একতার কন্ঠ:“টাঙ্গাইলের সংবাদপত্র ও সম্পাদক” নামক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুন) সকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে দৈনিক যুগধারা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সরকার হাবিব সম্পাদিত “টাঙ্গাইলের সংবাদপত্র ও সম্পাদক” নামক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচিত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন একুশে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক মজলুমের কন্ঠের সম্পাদক এডভোকেট জাফর আহমেদ, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, যুগ্ম-সম্পাদক আনোয়ার মোল্যা, টাঙ্গাইল জজকোর্টের পিপি এস আকবর খান, প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক কামনাশীষ শেখর, এনটিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মহব্বত হোসেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নাগরপুর উপজেলা কমান্ড মোঃ সুজায়েত হোসেন প্রমুখ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই এর পরিচালক আবু নাসের। আব্দুর রৌফ রিপনের অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ,গ্রন্থে বাংলাদেশের পত্রিকা ও সম্পাদকের নানা বিষয় বিশ্লেষণধর্মী লেখা স্থান পেয়েছে। বইটি সম্পাদক ও সংবাদপত্রের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষা ও বইয়ের মহত্ব তুলে ধরতে টাঙ্গাইলের সখীপুর শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী একুশে বইমেলা। বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ডাকবাংলো চত্বরে এ মেলারে উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম। ‘দ্বিতীয় সূর্য’ নামের একটি সংগঠন এ মেলার আয়োজন করেছে।
মেলায় ১২টি স্টল স্থান পেয়েছে।
অধ্যাপক আলীম মাহমুদের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সখীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার, পৌর মেয়র মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সুলতানা, সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত শিকদার প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ দেশাত্ববোধক গান পরিবেশন, শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে ২১ শে ফেব্রুয়ারী (সোমবার) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস পালিত হয়েছে।
সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২ টা ১ মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে স্থানীয় সংসদ সদস্য, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে শহীদদের স্মরণে এক মিনিটের নিরবতা পালন করা হয়৷
এ সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক,সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক আতাউল গণি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর পর জেলা পরিষদ, পুলিশ প্রশাসন, পৌরসভা, প্রেসক্লাব, সিভিল সার্জন অফিস, পিবিআই, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনসাধারন শহীদদের স্মরণে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
এর আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের দেশাত্ববোধক গানের অনুষ্ঠান। এছাড়াও জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ‘সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন’ এই শ্লোগ্রানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে কেক কাটার মধ্য দিয়ে দৈনিক ‘আমার সংবাদ’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে পত্রিকার ৯ম বর্ষপূর্তি ও ১০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে বটতলা প্রিমিও প্রপার্টিজ হাউজের নিচতলায় দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার জেলা অফিসে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল ইউনিটের সভাপতি ও দৈনিক যায়যায়দিনের স্টাফ রিপোর্টার মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল।
