একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার পৌলীতে নির্মাণাধীন রাস্তায় বালুবাহী ট্রাক ও অন্যান্য ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন করেছে পৌলী ও স্বরূপপুর গ্রামের জনসাধারণ।
বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌলী (উত্তর) ঘোষপাড়া এলাকায় স্থানীয়রা এ মানবনন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধনে পৌলী-স্বরূপপুর-বড় বাশালিয়া গ্রামের ৩ শতাধিক জনসাধারণ অংশ নেয়।
মানবন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন- এলেঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও পৌলী মন্দির কমিটির সভাপতি সুকুমার ঘোষ, মন্দির কমিটির উপদেষ্টা রবীন্দ্র সূত্রধর, ক্ষিতিশ ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল ঘোষ, পৌলী মসজিদ কমিটির দাতা সদস্য জামাল মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আ: বাছেদ, বড় বাশালিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, পৌলী গ্রামের শফিক, নাজিম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এলেঙ্গা পৌরসভার পৌলী-স্বরূপপুর রাস্তাটি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তাটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। একটি প্রভাবশালী মহল নির্মাণাধীন রাস্তার উপর দিয়ে ট্রাকে বালু ভর্তি করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে। এতে নির্মাণাধীন রাস্তাটি বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ কারণে এলাকাবাসী রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বালুবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধের দাবী জানান।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স হালিম ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী আব্দুল হালিম সরকার বলেন, রাস্তায় সবেমাত্র সাববেইস কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ রাস্তার উপর দিয়ে কোনভাবেই বালুবাহী ট্রাক বা ভারী যানবাহন চললে চলমান কাজের ক্ষতি হবে।
এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র নূর-এ-আলম সিদ্দিকী জানান, নির্মাণাধীন রাস্তায় বালুবাহী ট্রাক ও ভারী যানবাহন চলাচল করলে রাস্তার ক্ষতি হবে। ফলে পৌরসভার পক্ষ থেকে নির্মাণকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বালুবাহী ট্রাক ও ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধ দেওয়া হয়েছে।
কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাজমুল হুসেইন জানান, নির্মাণাধীন রাস্তার উপর দিয়ে বালুবাহী ট্রাক চলাচলে রাস্তার ক্ষতি হলে নিলামকৃত বালু বিকল্প রাস্তা দিয়ে অপসারণ করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মেনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের হরিপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- মধুপুর উপজেলার শামীম, ঘাটাইল উপজেলার লাউয়াগ্রাম এলাকার শহীদ হোসেনের ছেলে সোনামিয়া ও অস্টোচল্লিশা এলাকার আলমগীর হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত ওই তিন জন মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইল থেকে ঘাটাইলের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মোটরসাইকেলটি মহাসড়কের উপজেলার হরিপুর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীতমুখী একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই তিন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়।
এবিষয়ে ঘাটাইল থানার এসআই বাবুল হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ঘাটাইল থানায় নেওয়া হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ বলা হয়ে থাকে ভালোবাসা নিজেই নাকি একটি ভাষা। দেশ, জাতি, গোত্রের যত বিভাজনই থাকুক না কেন, ভালোবাসার ভাষা এমনই সার্বজনীন যে, সকলেই তা বুঝতে পারে। আসলেই কি তা-ই?
