আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল শহরের এনায়েতপুরস্থ হযরত ফাতেমা (রা.) মাদ্রাসার হিফজ শাখার এক শিশু শিক্ষার্থীকে (১০) যৌন নিগ্রহের অভিযোগে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ (২৫) ও তার বড় ভাই ওই মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের এনায়েতপুর (বৈল্যা) থেকে ওই মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহকে ও বুধবার (৬ আগস্ট) বিকেলে অভিযুক্ত শিক্ষক ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা যায়, শহরের এনায়েতপুর (বৈল্যা) পালপাড়ার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদুল্লাহ ধুলেরচর মাদ্রাসার পাশে হযরত ফাতেমা (রা.) মহিলা মাদ্রাসা নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করে পরিচালক হিসেবে চালাচ্ছিল। পরে তার ছোট ভাই ওবায়দুল্লাহকে ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে তিনি নানা অজুহাতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়া, অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া ইত্যাদি অপকর্ম করে আসছিলেন।
গত ২৭ জুলাই আবাসিকে থেকে মাদ্রাসার হিফজ শ্রেণির এক ছাত্রীকে নির্জন কক্ষে ডেকে নিয়ে ‘জিনের’ ভয় দেখিয়ে চোখ বেঁধে পড়নের কাপড় খুলে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ সহ যৌন নিগ্রহের চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে ওই শিশু শিক্ষার্থী পালিয়ে কক্ষ থেকে দৌঁড়ে বেড়িয়ে গিয়ে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করে। পরে ওই শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে তার মাকে ঘটনা খুলে বলে। তার মা স্থানীয় মাতব্বরদের সঙ্গে পরামর্শ করে মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লার কাছে বিচার চান। পরিচালক মাদ্রাসার ওই শিক্ষক তার ভাই হওয়ায় এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ায় স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) মাদ্রাসার পরিচালকের কাছে গিয়ে ঘটনার বিষয়ে জানতে চায়।
এ সময় পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহ তার ভাই ওবায়দুল্লাহকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়ে বলেন, শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ পালিয়ে গেছে, সে যদি অপরাধী হয়ে থাকে আইন তাকে শাস্তি দিবে- আপনারা থানায় যান।
এ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মোহাম্মদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই শিশুশিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-৮, তাং-৬/৮/২০২৫ইং) দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর বুধবার বিকালে পুলিশ মাদ্রাসার শিক্ষক ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।
এলাকাবাসী জানায়, হযরত ফাতেমা (রা.) মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ মাদ্রাসার ওয়াশরুমে ক্যামেরা লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ‘জিনের’ ভয় দেখিয়ে অনৈতিক অপকর্ম করে। ইতোপূর্বে ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থীকে তিনি শিকার বানিয়েছেন। মাদ্রাসার পরিচালকের কাছে অভিযোগ করা হলে মোহাম্মদুল্লাহ সব ক্ষেত্রেই ঘটনা ধামাচাপা দেন। হিফজ শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঘটনাটিও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। শিক্ষার্থীর বুদ্ধিমত্তা ও অভিভাকদের সচেতনতায় এবার তিনি সফল হতে পারেনি। এলাকাবাসী শিক্ষা প্রতিষ্ঠনটির পরিচালক ও তার লম্পট ভাইয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
যৌন নিগ্রহের শিকার শিশু শিক্ষার্থীর মা ও মামলার বাদী জানান, লম্পট শিক্ষক ওবায়দুল্লাহ ইতোপূর্বেও এ ধরণের কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়েছে। কোনটিরই বিচার হয়নি। শাস্তি না হওয়ায় সাহসী হয়ে তার শিশুকন্যাকে তার লালসার শিকার বানিয়েছে। তিনি অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ জানান, মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিগ্রহ করার চেষ্টার অভিযোগে তার মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালক মোহাম্মদুল্লাহ ও তার ভাই ওবায়দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরমান কবীরঃ বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ না থাকলে ফ্যাসিবাদ আবার সুযোগ নিবে। গত বর্ধিত সভায় তারেক রহমান বলেছিলেন, সুদৃঢ় ঐক্যই রুখে দিতে পারে সকল ষড়যন্ত্র। আজকে নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের কারণে ১৪, ১৮ ও ২৪ সালে দেশের জনগণ ভোট দিতে পারেনি। কারণ তারা ভোটকে ভয় পাইতো, জনগণের শক্তিকে ভয় পাইতো। এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন চায়। নির্বাচন নিয়েও ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শহর ও থানা বিএনপি’র উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ছাত্র জনতার বিজয়ের বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের বিপক্ষে যখন যে গেছে, তার পরিস্থিতি ভাল হয়নি। এরশাদ জনগণের ভোটকে লুণ্ঠন করেছিল, এরশাদ টিকতে পারেনি। খুনি শেখ হাসিনা জনগণের ভোট কেড়ে নিয়েছিল। ফ্যাসিবাদ উপাধি পেয়ে জনগণ থেকে ধিকৃত হয়ে বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছে।
