/ হোম / শিল্প সাহিত্য
শব্দ সৈনিক কুলছুম জামানের ইন্তেকাল - Ekotar Kantho

শব্দ সৈনিক কুলছুম জামানের ইন্তেকাল

একতার কণ্ঠঃ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক ও টাঙ্গাইল-২(ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আসাদুজ্জামানের স্ত্রী এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অপরাজিতা হকের মা কুলছুম জামান চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মরহুমার ছেলে খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা ক্লাবের সভাপতি খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল জানান, শনিবার (১৯ জুন) ভোরে বার্ধক্যজনিত রোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মায়ের মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক মিয়া জানান, তিনি এক ছেলে ঢাকা ক্লাবের সভাপতি খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল(সিআইপি) ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অপরাজিতা হক সহ অসংখ্য গুণগাহী রেখে গেছেন।তিনি জানান, খন্দকার কুলছুম জামানের প্রথম জানাজা নামাজ গুলশান আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে ।দ্বিতীয় দফা জানাযা নামাজ তাদের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নারুচিতে বাদ মাগরিব অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তার স্বামী মরহুম খন্দকার আসাদুজ্জানের কবরের পাশে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুন ২০২১ ০২:২৩:এএম ৫ বছর আগে
আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের ২য় বর্ষে পদার্পণ - Ekotar Kantho

আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের ২য় বর্ষে পদার্পণ

একতার কণ্ঠঃ “শেকড়ের সন্ধানে ছুটে চলা’ – এই প্রত্যয় কে ধারন করে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের এক ঝাক তরুন সাংবাদিক একত্রে হয়েছিলেন শুক্রবার(১৮ জুন) সকালে। এই দিন ছিলো আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের ২য় বর্ষে পদার্পণের প্রথম দিন। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছিল আলোচনা সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলন। একই অনুষ্ঠানে বর্ষপূর্তির কেক কাটা হয়।

চ্যানেল আই এর জেলা প্রতিনিধি, আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক মুসলিম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে কালের কন্ঠের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি এবং আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের বিশেষ প্রতিবেদক অরণ্য ইমতিয়াজের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, প্রথম আলো এর স্টাফ রিপোর্টার কামনা শীষ শেখর, মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তরুন ইউসুফ, একুশে টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি কাজী তাজউদ্দিন রিপন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তবে  মুসলিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা সত্যের পথে আছি এবং শেখরের সন্ধানে ছুটে চলছি। তাই আমি আজকের দিনে বলতে চাই- যারা আমাদের সাথে রয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ বলেন, আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম আজ ২ য় বর্ষে পদার্পণ করেছে। আজকের এই আনন্দের দিনে আমি আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এই পোর্টালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি- এ অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকুক।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, মত প্রকাশ করা আমাদের মৌলিক অধিকার। তবে গণমাধ্যমে কর্মরতদের মনে রাখতে হবে সেই মত প্রকাশ যাতে হয় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বাহক হিসেবে কাজ করবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, পোর্টালের রির্পোট আমি পর্যবেক্ষন করে থাকি এবং আমার উপজেলায় কোনো সমস্যা থাকলে তাৎক্ষনিক সমাধানের চেষ্টা করি। টাঙ্গাইলের এবং সমাজ পরিবর্তনে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি কাজী জাকেরুল মওলা বলেন, এই পথচলাকে শুভেচ্ছা জানাই। আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম একটি ভালো ও জনপ্রিয় পত্রিকা এবং এই জনপ্রিয়তা কে ধরে রাখতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হাবিবুল্লা শেফুল বলেন একটি পোর্টালের জন্য ১ বছর খুব বেশি সময় নয়। এই অল্প সময়ে টাঙ্গাইলের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। আপনাদের সকলের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় গণমানুষের মুখপত্র হিসেবে আগামী দিনগুলোতেও একইভাবে কাজ করে যাবে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম।

