/ হোম / জাতীয়
টাঙ্গাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে চাকরিজীবীকে অপহরণ, দুই অপহরণকারী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে চাকরিজীবীকে অপহরণ, দুই অপহরণকারী গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে অপহরণের পর বিকাশের মাধ্যমে চাঁদা দাবির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ মার্চ) দুপুরে তাদের টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাতে শহরের থানাপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এসময় মোমিনুল ইসলাম (৩৩) নামে অপহৃত একজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ব্রাহ্মণ কুলিয়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আল আমিন তালুকদার (৩২) ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের মিজান মিয়ার ছেলে কুতুব উদ্দিন রনি (২৮)।

পুলিশ জানায়, অপহৃত মোমিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবত একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় কর্মকর্তা হিসেবে টাঙ্গাইল শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায় কর্মরত ছিলেন। এ সুবাদে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রিয়া মনি নামে এক নারীর সঙ্গে পরিচয় হয় তার। বুধবার (৫ মার্চ) রাতে রিয়া মনি মোমিনুলকে শহরের শান্তিকুঞ্জ মোড়ে ডেকে আনেন। পরে তার সঙ্গে থাকা দুইজন মোমিনুলকে জোরপূর্বক শহরের থানাপাড়ার একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে আটকে রেখে মারধর করে। একপর্যায়ে অপহরণকারীরা দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।

পরবর্তীতে তারা বাড়ি থেকে নগদ টাকা নিয়ে আসার জন্য চাপ দেয় পরিবারকে। অপহরণকারীরা মোমিনুল ইসলামের সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে বলে বাড়িতে ফোন করে বিকাশের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা দিতে বলে। পরে মোমিনুলের বাবা মোহাম্মদ আলী প্রথমে বিকাশে পাঁচ হাজার টাকা দেন। পরে তার স্ত্রী বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বিকাশের মাধ্যমে আরও ১০ হাজার টাকা দেন। বাকি টাকার জন্য তারা মোমিনুল ইসলামকে মারধর ও নির্যাতন করে। এভাবে বিকাশের মাধ্যমে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। বাকি টাকা দিতে হুমকি দেয় অপহরণকারীরা। বিষয়টি পরিবারের লোকজন পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মোমিনুল ইসলামকে উদ্ধার করে। এসময় দুইজনকে আটক করা হয়। অন্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ জানান, এ ঘটনায় মোমিনুল ইসলাম রাতে বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে। জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মার্চ ২০২৫ ০৩:২৫:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাবিকে কুপিয়ে হত্যা করলো দেবর, মা-বাবাসহ আহত ৬ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাবিকে কুপিয়ে হত্যা করলো দেবর, মা-বাবাসহ আহত ৬

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দেবরের দায়ের কোপে ভাবি খুন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের মা-বাবা ও চাচাসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৪ জনকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (৫ মার্চ) বিকেলে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের ইচাইল গ্রামের ভাদিলাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার ইচাইল গ্রামের ভাদিলাপাড়ার নিমাই সরকারের ছেলে মোটরসাইকেল মেকানিক আনন্দ সরকার বুধবার বিকেলে বাড়ি গিয়ে চাচাতো ভাই রঞ্জিত সরকারের স্ত্রী রাজেশ্বরী সরকারের (৩৬) কাছে দা চান। দা পাওয়ার পর হঠাৎ আনন্দ সরকার বৌদি রাজেশ্বরীকে মাথায় কোপাতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাবা নিমাই সরকার, মা মিষ্টি সরকার, চাচা দুলাল সরকার, আরেক বৌদি দিপা সরকার, সুমা সরকার এবং প্রতিবেশী দিগেন সরকারকে কুপিয়ে আহত করা হয়। এদের মধ্যে নিমাই সরকার ও সুমা সরকার বাদে ৪ জনকে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আনন্দ সরকারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। রাজেশ্বরী সরকারের ১৭ বছরের একটি কন্যা ও ৭ মাসের একটি ছেলে রয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনন্দ সরকার বলেন, আমার মোটরসাইকেলের কিকার ঠিক করতে বৌদির কাছে দা চেয়েছিলাম। দা হাতে নেওয়ার পর মাথায় চক্কর মারে। এরপর কী হইছে আমি জানি না।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, ঘটনার পর আনন্দ সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. মার্চ ২০২৫ ০৩:২০:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলের প্রধান সরকারি কৌঁসুলি বাকী মিয়ার দাফন সম্পন্ন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের প্রধান সরকারি কৌঁসুলি বাকী মিয়ার দাফন সম্পন্ন

