/ মূলপাতা / জাতীয়
টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে অন্তত ২০জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টিয়ার গ্যাস ও গুলি ছুড়েন।

এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ী, অন্তত ২০টি মটরসাইকেল, কাজী ডিজিটাল হাসাপাতাল, উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয় ভাঙ্গচুর করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার(১৩ জুন ) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে মধুপুর শহরে পৃথক সমাবেশ পালনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা হয়।

বিবাদমান দুই গ্রুপের এক পক্ষ স্থানীয় এমপি ও কৃষিমন্ত্রীর অনুসারী এবং আরেক পক্ষ মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান আবুর সমর্থক।

জানা যায়, মধুপুর পৌর ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে যৌথভাবে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আয়োজন করা হয়।

অপর দিকে, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি ও সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান আবু থানা মোড়ের দক্ষিণে পৃথকভাবে কর্মসূচির আয়োজন করে।

এ সভায় যোগদান করতে আসা ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা পথিমধ্যে হামলার শিকার হন। এই ঘটনাকে ঘিরে মধুপুরে উত্তেজনা দেখা দেয়।

আহতরা হলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও লাউফুলা গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে খলিলুর রহমান (৩২), দামপাড়া গ্রামের মোর্শেদের ছেলে মাসরাফি (২৩), ইদিলপুর গ্রামের আহমেদ আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৬০), ভবানটেকী গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে সোয়াইফ (২০), গাংগাইর গ্রামের খালেদ আহমেদের ছেলে মাসরুর আহমেদ প্রিতম (৩০), দানবাবান্দা গ্রামের আহসান আলীর ছেলে চাঁন মিয়া (৬৫)।

আহতদের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে । এ ছাড়া ইদিলপুর গ্রামের আহমেদ আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৬০) কে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মধুপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান জানান, আলোকদিয়া ইউনিয়নের সভাপতি দুলাল হোসেনের নেতৃত্বে মটরসাইকেল ও অটোরিক্সা যোগে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডের সমাবেশে আসার সময় থানা মোড়ে কতিপয় ছাত্র ও শ্রমিক নেতা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তার নিকটে থাকা ৬০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। হামলাকারীরা সকলেই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবুর নেতৃত্বাধীন কর্মী বলে দাবি করেন তিনি।

এই ঘটনার পর মধুপুর পৌরসভার মেয়র সমর্থিত নেতাকর্মীরা লাঠি-শোঠা নিয়ে এগিয়ে থানা মোড়ের দিকে এগিয়ে আসে। এরই মধ্যে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন ও সভা শেষে ছরোয়ার আলম খান আবুর নেতৃত্বাধীন মিছিলটি ফিরছিল। থানা মোড়ে মিছিল আসা মাত্রই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে । এ সময় সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়। ভাঙ্গচুর করা হয় উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়, তার ব্যবহৃত সরকারি গাড়ি, অন্তত ২০টি মোটর সাইকেল, কাজী ডিজিটাল হসপিটাল। দুই গ্রুপের ইট পাটকেল নিক্ষেপ, পুলিশের গ্যাস গান ব্যবহারে থানা মোড় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পার্শ্ববর্তী বাসা বাড়ির লোকজন আতংকিত হয়ে পড়ে। মধুপুরের দোকান পাট মুহুর্তের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পাশ্ববর্তী থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত পৌনে আটটা পর্যন্তও বিক্ষিপ্তভাবে ককটেল বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া যায়।

