একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকে রামদা নিয়ে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে স্থানীয় জনতা এক যুবককে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এসময় তার কাছ থেকে একটি রামদা, হাতুড় উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃত যুবকের নাম মেহেদি হাসান। সে সখিপুর উপজেলার গোহাইলবাড়ী গ্রামের মৃত নাজমুল হাসানের ছেলে।
ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের এলেঙ্গা শাখার দায়িত্বে থাকা মনিরুল ইসলাম রনি জানান, আমি ক্যাশে বসে দায়িত্ব পালন করছিলাম। হুট করে দেখি মুখোশ পড়া এক যুবক প্রবেশ করে বড় রামদা নিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। তখন আমি ক্যাশের ড্রয়ার বের করে আত্মরক্ষার চেষ্টা করি এবং ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে জনতা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সহকারী পুলিশ সুপার (কালিহাতী সার্কেল) শরীফুল হক জানান, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংক ডাকাতি প্রস্তুতিকারী যুবককে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে । আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ভালোবেসে বিয়ে করেও ঘর বাঁধতে পারছেন না নুরজাহান আক্তার (২০) নামের এক তরুণী। স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে পাঁচ দিন ধরে স্বামীর বাড়িতে অনশন করছেন তিনি।
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের ভাতগড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
দেড় মাস আগে ওই গ্রামের রমজান খানের ছেলে নীরবের হোসেনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নুরজাহান ফুলবাড়িয়া উপজেলার ফুলতলা গ্রামের দরিদ্র সুরুজ মিয়ার মেয়ে।
নুরজাহান জানান, গত ১ বছর আগে নীরবের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর সূত্র ধরে দেড় মাস আগে পরিবারের অজান্তে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন তারা। কিছুদিন আগে তাকে ফেলে নীরব বাসা ছেড়ে দেন এবং মোবাইল বন্ধ করে আত্মগোপন করেন। কোনো উপায় না পেয়ে তিনি গত মঙ্গলবার নীরবের বাড়িতে আসেন এবং স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে অনশন শুরু করেন। এ সময় নীরবের মা ও খালাতো বোন নুরজাহানকে ঘরে ঢুকতে বাধা প্রদান করেন। ফলে চাচার বাড়িতে নুরজাহান একাকী অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।
কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন বলেন, বিষয়টি জেনেছি। দুই পক্ষের অভিভাবকদের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, ঘটনাটা আমার জানা নেই। তবে মেয়েটি যদি আইনের সাহায্য চায়, তাহলে তাকে আইনগত সহায়তা দেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অবৈধভাবে মজুদ সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির (ওএমএস) ২০০ বস্তা চাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের ধুবলিয়া এলাকা থেকে বাবুল নামের এক চাল ডিলারের গোডাউন থেকে ওএমএসের ২০০ বস্তা চাল জব্দ করেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামান্না রহমান জ্যোতি।
ধুবলিয়া গ্রামের অনেকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে কুঠিবয়ড়া গ্রামের আকবর হোসেনের ছেলে বাবুল সরকারি চাল কেনাবেচা করছেন।
হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করা চালসহ সরকারের বিভিন্ন খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল কিনে কালোবাজারি জন্য ধুবলিয়া এলাকার একটি ঘরে মজুদ করে রাখতেন। পরে সেখান থেকে ট্রাকযোগে দেশের বিভিন্ন খাদ্য গোডাইন ও চালের ডিলারদের কাছের বিক্রি করতেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে কালোবাজির উদ্যোশে মজুদ রাখার খবরে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন। এতে ধুবলিয়া এলাকায় চালের ডিলার বাবুলের গোডাইন থেকে ২০০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। প্রতি বস্তায় ৩০ কেজি করে চাল রয়েছে। এতে অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না রহমান জ্যোতি।
ফলদা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদু বলেন, এখানে গোডাউন ভাড়া নিয়ে সরকারি চাল কালোবাজারি হচ্ছে, সেটা জানা ছিল না। ডিলার বাবুলের বাড়ি অর্জূনা ইউনিয়নের কুঠিবয়ড়াতে। বাবুলের শাস্তি দাবি করছি।
