একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ১৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৫জনের করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ২৫ জন, সখীপুরে ৪জন, দেলদুয়ারে ৩ জন, বাসাইল, মধুপুর ও ভুঞাপুরে একজন করে রয়েছেন। এ নিয়ে সোমবার(১৯ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৪৫৩১জন।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৭০জন। আরোগ্য লাভ করেছেন ৩৯২৮ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৯৪ জন। মোট কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪৭০০ জন।
একতার কন্ঠ ডেস্কঃ করোনা রোগীদের জন্য নির্মিত দেশের বৃহত্তম করোনা চিকিৎসা কেন্দ্র ‘ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কভিড-১৯ হাসপাতাল’-এ রোগী ভর্তি শুরু হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক হাসপাতালটি উদ্বোধনের পর সোমবার সকাল থেকে রোগী ভর্তি শুরু হয়েছে। এখানে সব ধরনের চিকিৎসা সুবিধা পাবেন আক্রান্তরা।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ফেইসবুক পেজে সোমবার সকালে জানানো হয়, ডিএনসিসির মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের প্রতিশ্রুতির মাত্র আট মাসের মাথায় শুরু হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ‘ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কভিড-১৯ হাসপাতাল’-এর রোগী সেবা কার্যক্রম।
হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ৫০ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), ৫০ শয্যার ইমারজেন্সি, যা অনেকটা আইসিইউর মতোই। এছাড়া আছে হাইফ্লো নাজাল ক্যানোলা, সেন্ট্রাল অক্সিজেনসহ সব ব্যবস্থা। ১৫০টি (সিঙ্গেল) রুমের আইসোলেশন ব্যবস্থা এখানে রয়েছে। এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিতে ৫০০ চিকিৎসক, ৭০০ নার্স, ৭০০ স্টাফ এবং ওষুধ, সরঞ্জামের ব্যবস্থা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
হাসপাতালটিতে সর্বমোট ১০০০ শয্যায় কোভিড রোগীর জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। তাছাড়া ৫০০ কেভিএ জেনারেটর ও ১০০০ কেভিএ হাই ভোল্টেজ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা করা হয়েছে। অগ্নিনির্বাপণের জন্য ৯০ হাজার লিটার ওয়াটার রিজার্ভার থাকছে।
রোগীরা কীভাবে ভর্তি হবেন সে বিষয়ে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন বলেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে বা উপসর্গ আছে- এমন রোগীদের এখানে চিকিৎসা দেওয়া হবে। তারা প্রথমে আমাদের ট্রায়াজে প্রবেশ করবেন। সেখানে দুটি জোন আছে। যাদের মৃদু উপসর্গ আছে বা হেঁটেই আসতে পারছে, চিকিৎসা নেওয়ার জন্য তাদের যদি ভর্তি প্রয়োজন না হয় তবে ভর্তি করা হবে না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই তাকে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হবে। পরে এসে তিনি আবার রিপোর্ট করতে পারবেন।
সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃবঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার আনালিয়াবাড়ি নামক স্থানে সড়ক দূর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। শনিবার( ১৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মহাসড়কের ৮ এবং ৯ নম্বর ব্রীজের মাঝখানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষনিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে একটি মোটরসাইকেল ও দুইজনের মরদেহ পড়েছিল। ধারনা করা হচ্ছে ,মোটরসাইকেলটিকে অজ্ঞাত কোন ট্রাক পিছন থেকে চাপা দিয়ে চলে গেছে। এ কারনেই হয়তো দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। লাশ দুটি উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু সেতু পুর্ব থানায় রাখা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার পৌর এলাকার কাচারী পাড়ায় মহল্লাবাসির মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে আইয়ুব আলী (৭০) নামক এক বৃদ্ধ খুন হয়েছেন। পুলিশ খুনের সাথে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করেছে।
এ প্রসঙ্গে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত বুধবার (১৪ এপ্রিল) ওই মহল্লার আইয়ুব আলীর স্বজনদের সঙ্গে পড়শি সোহেলদের সাথে মারামারি হয়। এতে তিনজন আহত হয়। সন্ধ্যায় কাচারী পাড়া মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে প্রতিপক্ষ সোহেল ও আলাদিনের নেতৃত্বে ৪/৫ জন আইয়ুব আলীকে মসজিদের ভিতর বেদম পেটায়। গুরুতর আহত আইয়ুবকে প্রথমে গোপালপুর হাসপাতাল এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