টুকু আরও বলেন, যারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে চাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে জনগণ আবার গর্জে উঠবে। আর তালবাহানা না করে জনগণের সেন্টিমেন্ট অনুযায়ী দ্রুত নির্বাচন দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন , জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
পরে শহিদ মিনার থেকে একটি বিজয় মিছিল বের করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন নেতাকর্মীরা।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে সম্মিলনের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে ওই সম্মিলনে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক আল-আমিন, সদস্য সচিব আবু আহমেদ শেরশাহ, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি ফাতেমা রহমান বীথি সহ আহত ও শহীদদের পরিবারের সদস্যরা।
আলোচনার এক পর্যায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং শুরুতে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জুলাই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
এসময় জেলার জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারা এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও শহর বিএনপি’র আয়োজনে বিজয় র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজামিল শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. আজগর আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রউফ।
এরআগে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অনুষ্ঠানে জেলা-উপজেলা ও শহর বিএনপি’র বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নেতাকর্মী অংশ নেয়।

দিনটি উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে একাডেমিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মঙ্গলবার দুপুর দেড় টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
বিকাল সাড়ে ৫টায় মুক্তমঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংগীত, কবিতা ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে গণআন্দোলনের চেতনা তুলে ধরেন।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে বিএনপি’র তিন নেতার নামে ‘মিথ্যা মামলা’ ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে বৃহত্তর সন্তোষের প্রতিবাদী ও শান্তিকামী নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তারা গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি দাবি করেন।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মনিরুজ্জামান, মাছুম আহমেদ, গফুর সিকদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জুবায়ের হোসেন, গোলাম রাব্বানী ও শাহ আলম দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছভাবে বিএনপি’র রাজনীতি করে আসছেন। শনিবার একটি চাঁদাবাজির মামলায় বিএনপি’র তিন নেতাসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কিন্ত এ মামলাটি কাল্পনিক ও ভুয়া, যেভাবে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলের নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলা দেওয়া হতো। এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজী নজরুল ইসলাম প্রথমে গ্রেপ্তার দুইজনকে নির্যাতন করে বিএনপি’র তিনজনের নাম বলতে বাধ্য করান। গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাদের খাবার দিতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। যারা এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের দাবি করছি। একই সঙ্গে তাদের মুক্তির দাবি করছি।
পরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে মামলা প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন।
উল্লেখ্য, ‘কিলার গ্যাং’ নামে একটি সংগঠনের প্যাডে এক মাছ ব্যবসায়ীর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে পাঠানো চিঠির ঘটনায় বিএনপি’র ওই তিন নেতা সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুক্রবার (১ আগস্ট) রাতে ও শনিবার (২ আগস্ট) ভোরে টাঙ্গাইল পৌরসভার সন্তোষ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জেলা বিএনপি গ্রেপ্তার হওয়া নেতাদের দল থেকে বহিষ্কার করে।
