন স্টিম মম বিক্রি করেন। এতে করে যেমন তার পড়ালেখার খরচ নির্বাহ হয়, পাশাপাশি পরিবারের জন্য কিছু খরচ করতে পারেন। তার স্টিম মম সবচেয়ে বেশি চলে।

dumplings ফুড কার্টে মম খেতে আসা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সাদিয়া ও আনিছা জানান, তাঁরা প্রায় সময়ই এখানে মম খেতে আসেন। এখনকার মম এর মান বেশ ভালো ও টেষ্টি। তারা আরও জানান, টাঙ্গাইলে ফুড কার্ট সংস্কৃতি দেশের অন্যান্য জেলার মতো সেভাবে গড়ে উঠেনি। ফুটপাতে ব্যতীত শহরের বিভিন্ন জায়গায় এই সব ফুড কার্ট আরও হলে, ব্যস্ত শহরবাসীর জন্য, অনেকটাই সাহায্য করবে। পৌর প্রশাসকের এই বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

সব সুবিধার সাথে কিছু সমস্যাও আসে। পুষ্টিবিদের মতে, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার আর অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস মানুষের মাঝে রোগব্যাধি বাড়াচ্ছে। ফাস্টফুডের আধিক্য মুটিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ফুড কার্টের কারণে প্লাস্টিক বর্জ্য বাড়ছে, যা পরিবেশের জন্যও চ্যালেঞ্জিং ও বটে।

ফুড কার্ট আধুনিক জীবনের গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলা একটা কালচার। এটা শুধু খাবার বিক্রির জায়গা না, এটা সময়, সমাজ আর শহরের ছন্দের প্রতিফলন। স্বাস্থ্যকর খাদ্য বাড়ানো আর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারলে ফুড কার্টের ভূমিকা শহরের জন্য আরও ইতিবাচক হবে। টাঙ্গাইল শহর যত আধুনিক হবে, ফুড কার্টের ছবিটাও ততই বদলাতে থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. জুলাই ২০২৬ ০১:২৩:এএম ২ মাস আগে
দখলে বিলীন টাঙ্গাইলের শ্যামা বাবুর খাল  - Ekotar Kantho

দখলে বিলীন টাঙ্গাইলের শ্যামা বাবুর খাল 

আরমান কবীরঃ  টাঙ্গাইল শহরের মধ্য দিয়ে এককালে বয়ে যাওয়া শ্যামাবুর খাল দখলের কারণে আজ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। শহরের প্যারাডাইস পাড়া খাদ্য গুদামের কাছে লৌহজং নদী থেকে উৎপত্তি হয়ে খালটি তৎকালীন টাঙ্গাইল শহরকে উত্তর-দক্ষিণে ভাগ করে শহরের পূর্ব প্রান্তে বিল ঘারিন্দায় গিয়ে মিশেছিল। বর্তমানে খালটির বিভিন্ন অংশ দখল করে টাঙ্গাইল পৌরসভাসহ নানা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করে ভোগদখল করছে। ফলে শহরে দেখা দিয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা।

জানা যায়, শ্যামা বাবুর খালটি ছিল কৃত্রিমভাবে খন করা একটি খাল। ১৯০০ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রানি ভিক্টোরিয়ার সিংহাসন আরোহণের সম্মানে টাঙ্গাইল মহকুমার প্রধান সড়ক ভিক্টোরিয়া রোড তৈরির জন্য খালটি খন করা হয়। পরে ১৯৮৮ সালের প্রলয়ঙ্করী বন্যার পর ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশের জন্য প্রণীত ফ্লাড অ্যাকশন প্ল্যানের অন্যতম উপাদান ছিল কম্পার্টমেন্টালাইজেশন পাইলট প্রজেক্ট। এর মূল লক্ষ্য ছিল যমুনা নদীর প্লাবনভূমিতে ছোট-বড় ‘কম্পার্টমেন্ট’ বা বন্যানিয়ন্ত্রণ বেষ্টনী তৈরি করে স্থানীয় পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি ও মৎস্য চাষের উন্নয়ন এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে একসময়ের প্রমত্তা শ্যামা বাবুর খালকে ১৯৯৬ সালে ড্রেনে রূপান্তর করা হয়। এরপরই শুরু হয় খালের জায়গা দখলের পালা।

টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান জামিলুর রহমান মিরন শহরের টাউন প্রাইমারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ভিক্টোরিয়া রোডের পাশে খালের জায়গার ওপর ২০০৩ সালে প্রথম শওকত আলী তালুকদার পৌর সুপার মার্কেট বা ক্যাপসুল মার্কেট নির্মাণ করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে শামছুল হক মার্কেট বা ভিক্টোরিয়া ফুডজোন, শামসুর রহমান খান পৌর মার্কেট, পৌর সুপার মার্কেট, পৌর সুপার মার্কেট-১, পৌর সুপার মার্কেট-২, পৌর সুপার মার্কেট-৩ নির্মাণ করেন পৌরসভায় নির্বাচিত বিভিন্ন চেয়ারম্যান ও মেয়র। এছাড়া সম্প্রতি ফায়ার সার্ভিস মার্কেট-১ ও ২-ও খালের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে।

খালের প্রবেশমুখ প্যারাডাইস পাড়া খাদ্য গুদামের কাছে খালের জায়গা দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে আল মাদরাসাতুল আরাবিয়্যাহ মার্কাস মাদ্রাসা। এর পূর্ব দিকে আরও গড়ে উঠেছে মুক্তিযোদ্ধা ভবন, প্যারাডাইস পাড়া পূজা মণ্ডপ, পার্ক বাজারের পাইকারি বাজার। খালের মাঝামাঝি, অর্থাৎ শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে তৈরি হয়েছে হোটেল নিরালা, হোটেল কিছুক্ষণ, সিডিসি শপিং কমপ্লেক্স, সিডিসি ক্লাব, বই মার্কেটসহ আরও অনেক স্থাপনা। ফলে শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ভিক্টোরিয়া রোড সংকুচিত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে যানবাহনের চাপে ভিক্টোরিয়া রোডে যান চলাচল প্রায় অচল।

আগে এই খালের মাধ্যমেই শহরের বৃষ্টির পানি লৌহজং নদী ও বিল ঘারিন্দায় গিয়ে পড়ত। খালটি দখলের পর বৃষ্টি হলেই টাঙ্গাইল শহরে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।

দখলের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্যারাডাইস পাড়ার সুবল গৌড় ও হারাধন শীল জানান, কয়েক যুগ আগে নৌকা যোগে লৌহজং নদী হয়ে শ্যামা বাবুর খাল দিয়ে শহরের নিরালা মোড়ে ব্যবসায়ীরা আসতেন। সেই খালটি এখন ড্রেনে পরিণত হয়েছে। পচা পানির দুর্গন্ধে খালের পাশ দিয়ে হাঁটাচলাই দায়। অবিলম্বে খালটি উদ্ধারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক ফোরামের সভাপতি আকিবুর রহমান ইকবাল বলেন, আমরা যখন প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র, তখন দেখেছি শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহমান খাল ছিল, যেটি শ্যামা বাবুর খাল নামে পরিচিত ছিল। তৎকালীন শহরের পণ্য পরিবহনের অন্যতম মাধ্যম ছিল এই শ্যামা বাবুর খাল। সরকারের একটি ভুল প্রকল্প খালটির মৃত্যু ঘটিয়েছে। বর্তমানে এটি পুঁতিগন্ধময় নালায় পরিণত হয়েছে। টাঙ্গাইলের সচেতন নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে অবিলম্বে খালটি উদ্ধারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু বলেন, খালটি কোনোভাবে উদ্ধার করা যায় কি না, সে বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একদল বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছেন। আশা করা যায়, খুব দ্রুতই খালটি উদ্ধারের কার্যক্রম শুরু করা যাবে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলার বিভাগীয় কর্মকর্তা গৌতম চন্দ্র চন্দ জানান, খালের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি ও অবৈধ। নদী, খাল, বিল ও জলাশয় উদ্ধারে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়া হাইকোর্টের দিকনির্দেশনাও আছে। অবিলম্বে শ্যামা বাবুর খাল উদ্ধারে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইন উদ্দিন বলেন, টাঙ্গাইল সদরের ৭টি খাল বর্তমানে খনন প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে, তার মধ্যে শহরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শ্যামা বাবুর খালও রয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব খালটি দখলমুক্ত করে খননের কাজ শুরু করা হবে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জুন ২০২৬ ০৭:৪৫:পিএম ২ মাস আগে
দীর্ঘ তিন দশক পর টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচন অনুষ্ঠিত  - Ekotar Kantho