রাত আটটায় মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ার আলম খান আবু তার বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ করা সম্পূর্ণ সংগঠন বিরোধী। তাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করার এখতিয়ার নেই। তারপরও মেয়রের নেতৃত্বে গাড়ী, মটরসাইকেল, দোকান, হাসপাতাল ভাঙ্গচুর নেতাকর্মীদের পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটিয়েছে। সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের উপরে হামলা করে অন্তত ৫০ জনকে তারা আহত করেছে। তারা নিরাপত্তার কথা ভেবে বিভিন্নস্থানে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান আবু আরো বলেন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান কৃষি মন্ত্রী ও স্থানীয় এমপি ড. আব্দুর রাজ্জাকের অনুসারী। এ ঘটনায় আমরা থানায় অভিযোগ দিবো।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি, সহসভাপতি কাজী আব্দুল মালেকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে মধুপুর পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান সাংবাদিকদের জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে সংগঠন বিরোধী কার্যক্রম করার অপরাধে কেন বহিষ্কার করা হবে না মর্মে শোকজ করা হয়েছে। বর্তমানে দলীয় কার্যক্রম করার এখতিয়ার তিনি হারিয়েছেন। তাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের থানা মোড়ে আবুর কর্মীরা হামলা করে আহত করে। পরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আমি বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের শান্ত করে ফিরিয়ে নিয়ে আসি।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মুরাদ হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মারামারি হয়েছে। কোন পক্ষই এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ করেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২৩ ০৯:৩৩:পিএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে এ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর)। তার হেফাজত থেকে দুটি পুলিশ পোষাক, একটি পুলিশ বেল্ট, একটি পুলিশ রিফ্ল্যাক্টিং বেল্ট ও পাঁচটি ছোরা জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (২৩ জুন)বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মো. সোনাব আলী (৫০)। সে সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার চরকুরকী গ্রামের মৃত জিলানীর ছেলে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি উত্তর) অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো. মোশারফ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি প্রতিরোধ, অবৈধ মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান করা হয়। রাত সোয়া ১০ টার দিকে খবর আসে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাগমারী কলেজ মোড়ে কিছু ডাকাত পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে পুলিশের নকল পোষাক ও দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র, অন্যান্য মালামালসহ অবস্থান করছে। পরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কাগমারী কলেজ মোড় থেকে মো. সোনাব আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো জানান,শুক্রবার এসআই মনির বাদি হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। শুক্রবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে সোনাব আলীকে কারাগারে পাঠানো হয়।পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি প্রস্তুতির সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২৩ ০২:৫৩:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে মামার হাতে ভাগ্নি খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মামার হাতে ভাগ্নি খুন

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে মামার হাতে ভাগ্নি খুন হয়েছেন।

শুক্রবার (২৩ জুন) ভোর রাতে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ঘাতক মামা সুমন মিয়া সহ আরও দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত তুলিন (৫) ঘাটাইল উপজেলার একই গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে। নিহত তুলিনের বাড়ি এবং নানার বাড়ি পাশাপাশি। মাঝে মাধ্যেই তুলিন তার নানার বাড়িতে মামা মামীর কাছে থাকতো। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তুলিন তার মামা মামীর কাছে থাকতে যায়। রাত গভীর হলে তুলিনের মামা সুমন তার দুলাভাইকে ( শিশু তুলির বাবাকে) ফোন করে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে তার মেয়েকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। শুক্রবার সকালে তুলিনকে খুজতে তার বাবা-মা তুলিনের মামার বাড়ি যায়। এসময় তুলিনের মামা ও পরিবারের অন্যান্য লোকজন নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় এলাকাবাসী তুলিনের মামা সুমন মিয়া, স্ত্রী সুমাইয়া ও নানী মরিয়মকে আটক করে। পরে স্বজন ও এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে সুমনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পানির ট্যাংকি থেকে তুলির লাশ উদ্ধার করে।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের মাতম বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান,সুমন তার ভাগ্নিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় সুমন, তার মা মরিয়ম বেগম এবং স্ত্রী সুমাইয়া বেগমকে আটক করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি । থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২৩ ০১:২০:এএম ৮ মাস আগে
এবারও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা হবে: অতিরিক্ত আইজিপি - Ekotar Kantho

এবারও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা হবে: অতিরিক্ত আইজিপি

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হাইওয়ে পুলিশের প্রধান মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, এবারের ঈদে একটু ভিন্নমাত্রা আছে। এ ঈদে পশুবাহী গাড়ির বেশি চলাচল করে। মহাসড়কের সংলগ্ন ও অদূরেই হাট থাকে। এই চ্যালেঞ্জগুলো আমরা চিহ্নিত করেছি, এর সমাধানের পথ জানি, সেগুলো সমাধানের পথও আমরা চিহ্নিত করেছি। ইজারাদারসহ স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন সকলে মিলে এবারও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা হবে। আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ও অঙ্গীকারবদ্ধ। সেভাবে আমরা মাঠে আছি ও কাজ করছি।