দৈনিক আমার সংবাদে জেলা প্রতিনিধি রাইসুল ইসলাম লিটনের সভাপতিত্বে ও দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি ইমরুল হাসান বাবুর সঞ্চলনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হোমিও বোর্ডের সদস্য ও টাঙ্গাইল হোমিও মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক এবং সবুজ পৃথিবীর সভাপতি ডা. কায়েম উদ্দিন, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি রঞ্জণ কৃষ্ণ পন্ডিত, দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃআরমান কবীর সৈকত, বিজয় টিভি ও দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আবু জুবায়ের উজ্জল, আনন্দ টিভির প্রতিনিধি মেহেদী হাসান চৌধুরী মৃদুল প্রমুখ।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক আমার বার্তা পত্রিকার প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক বাংলা ৭১ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃ সিরাজ আল মাসুদ, কালিহাতী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা টিভির উত্তর প্রতিনিধি দাস পবিত্র, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান, সাংবাদিক মীর আনোয়ার হোসেন, ভোরে পাতা পত্রিকার প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার, সাংবাদিক সোহেল রানা, আমার সংবাদ পত্রিকার কালিহাতী প্রতিনিধি শরীফুল ইসলাম, গোপালপুর প্রতিনিধি সোহেল রানা, সবুজ সরকার, মনির হোসেন, নুরনবী রবিন প্রমূখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ও বেকড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্লাস্টিকের হস্তশিল্প তৈরির পল্লী গড়ে উঠেছে। আর এর মাধ্যমে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। দেশের টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিলের পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় ওয়ানটাইম বেল্ট থেকে এ হস্তশিল্পের তৈরি হয়েছে। গড়ে উঠেছে বিভিন্ন মালিকানাধীন কারখানা।
এ সকল কারখানার মালিকরা শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানা থেকে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বেল্ট কিনে নিয়ে আসেন, এই প্লাস্টিক দিয়ে গ্রামীণ নারী-পুরুষ মিলে তৈরি করেন- সিলিং, ডোল কিংবা বেড়া।
এ সকল পণ্যের চাহিদা রয়েছে সারাদেশেই, স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও কারখানা থেকে তাদের তৈরি পণ্য ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন গ্রাহকরা। বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে এ ডোল বেড় এর চাহিদা একটু বেশি। সারা বছর তৈরি করা পন্যর চাহিদা হলেও বছরে অন্যান্য সময়ে কারখানা পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বেল্ট দিয়ে কারিগররা তৈরি করেন, ঘরের সিলিং, বেড়াসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র।
প্লাস্টিকের তৈরি হলেও এ আসবাবপত্রগুলো দেখতে বাঁশ ও বেতের তৈরীর মতোই মনে হয়, টেকসই ও মজবুত হওয়ায় এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। গ্রামীণ জনপদের নারী-পুরুষ সামান্য প্রশিক্ষণ নিয়ে তৈরি করছেন এমন পণ্য। তাদের তৈরি এ পণ্য স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়, এতে করে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে এ শিল্পকে ঘিরে।ফলে সংসারে অভাব-অনটন অনেকটাই লাঘব করতে সক্ষম হচ্ছেন নারীরা, এই শিল্পের মাধ্যমে পাল্টে যাচ্ছে তাদের পারিবারিক চিত্র।
বারাপুষা গ্রামের ইসহাক মেম্বার জানান, তার কারখানায় মোট ৮০ জন শ্রমিক কাজ করছে। তবে প্রায় কর্মীরা তাদের নিজ নিজ বাড়িতেই এ কাজগুলো করে নিয়ে আসে, কারখানায় এসকল কর্মীরা গড়ে ১৫/২০ পিস করে চেগার(আকার ভেদে) ও একজন কারিগর একটি করে ডোল বানাতে পারে।
তিনি আরও জানান, সিলিং প্রতি কেজি ১৩০ টাকা, চেগার বিক্রি করেন ১১০ টাকা কেজি ধরে।
এ শিল্প কাজের সাথে জড়িত কয়েক জনের সাথে কথা বললে জানা যায়, তাদের উৎপাদিত পণ্য বেশ চাহিদা থাকলেও অর্থের অভাবে সরবরাহ করতে পারছেন না ক্রেতার চাহিদা মতো পণ্য। তবে ব্যাংক কিংবা কোন এনজিও প্রতিষ্ঠান সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করলে হয়তো এ শিল্প-কারখানা আরো প্রসারিত করা সম্ভব হতো বলে জানিয়েছেন কারিগররা।
টাঙ্গাইল বিসিকের কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আল ফারুক জানান, এ শিল্পের সাথে জড়িত কারিগররা চাইলে বিসিক এর পক্ষ থেকে এ শিল্প উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) সিফাত-ই-জাহান জানান, এ শিল্পের সম্প্রসারণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপদেষ্টা সদস্য, সংবিধান প্রণেতা কমিটির সদস্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক, মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুলকে ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদান রাখায় এ বছর (২০২২) মরণোত্তর একুশে পদকের জন্য মনোনিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব বাবুল মিয়া স্বাক্ষরিত অনুষ্ঠান শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই তথ্য জানানো হয়।
