/ হোম / এক্সক্লুসিভ
টাঙ্গাইলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঝটিকা মিছিল ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) ভোরে টাঙ্গাইল শহরে নিষিদ্ধ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা এ কর্মসূচি পালন করে।

জানা গেছে, শনিবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্র নিরালার মোড় থেকে মিছিলটি বের করে নিষিদ্ধ সংগঠনটি। মিছিলটি নিরালার মোড়ে হয়ে মেইন রোডের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে গিয়ে পূণরায় ঘুরে জগলু রোডের দিকে চলে যায়। ‘জয় বাংলা’স্লোগান দিয়ে মিছিলটি বের করলেও বেশিক্ষণ শহরে অবস্থান করতে পারেনি তারা।এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়াসহ মিছিলের নেতৃত্ব দেয় শহর ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়ারেছুল হক তানজীল। কর্মসূচিতে ৮ থেকে ১০জন নেতাকর্মীউপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।

এ দিকে নিষিদ্ধ সংগঠনের হঠাৎ কর্মসূচি পালনে হতবাক টাঙ্গাইল শহরের সাধারণ মানুষ। এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ছাত্র ফেডারেশনের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি ফাতেমা রহমান বিথী তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগের মিছিল ও পুষ্পস্তবক অর্পণের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘টাঙ্গাইল ছাত্রলীগের আজকের মিছিল এটা। শহর ছাত্রলীগের সভাপতি তানজীলসহ বাকি গুন্ডা বাহিনী দিব্যি ঘুরে বেড়ায়, উদ্যানে এসে মুড়ি খেয়ে যায়। তাহলে টাঙ্গাইলের প্রশাসন আসলে কি করে?

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুরো শহরে টহল দেওয়া হয়েছে। তবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য,গত ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর জেলায় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই ধরনের কর্মসূচি এই প্রথম পালন করা হলো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৫ ১০:৩৬:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে দম্পতির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে দম্পতির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেঙ্গর এলাকার ৫ নম্বর রেল ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- ধলাটেঙ্গর এলাকার নিলু মণ্ডল ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী মণ্ডল।

নিহতের পরিবারের লোকজন জানান, সকালে উপজেলার রৌহা গ্রামে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বাড়ি ফিরছিলেন ওই দম্পতি।

পথে ধলাটেঙ্গর ৫ নম্বর রেল ব্রিজের কাছে রেললাইন পার হওয়ার সময় উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

যমুনা সেতু পূর্ব ইব্রাহীমাবাদ স্টেশন মাস্টার শাহীন মিয়া দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,ঘটনার পরপরই মরদেহ দুটি পরিবারের লোকজন নিয়ে গেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৫ ০৯:১৯:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে জেলা প্রশাসকের কম্বল বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে জেলা প্রশাসকের কম্বল বিতরণ

একতার কণ্ঠঃ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ত্রাণ তহবিল থেকে টাঙ্গাইলে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(২ জানুয়ারি )রাতে শহরের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গনে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে ৩২০ জনের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মো. আব্দুল্ল্যাহ-আল-মামুন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও )নাহিদা আক্তার, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ডেপুটি নেজারত কালেক্টর মো. আল আমিন কবির প্রমুখ।

এ প্রসঙ্গে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল হতে ১০ হাজার কম্বল বরাদ্দ পেয়েছিলাম। ইতিমধ্যে ১২ উপজেলায় ৫০০ করে ৬ হাজার বিতরণ করা হয়েছে। বাকিরা চার হাজার হতে হাসপাতালে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ৩২০টি বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন,এছাড়াও শীতবস্ত্র কেনার জন্য সরকারিভাবে ১২ উপজেলায় তিন লাখ টাকা করে মোট ৩৬ লাখ ও পরবর্তীতে আরো ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া ১১টি পৌরসভার মধ্যে প্রথম শ্রেণির জন্য দুই লাখ করে, দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য দেড় লাখ করে ও তৃতীয় শ্রেণির জন্য এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জানুয়ারী ২০২৫ ০৮:২৯:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, জুবথুব জনজীবন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, জুবথুব জনজীবন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, সেই সাথে উত্তরের কনকনে হিমেল হাওয়ায় জবুথবু হয়ে পড়েছে জেলার জনজীবন। বিশেষ করে জেলার পশ্চিমের চরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি এলাকায় সবচেয়ে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। ফলে নিম্ন-আয়ের মানুষ, গৃহহীন ভাসমান মানুষ ও কৃষকরা সমস্যায় পড়ছে সবচেয়ে বেশি।

টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা যায়, জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় তাপমাত্রা কমেছে ৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকল ৯টা জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রার পতন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা আবহাওয়া অফিস।

জানা গেছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবার জেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি। সেই সাথে উত্তরের কনকনে হিমেল হাওয়ার কারনে জেলায় প্রচন্ড শীত অনুভূত হচ্ছে। এর ফলে জেলার পশ্চিমের চরাঞ্চলে খুব সকালে কৃষকদের সবজির খেতে গিয়ে সবজি তুলে শহরের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে আনতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়াও জেলার পাহাড়ি এলাকায় ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় কারনে সন্ধ্যার পরে স্থানীয় মানুষ জন প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না

স্থানীয়রা জানায়,শীতের দাপটে গ্রামাঞ্চলের অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টাও করছেন। তীব্র শীত উপেক্ষা ক‌রে জী‌বিকার তা‌গি‌দে কা‌জের সন্ধা‌নে বের হ‌য়ে‌ছেন খেটে খাওয়া মানুষগু‌লো। তাপমাত্রা কমার চেয়েও বেশি অসুবিধা হচ্ছে হিমশীতল বাতাসে। এর পাশাপাশি ঘন কুয়াশা থাকায় বাতাসে তা গায়ে কাঁটার মতো বিঁধতে থাকে। ঘরে ঘরে লেপ-কাঁথা নামানো হয়েছে। তবে গত কয়েকদিন থেকেই শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন জেলার নিম্নআয়ের মানুষজন। খড়-কুঠো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে নিম্নে আয়ের মানুষ। সন্ধ্যার পর শহর খালি হয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীত থেকে বাঁচতে সন্ধ্যার পর ঘরে থাকছে শহরের মানুষ। যার প্রভাব পড়েছে শহরের ব্যবসা-বাণিজেও।

টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে পান-সিগারেট বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন লাইলি বেগম (৭০)। পরিবার-পরিজন বিহীন ভাসমান লাইলি বেগম থাকেন শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে। তিনি জানান, এই শীতে কাঁপছেন তিনি। গায়ের পাতলা চাদরটা তার শীত নিবারণ করতে পারছে না। তার পরও বাধ্য হয়ে এই প্রচন্ড শীতে সকাল থেকে রাত অব্দি পান-সিগারেট বিক্রি করতে হচ্ছে জীবনধারণের প্রয়োজনে। তার আফশোস এই প্রচন্ড শীতে কেউ তাঁকে একটি শীত বস্ত্র দিয়ে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বাগুনটাল গ্রামের কৃষক শাহাদাত হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার খুব ভোরে তার কপি খেতে গিয়েছিলেন কপি কেটে টাঙ্গাইল পার্ক বাজারে নিয়ে যাওয়া জন্য। প্রচন্ড শীতে কাঁপছে কাঁপতে তার পক্ষে আর সম্ভব হয়নি নদীর পাড়ের তার এই কপি খেতে থাকার। ফলে কপি না কেটেই বাসায় চলে এসেছেন তিনি। এ দিকে নির্দিষ্ট সময়ে কপি না তুললে বাজারে সঠিক দাম পাওয়া যাবে না বলে জানান তিনি। প্রচন্ড শীত তাঁদের জীবন যাপনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