আরমান কবীরঃ বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, আমরা সব সময় এক কথার মধ্যে রয়েছি। আমরা পিআর পদ্ধতি নয়, ওয়েজ ম্যানেজমেন্ট যে পদ্ধতি আমাদের গতানুগতিক যে পদ্ধতি রয়েছে, মানুষ যেটিতে অভস্ত, যে এলাকার নেতা, ওই এলাকার লোনজন তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। এই সময় যারা নিয়মের ব্যত্যয়ের কথা বলে, তাদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে একটি ষড়যন্ত্র রয়েছে, নির্বাচন বিলম্বিত করার জন্য। আমরা জনগণের উপরে বিশ্বাসী। অতীতে জনগণ সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী দিনেও নিবে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) দুপুরে ‘আমাদের টাঙ্গাইল আয়োজিত’ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এসএসসি-২০২৫ সালে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, এই দেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকার চায়। এদেশের মানুষ ১৪, ১৮ এবং ২৪ সালে ভোট দিতে পারেনি। মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেছি আমরা, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে। আমরা ক্ষমতায় যাবো এ কথা আমরা বলিনা, মানুষের ভোটের অধিকার আমরা ফেরত দিতে চাই। মানুষ তার প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। দেশের মানুষ হচ্ছে এই দেশের মালিক। জনগণ ঠিক করবে এই দেশ কে পরিচালনা করবে।
টুকু আরো বলেন, সবাই পিআর পদ্ধতি চায় না। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কমেন্টস শুনছেন আপনারা। সোসাল মিডিয়া যারা দেখছেন, তারা অনেকেই শুনবেন। পাকিস্তানে টি-টুয়েন্টি তিনটি ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশ জিতে সিরিজ জয়লাভ করেছে। পাকিস্তান পরবর্তী ম্যাচে বেশি রান করেছে এবং রানের যোগফলে পাকিস্তান বেশি আছে। তার মানে কি সিরিজ পাকিস্তান জয়লাভ করলো। মানুষ এই কমেন্টস করে, ভোট দিলাম সন্দিপে, এমপি পেলাম মালদ্বীপে। তার মানে আপনি ভোট দিবেন টাঙ্গাইলে, এমপি পাবেন নোয়াখালীর, তাহলে কি হবে? টাঙ্গাইলের মানুষের সম্পর্কে টাঙ্গাইলের মানুষেরই জানতে হবে।
দ্যা ডেইলি স্টারের স্টাফ রিপোর্টার মির্জা শাকিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দ্যা প্রেসিডেন্ট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জুলফিকার আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
আরমান কবীরঃ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়ায় টাঙ্গাইল জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি আব্দুল আউয়ালকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) জিয়া পরিষদের মহাসচিব প্রফেসর এমতাজ হোসেন লিখিতভাবে তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেন।
লিখিত চিঠিতে জিয়া পরিষদের মহাসচিব উল্লেখ করেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে দেয়া আব্দুল আউয়ালের বক্তব্যের ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যা বিএনপির কেন্দ্রীয় এবং জিয়া পরিষদের নেতাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তার এই বক্তব্যে বিএনপি এবং জিয়া পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। তাই তাকে জিয়া পরিষদের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি পদসহ সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, টাঙ্গাইল জেলা জিয়া পরিষদের ১নং সহ-সভাপতি পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
টাঙ্গাইল জেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাইদুল হোসেন শিশির বলেন, বিষয়টি আমি ফেসবুকে দেখেছি। আমি এখন পর্যন্ত চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে এ বিষয়ে সঠিক তথ্য জানাতে পারব।
আরমান কবীরঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা মওলানা ভাসানীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই। কারণ তাকে ইতিহাসে স্মরণ করা হয় না। ভাসানীর মতো মহান রাজনৈতিক পুরুষ, বাংলাদেশের স্থপতি থাকা সত্ত্বেও শুধু একজনকে জাতির পিতা ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৫৪ বছরে একজন ব্যক্তিকে পূজা করা হয়েছে। কিন্ত ভাসানীরা না থাকলে শেখ মুজিব কখনো তৈরি হতে পারতেন না।
মঙ্গলবার(২৯ জুলাই )দুপুর দেড়টায় টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে এনসিপি আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “এই টাঙ্গাইলের প্রতিটি ইঞ্চি সংগ্রামের সাক্ষী। কৃষকের ঘামে গড়া এই টাঙ্গাইলেই মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে বহু ঐতিহাসিক আন্দোলনের সূচনা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “ভাসানী শুধু বাংলাদেশের নয়, উপমহাদেশের অনন্য এক রাজনৈতিক পুরুষ। আসামের বাঙালি মুসলমান কৃষকদের জমির অধিকার আদায়ে তাঁর সংগ্রাম আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা, তৃণমূল রাজনীতির পথিকৃৎ।”