জানা যায়, মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন প্রাক্তন রাজনীতিবিদ ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। বিগত ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের সংগঠক ছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণেতা কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে টাঙ্গাইল-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও টাঙ্গাইল জেলা আইনজীবী সমিতির টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল (৮৭) বছর বয়সে ২০১৬ সালের (৫ এপ্রিল) সোমবার রাত পৌনে ১০টায় ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্তেকাল করেন। তার পরিবারে ৩ ছেলে, ২ মেয়ে রয়েছে। মৃত্যুর পর তার প্রথম জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এবং পরে তার দ্বিতীয় জানাজা নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলের দিঘুলিয়াতে অনুষ্ঠিত হয়। প্রবীণ এই রাজনীতিকের কোমরের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ায় মৃত্যুর দুই মাস আগে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন। এ সময় তিনি হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল দীর্ঘ ৪০ বছর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন পাকিস্তানে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আইনজীবী হিসেবে টাঙ্গাইল বারের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ফরিদপুর-১ আসনের দুই বারের সাবেক এমপি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান তার বড় জামাতা।
এ ছাড়া এ বছর আরো পুরস্কার পেয়েছেন ভাষা আন্দোলনে মোস্তফা এম এ মতিন (মরণোত্তর), মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য চারজন—বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী (মরনোত্তর), কিউ.এ. বি. এম রহমান, আমজাদ আলী খন্দকার, শিল্পকলা’য় জিনাত বরকতউল্লাহ (নৃত্য), নজরুল ইসলাম বাবু (মরণোত্তর) (সংগীত), ইকবাল আহমেদ (সংগীত), মাহমুদুর রহমান বেণু (সংগীত), খালেদ মাহমুদ খান (খালেদ খান) (মরণোত্তর) (অভিনয়), আফজাল হোসেন (অভিনয়), মাসুম আজিজ (অভিনয়)। সাংবাদিকতায় এম এ মালেক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মো. আনোয়ার হোসেন, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাশগুপ্ত, সমাজ সেবায় এস. এম আব্রাহাম লিংকন ও সংঘরাজ জ্ঞানশ্রী মহাথের, ভাষা ও সাহিত্যে কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্ণা পুরকায়স্থ, গবেষণায় ড. মো. আব্দুস সাত্তার মণ্ডল, ড. মো. এনামুল হক (দলগত, দলনেতা), ড. সাহাজ সুলতানা (দলগত), ড. জান্নাতুল ফেরদৌস (দলগত)।
নীতিমালা অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রত্যেককে এককালীন নগদ চার লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয়। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চালু করা একুশে পদক সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দিয়ে থাকে।
বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্যবিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক দেওয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে চার দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা বই মেলা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালে শহরের পৌর উদ্যানে ওই মেলার উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
স্থানীয় সরকারের সহযোগিতায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশানের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলায় ৩০টি বইয়ের স্টল রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ভ্রমণ সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য সংশপ্তক সাহিত্য পুরষ্কার পেলেন উদয় হাকিম। রবিবার (২৬ ডিসেম্বর, ২০২১) দুপুরে তার হাতে ওই পুরষ্কার তুলে দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি নূরুল হুদা।
