একতার কণ্ঠঃ ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনায় যানবাহনের ক্ষতির কথা ভেবে টাঙ্গাইল থেকে কোনো গণপরিবহন ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে না।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে এমনটাই জানিয়েছেন টাঙ্গাইল বাস-মিনিবাস মালিক ও শ্রমিকরা। তবে বাস টার্মিনাল এলাকায়ও যাত্রীদের কোনো চাপ নেই।
সকাল থেকেই টাঙ্গাইল নতুন বাস টার্মিনাল থেকে কোন বাস ছাড়া হয়নি। এছাড়া উত্তরবঙ্গ থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়েও দুই একটা বাস ছাড়া কোনো গণপরিবহন ঢাকার দিকে যেতে দেখা যায়নি। বলা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক পুরোটাই গণপরিবহন শূন্য।
বঙ্গবন্ধু সেতু টোলপ্লাজা সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা থেকে শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতু পার হয়ে ঢাকার দিকে এক হাজার ১৯২টি গণপরিবহন পার হয়েছে। যা স্বাভাবিক সময়ে ১২/১৩ হাজার পারাপার হয়।
টাঙ্গাইল বাস-কোচ-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি জানান, সমিতির সভা ডেকে সকল মালিকদের বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি তারা রুটে বাস না নামায় সে ক্ষেত্রে তার কিছু করার নেই।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিস্ফোরণ আইনের মামলায় উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতিসহ তিন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) ভোররাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সখীপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক ওরফে বাচ্চু (৫০), উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আলী আশরাফ (২৫) ও উপজেলার বেতুয়া গ্রামের বিএনপির সমর্থক জয়নাল আবেদীন (৩৫)।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ৩০ নভেম্বর পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে সখীপুর থানার এসআই মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে এ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় বিএনপির ৩৮ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছিল।
সখীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল বাসেত মুঠোফোনে বলেন, এ নিয়ে দুই দফায় গায়েবি মামলায় সখীপুরে মোট সাত নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ পণ্ড করতেই বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আজ ভোরে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাঁদের আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ১০ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসমাবেশকে সামনে রেখে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসে বাসে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। সেই সঙ্গে যাচাই করা হচ্ছে বাসগুলোর কাগজপত্র।
যদিও এটিকে পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম বলে জানিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ।
শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে মহাসড়কে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় গিয়ে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে ছেড়ে আসা বাস থামিয়ে যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ ও বাসের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করছে পুলিশ। যদিও এ মহাসড়কে অন্যান্য দিনের তুলনায় বাসের সংখ্যা অনেক কম বলে জানিয়েছেন যাত্রী ও চালকরা। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। তবে বাস ছাড়া পণ্যবাহী ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (উত্তর) রফিকুল ইসলাম সরকার জানান, এটি আমাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় কয়েকটি বাসের কাছ থেকে প্রায় ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার প্রায় এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এদিকে এলেঙ্গায় বিএনপির নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে কালিহাতি উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে প্রতিবাদ সমাবেশ করার কথা রয়েছে। কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম ঠাণ্ডু প্রতিবাদ সমাবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল মহাসড়কে অপর ট্রাকের চাপায় বিকল ট্রাকের পিছনে দাড়িয়ে থাকা দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার পৌলি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, বগুড়া সদরের ব্রাহ্মনপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে মেহেদী হাসান (২৪) ও রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার কলোনীবাজার এলাকার সবুজ মিয়ার ছেলে শাহিন মিয়া (২২)। নিহতরা বিকল ট্রাকের যাত্রী ছিলেন।
মঙ্গলবার বিকেলে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ মো. নবীন হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রংপুরগামী একটি ট্রাক ভোরে মহাসড়কের পৌলি এলাকায় আসলে পিছনের চাকা ফেটে যায়। এ সময় ট্রাক থেকে দুই যাত্রী নেমে পিছনে আসলে অপর একটি ট্রাক এসে তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
তিনি আরো জানান,নিহতদের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে আনা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ছাড়া ট্রাক দুইটি কে আটক করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌর এলাকা থেকে ৩০০ গ্রাম হেরোইনসহ মোসা. ফারজানা আক্তার সালমা (২৬) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ)।
মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেফতারকৃত,ফারজানা আক্তার সালমা কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার সাদকপুর গ্রামের মো. আ. ছালামের মেয়ে। তিনি এলেঙ্গা পৌরসভার মশাজান এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
এর আগে সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এলেঙ্গা দক্ষিণপাড়া বাগানবাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাতেই জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মো. নুরুজ্জামান বাদি হয়ে কালিহাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ৩০০ গ্রাম হেরোইনসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো জানান, রাতেই কালিহাতী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে তাকে আদালতে পাঠালে বিচারক তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার ( ৬ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের বেংরোয়া মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিকালে মো. হাকিম উদ্দিন (৫৮) নামের এক বৃদ্ধকে আটক করেছে।
তিনি একই এলাকার মৃত রবি শেখের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানান দিঘলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম (মটু)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা বারোটার দিকে শিশুটিকে চকলেট দিয়ে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর শিশুটির চিৎকারে আশেপাশের বাড়ির লোকজন এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে ও অভিযুক্ত বৃদ্ধকে আটক করে। পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বিল্লাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত বৃদ্ধকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) টাঙ্গাইল অফিসের এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনার সময় বনবিভাগের ২ প্রহরী ও এক শ্রমিককে হাতেনাতে আটক করেছে। কাঠ বোঝাই ট্রাক থেকে ঘুষ নেয়ার সময় ওই কর্মচারীরা আটক হন।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) বিকালে দুদক উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরিফ সাদেক জানান, টাঙ্গাইল জেলা বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কাঠ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চেকপোস্ট পার হওয়া বাবদ ঘুষ দাবির অভিযোগ পাওয়া যায়। সেই ভিত্তিতে দুদকে টাঙ্গাইল অফিসের একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে।
তিনি তিনি আরো জানান, অভিযান পরিচালনার সময় ছদ্মবেশে থাকা দুদক এনফোর্সমেন্ট টিম টাঙ্গাইল বনবিভাগের ২ জন প্রহরী ও ১ শ্রমিককে কাঠ বোঝাই ট্রাক থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে আটক করে। পরবর্তীতে তাদের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার জিম্মায় দিয়ে আইনি ব্যবস্থার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, অভিযান পরিচালনাকালে এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযোগকারী, কাঠ ব্যবসায়ী ও ট্রাক চালকদের উপস্থিত বক্তব্য নেয়। যার ভিত্তিতে দুদক টিম জানতে পারে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তারা কাঠ বোঝাই ট্রাক নিয়ে ঢাকা অভিমুখে নিয়মিত চলাচলকালে বন বিভাগ থেকে টিপি বা ট্রানজিট পাস নিতে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ লেনদেন হয়।
আবার সেই টিপি বা ট্রানজিট পাস নিয়ে টাঙ্গাইলের করটিয়া চেকপোস্টে দেখালে কাঠের ট্রাক পরীক্ষান্তে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। যার জন্য কাঠের মান ভেদে ১৭০০ থেকে ৩২০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ প্রদান না করলে ছাড়পত্র দেয়া হয় না।
এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে বলেও সূত্রে থেকে জানা যায়।
টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত ২ বন প্রহরীকে ইতিমধ্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এ ছাড়াও জড়িত অন্য কর্মকর্তাদের মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুকে) স্ট্যাটাস দিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে পদত্যাগের বিষয় উল্লেখ করে স্ট্যাটাসটি দেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন- ‘আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান সাজু সভাপতি, সখিপুর উপজেলা বিএনপি। সাবেক সহ-সভাপতি টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি। সাবেক চেয়ারম্যান ১নং কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদ। আমি আমার পারিবারিক এবং শারিরীক অসুস্থতার কারণে আজ থেকে সখীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করিলাম।

তিনি আরও লেখেন, আগামী ২/৩ দিনের মধ্যেই সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেকে সকল পদ-পদবী থেকে সরিয়ে নিবো। বিএনপি পরিবারের সকলের জন্য দোয়া ও ভালোবাসা রইলো। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন’।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান সাজু জানান, মামলা-হামলার ভয় আমি কোনদিনই করি নাই। এখনও করি না। শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক কারণে আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির সকল পদ-পদবি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেব।
পদত্যাগের বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান সাজুর পদত্যাগের ব্যাপারে এখনি কোন মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।
