একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের অকুর টাকুর পাড়ায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত নাহিদ চৌধুরীকে উদ্ধার ও ৮ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে অপহরণকারীদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আবু ছালাম মিয়া প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান(২৮), গাজীপুর জেলার মৌচাক চা বাগান গ্রামের(বর্তমানে টাঙ্গাইল শহরের পারদিঘুলিয়ায় বসবাসরত) মো. শহীনের ছেলে রাকিব(১৯), টাঙ্গাইল শহরের দক্ষিণ কলেজপাড়ার রমজান মন্ডলের ছেলে মহম্মদ মন্ডল(৪০), সঞ্জু মন্ডলের ছেলে নাউম মন্ডল(২০), আনোয়ার হোসেনের ছেলে রনি(১৯), আরজু মিয়ার ছেলে আলম মিয়া(১৯), জমের মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা(১৯) ও পারদিঘুলিয়ার মৃত মজিবর মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া(৪০)।
জানা যায়, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের আ. কাইয়ুম রুবেল চৌধুরীর ছেলে মো. নাহিদ চৌধুরীকে(২৫) একই গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান ১২-১৩ জন মিলে কুমিল্লা জেলা সদরের কোতওয়ারী থানা এলাকা থেকে কৌশলে অপহরণ করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর মুসলিমপাড়া একটি বাসায় আটকে রেখে তার মা মোছা. নাছিমা আক্তার শিমার কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে।
এক পর্যায়ে নাহিদ চৌধুরীর মা মোছা. নাছিমা আক্তার শিমা বিকাশের মাধ্যমে ৪ হাজার টাকা অপহরণকারীদের কাছে পাঠায়। এতে অপহরণকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে নাহিদ চৌধুরীর উপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। পরে মোছা. নাছিমা আক্তার শিমা কুমিল্লা কোতওয়ালী থানায় বিষয়টি অবগত করলে তারা টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়।
টাঙ্গাইল থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে অপহরণকারীদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে শহরের আকুর টাকুর মুসলিমপাড়ার একটি বাসায় অভিযান চালায়। অভিযানে অপহৃত নাহিদ চৌধুরীকে উদ্ধার ও উল্লেখিত ৮ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আবু ছালাম মিয়া জানান, অপহৃত নাহিদ চৌধুরীর মা নাছিমা আক্তার শিমা বাদি হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অপহৃতকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তারকৃত ৮ অপহরণকারীর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা সদরের আদালত চত্বর এলাকায় ভুয়া কাজির ছড়াছড়ি হওয়ায় অবাধে চলছে বাল্যবিবাহ। অধিক লাভের আশায় এসব ভুয়া কাজিদের পরোক্ষ মদদ দিচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্র। তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে প্রকাশ্যে বাল্য বিয়ে পড়াতে সমর্থ হচ্ছে এসব কাজিরা।
টাঙ্গাইল জেলা রেজিষ্ট্রার মো. মাহফুজুর রহমান খান জানান, এ বিষয়ে লিখিতসহ একাধিক মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মহাদয়ের পরামর্শক্রমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এই এলাকার জন্য নির্ধারিত নিবন্ধন প্রাপ্ত কাজির ডিআর বই ব্যবহার না করে অন্য এলাকার কাজির ডিআর বই নিয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিয়ে পড়ানো হচ্ছে হরহামেশাই। তাদের দৌরাত্ব্যে বঞ্চিত হচ্ছে অত্র এলাকার জন্য নিবন্ধন প্রাপ্ত কাজি।
এ বিষয়ে তদারকির জন্য জেলা রেজিস্ট্রারের উপর দায়িত্ব থাকলেও অজ্ঞাত কারণে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যকরী পদক্ষেপ নেয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সখিপুর উপজেলার নলুয়া বাছেদ খান উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীর বিয়ে পড়াচ্ছেন মো. শাহীন মিয়া নামের এক কাজি। তিনি দীর্ঘ পনের বছর যাবত কোন রকম বৈধ কাজির সনদ ও কাগজপত্র ছাড়াই কোর্ট চত্বরে বিয়ে পড়িয়ে আসছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের আব্দুল হাই কাজির ডি আর বইসহ মধুপুর, মির্জাপুর ও সখিপুরের ডিআর বই ব্যবহার করে অধিক টাকার বিনিময়ে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিবাহ পড়াচ্ছেন। এসব বাল্যবিয়ে পড়িয়ে টাঙ্গাইল শহরের একটি ক্লিনিকের অংশীদারসহ কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন তিনি।
