একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় উপমহাদেশের বিখ্যাত জমিদার আটিয়ার চাঁদ খ্যাত ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ওরফে চাঁদ মিয়ার ৮৭তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার(২৫ এপ্রিল) দিনব্যপী নানা কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে এ মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেন করটিয়াবাসী। দিনের কর্মসুচীর মধ্যে ছিলো শোকর্যালী, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও হাজার-হাজার ভক্তদের মাঝে তোবারক বিতরণ।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল থেকে করটিয়ার বিভিন্ন সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যানার নিয়ে চাঁদ মিয়ার মাজারে আসতে শুরু করে নানাশ্রেনী পেশার লোকজন। মাজারে এসে তারা ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। পরে প্রয়াত জমিদার চাঁদ মিয়ার স্বরণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শোকর্যালী ও আলোচনা সভায় সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,সা’দত কলেজের অধ্যক্ষ সুব্রত নন্দী, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আলীম মাহমুদ, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু, চাঁদ মিয়া পরিবারের সদস্য ও করটিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলী খান পন্নী ওরফে টিপু পন্নী, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মাজেদুল আলম নাঈম, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আনছারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিকদার, ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল, সা’দত বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. ইউসুফ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সাইমন তালুকদার রাজীব, ছাত্রলীগ নেতা মো. রতন মিয়া মমিতুল ইসলাম প্রমি ও রিফাত খান রানা প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা করটিয়ার জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ওরফে চাঁদ মিয়ার বর্ণাঢ্য কর্মজীবন নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, চাঁদ মিয়া এই অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে ১৯২৬ সালে তার পিতামহ সা’দত আলী খান পন্নীর নাম অনুসারে সা’দত কলেজ স্থাপন করেন। ১৯১৯ সালে করটিয়া হাফেজ মাহমুদ আলী খান হাইস্কুল ও তার স্ত্রীর নাম অনুসারে রোকেয়া আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি তার জমিদারী ২০ শতাংশ আয় শিক্ষা বিস্তার ও জনকল্যাণমুলক কাজের জন্য ব্যায় করতেন। আটিয়ার চাঁদ খ্যাত এই জমিদার ১৯৩৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
এছাড়াও বাদ জোহর করটিয়া জমিদার বাড়ী জামে মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সকলের মাঝে তোবারক বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ ঈদ উপলক্ষে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শন করলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, যানযট মুক্ত থাকবে মহাসড়ক। পুলিশ যেভাবে তৎপর রয়েছে আশা করছি কোন প্রকার সমস্যা হবে না। মানুষ ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি ফিরবেন।
বুধবার (১৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ৫ টার দিকে মহাসড়কের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গাতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি মাশরুকুর রহমান খালেদ, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( অপরাধ) শরফুদ্দীন প্রমূখ ।
ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম আরো বলেন,মহাসড়কে যাতে করে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্য স্থানে পৌঁছাতে পারে সেজন্য পুলিশ সব সময় মহাসড়কে থাকবে।এই সময় যেন মহাসড়কে ডাকাতি, এক্সিডেন্ট ও যানযট না হয় সেজন্য সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা রেঞ্জ পুলিশ।
পরে তিনি মহাসড়ক পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্য রওনা হন।
এদিকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মহাসড়কের এই অংশে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট। মহাসড়কে স্বাভাবিকভাবেই যান চলাচল করছে। মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ ভাসানী) ওখোদা-ই-খেদমতগারের উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার(১৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারের সামনে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও শাহ নাসির উদ্দিন বোগদাদি এতিমখানায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ন্যাপ ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের চেয়ারম্যান হাসরত খান ভাসানী।
