/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইল জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফার ,সম্পাদক রকসি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফার ,সম্পাদক রকসি

একতার কণ্ঠঃ নিলুফার ইয়াসমিন খানকে সভাপতি ও এডভোকেট রকসি মেহেদীকে সাধারণ সম্পাদক করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল টাঙ্গাইল জেলা শাখার আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরীন খান এই কমিটির অনুমতি দেন।

এছাড়াও আগামী এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশ দেয়া হয়।

ঘোষিত এ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাশেদা হাবীব রুবী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালেদা আক্তার স্বপ্না ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতানা বিলকিস লতা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ডিসেম্বর ২০২২ ০২:০০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে জুতাপেটা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে জুতাপেটা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ১০ বছর বয়সের ৪র্থ শ্রেণীর এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের ঘটনা গ্রাম্য শালিসি বৈঠকের মাধ্যমে জুতা পেটায় মিমাংসা দেয়া হয়েছে। শনিবার ( ৩ ডিসেম্বর ) বিকালে শালিসটি অনুষ্ঠিত হয়।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ মো. ওয়ালিউল্লাহ্ বলাৎকারের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

বলাৎকারের ঘটনাটি ঘটেছে দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের বেতরাইল গ্রামের নূরে মদিনা নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সামাজিক শালিসের মাধ্যমে এ মিমাংসা দেয়া হয়। উপজেলার দেওলী ইউনিয়নের বেতরাইল গ্রামে গ্রামবাসীর পরিচালনায় প্রতিষ্ঠিত বেতরাইল নূরে মদিনা নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মো. ওয়ালিউল্লাহ’র বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ তুলে ওই মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী।

বিষয়টি নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও গ্রামবাসী একাধিক শালিসি বৈঠক করেন। সর্বশেষ শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে পুনরায় বৈঠক বসে। ওই বৈঠকের নেতৃত্ব দেন দেওলী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. দুলাল মিয়া।

বেতরাইল গ্রামের মাতব্বর মো. আলাল মিয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকের কার্যক্রম শুরু হয়। বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. খায়রুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠান প্রধান হাফেজ মো. রাকিব ও গ্রাম্য মাতব্বরগণ উপস্থিত ছিলেন।

শালিসি বৈঠকে শিক্ষক হাফেজ মো. ওয়ালিউল্লাকে দোষি সাব্যস্ত করে ২৫ঘা জুতাপেটা শাস্তির সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক অভিযুক্ত শিক্ষকের অভিভাবকের মাধ্যমে উক্তরূপ শাস্তি দিয়ে শালিসের সমাপ্ত ঘোষনা করেন সভাপতি।

অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ মো. ওয়ালিউল্লাহ্ জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ সাজানো। সোমবার ও বৃহস্পতিবার সকালে শ্রেণীকক্ষে পড়াশোনায় অমনযোগী থাকায় চতুর্থ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে শারিরীক শাস্তি দেয়া হয়। পরে আমি জানতে পারি আমার বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

ইউপি সদস্য মো. দুলাল মিয়া জানান, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে বলাৎকারের বিষয়টি সামাজিক ভাবে মিমাংসা করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের অভিভাবকদের মাধ্যমে তাকে শাস্তি দিয়ে তাদের নিকট সোপর্দ করা হয়ছে।

মাদ্রাসা প্রধান হাফেজ মো. রাকিব জানান, যেহেতু একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে গেছে। ঘটনার সত্য মিথ্যা যাই হোক অভিযুক্তকে শাস্তি দিয়ে মাদ্রাসা থেকে বেড় করে দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে দেওলী ইউপি চেয়াম্যান দেওয়ান তাহমিনা হক জানান, ঘটনাটি আমাকে জানানো হয়নি, পরে লোকমুখে জানতে পেরেছি। এ ধরনের ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