তার ছত্রছায়ায় একাধিক কাজি কোর্ট চত্বরে দেদারছে চালাচ্ছে বিবাহ রেজিস্ট্রি ও তালাক নিবন্ধন। অধিক মুনাফার আশায় আদালত চত্বরে কর্মরত বেশ কিছু আইনজীবী তাদের সেরেস্তা ব্যবহার করতে দিচ্ছেন এই সব ভুয়া কাজিদের। ফলে আইনজীবীদের সেরেস্তা ব্যবহার করেই এসব বাল্যবিবাহ পড়ানো হচ্ছে।
কোর্ট চত্বর এলাকা ব্যবহার করে অবাধে চলছে ভুয়া জন্মসনদ, নকল কাবিননামা আর জাল সিল-স্বাক্ষরে বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি।
জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে আসা অপ্রাপ্ত বয়স্কদের নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেফিট করে প্রাপ্তবয়স্ক বানিয়ে বিয়ে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
গ্রাম অঞ্চলে এক শ্রেনীর দালালদের মাধ্যমে গুঞ্জণ আছে কোর্ট চত্বরে গেলে অভিভাক ছাড়াই বিয়ে পড়ানো যায়। এর সুযোগ নিচ্ছে অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর-কিশোরী ও ঘর পালানো প্রেমিক-প্রেমিকারা।
এসব কাজি তাদের প্রয়োজনে নকল কাবিননামা, তালাকনামা ও বয়স প্রমানের এফিডেফিটের ঘোষণাও দিচ্ছেন। এতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেমন আতঙ্কে রয়েছেন তেমনি পরকীয়ার বলি হচ্ছে রেমিটেন্স যোদ্ধা (প্রবাসীদের) সংসার।
অভিযোগ প্রসঙ্গে মো. শাহিন মিয়া জানান, তার কোন বৈধ কাজির কিম্বা বিবাহ পড়ানোর অনুমোদন নেই। তিনি সাব-কাজি হিসেবে কাজ করেন। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিবাহ পড়ান তিনি,তবে বয়স প্রমানের কাগজপত্র জমা না দিলে কাবিনের সার্টিফাইড কপি দেন না তিনি।

তিনি আরো জানান, আমি ছাড়াও আরো অনেকেই কোর্ট চত্বরে বিয়ে পড়াচ্ছে, তারা হচ্ছে-মো. জয়নাল আবেদিন, মো. হামিদুল ইসলাম,আকরাম হোসেন ও কায়সার আহম্মেদ সহ আরো অনেকেই।
টাঙ্গাইল জেলা সদরের ১নং ওয়ার্ড ও কোর্ট চত্বর এলাকার ভারপ্রাপ্ত কাজি আব্দুল সামাদ জানান, এ বিষয়ে জেলা রেজিষ্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। তিনি আশা করেন, জেলা রেজিষ্ট্রার যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিবেন।
টাঙ্গাইল জেলা রেজিষ্ট্রার মো. মাহফুজুর রহমান খান জানান, এ বিষয়ে লিখিতসহ একাধিক মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মহাদয়ের পরামর্শক্রমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
“একতার কণ্ঠ-এক্সক্লুসিভ”
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রতিবন্ধীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (২২ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের আয়োজনে গ্রামীন প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কেন্দ্রের ( সিআরডিডি) সহযোগিতায় চারান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুল মাঠে এ আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়।
এসময় বিভিন্ন ইউনিয়নের ওয়ার্ডের ৪৩ জন শারীরিক,মানসিক, শ্রবণ,বাক,দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ২ হাজার এবং একজনকে ১ হাজার করে মোট ৮৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাছান ইমান খান সোহেল হাজারী।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কালিহাতী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আনছার আলী বি.কম,ভাইস চেয়ারম্যান মো.আখতারুজ্জামান, কোকডহরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.নরুল ইসলাম প্রমুখ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, গ্রামীন প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কেন্দ্রের ( সিআরডিডি) সভাপতি আবরার এইচকে ইউসুফজাই তনু,সহ-সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাজি, নারী ও শিশু বিষায়ক সম্পাদক সুইটি খান প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গ্রামীন প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কেন্দ্রের ( সিআরডিডি) নির্বাহী পরিচালক সিফাত মোহাম্মদ আরেফিন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুব আলম মল্লিক ঋণ খেলাপির দায়ে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান।
জানা যায়, গত ২৫ জানুয়ারি মাহবুব আলম মল্লিক চেয়ারম্যান হওয়ার অযোগ্য ও তিনি অপসারণযোগ্য মর্মে স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহাকারী সচিব জেসমীন প্রধান স্বাক্ষরিত এক স্বারকে ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব কেন চুড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হবেনা তার জবাব দেয়া প্রসঙ্গ পত্র ইস্যু করা হয় এবং উক্ত পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগকে লিখিত জবাব নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