শুকুর আলী টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় ব্যাটারি চালিত রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার গ্রামের বাড়ি জেলার মধুপুর উপজেলায় হলেও টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর-টাকুর পাড়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি জানান, এই প্রচন্ড শীতে শহরে মানুষ-জন বের হয় না। বিশেষ প্রয়োজনে যারা বের হচ্ছেন তারাও শহরে বেশী সময় থাকছে না। ফলে গত ৩ দিনে তার আয়-রোজগার প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে, এ ভাবে চলতে থাকলে আগামী মাসে তার বাড়ি ভাড়া দিতে সমস্যায় পড়তে হবে। এ ছাড়াও এই প্রচন্ড শীতে তার রিক্সা চালাতে সমস্যা হচ্ছে, ফলে সন্ধ্যার পর রিক্সা না চালিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, কোন সংগঠনের পক্ষ থেকে কোন ধরনের শীতের কাপড় কিম্বা আর্থিক সহযোগিতা পাননি তিনি।

জেলায় অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের তথ্য জানতে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হকের মুঠো ফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জানুয়ারী ২০২৫ ০৯:৫৬:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে পার্ক বাজার ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে পার্ক বাজার ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সর্ববৃহৎ পাইকারি বাজার পার্ক বাজারের ১০ জন ব্যবসায়ীর নামে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে পার্ক বাজার মোড়ে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার(পার্ক বাজার) ব্যবসায়ী সমিতির আয়োজনে ঘন্ট্যাব্যপী এ মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন,মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার(পার্ক বাজার) ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল বারেক, সাধারণ সম্পাদক মো. জহের আলী, ব্যবসায়ী বাবলু সাহা,সরোয়ার হোসেন,আমীর হামজা,মোহাম্মদ আলী,আব্দুস ছাত্তার,মামুন হোসেন,মাসুদ পারভেজ পানুু,মো. আদর আলী প্রমুখ।

এসময় ভুক্তভোগী ১০ জন ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবারসহ পার্ক বাজারে বিপুল সংখ্যক সাধারণ ব্যবসায়ীগণ এই মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,জয়নাল আবেদীন নামে এক ব্যক্তি পার্ক বাজারের ১০ জন ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন জনের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। পার্ক বাজারের এইসব ব্যবসায়ীরা কোন ধরণের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নয়। ৫ আগস্টের পুর্বে ছাত্রদের সাথে আমরা রাজপথে ছিলাম। সম্প্রতি একটি স্বার্থন্বেষী মহল মিথ্যা মামলা দিয়ে বিভিন্নজনের কাছে টাকা দাবি করছে। আমাদের ভুক্তভোগী ওইসব ব্যবসায়ীরা দিন রোজগার করে দিন খায়-টাকা দিবে কিভাবে।

মানববন্ধন থেকে বক্তারা অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলার প্রত্যাহারের দাবি জানান। বক্তারা আরো বলেন, অবিলম্বে এই মামলা থেকে ১০ জন ব্যবসায়ীর নাম প্রত্যাহার করা না হলে বড় ধরণের কর্মসুচির হুশিয়ারী দেন তারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. ডিসেম্বর ২০২৪ ০৭:৫৪:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল পার্ক বাজার ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল পার্ক বাজার ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সর্ব বৃহৎ পাইকারী বাজার পার্ক বাজারের ব্যবসায়ীদের সংগঠন মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার(পার্ক বাজার) দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উদ্যোগে এক জাঁকজমক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার(২৮ ডিসেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল আউটার স্টেডিয়ামে এই ফুটবল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার(পার্ক বাজার) দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. বাবলু মিয়ার সভাপতিত্বে ও আমির হামজা রুবেলের সঞ্চলনায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. আজগর আলী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা সমবায় অফিসার ওয়াজেদ আলী, বিআরডিপির চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বাদল, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মালেক সরকার, দৈনিক মজলুমের কন্ঠ পত্রিকার সহ-সম্পাদক এস এম আওয়াল মিয়া, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নুরুল ইসলাম, জেলা জাসাসের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুর রহমান সুমন, পৌর মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফিরোজ বেপারী, আলহাজ্ব এছাক আলী, মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার (পার্ক বাজার) দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জয় সাহা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. শাহাজাদা হোসেন, ব্যবসায়ী ফিরোজুর রহমান ফিরোজ, মো. হাবিবুর রহমান হাবু, আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল আলীম, আজিবর রহমান, ও মো. রকিসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