দীর্ঘ তিন দশক পর টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচন অনুষ্ঠিত 

আরমান কবীরঃ দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় পর টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) টাঙ্গাইল ক্লাব মিলনায়তনে ভোট গ্রহণ শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এতে ‘এ’ শ্রেণিতে ১৮ জন এবং ‘বি’ শ্রেণিতে ১২ জন পরিচালক পদে নির্বাচিত হন। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ হয়।

এ’ শ্রেণিতে নির্বাচিত পরিচালকেরা হচ্ছেন বেনজীর আহমেদ, মো. নূরুল আলম, নাজমুল আহসান, শংকর সরকার, স্বপন ঘোষ, আখতার হোসেন খান, খন্দকার রাশেদুল আলম, তারেকুল ইসলাম, বিশ্বজিৎ কুমার সাহা, আনবসুর রহমান চৌধুরী, সামসুর রহমান চৌধুরী, প্রভাত কুমার ধর, দুলাল চন্দ্র সাহা, খন্দকার আবদুল মোকাদ্দেম, মির্জা জিয়াউর রহমান, মো. নূরুল ইসলাম, মো. সরোয়ার হোসেন খান, মো. আবদুল্লাহ হেল কাফি।

বি’ শ্রেণিতে নির্বাচিত ১২ জন পরিচালক হচ্ছেন মো.রোকনউদ্দিন, সৈয়দ যুবায়ের আবদুল্লাহ, ইকবাল হোসেন জুয়েল, আবু সাঈদ চৌধুরী, মো. ফয়জুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, কাজী শফিকুল ইসলাম (লিটন), মো. আরিফ হোসেন, মীর মিরাজ হোসেন, আজিম উদ্দিন রবিন, পলাশ চন্দ্র বসাক ও খন্দকার নাজমুল হায়দার।

চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সূত্র জানায়, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ‘এ’ ও ‘বি’—উভয় শ্রেণি থেকে নির্বাচিত ৩০ জন পরবচালকের মধ্য থেকে সভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচন করা হবে। তবে পরিচালকদের সভা কবে হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম জানান, বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে।

দীর্ঘদিন পর ভোটদানের সুযোগ পেয়ে আনন্দিত সাধারণ ভোটাররা। ভোট দেওয়ার পর সাম্য রহমান বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই ভোট দিতে এসেছেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচনের সুযোগ পেয়ে সবাই খুশি। এমন গণতান্ত্রিক চর্চা যেন অব্যাহত থাকে।

টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ীদের নেতৃত্বদানকারী এই সংগঠনের সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তিন দশকের আগে। তার পর থেকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শুরু হয়। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকত, সেই দলের নেতারা তাঁদের পছন্দের লোকদের দিয়ে পরিচালনা পরিষদ গঠন করে দিতেন। সাধারণ ভোটাররা ভোটদানের সুযোগ পেতেন না।

উল্লেখ্য, নির্বাচিত পরিচালকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সরাসরি ক্ষমতাসীন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ‘এ’ শ্রেণিতে নির্বাচিত পরিচালক বেনজীর আহমেদ বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। রাশেদুল আলম জেলা যুবদলের আহ্বায়ক। তারেকুল ইসলাম ঝলক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা।

এ ছাড়া কাজী শফিকুল ইসলাম লিটন ও আবদুল্লাহ- হেল-কাফি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, যদিও তাঁরা এখন পদে নেই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুন ২০২৬ ০১:৪০:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে যমুনার ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বেড়িবাঁধের ঘোষণা পানিসম্পদমন্ত্রীর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যমুনার ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বেড়িবাঁধের ঘোষণা পানিসম্পদমন্ত্রীর

