/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে গলায় কাপড় পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় কাপড় পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় আইয়ুব আলী (৪৭) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৩ অক্টোবর) সকালে শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আইয়ুব আলী সদর উপজেলার ভবানীপুর পাতুলী এলাকার মৃত নছিম মিয়ার ছেলে। তিনি বিভিন্ন স্থানে নারী সেজে যাত্রাপালায় অভিনয় করতেন বলে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানায়।

পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে নতুন বাসস্ট্যান্ডে এলাকার মাইক্রোবাস্ট্যান্ডের পেছনের পরিত্যক্ত ঘর থেকে গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। ধারনা করা হচ্ছে,রাতে কোনো এক সময় তাকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়।

নিহতের ছেলে অনিক মিয়া বলেন, ‘আমার বাবা শনিবার সন্ধ্যায় কাজের কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। রবিবার সকালে আমার বাবার মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে হাসপাতালে আসি।’

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, ‘নিহতের মুখে আঙ্গুলের ছাপ ছিল। গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যা করার পর তার মরদেহ ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অক্টোবর ২০২৪ ০২:২৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জেলা সদর লেক থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জেলা সদর লেক থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের ১ নং ওয়ার্ডের জেলা সদর লেক থেকে শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে মিজানুর রহমান (৩৪) নামে এক যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মিজানুর রহমান টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাগমারা এলাকার বাহেজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)তানবীর আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান,শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে জেলা সদরে অবস্থিত টাঙ্গাইল জেলা সৌখিন মৎস শিকারী সমিতির পাশে জেলা সদর লেকে ভাসমান মরদেহ দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশে খবর দেয়।

পরে মাছ শিকারের জন্য ব্যবহৃত কাঠের পাটাতনের গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় থাকা মরদেহটি পুলিশ উদ্ধার করে। এ সময় মরদেহের সাথে থাকা একটি ব্যাগে আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের সঙ্গে যুবকের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ আরো জানান, মিজানুর রহমান (৩৪) নামের ওই যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান,নিহত মিজানুর রহমান টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাগমারা এলাকার বাহেজ উদ্দিনের ছেলে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ওসি আরোও জানান,খবর পেয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টাঙ্গাইল সদর সার্কেল) সোহেল রানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২৪ ০৫:৪৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মিছিলে হামলা ও গুলির ঘটনার মামলায় সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার(১০ অক্টোবর ) বিকালে পার্শ্ববর্তী জেলা গাজীপুরের উত্তর ছায়া বীথি এলাকা থেকে তাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত শাহজাহান আনছারী (৬৫) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করটিয়া কলেজ পাড়া এলাকার মৃত সাহেব আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, টাঙ্গাইল শহরে গত ৪ আগস্ট সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের জেলা সদর সড়কের বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে পৌঁছালে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শটগান, পিস্তলসহ আগ্নেয়াস্ত্র এবং চাপাতি, রামদা, কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিলে হামলা করা হয়। তাদের ছোড়া গুলি লাল মিয়া নামে একজনের বাম পায়ের হাঁটুর নিচে বিদ্ধ হয়। পরে গত ৩১ আগস্ট লাল মিয়া বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি শাহজাহান আনসারী।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান ,শাহজাহান আনছারী এ মামলার ৮ নাম্বার আসামি ছিলেন। এ ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। শুক্রবার দুপুরে তাকে ৩ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২৪ ১১:২৮:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাংস ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি শ্বাসরোধ করে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাংস ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি শ্বাসরোধ করে হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সাইফুল ইসলাম (৪৫) নামে এক মাংস ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার যমুনা সেতু-ভূঞাপুর লিংক রোডের কষ্টাপাড়া এলাকায় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের পরিবারের ধারনা, বুধবার (৯ অক্টোবর) রাতের কোন এক সময়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার তার মরদেহ  রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

সাইফুল ইসলাম উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কুকাদাইর গ্রামের মৃত বদি মিয়ার ছেলে। তিনি আশুলিয়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে স্বপরিবারে বসবাস করছেন।

স্থানীয়রা জানায়, সাইফুল ইসলাম গত দেড় মাস আগে পরিবার নিয়ে ঢাকার আশুলিয়া চলে যায়। সেখানে তিনি মাংস ব্যবসায়ীর (কসাই) কাজ করতেন। ঢাকায় থাকলেও তিনি গরু কেনার জন্য প্রায়ই বাড়িতে আসতেন। স্থানীয় হাট থেকে দু’একটি গরু কিনে ঢাকায় নিয়ে জবাই করে মাংস বিক্রি করতেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয় লোকজন রাস্তার পাশে কাউকে পড়ে থাকতে দেখে। পরে তার কাছে গিয়ে দেখতে পায় কুকাদাইর গ্রামের মাংস ব্যবসায়ী সাইফুলের মরদেহ। পরে তারা পরিবারকে খবর দেয় তারা বিষয়টি জানাজানি হলে মরদেহ দেখতে ঘটনাস্থলে শতশত উৎসুক জনতা ভিড় করে।

