একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইল মৌজায় অবস্থিত কড়িল(কুমরী) বিলের বাংলা ড্রেজার বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।
জানা যায়, ভিয়াইল মৌজার কুড়িল বিলের সরকারি খাস খতিয়ানের ভূমিতে কতিপয় দুস্কৃতকারী দুইটি বাংলা ড্রেজার বসিয়ে দিন-রাত বালু উত্তোলন করছে। পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইল গ্রামের পশ্চিমে কুড়িল(কুমরী) বিলে বাংলা ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বীর বাসিন্দা ইউনিয়নের কস্তুরি পাড়ায় বসবাসকারী ঘাটাইল উপজেলার আশারিয়া চালা গ্রামের সিদ্দিক হোসেনের ছেলে মো. আব্দুল লতিফ। তাকে সহযোগিতা করছেন ভিয়াইল গ্রামের মৃত কাজীম উদ্দিনের ছেলে আব্দুস সাত্তার, নুর মোহাম্মদের ছেলে মজনু মিয়া ও নজরুল ইসলাম। অবৈধভাবে বাংলা ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের ব্যক্তি মালিকানাধীন আবাদী জমি ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে তারা অত্যন্ত দুর্ধর্ষ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামাকারী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়রা বাঁধা দিতে গেলে উল্লেখিত ব্যক্তিরা নানা ধরণের হুমকি দিয়ে থাকে। এজন্য এলাকার জমির মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তাদের ভয়ে ভীত হয়ে স্থানীয় প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে গত ৭ জুন(সোমবার) লিখিত আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশন(ভূমি) কমরুল হাসান জানান, ওই বিলে ইতোপুর্বে একাধিকবার বাংলা ড্রেজারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দাখিলকৃত অভিযোগটি হাতে পেলে তিনি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সিংহটিয়া গ্রামে জুয়ার আসর থেকে বুধবার (৯ জুন) সকালে ছয় জুয়াড়িকে ২৫ হাজার ৬০০ টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার দুপুরে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের হাওড়াপাড়া গ্রামের মৃত আদুর ছেলে সায়েদ আলী(৪৫), গোপালপুর গ্রামের মৃত আসক আলীর ছেলে জুলহাস(৪৪), শিহরাইল গ্রামের মৃত বিশার ছেলে ফজলু মিয়া(৩৫), একই গ্রামের মৃত
শাহজাহানের ছেলে মঞ্জুরুল(৪৫), বানিয়াফৈর গ্রামের মৃত আয়েদ আলীর ছেলে মুক্তার হোসেন(৫২) এবং নারান্দিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের আ. খালেকের ছেলে মেছের আলী(২৬)।
এসময় জুয়া খেলার আসর থেকে নগদ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা এবং এক বান্ডিল তাসসহ তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব কমন্ডার আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সিংহটিয়া গ্রামের বটতলা রোড সংলগ্ন পাটক্ষেতে অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে ২৫ হাজার ৬০০
টাকা এবং এক বান্ডিল তাস সহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের নামে কালিহাতী থানায় ১৮৬৭ সালের প্রকাশ্য জুয়া আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃটাঙ্গাইলের কালিহাতীতে শুকুর মাহমুদকে (৩২) হত্যা মামলার আসামী সৈয়দ মামুন (৪৫)কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১২।
সোমবার (১৭ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইলের আইসড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র্যাব-১২। পরে তাকে কালিহাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আটককৃত আসামী বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামের সৈয়দ আশরাফের ছেলে সৈয়দ মামুন (৪৫)।
এ বিষয়টি প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এরশাদুর রহমান।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উল্লেখ্য করা হয়, চলতি মাসের গত (১৪ মে) সন্ধ্যায় আসামী সৈয়দ মামুনসহ আরও ১৫ জন আসামী পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কালিহাতী উপজেলার গোলরা গ্রামের মৃত আব্দুল গনির ছেলে শুকুর মাহমুদকে কুপিয়ে জখম করে। পেটের নাড়িভুড়ি বেড় হওয়ায় এবং হাত ও পায়ের রগ কাঁটাবস্থায় শুকুর মাহমুদকে স্থানীয়রা টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় কালিহাতী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতায় সিডিআর এবং আরএল পর্যবেক্ষণ করে বাসাইলের আইসড়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোলড়া গ্রামে ঈদের দিন শুক্রবার (১৫ মে) রাতে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে শুকুর মিয়া(৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা ও তার ভাই আব্দুল্লাহকে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষ। এসময় শুকুর মিয়ার বাম হাত কেটে নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন উল্লাস প্রদর্শন করে। নিহত শুকুর মিয়া ও আহত আব্দুল্লাহ ওই গ্রামের আব্দুল গনি মিয়ার ছেলে