বৃহস্পতিবার (২২ জুন) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক পরিদর্শনকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোলপ্লাজা চত্বরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদউত্তীর্ণ যানবাহন নিয়ে যে আমরা শুধু ঈদের আগে কাজ করি তা না। প্রতিনিয়ত এসব যানবাহন নিয়ে আমরা কাজ করে থাকি। প্রতিনিয়ত ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদউত্তীর্ন যানবাহন ডাম্পিং করা হচ্ছে। গত মে মাসে এ রকম যানবাহনের বিরুদ্ধে ২৫ হাজার মামলা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এছাড়াও অনেক গাড়ি আটক করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থার কারনে কিন্তু গত ঈদ এ যাবতকালের স্বস্তি দায়ক ঈদ যাত্রা হয়েছে। যানজট ও নিরাপদ ঈদ আমরা উপহার দিতে পেরেছি। ফিটনেসবিহীন, রেজিষ্ট্রেশনবিহীন ও লাইসেন্সসহ নানা অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ ধারাবাহিকতা বর্তমানেও অব্যাহত আছে, আশা করছি এর সুফল এবারও পাবো।

অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হাইওয়ে পুলিশের প্রধান মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, তারপরও ভাল গাড়ি যদি তাৎক্ষনিক বিকল হয় সে গুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সব মহাসড়কের যানবাহন মেরামতের ওয়ার্কশপের মালিকদের নম্বর আমরা রেখেছি। বিকল হওয়া গাড়ি যাতে তাৎক্ষনিক চালু করা যায় সে বিষয় জোরদার করা হয়েছে। যে সব যানবাহন চালু করা যাবে না সেগুলো রেকার দিয়ে অপসারণ করবো।

তিনি আরও বলেন, ঈদ উপলক্ষে সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশের হেড কোয়ার্টার ,আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, হাইওয়ে পুলিশ আমরা সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নিয়ে থাকি। আমাদের গুরু দায়িত্ব মনে করি ঈদের সময়ে জন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে, মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদে স্বাধচ্ছন্দে স্বজনদের কাছে যাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকি। যখন এলেঙ্গা থেকে উত্তরবঙ্গমুখী গাড়ির চাপ বেশি থাকবে তখন বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড়ের গোলচত্বর হয়ে ভূঞাপুর দিয়ে এলেঙ্গা দিয়ে ঢাকায় যাবে। গাড়ির চাপ কম বেশির উপর ভিত্তি করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর রিজিওনের পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন, বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল, কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান, বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম, এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) জাহিদ হাসান প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জুন ২০২৩ ০২:৩৮:এএম ৮ মাস আগে
করটিয়া ইউনিয়নে ২৩৬০টি পরিবারের মাঝে ডিজিএফ’র চাল বিতরণ - Ekotar Kantho

করটিয়া ইউনিয়নে ২৩৬০টি পরিবারের মাঝে ডিজিএফ’র চাল বিতরণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নে ২৩৬০টি পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঈদ উপহার ‘ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জুন)সকালে স্থানীয় এইচ এম ইনিস্টিটিউট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এই চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন করটিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলার ট্যাগ অফিসার আখি আক্তার, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. ফারুক হাসান, ইউপি সদস্য মো.শাহীন মিয়া, আব্দুল লতিফ, মো. ফারুক হোসেন খান মানিক প্রমুখ।

বিতরণকালে করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে উপস্থিত সকলকে পবিত্র ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, ঈদের আনন্দকে সকলের মাঝে ভাগাভাগি করে নেওয়ার প্রয়াসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন উদ্যোগ নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, চাউল বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুশৃংখলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এসময় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ২৩৬০ টি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুন ২০২৩ ০৯:০৫:পিএম ৮ মাস আগে
নাগরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

নাগরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. তারা মিয়া (২৮) নামের এক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

বুধবার (২১ জুন) বিকালে নাগরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরকাঠুরী এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত তারা মিয়া উপজেলার কাঁচপাই গ্রামের আফছার শেখের ছেলে।

জানা যায়, বুধবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে পল্লী বিদ্যুতের লাইন চালু থাকা অবস্থায় কাঠ ব্যবসায়ী রফিক চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক দিয়ে গাছ কাটতে ছিলেন। হঠাৎ করেই বিদ্যুৎদের তারের ওপর গাছের ঢাল পড়ে সাথে সাথেই শরীর বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনা স্থলেই মারা যায় তারা মিয়া। গাছের সাথে ঝুলে থাকে তার লাশ। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোক এসে নিহতের লাশ নিচে নামিয়ে আনেন। আহত অপর দুইজনকে নাগরপুর হাসপাতালে চিৎকিসার জন্য পাঠানো হয়। আহত ব্যক্তিদের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।

টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নাগরপুর জোনাল অফিসের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মেশবাহুল হক জানান, গাছ কাটার বিষয়ে আমাদের অবহিত করা হয়নি।

নাগরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মো. মেহেদী হাসান বলেন, বিকেল ৫টার দিকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে নিহতের লাশ গাছ থেকে নিচে নামিয়ে আনা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুন ২০২৩ ০৩:৩৬:এএম ৮ মাস আগে
বাসাইলে পৌর মেয়র হলেন গামছা প্রতীকের টিপু - Ekotar Kantho

বাসাইলে পৌর মেয়র হলেন গামছা প্রতীকের টিপু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌর নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মনোনীত গামছা প্রতীকের প্রার্থী রাহাত হাসান টিপু ৪ হাজার ৭শ’ ৪২ ভোট পেয়ে তিনি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রহিম আহমেদ পেয়েছেন ৪ হাজার ৬শ’ ২১ ভোট।

স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল করিম অটল নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ৩শ’ ৫৪ ভোট পেয়েছেন ।

বুধবার(২১ জুন) সন্ধ্যায় সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বাসাইল উপজেলা হলরুম থেকে বেসরকারিভাবে পৌরসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

বাসাইল পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে তিন জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৭ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জুন ২০২৩ ০১:০০:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে বৃদ্ধ নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে বৃদ্ধ নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ফসলের মাঠ (চক) থেকে গরু আনতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে ফজলুল হক (৫০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এতে ফজলুল হকের শরীরের বিভিন্ন অংশ ভষ্মিভুত হয়ে যায়।

বুধবার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে গোপালপুর উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের বাইশকাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফজলুল হক ওই গ্রামের জহুর আলীর ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন।

তিনি জানান, ফজলুল হক দুপুরে মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎ বজ্রপাতের কবলে পড়েন তিনি। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে তার মরদেহ স্বজনরা বাড়ি নিয়ে গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জুন ২০২৩ ১১:৪০:পিএম ৮ মাস আগে
বাসাইল পৌরসভা নির্বাচন: উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ  - Ekotar Kantho

বাসাইল পৌরসভা নির্বাচন: উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ 

একতার কণ্ঠঃ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভা নির্বাচনে সুষ্ঠু ও উৎসমুখর পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ। বুধবার(২১ জুন) সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয় একটানা বিকেল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। তবে, এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন।

মেয়র পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, বাসাইল উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিস্কৃত সভাপতি এনামুল করিম অটল এবং উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি রাহাত হাসান টিপু।

উপজেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ১৮ হাজার ৪৩৭ জন ভোটারের এ পৌরসভায় তিন জন মেয়র প্রার্থী, নয়টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৭ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইভিএম মেশিনের মাধ্যমে ভোট দিচ্ছেন ভোটারা।

এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিয়ুর রহমান বলেন, সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে সেলক্ষ্যে পৌরসভায় পর্যাপ্ত সংখ্যক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জুন ২০২৩ ০৭:৩৩:পিএম ৮ মাস আগে
কুদরত এলাহির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে হাইকোর্টের নির্দেশ - Ekotar Kantho

কুদরত এলাহির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে হাইকোর্টের নির্দেশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা সমবায় ব্যাংকের সভাপতি কুদরত ই এলাহি খানের বিরুদ্ধে ব্যাংকটির ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী তিন মাসের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনকে বিষয়টি অনুসন্ধান করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার অনীক আর হক, অ্যাডভোকেট রাফসান আলভী, ব্যারিস্টার শেখ মো. সামিউল ইসলাম জুয়েল। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সাজ্জাদ হোসেন।