দেলদুয়ার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, এ বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ডিসেম্বর ২০২২ ০২:৪৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ফের বিএনপির ৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ফের বিএনপির ৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ ঢাকায় আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের অভিযানের মুখে গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরে থাকতে পারছেন না টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ কর্মসুচীকে কেন্দ্র করে মির্জাপুরে ফের বিএনপির ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্থানীয় বিএনপির নেতারা জানান, শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) রাতে মির্জাপুর উপজেলার ফতেপুর, আনাইতারা, তরফপুর, মহেড়া ও জামুর্কী ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে বিএনপির ৬জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন, মহেড়া ইউনিয়নের সিরাজুল ইসলামের ছেলে রুবেল মিয়া, ফতেপুর ইউনিয়নের হাট ফতেপুর গ্রামের জাফর মিয়ার ছেলে শওকত আলী ও মতিউর রহমানের ছেলে রাসেল মিয়া, আনাইতারা ইউনিয়নের ইমান আলীর ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিকী, তরফপুর ইউনিয়নের পাথরঘাটা গ্রামের নাতু মিয়ার ছেলে আলী হোসেন ও জামুর্কী ইউনিয়নের হিম্মত আলীর ছেলে খোরশেদ আলম। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে তাদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের বিচারক শুনানি শেষে দুইজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন এবং চারজনের ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এছাড়া গত ২২ নভেম্বর রাতে মির্জাপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মহেড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী হোসেন খোকন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ পারভেজ, গোড়াই ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আলমাছ হোসেন, যুবদল নেতা হাফিজুর রহমান স্বপন, উপজেলা বিএনপির সদস্য ইমারত হোসেন ও জামুর্কী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম তাপস গ্রেপ্তার করেন। তাছাড়া এই দুই মামলায় অজ্ঞাতনামা নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর পুলিশ বাদী হয়ে তাদের নামে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন।

মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেন, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো ‘গায়েবি’ এবং নেতাকর্মীদের ঢাকার সমাবেশে যেতে বাধা সৃষ্টি করতেই সরকারের নির্দেশে এসব ‘মিথ্যা’ মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। পুলিশের রাতভর এ অভিযানে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাড়িতে ঘুমাতে পারছেন না বলে জানান।

তবে বিএনপি নেতার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. ডিসেম্বর ২০২২ ০৬:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিনামূল্যে সার-বীজ পেল ৭ হাজার ৪০০ কৃষক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিনামূল্যে সার-বীজ পেল ৭ হাজার ৪০০ কৃষক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ২০২২-২৩ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বোরো হাইব্রিড বীজ, উফসী বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সদর উপজেলা প্রাঙনে সদর উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে ৭ হাজার ৪০০ কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও দুটি ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য কম্বাইন হার্ভেস্টার কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জিয়াউর রহমান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২২ ০৯:০৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা ও মারধরের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা ও মারধরের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে উপজেরার বয়ড়া গ্রামের মো. হাসেম মিয়াকে আসামি করে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুলালে মামলা করেন। আর এর পর থেকেই আসামি পক্ষের লোকজন তাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিতে শুরু করেছে।

এদিকে মামলার পরপরই বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) রাতে অভিযুক্ত হাসেমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূকে হাসেম মিয়া বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতেন। বিষয়টি গৃহবধূ তার স্বামীকে জানান। আর এ ঘটনায় হাসেম আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। গত ১৬ আগস্ট ভুক্তভোগীর স্বামী বাড়ি থেকে বাইরে যাওয়ার পরপরই হাসেম ঘরে প্রবেশ করে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় চিৎকারে করলে হাসেম গৃহবধূর মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যান। পরে প্রতিবেশিরা আহত অবস্থায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। গত ২২ সেপ্টেম্বর গৃহবধূ বাদী হয়ে হাসেম মিয়াকে আসামি করে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তার স্বামী বলেন, মামলা করে চরম বিপাকে পড়েছি। আমরা গরিব ও অসহায় হওয়ায় আসামির স্বজনরা আমাদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য। সাক্ষীদেরকেও নানা ভয় দেখানো হচ্ছে। মামলাটি ভিন্নখাতে নিতে আমাদের এবং সাক্ষীদের নামে আদালতে মিথ্যা অভিযোগও দায়ের করেছেন অভিযুক্তের স্বজনরা।

তারা আরও জানান, আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য চেষ্টা করি। ব্যর্থ হয়ে বাসাইল থানায় মামলা করতে যাই। কিন্তু থানা মামলা নেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করেছি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রউফ মিয়া বলেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও আসামি পক্ষ পরবর্তীতে আমাদের কাছে আর আসেনি।

থানায় মামলা না নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার থানায় মামলা করতে কেউ আসেননি। পরে আদালত থেকে একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আসে। এরপর আমরা আসামি হাসেমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়ে দেই।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২২ ০৯:৪০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই সপ্তাহে ১০ ‘টি মামলায় বিএনপির ৮ শতাধিক নেতাকর্মী আসামি, কারাগারে ৬৮ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই সপ্তাহে ১০ ‘টি মামলায় বিএনপির ৮ শতাধিক নেতাকর্মী আসামি, কারাগারে ৬৮

একতার কণ্ঠঃ ঢাকায় আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের অভিযানের মুখে গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরে থাকতে পারছেন না টাঙ্গাইলের বিএনপি নেতাকর্মীরা।

