একতার কণ্ঠঃ কাঙ্খিত হুইলচেয়ার পেল মো. জাহের আলী (৬০) ও ফিরোজা বেগম (৫০) দম্পতি। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এক অনারম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের কাছে এই হুইলচেয়ারটি হস্তান্তর করা হয়।
হুইলচেয়ার পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে শারীরিক ভাবে পঙ্গু ও মানসিক ভারসাম্যহীন ফিরোজা বেগম। সে ওই মুহূর্তে কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলে। এর মাধ্যমে ফিরোজা বেগমের ভাঙ্গা ও ব্যবহার অযোগ্য হুইলচেয়ারটি পরিবর্তন করে নতুনভাবে জীবিকা নির্বাহের অবলম্বন পেল এই দম্পতি। জয় হলো আবারও মানবতার।
মানবিক আবেদনে সারা দিয়ে হুইলচেয়ারটি প্রদান করেন শারীরিকভাবে পঙ্গুদের নিয়ে কাজ করা সামাজিক সংগঠন সেন্টার ফর রুরাল ডিজেবল ডেভলপমেন্ট (সিআরডিডি) টাঙ্গাইল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিআরডিডির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবরার এইচ.কে ইউসুফ জাই, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সিফাত মোহাম্মদ আরেফিন, জনতা ব্যাংক লিমিটেড টাঙ্গাইল শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের জেলা প্রতিনিধি ও একতার কণ্ঠের সম্পাদক মো. আরমান কবীর (সৈকত), টাঙ্গাইল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক জাহিদ রানা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাইদুল ইসলাম মিন্টু, একতার কণ্ঠের বার্তা-সম্পাদক সাহান হাসান প্রমূখ।

উল্লেখ্য, রবিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের বড়টিয়া গ্রামের ভিক্ষুক দম্পতি জাহের ও ফিরোজার একটি ভিডিও চিত্র ধারণ করেন দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি ও একতার কণ্ঠের সম্পাদক মো. আরমান কবীর (সৈকত)। পরে রবিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার নিজের আইডিতে পোষ্ট করেন। ফেসবুকের সেই পোষ্ট দেখে টাঙ্গাইল জেলা ও জেলার বাহিরের অনেক হৃদয়বান ব্যক্তি তাদের কাঙ্খিত হুইলচেয়ার দেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে জনতা ব্যাংক টাঙ্গাইল শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. জাহাঙ্গীর আলমের মাধ্যমে সামাজিক সংগঠন সেন্টার ফর রুরাল ডিজেবল ডেভলপমেন্ট (সিআরডিডি) টাঙ্গাইল শাখার সভাপতি আবরার এইচ.কে ইউসুফ জাই একটি স্টেনলেস স্টিল হুইলচেয়ার এই দম্পতিকে দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেহেদী হাসান নামের এক যুবক এই দম্পতির সাথে যোগাযোগ করে তাদের ঠিকানা জোগাড় করে দেয়। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে এই দম্পতিকে তাদের কাঙ্খিত হুইলচেয়ারটি হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ড.আব্দুর রাজ্জাক এমপির বিরুদ্ধে বাড়ি-ঘর ভাংচুর করার অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এরআগে গত ১৯ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলার বলিভদ্র গ্রামের মেহেদী হাসান রনির বাড়িতে হামলার ঘটনাটি ঘটে।
মানববন্ধনে মেহেদী হাসান রনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত দিনে মধুপুর-ধনবাড়ির সংসদ সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের অপকর্মের বিরুদ্ধে আমি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করেছি। যার ফলে আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশে তার ভাই ও মামাতো ভাইয়েরা মিলে আমার বাড়িতে হামলা করেছে। হামলা করার সময় তার মামাতো ভাই সাবেক ধনবাড়ি পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন ও তার সাথে প্রায় কয়েক জন সন্ত্রাসী বাহিনী হঠাৎ করে এলোপাথাড়ি হামলা করে বাড়ির জানালা, দরজা, গেট ভাংচুর করে।
তিনি আরও বলেন, পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এঘটনায় রাতেই একটি ঝটিকা মিছিল করেছে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলার বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হবে।
প্রকাশ, মেহেদী হাসান রনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ কমিটির সাবেক সদস্য।এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জসীম উদ্দিন হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ বেসরকারি বিদ্যালয় এমপিও নীতিমালার সুযোগ ভোগে মসজিদ প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়েছে স্কুল। চাঞ্চল্যকর এমনটাই ঘটেছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর গ্রামে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আর জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের যোগসাজসে গড়ে তোলা হয়েছে ভবানীপুর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে একটি বিদ্যাপিঠ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সদ্য স্থাপিত বিদ্যালয় আর কর্মরত শিক্ষকদের এমপিও ভুক্ত করতে শিক্ষক প্রতি মোটা অংকের টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ডে স্থাপিত ২০১৫ সাল দেখানো হলেও চলতি জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে স্কুল কার্যক্রম বলে স্বীকার করেছেন কর্মরত শিক্ষক আর অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ উঠা জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ সদর উপজেলার আনেহলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক। ইতোপূর্বেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে সরকারিভাবে বন্ধ থাকা বৃত্তি পরীক্ষা টাঙ্গাইলে নিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়াসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ভবন বিক্রির অভিযোগ।
এছাড়া ভবানীপুর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোতালেব মিয়া পেশায় একজন আইনজীবী সহকারি। কমিটির সভাপতি মোতালেব মিয়ার ছেলে শাকিল আহমেদ রয়েছেন ভবানীপুর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (এমএলএসএস) পিয়ন পদে কর্মরত।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী সংখ্যা ১১০জন। কর্মরত শিক্ষক পদে ৫ আর (এমএলএসএস) পিয়ন পদে কর্মরত রয়েছেন ১ জন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দূর্গম এই গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রয়োজন। বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য জমিও ক্রয় করা হয়েছে। ক্রয়কৃত জমির উপর বিদ্যালয় নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে মসজিদ প্রাঙ্গণে স্কুল স্থাপন আর জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির এমপিও ভুক্তির নাম ভাঙিয়ে আর অবৈধ প্রক্রিয়ার শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে মোটা টাকা বাণিজ্যের বিরোধীতা করছেন তারা।
বিদ্যালয়টির নির্দিষ্ট কোন ভবন না থাকলেও এটি এমপিও ভুক্ত হচ্ছে তথ্যটি যেমন সুখের, তেমনি শিক্ষক নিয়োগ আর এমপিও ভুক্তির লোভ দেখিয়ে ৫ শিক্ষকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেওয়ার সংবাদটি দুঃখজনক। নিয়োগপ্রাপ্ত তিন শিক্ষকের বয়স ৩২ বছরের উপরে হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে আর কোন পন্থায় নিয়োগ দেওয়া হলো সেটিসহ এত টাকা লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
ভবানীপুর গ্রামের মো. খাদেম আলী সরকার বলেন, চলতি মাসেই মসজিদ প্রাঙ্গণে বিদ্যালয়টি চালু করা হয়েছে।
স্থানীয় গ্রামের ছাত্র হারুন জানায়, মাসখানেক যাবৎ মসজিদ প্রাঙ্গণে বিদ্যালয়টি চালু হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রী কতজন সেটি না জানলেও পাঁচজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে কর্মরত বলে জানান সে।
ভবানীপুর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী লামিয়া জানায়, মাত্র ১৬ দিন যাবৎ এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে সে।
পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র জুনায়েদ জানায়, প্রায় তিন সপ্তাহ হলো সে এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। আগে এখানে মক্তব ছিল, নতুন করে এই বিদ্যালয়টি চালু করা হয়েছে।
মসজিদের ঈমাম আবু রায়হান বলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোতালেব মিয়ার আত্মীয় জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। বিদ্যালয়ের জন্য মোতালেব মিয়া আবেদন করার কারণে মনে হয় তাদের যোগাযোগ হয়েছে। তবে টাকা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তিনি।
বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক আমিনা খাতুন রিমু বলেন, এমপিও করার আশ্বাসে বিদ্যালয়টি সম্প্রতি চালু করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে মাস্টার্সে অধ্যায়নরত। এমপিও করে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি এখানে শিক্ষকতা করছেন। টাকা লেনদেনের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে তিনি জানান, বিষয়টি আমার অভিভাবকরা বলতে পারবেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোজী বলেন, ২০১৫ সাল থেকে বিদ্যালয়ে কর্মরত। ভবন না থাকায় অস্থায়ীভাবে মসজিদ প্রাঙ্গণে চলতি জানুয়ারি থেকে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নদী পাড় হয়ে এই গ্রামের ছাত্র ছাত্রীদের অন্যত্র বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয় বলেই এখানে বিদ্যালয়টি গড়ে তোলা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ আর বিদ্যালয়ের সভাপতি মোতালেব আঙ্কেলের সরকারি হওয়ার আশ্বাসে বিনা বেতনে তারা বিদ্যালয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তিনিসহ বিদ্যালয়ে কর্মরত অধিকাংশ শিক্ষকের বাড়ি শহরে বলেও জানান তিনি।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোতালেব মিয়া বলেন, টাকা লেনদেনের বিষয়টি তিনি জানেন না।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ মিটিং এ আছি বলে এ বিষয়ে কোন বক্তব্য না দিয়েই ফোনটি কেটে দেন। এরপর থেকে অসংখ্যবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