গত বছরের ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মাহবুব আলম মল্লিক। তবে ওই নির্বাচনে ঋণ খেলাপির অভিযোগে তার মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করে নিজের মনোনয়ন পত্র বৈধ করতে সক্ষম হন তিনি। নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হন।
তবে গত বছরের ৩ এপ্রিল সেই রিট পিটিশনের শুনানীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীতার পক্ষে ইস্যুকৃত রুল খারিজ করে দেন বিজ্ঞ আদালত। ফলে স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ২৬ (২) (জ) ধারা অনুযায়ী চেয়ারম্যান হিসেবে মাহবুব আলম মল্লিক অযোগ্য বিবেচিত হন।
উয়ার্শী ইউনিয়ন পরিষদের সাময়িক বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান মাহবুব আলম মল্লিক জানান, সাময়িক বরখাস্তের একটি চিঠি পেয়েছি। আমি আইনী সহায়তা গ্রহণ করবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বন্ধুদের সাথে টিকটক করার সময় পৌলী নদীতে ডুবে অপু (২২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে পৌলী নদীর সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের নওগাঁ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই যুবক সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের হাতিলা থেকে ৫-৬ জন যুবক নওগাঁ এলাকার নদীর পারে টিকটক করতে যান। এ সময় টিকটক করার জন্য সবাই এক সাথে নদীতে ডুব দেয়। অন্যরা উঠলেও অপু নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ইদ্রিস মিয়া জানান, স্থানীয়রা হটলাইনে কল করলে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ২০ মিনিট উদ্ধার কাজ চালিয়ে মরদেহ উদ্ধারে সক্ষম হই। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বিনম্ব শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্যদিয়ে টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহিদ দিবস পালিত হয়েছে।
একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের পুষ্পস্তবকের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।
এসময় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
পরে জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার পক্ষে পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পক্ষে সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা পরিষদ, পিবিআই, নৌ পুলিশ, পৌরসভা, সদর উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা জনতা শহিদদের স্মরণে শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর আগে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে দেশাত্ববোধক গানের অনুষ্ঠান।
এছাড়া জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে দিনব্যাপী চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা এডভোকেট বার সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সর্মথিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ গুরত্বপুর্ণ ৫টি পদে জয়লাভ করেছে।
সোমবার (২০ ফ্রেব্রুয়ারি) রাতে ঘোষিত ফলাফলে আওয়ামী লীগ সর্মথিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ৯টি পদে জয় লাভ করে।
ঘোষিত ফলাফলে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ মনোনীত মো. মইদুল ইসলাম শিশির ৩৫৩ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী পন্থী সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের একেএম শামীমুল আক্তার পেয়েছেন ৩৪৫ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল কাশেম মো. মুনসুর আহম্মেদ খান বিপন ৩৬৭ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহানশাহ সিদ্দিকী মিন্টু পেয়েছেন ৩২৫ ভোট।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মো. জামিউল হক সুমন, নির্বাহী সদস্য পদে আতোয়ার রহমান মল্লিক ও তোফাজ্জল হোসেন (আলম) নির্বাচিত হয়েছেন।
