/ হোম / ধনবাড়ী
টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে নবম শ্রেণির ছাত্রের বাড়িতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর অনশন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে নবম শ্রেণির ছাত্রের বাড়িতে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর অনশন

একতার কণ্ঠঃ নবম শ্রেণি পড়ুয়া প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে বসেছে একই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির আরেক ছাত্রী। শনিবার (৩০ জুলাই) থেকে এই অনশনে বসে ওই কিশোরী।

অনশনের খবরে প্রেমিক মো. রনি আহমেদ বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে।

ঘটনাটি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায়। তাঁরা উভয়ই মুশুদ্দি আফাজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ওই কিশোরী জানায়, রনি দেড় বছর আগে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকলে এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে বিয়ের প্রলোভনে কু-প্রস্তাব দিতে থাকে। রনি বিয়ে করার কথা বলে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। বিয়ের চাপ দিলে নানা তালবাহানা করে প্রতারণা শুরু করে।

ওই ভোক্তভূগী কিশোরী আরও জানায় ‘আমার তো সব শেষ করেছে রনি। বিয়ে না করলে আমার কি উপায় হবে। এখন তো আমাকে অন্য কেউ আর বিয়ে করবে না। বিয়ের দাবিতে ওদের বাড়িতে এসেছি। ওর পরিবারের লোকজন রনিকে বাড়ি থেকে ভাগিয়ে দিয়েছে। যদি বিয়ে না করে আত্মহত্যা ছাড়া আমার কোন আর পথ নাই। এ বাড়ি থেকে আমার লাশ নিয়ে যেতে হবে।’

স্থানীয় মিলটন মিয়া জানান, ‘বিয়ের প্রলোভনে ওই ছেলে, মেয়েটির সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। মেয়েটি বিয়ের চাপ দিলে ছেলে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে মেয়েটি বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে বিয়ের দাবিতে শনিবার হতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করে অনশন করেছে

ওই কিশোরীর বাবা জানান, ‘সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া আমার অবুঝ মেয়েকে বিয়ের কথা বলে সর্বনাশ করেছে। আমরা গরীব মানুষ। এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।’

রনির বাবা আ. ছাত্তার বলেন, ‘আমার ছেলে বাড়িতে নাই। ছেলে বাড়িতে আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মেয়েটি আমার বাড়িতেই থাকুক।’

মুশুদ্দি আফাজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম এ বিষয়ে এখনো কিছু জানেন না বলে জানান।

স্থানীয় মুশুদ্দি ইউপি চেয়ারম্যান আবু কাউসার জানান, ‘ঘটনাটি তিনি জেনেছেন। রবিবার (৩১ জুলাই) রাত্রে এর ফয়সালা করা হবে।’

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. চান মিয়া জানান, ‘বিষয়টি তার জানা নেই। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অগাস্ট ২০২২ ০৮:৫৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাই‌লে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, ফাঁকা গুলি ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাই‌লে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, ফাঁকা গুলি ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাই‌লের ধনবা‌ড়ী উপ‌জেলা বিএন‌পির স‌ম্মেলন‌কে কেন্দ্র ক‌রে পু‌লিশ ও বিএন‌পির নেতাকর্মী‌দের মধ্যে সংঘ‌র্ষের ঘটনা ঘ‌টে‌ছে। এ ঘটনায় পুলিশসহ আটজন আহত হয়েছেন। প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১৭ রাউন্ড ফাঁকা গু‌লি ও ৩ রাউন্ড টিয়ারশেল ছুড়েছে।

শুক্রবার (২২ জুলাই) ‌বি‌কেলে উপ‌জেলার ধোপাখা‌লি ইউ‌নিয়‌নের বাঘিল এলাকায় ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘ‌টে।

