একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ল্যাম্পগ্রান্ড ও আনুতোষিকের ১ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে পৌর মিলনায়তনে এ চেক বিতরণের আয়োজন করা হয়।
পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ১৭ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ল্যাম্পগ্রান্ড ও আনুতোষিকের ১ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
পৌর প্রশাসক (উপ-সচিব) মোঃ শিহাব রায়হানের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ জাকির হোসেন, পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ পারভীন, সাংবাদিক প্রতিনিধি ডেইলি স্টার পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি মির্জা শাকিল প্রমুখ।
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী চেক গ্রহীতা মোঃ মোতালেব হোসেন, পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির যুগ্ম- সম্পাদক সাহাদাত হোসেন।
বক্তরা বলেন, আমরা যারা টাঙ্গাইল পৌরসভায় দীর্ঘদিন বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি তারাই চাকুরী শেষে আনুতোষিকের টাকার জন্য ভিক্ষুকের মত ঘুরেছি। ঘুষ দিতে হয়েছে। তারপরও টাকা পাই নাই। দিন পরিবর্তন হয়েছে। এখন আমাদের সুযোগ্য প্রশাসক এসেছেন, তিনি আমাদেরকে ডেকে এনে হাতে চেক তুলে দিলেন। আমরা আনন্দিত। তার জন্য অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল।
একতার কণ্ঠঃ যমুনা নদীতে নির্মিত রেলসেতুর নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‘যমুনা রেলসেতু’। শুরুতে এই সেতুর নাম ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেলসেতু।
রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন।
তিনি বলেন, যমুনা নদীতে নির্মিত রেলসেতুর নাম বঙ্গবন্ধু রেল সেতু থাকছে না। এটি এখন যমুনা রেলসেতু নামেই উদ্বোধন করা হবে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে এই রেলসেতু উদ্বোধন করা হতে পারে।
তিনি জানান, এখন যমুনার বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুতে মিটারগেজের যে রেলসংযোগ রয়েছে তাতে সর্বোচ্চ ৪৩ দশমিক ৭০ কিলো-নিউটন/মিটার ওজন বহনের অনুমতি রয়েছে। ট্রেনে বেশি বগি যুক্ত করার সুযোগ নেই, সঙ্গে রয়েছে এক লাইনের সীমাবদ্ধতা। এই সেতুতে ঘণ্টায় মাত্র ২০ কিলোমিটার গতিতে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার সেতু পার হতে একেকটি ট্রেনের ২৫ মিনিটের মতো সময় লেগে যায়। সেতুর ওপর একটি লাইন হওয়ায় দুই পাড়ের স্টেশনে সিগন্যালের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘসময়। সবমিলিয়ে মাত্র ৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে লাগছে এক ঘণ্টার বেশি।
এই দুর্ভোগ থেকে যাত্রীদের মুক্তি দিতে বিগত সরকার ২০২০ সালের ৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর সমান্তরালে ডুয়েলগেজ ডাবল ট্র্যাকের ৪ দশমিক ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন করে। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৪ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা এবং জাপানের জাইকা ১২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা অর্থায়ন করে।
সেতুর প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার। সেতুর উভয় প্রান্তের দুই স্টেশনে সিগন্যালিং সিস্টেম স্থাপনে ডব্লিউডি-৩ প্যাকেজের কাজ করছে জাপানের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইয়াশিমা।
নতুন এই রেলসেতুর বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান জানিয়েছেন, নতুন এই রেলসেতু দিয়ে ব্রডগেজ ট্রেন প্রতি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার ও মিটারগেজ ট্রেন ১০০ কিলোমিটার গতিতে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু সিবিআইএসের কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৪০ শতাংশ। সেতু চালু হওয়ার পরে আরও দুই-তিন মাস সময় লাগতে পারে সিবিআইএস চালু করতে। সিবিআইএস চালু না হওয়ায় মূল সেতুতে নয়, রেলের গতি কমবে সেতুর কানেক্টিং দুই স্টেশনে। নন-ইন্টারলিংক সিস্টেম চালু থাকায় স্টেশনের লুপ লাইনে যখন ট্রেন প্রবেশ করবে, তখন তার গতি কমিয়ে আনতে হবে ১৬ কিলোমিটারে। তবে লুপ লাইন পেরিয়ে মূল সেতুতে রেল ফুল স্পিডে চলাচল করতে পারবে। রেললাইন ও ব্রিজের সক্ষমতা রয়েছে।
যমুনার পুরোনো সেতু দিয়ে বর্তমানে দিনে ৩৮টি ট্রেন চলাচল করছে। নতুন সেতু চালুর পরে আন্তঃনগর, লোকাল, কমিউটার ও মালবাহী ট্রেনসহ ৮৮টি ট্রেন পরিচালনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল রেলওয়ে। তবে সেই বাস্তবতা নেই রেলওয়েতে।