অপরদিকে আওয়ামী লীগ সর্মথিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সহ-সভাপতি ইমরুল কায়েস বুলবুল, জোয়াহেরুল ইসলাম,সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহিদ শামস, লাইব্রেরী সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক অনুপম দে অপু, নির্বাহী সদস্য মো. শাহীনুজ্জামান শাহীন, মো. আল আমিন, সৈয়দ মুহাম্মদ শাহানুর আল আজাদ ও শামসুন্নাহার স্বপ্না নির্বাচিত হয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল জেলা আইনজীবী সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট আতোয়ার রহমান আলো বলেন, শান্তিপুর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে বিএনপি সর্মথিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৫টি পদ ও যুুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে আওয়ামী লীগ সর্মথিত সম্মলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ জয় লাভ করেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ৪ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ দুই বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে প্রার্থীরা রিটার্নিং অফিসারের কাছে তাদের নিজ নিজ মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মনোনয়নপত্র জমাদানকারীরা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকে বর্তমান মেয়র নূর এ আলম সিদ্দিকী, সদ্য ঘোষিত এলেঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজিনা আখতার, কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক মেয়র শাফী খান ও পৌর বিএনপির সদস্য এসএম সফিকুল ইসলাম তালুকদার।

এছাড়াও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে তিনটি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৪ জন এবং নয়টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৩৪ জন কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
এলেঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দল থেকে দুই জন করে প্রার্থী হওয়ায় দল দুটির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছে।
তারা বিদ্রোহী প্রার্থীকে বুঝিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে আশাবাদী স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।
তবে এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে অংশ নেবেনা বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। এলেঙ্গা পৌরসভায়ও মেয়র পদে দলীয় সিদ্ধান্তে তাদের কেউ প্রার্থী হয়নি। দুই জন বিএনপি নেতা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তেই প্রার্থী হয়েছেন।
এ বিষয়ে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, এ পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামি ১৬ মার্চ ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহন হবে।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে এলেঙ্গা পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩০ হাজার ৪৬৭ জন।
উল্লেখ্য, কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা ইউনিয়ন এবং আশপাশের কিছু এলাকা নিয়ে ২০১১ সালে এলেঙ্গা পৌরসভা গঠিত হয়। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ও প্রসিদ্ধ ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই পৌরসভার ২০১৩ সালে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তরকৃত ছয় ডাকাতের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার(২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর থানা আমলী আদালতের বিচারক মনিরা সুলতানা এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ছয় ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পরিদর্শক তানবীর আহমেদ।
তিনি জানান, টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয় ডাকাতকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠায়। আদালত শুনানী শেষে প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার ক্ষিদ্র মাটিয়া গ্রামের মোতালেবের ছেলে ইউসুব আলী (৪২), পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার ধানুয়াঘাটা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে নুরুল ইসলাম(৩৬), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের কাঠুয়া যুগনী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে মো. জুয়েল (৩১), একই গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. ইদুল মিয়া (২০) ও মো. সুরুত আলীর ছেলে সহিদুল ইসলাম (৩০) এবং একই উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের মো. জহর আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৩০)।