আমেরিকান লেখক ডক্টর গ্যারি চ্যাপম্যান কিন্তু তার The Five Love Languages: The Secret to Love that Lasts বইতে বলছেন, ভালোবাসা প্রকাশ এবং অনুভব করার পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন ভাষা রয়েছে। প্রত্যেক মানুষের এই পাঁচটির মধ্যে একটিই প্রধান ভাষা থাকে, যার মাধ্যমে ভালোবাসা প্রকাশ করলে মানুষটি সবচেয়ে গভীরভাবে সেটি অনুভব করতে পারেন।
চ্যাপম্যান এগুলোকে Love Language বা ভালোবাসার ভাষা বলে অভিহিত করেছেন। সেই ভাষা বা মাধ্যমগুলো হলো-
১. মৌখিক অভিব্যক্তি (words of affirmation), ২. কাজের মাধ্যমে (act of service), ৩. স্পর্শ (physical touch), ৪. গুণগত সময় (quality time), এবং ৫. উপহার পাওয়া (receiving gifts)।
এই পাঁচটির মধ্যে এক বা একাধিক মাধ্যমে একজন মানুষ ভালোবাসা অনুভব করে থাকেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ভাষাগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে আমাদের সম্যক ধারণা থাকে না। ফলে ঠিক যেভাবে আমরা সঙ্গীর কাছ থেকে ভালোবাসা পেতে চাই, সেই প্রত্যাশামাফিক সঙ্গীর প্রতি নিজের ভাষাতেই ভালোবাসা প্রকাশ করি।
কিন্তু সঙ্গীর ভাষা ভিন্ন হলে আমাদের এই ভালোবাসা সঙ্গীকে সেভাবে আপ্লুত করতে পারে না। ব্যাপারটি অনেকটা ভিনদেশী কারও সাথে বাংলায় কথা বলার মতো। যেন আমি আমার ভাষায় কথা বলেই যাচ্ছি, কিন্তু তিনি তার একটি অক্ষরও বুঝতে পারছেন না। ফলে সম্পর্কে সৃষ্টি হয় টানাপোড়েন, ভুল বোঝাবুঝি। তাই সম্পর্কে ভাবের সার্থক আদান প্রদানের জন্যে সঙ্গীর এবং নিজের ভালোবাসার ভাষা সম্বন্ধে জানা থাকা ভীষণ দরকার।
মৌখিক অভিব্যক্তির মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ
অনেকের কাছে ভালোবাসার মৌখিক প্রকাশই সর্বাধিক পছন্দের। সঙ্গীর কাছ থেকে পাওয়া প্রেমময় সম্ভাষণ, আন্তরিক প্রশংসা, সমর্থন, সম্মান, সমাদর ও অনুপ্রেরণামূলক কিছু কথা তাদেরকে ভালোবাসায় পরিপূর্ণ অনুভব করায়। সামনাসামনি বলা, ফোনালাপ, ক্ষুদেবার্তা, চিঠি, কার্ড, ছোট একটি চিরকুট কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উৎসর্গ করে পোস্ট- এ সবই হতে পারে তার প্রতি আপনার ভালোবাসার বার্তাবাহক।
তবে এসব ক্ষেত্রে মুখস্থ বুলির ব্যবহার পারতপক্ষে করবেন না; ভাষার স্বকীয় ব্যবহারে সচেষ্ট হোন। সেটি খুব কঠিন কিছু নয়, দরকার শুধু চর্চা। যেমন- প্রতিবারই “তোমাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে” না বলে কখনও তার সাজ, কখনও ব্যক্তিত্ব, কখনও পোশাকের রুচিতে মুগ্ধতা প্রকাশ করুন।
আবার সবসময় “আমি তোমাকে ভালোবাসি” বলার চেয়ে খুঁজে বের করুন আপনার জীবনে তার কী কী ইতিবাচক অবদান রয়েছে? একেক সময় একেকটির জন্যে তার প্রতি মন থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। তাকে জানতে দিন জীবনসঙ্গী, মা-বাবা, সন্তান, ভাই-বোন হিসেবে তিনি সফলভাবে যে ভূমিকা পালন করছেন, তা নিয়ে আপনি গর্বিত।
সঙ্গীর প্রতি নিজে কোনো ভুল করে ফেললে ভুল স্বীকার করতেও দেরি করবেন না। কর্মক্ষেত্রে তার বিশেষ কোনো অর্জনের আনন্দে নিজেও শামিল হোন।