স্থানীয়রা জানায়, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে পাইকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফের সঙ্গে শুকুর মিয়ার বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরে ঈদের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় শুকুর মিয়া ও তার ভাই আব্দুল্লাহ একত্রে বাড়তি পাশের ধানক্ষেত দেখতে যায়। এ সময় যুবলীগ নেতা শরীফের নেতৃত্বে স্থানীয় ওবায়দুল, হারুন, রাজ্জাক, মনির, ই¯্রাফিল, খোকনসহ ১২-১৪ ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। তাদের ডাক চিৎকারে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে তারা শুকুর মিয়ার বাম হাত কেটে নিয়ে উল্লাস প্রদর্শন করতে করতে চলে যায়।
নিহত শুকুর মিয়ার স্ত্রী মিতু ও তার বড় বোন সমলা বেগম জানান, চিৎকার শুনে তারা গিয়ে দেখতে পান- শুকুরের এক হাত কাটা অবস্থায় ধানক্ষেতে পড়ে রয়েছে, তার মাথা থেকে মগজ বেড়িয়ে পড়েছে। অপর ভাই আব্দুল্লাহর পায়ের রগ কেটে ফেলা হয়েছে। পরে তারা স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুকুর মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আব্দুল্লাহকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সওগাতুল আলম জানান, ওই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাহাদুর মিয়া বাদী হয়ে ১৫ জনের নামোল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। দোষীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা করছে।
প্রকাশ, ইতোপূর্বে শুকুর মিয়ার ছোট ভাই রুহুল মাদক ব্যবসার জেরে র্যাবের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন।
একতার কণ্ঠ:টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া নামক স্থানে বাস খাদে পড়ে দু’জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। শনিবার (১৫ মে) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম জানান, দুপুরে হাতিয়া নামক স্থানে বগুড়াগামী একটি বাস আরেকটি বাসকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত ও ২১ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেকজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রাইস মিলের জ্বলন্ত চুল্লি থেকে সুরমা আক্তার (৩২) নামে এক নারী এনজিওকর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।বুধবার( (১৪ মে)সন্ধ্যায় উপজেলার পৌরসভাধীন চাটিপাড়া এলাকায় রাইস মিলের চুল্লিতে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে।
নিহত এনজিওকর্মী সুরমা আক্তার উপজেলা সদরের চাটিপাড়া গ্রামের মৃত বেলায়েত হোসেনের মেয়ে ও স্থানীয় এনজিও সেবালয়ের কর্মী।
স্থানীয়রা জানায়, সুরমা আক্তার কি কারণে তিনি আগুনে পুড়ে মারা গেছেন তা জানাতে পারছেন না প্রতিবেশীরা। এরকম চুল্লিতে আত্মহত্যা করা সম্ভব নয়। কোনো রহস্য থাকতে পারে।
নিহতের বড় বোন সুমনা বলেন, ইফতারের পর রাইস মিলের পাশ থেকে লোকজনের কোলাহল শুনতে পাই। দৌড়ে গিয়ে দেখি চুল্লির ভিতরে একটা মানুষ আগুনে জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে আগুন নেভাতে নেভাতেই মারা যায়, মৃত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করে।
সাত মাস আগে সুরমা আক্তারের ডিভোর্স হয় কালিহাতী পৌর এলাকার সওদাগর পাড়ার আসাদ সওদাগরের সঙ্গে।থ্রি স্টার রাইস মিলের ভাড়ায় চালিত মালিক শ্রীদাম জানান, চুল্লিতে আগুন দেওয়া শ্রমিক ঘটনা জানায়।
কালিহাতী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, প্রায় আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে একটি পুরোপুরি পুড়ে যাওয়া লাশ উদ্ধার করে কালিহাতী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন।
কালিহাতী থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কেউ থানায় মামলা করেনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দুই কেজি গাঁজা সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার(৬মে) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব এর একটি দল কালিহাতী উপজেলারএলেঙ্গা বাসষ্ট্যান্ডে অবস্থিত মৌফুল সুইট এ্যান্ড রেস্টুরেন্টের কাছ থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- কুড়িগ্রাম জেলার ভূরঙ্গামারী উপজেলার বেলাদহ গ্রামের মোঃ সাইফুর রহমানের ছেলে মোঃ আব্দুল জলিল ও একই জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার ভাঙ্গামোড় গ্রামের মৃত আঃ খালেকের ছেলে মোঃ নাজির হোসেন।