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার যমুনা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে অতি দ্রুত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (২২ মে) বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলি এলাকার নদীভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন করেন মন্ত্রীদ্বয়। পরে নদীর তীরবর্তী মিন্টু মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ভাঙনকবলিত মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তারা।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং জনগণের স্বার্থে আগামী অর্থবছর থেকেই যমুনা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, যমুনা নদীর ভাঙনে প্রতি বছর নদীপাড়ের অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ দুর্ভোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। টাঙ্গাইলের যমুনা নদীভাঙন কবলিত এলাকাগুলো সুরক্ষায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরেই এর কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। যমুনার ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যেই নিজে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসেছেন বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমরা যা বলি, তাই করি।নির্বাচনের আগে যমুনার ভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সরকার তা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি এ অঞ্চলের উন্নয়নে সড়ক নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে এবং স্থানীয় মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহজাহান সিরাজসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এ ছাড়া জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী এবং ভাঙনকবলিত এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মে ২০২৬ ০১:৫৬:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে লৌহজং নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লৌহজং নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে এবং টাঙ্গাইল পৌর এলাকার নদী তীরবর্তী জনপদ রক্ষায় মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার(২ মে) সকালে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ক্ষুদিরামপুর এলাকায় লৌহজং নদীপুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আঙুল থেকে ভোটের কালি না শুকাতেই বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ‘টাঙ্গাইল জেলার ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদী পুনঃখনন এবং টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় নদীতীর প্রতিরক্ষা’ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হলো।

তিনি বলেন, নদী বাঁচলে টাঙ্গাইল বাঁচবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে যেমন মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন ঘটবে, অন্যদিকে টাঙ্গাইল পৌরসভা ভাঙন ও বন্যা থেকে রক্ষা পাবে। বর্তমান সরকার জলাশয় ও নদী রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিনের পলি জমে ভরাট এবং দখল-দূষণের শিকার হওয়া ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদী খনন করার ফলে এই অঞ্চলের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং কৃষি ও পরিবেশের আমূল পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় নদীতীর প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের ফলে শহরের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মে ২০২৬ ০৮:৩২:পিএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে জ্বালানি তেল পরিমাপে কম দেওয়ায় ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জ্বালানি তেল পরিমাপে কম দেওয়ায় ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জ্বালানি তেল পরিমাপে কম দেওয়ার অভিযোগে একটি ফিলিং স্টেশন মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল।

মঙ্গলবার(২৮ এপ্রিলে) দুপুরে শহরের আমিন বাজার এলাকায় মেসার্স রাসেল এলপিজি এন্ড ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

এসময় তিনি জানান, মেসার্স রাসেল এলপিজি এন্ড ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, ডিজেল ও পেট্রোল প্রতি ৫ লিটারে প্রায় ৩৩০ মিলি লিটার পরিমানে কম দেওয়া হচ্ছে। পরে ওই প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরো জানান, ফিলিং স্টেশনের মেশিনের ত্রুটি ঠিক না করা পর্যন্ত এই পাম্পে তেল বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

অভিযানে বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার শহরের আমিন বাজার এলাকায় মেসার্স রাসেল এলপিজি এন্ড ফিলিং স্টেশনে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২৬ ০২:১৮:এএম ৪ মাস আগে
বিগত সরকার সঠিক সময়ে হামের টিকা আনার ব্যবস্থা করেনি: প্রতিমন্ত্রী টুকু - Ekotar Kantho