সাইফুল ইসলামের ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, শত্রুতা করে কেউ পরিকল্পিতভাবে আমার বড় ভাই সাইফুল ইসলামকে শ্বাসরোধের মাধ্যমে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গেছে। তার সাথে কারো শত্রুতা নেই। আমার ভাই হত্যায় যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করছি।

এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।প্রাথমিকভাবে তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি।

তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদঘাটন হবে। এনিয়ে তদন্ত চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২৪ ১১:৫৩:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেশি দামে ডিম বিক্রি, ৩ ব্যবসায়ীকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেশি দামে ডিম বিক্রি, ৩ ব্যবসায়ীকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ অতিরিক্ত দামে ডিম বিক্রি ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় তিন ব্যবসায়ীকে দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কুতুবপুর ও বড়চওনা বাজারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।

এ প্রসঙ্গে ভোক্তা অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর জানান, খামারি ও ডিমের পাইকারি আড়তে তদারকি করে বিক্রয় রশিদে মূল্য উল্লেখ না করা, ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করা, সরকার নির্ধারিত যৌক্তিক দামের অতিরিক্ত দামে ডিম বিক্রি করা ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় কুতুব বাজারের মেসার্স রবিউল ট্রেডার্সকে ৮০ হাজার, একই অপরাধে মেসার্স এসএসএস এন্টারপ্রাইজকে ৮০ হাজার ও বড়চওনা বাজারের জাকিয়া এন্টারপ্রাইজকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২৪ ০২:২১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার ঘটনায় আ’লীগ নেতা গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার ঘটনায় আ’লীগ নেতা গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ গত ৪ আগস্ট টাঙ্গাইল জেলা সদর রোডের বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলা ও গুলির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজহারভুক্ত আসামি শহিদুল ইসলাম সমেজকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩।

সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকালে টাঙ্গাইল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ধুলেরচর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রেপ্তারকৃত শহিদুল ইসলাম সমেজ টাঙ্গাইল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বৈল্লা এলাকার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে। সে পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি শহিদুল ইসলাম সমেজের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর র‌্যাবের একটি চৌকোষ দল সোমবার বিকালে শহরের ধুলেরচর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। সে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মিছিলে হামলা ও গুলির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ১২১নং আসামি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি শহিদুল ইসলাম সমেজকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই মামলার অন্যান্য এজহারভুক্ত ভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২৪ ০২:৪৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্র ইমন হত্যা মামলা, আ’লীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্র ইমন হত্যা মামলা, আ’লীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত কলেজ ছাত্র ইমন হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ২ আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৪।

সোমবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জেলার দেলদুয়ার ও মির্জাপুর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

মঙ্গলবার( ৮ অক্টোবর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ কোম্পানি এর কমান্ডার মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের নাসির গ্লাস ইন্ডাস্ট্রির এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাকুল্ল্যা-বাইপাস সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৪৫) গ্রেফতার করে র‌্যাব।

একই দিন জেলার মির্জাপুর উপজেলার দুল্লাবেগম এলাকায় অভিযান চালিয়ে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুল আলম বাচ্চুকে (৬৪) গ্রেফতার করে র‌্যাব।

গ্রেফতারকৃত দু’জন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত কলেজ ছাত্র ইমন হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি।

র‌্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত দুই জনকে মির্জাপুর থানা হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২৪ ০২:০২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইল স্পেশাল জর্জ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে এই রায় দিয়েছেন।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম রুহুল আমীন (৪৪)। তিনি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আগ এলাসিন গ্রামের তাজুল মিয়ার ছেলে। তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সরকারী কৌশুলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, বিগত ২০১২ সালের (১২ এপ্রিল) দন্ডিত রুহুল আমিনসহ আরও কয়েকজন আগ এলাসিন গ্রামের আলম বাদশার ছেলে ফিরোজ আল মামুনকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ওই দিন রাতেই মামুন বাড়ি ফেরার পথে তার উপর হামলা করা হয়। হামলাকারীরা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর আহত করে তাকে। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, পরদিন নিহত মামুনের মা শামসুন্নাহার বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ বিগত ২০১৩ সালের (২৭ মে) আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলার অপর ৪ আসামী জাহাঙ্গীর, আনিসুর রহমান, কালু ও রবি’র বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অক্টোবর ২০২৪ ০৩:৪৯:এএম ২ বছর আগে
কালিহাতীতে তিন আ’লীগ নেতা গ্রেফতার - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে তিন আ’লীগ নেতা গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কোটা বিরোধী আন্দোলনের মামলায় তিন আওয়ামীলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার(৫ অক্টোবর) রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, এলেঙ্গা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মাজেদুর, ৪ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তার আলী ও কালিহাতী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মর্তুজ আলী।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি )মোহাম্মদ আবুল কালাম ভুইঞা জানান, কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় দায়ের করা টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী থানার মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অক্টোবর ২০২৪ ০১:২৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অনলাইন জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে সালিশি বৈঠকে যুবক খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অনলাইন জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে সালিশি বৈঠকে যুবক খুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অনলাইন জুয়া খেলার জেরে সালিশি বৈঠকে মুসলিম (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা ব্রিজপাড় এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত মুসলিম নিকরাইল গ্রামের জোহেরের ছেলে।