বিজয়ের সুর্বণ জয়ন্তী এবং সংশপ্তক-এর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদয় হাকিমের হাতে পুরষ্কারের ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি নূরুল হুদা। সংশপ্তক-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুশতাক আহমেদ লিটন, বর্তমান সভাপতি মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক সুজয় মন্ডল ও রাইজিংবিডির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এম এম কায়সার প্রমুখ।
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ভ্রমণ শাখায় শক্তিশালী লেখক উদয় হাকিম। এ পর্যন্ত তিনি ভ্রমণ বিষয়ে তিনটি বই লিখেছেন। যার সবগুলোই ব্যাপক পাঠকপ্রিয় হয়েছে। ভ্রমণ সাহিত্যে তিনি আধুনিক ধারার সূচনা করেছেন। যা পাঠককূলের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। উদয় হাকিমের মোট বইয়ের সংখ্যা ১০টি। তার লেখা সবগুলো বই পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে।
তার উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘দার্জিলিঙে বৃষ্টি কালিম্পঙে রোদ’; ‘রহস্যময় আদম পাহাড়’; ‘সুন্দরী জেলেকন্যা ও রহস্যময় গুহা’; ‘হেলিচেয়ার’; ‘ভূতের মহাসমাবেশ’ ইত্যাদি।
দেশের যেকোনো লাইব্রেরি থেকে এসব বই কেনা যাবে। এছাড়া রকমারি (https://www.rokomari.com/book) ওয়েবসাইট থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।
উদয় হাকিম বর্তমানে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল রাইজিংবিডি ডটকম এর উপদেষ্টা সম্পাদক এবং ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কর্মরত। তিনি ‘ত্রিবেণী’ নামে জনপ্রিয় একটি মিউজিক প্রোগ্রামের উপস্থাপক। গান এবং আবৃত্তি তাকে ভীষণভাবে টানে।
নানা গুণে গুণান্বিত উদয় হাকিম এর আগে ‘রহস্যময় আদম পাহাড়’ বইটির জন্য সমরেশ বসু সাহিত্য পুরষ্কার পেয়েছেন।
আপাদমস্তক ভ্রমণ পিপাসু উদয় হাকিমের জন্ম টাঙ্গাইলেi দেলদুযার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের পাথরাইল গ্রামে। মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ করেন টাঙ্গাইল থেকেই। ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন। এর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেছেন তিনি।
১৯৯৯ সালে প্রথম আলো’য় সাংবাদিকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। এরপর চ্যানেল আই, দেশের প্রথম ২৪ ঘণ্টা খবরের চ্যানেল সিএসবি নিউজ এবং কালের কণ্ঠে কাজ করেন। কর্পোরেট জগতে প্রবেশ করেন ২০১০ সালে। প্রতিটি অঙ্গনেই কৃতিত্বের ছাপ রেখেছেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে। পাকিস্তানী সেনা বাহিনী বাঙালী নিধনের উৎসবে মেতেছিল। তাদের পরিচালিত সুপরিকল্পিত হত্যাকান্ডের স্থান ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সারা বাংলাদেশে। সেই সব বধ্যভূমির সবগুলো এখনও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
এই প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি দেশের সকল জেলায় ‘গণহত্যার পরিবেশ থিয়েটার’ শিরোনামে নাটক নির্মাণ করছে।
এবছর বাঙ্গালী জাতির গৌরবের বছর। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে লাখো শহীদের শবের পলিতে উর্বর জনপদ এই বাংলায় মহান স্বাধীনতার সুবর্ণবর্ষ পালন করার প্রস্তুতি চলছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্যাপনে বেশকিছু কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে চলেছে। এসব কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির বীর সন্তানদের যে ত্যাগ তার মহিমাকে নতুন প্রজন্মের সামনে বিভিন্ন প্রযোজনার মাধ্যমে তুলে ধরা এবং বাঙ্গালি জাতির মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে শিল্পের আলোয় নতুনভাবে পাঠ ও সংরক্ষণসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উপস্থাপনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভূমিকা পালন করা। আর সেই লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের বধ্যভূমি নিয়ে নির্মিত হচ্ছে না খুলি।
“খুলি” বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বলি হওয়া মানুষের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্মিত নাটক। নাটকটি লিখেছেন ড. তানভীর আহদে সিডনী, নির্দেশনা দিয়েছেন প্রফেসর ড. মীর মেহবুব আলম নাহিদ। সমন্বয়কারী হিসেবে আছেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার মো. এরশাদ হাসান।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ডক্টর মোঃ আতাউল গনির সভাপতিত্বে প্রেস ব্রিফিংয়ে নাটকটির রচয়িতা ডক্টর তানভীর আহমেদ সিডনী ও সহযোগী নির্দেশক শামীম সাগর ও জেলা কালচারাল অফিসার এরশাদ হাসান নাটকটির বিষয়বস্তু তুলে ধরেন।