এরআগে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও পার্ক বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. বাবুল মিয়া।
পরে পার্ক বাজারে কর্মরত ব্যবসায়ীরা লাল ও নীল দলে বিভক্ত হয়ে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অংশ গ্রহন করে। খেলায় সবুজ দল ৪-১ গোলে লাল দলকে হারিয়েছে।

এ সময় বিপুল সংখ্যক দর্শক প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি উপভোগ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. ডিসেম্বর ২০২৪ ১২:২৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জমি দখলমুক্ত করায় প্রতিপক্ষের মিথ্যাচার, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জমি দখলমুক্ত করায় প্রতিপক্ষের মিথ্যাচার, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার বিশ্বাস বেতকা মৌজার ৩৪ শতাংশ ওয়ারিশ সুত্রে পাওয়া একটি সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দীর্ঘদিন বেদখল ছিলো। দেশের রাজনৈতিক পটপরির্তনের পর একটি সংখ্যালঘু পরিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের সহযোগীতায় গত ১৭ ডিসেম্বর জায়গাটি দখলমুক্ত করে। এরপর থেকেই উক্ত বেদখলকারী কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইউটিউব ও ফেসবুক পেইজে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে আসছে ।এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার(২৬ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের অডিটিরিয়ামে সংবাদ সম্মেলন করেছে উক্ত ভুক্তভোগী পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিপ্লব কুমার গুহ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের পৈত্রিক ওয়ারিশ সুত্রে পাওয়া টাঙ্গাইল পৌরসভার বিশ্বাস বেতকা মৌজার ৩৪ শতাংশ জায়গা যার সিএস খতিয়ান নং ৬৫০,দাগ নং ১০০৪ ও ১০০৫ এর মালিক ভুবনময়ী দাস্যা জং ভৈরব চন্দ্র গুহ পরলোক গমন করার পর তাদের একমাত্র সন্তান সতীষ চন্দ্র গুহের একমাত্র ছেলে সুশীল চন্দ্র গুহ ওয়ারিশ সুত্রে মালিকানা প্রাপ্ত হোন। যা বিগত এস এ রের্কডে খতিয়ান নং ৭৪৭ দাগ নং ১০৫৪,১০৫৫,১০৫৬,১০৫৭ সুষ্পষ্টভাবে শুশীল চন্দ্র গুহের নাম লিপিব্দ হয়েছে। শুশীল চন্দ্র গুহ আমাদের পিতা। তিনি পরলোক গমন করার পর আমরা ৫ ভাই যথাক্রমে গৌরাঙ্গ চন্দ্র গুহ, নারায়ণ চন্দ্র গুহ ,দীপক কুমার গুহ,সুবীর চন্দ্র গুহ,বিপ্লব কুমার গুহ উক্ত ভুমির ওয়ারিশান সুত্রে মালিকানা প্রাপ্ত হই। আমাদের নামে উক্ত ভুমির ডিজিটাল নামজারী করা আছে এবং হালসনের ভুমি উন্নয়নকর পরিশোধ করা আছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন ,দীর্ঘদিন যাবত আমরা সংখ্যালঘু হওয়ায় ভয়ভীতি দেখাইয়া বিশ্বাস বেতকার শাওন-আল-মনসুর পিতা মৃত দুলাল আল মনসুরগং জোরপুর্বক আমাদের ওয়ারিশয়ান সুত্রে প্রাপ্ত ৩৪ শতাংশ জমিতে জোরপুর্বক দখল করিয়া ছিলো। এই জমির মালিকানা প্রাপ্ত হওয়ার বৈধ কোন কাগজপত্র তাদের কাছে নেই। এই অবৈধ দখলদার স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা ধর্মীয় সংখ্যালঘু হওয়ায় নানা বৈষম্যর শিকার হয়ে বৈধ মালিক হওয়া সত্বেও জমিটির দখলে যেতে পারিনি। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির মাধ্যমে একাধিকবার অবৈধ দখলদারের সাথে জমির বৈধ কাগজপত্র নিয়ে শালিসের আয়োজন করা হলেও তারা সেই শালিসে উপস্থিত হয়নি। সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ১৭ ডিসেম্বর স্থানীয়দের সহায়তায় আমাদের পৈত্রিক সম্পটি অবৈধ দখল মুক্ত করে আমরা দখলে গিয়েছি। তারপর থেকেই উক্ত অবৈধ দখলদারের যোগসাজসে কয়েকটি ইউটিউব ও ফেসবুক পেইজ এই বিষয়ে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, গৌরাঙ্গ চন্দ্র গুহ,নারায়ন চন্দ্র গুহ,দীপক কুমার গুহ,সুবীর চন্দ্র গুহসহ ওই পরিবারে বেশ কিছু সদস্য।