স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, গত ২ সপ্তাহে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পুলিশের দায়েরকৃত ১০টি মামলায় প্রায় ২ শতাধিক বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬ শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে ৬৮ নেতাকর্মীকে।

বিএনপি নেতাদের দাবি, দায়েরকৃত মামলাগুলো ‘গায়েবি’ এবং নেতাকর্মীদের ঢাকার সমাবেশে যেতে বাধা সৃষ্টি করতেই সরকারের নির্দেশে এসব ‘মিথ্যা’ মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

তবে বিএনপি নেতাদের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেলা পুলিশ। তাদের দাবি, নাশকতা সৃষ্টির প্রস্তুতিসহ সুনির্দিষ্ট অভিযোগে এসব মামলা দায়ের এবং গ্রেপ্তার হয়েছে।

সর্বশেষ বুধবার ( ৩০ নভেম্বর) রাতে সখীপুর উপজেলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখসহ মোট ৮৮ বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ আলী। সেদিন রাতেই উপজেলা বিএনপি, কৃষক দল এবং যুবদলের ৪ সিনিয়র নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এ বিষয়ে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করীম জানান, বুধবার রাতে সখীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং এক বস্তা পাথর জব্দ করে। ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওই ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সখীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সাজু অবশ্য দাবি করেছেন, সেখানে আসলে কোনো ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাই ঘটেনি। গ্রেপ্তার হওয়ার সময় নেতাকর্মীরা স্থানীয় একটি ক্লাবে বসে টিভিতে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখছিলেন।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসেত জানান, এটি একটি গায়েবি মামলা। মামলার এজাহারে রাত ১০টা ২ মিনিটে ককটেল বিস্ফোরণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ এর এক ঘণ্টা আগে রাত ৯টায় ওই ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

তিনি আরো জানান, এ ছাড়া, নাশকতা ও ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় ঘাটাইল উপজেলার ৮০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। সে মামলায় এ পর্যন্ত ১০ বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঘাটাইলের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ জানান, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় জনসভাকে সফল করতে ২২ নভেম্বর দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা বিটিপাড়া এলাকায় কর্মী সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ গুলি ছুঁড়েছে। নেতাকর্মীদের আটক করে থানায় নিয়ে গেছে। অন্য বাড়ি থেকে বালতি এনে পুলিশ ককটেল রেখে গতানুগতিকভাবে নাটক সাজিয়েছে।

ঘাটাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে নাশকতার উদ্দেশ্যে জমায়েত হয়েছিলেন। সেখান থেকে কয়েকটি ককটেলও উদ্ধার করা হয়েছে।

বিএনপি নেতার অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি আরও জানান, ঘটনাটি প্রকাশ্য দিবালোকে শত শত মানুষের সামনে ঘটেছে।

অন্যান্য উপজেলায় দায়েরকৃত মামলার অভিযোগগুলোও প্রায় একইরকম বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় হোড় শুভ জানান, ইতোমধ্যে ওয়ারেন্ট ছাড়াই ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকে আটক করে পরে গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। নেতাদের খুঁজতে রাতে বাসায় বাসায় অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

জেলা যুবদলের সভাপতি খন্দকার রাশেদুল আলম জানান, গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরে থাকতে পারছেন না নেতাকর্মীরা। তবে এসব বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে মহাসমাবেশে যোগ দিতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, মিথ্যা মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার অভিযানের পরও ১০ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে জেলার দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। পরিবহন সংকটসহ নানা সমস্যা মাথায় রেখে আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকেই ঢাকায় যাত্রা শুরু করবেন নেতাকর্মীরা।

তিনি আরো জানান, টাঙ্গাইল জেলা থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর প্রায় ২৫ হাজার নেতাকর্মী মহাসমাবেশে যোগ দেবেন বলে আশা করছি ।

এদিকে, বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার অভিযান সম্পর্কে জানতে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার (এসপি) সরকার মোহাম্মদ কায়সারের ফোন নম্বরে কয়েকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

পরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরিফুল ইসলাম জানান, বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলোর তদন্ত চলছে। তদন্তাধীন অবস্থায় মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। এ বিষয়ে পরে জানানো হবে।

সংবাদ সূত্র – দ্য ডেইলি স্টার অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২২ ০৩:১৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ আলী (৪৩) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ (দক্ষিণ)‌।

এ সময় তার কাছ থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা ও ৪ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ আলী কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার উত্তর চৌধুরীবাড়ি গ্রামের মৃত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল ডিবি (দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোহাম্মদ আলী নামে এক মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেপ্তার করেছে।