এ সময় খোদা-ই-খেদমতগারের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেন বি.এস.সি, মোঃ আলাউদ্দিন, হাফেজ মোহাম্মদ আলীসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনি এবং তাঁর স্ত্রী নিগার আফতাব হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি ইকবাল কবির ও এ কে এম রবিউল হোসেনের আদালত তাঁদের চার সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন।
গোলাম কিবরিয়া টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির ভাই ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব।
গোলাম কিবরিয়ার আইনজীবী মো. এহসান হাবিব জানান, গোলাম কিবরিয়া ও তাঁর স্ত্রী নিগার আফতাবকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন আদালত। চার সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই তাঁদের টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করতে হবে।
শুনানিতে গোলাম কিবরিয়ার পক্ষে অংশ নেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকির, সাবেক সহসভাপতি শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন আইনজীবী।
প্রসঙ্গত, ৫ এপ্রিল রাতে এক কিশোরী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামি করা হয়। মামলায় ওই কিশোরী (১৭) অভিযোগ করেন, গোলাম কিবরিয়া তার পূর্বপরিচিত। গত ১৭ ডিসেম্বর তাকে শহরের আদালত পাড়ায় নিজের বাড়ির পাশের একটি ভবনে গোলাম কিবরিয়া ডেকে নেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন ও আপত্তিকর ছবি তুলে রাখেন। পরে আপত্তিকর ওই ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে ওই কিশোরী মামলায় অভিযোগ করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, একপর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি গোলাম কিবরিয়া জানার পর সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তবে কিশোরী রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ তাকে শহরের আদালত পাড়ায় গোলাম কিবরিয়ার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি কক্ষে ওই কিশোরীকে গোলাম কিবরিয়া আবার ধর্ষণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সহস্রাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি খন্দকার মমতা হেনা লাভলী। মঙ্গলবার(১৮ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে ওই ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন প্রমুখ।
ঈদ উপহার হিসেবে প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, এক কেজি মশুর ডাল, লবণ, চিনি, এক লিটার তেল, ১০০ গ্রাম মরিচ ও ধনিয়া গুড়া, ২০০ গ্রাম হলুদের গুড়া দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী নিজস্ব অর্থায়নে ঈদ উপহার প্রদান করেছেন। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সহ প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের মাঝে পর্যায়ক্রমে ঈদ উপহার হিসেবে পাঞ্জাবী ও শাড়ী প্রদান করছেন তিনি।
এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ঘারিন্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সহ ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে পাঞ্জাবি ও শাড়ী প্রদান করেন তিনি।
ইতিপূর্বে তার পক্ষ থেকে উপজেলার করটিয়া, গালা , হুগড়া, কাতুলী,দাইন্যা ইউনিয়নে প্রায় ৬ শতাধিক পাঞ্জাবি ও শাড়ী ঈদ উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।
এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে নিজস্ব অর্থায়নে পাঞ্জাবি ও শাড়ী প্রদান করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় এ বছর ১ হাজার পাঁচ শত পাঞ্জাবি ও শাড়ী প্রদানের ইচ্ছে আছে। ইতোমধ্যে ৫টি ইউনিয়নে ৬ শতাধিক পাঞ্জাবি ও শাড়ী প্রদান করা হয়েছে।
তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সকল সন্মানিত ভোটারসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বলেছেন, জেলা আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের চিহ্নিত হত্যাকারী ও তাদের মদদদাতারা আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। তারা টাঙ্গাইলের শান্ত পরিবেশকে আবার অশান্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। প্রপাগান্ডা চালিয়ে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করছে। তাদের ষড়যন্ত্র সততার কাছে পরাজিত হবেই।
সোমবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটিরিয়ামে আয়োজিত জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত দিনে টাঙ্গাইল শহর সন্ত্রাসীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। তথাকথিত একটি পরিবারের কাছে টাঙ্গাইল শহর জিম্মি হয়ে পড়েছিল। সে সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদসহ আওয়ামী লীগের ৩০জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল।