আবার সঙ্গী যখন নিজের দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপের কথা আপনাকে জানাচ্ছেন, তখন ধৈর্য্য ধরে তার কথা শুনুন। তাকে মন হালকা করতে দিন। “শান্ত হও, এত দুশ্চিন্তা করার মত কিছুই হয়নি”, “এত চাপ নিয়ে কী হবে, অযথাই অস্থির হচ্ছ”– এমন মন্তব্য করে তাকে থামিয়ে দেওয়া একেবারেই উচিত হবে না।
আবার যেহেতু তারা কথার প্রতি অনেক বেশি গুরুত্ব দেন, সেহেতু তাদের সমালোচনা করার ব্যাপারেও বিশেষভাবে সতর্ক থাকা দরকার। অসচেতনভাবে করে ফেলা একটি আপাত নির্দোষ নেতিবাচক মন্তব্যও তাদের মনে গভীরভাবে দাগ কাটতে পারে। অতএব, সাধু সাবধান।
কাজের মাধ্যমে প্রকাশ
এরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। অর্থাৎ এই ধরনের মানুষকে মুখে “ভালোবাসি ভালোবাসি” বলার চেয়ে ব্যালকনিতে তার শখের বাগানের গাছগুলোর যত্ন নিতে তাকে সাহায্য করলে বরং তারা বেশি সমাদৃত অনুভব করবেন।
আপনার সঙ্গীও এই দলের হলে, ঘরের কলিংবেলটি নষ্ট হয়ে গেলে সঙ্গীর অপেক্ষায় না থেকে নিজেই তা সারানোর ব্যবস্থা করুন। ছুটির দিনে অতিথি আপ্যায়নের গুরুদায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে সঙ্গীর ওপর না চাপিয়ে নিজেও কাজে হাত লাগান।
সঙ্গী যখন জরুরি দাপ্তরিক কাজ বা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, কিংবা যখন তার টানা বিশ্রাম প্রয়োজন, তখন তা যেন নির্বিঘ্ন হয়, সেটি নিশ্চিত করুন। বাজারের কেনাকাটা, রান্না করা, ঘরদোর পরিষ্কার রাখা, বিল পরিশোধ, সন্তানকে স্কুলে আনা-নেওয়া করা- এমন যেসব কাজের দায়িত্ব সঙ্গীর ঘাড়ে থাকে, মাঝে মাঝে স্বপ্রণোদিত হয়ে নিজেই তা সেরে ফেলুন।
মোদ্দা কথা হলো, তাদের ভাগের দায়িত্বটা মাঝেমধ্যে নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে তাকে বিশ্রাম দেওয়া, দৈনন্দিন কাজে তিনি সাহায্য চাওয়ার আগেই তাকে সাহায্য করা, তার খেয়াল রাখা– এগুলোই তার কাছে আপনার দায়িত্ববোধ, যত্নশীলতা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ধরা দেবে। তবে হ্যাঁ, কাজগুলো করতে হবে আপনার সঙ্গী আপনাকে কাজটি করতে বলার আগেই!
শারীরিক সংস্পর্শের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ
একে লঘু, অগভীর বা নিছক শরীরকেন্দ্রিক আকর্ষণ ভাবলে ভুল হবে। মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে স্পর্শ সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হয়ে থেকেছে। আবেগের চিরাচরিত বহিঃপ্রকাশ, যেমন- হাত ধরা, চুম্বন ইত্যাদি তো বটেই, হাঁটার সময় সঙ্গীকে ধরে থাকা, প্রতিদিন সঙ্গীর কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় বা ঘরে ফিরে তাকে আলিঙ্গন করা, দুঃসময়ে তার কাঁধে হাত রেখে সহমর্মিতা প্রকাশ করা, সবই শারীরিক সংস্পর্শের অন্তর্ভুক্ত।