জানা গে‌ছে, ধনবাড়ী সরকা‌রি ক‌লে‌জে উপ‌জেলা বিএন‌পির স‌ম্মেলনের আ‌য়োজন করা হয়। এ স‌ম্মেলন‌কে কেন্দ্র ক‌রে বা‌ঘিল এলাকায় এক‌টি গ্রু‌পের নেতাকর্মীরা স‌ম্মেল‌নের বিপ‌ক্ষে বি‌ক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা ক‌রে। এক পর্যা‌য়ে নেতাকর্মীরা মধুপুর-ধনবাড়ী সড়কে অবস্থান ক‌রে প্রতিবাদ জানা‌লে পু‌লিশ তা‌দের স‌রে যেতে ব‌লে।

প‌রে এক পর্যা‌য়ে পু‌লি‌শের সঙ্গে সংঘর্ষে জ‌ড়ি‌য়ে প‌ড়ে নেতাকর্মীরা। পু‌লিশ‌কে লক্ষ্য করে ইট-পাট‌কেল নি‌ক্ষেপ কর‌লে প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্রণে ১৭ রাউন্ড শর্টগা‌নের ফাঁকা গু‌লি ও ৩ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এ‌তে পু‌লিশ সদস্যসহ বিএন‌পির বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়।

মধুপুর উপ‌জেলা বিএন‌পির সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক সরকার শহীদ জানান, নেতাকর্মীরা স‌ম্মেল‌নে যাওয়ার প‌থে পু‌লিশ বাধা দেয়। প‌রে মধুপুরে অরণ‌খোলা ইউ‌পির সা‌বেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন‌কে আটক ক‌রে থানায় নেওয়ার সময় স্থানীয়রা বাধা দেয়। এ‌তে পু‌লি‌শের সঙ্গে নেতাকর্মী‌দের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ৩ জন নেতাকর্মী গু‌লিবিদ্ধ হয়। তাদের স্থানীয় হাসপাতা‌লে ভ‌র্তি করা হ‌য়ে‌ছে।

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও‌সি ) চান মিয়া জানান, স‌ম্মেলন‌কে কেন্দ্র ক‌রে বিএন‌পির এক‌টি গ্রুপ বাঘিল এলাকায় বিশৃঙ্খলার সৃ‌ষ্টি কর‌ছিল। এ সময় পু‌লিশ তা‌দের স‌রি‌য়ে দি‌তে গে‌লে তার ইট-পাট‌কেল নি‌ক্ষেপ ক‌রে। প‌রে পু‌লিশ সদস্য আত্মরক্ষা‌র্থে ১৭ রাউন্ড শর্টগা‌নের গু‌লি ও ৩ রাউন্ড গ্যাস গান নি‌ক্ষেপ ক‌রে প‌রি‌স্থি‌তি নিয়ন্ত্রণে আ‌নে। সংঘ‌র্ষে পু‌লি‌শের ৫ জন সদস্য আহত হ‌য়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জুলাই ২০২২ ০১:০৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে সহোদরসহ নিহত ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে সহোদরসহ নিহত ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৮ জুলাই) দিনগত রাত পৌনে ১২টার দিকে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের বানিয়াজান বাসস্ট্যান্ডের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার তুলসীপুর গ্রামের প্রাণকৃষ্ণ কর্মকারের ছেলে অটোরিকশাচালক বাবুল কর্মকার (৫০), রামনগর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (২২) তার ছোট ভাই মৃদুল হাসান (১৫) ও একই গ্রামের বজলুল মিয়ার ছেলে হাসান মিয়া (১৯)।

শনিবার (৯ জুলাই) সকালে ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চান মিয়া জানান, রাতে শেরপুর থেকে ছেড়ে আসা এস কে জননী পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে, ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে তিনজন অটোরিকশার যাত্রী নিয়ে জামালপুর সদরে উপজেলায় যাচ্ছিলেন চালক। রাস্তা ফাঁকা পেয়ে বেপরোয়া গতিতে টানছিল বাসটি। এ সময় বাস আর অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক বাবুল কর্মকার ও সাইফুল ইসলাম নিহত হন। গুরুতর আহতাবস্থায় মৃদুল ও হাসানকে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি চান মিয়া আরও জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের লোকজনের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘাতক বাসটি ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে চালক ও তার সহকারী পলাতক। এ বিষয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুলাই ২০২২ ০৫:৪৩:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দুই পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দুই পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর নষ্ট হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপকে পেছন থেকে আসা পিকআপের ধাক্কায় রাসেল আহম্মেদ নামে একজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরো দুই জন।