সেই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যার প্রতিবাদ করায় আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়েছিল। সেদিনের টাঙ্গাইল আর আজকের টাঙ্গাইল শহরের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন। আজ মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে। কোন রাজনৈতিক হানাহানি, খুন, রাহাজানী নেই।
তিনি বলেন, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনিকে একটি সাজানো মামলা দিয়ে মানহানীর অপচেষ্টা করছে তথাকথিত সেই পরিবার। তারা টাঙ্গাইলের রাজনীতিকে আবার অস্থিতিশীল করতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আমার নির্বাচনী এলাকা গোপালপুর-ভূঞাপুর আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কয়েক নেতা। তাদের সাথে আরও সুর মিলাচ্ছে দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা দু-চারজন রাজনৈতিক নেতা।
১৯৭৫ সালে খন্দকার মোস্তাক যেমন আওয়ামী লীগের মধ্যে থেকে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছিল। তেমনই ওই ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের প্রিয় টাঙ্গাইলকে অশান্ত করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা ইতোপূর্বেও একাধিকবার আমাদের নিয়ে ষড়য়ন্ত্রের ঘৃণ্য খেলায় লিপ্ত হয়েছে। কিন্ত বার বারই সততার কাছে- শেখ হাসিনার উন্নয়নের কাছে পরাজিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক বিষয়ে মাননীয় প্রধামন্ত্রী সব খবর রাখেন। তিনি সবই অবগত। আজকে যারা আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে নানা সুবিধা নিয়েছেন বা নিচ্ছেন তারা একবার ভাবুন কাদের ত্যাগের জন্য এ সুবিধা পাচ্ছেন।
এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা যে মেয়েকে দিয়ে আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিয়েছেন। সেই মামলার পর শহরে আমার ভাইয়ের শাস্তির দাবিতে মিছিল করিয়েছে কে আপনারা সবই জানেন। সত্যকে কখনও ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায়না। সত্য একদিন আপন গতিতে পরিস্ফুটিত হবে।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্র লীগের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সত্য প্রকাশে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তারেক মাহমুদ পলু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও গণসঙ্গীত শিল্পী এলেন মল্লিক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ রউফ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিঞা, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামীলীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তিন শতাধিক নেতাকর্মী ও জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে গত ৫ এপ্রিল এক কিশোরী টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ডাক্তারী পরীক্ষায় যৌন নিগ্রহের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। মামলার পক্ষে-বিপক্ষে শহরে প্রায়ই মিছিল পাল্টা মিছিল করা হচ্ছে। এ নিয়ে শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার(১৭ এপ্রিল) শহরের ভিক্টোরিয়া রোডের টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।দোয়া ও ইফতার মাহফিলের পূর্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্ঠা বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব।
আরো উপস্থিত ছিলেন,মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্ঠা হারুন-অর-রশিদ, সহ-সভাপতি এডভোকেট নিহার সরকার, কবি মাহমুদ কামালসহ মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
পরে ফাউন্ডেশনের সকল নেতৃবৃন্দসহ দেশের বরেন্য ব্যক্তিবর্গের সুস্বাস্থ্য কামনা ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
এসময় জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর, বাসাইল ও ধনবাড়ী উপজেলার ৩টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (১৭ এপ্রিল) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নবনির্মিত এসব মডেল মসজিদের উদ্বোধন করেন তিনি।
টাঙ্গাইল অংশে জেলা সদর মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার আলম, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে তৃণমূলের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, ইউপি সদস্য ও দরিদ্রদের মাঝে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান শামিমা আক্তারের নিজস্ব অর্থায়নে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।
এরই অংশ হিসেবে রবিবার ( ১৬ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন তিনি। পরে দুপুরে একই ইউনিয়নের গোসাইজোয়াইর বাজারে ৫ শতাধিক দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন।