রেলের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, রেলে ইঞ্জিনের সংকট রয়েছে। চাইলেও নতুন ট্রেন দিতে পারছি না। তবে রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করেছিলেন, পাবনাবাসীর জন্য কোনো নতুন ট্রেন পরিচালনা করা যায় কী না। সেটি নিয়ে আমরা ভাবছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের আশ্রা বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের আশ্রা গ্রামের বিশিষ্ট কাঠ ব্যবসায়ী পিতা মজিবুর রহমান(৫৮) এবং তার বড় ছেলে জাহিদ(২৭)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুরে ব্যবসায়িক কাজ শেষে পিতা-পুত্র দুজনে মিলে আশ্রা বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার পথে আশ্রা বাজারের পশ্চিম পাশে পৌঁছালে একটি অটোরিক্সাকে সাইড দিতে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পিতা-পুত্রের মৃত্যু হয়।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমরানুল কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ যমুনা রেল সেতু জানুয়ারির শেষ কিংবা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন করার কথা বলেছেন রেল সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম।
তিনি বলেন, যমুনা রেল সেতুটি উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের মেলবন্ধন সৃষ্টি করবে। এ প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ। এখন ফিনিশিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে।
শুক্রবার(২০ ডিসেম্বর )দুপুরে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতুর পূর্বপাড় এলাকায় নবনির্মিত ইব্রাহিমাবাদ স্টেশনের ভবন ও প্লাটফর্ম পরিদর্শনে কালে এসব কথা বলেন তিনি।
রেল প্রকল্পের মান দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে ফাহিমুল ইসলাম বলেন, যমুনা বহুমুখী সেতু দিয়ে ট্রেন কম গতিতে চলাচল করলেও রেল সেতু দিয়ে ট্রেন তার পূর্ণ গতিতে যেতে পারবে।
টাঙ্গাইল-গাজীপুর রেলপথ ডাবল লেন করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, “রেল সেতুটি যেমন জাইকার সহায়তায় বাস্তবায়ন হয়েছে। ঠিক তেমনি আরও বেশ কিছু প্রকল্প জাইকার সহায়তায় করা হবে।
“সেই প্রকল্পগুলোর আওতায় জনগণের সুবিধার জন্য টাঙ্গাইল-গাজীপুর রেলপথ ডাবল লেন করা হবে।”
যমুনা রেল সেতু চালু হলে প্রয়োজনে এই পথে নতুন ট্রেন সংযুক্ত করার কথা বলেছেন রেল সচিব।
এ সময় রেলের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, যমুনা রেল সেতুর প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মাসউদুর রহমান এবং প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় এলাকা পরিদর্শন করেন রেল সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের প্রমত্তা যমুনা নদীর ওপর নির্মিত যমুনা সেতুর ৩০০ মিটার অদূরে দেশের দীর্ঘতম যমুনা রেল সেতুর নির্মাণের কাজ চলছে। দেশের এই দীর্ঘতম রেলসেতু দিয়ে বিরতিহীনভাবে কমপক্ষে ৮৮টি ট্রেন দ্রুত গতিতে সেতু পারাপার হতে পারবে। ফলে সেতু পারাপারে ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় বেঁচে যাবে।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশ এবং দেশের বাইরে অনেক ষড়যন্ত্রকারী রয়েছে। যারা চায় না এদেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক, দেশ রাজনৈতিকভাবে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হোক। আমরা যদি ৩১ দফা সফল করতে পারি, যদি ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি তাহলে তাদেরকে জবাব দেয়া হবে।
বুধবার(১৮ ডিসেম্বর )বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কেন্দ্রিয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে বিএনপি’র ৩১ দফা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় তারেক রহমান আরও বলেন, আমরা তাদের কায়দায় জবাব দেবনা। আমরা আমাদের কায়দায় জবাব দিব। কি সেই কায়দা ? শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যা করতে চেয়েছিলেন সেই কাজগুলো করা। যা আমরা ৩১ দফায় বলেছি। সেই কাজগুলো সফল করার মাধ্যমেই আমরা ষড়যন্ত্রকারী এবং স্বৈরাচারকে জবাব দিতে পারবো। তার জন্যে দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে হবে। এর আগে তিনি ৩১ দফার আলোকে কর্মশালায় অংশগ্রহনকারী নেতাকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রিয় বিএনপি’র শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বিএনপি’র ঢাকা বিভাগীর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটু, বিএনপির সহ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ সোরহাব, বিএনপি’র সহ প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক রেহেনা আক্তার রানু, বিএনপি’র কার্যনির্বাহী সদস্য ওবায়দুল হক নাসির ও বিথিকা বিনতে হোসাইন ও জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।