সমাবেশে তিনি আরও বলেন, “ভাসানীই প্রথম বুঝেছিলেন পাকিস্তানের সঙ্গে এক ছাদের নিচে বাঙালির টিকে থাকা অসম্ভব। কাগমারী সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বিদায়ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন।”
ভাসানীর অবদান স্মরণ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “তাঁকে ইতিহাসে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। শেরে বাংলা ফজলুল হক এবং মওলানা ভাসানীর মতো নেতাদের বাদ দিয়ে ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে। অথচ শেখ মুজিবুর রহমানও ভাসানীর রাজনৈতিক ধারার উত্তরসূরি।”
তিনি বলেন, “১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেপথ্য কারিগর ছিলেন মওলানা ভাসানী। আমরা তাঁর আদর্শ বুকে ধারণ করে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে দেশের সামনে একটি বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড় করাতে চাই।”
তিনি বলেন, এই টাঙ্গাইলের প্রতিটি ইঞ্চি সংগ্রামের সাক্ষী দেয়। কৃষকের ঘামে গড়া এই টাঙ্গাইল আমাদের বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গেছে। টাঙ্গাইল আসলেই প্রথম যার কথাটি বলতে হয় তিনি হলেন মেহনতি ও গণমানুষের নেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। তিনি শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো উপমহাদেশের একজন অনন্য রাজনৈতিক পুরুষ ছিলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী,
উত্তরাঞ্চলের যুগ্ম মূখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আজাদ খান ভাসানী, টাঙ্গাইল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
এই পথ সভা শেষে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গাজীপুর জেলার উদ্দেশ্য টাঙ্গাইল ত্যাগ করে।
আরমান কবীরঃ মাওলানা ভাসানীর পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী যে মেহনতি মানুষের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, এনসিপি সেই উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
সোমবার (২৮ জুলাই) রাতে জুলাই পদযাত্রায় টাঙ্গাইলে এসে সন্তোষে মাওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী ছিলেন কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যিনি একইসঙ্গে পিণ্ডি ও দিল্লীর আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।’
মাওলানা ভাসানী ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের কারিগর ছিলেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী যে মেহনতি মানুষের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, এনসিপি সেই উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই দায়িত্বের রাজনীতি নিয়েই মাওলানা ভাসানীর পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই। একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’
এ সময় দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী, উত্তরাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আজাদ খান ভাসানী, টাঙ্গাইল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পদযাত্রাকে সফল করতে এরমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা নাগরিক পার্টির নেতারা। মাজার জিয়ারত শেষে তারা রাতে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের অগ্রনায়কদের পদচারণায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা সদরের শামসুল হক তোরণ থেকে পদযাত্রাটি শুরু হবে। পরে সেটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিরালামোড়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হবে।
আরমান কবীরঃ গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারি জোনায়েদ সাকি বলেছেন,যিনি প্রধানমন্ত্রী হোন তার কাছে সব ক্ষমতা, আর সেই ক্ষমতা খাঁটিয়ে জনগণের প্রতি স্টিম রুলার চালিয়েছে।জনগণের সব অধিকার কেঁড়ে নিয়েছিলো।এছাড়া ভোটের অধিকারও কেঁড়ে নিয়েছিলো শেখ হাসিনা,এ জন্য ২০০৮ সালে তত্ববায়ধক সরকার গঠন করেছিলো কিন্তু শেখ হাসিনা ক্ষমতায় গিয়ে ২০১১ সালে বাতিল করে দেন।
রবিবার (২৭ জুলাই) বিকালে টাঙ্গাইল নিরালা মোড়ে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে টাঙ্গাইল জেলা গণসংহতি আন্দোলনের আয়োজনে জুলাই শহীদদের স্বরণে জুলাই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন,যদি আমরা একদম ফ্যাসিবাদ দূর করতে না পারি তাহলে এদেশ ঠিক হবেনা,গত ১৮ বছর যাবত দেশের মানুষ লড়াই করছে,বিগত সময়ে বিরোধীদলীয় নেতাদের উপর অত্যাচার নিপিড়ন,গুম হত্যা সহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেছে যার বর্ণনা দেওয়া যাবেনা। ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো,জনগণ তখনো বুঝে উঠেনি কিন্তু এবার ২৪শে মানুষের স্ফুলিঙ্গ ফুটে উঠেছিলো। যার ফলে আন্দোলন সফল হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা গণসংহতি আন্দোলনের সভাপতি মোফাখখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলার সভাপতি ফাতেমা রহমান বিথি,গণসংহতি আন্দোলনের টাঙ্গাইল পৌর কমিটির সদস্য সচিব ফারজানা জেসমিন,জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ মারুফের মা মোর্শেদা বেগম প্রমূখ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা রেলস্টেশনের পাশে এক যুবতীকে (২২) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৬ জুলাই ) সকালে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ব্রাহ্মণকুশিয়া সুতার পাড়া এলাকার সেন্টু চন্দ্র দাশের ছেলে দুলাল চন্দ্র (২৮), হালিম খানের ছেলে সজিব খান (১৯) ও মৃত কিসমত মিয়ার ছেলে রুপু মিয়া (২৭)। গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই পেশায় সিএনজি চালক।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাতে ওই যুবতি ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার নাছিরনগর থেকে ঢাকা এয়ারপোর্ট রেলস্টেশনে আসেন। সেখান থেকে তিনি চট্টগ্রাম যাওয়ার জন্য ভুলবশত উত্তরবঙ্গগামী দ্রুতযান ট্রেনে উঠে পড়ে। এসময় তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুম থেকে উঠে অন্যযাত্রীদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা টাঙ্গাইলের কথা বলেন। পরে ওই যুবতী রাত সাড়ে ১২ টার দিকে টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেলস্টেশনে নামেন। এসময় ওই নারী স্টেশনে নেমে জিআরপি পুলিশকে বিষয়টি অবগত করেন। জিআরপি পুলিশের এক সদস্য সিএনজি চালক দুলালকে ঢাকার ট্রেনে উঠিয়ে দেয়ার কথা বলে।
এ সময় ওই তরুণীকে ফুসলিয়ে প্রথমে স্টেশনের পিছনে কাঠবাগানে নিয়ে দুলাল ধর্ষণ করে। পরে স্টেশন সংলগ্ন ব্রাহ্মণকুশিয়া গ্রামে অভিযুক্ত রুপু মিয়ার বাড়িতে নিয়ে রুপু মিয়া ও সজিব খান ধর্ষণ করে।
এ ঘটনার পর ওই যুবতি শনিবার ভোরের দিকে রেলস্টেশনে গিয়ে রেল পুলিশকে ধর্ষণের বিষয়টি জানালে তারা থানা পুলিশকে জানায়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে সকালে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় ওই নারী বাদি হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত আসামীদের ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে এশিয়ান মেডিকেল ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী ও ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের ক্লাব রোডে অবস্থিত মহিলা সমিতি মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ডাক্তার মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এশিয়ান মেডিকেল ইনস্টিটিউটের পরিচালক মো. আশরাফ সিদ্দিকী।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার মো: মোস্তাফিজুর রহমান।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতির টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান জিন্নাহ, টাঙ্গাইলের যুব-উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক রনজিৎ কুমার সূত্রধর, ঢাকা ডেন্টাল কলেজের চিকিৎসক সানজিদা আক্তার, মেহেদী আব্দুল্লাহ ও রাসেল মিয়া।
পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শেষে ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়।
আরমান কবীরঃ জামায়াতে ইসলামীর অনেক দায় বিএনপি নিয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, কথা বলে কিন্তু লাভ হবে না। বরং বিএনপির সঙ্গে যখন ছিলেন, আপনাদের অনেক দায় কিন্তু বিএনপি নিয়েছে। মানুষ বলতো বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল, স্বাধীনতা যুদ্ধে যাদের অবদান, স্বাধীনতার ঘোষকের দল- তারা কেন রাজাকারদের সঙ্গে রাখছে?
শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে শহীদ জিয়াউর রহমান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে জেলা জাসাস আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এ মানববন্ধনে টুকু বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে যে কথাটি এখন তারেক রহমান বলেন, দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা এ ভূখণ্ডে যারা অবস্থান করি সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে গড়ে তোলার জন্য তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের। যারাই আন্দোলনে অংশ নিয়েছে ও সম্পৃক্ত ছিল সবাইকে নিয়ে আগামী দিনে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে।
এ সময় তিনি জামায়াতের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা জনগণের অধিকার হরণ করেছিল, ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল, তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ দেশের ছাত্র-জনতা তাদেরকে বিতাড়িত করেছে। আপনারাও যদি জনগণের সে অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টিকারী হন, আপনাদের পরিণতিও এ রকমই হবে। বাংলাদেশের জনগণ তাদের অধিকার আদায়ে সবসময় সক্ষম হয়েছে।
মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।