কাতুলী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ভবানীপুর গ্রামের ইউপি সদস্য মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি ওই গ্রামে বিদ্যালয়টি চালু হয়েছে। টাকা লেনদেনের বিষয়টি তিনি জানেন না।
কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন মিয়া বলেন, ভবানীপুরে একটি বিদ্যালয় হবে, এটি আমি জানি। তবে মসজিদ প্রাঙ্গণে বিদ্যালয় স্থাপন ও শিক্ষক নিয়োগে টাকা লেনদেনের বিষয়টি আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক জানান, কাতুলী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের একটি প্রস্তাবনা রয়েছে। এই বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের নামে যদি কেউ টাকা নেন বা চান তাহলে উনাকে থানায় হস্তান্তর করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ:টাঙ্গাইলে পৃথক দুটিস্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে সেনাসদস্যসহ দুই জন নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৪ জানুয়ারি)সকালে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু রেললাইনের কালিহাতী উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের আনালিয়াবাড়ীর রেল ব্রীজের কাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে কোন এক অজ্ঞাত ট্রেনে কাটা পড়ে তিনি নিহত হয়েছেন।
নিহত সেনা সদস্য ফখরুল ইসলাম (২০) লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দত্তপাড়া গ্রামের বাবুল মাস্টারের ছেলে। সে বগুড়া ক্যান্টমেন্টে সেনা সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ঘারিন্দা রেলওয়ে পুলিশের এসআই আলী আকবর জানান ,সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ওই সেনা সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মহাসড়কে যানযট থাকায় ওই সেনা সদস্য বাস থেকে নেমে ট্রেনে লাইনে হাটাহাটির সময় দূর্ঘটনা সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। নিহত ওই সেনা সদস্য ৫ দিনের ছুটি শেষে বাড়ি হতে ইউনিটে যোগদানের জন্য গাড়িতে নিজ ইউনিটে গমনের পথিমধ্যে এই দূর্ঘটনা ঘটে। কিন্তু কোন ট্রেনে কাটা পড়েছে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এদিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের পয়লা এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক নিরাপত্তা প্রহরী নিহত হয়েছে। নিহত খন্দকার আবুল কালাম (৪০) জেলার দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। জেলায় মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বন্ধ রয়েছে জেলার সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা।
তিনি জানান, ইতিমধ্যে টাঙ্গাইল জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে চলে গেছে। এজন্য জেলার সকল মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) ও বুধবার (২৪ জানুয়ারি) ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তাপমাত্রা স্বাভাবিক না হলে এ ছুটি আরও বাড়তে পারে বলেও তিনি জানান।
এদিকে গত কয়েক দিন ধরে হাড় কাঁপানো শীতে যবুথবু অবস্থা। হিমেল হাওয়ায় শীত বেড়েছে নদী ও বন পরিবেষ্টিত এ জেলায়। কাজে যেতে না পেরে দুর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের। কমেছে আয়। ব্যহত হচ্ছে বোরো আবাদ। প্রয়োজনীয় গরম কাপড়ের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে দরিদ্র ও ভাসমান জনগোষ্ঠী। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন গ্রামাঞ্চলের লোকজন। প্রচন্ড শীতে বয়োবৃদ্ধ ও শিশুরা ডায়রিয়া এবং শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে।
জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন জানিয়েছেন, কয়েক দিন ধরে টাঙ্গাইলের তাপমাত্রা কমেছে। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা এ বছরের মধ্যে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, তাপমাত্রা সর্বনিম্ন থাকায় জেলার সকল স্কুল-কলেজ বন্ধের ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া শীত নিবারনের জন্য গরিব-আসহায় মানুষের মাঝে প্রায় ৮০ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সোমবার (২২ জানুয়ারি) শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা এই মৌসুমের এটাই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