নেতাকর্মীদের ঈদ উপহারের মধ্যে ছিলো পুরুষদের জন্য পাঞ্জাবি ও মহিলাদের জন্য শাড়ী।
দরিদ্রদের জন্য ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিলো ৫ কেজি চাউল, ১কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, এক প্যাকেট সেমাই ও ১ কেজি মুড়ি।
জানা গেছে, তৃণমূল নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্যদের মাঝে পাঞ্জাবি ও শাড়ি উপহার দিচ্ছেন তিনি ।
এ ছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে ৫ শতাধিক দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করে আসছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার।
ইতোমধ্যে সদর উপজেলার হুগড়া, ঘারিন্দা, গালা , দাইন্যা ও বাঘিল ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের জন্য পাঞ্জাবি ও শাড়ি এবং দরিদ্রদের জন্য ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
গোসাইজোয়াইর বাজারে কথা হয় ঈদ সামগ্রী উপহার পাওয়া রহিমা বেগম, করিমন বেওয়া, ফজল আলীসহ বেশ কয়েক জনের সাথে। তারা জানায়, প্রতি বছর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাদের জন্য উপহার হিসেবে ঈদ সামগ্রী দিয়ে থাকেন। এ বছর এই ঈদ সামগ্রী পেয়ে তারা খুব খুশি।
এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আওয়ামী লীগের তৃনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আমি তৃণমূল কর্মীদের মাঝে যাচ্ছি। কারণ তৃণমূলের কর্মীরাই আওয়ামীলীগের প্রাণ। প্রধানমন্ত্রী আমাদের বলার মতো দেশব্যাপী উন্নয়নমুলক কাজ করেছেন। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে এই উন্নয়নের চিত্র সাধারণ মানুষের মাঝে তুলে ধরা। এই কাজটাই তৃণমূলের কর্মীদের, তাই আমি ঈদকে সামনে রেখে তৃণমূলের কর্মীদের দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছি।
তিনি আরো জানান, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে নৌকাকে জয়যুক্ত করতে হলে সকল ধরনের ভেদাভেদ ভুলে আওয়ামী লীগকে একযোগে কাজ করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ ঈদ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে দিনব্যাপী উই হাটবাজার মেলা বসেছিলো।
শনিবার (১৫ এপ্রিল) টাঙ্গাইল পৌরসভা মিলনায়তনে নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স (উই) ট্রাস্টের উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়। সকাল ১১ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত একটানা চলে এ মেলা।
মেলায় ১৩টি স্টল বসেছিলো। যেখানে টাঙ্গাইলের সফল নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য সরাসরি পরখ করে কেনার সুযোগ মিলে ক্রেতাদের।
এখানে নারী উদ্যোক্তাদের হাতে তৈরি নানা ধরনের পণ্যে সাজানো হয়েছিল একেকটি স্টলে। কোনোটিতে দেশীয় তৈরি পোষাক, দেশীয় অলংকার, দেশীয় হস্তশিল্প, কোনো স্টলে বাহারি সাজসজ্জার উপকরণ। হাতে বানানো শীতল পাটির ব্যাগসহ বিভিন্ন পণ্য এ মেলায় উঠেছিলো।
মেলায় আসা তানজিন তালুকদার জানান, উই হাটবাজারে ঘুরে ভীষণ ভালো লাগলো। দেশি পণ্যের একসাথে সব সমাহার দেখে মন ভরে উঠে। সেই সাথে দামটাও আমার কাছে কম মনে হয়েছে মার্কেটের তুলনায়। সব ধরণের দেশি পণ্যই মোটামোটি ছিলো হাটবাজারের স্টলগুলোতে।
আয়োজকরা জানান, উই’র এ ধরনের উদ্যোগে স্থানীয় পর্যায়ে নারী উদ্যোক্তারা আরও উদ্বুদ্ধ হবে। দেশীয় পণ্য উৎপাদন ও প্রসারে ভূমিকা রাখবে। ছোট ছোট পরিসরে এমন মেলা স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনার খাত তৈরি করবে। নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলা, কর্মসংস্থান তৈরি করা, দেশীয় পণ্যের প্রসার এবং তৃণমূল পর্যায়ে উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যেই উই হাটবাজার মেলার আয়োজন।
তারা আরও জানান, ঢাকাসহ দেশের ৬৪ জেলায় উই হাটবাজার মেলা শনিবার থেকে শুরু হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে এ মেলার আয়োজন করা হয়। আশা করি, বিভিন্ন উৎসবে এ রকম আয়োজন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মঙ্গল শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, শুভেচ্ছা বিনিময়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও উন্নত মানের খাবার বিতরণের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ ১৪৩০ উদযাপন করা হয়েছে ।
শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
সেখান থেকে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের নেতৃত্বে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। মঙ্গল শোভাযাত্রাটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারিসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দল বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে।