/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে ২ নারীসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ২ নারীসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ: বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশন এলাকা থেকে সোমবার (৪ নভেম্বর) ভোরে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা মূল্যের বিক্রি নিষিদ্ধ ফেনসিডিলসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)।

এছাড়া, টাঙ্গাইল শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলেজপাড়ায় রবিবার (৩ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ দুই নারী বিক্রেতাকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৪) সিপিসি-৩

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) একটি দল বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে সেতুপূর্ব রেল স্টেশন এলাকায় সোমবার ভোর ৪টার দিকে অভিযান চালায়। অভিযানে একটি কাভার্ডভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৩৫০ বোতল বিক্রি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিলসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে। এসময় গোয়েন্দা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী দৌড়ে পালিয়ে যায়।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ফরহাদ মোল্লার ছেলে মো. চঞ্চল মোল্লা (২৭) ও একই উপজেলার অশ্বীনি কান্ত রায়ের ছেলে খিতিশ চন্দ্র রায়(৩৭)। দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন- লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার রহিম (৪২) ও রংপুর জেলার শামীম (৪৫)।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) অফিসার ইনচার্জ(ওসি )এবিএমএস দোহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনির হোসেনের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের সেতুপূর্ব রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় কাভার্ডভ্যানে মাদকদ্রব্য পরিবহণকালে ৩৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ উল্লিখিত দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও জানান,অন্য দুজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় মাদকদ্রব্য। নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অপরদিকে, টাঙ্গাইল শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলেজপাড়ায় রবিবার (৩ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ দুই বিক্রেতাকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৪)। র‌্যাব-১৪ সোমবার দুপুরে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আটক হেরোইন বিক্রেতারা হচ্ছেন- টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দুল্লা গ্রামের মো. ফরহাদ মিয়ার স্ত্রী শাহিদা আক্তার (৩৬) ও একই এলাকার মো. লিটন মিয়ার স্ত্রী রিতা বেগম ওরফে বানু (৩৮)।

র‌্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই চৌধুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একদল র‌্যাব শহরের দক্ষিণ কলেজপাড়ার জনৈক রফিক ওসির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ উল্লিখিত দুই নারী বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরও জানান, অভিযানকালে তাদের কাছে থাকা নগদ দুই লাখ ১৫ হাজার টাকা, তিনটি অ্যান্ড্রয়েড ও চারটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করে। গ্রেপ্তারকৃতদের টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. নভেম্বর ২০২৪ ০১:৪৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুর রহমানের  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুর রহমানের 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আব্দুর রহমান (১৫) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্র চারদিন যাবত নিখোঁজ রয়েছে। এতে করে চিন্তায় রয়েছে আব্দুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা।

জানা যায়, আব্দুর রহমান উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের হাসড়া পশ্চিম পাড়া গ্রামের আবুল হোসেন (মুন্সির) ছেলে এবং পার্শ্ববর্তী দারুল ইসলাম মোহাম্মদীয়া বল্লা ফাজিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। এ ঘটনায় নিখোঁজ আব্দুর রহমানের বড় ভাই ইব্রাহিম শনিবার(২ নভেম্বর )রাতে কালিহাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

নিখোঁজ আব্দুর রহমানের বড় ভাই ইব্রাহিম জানান, গত শুক্রবার (১ নভেম্বর) বিকেলে মাদ্রাসা থেকে অন্য ছাত্রদের সাথে হাটতে বের হয় আব্দুর রহমান। মাগরিবের নামাজের পর মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকায় মাদ্রাসা হোস্টেল সুপার ইসলাম হোসেন ফোন করে জানান আব্দুর রহমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পেরে আমরা বিভিন্ন স্বজনদের কাছে খোঁজ নিয়েও কোথাও তার সন্ধান পায়নি।

দারুল ইসলাম মোহাম্মদীয়া বল্লা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুস সাত্তার ইবনে ইমাম বলেন, প্রতিদিনের মতো আসরের নামাজের পরে ফ্রি সময় দেওয়া হয় আবাসিকের ছাত্রদের। শুক্রবারেও আসরের নামাজের পরে সকল ছাত্ররা বাহিরে ঘুরে এলেও আব্দুর রহমান ফিরে আসেনি।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম জানান, পুলিশ নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুর রহমানকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. নভেম্বর ২০২৪ ০১:৪৪:এএম ২ বছর আগে
বাসাইল উপজেলা আ.লীগের সভাপতি গাউসের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন - Ekotar Kantho

বাসাইল উপজেলা আ.লীগের সভাপতি গাউসের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিউর রহমান গাউসের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

রবিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পশুপতি বিশ্বাসের এজলাসে এই রিমান্ড আবেদন করা হয়।

পরে বিজ্ঞ আদালত আগামী ১০ নভেম্বর রিমান্ডের শুনানি দিন ধার্য করে সি/ ডব্লিউ মূলে হাজি মতিউর রহমান গাউসকে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করে।

টাঙ্গাইলের কোট ইন্সপেক্টর লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর পূর্বে গাউসকে গত ৪ আগস্ট বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজের সামনে বৈষম্যে বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি হিসেবে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (২ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউসকে বাসাইল দক্ষিণপাড়া এলাকায় নিজ বাসায় থেকে আটক করে সেনাবাহিনী। হাজী মতিয়ার রহমান গাউস বাসাইল দক্ষিণপাড়া এলাকার আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে।
নাশকতামূলক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৮টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বাসাইল দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় হাজী মতিয়ার রহমান গাউসের বাড়ি ঘেরাও করে সেনাবাহিনী। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেনা ক্যাম্পে আনা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে রাত ১০টার দিকে বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে বাসাইল থানা থেকে তাঁকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়

বাসাইল সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর শেখ ইসতিয়াক উদ্দিন বলেন, ‘নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা থাকার কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, ওই আওয়ামী লীগ নেতাকে সেনাবাহিনীর বাসাইল থানায় হস্তান্তর করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২৪ ০২:০২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার:৬ ব্যবসায়িকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার:৬ ব্যবসায়িকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষ বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার করায় ৬ ব্যবসায়িকে ১৬ হাজার ৫ শত টাকা জরিমানা ও ৪৪ কেজি পলিথিন জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (৩ নভেম্বর)দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার ও মোহাইমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক তুহিন আলম, সদর উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর ও খাদ্য পরিদর্শক সাহেদা বেগমসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার জানান, নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার ও মূল্য তালিকা না থাকায় ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে মনোরঞ্জন ও মো. আলমগীরকে ৫ হাজার টাকা করে, মো. আলিম, দীপক ও মো. রানাকে ২ হাজার টাকা করে এবং দীপককে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ভোক্তাঅধিকার ও পরিবেশ আইনে এদের জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান,অন্য ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের সতর্ক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২৪ ১২:০১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কাঁঠালগাছ থেকে মাছবিক্রেতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাঁঠালগাছ থেকে মাছবিক্রেতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে একটি কাঁঠালগাছ থেকে আনোয়ার হোসেন (৪২) নামের এক মাছ বিক্রেতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার(২ নভেম্বর) ভোররাতে উপজেলার আড়াইপাড়া গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন।

নিহত আনোয়ার হোসেন আড়াইপাড়া গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকার আব্দুল বাছেদ খানের ছেলে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. হবি মিয়া বলেন, আনোয়ার বিভিন্ন হাট-বাজারে মাছ বিক্রি করতেন। শনিবার ভোররাতে আড়াইপাড়া গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকার বনের পাশে একটি কাঁঠাল গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর লাশ পাওয়া যায়। তাঁর আত্মহত্যার কারণ বলতে পারছি না।
তিনি আরো বলেন,প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, পারিবারিক কলহের কারণে এমনটি করে থাকতে পারে।

লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন,আনোয়ারের লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা নেওয়া হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২৪ ০৩:৫৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গৃহবধুর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গৃহবধুর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ফাঁসিতে ঝুলে আকলিমা (২০) নামের এক গৃহবধু আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে । শনিবার(২ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের গৌরিশ্বর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আকলিমা উপজেলার দিগর ইউনিয়নের দিগর চড়াবাড়ি প্রবাসি মো. উজ্জল মিয়ার মেয়ে।

সন্ধানপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , ৬ বছর পূর্বে আকলিমার মা-বাবা তাকে পাশ্ববর্তী দিঘলকান্দি ইউনিয়নে সজিব নামে এক যুবকের সাথে বিাবাহ দেন। সেই স্বামী থাকা অবস্থায় আকলিমা পরকীয়া করে ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলায় এক ছেলের সাথে দুই মাস পূর্বে পালিয়ে যায় এবং সেখানে ঘর সংসার শুরু করে। পরে ঐ ছেলের সাথে বনিবনা না হওয়ায় সেখান থেকেও পালিয়ে চলে আসে মামার বাড়ি ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বর গ্রামে। সেখানে মানসিকভাবে তিনি অসুস্থ্য হয়ে পরেন তিনি। শনিবার সকালে মামার বাড়িতে সবার অজান্তে ঘরের ধরনার সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে থানা পুলিশ খবর পেয়ে আকলিমার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি )মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। গৃহবধুর মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. নভেম্বর ২০২৪ ০২:১০:এএম ২ বছর আগে
আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর সাবেক মেয়র মুক্তি আটক - Ekotar Kantho

আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর সাবেক মেয়র মুক্তি আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খানকে (মুক্তি) আটক করেছে পুলিশ। আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর)বিকেলে তাঁকে আটক করা হয়।

বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সহিদুর রহমান খানকে টাঙ্গাইল সদর থানায় নেওয়া হয়।

পরে এবছর ১ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের সন্তোষে ভিপি নূরের উপর হামলার ঘটনায় দায়ের কৃত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় মেয়র মুক্তিকে। টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মদ বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সহিদুর রহমান খান টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খানের ভাই।

আদালত সূত্র জানায়, ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সহিদুর রহমান গত ২২ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত থেকে জামিন পান। পরে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। আজ মামলার ধার্য তারিখে তিনি অ্যাম্বুলেন্সে আদালতে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, হাজিরা শেষে দুপুর ১২টার দিকে হুইলচেয়ারে করে আদালত কক্ষ থেকে তাঁকে বের করা হয়। এ সময় আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায়। পুলিশ আগেই সহিদুরকে বহন করে আনা অ্যাম্বুলেন্সটি আদালত ভবনের সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। পরে সহিদুর আবার আদালতকক্ষে ফিরে যান। বেলা সোয়া তিনটার দিকে তিনি আবার হুইলচেয়ারে আদালতকক্ষ থেকে বের হন। আদালত চত্বর থেকে বাইরে আসার পর সদর থানা-পুলিশের একটি দল ঘিরে ধরে পুলিশের আনামাইক্রোবাসে উঠতে বলে। সহিদুর গ্রেপ্তার করা হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে পুলিশ তাঁকে আটকের কথা জানায়। কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে জিজ্ঞাসা করলে ওসি তানভীর তাঁকে বলেন, ‘আমাদের সাথে চলেন, সব জানানো হবে।’

অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, মামলাটির শুধু তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। অন্য সব সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো: সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, সাবেক মেয়র সহিদুর রহমানের নামে বিভিন্ন ধরনে মামলা রয়েছে।সে কারনেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।আইনি প্রক্রিয়া শেষে আপনাদের সকল কিছু জানানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. নভেম্বর ২০২৪ ০৪:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিশেষ টাস্কফোর্সের বাজার তদারকি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিশেষ টাস্কফোর্সের বাজার তদারকি

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযানে তিনটি দোকানে সাড়ে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীদেরকে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ অক্টোবর)সকালে সদর উপজেলার করটিয়া বাজারের পাইকারী ও খুচরা দোকানে পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়ার সহকারী কমিশনার মাহমুদুল হাসান।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মূল্য ব্রদ্ধি রোধ, পণ্যের অবৈধ মজুদ প্রতিরোধ এবং বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হতে গঠিত জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে কয়েকটি দোকানের অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রী এবং পণ্য বিক্রির মূল্য তালিকা টানানো না থাকার অপরাধে তিনটি দোকানে সাড়ে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও কয়েকটি দোকানের মালিকদের সর্তক করা হয়।

অভিযানে টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও বিশেষ টাস্ক ফোসের সদস্য সচিব শাহীনুর আলম, কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলাা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বিশেষ টাস্ক ফোর্সের সদস্য আবু জুবায়ের উজ্জলসহ ছাত্র প্রতিনিধি, কৃষি বিপনীন ও মৎস অদিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:৪৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মা ইলিশ নিধন:১১ জেলের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মা ইলিশ নিধন:১১ জেলের কারাদণ্ড

একতার কন্ঠঃ সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ১১ জন জেলেকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) দিনব্যাপী জেলার সদর উপজেলা ও কালিহাতি উপজেলায় যমুনা নদীতে ইলিশ মাছ সংরক্ষণ অভিযানে জেলেদের এ কারাদণ্ড আদেশ দেওয়া হয়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার লোকমান মোল্লার ছেলে শফিকুল ইসলাম, আক্তার হোসেনের ছেলে বাদশা, রফিকুলের ছেলে হোসেন ও সোহাগ, আবু সাইদের ছেলে আসলাম, মাজম শেখের ছেলে আশরাফ।

এ ছাড়াও সিরাজগঞ্জের আবু সামার ছেলে আলিম, তুফানের ছেলে গোলাম, ছকেরের মোল্লার ছেলে লতিফ, শাহা আলমের ছেলে আসাদুল ইসলাম ও বোরহান মণ্ডলের ছেলে আসাদুল।

টাঙ্গাইলের মৎস কর্মকর্তা মো. আইয়ুব আলী জানান, অভিযানে জেলেদেরকে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং মা ইলিশসহ হাতেনাতে ধরা হয়েছে। উদ্ধার করা জালের দৈর্ঘ্য প্রায় দশ হাজার মিটার। যার আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ টাকা।

তিনি আরও জানান, মা ইলিশ মাছ সংরক্ষণের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন, আটক করা জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। ইলিশ মাছগুলো স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। আর অভিযানে আটকৃত ১১ জেলেকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

অভিযানে কালিহাতি মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অক্টোবর ২০২৪ ০১:৪৬:এএম ২ বছর আগে
মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতার শ্বশুরবাড়িতে মৃত্যু, পরিবারের দাবি অস্বাভাবিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতার শ্বশুরবাড়িতে মৃত্যু, পরিবারের দাবি অস্বাভাবিক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের (৩৫) অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত্যুর সময় তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল বলে দাবি করেছেন তার পরিবার।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে পাশের গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মেদি এলাকার খালপাড় গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।

জাহাঙ্গীরের চাচা আমিনুল ইসলাম জানান, গত রমজানে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে মামাতো বোন শিফা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ের কথা চলছিল। এরমধ্যে শিফা অন্য এক ছেলের সঙ্গে চলে যান। বাবা সালাহউদ্দিন মেয়েকে খুঁজে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরমধ্যে শিফা বাড়িতে একবার বিষপান করেন। এরপরও তিনমাস আগে জাহাঙ্গীর শিফাকে বিয়ে করেন এবং শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। বৃহস্পতিবার রাতে শ্বশুরবাড়িতে জাহাঙ্গীরের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে জাহাঙ্গীরের পরিবারের লোকজন নিয়ে সালাউদ্দিনের বাড়িতে যান। তার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল এবং তার মৃত্যু অস্বাভাবিক বলে পরিবারের দাবি। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন জাহাঙ্গীরের পরিবার।

মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডিএম শফিকুল ইসলাম ফরিদ বলেন, জাহাঙ্গীর আলম সুদর্শন ও ভালো ছেলে। অল্প বয়সে তার মৃত্যুর বিষয়টি শুনে কষ্ট পেয়েছি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ বলেন, বিষয়টি জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:৪৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ দুই সীসা তৈরির কারখানা উচ্ছেদ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ দুই সীসা তৈরির কারখানা উচ্ছেদ

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুইটি অবৈধ সীসা তৈরির কারখানায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার(২৩অক্টোবর) দুপুর থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের মালির চালা ও আমবাগান এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালনা করেন ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট(ভূমি) কিশোর কুমার দাস ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম ও পরিদর্শক মোতালেব হোসেন প্রমূখ।

টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম জানান ,পুরাতন ব্যাটারী হতে সীসা উৎপাদনকারী দু’টি কারখানার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