শেষ পর্বে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম এর প্রতিনিধিদের সংবাদিকতার কলাকৌশল নিয়ে আলোচনা করেন ,কামনা শীষ শেখর, অরন্য ইমতিয়াজ, তরুণ ইউসুফ এবং মুসলিম উদ্দিন আহমেদ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০৩:৪০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কলামিস্ট আবুল মকসুদের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলামিস্ট আবুল মকসুদের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ সদ্য প্রয়াত দেশ বরেণ্য সাংবাদিক, লেখক, কলামিস্ট, ও ভাসানী গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদের স্মরণ সভা টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ মার্চ) সকালে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারে এ স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।

স্মরণ সভায় মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মো. মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদের ছেলে সৈয়দ নাফিস মকসুদ, মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সৈয়দ ইরফানুর বারী, আব্দুর রাজ্জাক, ডঃ আজাদ খান, সাধারণ গ্রন্থাগারের সদস্য সচিব কবি মাহমুদ কামাল প্রমুখ।

আরো বক্তব্য রাখেন মওলানা ভাসানী যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম সুমন, যুব ফাউন্ডেশনের নেতা মো. হাসান মিয়া সহ আরো অনেকে। স্মরণ সভায় মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন ও ভাসানী ছাত্র ও যুব ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। স্মরণ সভা শেষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এ সময় বক্তারা তার কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ সারা জীবন তার লেখনির মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সমতাভিত্তিক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি তার গবেষণা কর্মের মাঝেই বেঁচে থাকবেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মার্চ ২০২১ ০৩:১০:এএম ৫ বছর আগে
খ্যাতিমান কলামিস্ট, লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ আর নেই - Ekotar Kantho

খ্যাতিমান কলামিস্ট, লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ আর নেই

একতার কন্ঠ ডেক্সঃ বাংলাদেশের খ্যাতিমান কলামিস্ট, গবেষক, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক ও লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ আর নেই। মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। স্কয়ার হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগ মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সন্ধ্যা ৬টা ৯ মিনিটে তিনি মারা যান।

সৈয়দ আবুল মকসুদের জন্ম ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর। তিনি তার গবেষণাধর্মী প্রবন্ধের জন্য সুপরিচিত। তার প্রবন্ধসমূহ দেশের রাজনীতি, সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়। তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদদের জীবনী ও কর্ম নিয়ে গবেষণামূলক প্রবন্ধ লিখেছেন। পাশাপাশি কাব্যচর্চাও করেছেন। তার রচিত বইয়ের সংখ্যা চল্লিশের ওপর। জার্নাল অব জার্মানি তার লেখা ভ্রমণকাহিনী। বাংলা সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

এদিকে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী।

জানা গেছে, সৈয়দ আবুল মকসুদ ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ আবুল মাহমুদ ও মা সালেহা বেগম। তার জন্মের দুই বছর পর ১৯৪৮ সালের ২০ নভেম্বর তার মা সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা যান। তার মায়ের মৃত্যুর পর তার বিমাতা বেগম রোকেয়া আখতার তাকে সন্তান স্নেহে লালনপালন করেন। তার বাবা কাব্যচর্চা করতেন। তাই শৈশব থেকে তিনি দেশি বিদেশি বিভিন্ন পত্রিকা পড়ার সুযোগ পান।

আবুল মকসুদের শিক্ষাজীবনের হাতেখড়ি হয় নিজ বাড়িতে। এরপর তিনি ঝিটকা আনন্দমোহন হাই স্কুলে একেবারে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ পড়াশুনা করেছেন।

কর্মজীবন

তার কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৬৪ সালে এম আনিসুজ্জামান সম্পাদিত সাপ্তাহিক নবযুগ পত্রিকায় সাংবাদিকতার মাধ্যমে। এটি ছিল পাকিস্তান সোস্যালিস্ট পার্টির মুখপত্র। পরে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি সমর্থিত সাপ্তাহিক ‘জনতা’য় কাজ করেন কিছুদিন। পরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ বার্তা সংস্থায় যোগ দেন। ২০০৮ সালের ২ মার্চ বার্তা সংস্থার সম্পাদকীয় বিভাগের চাকরি ছেড়ে দেন।