টাঙ্গাইল জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) জেলার সকল স্কুল-কলেজ একদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন।
এদিকে, বছরের শুরু থেকেই টাঙ্গাইলের তাপমাত্রার পারদ ধীরে ধীরে কমছে। এর ফলে, শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ঘন কুয়াশার চাদর। ফলে গত সপ্তাহ থেকেই কোন দিন সূর্যের দেখা মিলছে আবার কোনদিন মিলছে না। প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে কেউ বের হচ্ছেন না। আকাশে সূর্য উঁকি দিলেও রোদের তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকে। প্রত্যান্ত গ্রামের মানুষ খড়ুকুটো ও গাছের গুড়িতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। সব মিলিয়ে জেলার জনজীবন এক প্রকার বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ ও ভাসমান জনগোষ্ঠী সবচেয়ে ভোগান্তির শিকার।

শীত প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল পৌরসভার পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকার মো. মাহবুব আলম উজ্জ্বল বলেন, আমি একজন মোবাইল ব্যবসায়ী। গত কয়েকদিনের প্রচন্ড শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে গ্রাহক কম আসায় মোবাইল বিক্রি অনেক কমে গেছে। ফলে শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
টাঙ্গাইল শহরের আশেকপুর এলাকার মো. এমদাদুল আহমেদ বাচ্চু বলেন, আমি একজন চাকরিজীবী। প্রতিদিন সকাল ৮টায় আমাকে অফিসে যেতে হয়। ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে সকাল বেলায় যানবাহন খুব কম থাকায় প্রায়ই অফিসে যেতে বিলম্ব হচ্ছে। এছাড়া বাসার ছোট ছেলে-মেয়েদের স্কুলে যেতেও সমস্যা হচ্ছে।
শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক লুৎফর রহমান বলেন, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বাইরে আসছেন না। যাত্রী কমে গেছে অনেক। আগে প্রতিদিন ৮শত থেকে ১ হাজার টাকা আয় করতাম। এখন ৫শত টাকার বেশি আয় করা যাচ্ছে না।
টাঙ্গাইল জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন জানান, কয়েকদিন ধরে টাঙ্গাইলের তাপমাত্রা কমেছে। সোমবার টাঙ্গাইলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ বছরের মধ্যে সর্বোনিম্ন। আরো কয়েক দিন শীত থাকবে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, তাপমাত্রা সর্বনিম্ন থাকায় জেলার সকল স্কুল-কলেজ মঙ্গলবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার আবহাওয়া দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শীত নিবারনের জন্য জেলার গরিব ও ভাসমান মানুষদের মধ্যে দুই দফায় প্রায় ৮০ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের নবগঠিত কমিটির সাথে জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাতের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলা সদরে অবস্থিত জেলা তথ্য অফিসারের কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাত উপস্থিত সংস্থার সদস্যদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করেন। পরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নবগঠিত জেলা ইউনিটের পক্ষথেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি মাছুদুর রহমান মিলন, সহ-সভাপতি মির্জা মাসুদ রুবল, সাধারণ সম্পাদক তাইজুল ইসলাম টুটুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরমান কবীর (সৈকত), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক উজ্জ্বল মিয়া, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক সাহান হাসান, মো. সাগর আহমেদ, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শুভ সাহা, সহ-প্রচার সম্পাদক মো. মুক্তার হোসেন, সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমিন প্রমূখ।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা ইউনিটের কার্যনির্বাহী সদস্য, মো. কামরুজ্জামান, হাবিবুল্লাহ বাহার, সজীব মিয়া, রেজাউল করিম, নাজমুল সাহান প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের নবগঠিত কমিটির সাথে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিনের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু কর্নারে এই শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় কালে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন উপস্থিত সংস্থার সদস্যদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। পরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নবগঠিত জেলা ইউনিটের পক্ষথেকে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