বিগত সরকার সঠিক সময়ে হামের টিকা আনার ব্যবস্থা করেনি: প্রতিমন্ত্রী টুকু

আরমান কবীরঃ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিগত সরকার হামের টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল এবং সঠিক সময়ে টিকা আনার ব্যবস্থা করেনি।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল পৌর শহরের পৌর উদ্যানে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বর্তমান সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা এই টিকার ব্যবস্থা করেছেন। এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সরকারের দায়িত্বহীনতার কারণে জনগণ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছিল। এ ধরণের অবহেলার জন্য তিনি তাদের নিন্দা জানান। তবে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে ইতোমধ্যে সারা দেশে হামের টিকা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ ছাড়া মানুষের জীবনে স্বাস্থ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাই সবাইকে সচেতন হয়ে স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনো ধরণের অবহেলা না করার পাশাপাশি, আগামী দিনে স্বাস্থ্য সচেতনতা আরও বাড়াতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক, সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মাহবুবুল আলম মঞ্জু, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন মিয়া প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের ১২০টি কেন্দ্রে ৩৯০টি ওয়ার্ডে হাম-রুবেলার টিকা পাবে তিন লাখ ৮৭ হাজার ৩৬৯ জন শিশু। সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তিন হাজার ১২০ টি কেন্দ্রে এই টিকা দেওয়া হবে। এ কার্যক্রম আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. এপ্রিল ২০২৬ ০১:০৮:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলের মেয়ে মেঘলার ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের মেয়ে মেঘলার ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মেধাবী শিক্ষার্থী যারিন সুবাহ মেঘলা উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাচ্ছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনার ক্লেমসন ইউনিভার্সিটির বায়োলজিক্যাল সাইন্স বিভাগে ফুলব্রাইট স্কলারশিপসহ স্নাতকোত্তর (পোস্টগ্রাজুয়েট) করার সুযোগ পেয়েছেন। আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এসময় তিনি টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ সুবিধাও পাবেন।

মেঘলা ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ ও মেরিন সাইন্স বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।

তিনি টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রকিবউদ্দীন বাবুল এবং তাহমিনা আক্তার দম্পতির জ্যেষ্ঠ কন্যা। তার ছোট ভাই আহনাফ উদ্দিন অর্ক বর্তমানে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিউপি)-এর ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে অধ্যয়নরত।

শিক্ষাজীবনে মেঘলা সবসময়ই মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সরকারি কুমুদিনী মহিলা কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ফিসারিজ ও মেরিন সাইন্স বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

এ বিষয়ে মেঘলার বাবা রকিবউদ্দীন বাবুল বলেন, “মেয়ের এই অর্জনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। সে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর পিএইচডি করার ইচ্ছা পোষণ করেছে। আল্লাহ যেন তার সেই স্বপ্ন পূরণ করেন। আমি টাঙ্গাইলবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া কামনা করছি।”

উল্লেখ্য, ফুলব্রাইট স্কলারশিপ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অর্থায়নে পরিচালিত একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি। এর মাধ্যমে বিশ্বের মেধাবী শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ পেয়ে থাকেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২৬ ০২:১৮:এএম ৫ মাস আগে
টাঙ্গাইলে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি শিশুর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি শিশুর মৃত্যু

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(২ এপ্রিল) ভোর রাতে শিশুটি মারা যায়। তার নাম সাইফাল। বয়স ৮ মাস। সে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা গ্রামের সোহেল রানার ছেলে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সাদিকুর রহমান জানান, গত কয়েকদিনে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৪ জন শিশু ভর্তি হয়। সাইফাল নামের ওই শিশুটিকে বুধবার বিকেল ৪টার সময় ভর্তি করা হয়। রাত তিনটার দিকে সে মারা যায়। আমরা ধারণা বা (সন্দেহ) করছি, হামের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু আমরা তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করাতে পারেনি। আরও ১৩ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

তিনি আরও জানান, ডায়রিয়া ওয়ার্ডের কয়েকটি রুম খালি করে হামে আক্রান্ত শিশুদের ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় ২০ শয্যাবিশিষ্ট একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, অনেক অভিভাবক তাদের শিশুদের টিকা দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। যারা টিকা দেননি সেই সব শিশুদের হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হতে হচ্ছে। জ্বর, শরীর ফুলে যাওয়া, চোখ লাল হওয়া এসব দেখলেই শিশুদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হবে। উপজেলার প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দিতে আইসোলেশন সেন্টার খোলা হচ্ছে। গত এক বছরে হামের টিকার ব্যাপক ক্রাইসিস ছিল। মাঝখানে টিকা পাওয়া গেলেও তা ছিল খুবই অপ্রতুল। এখন জেলায় মাত্র তিনদিনে টিকা রয়েছে। যা ৭ হাজার ১২৫ জন শিশুকে দেওয়া যাবে। আগামী রোববার থেকে ছয় থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। যেসব শিশুকে টিকা দেওয়া হয়নি তাদের নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে টিকা নেওয়া অনুরোধ জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. এপ্রিল ২০২৬ ০১:৩৭:এএম ৫ মাস আগে
টাঙ্গাইলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘সবুজ পৃথিবী’র উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘সবুজ পৃথিবী’র উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