ভিন্ন ভিন্ন কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, সঙ্গীর হৃদ্যতাপূর্ণ স্পর্শ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা, সন্তুষ্টি ও বিশ্বস্ততার বোধ তৈরি করে, ‘ভালোবাসার হরমোন’ অক্সিটোসিনের নিঃসরণ ঘটায়। ফলে পারস্পরিক বন্ধন আরও জোরালো হয়, ব্যথা ও মানসিক চাপ কমে যায়, এমনকি রক্তচাপ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপরেও তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বোঝাই যাচ্ছে, সম্পর্ক অটুট রাখতে নিয়মিত স্পর্শের ভূমিকা একেবারেই ফেলনা নয়।
কাছের মানুষের সান্নিধ্য ও স্পর্শের এত সব উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের স্পর্শের চর্চা আমাদের পরিবারগুলোতে তেমন থাকে না বললেই চলে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা এবং দম্পতির বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তা যেন আরও কমে যায়। ফলে স্পর্শই যাদের ভালোবাসা অনুভবের প্রধান ভাষা, তারা এক্ষেত্রে উপেক্ষিত বা বঞ্চিত অনুভব করতে পারেন। সঙ্গীর এই ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল রাখা দরকার।
গুণগত সময়ের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ
ঘড়ি ধরে লম্বা সময় একসঙ্গে কাটানো এখানে প্রধান বিবেচ্য নয়। বরং বাকি সবকিছু থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে পরস্পরকে নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ ও আন্তরিকতাপূর্ণ কিছু সময় উপহার দেওয়াই এখানে মূল লক্ষ্য। ব্যস্ত জীবনের দৌড়ঝাঁপের ফাঁকে ফাঁকে সঙ্গীর সাথে সময় কাটানোর ছোটখাট সুযোগগুলোও হাতছাড়া করা উচিত নয়।
দুজনে মিলে ভোরে জগিংয়ে বেরিয়ে পড়ুন, ঘরে ফিরে একসাথে নাশতা করুন, দিন শেষে কিছু সময় আলাপচারিতায় কাটান, ছুটির দিনে মিলেমিশে ঘর গোছান, বই পড়ুন, গেমস্ খেলুন, পছন্দের সিরিজ দেখুন, পছন্দের কোনো খাবার তৈরি করুন, লম্বা ছুটিতে যান ভ্রমণে; প্যারেন্টিং, আত্মোন্নয়ন, ভাষা শিক্ষা বা এমন যে কোনো প্রশিক্ষণে ভর্তি হয়ে যান। এসবই গুণগত সময় বলে গণ্য হতে পারে।
গুণগত সময় কাটানো যাদের ভালোবাসা অনুভবের প্রধান মাধ্যম, তারা সঙ্গীর কাছ থেকে পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ না পেলে নিজেকে অবহেলিত বা উপেক্ষিত বোধ করতে পারেন। যৌক্তিক কারণে সঙ্গী বেশি সময় দিতে অপারগ হলে, সেটা যেমন বোঝা প্রয়োজন, তেমনি একজন অতিমাত্রায় ব্যস্ত থাকায় অপরজন যেন বিচ্ছিন্ন বোধ না করেন, সেটাও খেয়াল রাখতে হবে। অতএব, এসব ক্ষেত্রে মনঃক্ষুণ্ণ হয়ে না থেকে পরস্পরের সাথে আলাপ ও বোঝাপড়া করে নেওয়াই উচিত।
উপহারের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ
ভালোবাসা অনুধাবনের এই ধরনটি কারো কারো কাছে স্থূল বা অতিমাত্রায় বৈষয়িক মনে হতে পারে। কিন্তু উপহার যাদের ভালোবাসার ভাষা, তাদের ক্ষেত্রে মূলত উপহারের অর্থমূল্য নয়, উপহারের পেছনের ভাবনাটাই বেশি গুরুত্ববহ। তার সঙ্গী তার মুখে এক চিলতে হাসি ফোটানোর জন্যে তার পছন্দসই একটি উপহার এনেছেন- এই বোধটুকুই তাকে অভিভূত করবার জন্যে যথেষ্ট।
এরা মূলত এমন কিছু নিদর্শনের প্রত্যাশা করেন, যা তাদের আত্মিক ভালোবাসাকে তুলে ধরে। যত্নে গড়া সম্পর্কটিকে চোখে দেখতে পারলে, ছুঁতে পারলেই যেন তাদের স্বস্তি!