একতার কণ্ঠঃ গঠনতন্ত্রে তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার নির্দেশনা থাকলেও টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগ এক বছরেও তা করতে পারেনি। গতবছর ৪ ডিসেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ওপর ভর করে এক বছর ধরে চলছে দলের স্থবির কার্যক্রম। ইতোমধ্যে এই কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশী নেতারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। অনেকের আবার ছাত্রত্বও শেষ হয়ে যাচ্ছে।
জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় একযুগ পর গত ২০২১ সালের ৪ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল শহরের পৌর উদ্যানে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন ঘটা করে অনুষ্ঠিত হয়। পরে সার্কিট হাউজে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে সোহানুর রহমান সোহান ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসানকে দিয়ে কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটি গঠনের পরপরই ওই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
ওই সময়ই পদ প্রত্যাশী ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগের নেতারা বলেন, টাঙ্গাইল শহর বা সদর বাদ দিয়ে গোপালপুর-ভূঞাপুর আসনের এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির সমর্থনপুষ্ট ও গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহানুর রহমান সোহানকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং বাসাইল-সখীপুর আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহেরের আর্শীবাদপুষ্ট সখীপুর উপজেলায় বাড়ি ইলিয়াস হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
ওই সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ঘোষিত জেলা ছাত্রলীগের ওই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাংগঠনিক কোনো কর্মসূচিই পালন করতে পারবে না। তাদের সেই কথা এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। সভাপতি সোহান ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি। পাশাপাশি ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটগুলোর কার্যক্রম বা সম্মেলনও করতে ব্যর্থ হয়েছে। রাজপথে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন সংগ্রাম প্রতিহত করার মতো সেই সাংগঠনিক শক্তিও তাদের মধ্যে নেই। দুইজনের এই কমিটি নিয়েই তারা এক বছর পার করে দিয়েছেন। সেই জেলা ছাত্রলীগের কমিটির এক বছর পূর্ণ হতে হয়েছে রোববার (৪ ডিসেম্বর)।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রায় একযুগ পর সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ দিন সম্মেলন না হওয়ায় আগের কমিটির বেশির ভাগ নেতার ছাত্রত্ব অনেক আগেই শেষ হয়ে যায়। দীর্ঘ একযুগ পর ২০২১ সালের ৪ ডিসেম্বর জেলা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলন হয়। এতে সোহানুর রহমান সোহানকে সভাপতি ও ইলিয়াস হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা করে কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু এক বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি তারা।
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ নেতাকর্মীরা জানায়, তারা দায়িত্ব পাওয়ার পর চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া রোড, কালিবাড়ী রোডসহ বিভিন্ন স্থানে কয়েক গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানও তারা সফলভাবে করতে পারেনি।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগ, পৌর ছাত্রলীগ ও মুজিব কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি গঠনে আর্থিক লেনদেন এবং বিতর্কিত নেতাদের নিয়ে ওই তিন ইউনিটের কমিটি গঠন করে। এমন অভিযোগের পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ওই তিন ইউনিট কমিটি স্থগিত করে দেয়। এতে করে জেলা ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এদিকে জেলা ছাত্রলীগের শহরে অবস্থিত নিজস্ব অফিসে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কখনও সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ নিতে দেখা যায়নি।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের শুধু তাদের নিজস্ব নেতা ও এমপির বাসায় বিভিন্ন তদবির, ঠিকাদারি কাজে ব্যস্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া জেলা ছাত্রলীগের কোনো কর্মকাণ্ডে সাধারণ নেতাকর্মীদের উপস্থিত দেখা যায় না বলেও দলীয় সূত্র জানায়।
জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু এমপি, ছানোয়ার হোসেন এমপি, আতাউর রহমান খান এমপি, আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী এমপি, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী এমপি, ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন।
জেলা ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীরা বলেন, জেলা ছাত্রলীগের দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়ায় পদ প্রত্যাশীরা চিন্তিত হয়ে পড়েছিল। সম্মেলন হওয়ার পর তাঁরা আশা করেছিলেন হয়তো পদ-পদবি পাবেন। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না হওয়ায় তাদের সে আশা পূর্ণ হচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জানান, তারা অনেকে ৮-১০ বছর ধরে ছাত্রলীগের রাজনীতি করছেন। কিন্তু আজও কোনো পদ পাননি। তাদের অনেকেরই ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পথে। এতে অনেকেই হতাশ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা তাদের নিজ নিজ পছন্দের লোকদের কমিটিতে নিতে চান। সব নেতার সঙ্গে সমন্বয় করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে হচ্ছে। তাই কমিটি করতে সময় লাগছে।