নিহত আইয়ুব আলীর পুত্র মোজাম্মেল হক জানান, বৃদ্ধ মানুষটিকে অমানুষিকভাবে পেটানো হয়। চিকিৎসার ত্রুটি ছিলনা। শুক্রবার(১৬ এপ্রিল) দুপুরে তার পিতা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এদিকে তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আইয়ুব হত্যার বিচারের দাবিতে মহল্লাবাসি শহরের নন্দনপুর এলাকায় প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে স্থানীয় প্রশাসন খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেয় হয়।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ঢাকা-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কে কালিহাতী উপজেলার চর বাবলা নামক স্থানে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে আরও দুইজন। শুক্রবার(১৬ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। তাৎক্ষণিক ভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড় থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, উত্তরবঙ্গগামী একটি টিন বোঝাই ট্রাক চর বাবলা স্থানে দাড়িয়ে থাকা অপর একটি ট্রাককে পিছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হয়। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুত্বর আহত দুইজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নিহত ও আহতদের কারো পরিচয় জানা যায়নি।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ কেন হঠাৎ করে করোনা সংক্রমণ এত বেড়ে গেলো? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ যখন সীমিত ছিলো তখন সবার অবারিত চলাফেরাই এর জন্য দায়ী। তাছাড়া যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকার টাইপ করোনা দেশে ছড়িয়ে পড়া বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে ঢেউয়ের ঊর্ধ্বমুখীতা যেমন আছে তেমনই আছে নিম্নমুখী প্রবণতা। তাই সরকারের নতুন পদক্ষেপ সংক্রমণ কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তারা।
চারদিকে আতঙ্ক, শুনশান নীরবতা আর সতর্কতা ও সচেতনতা। এর ওপর ভর করেই গেলো বছরের জুলাই মাসের পর থেকে করোনা সংক্রমণ নিচের দিকে নামতে থাকে।
আতঙ্ক, নীরবতা, সতর্কতা আর সচেতনতা একসময় সবই উঠে যায়। সাধারণের মধ্যে একটা দৃঢ় বিশ্বাস জন্মায় করোনা হয়তো বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড়; হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট সব জায়গায় উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। এর মধ্য দিয়েই শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। যা প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। বিশেষজ্ঞরা এই অনিয়ন্ত্রিত জীবন ধারাকেই দ্বিতীয় ঢেউয়ের পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। সঙ্গে যোগ হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও যুক্তরাজ্যের করোনার নতুন ধরন।
বাংলাদেশ ডক্টরস ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক ডা. নিরুপম দাশ বলছেন, প্রায় ১০ লাখের মতো মানুষ কক্সবাজারেই ছিলো। বাজার, গণ-পরিবহন প্রভৃতি জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই ছিলো না। এছাড়া আমাদের দেশে দক্ষিণ আফ্রিকার ধরণ যোগ হওয়ার জন্য সংক্রমণ হয়তো বাড়ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি শিথিল করেছি, ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান করেছি। এসব আমাদের সংক্রমণকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
দিনকে দিন পরিস্থিতি খুব খারাপের দিকে যাচ্ছে। সংক্রমণ এখন পরীক্ষার বিপরীতে ২০ শতাংশের ওপরে। ২৩ শতাংশও টপকেছে বেশ কয়েকদিন। ২৮ মার্চ থেকে আট এপ্রিল কেবল এই ১১ দিনেই শনাক্ত হয়েছে ৭৪ হাজার ৩২৬ জন। এই সময় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিলো ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪টি। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্ত হয়েছে ২১ দশমিক ২৯ শতাংশ। এমন চলতে থাকলে পরিস্থিতি সামাল দেয়া দুঃসাধ্য হয়ে যাবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে ডা. নিরুপম দাশ আরও বলছেন, এখন যদি কোনোভাবে এই শনাক্তের হারকে নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তাহলে এই হার আরও বেড়ে যাবে।
সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে ৭ দিনের লকডাউন দিয়েছিলো। করোনা সংক্রমণ রোধে কাজ না হওয়ায় আরও আটদিনের কঠোর লকডাউন দিয়েছে। এর মাধ্যমে একটা সুফল আসবে বলে মনে করেন তারা। গেলো জানুয়ারি দিকে ৩ শতাংশ পর্যন্ত নেমে এসেছিলো সংক্রমণের হার। ৮ শতাংশের ওপরে উঠলেই বলা হয় সংক্রমণের হাই ফ্লো। এখন ২০ এর ওপরে। বোঝাই যাচ্ছে পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ।তারা আশাবাদী বাংলাদেশ সংকট কাটিয়ে উঠবে খুব সহসাই।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ২৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে একজন।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ছয় জন, দেলদুয়ারে তিনজন, সখীপুরে একজন, মির্জাপুরে চারজন, বাসাইলে তিনজন, কালিহাতীতে একজন, ঘাটাইলে একজন এবং ভূঞাপুরে ছয়জন সহ মোট ২৫ জন।
এনিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো চার হাজার ৪৪৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে তিন হাজার ৯০২ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৭০ জন।
এদিকে টাঙ্গাইল করোনা ডেডিকেটেড সেন্টারে সর্বমোট ভর্তি হয় ২২৭ জন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ১৬০ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয় ৫৪ জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ১১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অন্যদিকে, কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে দুইজন রোগী ভর্তি রয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে এক ভন্ড পুরুষ কবিরাজ নিজেকে নারী সাজিয়ে এক যুবককে বিয়ে করে এলাকায় তুলকালাম সৃষ্টি করেছেন। পরে স্থানীয়রা তাকে গণধোলাই দিয়ে এলাকা ছাড়া করে।
বুধবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার দাড়িয়াপুর ফালু চাঁনের মাজারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে বর জুবায়ের হোসেন (২৫) বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিনমাস আগে ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আলতাফ আলী (৩৫) নিজেকে কবিরাজ পরিচয় দিয়ে দাড়িয়াপুর মাজারপাড় এলাকায় আসে। ওই কবিরাজ মাঝেমধ্যে শাড়ী পরেও এলাকায় ঘুরাফেরা করত। সে সন্তানহীন মহিলাদের সন্তান দানের ঝাড়ফুঁক দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন বাড়িতে গত তিনমাস ধরে অবস্থান করছে। এরই মধ্যে ওই এলাকার কৃষক রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে জুবায়ের হোসেনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। জুবায়ের ও তার পরিবারকে কবিরাজ আলতাফ আলী টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বলেন- ‘আমি রাত ১২টার পর মেয়ে মানুষে রূপান্তরিত হবো, আমাকে বিয়ে করলে প্রচুর সম্পত্তির মালিক হবেন’।
গত ১৩ এপ্রিল রাতে জুবায়ের ও কবিরাজ আলতাফের সম্মতিতেই তাদের বিয়ের প্রস্তুতি চলে। এতে লোভে পড়ে জুবায়েরের পরিবারেরও সম্মতি ছিল বলে জানা গেছে। বুধবার সকালে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে ওই কবিরাজকে ধরে এনে পড়নের শাড়ী-ব্লাউজ খুলে গণধোলাই দিতে থাকে।
পরে দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনসার আলী আসিফ, সাবেক চেয়ারম্যান শাইফুল ইসলাম শামীম, সানোয়ার হোসেন মাস্টার ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কবিরাজকে গণধোলাই থেকে রক্ষা করেন।
স্থানীয়রা দাবি করেন, দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের কাজী মাসুদ রানা একলাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে পড়িয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে কাজী মাসুদ রানার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, একটি বিয়ের রেজিস্ট্রি করতে হবে বলে আমাকে ওই এলাকায় যেতে বলা হয়েছিল। ওই বাড়িতে গিয়ে মেয়ের (পাত্রীর) জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে বলি। পরিচয়পত্র দিতে না পারায় আমি সঙ্গে সঙ্গে ফিরে এসেছি। রেজিস্ট্রি বা বিয়ে পড়ানোর তো কোনো প্রশ্নই উঠেনা। কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে।
সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওসমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর স্থানীয়রা ওই কবিরাজকে হিজরা দাবি করেন। পরে স্থানীয়দের অনুরোধেই তাকে ওই এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
কবিরাজ আলতাফের পরিবারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ভাতিজা ইয়ামিন ফোন ধরেন। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আলতাফ আলী আমাদের এলাকায়ও (ঘাটাইল) কবিরাজি করত। কিন্তু সে একটি ছেলেকে বিয়ে করবে এটা মেনে নিতে পারছিনা।
একতার কন্ঠ ডেস্কঃ বেগুনের বস্তায় ভরে ৩৫৫ বোতল নিষিদ্ধ ঘোষিত ভারতীয় ফেন্সিডিল পাচার কালে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২। রবিবার(১১এপ্রিল)সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকা থেকে একটি পিকআপ সহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরাহলো, রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী গ্রামের মৃত দুলা মিঞার ছেলে মোঃ নাজমুল ইসলাম (২২) এবং দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার মালদাই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সিরাজুল ইসলাম(২৫)।