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের প্রধান সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নবনির্বাচিত সদস্য আব্দুল বাকী মিয়ার (৭৩) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৫ মার্চ) বিকালে দ্বিতীয় জানাজা শেষে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের যশিহাটী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে বুধবার দুপুরে তার মরদেহ টাঙ্গাইল কোর্ট চত্বরে আনা হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশগ্রহণ করে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. নাজিম-উদ্দৌলা, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তফা শাহরিয়ার খান প্রমূখ।

জানাজায় আরও উপস্থিত ছিলেন, নারী ও শিশু দমন নির্যাতন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা জজ) কাউসার আহমেদ, টাঙ্গাইল বারের সভাপতি মুহম্মদ জহুর আজহার খান, সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম রফিকুল ইসলাম রতন, পিপি শফিকুল ইসলাম রিপন , নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি ওমরাও খান দিপুসহ বারের সিনিয়ার ও জুনিয়র আইনজীবীগণ।

এছাড়া কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিন শাহীন, জেলা বিএনপি’র সাধারণল সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু ও অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ জানাযার নামাজে অংশগ্রহণ করে।

এর আগে বুধবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া এলাকার নিজ বাসভবনে অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রবীণ আইনজীবী আব্দুল বাকী মিয়া। গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পথে সকাল ১০টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য, আব্দুল বাকী মিয়া ১৯৭৮ সালে আইনজীবী হিসেবে টাঙ্গাইল বারে যোগদান করেন। তিনি প্রধান সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ ছাড়া ২০০১ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ছিলেন। টাঙ্গাইল জেলা এ্যাডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ‘ব্লাস্ট’ টাঙ্গাইল ইউনিটের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. মার্চ ২০২৫ ০৩:২০:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

আরমান কবীরঃ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে টাঙ্গাইলে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে প্রস্তুতিমূলক সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার টাঙ্গাইলের উপ-পরিচালক মো. শিহাব রায়হান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুক্তিযোদ্ধাগণ ও জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।

সভায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৫ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করার লক্ষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. মার্চ ২০২৫ ০২:০৮:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নানা আয়োজনে ‘স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস’ পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নানা আয়োজনে ‘স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস’ পালিত

আরমান কবীরঃ অগ্নিঝরা ৩ মার্চ বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে পল্টন ময়দানে ছাত্র জনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়, যা মুক্তিযুদ্ধের পথে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে ওঠে।

এ উপলক্ষে সোমবার (৩ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে শাজাহান সিরাজ কলেজে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের তাৎপর্য নিয়ে মুক্ত আলোচনা, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ মিনারে শাজাহান সিরাজের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সহকারী অধ্যাপক জহুরুল হক বুলবুল, শফিকুল ইসলাম, আশরাফ আলী মোল্লা, প্রভাষক আরিফুল ইসলাম, কর্মচারীদের পক্ষ থেকে খাদেমুল ইসলামসহ মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতারা অংশ নেন।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মজিবর রহমান বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানাতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বার্তা হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে আয়োজিত ঐতিহাসিক জনসভায় ছাত্রনেতা শাজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। এতে উল্লেখিত দাবিগুলোর মধ্যে ছিল, সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফেরানো, সামরিক আইন প্রত্যাহার ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর। এছাড়াও, জাতীয় সংগীত হিসেবে “আমার সোনার বাংলা” গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মার্চ ২০২৫ ০২:১৯:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে তিনটি গরু চুরি, অতঃপর কেটে ভাগ করে মাংস নিয়ে গেল চোরেরা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে তিনটি গরু চুরি, অতঃপর কেটে ভাগ করে মাংস নিয়ে গেল চোরেরা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে রাতের আঁধারে গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু চুরির পর জবাই করে মাংস ভাগ করে নিয়ে গেছে চোরেরা।

শনিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে বাসাইল পৌরসভার কাটাখালীপাড়া এলাকায় এমন ঘটনা ঘটে। বিষয়টি রবিবার (২ মার্চ) সকালে জানাজানি হলে স্থানীয়রা চোরদের এমন কাণ্ডে হতভম্ব হন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার দিবাগত রাতে বাসাইল পৌরসভার কাটাখালীপাড়া এলাকার আতিকুর রহমান খান রুবেল, ফজলু খান ও গফুর খানের গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু চুরি হয়। পরে সেহরির সময় বিষয়টি টের পান গরুর মালিকরা। সকালে বাসাইল-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়কের বাসাইল পশ্চিমপাড়া কবরস্থানের পাশে গরুর ভূরি ও হাড় দেখতে পান স্থানীয়রা। খবরটি তাৎক্ষণিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে গরুর রশি দেখে মালিকরা শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন গরুর মালিকরা। তিনটি গরুর আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

গরুর মালিক ফজলু খান বলেন, পাশের বাড়িতে গরু চুরি হয়েছে শুনতে পাই। পরে আমার গোয়ালঘরে গিয়ে দেখি সেখানে গরু নেই। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করি। পরে সকালে বাসাইল পশ্চিমপাড়া কবরস্থানের পাশে গিয়ে দেখতে পাই গরু জবাই করে মাংস নিয়ে গেছে চোরেরা।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, গরু চুরির পর চোরেরা মাংস ভাগ করে নিয়ে গেছে এমন ঘটনা এই প্রথম শুনলাম। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, বাসাইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঝেমধ্যেই গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের আরও তৎপর হওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মার্চ ২০২৫ ০২:১৪:এএম ১ বছর আগে
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জেল পলাতক আসামি টাঙ্গাইলে গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জেল পলাতক আসামি টাঙ্গাইলে গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্র্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া মৃত্যুদ‌ণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

শনিবার (১ মার্চ) সকালে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া অফিসার) জুয়েল চাকমা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোলচত্বর সংলগ্ন পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মৃত্যুদন্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম শাহাদাত হোসেন (৪০)। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের ওমর আলীর ছেলে। ২০০২ সালে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা মামলায় বিচারক তার মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। এর পর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।

র‌্যাব জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের সময় দেশের আইন-শৃঙ্খলার নাজুক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অন্যান্য বন্দীদের সাথে কয়েদী শাহাদাত হোসেন পালিয়ে যায়।

এ ঘটনাটি সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে পলাতক আসামি শাহাদাত হোসেনকে গ্রেপ্তারে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং আসামির অবস্থান শনাক্তের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে। পরে দীর্ঘ সাত মাসের অব্যাহত চেষ্টার পর র‌্যাবের টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মার্চ ২০২৫ ০২:১৫:এএম ১ বছর আগে
রূপালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

রূপালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আরমান কবীরঃ রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন শাখা ব্যবস্থাপকদের অংশগ্রহণে ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার দাপনাজোর ওয়াটার গার্ডেনের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এই ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুপালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।

এসময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক “সময় নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা” অনুযায়ী খেলাপী ঋণ আদায় এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন খাঁ । সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান তানভীর।

এ সময় বিভাগের আওতাধীন ৪ জন জোনাল ম্যানেজার ও ৪৯টি শাখার ব্যবস্থাপক এবং ৭ টি উপশাখার ইনচার্জ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মার্চ ২০২৫ ০২:০২:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এবার শিক্ষা সফরের ৪ বাসে ডাকাতি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এবার শিক্ষা সফরের ৪ বাসে ডাকাতি

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ডাকাতদের কবলে পড়েছে শিক্ষা সফরের চারটি স্কুলবাস। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের লক্ষণের বাধা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ডাকাতরা বাস থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণ ও স্মার্টফোন লুট করেছে। এ নিয়ে গত ১০ দিনে এই সড়কে তিনটি ডাকাতির ঘটনা ঘটল।

জানা যায়, ময়মনসিংহ বিভাগের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সোয়াইতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মঙ্গলবার ভোরে চারটি বাস নিয়ে ওই স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক শিক্ষা সফরের জন্য রওনা দেন নাটোরের গ্রীনভ্যালি পার্কের উদ্দেশে। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বাস চারটি ঘাটাইল উপজেলার ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের সাগরদীঘি ইউনিয়নের লক্ষণের বাধা এলাকায় পৌঁছালে তারা ডাকাত দলের কবলে পড়েন। এ সময় সামনের বাসে ছিলেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান। হঠাৎ তিনিসহ অন্যরা খেয়াল করেন সড়কের মাঝ বরাবর গাছের গুঁড়ি। তিনি বুঝে ফেলেন এই কাজ ডাকাতদের। সতর্ক করেন সবাইকে। বন্ধ করে দেওয়া হয় গাড়ির জানালা ও গেট। কিছু বুঝে উঠার আগেই ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আঘাত শুরু করে গাড়িতে। ডাকাতরা পেছনের গাড়ি থেকে তাদের মালামাল লুট করা শুরু করে। এরই মধ্যে তিনি ফোন করেন ৯৯৯ নম্বরে। অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। ততক্ষণে তিনটি গাড়ির যাত্রীদের থেকে মালামাল লুট করা শেষ হয়ে যায়।

