একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বাংলাদেশ একদিকে উন্নয়নের ধারায় অগ্রসর হচ্ছে অন্যদিকে দেশে বৈষম্য এবং দূর্নীতি চরমভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদি শক্তি আক্রমনের মাত্রা ছাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে জামায়াতসহ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে নেমেছে।
শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি ) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সূবর্ণ জয়ন্তীর আলোচনা সভায় বক্তব্যে দেয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন হলেও এর ফলাফল জনগন পাচ্ছে না।
তিনি আরো বলেন, সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে বিরোধী দলে বসার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন তাকে বলেছিলাম, আমরা একটি প্লার্টফর্মে নির্বাচন করেছিলাম। একটা বক্তব্য দিয়ে এখানে বিরোধীদলে বসার কোন জায়গা নেই। আমরা এখনও ১৪ দল জোটে আছি। আগামীতে জোটবদ্ধ হয়েই নির্বাচন করার আশা করি।
বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি টাঙ্গাইল শাখার জেলা সভাপতি কমরেড গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক, মো. আজাদ খান ভাসানী, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পিপলু প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে এক জেলের জালে ৫৫ কেজি ওজনের একটি বাঘাইর মাছ ধরা পড়েছে। বাঘাইড়টি ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা নদী অংশ থেকে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি এলাকার সুনীল নামে এক জেলের জালে আটকা পড়ে ওই বাঘাইর মাছটি।
শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার গোবিন্দাসী বাজারে বাঘাইর মাছটি তোলা হয়। পরে বাজারে তোলা মাত্রই স্থানীয় উৎসুক জনতা মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় জমায়। এসময় মাছটি কেনার জন্য অনেক ক্রেতা দাম কাষাকষি করেন। দুপুরে মধুপুরের সাগর নামে এক ব্যবসায়ী বাঘাইর মাছটি ৭৫ হাজার টাকায় কিনে নেন।
জানা যায়, প্রথমে ওই বাঘাইর মাছটি বাজারে তোলেন সুনীল নামের ওই জেলে। এ সময় ওই মাছটি গোবিন্দাসী বাজারের স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী বাবলু হাওলাদার মাছটি কেনেন। পরে বাবলু হাওলাদার মাছটি ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এছাড়াও আরও ছোট-বড় বেশ কয়েকটি বাঘাইর মাছও বাজারে তোলা হয়।
স্থানীয় আমিনুল ইসলামসহ অনেকে জানান, এত বড় বাঘাইর মাছ এরআগে কখনো দেখেনি। যমুনা নদীতে সুনীল নামে জেলের জালে ধরা পরেছে মাছটি। সকালে মাছটি গোবিন্দাসী বাজারে তোলা হলে এক নজর দেখতে অসংখ্য লোকজন ভিড় করেন। দাম কষাকষির একপর্যায়ে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
জেলে সুনীল জানান, যমুনা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করি। প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার রাতে আমরা কয়েকজন জেলে নদীতে জাল ফেলি। পরে রাতের শেষ ভাগে বাঘাইর মাছটি জালে ধরে পড়ে। এত বড় বাঘাইর মাছ এরআগে কখনো জালে ধরে পরেনি। আমি প্রথম জালে এত বড় বাঘাইর মাছ ধরেছি।
এ বিষয়ে বাঘাইর মাছটির ক্রেতা সাগর জানান, গোবিন্দাসী মাছ বাজারে অনেক লোকে ভিড় দেখে এগিয়ে যাই।
বিশাল আকৃতির বাঘাইর। মাছটি দেখে কিনতে ইচ্ছে হল। এসময় অনেকেই মাছটির দাম করছিলেন। বিক্রেতা লাখ টাকা চাইলে পরে একপর্যায়ে ৫৫ কেজি ওজনের বাঘাইরটি আমি ৭৫ হাজার টাকায় কিনে নেই।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার প্রদান ও স্বরচিতা কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে ও বুরো বাংলাদেশের সহযোগিতায় টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্ঠা ডক্টর ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার নাজিম উদ্দিন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদের উপদেষ্টা কবি জাকিয়া পারভিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদের সভাপতি কবি মাহমুদ কামাল।
অনুষ্ঠানে চারজন কবি-সাহিত্যিককে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার ও চারজন কবি-সাহিত্যিককে অরণি পুরস্কার প্রদান করা হয়।
টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন, ডা. ইউসুফ খান, শুকুমার বাগচি, তরুণ লেখক মিশুক মঞ্জুর ও হারুণ অর রশীদ।
অরণি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন, ফরিদ আহম্মেদ, চৈতালী চট্রপাধ্যায়( পশ্চিম বঙ্গ), মুনজু রহমান, অলক বিশ্বাস (পশ্চিম বঙ্গ)।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ছদ্মবেশ ধারণ করে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে কালিহাতী পৌর এলাকার সিলিমপুর চাটিপাড়া আক্তার হোসেনের মার্কেটের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো- ঘাটাইল উপজেলার জামালপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম মনির (৩৫) ও গোপালপুর উপজেলার কামাক্ষাবাড়ি গ্রামের সুমন ভূঁইয়া (৩২)।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, মাদক সমাজের জন্য ভয়ংকর অভিশাপ। সমাজ তথা দেশকে মাদক থেকে রক্ষার জন্য আমরা কঠোর পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি।