এ প্রসঙ্গে র্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি টহল দল বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকায় রংপুর থেকে ঢাকাগামী একটি সবজি বোঝাই পিকআপ (ঢাকা মেট্র-ছ ১২-০৩৬৮) আটক করে। পরে তল্লাশী চালিয়ে পিকআপে থাকা চারটি বেগুনের বস্তা থেকে ৩৫৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার এবং ট্রাকের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।
ফেন্সিডিল বহনকারী ট্রাকটিকেও জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক বার সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পরও কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন না করায় অবশেষে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন ব্রিজটি ভেঙে পড়েছে। শুক্রবার (৯ এপ্রিল) রাতে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে পার হওয়ার সময় একটি বালুবাহী ট্রাক সহ ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়ে। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়কসহ পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর, সাটুরিয়া ও ঢাকাগামী সড়কে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।এর আগে দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত ব্রিজটি ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল।
জানা গেছে, নাগরপুর দরগ্রাম ভায়া ছনকা বাজার সড়কের উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স সংলগ্ন ব্রিজটির দুই পাশের রেলিং ভেঙে এবং মাঝখানে ডেবে গিয়েছিল। এরপরও ওই সড়কে যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতো। তবে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্রিজটির এমন দশা থাকলেও সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়নি এলজিইডি কর্তৃপক্ষ।স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হলেও তাদের উদাসীনতার কারণে ব্রিজটি ভেঙে পড়েছে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, রাতে ঝুকিপূর্ণ ওই ব্রিজ দিয়ে একটি বালুবাহী ট্রাক পারাপার হওয়ার সময় ভেঙে খাদে পড়ে যায়। এরপর থেকেই ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ট্রাকটি উদ্ধারে কাজ চলছে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, ব্রিজ ভাঙার বিষয়টি জানা নেই। আর বন্ধের দিন রাতে ফোন দিয়ে কেন বিরক্ত করছেন। এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে পারবো না।’
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে করোনা আক্রান্ত রুগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে জেলায় ৪১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবউদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ১৯ জন, দেলদুয়ারে তিন জন, মির্জাপুর নয় জন, কালিহাতীতে দুই জন, ঘাটাইলে দুইজন, মধুপুরে একজন এবং ভূঞাপুরে পাঁচজন নিয়ে মোট ৪১ জন।
এ নিয়ে জেলায় মোট করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো চার হাজার ২৭৪ জন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন তিন হাজার ৮৭৯ জন। এ পর্যন্ত জেলা মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৬৮ জন।
এদিকে, টাঙ্গাইল করোনা ডেডিকেটেড জেনারেল হাসপাতালে সর্বমোট ২১৮ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ১৫৭ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য এ পর্যন্ত ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৫৪ জন করোনা রুগীকে। বর্তমানে টাঙ্গাইলে জেনারেল হাসপাতালে ছয় জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি প্রথমে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহনের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।
এর পর সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ সহ অনেকেই দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণ করেন।
এর আগে বুধবার(৭ এপ্রিল) দ্বিতীয় ডোজের ৬৩ হাজার করোনা টিকা টাঙ্গাইলে পৌঁছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খান জানান, গত ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে প্রথম ধাপে এক লাখ ২০ হাজার ডোজ টিকা পৌঁছায়। সেখান থেকে বুধবার পর্যন্ত টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার ৪২টি কেন্দ্রে ৯৭ হাজার ১৭৮ জন করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণ করেন।
এদিকে, টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৫জন, মির্জাপুর, ভূঞাপুর ও কালিহাতীতে একজন করে রয়েছেন।
এ নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়াল চার হাজার ২৩৩জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৬৮জন। সুস্থ্য হয়েছেন তিন হাজার ৮৬৩ জন। হাসপাতালে ২৭৯ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।