কর্মশালায় তৃনমুল পর্যায়ে সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহন করে। কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রিয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।পরে দেশ জাতির মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এরপর দিনের মুল কর্মসুচি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ৩১ দফার নানা দিক তুলে ধরেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহবায়ক ড. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গেইম ডেভেলপমেন্ট কমিটির আয়োজনে ও টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ইয়ং টাইগার্স অনূর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪-২৫ সিজনে ঢাকা বিভাগ উত্তরের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ দল।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) টাঙ্গাইল শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট দল ১১ রানের ব্যবধানে কিশোরগঞ্জ জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই খেলায় ম্যান অব দ্যা ফাইনাল হবার গৌরব অর্জন করে টাঙ্গাইল জেলা দলের বোলার মুনতাসির রহমান।
সকালে টস জয়ী টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট দল প্রথমে ব্যাটিং করে ২৯ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান করে। দলের পক্ষে সামিউল আলম ৫০ বলে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করে। এছাড়া আবিদ হোসেন ২২ রান করে।
বোলিংয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রিকেট দলের রোমান ও বাদশা যথাক্রমে ১৮ ও ২৫ রান দিয়ে ৩টি করে উইকেট লাভ করে।
জবাবে কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রিকেট দল- ৪১ওভার ২ বলে ১০ উইকেটে ১২২ রান করে অলআউট হয়। ফলে টাঙ্গাইল জেলা ১১ রানে জয়লাভ করে। কিশোরগঞ্জ জেলা দলের পক্ষে তামিম ভূঁইয়া সাকিব ৭৬ বলে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করে। এছাড়া ইমরান মিয়া ও বাদশা দু’জনেই ২১ করে রান করে।
বিজয়ী টাঙ্গাইল জেলা দলের মুনতাসির রহমান ১০ ওভার বল করে ৩৪ রানে বিনিময়ে ৩টি উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়।
খেলায় আম্পায়ার ছিলেন বজলুর রহমান ও আসিফুর রহমান।সাথে স্কোরার ছিলেন ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন।
খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইলের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ শিহাব রায়হান।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ফাহিম শাহরিয়া, জেলা ক্রীড়া অফিসার আফাজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিসার মাছুদ রানা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করে,টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান। ।
উল্লেখ্য,টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার দুই ভেন্যুতে ২টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে ৮টি জেলা অংশগ্রহন করেছিলো। টাঙ্গাইল ভেন্যুতে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কন্ঠঃ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের প্রতিশ্রুত ৩১ দফা জনগনের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় আটিয়া ইউনিয়নের নান্দুরিয়া চক বাজারে ইউনিয়ন বিএনপি’র আয়োজনে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
আটিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম- আহ্বায়ক মোঃ মহব্বত হোসেন রানার সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা মোঃ আলমগীর হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি এসএম আলমগীর হোসেন।
জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন,ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম- আহ্বায়ক মোঃ ইব্রাহিম খলিল, মোঃ আব্দুল কুদ্দুস,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি রিপন চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল খান, জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি লায়লা আনজুমান বানু,উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইনসান আলী,উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ রায়হান,ছাত্রদল নেতা রাকিব আল হাসান শরৎ প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক জায়েদুর রহমান জাহিদ।
জনসভায় বক্তারা, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের প্রতিশ্রুত ৩১ দফার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
জনসভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
এ সময় ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীসহ বিপুলসংখ্যক বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ৩১ বার তোপধ্বনী, স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়াসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।
১৬ ডিসেম্বর (সোমবার)সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে রাষ্ট্র, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক শরিফা হক। এরপর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, পৌরসভার পক্ষে প্রশাসক শিহাব রায়হানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও বিভিন্ন সংগঠন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