তিনি আরো জানান, এসময় তার কাছ থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা ও ৪ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। তার বিরুদ্ধে কালিহাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২২ ০৩:৫৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আট দিন ধরে নিখোঁজ মাদরাসা শিক্ষক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আট দিন ধরে নিখোঁজ মাদরাসা শিক্ষক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মো. এলিন তালুকদার (৪৩) নামের এক মাদরাসা শিক্ষক আট দিন ধরে  নিখোঁজ রয়েছেন।ওই ব্যক্তি ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর এলাকার বাসিন্দা।

গত বুধবার (২৩ নভেম্বর) ভোর ৫টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাঁর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ২৬ নভেম্বর শনিবার তাঁর স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা সাভার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ এলিন তালুকদার উপজেলার হামিদপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক। তিনি কেন্দ্রীয় মাদরাসা শিক্ষক সমিতির দপ্তর সম্পাদক। দাপ্তরিক কাজে গত ২৩ নভেম্বর বুধবার ভোর ৫টার দিকে নিজ বাসা থেকে প্রাইভেটকার যোগে ঢাকা উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

পরেরদিনই বাসায় ফেরার কথা থাকলেও আজ আট দিনেও বাসায় ফেরেননি এলিন তালুকদার। তাঁর মুঠোফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ নেন। তবে তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তির সব ধরনের তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত করছে পুলিশ। এখন তদন্ত অব্যাহত আছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ডিসেম্বর ২০২২ ০৪:১৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই মেয়ের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা, ফলাফলে এগিয়ে বাবা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই মেয়ের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা, ফলাফলে এগিয়ে বাবা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুই মেয়ের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন বাবা জয়নাল আবেদীন (৪৪)। পরে ফলাফলে দুই মেয়ের একজন কৃতকার্য এবং অপরজন অকৃতকার্য হলেও বাবা জয়নাল ফলাফল নম্বরে এগিয়ে।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) ঘোষিত কারিগরি বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষার ভোকেশনাল শাখা থেকে বাবা জয়নাল পোল্ট্রি রিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং বিষয়ে জিপিএ ৪ দশমিক ৮৬ পেয়েছেন। এতে বড় মেয়ে জেসমিন আক্তার ঢাকা বোর্ডের অধীন মানবিক শাখা থেকে জিপিএ ৩ দশমিক ৩৩ পেয়ে কৃতকার্য হয়েছে। এছাড়া তার আরেক মেয়ে আছিয়া খাতুন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে।

বাবা জয়নাল আবেদীন উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের ফুলমালিরচালা গ্রামের বাসিন্দা এবং ফুলমালীর চালা ফজরগঞ্জ আলিম মাদরাসা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তার দুই মেয়ে উপজেলার ফুলমালির চালা ছাকেদ আলী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের মানবিক শাখার শিক্ষার্থী ছিল। এছাড়াও জয়নাল আবেদীনের এক ছেলে রুহুল আমিন দ্বিতীয় শ্রেণি, মেয়ে বর্ষা ষষ্ঠ শ্রেণি ও সুমাইয়া অষ্টম শ্রেণিতে স্থানীয় রাশেদ মডেল স্কুলে পড়াশোনা করছে।

বড় মেয়ে জেসমিন আক্তার জানায়, বাবার সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি এটা খুবই আনন্দের। তবে আমার চেয়ে বাবা ফলাফলে এগিয়ে। তবে ছোট বোন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় আনন্দ কিছুটা কম। তারপরও ভালো লাগছে বাবা পরীক্ষায় পাস করেছে বেশি নম্বর পেয়ে। বাবার অদম্য ইচ্ছা-শক্তির কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। আমরা বাবার সফলতায় আনন্দিত।

জয়নাল আবেদীন জানান, ১৯৯৬ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলাম। সংসারের দায়িত্ব নিতে গিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এরপর সৌদি আরবে ৫ বছর প্রবাসী জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে আসি। ২০০১ সালে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করি। কিন্তু বুকের ভেতরে লেখাপড়া করতে না পারার চাপা কষ্ট মাঝেমধ্যেই আমাকে পীড়া দিতো।

তিনি আরো জানান, লোকলজ্জার কারণে পড়ালেখা হয়ে উঠছিলো না। পরে ২০২০ সালে ফুলমালীর চালা ফজরগঞ্জ আলিম মাদরাসায় ভোকেশনাল শাখার পোল্টি রিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং ট্রেড শাখায় নবম শ্রেণিতে ভর্তি হই। এবছর এসএসসি পরীক্ষায় মেয়েদের সঙ্গে আমিও অংশ নিই। এতে মেয়েরা আমাকে উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিয়েছে। পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়েছি।