শনিবার (১ জুলাই) মধ্যরাতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত রাসেল দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপটির চালক। তিনি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ির কেন্দ্রুয়া এলাকার আজিজ আহম্মেদের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মধ্যরাতের দিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর ৪০ নম্বর পিলার এলাকায় ঢাকাগামী মুরগীবাহী একটি পিকআপ নষ্ট হয়। এসময় চালক গাড়িটি মেরামত করার সময় অপর একটি পিকআপ এসে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মুরগীবাহী পিকআপের চালক রাসেল আহম্মেদ নিহত হয়। এসময় আহত হন আরো দুইজন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বঙ্গবন্ধুসেতু পূর্ব থানার এস আই সরকার ইফতেখারুল মোকাম্মেল জানান, খবর পেয়ে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি ও নিহতের মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আহত দুজনকে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জুলাই ২০২২ ০৫:২৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আব্দুর রহিম হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় দেন।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর অপর আসামি ময়েজ উদ্দিন মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সেজনু মিয়া ও মিজানুর রহমান, একই গ্রামের ফয়জ উদ্দিনের ছেলে মুনসুর আলী এবং গঙ্গাবর গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে জামাল ফকির।

সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সেজুন মিয়া পলাতাক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামে আসামিরা একটি জমি দখলে নিয়ে চাষাবাদ করতে যান। জমির মালিক আব্দুর রহিম তাদের বাধা দেয়। এ সময় আসামিরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আব্দুর রহিমকে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় আব্দুর রহিমকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৩১ ডিসেম্বর আব্দুর রহিম মারা যান।

তিনি আরো জানান, ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. সুলতান মিয়া ২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি ধনবাড়ী থানায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ধনবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম ২০০৫ সালের ২৭ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জুন ২০২২ ০৯:২৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে টিকা নিয়েও করোনায় প্রাণ গেলো এক বৃদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে টিকা নিয়েও করোনায় প্রাণ গেলো এক বৃদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে তিন মাস পর করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কালীপদ দাস (৮৭) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। কালীপদ দাস জেলার ধনবাড়ী উপজেলার শিংগাটা এলাকার বাসিন্দা। তিনি করোনা ভ্যাকসিনের সব ডোজ সম্পন্ন করেছিলেন।

শনিবার (২৫ জুন) বিকালে সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সবশেষ চলতি বছরের ১০ মার্চ টাঙ্গাইলে ২ জনের মৃত্যু হয়েছিল করোনায়। এ নিয়ে জেলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৬৯ জন।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, বুধবার (২২ জুন) কালীপদ দাস করোনায় আক্রান্ত হয়ে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। পরে শুক্রবার (২৪ জুন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এদিকে, টাঙ্গাইলে ৮টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে ২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। শনাক্তের হার ২৫ ভাগ। এ নিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত ১৮ হাজার ৯০৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বলেন, প্রায় ৩ মাস পর জেলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তির ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ ছিল। তিনি করোনার প্রতিরোধে টিকার সব ডোজ নিয়েছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. জুন ২০২২ ০৮:০৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহানবী (সা:) কটূক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহানবী (সা:) কটূক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে”বিশ্বনবীর অপমান মানবে না মুসলমান” শ্লোগানে মিছিল ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার (১০ জুন) বাদ আছর টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মুখে সভা শেষে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।

মিছিলটি মসজিদ চত্ত্বর থেকে বের হয়ে নিরালা মোড় হয়ে আবার মসজিদ চত্ত্বরে এসে শেষ হয়। মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার নেতাকর্মীসহ প্রায় সহস্রাধিক ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীরা অংশ গ্রহণ করেন।
সম্প্রতি ভারতের উগ্র সাম্প্রদায়িক ক্ষমতাসীন বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও মিডিয়া সেল প্রধান নবীন জিন্দাল মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. ও উম্মাহাতুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাযি. কে নিয়ে চরম অশ্লীল ও অবমাননাকর মন্তব্য করায় ভারতীয় পণ্য বয়কট এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর দাবিতে এই মিছিল ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা,অনতি বিলম্বে সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারীও দেন তারা।

সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মাদ আকবর আলীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ আঁখিনূর মিয়ার সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আকরাম আলী,  যুগ্ম-সম্পাদক আলহাজ্ব আনিসুর রহমান সিল্টু, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক প্রভাষক রেজাউল করিম, সদস্য মাওলানা রেজাউল করিম, জেলা ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবদুর রহিম, জেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ প্রমুখ।

একই দাবিতে জেলার প্রতিটি উপজেলায় মিছিল ও সমাবেশ করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুন ২০২২ ০৩:০১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৫৬ প্রকার মৌসুমী ফল নিয়ে শিক্ষার্থীদের ফল পরিচিতি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৫৬ প্রকার মৌসুমী ফল নিয়ে শিক্ষার্থীদের ফল পরিচিতি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বিভিন্ন মৌসুমী ফল সম্পর্কে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে ফল পরিচিতির অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। (more…)

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জুন ২০২২ ০২:০৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দাদার বিরুদ্ধে নাতনীকে ধর্ষনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দাদার বিরুদ্ধে নাতনীকে ধর্ষনের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সাত বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, বাড়ির আঙ্গিনায় খেলার সময় কৌশলে শিশুটিকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন প্রতিবেশী আব্দুল মালেক (৬০)। সোমবার (৩০ মে) দুপুরে  উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আব্দুল মালেক তিন সন্তানের বাবা এবং সম্পর্কে ভুক্তভোগীর দাদা হন।

পারিবারিক সূত্র জানায় ,  সোমবার দুপুরে বাড়ির আঙ্গিনায় সমবয়সীদের সঙ্গে খেলছিল শিশুটি। এ সময় টাকার লোভ দেখিয়ে তাকে ঘরে ডেকে নেন আব্দুল মালেক। পরে ঘরের দরজা বন্ধ করে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। এরপর শিশুটি কান্নাকাটি করলে বিষয়টি জানতে পারে পরিবার। পরে তাকে পাশের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠান ।

ভুক্তভোগীর বাবা জানান, ‘মেয়েটাকে মধুপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। বর্তমানে ওর অবস্থা আশঙ্কাজনক। গণ্যমান্যদের বিষয়টি জানিয়েছি। এর আগেও আব্দুল মালেক একাধিকবার এ কাজ করেছে। টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি মীমাংসা করতে গ্রামের মাতবররা চাপ দিচ্ছেন। আমরা গরীব মানুষ এর বিচার চাই।’

শিশুটির দূরসম্পর্কের দাদা ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য ইব্রাহীম মিয়া জানান, ‘যেহেতু এটা পারিবারিক বিষয় মীমাংসার চেষ্টা চলছে। চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার (২ জুন) শিশুটিকে বাড়িতে আনা হয়েছে। বর্তমানে ডাক্তারের পরামর্শে অনুযায়ী তার চিকিৎসা চলছে’।

বর্তমান ইউপি সদস্য আবু সাঈদ জানান, ধর্ষণের ঘটনাটি জানার পর ইউপি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। তবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের কেউ অভিযোগ করেনি বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান আকবর হোসেন। অপরদিকে এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্তের বাড়িতে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. চান মিয়া জানান, ‘ঘটনাটি শুনেছি। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে থানায় আসতে বলেছি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুন ২০২২ ০৫:৫৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সোনিয়া আক্তার নামে এক গৃহবধু।

বুধবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সোনিয়া আক্তার ধনবাড়ী উপজেলার আমনগ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে মো. কবির হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী। কবির হোসেন মিরপুর-১৪ পুলিশ লাইন্সে কর্মরত বলে জানা গেছে।