সকাল সাড়ে ৯ টায় শহিদ স্মৃতি স্তম্ভে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন জনসেবা চত্বরে বিজয় মেলার উদ্বোধন করা হয় এবং ১০ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ ছাড়া বিজয় দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি’র সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে শিশু সন্তানকে হত্যা মামলায় মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রবিবার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (১৫ ডিসেম্বর)দুপুরে বাসাইল আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমত আরা এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া হীরা আক্তারকে (৩৫) । তিনি বাসাইল পূর্ব পাড়া গ্রামের ইব্রাহীম মিয়ার স্ত্রী।
গত শুক্রবার নিজের দুই বছর বয়সি ছেলে মোহাম্মদ আলীকে হত্যার অভিযোগে মা হীরা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এঘটনায় নিহত মোহাম্মদ আলীর বাবা ইব্রাহীম মিয়া বাদী হয়ে শুক্রবার দিবাগত রাতে হীরা আক্তারকে একমাত্র আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ইব্রাহীম মিয়া রাতের খাবার খেয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ৩ টার দিকে ছেলে মোহাম্মদ আলীকে প্রসাব করানোর কথা বলে ঘরের বাইরে নিয়ে যান। রাত সাড়ে ৩টার দিকে ইব্রাহীমকে ডেকে তার স্ত্রী জানান মোহাম্মদ আলীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন ইব্রাহীম বের হয়ে ছেলেকে খুঁজতে শুরু করে। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ছেলেকে উদ্ধার করা হয়। পরে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে শুক্রবার সকাল ৮ টার দিকে বাসাইল থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাসাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হীরা আক্তার ছেলেকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে কারা তাকে হত্যায় সহায়তা করেছে সে সম্পর্কে কোন তথ্য দেয়নি। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছিল। আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল হাসপাতালে মিলছেনা সরকারিভাবে দেওয়া বিনামূল্যের র্যাবিস্ ভ্যাকসিন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীসহ স্বজনরা। কেউ কেউ একটি বা দুটি বিনামূল্যের ভ্যাকসিনের ডোজ পেলেও গত দুইদিন যাবৎ বন্ধ রয়েছে এর সরবরাহ। রোগীরা ভোগান্তির শিকার হলেও সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্যে ওই ভ্যাকসিন বিক্রির ফায়দা নিচ্ছেন ওষুধ বিক্রেতা। রোগীর চাপ বাড়ায় দায়িত্বরতরা ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকার অজুহাত দিয়ে ওষুধ বিক্রেতাদের মাধ্যমে বাড়তি সুবিধা নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।
রবিবার (১৫ ডিসেম্বর)এ চিত্র দেখা গেছে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ ক্লিনিক ভবনে স্থাপনকৃত র্যাবিস্ ভ্যাকসিন বিতরণ কক্ষে।
দেখা গেছে, এ ভবন চত্বরে শিশু,নারী ও পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী প্রায় দুই শতাধিক রোগী ও স্বজনদের। বিনামূল্যের ভ্যাকসিন না থাকায় হতাশ আগত রোগী ও স্বজনরা। কেউ কুকুর আবার কেউ বিড়ালে কামড় বা খামচির শিকার। সরকারি বিনামূল্যের ভ্যাকসিন না থাকার সুযোগ নিয়ে বেসরকারি কোম্পানীর ভ্যাকসিন ওই ভবন চত্বরেই বিক্রির কাজ করছেন ওষুধ বিক্রেতার কয়েকজন প্রতিনিধি। চারজনের এক একটি গ্রুপ মিলিয়ে একটি র্যাবিস্ ভ্যাকসিন ও চারটি সিরিঞ্জ প্রকাশ্যে বিক্রি করছেন সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য সাড়ে পাঁচশ টাকায়। যদিও ভ্যাকসিনের গায়ে সর্বোচ্চ মূল্য লেখা ৫’শ টাকা আর পাঁচ টাকা মূল্যের এক একটি সিরিঞ্জের দাম নেয়া হচ্ছে ১০ টাকা।
ভুক্তভোগী ফাতেমা জানান, গত ১১ ডিসেম্বর আমার দুই বছরের বাচ্চাকে বিড়ালে খামচি দেয়। ১২ ডিসেম্বর এখান থেকে বিনামূল্যে প্রথম ডোজটি দিয়েছি। এভাবে তিনটি ডোজ দেয়ার তারিখ লিখে দেন কর্তব্যরত নার্স। রবিবার আমার বাচ্চার দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার দিন। এসে শুনি সরকারি ভ্যাকসিন নাই। বাধ্য হয়ে জনপ্রতি ১৩৫ টাকা ভাগ করে দিয়ে একটি ভ্যাকসিন কিনে আমরা চারজনের বাচ্চাকে দিয়েছি। সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যের ভ্যাকসিন নেই এটা কি বিশ্বাসযোগ্য।
রুবী আক্তার নামের এক রোগীর স্বজন জানান, দুটি ডোজ বিনামূল্যে পেয়েছি। আজকে এসে শুনি ভ্যাকসিন নেই, তাই বাধ্য হয়ে এখানে থাকা এক ওষুধ বিক্রেতার কাছ থেকে কিনে বাচ্চাকে শেষ ভ্যাকসিনটি দিতে হলো। সরকারি ভ্যাকসিন হঠাৎ উধাও হলো, নাকি বাড়তি সুবিধা নিতে দায়িত্বরতরা না থাকার এই অজুহাত সাজিয়েছেন।
দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স আমিনুল ইসলাম জানান, বরাদ্দকৃত সরকারি ভ্যাকসিন শেষ হওয়ায় রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। ভবনের বাইরে যে ভ্যাকসিন বিক্রি করছে সে আমাদের কেউ নন। তাকে এই ভবন চত্বরে ভ্যাকসিন বিক্রির অনুমতি না দেয়াসহ কোন বাড়তি সুবিধা তারা নিচ্ছেননা বলে দাবি করেছেন তিনি। দালাল আর বহিরাগত ওষুধ বিক্রেতাদের বিষয়ে আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, এরআগে কয়েক দফায় পুলিশের হাতে আটকও হয়েছে তারা।
অপর দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স রিজিয়া জানান,এ বছর রোগীর সংখ্যা অনেক বেশী হওয়ায় সরবরাহকৃত ভ্যাকসিন সময়ের আগেই শেষ হয়েছে। কর্তৃপক্ষকে ভ্যাকসিনের চাহিদা দেয়া হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সরকারি ভ্যাকসিন পেয়ে যাবো।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার(আরএমও)ডা. মো. আলমগীর হোসেন বলেন,চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় র্যাবিস্ ভ্যাকসিন বিতরণে সমস্যা হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে আমরা যে পরিমানের চাহিদা দিই, সেই পরিমানের ভ্যাকসিন আসেনা। সরকারি ভ্যাকসিন আসলেই এ সমস্যার সমাধান হবে।
তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের ভিতরে দালাল বা বাইরের ওষুধ বিক্রেতাদের বিক্রির সুযোগ নেই। এরপরও যদি কেউ কেউ বিক্রি করে থাকেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি করেছে টাঙ্গাইল জেলা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল।
বুধবার(১১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২ টায় শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে বিজয় র্যালিটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সভাপতি এডভোকেট খালেক মন্ডলের নেতৃত্বে বিজয় র্যালি ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন,জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন,জেলা বিএনপি’র বর্তমান সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সহ-সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু,জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, জেলা যুবদলের আহবায়ক রাশেদুজ্জামান রাশেদ, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক দুর্জয় হোড় শুভ প্রমূখ।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিগত ১৫ বৎসরে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে দলীয় করনের মাধ্যমে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরি করেছে। আমরা বর্তমান সরকার কাছে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিচার এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।
এই বিজয় র্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেলা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।
দিনটি উপলক্ষে জেলা বিএনপি দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় বিএনপির দুই নেতার কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে পৌরসভা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম গুরুতর আহতবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রবিবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার শাহজাহান সিরাজ কলেজের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
আহত মুজাহিদুল ইসলাম কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ-সংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটুর কর্মী। কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য লুৎফর রহমান মতিনের কর্মী-সমর্থকরা এই হামলা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা আহমেদ টিটুর লোকজন শাহজাহান সিরাজ কলেজের একজন শিক্ষার্থীকে মারধর করে। পরে বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি’র লোকজন মিমাংসা করে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা টিটু ও মতিনের লোকজন কলেজ এলাকায় মোটরসাইকেল শোডাউন করে। পরে টিটুর গ্রুপের লোকজন কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে মিটিং করার সময় বিএনপি নেতা মতিনের লোকজন গিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। এতে পৌরসভা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলামকে কুপিয়ে আহত করা হয়। পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকের নেতৃত্বে হামলা করে শান্ত নামের একজন বিএনপি কর্মী। এছাড়া তৌহিদ নামের আরেক কর্মীকে লাঠি দিয়ে পিটানো হয়। পরে গুরুত্বর আহত মুজাহিদকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার করার অভিযুক্ত শান্তর বিরুদ্ধে ৫ আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করার অভিযোগ রয়েছে। ওই হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামী করা হয় তাকে।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। এই ব্যাপারে এখনও কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।