এই অভিযান প্রসঙ্গে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ এরশাদুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, র্যাব-১২, সিপিসি-৩ একটি দল অভিযান চালিয়ে মোঃ আব্দুল জলিল ও মোঃ নাজির হোসেনকে দুই কেজি গাঁজা,৪টি মোবাইল এবং নগদ ১৩০০ টাকা সহ গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কালিহাতি থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬ (১) এর ৮(ক) ধারায় নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এই ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে তিনি আরো জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে নসু মন্ডলকে (৬৫) নামে একজন বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে এই দিকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত নসু মন্ডল উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের মালতী গ্রামের মৃত আব্দুল মন্ডলের ছেলে। আহত শিশুটিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ভূক্তভোগী শিশুটি সাথীদের নিয়ে মসজিদ প্রাঙ্গণে খেলছিল। খেলার সাথীরা চলে গেলে একা পেয়ে নসু মন্ডল ওই শিশুকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটি শারীরিক যন্ত্রণায় চিৎকার করলে তার পরিবার ও স্থানীয়রা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। বিষয়টি স্থানীয় মাতাব্বরা ধামাচাঁপা দেয়ার চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়।
অপরদিকে, অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। সেইসাথে তার শাস্তি দাবী করেছেন।
নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুকুর মাহমুদ বলেন, স্থানীয় মাদ্রাসার সেক্রেটারী বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। অভিযুক্ত নসু মন্ডল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। আমি বিষয়টি থানায় অবগত করেছি। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে।
এ বিষয়ে সার্কেল এএসপি রাসেল মনির বলেন, মালতী গ্রামের এক বৃদ্ধ ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ করে। স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে এবং নসু মন্ডলকে আটকে রেখে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। থানায় মামলা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ পবিত্র রমজান মাসে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পঁচা খেজুর বিক্রির অপরাধে ৫ জনকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
বুধবার(২৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে টাঙ্গাইল র্যাব-১২ এর সহযোগীতায় ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান পরিচালনা করেন কালিহাতী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল হাসান।
এ সময় র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ এরশাদুর রহমান সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিল।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল হাসান জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী মাহে রমজান মাসে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পঁচা খেজুর বিক্রির অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের দোকান ব্যবস্যায়ী সবুজকে ৩০ হাজার, ফয়সালকে ৩০ হাজার, খুশি মোহন দাসকে ৩০ হাজার, সাইফুলকে ২০ হাজার ও দ্বীপকে ৫০ হাজার টাকা সহ মোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, পবিত্র রমজান মাসে প্রশাসন সার্বক্ষনিকভাবে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে মনিটরিং করে থাকে। তারই অংশ হিসাবে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হলো।
একতার কণ্ঠ ডেস্ক :টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এলেংজানি নদীতে গোসল করতে নেমে ৯ম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের আনালিয়া বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম নিশ্চিত করেছেন।নিহত মীম আক্তার (১৫) আনালিয়াবাড়ী গ্রামের মো. আব্দুল্লাহর মেয়ে।