সোনিয়া আক্তার জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় এক বছর আগে তার সঙ্গে কবির হোসেনের পরিচয় হয়। প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও কবির হোসেন বিষয়টি গোপন করে দুই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তাকে বিয়ে করে। বিয়ের পর কবির সোনিয়াকে বাবার বাড়িতেই রেখে দেয়। এ সময় কবির পদন্নোতির কথা বলে কয়েক দফায় স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে প্রায় চার লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করেন সোনিয়া আক্তার।

সংবাদ সম্মেলনে সোনিয়া আরো জানান, এক পর্যায়ে সন্দেহ হলে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন কবির ইতিপূর্বে সাত লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে আরেকটি বিয়ে করেছে। প্রথম স্ত্রীকেও সে বাবার বাড়িতে রেখে দিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে সোনিয়া আইনের আশ্রয় নিতে চাইলে তাকে নানাভাবে হুমকি দেয় কবির এবং যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে বাবার বাড়িতেই অসহায় জীবন যাপন করছেন সোনিয়া।

সোনিয়া বলেন, আমি শারীরিক নির্যাতন সহ্য করেও কবিরের সংসার করতে চেয়েছি। কিন্তু সে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি স্ত্রীর অধিকার দাবি করছি।

এ সময় স্ত্রীর অধিকারের জন্য প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন সোনিয়া আক্তার।

অভিযুক্ত কনস্টেবল কবির হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মে ২০২২ ১০:০২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ২ কিশোরের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ২ কিশোরের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ২ কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত ১ কিশোরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেকে) প্রেরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মে) বিকালে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের কুইচামারা ব্রিজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা- উপজেলার যদুরনাথপুর ইউনিয়নের শ্রীহরিপুর পাতলাচড়ার গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে আল-আমিন (১৫), অপরজন আছর আলীর ছেলে রিপন (১৫)। আহত কিশোর একই গ্রামের হবিবুর রহমান হবির ছেলে আমিনুর ইসলাম (১৩)।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর সময় কুইচামারা ব্রিজের কাছে এসে তাদের নিজেদের মধ্যেই দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। পরে গতি নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে ব্রিজের সতর্কতা খুঁটির সাথে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনা স্থলেই মারা যায় চালক রিপন মিয়া। অপর দুইজনকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে আল-আমিনও মারা যায়। আমিনুর ইসলামকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে প্রেরণ কর্তব্যরত চিকিৎসক।

আল-আমিনের বন্ধু কবির হোসেন জানান, ওরা তিনজন মিলে মোটরসাইকেল ভাড়া করে আরেক বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চান মিয়া বলেন, ঈদে বন্ধুরা মিলে মোটরসাইকেল নিয়ে বেড়াতে গিয়ে তাদের দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে তাদের মৃত্যু হয়। নিহতদের পরিবার লাশ নিয়ে গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২২ ০১:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
ডা. খন্দকার গোলাম মোস্তফার মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোকবার্তা - Ekotar Kantho

ডা. খন্দকার গোলাম মোস্তফার মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোকবার্তা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বিশিষ্ট ভেটেরিনারি চিকিৎসক ডা. খন্দকার গোলাম মোস্তফার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

মন্ত্রী শুক্রবার(২৫ মার্চ) এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকসসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রয়াত খন্দকার গোলাম মোস্তফা কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপির মেজো মামা। তিনি টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামের খন্দকার বাড়ি নিবাসী ছিলেন। মামার স্নেহ ও ভালবাসার স্মৃতিচারণ করে শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, ছোটোবেলা থেকে মামার অপার স্নেহ ও ভালবাসা পেয়েছি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ ও পরোপকারী। তিনি এলাকাবাসীর বিপদেআপদে সবসময়ই এগিয়ে আসতেন, তাঁদের পাশে দাঁড়াতেন।

উল্লেখ্য, ডা. খন্দকার গোলাম মোস্তফা শুক্রবার সকালে ঢাকায় আনোয়ার খান মর্ডার্ন হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি স্ত্রী, এক কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

স্বাক্ষরিত/
কামরুল ইসলাম, পিআরও

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. মার্চ ২০২২ ০৮:১৯:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।