শুনানিতে আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, কুদরত ই এলাহী খান একজন টাউট, রাজনৈতিক প্রভাব ও পেশিশক্তি ব্যবহার করে অন্যের সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখলদার। তাছাড়া তিনি আইনজীবী না হয়েও মামলার দালাল হিসেবে পরিচিত। চুক্তির মাধ্যমে আদালতের আদেশ পাওয়ার ঘোষণা দিয়ে থাকেন। পিটিশনার ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলামকে এর আগে তিনি হুমকিও দিয়েছেন। তিনি গর্ব করে বলে থাকেন, অনেক ব্যারিস্টার, আইনজীবী এমনকি বিচারকদের পকেটে রাখেন। এর আগে তার এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।
এর আগে টাঙ্গাইলের বাসিন্দা ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম, রাহেলা জাকির টাঙ্গাইল জেলা সমবায় ব্যাংকের সভাপতি কুদরত ই এলাহি খানের বিরুদ্ধে ব্যাংকটির ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এ রিট দায়ের করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, টাঙ্গাইল জেলা সমবায় ব্যাংকের সভাপতি কুদরত ই এলাহি খানের বিরুদ্ধে ব্যাংকটির ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠলেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না সমবায় অধিদপ্তর। স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি দুর্নীতির বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে তাগিদ দিয়েছে। অডিট রিপোর্টে ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তারপরও লুটপাটকৃত অর্থ আদায়ের কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বহুতল ব্যাংক মার্কেট নির্মাণ এবং বিক্রি বন্ধের আদেশ তুলে দিয়ে নতুন করে দুর্নীতির আরও সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল সমবায় ব্যাংকের সভাপতি পদে ২০১৫ সালে মেয়াদ শেষ হয়েছে কুদরতের। কমিটির মেয়াদ শেষে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে নির্বাচনও দেওয়া হয়। মনোনয়ন বিক্রি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে গোলযোগ সৃষ্টি হলে নির্বাচন স্থগিত এবং অ্যাডহক কমিটির বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করেন কুদরত। সেই মামলায় নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন উচ্চ আদালত। মামলার রায়ের সুযোগ নিয়ে ১০ বছর ধরে সভাপতি পদে বহাল তবিয়তে আছেন কুদরত।

টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের নিজস্ব শূন্য দশমিক ৮১ একর জায়গার ওপর একটি দ্বিতল মার্কেট ভবনে ১৫৫ জন ব্যবসায়ীকে দোকান বরাদ্দ দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ওই ১৫৫ জন ব্যবসায়ী বরাদ্দকৃত দোকানে ব্যবসা-বাণিজ্য করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। অভিযোগ আছে, টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের সভাপতি কুদরতের সঙ্গে সখ্য করে পারস্পরিক যোগসাজশে সমবায় ব্যাংকের তহবিল তছরুপ করাসহ মার্কেট ভবন নির্মাণের নামে ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের সুযোগ করে দেন সমবায় অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা।
অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, কুদরতকে ব্যবহার করে অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিরা নানা সুবিধা নিয়েছেন, নতুন করে আরও সুবিধা নিতে মার্কেটের ৪, ৫ ও ৬ তলার দোকান বিক্রির আদেশ দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কুদরত ই এলাহি তার পরিষদকে পাশ কাটিয়ে চাচাতো বোনজামাই দিদারুল ইসলামকে দিয়ে সমবায় ব্যাংকের একটি ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করছেন।
সূত্র আরও জানায়, গত ৫ মাসে এ হিসাব থেকে কুদরত প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন। আইন লঙ্ঘন করে দিদারকে সই করার ক্ষমতা দেওয়ায় লেনদেন করতে জবাবদিহি করতে হয় না সভাপতিকে। বিষয়টি স্বীকারও করেন হিসাবরক্ষক দিদার। তিনি বলেন, আমাকে সই করার ক্ষমতা দিয়েছেন চেয়ারম্যান, এ বিষয়ে আপনি তার কাছ থেকে জেনে নিলে ভালো হয়।

এছাড়া সর্বশেষ অডিট রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কুদরত সভাপতি হিসেবে সমবায় ব্যাংকের তহবিল থেকে ঠিকাদারকে ধার দিয়েছেন ৬ কোটি ৮৫ হাজার ৬৩৪ টাকা। অথচ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সমবায় ব্যাংকের কাছে ৫ বছর আগের পাওনা এখনো বুঝে পায়নি।

এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী বলেন, কুদরত সাহেব আমার ৫ বছর আগের পাওনাই দিচ্ছেন না, হাওলাত দেবেন কেন? আমার কাজের টাকা আদায়ের জন্য আমি বারবার তাগাদা দিলেও নানা টালবাহানা করছেন চেয়ারম্যান।

অডিট রিপোর্ট সূত্রে আরও জানা যায়, বিভিন্নভাবে মামলা পরিচালনার জন্য কুদরত ই এলাহি আইনজীবীর খরচ হিসাবে ৩ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। এ অবিশ্বাস্য লেনদেন নিয়ে সমবায় কর্মকর্তারাও প্রশ্ন তুলেছেন। তবে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না স্থানীয় অফিসের কর্মকর্তারা।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জুন ২০২৩ ০৬:১১:পিএম ৮ মাস আগে
সাংবাদিক নাদিম হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