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় একদল লোক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত ছয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর ৪-৫ ব্যক্তি দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি সুইস গিয়ার ছুঁরি, একটি শাবল ও গাড়ি থামানোর জন্য রশিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত হলুদ ও নীল রংয়ের একটি মিনিট্রাকও (ঢাকা মেট্রো-ড-১২-৩৩৮৩) জব্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে চাচার সাথে ঘুরতে গিয়ে কৃষি কাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টরে পিষ্ট হয়ে ইমন (৯) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের চাপাইদ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মধুপুর পৌরসভার বিপ্রবাড়ী এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে। সে মধুপুর মুকুল একাডেমির দ্বিতীয় শ্রেনীতে অধ্যায়নরত ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালবেলা চাচা আলহাজ উদ্দিন প্রতিদিনের মত কৃষি হালচাষের জন্য ট্রাক্টর নিয়ে মাঠে যাচ্ছিলেন। এ সময় স্কুল বন্ধ থাকায় আদরের ভাতিজাকে সাথে নিয়ে যান। ভাতিজা ইমনকে পাশে বসিয়ে জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে হালচাষ করছিলো। চাচার অজান্তে শিশুটি ট্রাক্টরের নিচে পড়ে পিষ্ট দেহ খণ্ড বিখণ্ড হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই শিশুটির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
এ প্রসঙ্গে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন (বিপিএম) মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সকল পদের প্রার্থীরাই বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
কোন পদেই একাধিক প্রার্থী না থাকায় নির্বাচন কমিশন রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বেসরকারি ভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
নব নির্বাচিত সভাপতি হচ্ছেন, মো. বালা মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক মাহতাব।
অন্যান্য পদে বিজয়ী হচ্ছেন, কার্যকরী সভাপতি আমিনুর রহমান, সহ-সভাপতি ফরহাদ আলী ও ইকবাল হোসেন, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, সহসাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন ও শহিদুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মাহবুব আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রউফ, প্রচার সম্পাদক ছিদ্দিক ভূইয়া, দপ্তর সম্পাদক শাহীন মিয়া, সড়ক সম্পাদক আব্দুল মজিদ, সহসড়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে রেল স্টেশনের ঘারিন্দায় ট্রেনের নিচে ঝাপ দিয়ে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন। তার নাম সীমান্ত সরকার পরিমল (৪৭)। তার বাবার নাম মৃত পলান সরকার। তার বাড়ি টাঙ্গাইল পৌর শহরের প্যারাডাইস পাড়ায়। শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার ঘারিন্দা রেল স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহত পরিমলের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত পরিমল টাঙ্গাইল শহরের ছয়আনি বাজারে ‘সীমান্ত সুইটস’ নামের একটি দোকানের মালিক ছিলেন। অপর একটি নারীর সাথে পরিমলের পরকিয়া প্রেম চলছিল। এ কারণে তার স্ত্রীর সাথে দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয়। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। দুই সন্তানকে নিয়ে তিন বছর আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যান। আত্মহত্যার আগে পরিমল তার ফেসবুক প্রোফাইলে তার মৃত্যুর জন্য এক নারী ও এক পুরুষকে দায়ি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এছাড়াও ব্যবসার কারণে তিনি ঋণগ্রস্থ হন। অর্থনৈতিকভাবে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে দু’চিন্তায় ছিলেন। কয়েকজন পাওনাদার তাকে টাকার জন্য চাপ দিয়ে ছিলেন। দাম্পত্য কলহ, পরকিয়া ও ব্যবসায়ীক ক্ষতির কারণে ঋণ গ্রস্থসহ নানা দু’চিন্তার কারণে আত্মহত্যা করেছেন বলে তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছেন।
টাঙ্গাইলের ঘারিন্দার রেল স্টেশনের সহকারী রেল মাষ্টার আব্দুল আলিম জানান, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা চিত্রা এক্সেপেস ট্রেনটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে ঘারিন্দা স্টেশনে এসে পৌঁছায়। ৫ মিনিটি অপেক্ষা করার পর। ট্রেনটি যখন ঢাকা অভিমুখে যাচ্ছিল। তখন স্টেশন থেকে ১০০ গজ দূরে গিয়ে সীমান্ত সরকার পরিমল ট্রেনের নিচে ঝাপ দেয়। ট্রেনের নিচে কাটা পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।