তিনি জানান, তারই ধারাবাহিকতায় দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই মিন্টু চন্দ্র ঘোষ ও সঙ্গীয় ফোর্স লুঙ্গি-গামছা পরে ছদ্মবেশ ধারণ করে কালিহাতী পৌর এলাকার সিলিমপুর চাটিপাড়া আক্তার হোসেনের মার্কেটের সামনে থেকে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ ওই মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করেন।
তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে ফেরদৌস (২০) নামের এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের দামিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ফেরদৌস গাইবান্ধা জেলার সাধুল্লাপুর উপজেলার আলিনগর গ্রামের রিপন মিয়ার ছেলে। তিনি সখীপুরে ফুপার সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক সুকান্ত জানান, ফেরদৌস উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের দামিয়া গ্রামের হেকমত আলীর নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে রডের কাজ করছিলেন। এ সময় ভবনের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে দুপুরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় সখীপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাতের আঁধারে চার কবর থেকে কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাতের কোন এক সময় উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে কঙ্কালগুলো চুরি হয়।
স্থানীয়রা জানান, সকালে গ্রামের লোকজন কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মাটির স্তূপ দেখে কাছে যান। সেখানে গিয়ে চারটি কবর থেকে কঙ্কাল চুরির বিষয়টি দেখতে পান। খবর পেয়ে গ্রামের মানুষ কবরস্থানে গিয়ে ভিড় করেন।
গোড়াইল গ্রামের নয়াপাড়ার বাসিন্দা মো. আলমগীর হোসেন জানান, চারটি কবর থেকে তিনজন নারী ও একজন পুরুষের কঙ্কাল চুরি হয়। এর আগেও দুই দফায় এ কবরস্থান থেকে আরও ৬টি কঙ্কাল চুরি হয়।
তিনি আরো জানান, কবরস্থানে সৌর বিদ্যুতের দুটি লাইট থাকলেও একটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল এবং অপরটিও মিটিমিটি করে জ্বলে।
গোড়াইল কবরস্থান কমিটির সভাপতি মো. মকবুর হোসেন জানান, দুর্বৃত্তরা পুরাতন কবর খুঁড়ে কঙ্কাল চুরি করে। এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, বিষয়টি কেউ পুলিশকে অবহিত করেনি।
এ প্রসঙ্গে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাফিজুর রহমান জানান, এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা আয়োজনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ও ভাষা সৈনিক শামসুল হকের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এদিকে শামসুল হকের আমেরিকা প্রবাসী দুই মেয়ে প্রায় ৭০ বছর পর প্রথমবারের মত টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার কদিমহামজানি যোকারচর কবরস্থানে বাবার কবর জিয়ারত ও পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনের পর কারাবন্দি শামসুল হকের স্ত্রী আফিয়া খাতুন দুই শিশু কন্যা নিয়ে দেশ ত্যাগ করেন।
বুধবার (১ ফেব্রুয়ার)দুপুরে শামসুল হকের দুই মেয়ে হারবার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. শাহিন ফাতেমা দিল ও নাসার এ্যাস্ট্রোফিজিসিয়েস্ট ড. শায়েকা দিল ভার্টিলেক তাদের আত্মীয়-স্বজন এবং স্থানীয় লোকজন নিয়ে কবর জিয়ারত করেন। তারা বাবার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে তারা শহরের জেলা সদরে অবস্থিত শামসুল হক তোরণে পুস্পস্তবক অর্পন এবং এলেঙ্গায় অবস্থিত শামসুল হক মহাবিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তারা সেখানে বাবার জন্মদিনের কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করেন।
এসময় শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডাঃ সাইফুল ইসলাম স্বপন ও সাধরন সম্পাদক আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার মোল্লা, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম শিবলী সাদিকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গতঃ ২০০৭ সালের ২৩ জুন “নিঁখোজের ৪২ বছর পর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক শামসুল হকের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন ও কবরের সন্ধান লাভ” শিরোনামে সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। সংবাদটি সেসময় দেশের রাজনীতিতে সাড়া ফেলে। এর পর থেকেই প্রতিবছর শামসুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী ও জন্মবার্ষিকী নিয়মিত পালন করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় দেওয়ান আখতারুজ্জামান ওরফে চপল (৫০) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে মুধু মিয়া (৬১) নামে অপরজনকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোস্তফা শাহরিয়া খান এ আদেশ দেন।
