একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধরের শিকার হয়েছেন এক শিক্ষক।
বুধবার (২ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি গ্রামের এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযাগ সূত্রে জানা গেছে, ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি সুফিয়া ওমর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ৬ মাস ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল একই বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র আব্দুর রহমান দেওয়ান।
ঘটনাটি ওই ছাত্রী তার বাবা একই স্কুলের ধর্মবিষয়ক শিক্ষক লুৎফর রহমান শেখকে জানায়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
বুধবার মোটরসাইকেলে করে মেয়েকে নিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন শিক্ষক লুৎফর রহমান শেখ। হামলাকারী অভিযুক্ত আব্দুর রহমান ও তার সঙ্গীরা মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে লুৎফর রহমান ও তার মেয়েকে নামিয়ে লাঠি ও জুতা দিয়ে বেদম মারধর করে।
দেলদুয়ার থানার ওসি মো. নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
একতার কণ্ঠঃ চাকরি স্থায়ীকরণসহ ১৪ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা।
বুধবার (০৩ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৯টা থেকে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত উপচার্য অবরুদ্ধ রয়েছেন।
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি এসএম মাহফুজুর রহমান জানান, তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারী তিন বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করছেন।
সম্প্রতি ১৫টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ১৫টি পদের বিপরীতে এডহক ভিত্তিতে নিয়োজিত ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হোক।
কিন্তু উপাচার্য এ দাবি মানছেন না। তাই তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে বুধবার সকাল সোয়া ৯টা থেকে ভিসির কার্যালয়ের সামনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
ভিসি প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন জানান, ২০১৯ সালে তৎকালীন ভিসি তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারীকে এডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে দুই দফায় ১৫টি পদের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ওই ১৫ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এসময় কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তারা ১৫ পদের বিপরীতে ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি তুলেছেন। তারা কোনো লিখিত পরীক্ষা ছাড়া শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের চাকরি স্থায়ী করার দাবিও করছেন। এ দাবিতে বুধবার সকাল থেকে তাকে (ভিসি) অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে কয়েক দফা কথা বলেছেন। কিন্তু তারা তাদের দাবিতে অনড়।
তিনি আরও জানান, আরও সাতটি পদ বাড়াতে তিনি ইউজিসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি পদ বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
তালাবদ্ধ করে রেখে উপচার্যের ব্যক্তিস্বাধীনতা হনন করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গর্ভবতী ফাতেমা আক্তার (৩৫) লাশ উদ্বার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। বুধবার (২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের দক্ষিন সহবতপুর গ্রাম থেকে নিখোঁজের ৬ দিন পর ঝুলন্ত অবস্থায় তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
মৃত ফাতেমা আক্তার সহবতপুর গ্রামের মৃত সমাজ মিয়ার ৩য় কন্যা।
পবিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ফাতেমার বিয়ের কয়েক বছর পর সন্তান সহ ১ম স্বামী আলীম, ফাতেমাকে তালাক দেয়। ফাতেমা সংসারের অভাবের তারনায় সৌদি পাড়ি দেন। টানা ৫ বছর প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরত আসে। পরে ফাতেমা ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরী নেন। চাকুরী সুবাদে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার মো. আরশেদ আলীর ছেলে রুবেল মিয়া সাথে প্রথমে প্রেম পরে বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় ২ মাস পর রুবেলের ছোট ভাই শামীমের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে ফাতেমা। পরে রুবেলকে তালাক দিয়ে ছোট ভাই শামীমকে বিয়ে করে সাত মাস ধরে ঘর সংসার করে আসছিল। এরই মধ্যে চার মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে ফাতেমা।
গত (২৭ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার স্বামীসহ ফাতেমা তার বাবার বাড়ী সহবতপুর আসেন। পরের দিন সকালে স্বামী শামীম ঘুম থেকে উঠে তার স্ত্রী ফাতেমাকে আর খোঁজে পান না। ফাতেমার বাড়ীর লোকজন স্বামী শামীমকে চাপ সৃষ্টি করলে শামীম কোন কিছু উত্তর না দিয়ে পালিয়ে ঢাকা চলে যায়। নিহত ফাতেমার বাড়ীর লোকজন শামীমের মোবাইল ফোনে যোগযোগ করলে শামীম নানা রকম কথা বার্তা বলে। নিখোঁজের ৬ দিন পর বাড়ির পাশ থেকে মাটি আনতে গিয়ে ঝোপের মধ্যে ফাতেমার ঝুলান্ত লাশ দেখতে পান চাচাতো ভাবি পারুল।