ইউএনও মো. বেলাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ২০০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। যাচাই বাচাই শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌরসভার আভুঙ্গী চরপাড়ার জনৈক কামরুল ইসলামের বাড়িতে পর্ণগ্রাফি ভিডিও ও ছবি তৈরিকালে অভিযান চালিয়ে ৮ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে পর্ণগ্রাফি ভিডিও ও ছবি প্রস্তুতের কাজে ব্যবহৃত ৮টি ল্যাপটপ ও কম্পিউটার জব্ধ করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোপালপুর থানা পুলিশ বুধবার(১৮ জানুয়ারি) রাতে ওই অভিযান চালায়। অভিযানের সময় অজ্ঞাত আরও ১০-১৫জন পালিয়ে যায়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- আভুঙ্গী চরপাড়া গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে রনি মিয়া(২৭), শামছুল হকের ছেলে নাজমুল ইসলাম(১৯), মুসলিম উদ্দিনের ছেলে শাহিন মিয়া(২৭), হাকিম মিয়ার নাতি আমিরুল ইসলাম(২৪), মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে সানি মিয়া(১৯), গোলাম হোসেনের ছেলে সাকিব হোসেন(২৩), মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. আলম(২৫), বাখুরিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত মুসলিম উদ্দিনের ছেলে ফজলুল হক(৪০)। এ ঘটনায় পর্ণগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করার পর তাদেরকে আদালতে মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, জব্ধকৃত ল্যাপটপ ও কম্পিউটার থেকে বিপুল পরিমাণ অশ্লীল ভিডিও ও ছবি পাওয়া গেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে এসব অশ্লীল কণ্টেণ্ট দিয়ে অসাধু উপায়ে টাকা উপার্জন করছিল।
গোপালপুর বাজারের ব্যবসায়ী এনামুল হক, তারা মিয়া, আরিফুল ইসলাম সহ স্থানীয়রা জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই ফ্রিল্যান্সার হিসেবে তারা জানতেন। এই পরিচয়ের আড়ালে তারা এসব অপকর্ম করতেন তা জানা ছিলনা। গ্রেপ্তারের পর এখন শোনা যাচ্ছে- পাশের মধুপুর পৌরসভার কোন এক জায়গায় তাদের প্রধান কর্যালয় রয়েছে। সেখান থেকে তারা অবৈধ কাজের প্রশিক্ষণ নিয়েছে।
গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, পুলিশ একটি সাধারণ ডায়েরির তদন্ত করতে গিয়ে এই চক্রের সন্ধান পায়। গ্রেপ্তারকৃতদের জবানবন্দি অনুযায়ী এই চক্রের অন্য সদস্যদের খোঁজা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ও ৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হত্যার অনত্যম প্রতিবাদকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের মৃত্যুবার্ষিকীতে বুধবার(১৮ জানুয়ারি) হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এছাড়া মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমের কবর জিয়ারত, কোরআনখানী, দোয়া মাহফিল ও দরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয় ।
বুধবার(১৮ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ ও পরিবারের পক্ষ থেকে জনপ্রিয় প্রয়াত নেতা ফারুক আহমদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ ছাড়া তার নিজ বাসা শহরের কলেজ পাড়ায় কোরআনখানী, দোয়া মাহফিল ও দরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
দুপুরে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, নিহত ফারুক আহমদের স্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন ও সুভাষ চন্দ্র সাহা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।
এ সময় আওয়ামী লীগ ছাড়াও ছাত্রলীগ, আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলাটি টাঙ্গাইল প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এ পর্যন্ত ২৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। আগামি ২ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ রয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির কাছ থেকে জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।
২০১৪ সালে ওই মামলায় জড়িত থাকা সন্দেহে আনিসুল ইসলাম ওরফে রাজা এবং মোহাম্মদ আলী নামক দুই জনকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাদের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হত্যার সাথে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার অপর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ওরফে কাকন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি সানিয়াত খান ওরফে বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে সংসদ সদস্য আমানুর রহমানরা চার ভাইসহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়।
এ মামলার আসামি আমানুর রহমান খান আত্মসমর্পনের পর তিন বছর হাজতবাসের পর জামিনে মুক্ত রয়েছেন। তার অপর ভাই সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান দুই বছর আগে আদালতে আত্মসমর্পনের পর এখন পর্যন্ত কারাগারে রয়েছেন। আরও কারাগারে রয়েছেন আলমগীর হোসেন। আমানুরের অপর দুই ভাই জাহিদুর রহমান খান ও সানিয়াত খানসহ মো. কবির এবং ছানোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন। অন্য আসামিদের মধ্যে আনিসুর রহমান রাজা ও মো. সমীর কারাগারে মৃত্যুবরণ করেছেন। অপর আসামি মোহাম্মদ আলী, মাসুদুর রহমান, নাসির উদ্দিন নুরু, ফরিদ আহমেদ ও বাবু জামিনে রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য পদ ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো .আব্দুল্লাহ আল মামুন।
বুধবার(১৮ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের পিছনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আব্দুল্লাহ আল মামুন সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে জানান,, বুধবার বেলা সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক তাঁতে বাধা প্রদান করেন।