দন্ডিত আখতারুজ্জামান ওরফে চপল ও মধু মিয়া টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের এনায়েতপুর এলাকার বাসিন্দা। মামলা চলাকালীন সময়ে জামিনে মুক্তি পেয়ে দণ্ডিত দুই জনই পলাতক রয়েছেন।
এদের মধ্যে চপলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মধু মিয়াকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি টিম ২০১১ সালের ২০ জুলাই শহরের এনায়েতপুরের দেওয়ান আখতারুজ্জামানের বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে তার ঘর থেকে ৫০ বোতল নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ সময় ওই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো জানান, এরপর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক খোরশেদ আলম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) বিথী চ্যাটার্জী ২০১১ সালের ২০ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ৬ জনকে আসামি করা হয়। এরমধ্যে ৫ জন সাক্ষ্য দেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভাতিজার বউয়ের সাথে অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে সোমবার (৩০ জানুয়ারী) রাতে জনতার হাতে আটক সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কাদের জোয়ারদার। পরে তাকে ঘরের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে জনতা। স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ছানোয়ার হোসেন জিম্বা হয়ে গভীর রাতে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইতিপূর্বে অস্ত্রসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তার নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। সোমবার রাত ১১টায় মদ্যপ অবস্থায় তার ২নং ওয়ার্ড থেকে ৯নং ওয়ার্ডে ভাতিজা বউয়ের শ্লীলতাহানি করতে যায়। এসময় ভাতিজা বউ বাধাঁ দিলে বল প্রয়োগ করে ও বাজে ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। উপায়ন্তর না দেখে নিজের সন্মান বাচাতে তাকে স্থানীয় এলাকাবাসির সহায়তায় বসত ঘরের বারান্দার খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে। পরে ভোর হওয়ার আগেই ঐ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ছানোয়ার হোসেন তার জিম্মায় শালিশী বৈঠকের কথা বলে তাকে ছাড়িয়ে নেন।
এদিকে ভাতিজা বউ রাতেই বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কাদেরকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শরিফ।
মামলার বাদী ভাতিজা বউ জানান, সে আমার সম্পর্কে চাচা শশুর। দির্ঘদিন ধরে সে আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলো মদ খেয়ে বাড়ীর সামনে এসে মাতলামী করতো। কেউ কিছু বলতে গেলে তাকে মারতে যেতো ভয়ে কেউ কাছে যেত না। ঘটনার দিন নিজের ইজ্জত বাচাঁতে তাকে স্থানীদের সহায়তায় জাপটে ধরে বসত ঘরের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখি। পরে ছানোয়ার মেম্বার এসে রাত ৩টার দিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় তাকে।
তিনি আরো জানান, পরে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পোড়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাদত হোসেন জানান, “পাপে ছারেনা বাপেরে” তাকে এর আগে অনেকবার শাসন করা হয়েছে। সে আসলে ভাল হবার নয়। এখন মামলা হয়েছে, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে এখন আইনি প্রক্রিয়া যা হবার তাই হবে। তবে সুষ্ঠ বিচার হোক এটাই আমার কাম্য।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম মিয়া পি.পি এম জানান, বাদি নিজে এসে সশরীরে থানায় উপস্থিত হয়ে মামলা করলে আমরা বিষয়টি আমলে নিয়ে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসের এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে মির্জাপুর থানা পুলিশ।
সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে কুমুদিনী হাসপাতালের ইনসেন্টিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেনে মির্জাপুর থানার উপ পরিদর্শক মো. মজিবর রহমান।
নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মেহজাবিন সায়মা। তিনি ভারতেশ্বরী হোমসের দ্বাদশ শ্রেণী ও বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি নড়াইল জেলার নরাগাথি থানার কালিয়া উপজেলার জোগানিয়া গ্রামের কিয়ামত আলী সিকাদারের মেয়ে বলে জানা গেছে।
নিহত ওই ছাত্রীর বাবা মো. কিয়ামত সিকদার জানান, সোমবার দুপুর ২টার দিকে হোমস থেকে তাকে যত দ্রুত সম্ভব তাকে আসতে বলা হয়। হোমস কর্তৃপক্ষ জানায় তার মেয়ে বাথরুমের ঝর্ণার সাথে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় ভারতেশ্বরী হোমস কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে বলে দাবি করেন।