সংবাদ সম্মেলনে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. ডিসেম্বর ২০২৪ ০৮:৫৪:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনি বাস মালিক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনি বাস মালিক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে শহরের জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এই সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে এই সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব ও টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক শিহাব রায়হান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাফিজা আক্তার, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিএনপি নেতা শ্যামল হোড়, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আতোয়ার রহমান আজাদ প্রমূখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সম্পাদক(মিনিবাস) শফিউল আলম তুষার।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও বর্তমান সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন।
এরপরে সাধারণ সদস্যগনের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সফিকুর রহমান খান, নিলুফার ইয়াসমিন, সৈয়দ জাদেদুল হক, ফারুক হোসেন ধলা, মির্জা আকিবুজ্জামান, নজরুল ইসলাম মিটন, তারিকুল ইসলাম ঝলক প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, বিগত কমিটির মহাসচিব আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বড় মনি টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির অফিসকে তার রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করেছেন। বিগত ১৫ বছরে তিনি মালিক সমিতির প্রায় ৬০ কোটি টাকা লুটপাট করেছেন। বিগত দিনে যারা বড় মনিকে লুটপাটে সহায়তা করেছে তাদের মালিক সমিতির আগামী নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। অবিলম্বে সাধারণ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে। কোন সিলেকশন কমিটি নয়, সাধারণ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত কমিটি গঠন করতে হবে।

পরে সর্বসম্মতিক্রমে সমিতির আগামী নির্বাচন পরিচালনার জন্য ৪ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচন পরিচালনা কমিশনের আহ্বায়ক হচ্ছেন, টাঙ্গাইল জজকোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট মোঃ শফিকুল ইসলাম রিপন, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আতোয়ার রহমান আজাদ,বর্তমান সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ ও বাবু শ্যামল হোড়।

পরে আমন্ত্রিত অতিথিসহ সমিতির সাধারণ সদস্যগন মধ্যাহ্ন ভোজে অংশগ্রহণ করে।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব ছিলেন টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি। গত ৫ আগষ্টের পর থেকে তিনি পলাতক থাকায় বর্তমান সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ডিসেম্বর ২০২৪ ১২:৪২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে আনুতোষিকের চেক প্রদান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে আনুতোষিকের চেক প্রদান

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ল্যাম্পগ্রান্ড ও আনুতোষিকের ১ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে পৌর মিলনায়তনে এ চেক বিতরণের আয়োজন করা হয়।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ১৭ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ল্যাম্পগ্রান্ড ও আনুতোষিকের ১ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

পৌর প্রশাসক (উপ-সচিব) মোঃ শিহাব রায়হানের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ জাকির হোসেন, পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ পারভীন, সাংবাদিক প্রতিনিধি ডেইলি স্টার পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি মির্জা শাকিল প্রমুখ।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী চেক গ্রহীতা মোঃ মোতালেব হোসেন, পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির যুগ্ম- সম্পাদক সাহাদাত হোসেন।