মতবিনিময়ের সময় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব হলো টাঙ্গাইলে কর্মরত সকল সাংবাদিকদের মাদার সংগঠন। জেলায় কর্মরত অন্যান্য সাংবাদিকদের মতো জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার জেলা ইউনিটের সকল সদস্য টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাথে সকল বিষয়ে সমন্বয় করে সাংবাদিকতা করবে বলে আমি আশা করি। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের নবগঠিত কমিটির সদস্যদের টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা রইল।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ বলেন, সাংবাদিকদের পেশার প্রতি সৎ ও নিষ্ঠাবান হতে হয়। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের প্রতিটি সদস্য নিষ্ঠার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে ও তাদের পেশার প্রতি সৎ থাকবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্য কবি শামসুজ্জামানসহ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি মাছুদুর রহমান মিলন, সাধারণ সম্পাদক তাইজুল ইসলাম টুটুল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরমান কবীর (সৈকত), তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক উজ্জ্বল মিয়া, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক সাহান হাসান, মো. সাগর আহমেদ, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শুভ সাহা, সহ-প্রচার সম্পাদক মো. মুক্তার হোসেন, সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমিন প্রমূখ।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা ইউনিটের কার্যনির্বাহী সদস্য, মো. কামরুজ্জামান, হাবিবুল্লাহ বাহার, সজীব মিয়া, রেজাউল করিম, নাজমুল সাহান প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এডভোকেট মামুন-অর-রশিদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমুখ।
এসময় জেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ তারেক পুলু।
পরে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাহার আহমেদের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর আসনে টানা তিনবার বিজয়ী হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন। তিনি ঈগল প্রতীক নিয়ে ৭২ হাজার ২৭৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মামুন-অর-রশিদ নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮৬৭ ভোট। বিজয়ী ছানোয়ার হোসেন ৬ হাজার ৪’শত ৯ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছানোয়ার হোসেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। তিনি ২০১৪ ও ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। একজন সজ্জন মানুষ হিসেবে তিনি এলাকায় সুপরিচিত।
নির্বাচিত হয়ে ছানোয়ার হোসেন বলেন, আমি টাঙ্গাইলের মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শেখ হাসিনার একজন কর্মী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আসনটি উপহার দিলাম। টাঙ্গাইলের জনগণের সঙ্গে ছিলাম আছি থাকব।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়িতে আওয়ামী লীগের অফিস দুধ দিয়ে ধুয়ে নৌকার প্রার্থীর ব্যানার খুলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানার সাঁটানোর অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, পোড়াবাড়ি বাজারে আওয়ামী লীগের অফিসে নৌকার প্রার্থী এডভোকেট মামুন-অর-রশিদের ব্যানার খুলে ঈগলের প্রার্থী ছানোয়ার হোসেনের ব্যানার লাগিয়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম।
এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতাকর্মীরা নৌকার কর্মী ও অনুসারীদের বাড়ি ঘরে হামলাসহ হুমকি দিচ্ছেন। এর প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সদর আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী এডভোকেট মামুন-অর-রশিদ।
সংবাদ সম্মেলনে মামুন-অর-রশিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সদর আসনে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন কালো টাকা ছড়িয়ে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে নৌকার নেতাকর্মীদের হুমকি ধামকি দিয়ে তার পক্ষে কাজ করিয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বর্তমানে বাড়িছাড়া। আমি এর প্রতিবাদ জানাই।