সোয়াইতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান বলেন, ডাকাতরা নগদ টাকা নিয়ে গেছে দেড় লাখ। স্বর্ণ দেড় ভরি। স্মার্টফোন ১০টা। এ ঘটনায় মারধরের শিকার হয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর সাখাওয়াত হোসাইন রবিন ও অভিভাবক শহিদুল্লাহ তালুকদার।

সাখাওয়াত হোসাইন রবিন বলেন, আমি ছিলাম দুই নম্বর গাড়িতে। ওই গাড়িতে ছিল শুধু ছাত্রী। ডাকাতরা আমার কাছে থেকে মোবাইল নেওয়ার পর যখন ছাত্রীদের দিকে যাচ্ছিল তখন আমি বাধা দেই। এর ফলে তারা আমাকে দায়ের উল্টো পিঠ দিয়ে আঘাত করে।

ডাকাতদের অস্ত্র ও ভয়ঙ্কর রূপ দেখে গাড়িতে জ্ঞান হারান কৃষি বিষয়ক শিক্ষক আবুল কালাম।

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী সিনথিয়া আক্তার জানায়, ভয়ে সে অনেক কেঁদেছে। এখনও তার ভয় দূর হয়নি।

ডাকাতির ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য লিয়াকত হোসেন বলেন, মাঝে মধ্যেই ওইস্থানে (লক্ষণের বাধা) ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার ভোরে ঘাটাইল-সাগরদীঘি সড়কে গাছ ফেলে শিক্ষা সফরে যাওয়ার পথে চারটি স্কুলবাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। যতটুকু জানতে পেরেছি সাতটি মোবাইল ও দুই হাজার ৭০০ টাকা নিয়েছে ডাকাতরা। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এলাকার লোকদের নিয়ে বৈঠক করেছি। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দেয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০২:২৯:এএম ১ বছর আগে
১৭ বছর পর নিজ জন্মভূমি টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টু - Ekotar Kantho

১৭ বছর পর নিজ জন্মভূমি টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টু

আরমান কবীরঃ দীর্ঘ ১৭ বছর পর নিজ জন্মভূমি টাঙ্গাইলে এসেছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সদ্য কারামুক্ত আব্দুস সালাম পিন্টু।

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে তিনি সড়ক পথে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল শহরের প্রবেশদ্বার নগরজলফৈ বাইপাসে পৌঁছালে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ তাঁকে স্বাগত জানায়।

এ সময় তাকে বহনকারী গাড়ি বহরে ফুলের পাপড়ি ছিটানো হয়। নগরজলফৈ বাইপাস থেকে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের আসার পথে তাকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তার টাঙ্গাইল আগমনকে কেন্দ্র করে জেলা শহর জুড়ে উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

পরে বিকেলে জেলা বিএনপি’র পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সদ্য কারামুক্ত বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টুর গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবেগ-আপ্লুত কণ্ঠে সালাম পিন্টু বলেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আমাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছিল। দেশবাসী ও বিশেষ করে টাঙ্গাইলবাসির দোয়া ও ভালোবাসায় আজ আমি আমার জন্মভূমিতে জীবিত অবস্থায় ফিরতে পেরেছি। মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমি আজ আপনাদের মাঝে পৌঁছাতে পেরেছি। যতদিন জীবিত থাকবো- আপনাদের কল্যাণে আমি নিজেকে উৎসর্গ করলাম।

শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত সংবর্ধনা স্থলে প্রিয় নেতাকে দেখতে নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষের ঢল নামে। নানা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পৌর উদ্যান এলাকা। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন জায়গায় সাজানো হয়েছে তোরণ দিয়ে । লাগানো হয়েছে ব্যানার ও পোস্টার।

জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খান, বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপি’র সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ সোহরাব, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধাা হামিদুল হক মোহন, জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু প্রমূখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে আব্দুস সালাম পিন্টু দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত ও দোয়া পাঠ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০৪:০৩:এএম ১ বছর আগে
বিএনপি’র ৩১ দফার পুরোটাই সংস্কার কর্মসুচি: নজরুল ইসলাম খান - Ekotar Kantho

বিএনপি’র ৩১ দফার পুরোটাই সংস্কার কর্মসুচি: নজরুল ইসলাম খান

আরমান কবীরঃ বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বাংলাদেশের কিছু রাজনৈতিক দল আছে কিছু নতুন, কিছু পুরাতন। তারা জনগণকে বোঝাতে চেষ্টা করছে বিএনপি নাকি সংস্কার চায় না। সংস্কার কী? খায় না মাথায় দেয়। বাংলাদেশে সকল কল্যাণকর সংস্কার করেছে বিএনপি। বিএনপি যে ৩১ দফা দিয়েছে তার পুরোটাই সংস্কার কর্মসূচি। সংস্কারের প্রত্যেকটা বিষয় ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে।

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সদ্য কারামুক্ত বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টুর গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ১৬ বছর ধরে স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদের পতনের জন্য বিএনপি’র নেতাকর্মীরা লড়াই করেছে। এখনও লড়াই শেষ হয়ে যায় নাই। লাখ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অনেকের কারাগারে বা গুম অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। ৫ আগস্ট আমি জেলখানায় ছিলাম। আমাদের ৫১৮ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকর্মী কারাগারে ছিল। অনেক লড়াই, সংগ্রাম, ত্যাগ-তিতিক্ষার পর দেশে পরিবর্তন এসেছে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু গণতন্ত্র এখনও পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় নাই। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।

নির্বাচন প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় না। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার নির্বাচন হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেজন্য বলি সবার আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন। বলি নাই বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেন। যারা জয়লাভ করবে, তারাই সরকার গঠন করবে।

তিনি বলেন, আব্দুস সালাম পিন্টু মৃত্যুদন্ডের আদেশ মাথায় নিয়ে কারাগারেও অনিশ্চিত জীবন কাটিয়েছেন। শতশত নেতাকর্মী গুম-খুনের স্বীকার হয়েছেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র ভাইচ চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খান, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপি’র সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ সোরহাব, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধাা হামিদুল হক মোহন, জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু, ৯০এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের ছাএদল নেতা মোঃ আব্দুল্লাহ আকন্দ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

এদিকে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর আব্দুস সালাম পিন্টু নিজ জেলা টাঙ্গাইলে পৌছলে শহরের নগর জলফৈ বাইপাসে তাকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। বিকেলে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত সংবর্ধনাস্থলে প্রিয় নেতাকে দেখতে নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষের ঢল নামে। নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পৌর উদ্যান এলাকা।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে আব্দুস সালাম পিন্টু দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত ও দোয়া পাঠ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০২:৫৩:এএম ১ বছর আগে
বাসে ডাকাতির সময় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি: টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার - Ekotar Kantho

বাসে ডাকাতির সময় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি: টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার

আরমান কবীরঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাজশাহীগামী চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, নারীদের কাছ থেকে কিছু স্বর্ণালঙ্কার লুণ্ঠিত হয়েছে। ওই সময় দুষ্কৃতকারী ডাকাত দল নাকফুল কানের দুল নেওয়ার সময় নারীদের টাচে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি এটা আমরা জানতে পেরেছি। শ্লীলতাহানি বলা যেতে পারে।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. শহিদুল ইসলাম (২৯), মো. সবুজ (৩০) ও মো. শরীফুজ্জামান (২৮)।

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, চলন্ত বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল, একটি ছুরি ও ২৯ হাজার ৩৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়। মামলা হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তথ্য প্রযুক্তি ও বিভিন্ন সোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে।

এ ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার দায়ে মির্জাপুর থানার ডিউটি অফিসার আতিকুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী বাসে মির্জাপুর এলাকায় তিন ঘণ্টা ধরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। শ্লীলতাহানি করা হয় দুই নারীকে। পরে যাত্রীরা বাসটি আটকে নাটোরের বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের সহায়তা চায়। বাসযাত্রীদের হাতে আটক বাসচালক বাবলু, সুপারভাইজার মাহবুব ও হেলপার সুমনকে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ওই ঘটনায় বাসের যাত্রী ওমর আলী বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় অজ্ঞাত ৮-৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০৩:৪৮:এএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।