সাহিত্যিক জীবন

সৈয়দ আবুল মকসুদের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ষাটের দশকে কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ দিয়ে। তখন তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় লিখতেন। ১৯৮১ সালে তার কবিতার বই বিকেলবেলা প্রকাশিত হয়। ১৯৮৭ সালে তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ দারা শিকোহ ও অন্যান্য কবিতা প্রকাশিত হয়। মানবাধিকার, পরিবেশ, সমাজ ও প্রেম নিয়ে তিনি কবিতা লিখেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যের ক্ল্যাসিকধর্মী গবেষকদের মধ্যে অন্যতম।

তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বুদ্ধদেব বসু, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী প্রমুখ প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদদের জীবনী ও কর্ম নিয়ে গবেষণা করেছেন। আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে নিয়ে তিনি লিখেছেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানীর জীবন, কর্মকাণ্ড, রাজনীতি ও দর্শন (১৯৮৬) ও ভাসানী কাহিনী (২০১৩)। ভাসানী কাহিনীতে তিনি ভাসানীর বৈচিত্র্যময় ও ঘটনাবহুল দীর্ঘ জীবন এবং তার রাজনৈতিক দর্শন বর্ণনা করেছেন।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহকে নিয়ে লিখেছেন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও সাহিত্য (২০১১) ও স্মৃতিতে ওয়ালীউল্লাহ (২০১৪)। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও সাহিত্য গ্রন্থে তিনি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও তার সাহিত্যকর্ম নিয়ে লিখেছেন। এছাড়া তৎকালীন সময়ের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক দিকগুলো তুলে ধরেছেন। স্মৃতিতে ওয়ালীউল্লাহ গ্রন্থে তিনি তাকে চিনতেন এবং জানতেন এমন সব মানুষদের কাছ থেকে নানা উপাদান সংগ্রহ করেছেন। তথ্য সংগ্রহের জন্য তিনি ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে এবং পাকিস্তানে গিয়েছিলেন।

আবুল মকসুদের স্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। কিছুদিন শিক্ষকতা করেছেন অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজে। তাদের দুই সন্তান। মেয়ে জিহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও মাস্টার্স করে ব্যাংকে চাকরি করছেন। ছেলে নাসিফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স করে দুই বছর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়িয়েছেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ করে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডে সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে চাকরি করছেন।

সংবাদ সূত্র-  দৈনিক ইনকিলাব অনলাইন নিউজ পোর্টাল

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২১ ০২:০২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলের মৃৃৎ শিল্পে আধুনিকতার থাবা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের মৃৃৎ শিল্পে আধুনিকতার থাবা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মৃৎ শিল্প উন্মুক্ত বাজার প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে হারিয়ে যেতে বসেছে। অত্যাধুনিক প্লাস্টিক, অ্যালুমোনিয়াম ও মেলামাইনের তৈজসপত্রের দাপটে এ শিল্প প্রায় বিলুপ্ত। ফলে জেলার প্রতিভাবান মৃৎ শিল্পীরা অর্থাভাবে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।

জেলায় এক সময় তৈজসপত্রের চাহিদা পুরণ করত মাটির তৈরি হাড়ি, পাতিল, কলসি, থালা(সানকি), কুয়ার পাট, নানা ধরণের খেলনা, বিভিন্ন পিঠা তৈরির খরমা(সাজ) ইত্যাদি। গ্রাম্য মেলা ও হাট-বাজারে মাটির তৈরি ওইসব পণ্য শোভা পেত।

মাটির তৈরি এসব পারিবারিক তৈজসপত্র বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থসম্মত ও সুস্বাদুপণ্যের আধার হিসেবে পরিগণিত। মাটির তৈরি উৎকৃষ্টমানের ওইসব তৈজসত্রের স্থান দখল করে নিয়েছে অ্যালুমিনিয়াম, প্লাস্টিক ও মেলামাইনের তৈরি তৈজসপত্র। গ্রামাঞ্চলের উৎসব-মেলা বা হাট-বাজারে প্রাকৃতিক উপাদানের তৈরি মৃৎশিল্পের পণ্য সামগ্রীর জায়গা নিয়েছে কৃত্তিমভাবে তৈরি তৈজসপত্র।

টাঙ্গাইল বিসিক সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৫৮টি কুমার পরিবার, বাসাইলে ১১৫টি, নাগরপুরে ১০৭টি, মির্জাপুরে ৯৯টি, দেলদুয়ারে ৬৫টি, ঘাটাইলে ৬০টি, ভূঞাপুরে ফলদা কুমার পাড়ায় ২২০টি, কালিহাতীতে ২৮০টি, গোপালপুরে ১১২টি, ধনবাড়ীতে ১০টি এবং মধুপুর উপজেলায় ৯টি কুমার পরিবার বসবাস করছে। জেলায় এক হাজার ২৩৫টি কুমার পরিবার থাকলেও তাদের অধিকাংশই পৈত্রিক পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মৃৎ শিল্পীরা সুনিপুন শৈল্পিকতায় তৈরি করছেন পুতুল, ফুলের টব, কুয়ার পাট, হাঁড়ি-পাতিল, খেলনা, শো-পিস সহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় ও সৌখিন জিনিসপত্র। এসব পণ্য তারা শহরের দোকান এবং বাসা-বাড়িতে বিক্রি করে থাকেন। বর্তমান সামাজিকতায় মৃৎ শিল্পের তৈজসপত্রের ব্যবহার চোখে পড়ে না, সৌখিন জিনিসপত্র এবং কুয়ার পাট তৈরিই মৃৎশিল্পীদের জীবিকার একমাত্র ভরসা।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসাখানপুরের চৈতি পাল, দেলদুয়ারের গমজানির নিমাই পাল, ভূঞাপুরের ফলদা কুমার পাড়ার পিয়াতা পাল জানান, মৃৎ শিল্পীরা তাদের বাপ-দাদার পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। প্লাস্টিক, মেলামাইন ও অ্যালুমোনিয়াম পণ্য মৃৎ শিল্পের ভবিষ্যত ফিঁকে করে দিয়েছে। পৈত্রিক পেশাকে টিকিয়ে রাখতে জড়িতরা সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি করেন।

টাঙ্গাইল বিসিক শিল্প নগরীর সহকারী মহাব্যবস্থাপক শাহনাজ বেগম বলেন, বিসিক থেকে সরকারি সহযোগিতায় মৃৎ শিল্পীদের বিভিন্ন ধরনের কারিগরী ও আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়। যে সব মৃৎ শিল্পীরা শো-পিস তৈরি করে তাদেরকে প্রশিক্ষণ ও ব্যাংক ঋণে সহযোগিতা করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুন ২০২১ ১১:৩৬:পিএম ৫ বছর আগে
মোশতাক আহমেদের বই ফ্রিতে পড়ার সুযোগ - Ekotar Kantho

মোশতাক আহমেদের বই ফ্রিতে পড়ার সুযোগ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ কথাসাহিত্যিক মোশতাক আহমেদ করোনাকালীন পাঠকদের কথা মাথায় রেখে নিজের লেখা চারটি বই ফ্রি ডাউনলোড করার সুযোগ দিয়েছেন। বইগুলো হলো প্যারাসাইকোলজি উপন্যাস মনভাঙ্গা পরী ও বৃ‌ষ্টি ভেজা জোছনা ভৌতিক উপন্যাস রক্তসাধনা ও সায়েন্স ফিকশন লালমানব।

যে কেউ চাইলে মোশতাক আহমেদের ফেসবুক পেইজে দেওয়া লিঙ্কে গিয়ে বইগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

মোশতাক আহমেদ বলেন, ‘অনেক ভক্ত পাঠক ফোন করছেন, মেসেজ দিচ্ছেন বইয়ের জন্য। তাছাড়া এখন যেহেতু সারা বিশ্ব একটি সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এবং সবার ঘরে থাকাই এখন একমাত্র কাজ। তাই এই সময়টুকু যেন একটু ভালো কাটে তাই আমার চারটি বই ফ্রি পড়ার সুযোগ দিচ্ছি। ইতোমধ্যে ব্যাপক রেসপন্স পাচ্ছি। কয়েকহাজার পাঠক ইতিমধ্যে বইগুলো ডাউনলোড করেছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. এপ্রিল ২০২১ ০৬:১৪:পিএম ৬ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।