বক্তরা বলেন, আমরা যারা টাঙ্গাইল পৌরসভায় দীর্ঘদিন বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি তারাই চাকুরী শেষে আনুতোষিকের টাকার জন্য ভিক্ষুকের মত ঘুরেছি। ঘুষ দিতে হয়েছে। তারপরও টাকা পাই নাই। দিন পরিবর্তন হয়েছে। এখন আমাদের সুযোগ্য প্রশাসক এসেছেন, তিনি আমাদেরকে ডেকে এনে হাতে চেক তুলে দিলেন। আমরা আনন্দিত। তার জন্য অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. ডিসেম্বর ২০২৪ ০১:৪৭:এএম ২ বছর আগে
বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর নাম পরিবর্তন হয়ে’যমুনা রেল সেতু’ হলো’ - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর নাম পরিবর্তন হয়ে’যমুনা রেল সেতু’ হলো’

একতার কণ্ঠঃ যমুনা নদীতে নির্মিত রেলসেতুর নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‘যমুনা রেলসেতু’। শুরুতে এই সেতুর নাম ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেলসেতু।

রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন।

তিনি বলেন, যমুনা নদীতে নির্মিত রেলসেতুর নাম বঙ্গবন্ধু রেল সেতু থাকছে না। এটি এখন যমুনা রেলসেতু নামেই উদ্বোধন করা হবে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে এই রেলসেতু উদ্বোধন করা হতে পারে।

তিনি জানান, এখন যমুনার বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুতে মিটারগেজের যে রেলসংযোগ রয়েছে তাতে সর্বোচ্চ ৪৩ দশমিক ৭০ কিলো-নিউটন/মিটার ওজন বহনের অনুমতি রয়েছে। ট্রেনে বেশি বগি যুক্ত করার সুযোগ নেই, সঙ্গে রয়েছে এক লাইনের সীমাবদ্ধতা। এই সেতুতে ঘণ্টায় মাত্র ২০ কিলোমিটার গতিতে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার সেতু পার হতে একেকটি ট্রেনের ২৫ মিনিটের মতো সময় লেগে যায়। সেতুর ওপর একটি লাইন হওয়ায় দুই পাড়ের স্টেশনে সিগন্যালের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘসময়। সবমিলিয়ে মাত্র ৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে লাগছে এক ঘণ্টার বেশি।

এই দুর্ভোগ থেকে যাত্রীদের মুক্তি দিতে বিগত সরকার ২০২০ সালের ৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর সমান্তরালে ডুয়েলগেজ ডাবল ট্র্যাকের ৪ দশমিক ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন করে। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৪ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা এবং জাপানের জাইকা ১২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা অর্থায়ন করে।

সেতুর প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার। সেতুর উভয় প্রান্তের দুই স্টেশনে সিগন্যালিং সিস্টেম স্থাপনে ডব্লিউডি-৩ প্যাকেজের কাজ করছে জাপানের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইয়াশিমা।

নতুন এই রেলসেতুর বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান জানিয়েছেন, নতুন এই রেলসেতু দিয়ে ব্রডগেজ ট্রেন প্রতি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার ও মিটারগেজ ট্রেন ১০০ কিলোমিটার গতিতে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু সিবিআইএসের কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৪০ শতাংশ। সেতু চালু হওয়ার পরে আরও দুই-তিন মাস সময় লাগতে পারে সিবিআইএস চালু করতে। সিবিআইএস চালু না হওয়ায় মূল সেতুতে নয়, রেলের গতি কমবে সেতুর কানেক্টিং দুই স্টেশনে। নন-ইন্টারলিংক সিস্টেম চালু থাকায় স্টেশনের লুপ লাইনে যখন ট্রেন প্রবেশ করবে, তখন তার গতি কমিয়ে আনতে হবে ১৬ কিলোমিটারে। তবে লুপ লাইন পেরিয়ে মূল সেতুতে রেল ফুল স্পিডে চলাচল করতে পারবে। রেললাইন ও ব্রিজের সক্ষমতা রয়েছে।