আপনার সঙ্গী যদি উপহারের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ পছন্দ করেন, তাহলে তার কথোপকথন খেয়াল করুন। তিনি কি নতুন কোনো বই কেনার কথা ভাবছেন? তিনি কিনে ফেলার আগে আপনিই বইটি কিনে তার টেবিলে রেখে দিন। সম্পর্কের বর্ষপূর্তিতে আপনাদের প্রথম দেখার দিনের স্মৃতিবিজড়িত জায়গাটিতে বেড়িয়ে আসুন দু’জনে।
সঙ্গীর প্রিয় ফুল, প্রিয় স্ন্যাকস, পছন্দের শিল্পীর অনুষ্ঠান বা পছন্দের দলের ক্রিকেট ম্যাচ দেখার টিকেট এনে দেওয়া- এমন যেকোনো কিছুই এখানে ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ ধরনের মানুষদের কাছে জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, ভালোবাসা দিবস- এ ধরনের উপলক্ষগুলো বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তাই এই তারিখগুলো মনে রেখে এই দিনগুলোতে সাধ্যমত বিশেষ কিছু আয়োজন করলে সঙ্গীর মনে আপনার স্থান আরও বেশি পাকাপোক্ত হবে।
ডক্টর গ্যারি চ্যাপম্যানের মতে, প্রতিটি মানুষের কাছে একটি কাল্পনিক ভালবাসার পাত্র বা love tank থাকে। সঙ্গীর কাছ থেকে প্রতিনিয়ত ভালোবাসা অনুভব করলে সেই পাত্র ক্রমান্বয়ে পূর্ণ হতে থাকে, দুজনে সদ্ভাব বজায় থাকে। সুতরাং সম্পর্কে সুখময় পরিপূর্ণতা আনতে হলে জানতে হবে ভালবাসার ভাষা, শিখতে হবে সম্পর্কের ব্যাকরণ।
ঈষৎ অনুলেখন – মোঃ আরমান কবীর
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কর্মরত র্যাব সদস্যরা মো. হাফিজুর রহমান (৪৫) নামে মানবপাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার(১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঢাকা মহানগরের নয়াপল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত হাফিজুর রহমান টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পোড়াবাড়ি(নাগবাড়ি) গ্রামের আ. ছাত্তারের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে র্যাব-১৪ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
র্যাব-১৪ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়েরের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মহানগরের নয়াপল্টন এলাকায় অভিযান চালায়।
অভিযানে ৮টি পাসপোর্ট, দুইটি চেক বই, একটি ডেবিট কার্ড ও নগদ ১০ হাজার ১৬০ টাকা সহ লিবিয়ায় মানবপাচার চক্রের সদস্য মো. হাফিজুর রহমানকে আটক করে।
র্যাব আরও জানায়, মো. হাফিজুর রহমান তার গ্রামের লিটন নামে এক যুবককে ভালো বেতন ও থাকা-খাওয়ার সুবিধার নিশ্চয়তায় লিবিয়ায় পাঠায়। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর অজ্ঞাত কয়েক ব্যক্তি লিটনকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে তার বাবার কাছে তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা দাবি করে। লিটনের বাবা আ. ছাত্তার ছেলের কথা ভেবে মো. হাফিজুর রহমানকে তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করে।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি আ. ছাত্তারের ইমু নম্বরে লিটনকে মারপিটের ভিডিও পাঠায় এবং আরও ১৩ লাখ টাকা দিতে বলেন। অন্যথায় লিটনকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় লিটনের বাবা আ. ছাত্তার ঘাটাইল থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে টাঙ্গাইলে কর্মরত র্যাব সদস্যরা অত্যধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অবস্থা শনাক্ত করে ঢাকা মহানগরের নয়াপল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. হাফিজুর রহমানকে আটক করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বেড়ি বাইদ ইউনিয়নের শালবন থেকে অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার শালবনের বড় বাইদ এতিমখানার পাশের উত্তর জাঙ্গালিয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে মধুপুর থানা পুলিশ।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশের এলাকায় স্থানীয় লোকজন কাজে গেলে মরদেহটি দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দেয়।
অরুণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে অন্যস্থান থেকে এনে মরদেহটি এখানে ফেলে রেখে গেছে। উদ্ধারকৃত নারীর মুখ বিকৃত হয়ে গেছে। মরদেহে পচন ধরেছে। টাঙ্গাইল থেকে সিআইডি টিম এসে তদন্ত করবে।
তিনি আরো জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যদি পরিচয় পাওয়া যায়, তাহলে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ( ১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা সদরের ঘিওরকোল গ্রামে ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। প্রবাসীর স্ত্রীর মৃত্য নিয়ে এলাকায় চলছে নানা গুঞ্জন।