ফুলমালীর চালা ফজরগঞ্জ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর কাদের জানান, ৪৪ বছর বয়সে এসে এসএসসি পাস করায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই। লেখাপড়ায় বয়স কোনো বাধা নয়, এটা জয়নাল আবেদীন প্রমাণ করছেন। যা অন্যের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ডিসেম্বর ২০২২ ০৩:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
যুবরত্ন সম্মাননা পেল টাঙ্গাইলের সফল ফলচাষী শোভন - Ekotar Kantho

যুবরত্ন সম্মাননা পেল টাঙ্গাইলের সফল ফলচাষী শোভন

একতার কণ্ঠঃ যুবরত্ন সম্মাননা পেয়েছেন দ্বীপ এগ্রো ফার্মের প্রতিষ্ঠাতা আল-আলিন শোভন। প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে নানা ধরণের ফল ও সবজি চাষে বিশেষ অবদান রাখায় তিনি এই সম্মাননা ক্রেস্ট পেয়েছেন।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে টাঙ্গাইল জেলা যুব সমতি, ঢাকা আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে সম্মাননা অর্জনের বিষয়টি আল-আমিন শোভন নিজেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসেন সংসদ সদস্য ছোট মনির। তিনি আল-আমিন শোভনের হাতে সংসদ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। এসময় টাঙ্গাইল জেলা যুব সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, আল-আমিন শোভনের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়ন বলরামপুর। সে একজন কৃষি উদ্যোক্তা ও পেশায় সাংবাদিক। সে কৃষি উদ্যোক্তা ছাড়াও বেসরকারি টেলিভিশন আনন্দ টিভি’র টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এর পাশাপাশি ড্রাগনসহ বিভিন্ন ফল এবং সবজি চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে যুবকদের মাঝে। কৃষি কাজে আল-আমিনের অভাবনীয় সাফল্যে অসংখ্য তরুণ ও যুবক তার কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছে। এছাড়া ফল ও সবজি চাষে আগ্রহী তরুণ ও যুবকদের নানাভাবে সহযোগিতা করে আসছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ডিসেম্বর ২০২২ ০৩:৪৩:এএম ৩ বছর আগে
গোপালপুরে নাশকতার অভিযোগে  বিএনপি’র ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

গোপালপুরে নাশকতার অভিযোগে বিএনপি’র ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নাশকতার অভিযোগে বিএনপি’র পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার ও ৬ টি ককটেল উদ্ধার করেছে গোপালপুর থানা পুলিশ।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) রাতে গোপালপুর পৌরশহরের আভঙ্গি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মোহাম্মদ রহমান, তোফাজ্জল হোসেন, ইসমাইল হোসেন, আব্দুল লতিফ ডান্ডু এবং মোহাম্মদ লতিফ। এরা সবাই ধোপাকান্দি ও ঝাওয়াইল ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য ও ওয়ার্ড কমিটির নেতা।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, এরা সবাই নাশকতার উদ্দেশ্যে পৌরশহরের আভঙ্গি এলাকায় সমবেত হলে পুলিশ ৬টি ককটেলসহ এদের গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরো জানান, বিএনপির ২০ নেতাকর্মীসহ শতাধিক অজ্ঞাতনামাকে আসামী করে থানায় নাশকতা ও দাঙ্গা-মারামারি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

অপরদিকে উপজেলা বিএনপি এক বিবৃতিতে জানান, এটা গায়েবী মামলা। আভঙ্গী এলাকায় বিএনপি’র নেতাকর্মীরা বুধবার রাতে কোন ধরনের ঘটনা ঘটায়নি। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশেকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য গায়েবি মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ডিসেম্বর ২০২২ ০২:৩০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদকসেবীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদকসেবীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ফজলুল হক (৩৫) নামের এক মাদকসেবী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে সখীপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে তার লাশ উদ্ধার করে। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বেড়বাড়ী নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ফজলুল ওই গ্রামের এরশাদ মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: আনোয়ার হোসেন ধলা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

মৃতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ফজলুল হক খাবার খেয়ে স্ত্রী সন্তানের সাথে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। রাত ১০টার দিকে স্ত্রীর ঘুম ভাঙ্গলে স্বামীকে ঘরের আড়ার সাথে গলায় মাফলার দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থা দেখতে পান। পরে আজ সকালে সখীপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশের সুরতহাল করার পর ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রেজাউল করিম বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ডিসেম্বর ২০২২ ১২:৪৩:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।