জানাগেছে, স্কুল ছাত্রী প্রতিবেশীদের সাথে নদীতে গোসল করতে গিয়ে হঠাৎ তলিয়ে যায়।অনেক খোঁজাখোজি করে তাকে পাওয়া না গেলে ডুবরী দলকে খবর দেয়্ হয় ।খবর পেয়ে টাংগাইল জেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরী দল ঘটনা স্থলে পৌঁছে নদীর পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়া মীম আক্তার (১৫) কে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে ।পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মো. শফিকুল ইসলামের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয় ।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, শুক্রবার দুপুরে মীম আক্তার গোসল করতে এলেংজানি নদীতে নামেন। এক পর্যায়ে তিনি পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। পরে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌছে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নের কদিম খশিল্লা গ্রামে মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত এক স্কুলশিক্ষক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন।মঙ্গলবার(২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান শিক্ষক মিজানুর রহমান বাবুল।
এই হামলার ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
নিহত মিজানুর রহমান নাগবাড়ি গ্রামের আব্দুর রশিদ মাতাব্বরের ছেলে । তিনি বেহালাবাড়ি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের শিক্ষক ছিলেন।
রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটেছে রবিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আট জনকে আসামি করে মামলা করেন নিহতের চাচা জিয়াউর রহমান।
মামলায় বিবরণে জানা যায়, মিজানুর রহমানের দাদি উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নে কদিম খশিল্লা গ্রামে মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি দান করেন। মসজিদ ঘর নির্মাণ হলে স্থানীয় কোরবান আলী ও তার পরিবারের লোকজন আপত্তি জানান।
তারা মসজিদের ভেতরে নিজেদের জমি আছে বলে দাবি করেন। যদিও নির্মাণের আগে জমি পরিমাপের সময় তারা সম্মতি দেন।
গেল রবিবার মিজানুরের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় কোরবান আলীর। এক পর্যায়ে কোরবান ও তার গোষ্ঠীর লোকজন হামলা করেন। সাবল দিয়ে আঘাত করেন মিজানুরের মাথায়। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে হামলার শিকার হন লাবু ও জাহিদ নামের দুইজন।
আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপালে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে মিজানুরকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানে মৃত্যু হয় তার।
কালিহাতী থানার (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন , ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করছেন নিহতের চাচা জিয়াউর রহমান। তারা সবাই পলাতক। আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ছাত্রনেতা আলী আজগর টাঙ্গাইলের কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডে তৎকালীন ঢাকাইয়া হোটেলে (গ্রীন হোটেল) অবস্থান করছিলেন। এ অবস্থায় পাকিস্তানি হানাদাররা আচমকা এসে গুলি করলে তিনি শাহাদৎ বরণ করেন। পরে শহীদ আলী আজগরকে কালিহাতীর ঝগড়মান কবরস্থানে দাফন করা হয়।
শহীদ আলী আজগর টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়ায় ১৯৫০ সালের ৩১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মুন্সী আলীম উদ্দিন এবং মাতার নাম হালিমা বেগম। ছোটবেলা থেকেই আলী আজগর ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও মিশুক স্বভাবের। তিনি ১৯৬৬ সালে কালিহাতী রামগতি শ্রীগোবিন্দ (আরএস) পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। এরপর ভর্তি হন টাঙ্গাইলের কাগমারীর মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজে। নিজ দক্ষতায় ধীরে ধীরে হয়ে উঠেন তুখোড় ছাত্রনেতা। আলী আজগর ১৯৬৮-৬৯ কার্যসালে কাগমারী কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন। ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে তিনি তৎকালীন সময়ে সরকার বিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন- সংগ্রামে সাহসের সাথে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। কালিহাতী তথা টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠক হিসেবে কাজ করতেন।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আলী আজগরের বিশেষ গেজেট নং- ১৫৬৫, শহীদ নং- ০২, মুক্তিবার্তা লালবই নং- ০১১৮০২০৫৩৬, বাংলাদেশ গেজেট নং- ২৪১০। শহীদ আলী আজগরের তিন ভাই কছিম উদ্দিন, আব্দুল করিম ও আব্দুল হামিদ এবং চার বোন ফুলজান নেছা, শামছুন্নাহার বেগম, আয়েশা বেগম ও আমেনা বেগম।
শহীদ আলী আজগরকে আজও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তার এলাকাবাসী। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে আলী আজগরের স্মৃতি সংরক্ষণে কালিহাতীতে গঠণ করা হয়েছে শহীদ আলঅ আজগর নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডের পূর্বপাশে ১৯৯০ সালে ১০/১৫ ফিটের একখন্ড জমি ১ টাকার বিনিময়ে কালিহাতী কলেজ কর্তৃপক্ষ সংঘটির নামে বরাদ্দ করে।