নিহতের নাম হালিমা আক্তার (২৬)। তিনি উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের কোনড়া গ্রামের প্রবাসী মামুন মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে উপজেলা সদরের ঘিওরকোল গ্রামের নজরুল ইসলামের বাসায় স্ত্রী নিয়ে প্রবাসী মামুন ভাড়া থাকেন। সোমবার দুপুরে স্ত্রীকে বাসায় রেখে চলে যান ওই প্রবাসী। বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে হালিমা রুমের দরজা আটকে দেন। পাশে রুমেই কাজ করছিলেন হালিমার মা ও মেয়ে। দরজা আটকানো দেখে হালিমার মা তার খালাতো ভাই শরিফুলকে মুঠোফোনে ফোন করে ডেকে আনেন। পরে শরিফুল আসলে রুমের দরজা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে রাত ৯টার দিকে সিএনজি যোগে গ্রামের বাড়ি কোনড়া নিয়ে যান। পুলিশ খবর পেয়ে ওই রাতেই প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত হালিমার কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, তারা দরজা ভাঙ্গার শব্দ শুনে হালিমার বাড়ির গেটের সামনে আসলে মেয়ের মা ও তার খালাতো ভাই শরিফুল বাসার ভিতর ঢুকতে দেয়নি তাদের। পাশের আরেক ভাড়াটিয়াও জানেন না কি হয়েছে সোমবার বিকেলে। শুধু তারা তাদের বললো সে হার্ট এ্যাটাক করছে।
প্রবাসী মামুন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি কল কেটে দেন।
নিহত হালিমার মা কমলা বেগম জানান, তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি আর কিছু বলতে পারবেন না।
নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, খবর পেয়ে সোমবার রাতেই লাশ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ৭০ বছর ধরে বেদখল হওয়া ১০ একর সরকারি ভূমি উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনা কাজে লাগিয়ে সেই ভূমিতে সূর্যমুখী চাষ করে অপার সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছেন উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ।
উৎপাদিত সূর্যমুখী বীজ সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়ে সূর্যমুখী চাষের বিপ্লব শুরু করা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ৭০ বছরের বিস্তীর্ণ গো-চারণ ভূমিতে সবুজের সমারোহ, বাতাসে দোল খাচ্ছে সূর্যমুখী গাছের সবুজ পাতা, দেখে বোঝাই যায় না এ ভূমি এক বছর আগেও অনাবাদি পড়ে ছিল।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঘোষণা আসে দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদী না থাকে। ঘোষণার পর থেকেই নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় গোপালপুর উপজেলার গোপালপুর মৌজার ভুয়ার পাড়া এলাকায় ৭০ বছর ধরে বেদখল হয়ে থাকা ১০ একর সরকারি ভূমি উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসন।

এরআগে জমিটি স্থানীয় লোকজন বেদখল করাসহ গো-চারণ ভূমি হিসেবে ব্যবহার করত। কৃষি অধিদফতরের পরামর্শক্রমে সেই জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে। এরইমধ্যে সূর্যমুখীর সবুজ পাতা বাতাসে দোল খাচ্ছে। বিস্তীর্ণ এলাকায় সবুজের সমারহ দেখে যেনো চোখ জুড়িয়ে যায়। সূর্যমুখী চাষে একদিকে যেমন দেশে তেলের চাহিদা পূরণ হবে, অপর দিকে এ সব জমিতে কাজ করে স্থানীয় অনেক কৃষকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমা আক্তার জানান, আশানুরূপ ফলন পেলে আগামীতে আরও ব্যাপকভাবে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজ মল্লিক জানান, একইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না, প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর থেকেই ব্যক্তি মালিকানা অনাবাদি ভূমি মালিকদেরও বিশেষ কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। অন্যদিকে সরকারি জমিতে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে বিভিন্ন ফল ও শাক সবজি আবাদ করা হচ্ছে। যাতে ভূমির শ্রেণী অনুযায়ী অনাবাদই জায়গাগুলো আর অনাবাদী না থাকে।