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (তদন্ত) হাসান সরকার জাহিদ বলেন, সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্ত জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে দ্রুত গতির বাস চাপায় ঘোড়ার গাড়ির দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো দুই জন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা- টাঙ্গাইল – বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া ১২ নম্বর সেতুর কাছে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার মালিহাটা গ্রামের বাবলু পোদ্দার (৬৫) ও শাহজানপুর উপজেলার পোয়ালগাথা গ্রামের ইউনুস আলী (৫৫)। নিহতরা জামালপুর থেকে ঘোড়া কিনে বগুড়ায় ফিরছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, হতাহতরা জামালপুরের একটি হাট থেকে ঘোড়া কিনে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের হাতিয়া এলাকার ১২ নম্বর সেতু পাড় হওয়ার সময় ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তাদের বহনকারী ঘোড়ার গাড়িকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত দুইজনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় রয়েছে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এসআই মো. নাজমুল হাসান বলেন, ‘নিহতদের লাশ আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। যাত্রীবাহী বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে ট্রাকের পেছনে চলন্ত মাইক্রোবাসের ধাক্কায় দুই পুলিশ সদস্যসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুইজন। সোমবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মধুপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকালে নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন, জামালপুর সদরের নারায়নপুর পুলিশ ফাড়ির সদস্য নুরুল ইসলাম ও সোহেল রানা। অপর নিহত হলেন ধর্ষণ মামলার আসামি লালন (২৪)। লালন জামালপুর সদরের গজারহাটা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মাজহারুল আমিন জানান, ধর্ষণ মামলার আসামিকে মেডিকেল পরীক্ষা শেষে মাইক্রোবাসে ঢাকা থেকে জামালপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ফেরার পথে গোলাবাড়ি এলাকায় একটি ট্রাকের পিছনে মাইক্রোবাসটি ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই পুলিশ সদস্য এবং ধর্ষণ মামলার আসামির মৃত্যু হয়।
তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার সকালে নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পুলিশ সদস্যদের মরদেহ তাদের ইউনিটে পাঠানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ( ২৪ অক্টোবর) দুপুরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একুশে পদক প্রাপ্ত ফজলুর রহমান খান ফারুক সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক,সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হযরত আলীর নাম ঘোষণা করেন।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন ও সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির প্রমুখ।
এর আগে বৃষ্টি বিঘ্নিত আয়োজন স্থলে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্ষিয়ান আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাহাবুব আলম মহিন (৪২) নামে ব্যাটারিচালিত এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আছিমতলা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মাহাবুব আলম মির্জাপুর পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়া গ্রামের মিনহাজ উদ্দিনের ছেলে। দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাই করতেই তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মাহাবুব প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত মির্জাপুর বাজারে অটোরিকশা চালাতেন। প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার সন্ধ্যায় তিনি অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যান। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তার গলায় স্কচটেপ পেঁচানো এবং মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মরদেহ দেখে পরিচয় শনাক্ত করে।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাই করতেই তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ রুটে শনিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ ময়মনসিংহে বিএনপির সমাবেশে টাঙ্গাইল থেকে যাতে নেতাকর্মীরা যোগদান করতে না পারে এজন্য প্রশাসনের নির্দেশে বাস চলছে না।
সকালে টাঙ্গাইল বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, ময়মনসিংহ অভিমুখী কোনো বাস চলছে না।
মালিক ও শ্রমিকরা জানান, মালিক সমিতির নির্দেশে চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাস মালিক সমিতির নেতারা এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মালিক নেতা জানান, উপরের নির্দেশে ময়মনসিংহ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল জানান, ময়মনসিংহের সমাবেশে টাঙ্গাইল শহর থেকে যোগদানের কোনো পরিকল্পনা ছিল না। তবে মধুপুর থেকে নেতাকার্মীদের যোগদানের কথা ছিল। বাস বন্ধ থাকলেও বিকল্প পথে সেখানকার নেতাকর্মীরা ময়মনসিংহে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. শাহীন (২১) নামের এক প্রাইভেটকার চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার সখীপুর-সাগরদীঘি সড়কের সাবেদেরচালা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নিহত শাহীন সখীপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাফিজুর রহমানের ছেলে। দুর্ঘটনায় একই এলাকার সানোয়ার হোসেন নামের এক যুবক আহত হয়েছেন। আহত সানোয়ার হোসেনকে টাঙ্গাইল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার ভোরে প্রাইভেট কারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেট কারের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই চালক শাহীনের মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রাইভেট কারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অতিরিক্ত গতিতে একটি গাছকে ধাক্কা দিয়েছে। মরদেহ থানায় নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিনিময় ও শিবু পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬ টায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের উপজেলার মোঘলপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঢাকাগামী বিনিময় পরিবহনের একটি বাস ও শেরপুরগামী শিবু পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস সকাল সাড়ে ৬টায় ওই স্থানে পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের ১০-১২ জন যাত্রী আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে বাস দুটি সড়ক থেকে সরিয়ে নেয়।
ঘাটাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তানিয়া নামে এক কলেজছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে ছাড়ায় সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা করেছেন।বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভাতগ্রাম ইউনিয়নের সিংজুরী গ্রামে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
তানিয়া সিংজুরী গ্রামের হারুন মিয়ার মেয়ে এবং মির্জাপুর মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিল।
পারিবারিক সূত্র জানায়, একই ইউনিয়নের বুড়িহাটি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সুজন (২৪) প্রেমের ফাঁদে ফেলে তানিয়ার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। গোপনে তা ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তানিয়ার কাছ থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া কলেজে যাওয়া আসার পথে আরও টাকার জন্য তাকে মারধর করাসহ নানাভাবে ভয় ও হয়রানি করত তানিয়াকে। গত পনের দিন আগে ওই ভিডিওটি ‘লোকাল সাফি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়লে তানিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এক পর্যায়ে বুধবার বিকালে তিনি সুইসাইড় নোট লেখে তাদের বসত ঘরে গলায় উড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এদিকে তানিয়ার আত্মহত্যার খবর জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত সুজন গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
তানিয়ার বাবা হারুন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, গত পনের দিন আগে তার মেয়ে কলেজ থেকে ফেরার পথে সিংজুরী ব্রিজের কাছে তানিয়াকে আটকিয়ে মারপিট করে সুজন। পরে খবর পেয়ে আমরা সুজনকে আটকে রাখি। ইউপি মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম বাদশা এসে সুজনকে সর্তক করে তার বাবা-মার কাছে দিয়ে দেন। কিন্ত তারপরও সুজন তানিয়াকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে।
জাহাঙ্গীর আলম বাদশা মেম্বারের সঙ্গে কথা হলে তিনি এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
তানিয়ার বড় ভাই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আবু তালেব অভিযোগ করে বলেন, ভিডিও ছাড়ার আগে হিলারি নামে তার দশম শ্রেণি পড়ুয়া ফুফাতো বোনের কাছে সুজন হুমকি দিয়ে এসএমএস পাঠায়। তাতে সে লেখে ‘তানি এখন বেশি বুঝল, ওর মরণ আছে’। এরপর ‘লোকাল সাফি’ আইডি থেকে ওই ডিডিও ছেড়ে দিলে তানিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ গিয়ে তানিয়ার মরদেহ থানায় নিয়ে আসে।
সুইসাইড় নোট: ‘আমারে তুমরা সবাই মাফ কইরা দিও, আমার জন্য তুমাগো অনেক মান সম্মান নষ্ট হইছে, আমি চাই না তুমাগো আরো মান সম্মান নষ্ট হক। তোমরা জানো না ঐতি কি কি করছে আমার সাথে। আমের জোর কইরা ধর্ষণ করছে। তারপর আমার ছবি তুইলা সেই ছবি দিয়া আমার কাছে থাইক দেড় লাখ টাকার জিনিস নিছে।’
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, তানিয়া নামে ওই কলেজ ছাত্রী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। একটি সুইসাইড় নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আত্মহত্যার কারণ উদঘাটন করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব। বুধবার (০৮ জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান ও স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি মোঃ এরশাদুর রহমান এর নেতৃত্বে সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পশ্চিম পাশে রাস্তার ওপর অভিযান পরিচালনা করে র্যাব । এসময় ১৬ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো, ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের তায়েজ উদ্দিনের ছেলে শাহীন আলম (৩৪), উত্তর হুগড়া গ্রামের আয়নালের ছেলে কালাচান (২৭), চর হুগড়ার মকতেল মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (২৪), রফিকুল ইসলামের ছেলে খোরশেদ আলম(২৩) ও সাতানি হুগড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে হাসান আলী (১৮)।
এ ব্যাপারে , র্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেন, আটককৃত আসামীগণ জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার কার করে তারা মাদকদ্রব্য গাঁজা অবৈধভাবে জেলার সদর উপজেলার সহ বিভিন্ন উপজেলায় মাদক সেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করে আসছিলো তারা।
তিনি আরো বলেন, আটককৃত আসামী ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলা দায়ের করা হয়েছে।