তবে এ ব্যাপারে সরাসরি ও মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও হোমস কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি সোমবার দুপুরের পর থেকে ভারতেশ্বরী হোমসে প্রবেশাধিকারেও ছিলো কড়াকড়ি অবস্থান।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, সংবাদ পাওয়ার পর আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ মহান মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন,আমি এমপি-মন্ত্রী হওয়ার জন্য বা ক্ষমতার জন্য দল গঠন করি নাই। আমি দল গঠন করেছি সেবা করার জন্য মানুষকে পাহারা দেওয়ার জন্য।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার অনেক দুরত্ব রয়েছে। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি। এখন লুটপাটের সময় চলছে। সেইজন্য হয়তো অনেকে মনে করতে পারে আমাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন করা, সরকারে যাওয়া, এমন রাজনীতি আমি করিনাই,ভবিষ্যতে যে করবো তা কেউ গ্যরান্টি দিতে পরবেনা।
তিনি আরো বলেন,আওয়ামী লীগ সত্যি মস্তবড় দল ,বঙ্গবন্ধুকে গ্রাস করে আওয়ামী লীগ সুফল পাচ্ছে। ততদিনই তারা সূফল পাবে, যতদিন না পর্যন্ত আমরা আওয়ামী লীগের চাইতে সুসংগঠিত হতে পারবো।
মঙ্গলবার(৩১ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোডে অবস্থিত সোনার বাংলা কমিনিটি সেন্টারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জেলা কার্যালয়ে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম এসব কথা বলেন।
টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতালীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার বীর প্রতীক, সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ হেল বীর প্রতীক, সদস্য নাসরিন সিদ্দিকী, শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, মঞ্জুরুল আলম বিমল, রিফাতুল ইসলাম ফেরদৌস, ময়মনসিংহের সভাপতি প্রিন্সিপাল আব্দুর রশীদ, কেন্দ্রীয় যুব আন্দোলনের সভাপতি হাবিউন নবী সোহেল, ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাতুল ইসলাম দীপ প্রমুখ।
কর্মী সম্মেলনটি সঞ্চলনা করেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এটি এম সালেহ উদ্দিন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরে পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি’র শিক্ষক-উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইডিপি) আওতায় স্ট্রেংদেনিং রিডিং হ্যাবিট অ্যান্ড রিডিং স্কিলস অ্যামাং সেকেন্ডারি স্টুডেন্টস স্কিমের পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।
এই কর্মশালায় ভুয়াপুর উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও একজন সহকারী শিক্ষক (লাইব্রেরি ও তথ্য বিজ্ঞান) ও সংগঠক অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিষয়ে সামগ্রিক ধারণা প্রদান করা হয়।
ভুয়াপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোছাঃ নারগিস বেগম।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান , ইব্রাহীম খাঁ সরকারি কলেজেরের অধ্যাপক মোঃ আশরাফ হোসেন।
কর্মশালাটি পরিচালনা করেন পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির মনিটরিং অফিসার নঈম জাহাঙ্গীর পরাগ।
অনুষ্ঠানে পাঠাভ্যাস উন্নয়ণ কর্মসূচির উপর বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন টিম ম্যানেজার মোঃ আবু হুরায়রা।
পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনা করেন অ্যাসিসট্যান্ট ম্যানেজার মোঃ ইকবাল হাসান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অ্যাসিসট্যান্ট ম্যানেজার বিদ্যাপতি বিশ্বাস, ডেপুটি টিম লিডার ( প্রোগ্রাম) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বেলাল হোসেন বলেন, বর্তমান সৃজনশীল শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে মানিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সৃজনশীল বই পড়া উচিত।
কর্মশালায় পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির নিম্নোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় :
স্কিমভুক্ত সকল মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা;
উপজেলা পর্যায়ে উদ্বুদ্ধকরণ ও মূল্যায়ন কর্মশালা আয়োজন করা;
প্রতিষ্ঠানে বই পড়া ব্যবস্থাপনা তদারকি করা; বই পড়ার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে পুরস্কার প্রদান করা;
প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরির মান উন্নয়নে সহযোগিতা করা; বই পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা;
অনলাইনে বইপড়া কার্যক্রম ও ডিজিটাল লাইব্রেরি তৈরি করা।
তাদের বয়স ও মন-উপযোগী সুন্দর সুখপাঠ্য এবং উন্নত মানসম্পন্ন বাংলা ও ইংরেজি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।