বক্তরা জানান, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে টাঙ্গাইল পানির ট্যাংক বধ্যভূমি এলাকায় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর কর্তৃক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী বীর বাঙ্গালীর উপর নির্মম অত্যাচারের সঠিক চিত্র নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ আয়োজন। শনিবার (২০ নভেম্বর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহা-পরিচালক লিয়াকত আলী লাকী ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে নাটকটির উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার ও সমন্বয়কারী মো. এরশাদ হাসান বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণহত্যা নিয়ে এই বিশাল কাজের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে আমি গর্বিত বোধ করছি। আগামি ২০ নভেম্বর পানির ট্যাংক বধ্যভূমিকে উন্মুক্ত মঞ্চ করে নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। সকলের উপস্থিতি কামনা করছি।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনী টাঙ্গাইল সার্টিক হাউসে অবস্থান নিয়ে শুরু করে হত্যাযজ্ঞ। রাজাকার আলবদরদের সহায়তায় টাঙ্গাইল শহর আর আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে স্বাধীনতার সপক্ষের মানুষ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে আনতো এই সার্কিট হাউসে। নির্যাতন চালানোর পর এই পানির ট্যাংকি এলাকায় নিয়ে তাদের হত্যা করে ফেলে রাখা হতো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছয়জন কবি–সাহিত্যিককে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার(৮ অক্টোবর) সকালে সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে সাহিত্য সংসদের ৩৩৩তম স্বরচিত কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতার আসরে ওই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন কবিতায় ফেরদৌস সালাম ও জাহিদ মুস্তফা। তরুণ লেখক পুরস্কার পেয়েছেন তৌফিক আহমেদ, শিশু সাহিত্যে কাশীনাথ মজুমদার, প্রবন্ধে আলী রেজা এবং কথাসাহিত্যে রুদ্র মোস্তফা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা। তিনি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে ক্রেস্ট, অর্থ ও সম্মাননা পত্র তুলে দেন।
তিনি বলেন, ব্যক্তিসত্তাকে জাগ্রত করলে জাতিসত্তা এবং মানবসত্তা জাগ্রত হবে। কেউ কারও থেকে ছোট নয়, সবাই শ্রেষ্ঠ। শুধু কাজের মধ্য দিয়ে কেউ প্রকাশিত হয়। সাহিত্য সাধনা ও দর্শন সাধনার মধ্য দিয়ে মানুষ নতুন সভ্যতার আবিষ্কার করে।
তিনি আরও বলেন, ‘টাঙ্গাইল সৃষ্টিশীলতার জায়গা। এখানে নিয়মিত সাহিত্য চর্চা হয়। সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে প্রতিমাসে দুবার কবিতা পাঠের আসর বসে। এ জন্যই টাঙ্গাইলকে আমরা আলাদা করে দেখি।’
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গণির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান। বক্তব্য দেন ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিন, সাহিত্য সংসদের সভাপতি কবি মাহমুদ কামাল, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, সাহিত্য সংসদের উপদেষ্টা জাকিয়া পারভীন ও রতন চন্দ্র সাহা, ছায়ানীড়ের নির্বাহী পরিচালক লুৎফর রহমান, কবি রোকেয়া ইসলাম প্রমুখ।
পরে দ্বিতীয় অধিবেশনে কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতা হয়। সাহিত্য সংসদের সাবেক সভাপতি হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব। এতে অর্ধশতাধিক কবি অংশ নেন।
সাহিত্য সংসদের সভাপতি মাহমুদ কামাল জানান, ২০০৪ সালে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পর থেকেই সংগঠনটি প্রতি বছর কবিতা ও সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখা টাঙ্গাইলের কবি–সাহিত্যিকদের পুরস্কৃত করে আসছে।
ব্যুরো বাংলাদেশ ও সাধারন গন্থাগার যৌথ ভাবে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল।
একতার কণ্ঠঃ শিশুসাহিত্যে জাতীয় পর্যায়ে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার-২০২১ এর জন্য মনোনিত হয়েছেন ছড়াকার ও সাংবাদিক কাশীনাথ মজুমদার পিংকু। শিশুসাহিত্যে জাতীয় পর্যায়ে অবদান রাখায় তরুন ক্যাটাগরিতে তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনিত করা হয়েছে । মঙ্গলবার(২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদের সভাপতি কবি মাহমুদ কামাল ও সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম বাদল স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞতিতে ওই তথ্য জানানে হয়।