আরমান কবীরঃ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘সবুজ পৃথিবী’র উদ্যোগে টাঙ্গাইলে সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ)সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের শহরের নগরজলফৈ বাইপাস এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডঃ আজিজুল হক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইব্রাহিম খাঁ সরকারী কলেজের অধ্যাপক অনিক রহমান বুলবুল, শাপলা ইউনিভার্সাল সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আমির হোসেন বাবু, সবুজ পৃথিবীর উপদেষ্টা দিলআরা বেগম মিনা, সেবক সংস্থার নির্বাহী পরিচালক নাজমুজ সালেহীন, সবুজ পৃথিবীর পরিচালক শারমিন আলম, সংগঠক নাদিয়া ইসলাম, জান্নাতুল ফেরদৌস জলি প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সবুজ পৃথিবীর সাধারণ সম্পাদক সহিদ মাহমুদ।

বৃক্ষরোপণকালে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। স্বাধীনতা দিবসের এই ঐতিহাসিক ক্ষণে দেশকে সবুজে শ্যামলে ভরিয়ে তোলার শপথ নিয়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তারা কেবল গাছ রোপণই নয়, বরং রোপিত গাছের সঠিক পরিচর্যার ওপরও বিশেষ জোর দেন।

দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে মহাসড়কের নগরজলফৈ বাইপাস সংলগ্ন খালি জায়গায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

এ সময় সংগঠনের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং পরিবেশকর্মী ও তরুণ শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২৬ ০১:৪৬:এএম ৫ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনি ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়।

জেলা সদরের জনসেবা চত্বরে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে প্রথমে রাষ্ট্রের পক্ষে জেলা প্রশাসক শরীফা হক এবং জেলা পরিষদের পক্ষে প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন ও দোয়া করা হয়।

অন্যদিকে, শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সকাল ৮টায় মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড, বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, রেড ক্রিসেন্ট, শ্রমিক, নাট্য, নৃত্য, ব্যাংক-বীমা, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

অপরদিকে, দিনটি উপলক্ষে সকাল ৮টায় শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে প্রদর্শণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দিবসের আলোচনা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক শরীফা হক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার অ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া প্রমুখ। পরে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২৬ ১২:০৭:এএম ৫ মাস আগে
টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন মিনি পেট্রোল পাম্প বন্ধ, মালিককে অর্থদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন মিনি পেট্রোল পাম্প বন্ধ, মালিককে অর্থদণ্ড

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন একটি ‘মিনি পেট্রোল পাম্প’-এর কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রোববার(৮ মার্চ) বিকেলে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে পাম্পটি বন্ধের পাশাপাশি মালিককে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল শহর সংলগ্ন বাসাখানপুর বাজারে আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তি গত কয়েক মাস ধরে ‘এআর ট্রেডার্স’ নামক এই মিনি পেট্রোল পাম্পটি পরিচালনা করছিলেন। পাম্পটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কোনো বৈধ কাগজপত্র ছিল না। এছাড়া চলমান সংকটকালীন সময়ে এই পাম্পে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছিল এবং প্রতিটি মোটরসাইকেলে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছিল না।

সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, বাজার তদারকির অংশ হিসেবে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। সদর উপজেলার বাসাখানপুর বাজারে অনুমোদনহীনভাবে পাম্প গড়ে তুলে বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির অপরাধে এআর ট্রেডার্সের মালিক আব্দুর রাজ্জাককে নগদ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসাথে পাম্পটির পেট্রোল বিক্রি কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালে টাঙ্গাইলের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শাহিদা আক্তার এবং কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জলসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার বিকেলে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. মার্চ ২০২৬ ০২:৩৫:এএম ৬ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।