আব্দুল্লাহ আল মামুন আরো জানান,সমিতির গঠনতন্ত্রের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তার সদস্য পদসহ সাধারণ সম্পাদকের পদ বাতিল করা হয়েছে।২০১৯ সালের ২০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হলের কেয়ারটেকার হিসেবে যোগদান করেন তিনি। ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
গত বছরের ১১ ডিসেম্বর নিয়োগ বোর্ডের সুপারিশক্রমে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ‘উচ্চমান সহকারীর বিপরীতে অস্থায়ীভাবে নিম্নমান সহকারী’ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। তার প্রতিদ্বন্দি মো. জাহিদুল ইসলামের অভিযোগে গত ৭ জানুয়ারি কার্যকরি পরিষদের ৪১ তম সাধারণ সভায় তার সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য পদ বাতিল করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো অভিযোগ করে জানান, সমিতির গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ৫ এর ক ধারায় নিয়োগপত্রে ‘অস্থায়ীভাবে’ উল্লেখ থাকলে সদস্যপদ বাতিল হবে এমন ব্যাখ্যা নেই। তার নিয়োগপত্র বৈধ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ বাছাই বোর্ডের সুপারিশক্রমে দেয়া হয়েছে অথচ এডহক (সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে) বা অবেক্ষাধীন (অস্থায়ী) হিসেবে চাকুরীতে কর্মরত আছে তাদের সমিতিতে সদস্য পদ বাতিল হচ্ছে না। গঠনতন্ত্রের সঠিক ও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ব্যতীত সাধারন সভা ছাড়াই কোন সদস্যের সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা কার্যকরী পরিষদের নেই। বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার, শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতিকে সমস্যা সমাধানের জন্য লিখিতভাবে জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান জানান, যা করা হয়েছে, সবই সমিতির গঠণতন্ত্র মোতাবেক করা হয়েছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে ওই পদে নির্বাচন দেয়া হবে। তিনি যদি সাধারণ সম্পাদক পদ ব্যবহার না করে জবাবের চিঠি দিতো তাহলে তার চিঠি গ্রহণ করা হতো। তার চিঠিতে সাধারণ সম্পাদক উল্লেখ থাকায় তার চিঠি গ্রহণ করা হয়নি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্যাদারিং বা সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রক্টরের অনুমতি লাগবে।
তিনি আরো জানান, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখিত কোন অনুমতি না নেওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে তাকে সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী তিশা আক্তার (১১) নামে এক স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার বাবা মো. রেজাউল করিম আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর ৪৮ নম্বর পিলারের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিশা পাবনা জেলার আতাইকুলা উপজেলার মধুপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের রেজাউল করিমের মেয়ে।
এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, বাবা-মেয়ে মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইলের দিক থেকে পাবনায় নিজেদের বাড়ি যাচ্ছিলেন। বঙ্গবন্ধু সেতুর ৪৮ নম্বর পিলারের কাছে পৌঁছালে মোটরসাইকেলটিকে একটি বাস পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিশা নিহত হন। আহত অবস্থায় তার বাবা রেজাউলকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, নিহত তিশার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘাতক বাসটি আটকের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ হঠাৎ করে স্বাধীন হয়েছে ও ১৯৭২’র সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিয়ে নতুন সংবিধান করতে হবে বিএনপির দুই নেতার এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ মানববন্ধন হয়।
মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে এ মানববন্ধন করে মির্জাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
মির্জাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর শরীফ মুহমুদ, মির্জাপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুর রহমান ও অ্যাড. মোশারফ হোসেন মনি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান সাজু বক্তৃতা করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি ও সংবিধান সম্পর্কে কটূক্তি করার অপরাধে বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপি নেতাদের দাবি, শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জে চালিয়ে তাদের চার নেতাকর্মীকে আহত করেছে। তবে লাঠিচার্জের বিষয়টি নাকচ করেছেন ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ আহমেদ।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুর রহমান শাহীন বলেন, ‘তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে উপজেলা বিএনপি। মিছিলটি ঘাটাইল কলেজ মোড় এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে আমাদের চার নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’
ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ আহমেদ বলেন, ‘কোনো প্রকার লাঠিচার্জ করা হয়নি। বিএনপির নেতাকর্মীরা উপজেলার ভেতরে একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে সংসদ নির্বাচন হবে। সে পর্যন্ত বিএনপির হরতাল, অবরোধ, গণসমাবেশ, গণঅবস্থান, মানববন্ধনসহ আন্দোলন আন্দোলন খেলা চলতে থাকবে। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আর তারা যদি মনে করে সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। সেটি অবাস্তব ও সংবিধান বিরোধী। দেশে সংবিধান অনুযায়ী সময়মতো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
শনিবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বঙ্গবন্ধু আকাশী ক্লাব আয়োজিত ১৫তম ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবে। এটি বিএনপির অবাস্তব ও অলীক স্বপ্ন। ২০০৮ সালের নির্বাচনকে তারা মেনে নেয়নি। ২০১৪ সালের নির্বাচনকে তারা বর্জন করে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০১৫ সালে একটানা ৯০ দিন হরতাল অবরোধ করেছে। মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে। শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবেন না বলে খালেদা জিয়া বিএনপির অফিসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ৯০ দিন আন্দোলনের পর মুখে কালিমা মেখে ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় ফিরে গিয়েছিলেন। তারা সরকারের পতন ঘটাতে পারেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তারা সুবোধ বালকের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল।
আবহমান বাঙালি ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ঘোড়দৌড় আমাদের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি ঘোড়দৌড়কে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। পুরো মধুপুর উপজেলায় উৎসব আনন্দের আবহ তৈরি হয়। সেজন্য ঘোড়দৌড়, নৌকাবাইচ, হাডুডুসহ সকল লোকজ সংস্কৃতিকে আমাদের ধরে রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে তানভীর হাসান ছোটমনির এমপি, খান আহমেদ শুভ এমপি, টাঙ্গাইলে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ লাবিব বিন বিল্লালকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। গ্রেপ্তার হওয়া লাবিব বিন বিল্লাল ইয়াবা ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার জেলখানা মোড়ের কুঁড়েঘর কফি হাউজ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। লাবিব উপজেলার অবিভক্ত কালিয়া ইউনিয়নের (আড়াইপাড়া গ্রাম) ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর নয় সদস্যসের একটি বিশেষ দল সখীপুর উপজেলা থেকে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই চক্রের আরও একজন সুমন মিয়া (৩০) পালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লাবিব দীর্ঘদিন ধরে সখীপুর উপজেলাসহ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে ইয়াবা বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ীর নামে থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত শিশুটির পরিচয় মিলেছে। শিশুটির নাম তাওহীদ। সে পশ্চিম ভূঞাপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) মায়ের সাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মামার বাড়ি মোমিনপুর গ্রামে যাচ্ছিলো। ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার তিন আরোহী মারা যান। নিহতদের মধ্যে শিশু তাওহীদের মা নার্গিস বেগম (২৫) রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) ভোরে আহত তাওহীদকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার ব্যয় বহন করা হবে।
এরআগে অজ্ঞাত শিশু হিসেবে তাওহীদকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মাথায় আঘাত পাওয়া তাওহীদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু তার কোনো স্বজন না থাকায় ঢাকায় নেওয়া যাচ্ছিলো না। রাতে তাওহীদের পরিচয় পাওয়া যায়। তার চাচা তারা মিয়া রাত ১২ টার দিকে ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
তারা মিয়া বৃহস্পতিবার সকালে জানান, নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে পরীক্ষা নিরিক্ষার পর চিকিৎসকরা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে ভোর চার টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ দিকে শিশু তাওহীদকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে বুধবার রাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান ও ডেপুটি নেজারত কালেক্টর (এনডিসি) মো. খায়রুল ইসলাম দেখতে যান। খায়রুল ইসলাম জানান শিশু তাওহীদের চিকিৎসার ব্যয় জেলা প্রশাসন বহন করবে।
এ দিকে বৃহস্পতিবার সকালে ভূঞাপুরের মোমিনপুর গ্রামে তাওহীদের মা নার্গিস বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। দাফনের পর তাওহীদের বাবা লাল মিয়া ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।