এসব বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান জানান কেন্দ্র থেকে আমাদের এক বছরের জন্য জেলা কমিটির অনুমোদন দেয়। এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতা ও সমস্যার কারণে সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ত্যাগী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নেতাকর্মীদের যাচাই করা হচ্ছে। সম্প্রতি ১৭১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে কেন্দ্রে জমা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বিস্ফোরক ও নাশকতার মামলায় উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজ রোডের একটি দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে, বিএনপির ওই নেতাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১ ডিসেম্বর উপজেলার শিয়ালকোল বাজার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ১৬ জনের নামসহ অজ্ঞাত আরও ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
উপজেলার বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হাফিজুর রহমান শাহীন জানান, পুলিশের দায়ের করা নাশকতা মামলার আসামিদের রবিবার (৪ ডিসেম্বর) হাইকোর্ট থেকে জামিন নেওয়া হয়।
তিনি আরো জানান, জামিনের সেই কাগজ থানায় জমা দেওয়ার জন্য সাধারণ সম্পাদক সেলু ভাই আমার দোকানে বসেছিল। থানায় যাওয়ার আগেই পুলিশ এসে তাকে থানায় ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এদিকে, থানায় নিয়ে গ্রেপ্তারের পরই সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু তার ব্যবহৃত ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আগাম জামিনের কাগজ দিতে এসে গ্রেফতার হলাম। দোয়া করবেন সকলে।’
উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা জানান, আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশকে বানচাল করতে পুলিশ গায়েবি ও মিথ্যা মামলা দিয়েছে। সে মামলায় উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু আটক হয়েছেন। এর আগে আরও ৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক থানায় কোনো জামিনের কাগজ জমা দিতে আসেননি। তাকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে নাশকতার মামলা ছিল থানায়। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলায় যাদের নাম রয়েছে তারা হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর সদস্যরা।
দুই বছর পলাতক থাকার পর সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ভোরে তাদের নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিকেলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানায় হস্তান্তর করে র্যাব।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাবা ও ছেলে হলেন মো. মজনু (৬১) ও ছেলে জহুরুল ইসলাম (৩১)। তাদের বাড়ি ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা গ্রামে।
বাবা ও ছেলেকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে দুপুরে র্যাব ১৪ এর ৩নং কোম্পানির অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর গ্রেপ্তারকৃত জহুরুল ইসলাম তার স্ত্রী তাছলিমা আক্তারকে (২৭) যমুনা নদীতে চুবিয়ে হত্যা করে। পরে তার লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। গৃহবধূকে হত্যা ও লাশ গুমে তাকে তার বাবা মজনু সহায়তা করে।
ঘটনার পর তাছলিমার বাবা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ মজনু ও জহুরুলকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর তারা দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তারা যৌতুক না দেওয়ায় তাছলিমাকে হত্যা করে লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেছিলেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। মামলা চলাকালে জামিনপ্রাপ্ত হয়ে তারা পলাতক হন।
র্যাব আরো জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন সাজা এড়াতে তারা উভয়ই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার গোয়ালদি খান বাজার এলাকায় গরুর খামারে চাকরি নেন। সেখানে তারা পরিচয় গোপন করে থাকতেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে র্যাব সোমবার ভোরে তাদের সেখান থেকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দুজনের নামে ভূঞাপুর থানায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। বিকেলে তাদের ভূঞাপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চলন্ত ট্রাকের পেছনে ধাক্কা লেগে মুকুল হোসেন (৪৫) নামে বাসের একজন হেলপার নিহত হয়েছেন।
রবিবার ( ৪ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার সাটিয়াচড়া নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মুকুল হোসেন নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার সিংড়া গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে।
গোড়াই হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মহসড়কের ওই স্থানে ঢাকাগামী মালবাহী চলন্ত একটি ট্রাকের পেছনে একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের হেলপার নিহত এবং তিন যাত্রী আহত হয়। খবর পেয়ে গোড়াই হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। আহত তিন বাসযাত্রীকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ বাস ও ট্রাক দুটি জব্দ করেছে।
গোড়াই হাইওয়ে থানার ট্রাফিক পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া বাস ও ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়েছে।