তিনি বলেন, পোড়াবাড়ি আওয়ামী লীগ কার্যালয় দুধ দিয়ে ধুয়ে আমার ব্যানারের পরিবর্তে সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানার লাগিয়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম। গালা ইউনিয়নের সূত্রধরপাড়ায় সাধন চন্দ্র, ঘারিন্দা ইউনিয়নে বড়রিয়া গ্রামের স্বাধীন, মগড়ার চৌরাকররা গ্রামের স্বাধীন, মাজেদুর, শামীমসহ নৌকার অসংখ্য নেতাকর্মীকে হুমকি ও মারধর করছেন এমপি ছানোয়ারের নেতাকর্মীরা। এসব ঘটনায় পৃথক পৃথকভাবে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তাদের শাস্তি দাবি করছি।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, উপ-দপ্তর সম্পাদক আনন্দ মোহন দে, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ফারুক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এহসানুল ইসলাম আজাদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক বলেন, জহিরুল স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন করেছেন। তাতে কোনো আপত্তি নেই। আওয়ামী লীগের কার্যালয় তিনি দুধ দিয়ে ধুয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছবি লাগানোর কারণে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি ঈগলের নির্বাচন করেছি। তবে অফিস দুধ দিয়ে পরিষ্কার করিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন বলেন, আমার কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী ও কালো টাকা নেই। কোনো প্রকার কালো টাকা ছড়াইনি। নৌকার প্রার্থী কালো টাকা ছড়ানোর কারণে আমি ভোট কম পেয়েছি। তা না হলে আমি আরও অনেক বেশি ভোট পেতাম।
একতার কন্ঠঃ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের নতুন কমিটির অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের জেলা প্রতিনিধি মাছুদুর রহমান মিলনকে সভাপতি ও স্থানীয় দৈনিক কালের বার্তার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক তাইজুল ইসলাম টুটুলকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্যের পূনাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটির
সভাপতি মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন।
এ সময় কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আবুল বাশার মজুমদার ও মহাসচিব মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
জেলা কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আবুল কালাম সিদ্দিকী নিপু (দৈনিক জনতার কথা),শহিদুল ইসলাম খান রুমি, মির্জা মাসুদ রুবেল (মাইটিভি), আলামিন শোভন (আনন্দ টিভি)।
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরমান কবীর সৈকত (দৈনিক আমাদের নতুন সময়), রাইসুল ইসলাম লিটন (দৈনিক আমার সংবাদ), মাজহারুল ইসলাম শিপলু (দৈনিক আমাদের অর্থনীতি) সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হোসেন (দৈনিক একুশের বানী)।
যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর শামসুদ্দিন সায়েম (দৈনিক ভোরের সময় ), জাহাঙ্গীর আলম (দৈনিক আমার বার্তা) সবুজ সরকার (দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন), অর্থ সম্পাদক মোত্তালেব হোসেন (দৈনিক অপরাধ কন্ঠ), সহ অর্থ সম্পাদক রুহুল আমিন (দৈনিক বর্তমান কথা)।
দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল খান আরিফ (সাপ্তাহিক লোকধারা), সহ-দপ্তর সম্পাদক সাগর আহম্মেদ (সাপ্তাহিক মৌবাজার), প্রচার সম্পাদক বিভাষ কৃষ্ণ চৌধুরী (দৈনিক নওরোজ), সহ প্রচার সম্পাদক মুক্তার হোসেন (দৈনিক যুগধারা), ক্রীড়া সম্পাদক শামীম আল মামুন (সাপ্তাহিক মৌবাজার) সহ-ক্রীড়া সম্পাদক সাহান হাসান (একতার কণ্ঠ)।
সাহিত্য ও জনকল্যাণ সম্পাদক বোরহান তালুকদার (দৈনিক আজকের টেলিগ্রাম) শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল আমিন খান (সাপ্তাহিক গণ-বিপ্লব), তথ্য ও প্রয়ুক্তি সম্পাদক মোস্তফা কামাল (দৈনিক জনতার কথা), সহ তথ্য ও প্রয়ুক্তি সম্পাদক জাহিদ (ডেইলি অবজারভার), আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শামসুল আলম, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রমজান আলী, মানবাধিকার সম্পাদক মোঃ উজ্জল মিয়া, (দৈনিক স্বাধীন সংবাদ । ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম (মৌবাজার) সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শুভ সাহা।
কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন, মোশাররফ হোসেন ঝিন্টু সিদ্দিকী (সাপ্তাহিক গণবিপ্লব),সেলিম তরফদার (সাপ্তাহিক পাপিয়া) রশিদ আহাম্মদ আব্বাসী (এশিয়ান টিভি ও বাংলাদেশ সময়) এনামুল হক দীনা (সাপ্তাহিক লোকধারা), সাজ্জাত হোসেন লিংকন (ডেইলি অবজারভার), আব্দুস সাত্তার (দৈনিক ভোরের পাতা), খন্দকার খায়রুল ইসলাম (দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ) রেজাউল করিম (দৈনিক বাংলাভূমি), মাসুম ( দৈনিক দেশ বার্তা), বাবুল রানা (বাংলাদেশ সমাচার) আনোয়ার হোসেন ( দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন), আতোয়ার রহমান খান (দৈনিক কালের বার্তা) কামরুজ্জামান (দৈনিক বর্তমান কথা), হাবিবুল্লাহ বাহার (দৈনিক কালের বার্তা), মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ (একতার কণ্ঠ), মজনু মিয়া (দৈনিক যুগধারা), এম এ করিম (দৈনিক কালের বার্তা), নোমান (দৈনিক মজলুমের কন্ঠ) মাহদী মাসুদ (দৈনিক কালের বার্তা), নজরুল ইসলাম (মৌবাজার), মজিবর রহমান (দৈনিক কালের বার্তা), , মোঃ সজিব (দৈনিক কালের স্রোত)।