যমুনার পুরোনো সেতু দিয়ে বর্তমানে দিনে ৩৮টি ট্রেন চলাচল করছে। নতুন সেতু চালুর পরে আন্তঃনগর, লোকাল, কমিউটার ও মালবাহী ট্রেনসহ ৮৮টি ট্রেন পরিচালনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল রেলওয়ে। তবে সেই বাস্তবতা নেই রেলওয়েতে।

রেলের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, রেলে ইঞ্জিনের সংকট রয়েছে। চাইলেও নতুন ট্রেন দিতে পারছি না। তবে রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করেছিলেন, পাবনাবাসীর জন্য কোনো নতুন ট্রেন পরিচালনা করা যায় কী না। সেটি নিয়ে আমরা ভাবছি।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ডিসেম্বর ২০২৪ ০৯:০৩:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের আশ্রা বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের আশ্রা গ্রামের বিশিষ্ট কাঠ ব্যবসায়ী পিতা মজিবুর রহমান(৫৮) এবং তার বড় ছেলে জাহিদ(২৭)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুরে ব্যবসায়িক কাজ শেষে পিতা-পুত্র দুজনে মিলে আশ্রা বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার পথে আশ্রা বাজারের পশ্চিম পাশে পৌঁছালে একটি অটোরিক্সাকে সাইড দিতে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পিতা-পুত্রের মৃত‍্যু হয়।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমরানুল কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ডিসেম্বর ২০২৪ ০১:২১:এএম ২ বছর আগে
যমুনা রেল সেতু উদ্বোধন ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে: রেল সচিব - Ekotar Kantho

যমুনা রেল সেতু উদ্বোধন ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে: রেল সচিব

একতার কণ্ঠঃ যমুনা রেল সেতু জানুয়ারির শেষ কিংবা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন করার কথা বলেছেন রেল সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম।

তিনি বলেন, যমুনা রেল সেতুটি উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের মেলবন্ধন সৃষ্টি করবে। এ প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ। এখন ফিনিশিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে।

শুক্রবার(২০ ডিসেম্বর )দুপুরে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতুর পূর্বপাড় এলাকায় নবনির্মিত ইব্রাহিমাবাদ স্টেশনের ভবন ও প্লাটফর্ম পরিদর্শনে কালে এসব কথা বলেন তিনি।

রেল প্রকল্পের মান দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে ফাহিমুল ইসলাম বলেন, যমুনা বহুমুখী সেতু দিয়ে ট্রেন কম গতিতে চলাচল করলেও রেল সেতু দিয়ে ট্রেন তার পূর্ণ গতিতে যেতে পারবে।

টাঙ্গাইল-গাজীপুর রেলপথ ডাবল লেন করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, “রেল সেতুটি যেমন জাইকার সহায়তায় বাস্তবায়ন হয়েছে। ঠিক তেমনি আরও বেশ কিছু প্রকল্প জাইকার সহায়তায় করা হবে।

“সেই প্রকল্পগুলোর আওতায় জনগণের সুবিধার জন্য টাঙ্গাইল-গাজীপুর রেলপথ ডাবল লেন করা হবে।”

যমুনা রেল সেতু চালু হলে প্রয়োজনে এই পথে নতুন ট্রেন সংযুক্ত করার কথা বলেছেন রেল সচিব।

এ সময় রেলের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, যমুনা রেল সেতুর প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মাসউদুর রহমান এবং প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় এলাকা পরিদর্শন করেন রেল সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের প্রমত্তা যমুনা নদীর ওপর নির্মিত যমুনা সেতুর ৩০০ মিটার অদূরে দেশের দীর্ঘতম যমুনা রেল সেতুর নির্মাণের কাজ চলছে। দেশের এই দীর্ঘতম রেলসেতু দিয়ে বিরতিহীনভাবে কমপক্ষে ৮৮টি ট্রেন দ্রুত গতিতে সেতু পারাপার হতে পারবে। ফলে সেতু পারাপারে ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় বেঁচে যাবে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ডিসেম্বর ২০২৪ ০১:৩৬:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।