আগামী ৮ অক্টোবর টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক ও জাতিসত্তার কবি মুহাম্মদ নূরুল হুদার কাছ থেকে তিনি এই পুরস্কার গ্রহন করবেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে থাকার কথা রয়েছে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে টাঙ্গাইলের জেলাপ্রশাসক ডক্টর. মো. আতাউল গনির।
প্রকাশ, কাশীনাথ মজুমদার পিংকু ১৯৭৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর মধুপুর উপজেলা সদরের স্বনামধন্য চৌধুরী বাড়িতে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। পিংকু’র বাবা গোপীনাথ মজুমদার এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক এবং তার মা এলেঙ্গা জিতেন্দ্রবালা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র শিক্ষিকা। কাশীনাথ মজুমদার পিংকু বর্তমানে এলেঙ্গাস্থ লুৎফর রহমান মতিন মহিলা কলেজে ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্যের সহকারী অধ্যাপক হিসেকে কর্মরত আছেন। এ পর্যন্ত তার ৫টি ছড়াগ্রন্থ, ২টি গল্পগ্রন্থ এবং ১টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।
ইতিপূর্বে তিনি ছড়াসাহিত্যে অবদানের জন্য মাটির মা ফাউন্ডেশন প্রদত্ত ‘ কাব্যতীর্থ” সম্মাননা এবং ছোটগল্পে বাংলাদেশ রাইটার্স ইউনিয়ন প্রদত্ত ‘ অমরাবতী পান্ডুলিপি পুরস্কার লাভ করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনাকালীন (দ্বিতীয় পর্যায়) ক্ষতিগ্রস্ত ৩২ জন সাংবাদিককে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আর্থিক সহযোগিতার চেক প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ওই চেক প্রদান করা হয়।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর আতাউল গণি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সত্যেন্দ্র পাল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক ইফতেখারুল অনুপম, কোষাধক্ষ্য আব্দুর রহিম, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।
পরে সাংবাদিকদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আর্থিক সহযোগিতার চেক প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে টাঙ্গাইলে কর্মরত ৩২ জন সাংবাদিক ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন।
আর্থিক সহায়তা পাওয়া সাংবাদিকগণ হচ্ছেনঃ সাপ্তাহিক গণবিপ্লব পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মাসুম ফেরদৌস, সময় মিডিয়ার চিত্র সাংবাদিক রাশেদ খান, বাংলাদেশ সমাচারের স্টাফ রিপোর্টার মনিরুজ্জামান মনির, আজকের দর্পণ জেলা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন, সাপ্তাহিক পাপিয়ার প্রধান সম্পাদক সেলিম তরফদার, সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন ও তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাকিব আদনান, আজকের দেশবাসীর স্টাফ রিপোর্টার নিলুফা ইয়াসমিন, কালের বার্তার চীফ রিপোর্টার খোরশেদ আলম, বনিক বার্তার জেলা প্রতিনিধি পারভেজ হাসান, ডেল্টা টাইমস জেলা প্রতিনিধি এম কবির, সাম্প্রতিক দেশকাল জেলা প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী, ফিনান্সিয়াল এক্স্রপ্রেস জেলা প্রতিনিধি শাহাব উদ্দিন মানিক, বাংলা টিভি জেলা প্রতিনিধি খন্দকার হাবিবুল্লাহ কামাল, বাংলাদেশের আলো জেলা প্রতিনিধি শামীম আল মামুন, একুশের বানী জেলা প্রতিনিধি মোস্তাক হোসেন, মাতৃভমির খবর জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ হোসেন, বাংলাদেশ নিউজ জেলা প্রতিনিধি মাসুদুল হক, ভোরের পাতা জেলা প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার, দেশের কন্ঠ জেলা প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ তালুকদার, নবচেতনা জেলা প্রতিনিধি সাব্বীর আহমেদ আব্বাসী, আমার সংবাদ জেলা প্রতিনিধি রাইসুল ইসলাম, সকালের সময় জেলা প্রতিনিধি রাশেদ খান মেনন, ভাসানীর কথার স্টাফ রিপোর্টার সুজন মিয়া, জনতার কথা পত্রিকার সহ-সম্পাদক আব্দুল কাদের, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোকাদ্দেছ আলী, স্টাফ রিপোর্টার বজলুর রহমান খান সাবু, হাসান মিয়া ও জহিরুল ইসলাম, গুড মনিং জেলা প্রতিনিধি আতোয়ার রহমান, দেশবার্তা জেলা প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন ও আজকের বসুন্ধরা জেলা প্রতিনিধি সিরাজ আল মাসুদ।