সাংবাদিক নাদিম হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন

আরমান কবীরঃ জামালপুরে বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যার প্রতিবাদে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জুন) সকাল বেলা পৌনে ১২ টায় টাঙ্গাইল জেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলানিউজের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি সুমন কুমার রায়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এড.জাফর আহমেদ, একুশে টেলিভিশনের প্রতিনিধি কাজী তাজউদ্দিন রিপন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি মামুনুর রহমান মিয়া, নয়াদিগন্তের প্রতিনিধি মালেক আদনান প্রমূখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা এমন নির্মম ঘটনা ঘটাতে সাহস পেয়েছে। বক্তারা নাদিম হত্যার সুষ্ঠ বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

মানববন্ধনে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুন ২০২৩ ০৮:০৩:পিএম ৮ মাস আগে
সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করার কোনো সুযোগ নেই:কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করার কোনো সুযোগ নেই:কাদের সিদ্দিকী

আরমান কবীরঃ সরকারের সাম্প্রতিক নির্বাচন ব্যবস্থা অনেকটা ভালো উল্লেখ করে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইস্যুতে বিদ্যমান আইনে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ত্যাগ করার কোন সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইচ্ছে করলে সব মন্ত্রী বাদ দিয়ে আরও ১০০ জনকে মন্ত্রী বানাতে পারেন। একজন পাগলকেও মন্ত্রী বানাতে পারেন। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী পদত্যাগ করার কোন সুযোগ নেই। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী শুধুমাত্র রুটিন ওয়ার্ক করবেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবেন। সরকারের সকল কর্মকর্তারা ইসির অধীনে থাকবে।

আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগামি জাতীয় সংবদ নির্বাচনে কোনো জোটে যাবো কি না জানি না। তবে বিএনপির সাথে কোনো নির্বাচনী জোটে যাবেন না।
তিনি বলেন, আমি সব সময় গণমানুষের পক্ষে বা ন্যায় সংগত কারণের পক্ষে কথা বলে থাকি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলে পৃথিবীর কোথাও কোনো সরকার নেই। কিন্তু বাংলাদেশে হয়েছিল। এখন সংবিধানে নাই। এরশাদকে বাধ্য করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার করা হয়েছিল। রাজনীতিতে আন্দোলনের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারলে সেখানে সবই আইন আর না পারলে সবটাই বেআইনি বলেও মন্তব্য করেন। এখন দেখতে হবে বিএনপি যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার আনতে পারে তাহলে দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবার হতে পারে। আর না হলে আমার বোনের (প্রধানমন্ত্রী) অধীনেই নির্বাচন হবে- এর কোন বিকল্প আপাতত নেই।
মহান মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তী বঙ্গবীর বলেন, একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে তাচ্ছিল্য করে কথা সমিচীন নয়- এটা কোনো সভ্যতা নয়। আবার একজন বয়স্ক নেতাকে তাচ্ছিল্য করে কথা বলাও ভালো না। আমাদের স্বাভাবিক হওয়া উচিত। কিন্তু যতদিন যাচ্ছে আমরা অস্বাভাবিক হচ্ছি এবং আমাদের মান মর্যাদা নিজেরাই ক্ষুন্ন করছি। সোমবার (১২ জুন) দুপুরে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম তার টাঙ্গাইলের বাসভবন ‘সোনার বাংলা’য় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
বঙ্গবীর বলেন, আমেরিকার কোন মতেই এই ভিসা নীতি এই মুহূর্তে করার কোনো মানে হয় নাই। কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দরকার পড়লে যাবো না সাত সাগরের ওপার। অনেকে এ কথার সমালোচনা করেছেন। যে কোন সরকার তার ইচ্ছেমত ভিসা দেয়। আমাদের প্রতিবেশি ভারত দুইজনে দরখাস্ত করলে রোগীকে ভিসা দেয় আর তার সঙ্গে যে থাকেন তাকে দেয় না। এটা তাদের ইচ্ছেমত এবং পৃথিবীর সব দেশই নিজেদের ইচ্ছেমতই ভিসা দেয়। বাইরের লোকেরা যে আমাদের দেশে আসে, আমাদের অ্যাম্বেসীগুলোও ওই একই কাজই করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে এই ভিসানীতি নিয়ে কোন কথা থাকতো না। ভিসা নিয়ে কথা আসছে রাজনীতির কারণে। আমি মনে করি এই ভিসার যে কড়াকড়ি বা জাতীয় নির্বাচনে কেউ বাধা দিলে ভিসা দেওয়া হবে না, তার উপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। এটা আমাদের অপমান করা ছাড়া আর কিছুই না।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীর প্রতীক, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ এবং জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জুন ২০২৩ ০১:৪২:এএম ৯ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।