এই ঘটনায় নিহত মুসলিমের বাবা ও চাচাসহ আরও ৫ থেকে ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিক ভাবে হালিম নামে একজনকে আটক করেছে।

স্থানীয়রা জানায়, একই গ্রামের রাকিব ও সুজনের এক ভাগ্নের সঙ্গে অনলাইন জুয়ার মূলহোতা নয়নের অর্থ নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। সেই বিরোধ মেটাতে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় মাতাব্বরদের উদ্যোগে মাটিকাটা ব্রিজপাড়ে সালিশি বৈঠক বসে। বৈঠকে মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া খেলার বিষয়টি মাতাব্বররা ঠিকভাবে বুঝতে না পারায় মুসলিম তাদের সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন। এসময় রাকিব ও সুজনের ভাগ্নের সঙ্গে মুসলিমের কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রাকিব ও সুজন তাদের সঙ্গীদের ফোন করে সালিশি বৈঠকে ডেকে আনে। পরে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুসলিমকে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে আহত করে। মুসলিমের স্বজনরা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালায় তারা। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মুসলিম মারা যান বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানায়।

এ বিষয়ে নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আমজাত হোসেন বলেন, অনলাইন জুয়া নিয়ে সালিশে বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে মুসলিমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনায় জড়িত হালিমকে আটক করা হয়েছে এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অক্টোবর ২০২৪ ০১:২০:এএম ২ বছর আগে
খাগড়াছড়িতে নিহত শিক্ষকের টাঙ্গাইলের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম - Ekotar Kantho

খাগড়াছড়িতে নিহত শিক্ষকের টাঙ্গাইলের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

একতার কণ্ঠঃ পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে ধর্ষণের অভিযোগে আবুল হাসনাত মোঃ সোহেল রানা নামে এক শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাইমহাটি গ্রামে তার পরিবারে চলছে শোকের মাতম।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাইমহাটি এলাকায় গিয়ে দেখা যায় নিহতদের বাড়িতে মরদেহ পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পরেন তার পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনেরা।
নিহত সোহেল রানা ওই এলাকার মৃত ইমাম হোসেনের ছেলে।
পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, সোহেল রানাকে পরিকল্পিতভাবে পাহাড়িরা পিটিয়ে হত্যা করেছে।
তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ সময় নিহতের বড় ছেলে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাওন বলেন, আমার বাবা অনেক ভালো মানুষ ছিলেন।এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার দাবি জানাই।

সোহেল রানা খাগড়াছড়ি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন ও সেফটি বিভাগের চিফ ইনস্ট্রাক্টর ছিলেন।প্রতিষ্ঠানটি জেলা সদরের খেজুরবাগান এলাকায়।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি কিছুদিন কারাগারে ছিলেন। এরপর একই প্রতিষ্ঠানে তিনি যেন আবার যোগদান না করেন, সে জন্য শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে।
গত মঙ্গলবার(১ অক্টোবর) দুপুরে আবার তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠে।

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্কুলটির শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করতে থাকে। একপর্যায়ে সোহেল রানাকে অধ্যক্ষের কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে ১০ থেকে ১৫ জন পাহাড়ি তরুণ অভিযুক্ত শিক্ষক সোহেল রানাকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকেন। এ সময় তাঁকে পুলিশসহ কয়েকজন রক্ষা করতে গিয়ে ব্যর্থ হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:০০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাবার বাড়ি বেড়াতে এসে নববধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাবার বাড়ি বেড়াতে এসে নববধূর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বাবার বাড়ি বেড়াতে এসে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসি দিয়ে সুমাইয়া (১৮) নামে এক নববধূর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের আগতেরিল্ল্যা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সুমাইয়া আগতেরিল্ল্যা গ্রামের সোনা উল্লাহর মেয়ে ও জেলার পাশ্ববর্তী গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের সবুজের স্ত্রী।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়- প্রায় দেড় মাস আগে পাশ্ববর্তী পোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের বাসিন্দা সবুজ নামে এক যুবকের সাথে পারিবারিকভাবে সুমাইয়ার বিয়ে হয়। তার আগে থেকেই মানুষিক ভারসাম্যহীন রোগী ছিল সুমাইয়া। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সে স্বামীর বাড়ি থেকে তার বাবা সোনা উল্লাহর বাড়িতে বেড়াতে আসে।

এরপর তার সমস্যা আরও বেশি হয়। বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে হঠাৎ ঘরের সিলিংফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস গলায় নেয় সে। এ সময় তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে সুমাইয়া মৃত্যুবরণ করে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে থানা নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে ওই নববধূর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অক্টোবর ২০২৪ ০২:৩৮:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।