তিনি আরো জানান, চলতি বছরে ১০ একর জায়গা থেকে উৎপাদিত সূর্যমুখী বীজের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ১০ মেট্রিকটন। দেশে সরিষা আবাদে দ্বিতীয় বৃহত্তর জেলা টাঙ্গাইল, সূর্যমুখী ফলনে দেশসেরা জেলা হওয়ার লক্ষে কাজ করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে পানিতে ডুবে মো. সাদ নামের সাড়ে তিন বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের গিলাবাড়ি উত্তর পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শিশু সাদ উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের গিলাবাড়ি উত্তর পাড়া গ্রামের লাবু সরকারের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শিশুর মা বাড়িতে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় শিশু সাদ বাহিরে খেলা করছিল। কিছুক্ষণ পর ছেলেকে দেখতে না পেয়ে মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তাকে বাড়ির পাশে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মরিয়ম আক্তার হ্যাপি জানান, হাসপাতালে আনার পূর্বেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছিল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নে আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিয়োগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃৃৃস্পতিবার সকালে বার্ষিক এ ক্রীড়া প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করেন আটিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মল্লিক।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠতা ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মো. ফজলুল হক মল্লিকের সভাপতিত্বে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মমর্তা( ইউএনও) ফারহানা আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন মৃধা,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুজিবুল আহসান,আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন আজাদ, আটিয়া মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. ইকবাল হোসেন খান, আরফান মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নারায়ন চন্দ্র দে দুলাল, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রঞ্জিত কুমার পাল,সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শাররীক শিক্ষক মো. রাসেল মিঞা। পরে প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পাুরস্কার বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল যোগে যাওয়ার সময় গরুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে সিয়াম হোসেন বিদ্যুৎ (২৪) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বাসাইল-পাথরঘাটা আঞ্চলিক সড়কের কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের কাঠালতলী এলাকায় ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সিয়াম উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সৈদামপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার শাহজাহানের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, সিয়াম মোটরসাইকেল যোগে বাসাইল থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একটি গরুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে যান। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক জাকারিয়া জানান, গুরুত্বর আহত অবস্থায় ওই যুবককে হাসপাতালে আনা হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আল মামুন তথ্যটি নিশ্চিত করে জানান, একটি গরুর ধাক্কায় সড়কে মোটরসাইকেল আরোহী পড়ে গিয়ে নিহত হন। ঘটনাটি দুঃখজনক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মাইক্রোবাস চাপায় ছাদের আলী (৫৫) নামের এক হোটেল শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার কদমতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ছাদের আলীর বাড়ি উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের মশাজান গ্রামে।
স্থানীয়রা জানান, ছাদের আলী কদমতলী এলাকায় একটি হোটেলে কাজ করতেন। রবিবার সকাল ৬টার দিকে হোটেলের পানি নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন তিনি। এ সময় একটি অজ্ঞাতনামা মাইক্রোবাস তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি মাইক্রোবাস তাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরো জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় তার মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রেল লাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের জোকারচর এলাকায় ঢাকা-উত্তরবঙ্গ রেল লাইনের পাশ থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়।
তার বয়স আনুমানিক (৩৫) বছর। নিহত ওই যুবকের নাম পরিচয় এখনো শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
টাঙ্গাইল রেলওয়ের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এএসআই) ফজলুল হক জানান, রবিবার দুপুরে কালিহাতী উপজেলার জোকারচর এলাকায় ঢাকা- উত্তরবঙ্গ রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে।
তিনি আরো জানান, নিহতের নাম পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।