তিনি আরও জানান,এ সময় ভ্যেকু দিয়ে কারখানার সকল স্থাপনা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযান পরিচালনার সময় কারখানার মালিকদের কাউকে পাওয়া যায়নি।পরিবেশ সুরক্ষায় টাঙ্গাইল জেলার অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

তিনি জানান,ঘাটাইল উপজেলার পুলিশ সদস্যবৃন্দ এই উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অক্টোবর ২০২৪ ০২:১৫:এএম ২ বছর আগে
এবার রাবেয়া আক্তার কলির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা - Ekotar Kantho

এবার রাবেয়া আক্তার কলির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা

একতার কণ্ঠঃ এবার চাঁদাবাজির অভিযোগে রাবেয়া আক্তার কলির বিরুদ্ধে নারায়নগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে ভুক্তভোগী মেরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে নারায়নগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় রাবেয়া আক্তার কলিকে ২নং আসামি করা হয়।

অভিযুক্ত রায়েবা আক্তার কলি, ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মানিকারহাট বাজার সংলগ্ন পেটমানিকা গ্রামের হানিফ মিয়ার মেয়ে। বর্তমানে কলি ঢাকা মহানগরের ডেমরা থানার মুসলিম নগর এস. এম. সি. স্পেশাল প্রাইভেট হাসপাতাল সংলগ্ল জুলেখার বাড়ীর ২য় তলায় দক্ষিণ পাশের ফ্ল্যাটের সাবলেট ভাড়টিয়া হিসেবে বসবাস করছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার পাঁচ বিবি গ্রামের ওয়াজিউদ্দিন আহম্মেদের ছেলে মেরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে নারায়নগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং ২১৭/২৪।যাহার ধারা গুলো হচ্ছে: ৩৬৫/৩৪২/৪৪৮/৩৩২/৩৮৫/৩৮৬/৩৭৯/৩৮০/৩০৭/৫০৬

মামলা সুত্রে জানা যায়, রাবেয়া আক্তার কলির ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে গত ২০২৩ সালের ২ মে রেজিস্ট্রিকৃত ভাবে বিবাহ হয় মামলার বাদীর সাথে। বিবাহের পর থেকেই বাদীর কাছ থেকে ব্লাকমেইলের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করার নেশা ছিল রাবেয়া আক্তার কলির। তাদের বনিবনা না হওয়ায় গত ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট দেনমোহর পাওনা বাবদ ৬ লক্ষ টাকা পরিশোধ করার মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তাদের। বিবাহ বিচ্ছেদের চুক্তি নামায় কারো বিরুদ্ধে কোন পক্ষই কোন মামলা অথবা প্রতারণার আশ্রয় নিতে পারবে না বলে অঙ্গীকার নামা লেখা হয়।

মামলার বাদীর কাছ থেকে চুক্তি অনুযায়ী ধার নেওয়া ২০ লাখ টাকা রাবেয়া আক্তার কলির ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও অঙ্গীকারনামা অনুযায়ী বাদীর পাওনা ২০ লক্ষ টাকা যড়যন্ত্র মুলক মামলার ২নং আসামি রায়েয়া আক্তার কলিসহ সকল আসামীরা ওই টাকা আত্মসাৎ করেন।

মামলা সূত্রে আরও জানা যায় ,এছাড়া গত ২ জানুয়ারি রাত ৩টা ১৫ মিনিটে মামলার ১ং আসামি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার ও স্পেশাল ক্রাইম(দক্ষিণ) এর ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ গোলাম নবী শেখ এর সাথে যোগ সাজসে কলি নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াই হাজার উপজেলায় পাঁচরুথী থানাপাড়া এলাকার বাদীর বসত বাড়িতে গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করিলে মামলা ১ ও ২ নং আসামি সহ মামলার উল্লেখিত ৫ জন‌ আসামী তাকে মারধর শুরু করে। ১ নং আসামি তার কোমর থেকে তার সার্ভিস পিস্তল বের করে বাদীকে হত্যার হুমকি দেয় অন্যথায় বাদীকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি অথবা ক্রসফায়ারে গুলি করিয়া মারিয়া ফেলার হুমকি দেয়। পরে আসামিগন তাকে অপহরণ করে একটি হাইস মাইক্রোবাসে ঢাকার মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পরদিন সকাল ১১টায় ডিবি কার্যালয়ের একটি বদ্ধ রুমে তাকে গুম করিয়া হত্যার প্রস্তুতি নিলে নিরুপায় হয়ে বাদি ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে রাজি হয়। পরে মামলার ২ ও ৪ নং সাক্ষীকে টেলিফোনের মাধ্যমে জানালে, তাঁরা অনেক কষ্টে ৩০ লাখ টাকা যোগাড় করে মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ের নিয়ে আসে। পরে আসামিগণের দাবিকৃত বাকি ২০ টাকা দিতে পারবে না বলিয়া অপারগতা প্রকাশ করিলে আসামি গণ তাকে মিথ্যা মামলায় দিয়ে কোর্টে চালান করে। যাহা ডেমরা থানার মামলা নং ২৫(১১) ২০২৩। এ ছাড়া মামলার জামিনে মুক্তি পেয়ে টাকা দাবি করলে তাকে আরও মিথ্যা মামলায় জড়ানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

এ সময় বাদির কাছে থাকা তিনটি মোবাইল ফোন যথাক্রমে ১ টি কালো রংয়ের Apple কোম্পানির আইফোন ৭+ যাহার মূল্য আনুমানিক ৬৫ হাজার টাকা, একটি ছাই রংয়ের Oppo মোবাইল যাহার অনুমানিক মূল্য ৩৫ হাজার টাকা ও একটি Realme RMX 3771 মডেলের মোবাইল যাহার অনুমানিক মূল্য ৩৫ হাজার টাকা জোর পূর্বক রাখিয়া দেয়। এ সময় বাদির হাতে থাকা একটি Rado ঘড়ি যাহার অনুমানিক মূল্য ৩২ হাজার টাকা ও মানিব্যাগে থাকা নগদ ৫৫ হাজার টাকা জোর পূর্বক নিয়ে যায় আসামিগণ।

মামলার বাদী মেরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, মামলার ২নং আসামি রাবেয়া আক্তার কলির একাধিক বিবাহ হয়। ইতিপূর্বে কলি তার প্রথম স্বামী রুবেল নামক যুবকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়। কাবিনের সিরিয়াল অনুযায়ী তিনি ৩নং স্বামী ছিলেন। বর্তমানে আবুল কালাম আজাদ নামক যুবককে স্বামী দাবী করে কলি। আবুল কালাম তার ৪নং স্বামী। রাবেয়া আক্তার কলির বর্তমান দাবীকরা স্বামীও প্রতারনা মামলার আসামি।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, তার কাছ থেকে নেওয়া ৩০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করতে রাবেয়া আক্তার কলির বর্তমান স্বামী পরিচয় দানকারী আবুল কালামসহ সকল আসামিরা ষড়যন্ত্রমূলক সাইবার নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন তার বিরুদ্ধে।

শেখ হাসিনার সাথে ছবি উঠিয়ে এই ছবি দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন লোকজনকে ভয় দেখিয়ে রাবেয়া আক্তার কলি এবং আবুল কালাম আজাদ মিলে চাঁদা বাজি করতো।গত ৫ ই আগষ্টে ছাত্র জনতার ভয়ে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর আবুল কালাম আজাদও বিদেশে চলে যায়।

কলির গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলার মানিকারহাট বাজার এলাকার স্থানীয়রা জানান, ট্রাক চালকের মেয়ে কলি বর্তমানে ঢাকায় থাকেন। প্রাইভেটকার যোগে আসতেন ঢাকা থেকে তার গ্রামের বাড়িতে। হঠাৎ আনুমানিক ২৩ বছরের কলি এত টাকা কোথায় পেলেন এমন প্রশ্ন তাদের। রাবেয়া আক্তার কলি ঢাকায় কি কাজ করছেন? জানতে চান তাঁরা

অভিযোগ প্রসঙ্গে রাবেয়া আক্তার কলির কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা দাবী করেন।
তিনি আরও বলেন, মিরাজ নামক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, মানহানি করার জন্য এই ধরনের সাজানো মামলা তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২৪ ১২:০৪:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।