একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নগরজফৈ বাইপাস এলাকায় বাস চাপায় দুই মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২১ অক্টোবর)বিকেল সোয়া ৫ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, সোমবার বিকেলে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নগরজফৈ বাইপাস এলাকায় মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এসময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী একতা পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন এবং ঢাকায় নেওয়ার পথে আরেকজনের মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান,বাসটি আটক করলেও এর চালক ও সহকারি পলাতক রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকের দাফন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫ টায় শহরের বেবীস্টান্ড গোরস্থান মসজিদে জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজা নামাজে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন অংশ নিলেও নিজ দলের উল্লেখযোগ্য কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।
এর আগে বিকেল সাড়ে তিনটায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকে কোনো প্রকার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই সাধারণ ভাবে দাফনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের সরকারি বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
এসময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থতির স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেন।
শনিবার সকালে ফারুকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার বাড়িতে জেলার বিভিন্ন স্তরের মানুষ সমবেদনা জানাতে জড়ো হলেও তার ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ ও নিজ দলের নেতাকর্মীদের দেখা যায়নি। প্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক ও তার ছেলে খান আহমেদ শুভ সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি।
ফারুকের পারিপারিক সূত্র জানান, দীর্ঘ দিন ধরে ফারুক শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফজলুর রহমান ফারুক ১৯৪৪ সালের ১২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ওয়ার্শী ইউনিয়নের কহেলা গ্রামে জন্ম নেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ফজলুর রহমান খান ফারুক সাবেক গণপরিষদ সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
১৯৬০ সালে ফারুক ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৬২ সালে টাঙ্গাইল মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৮৪ সাল থেকে ২০১৫ সালের ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সাল থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক কালবেলার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা, কেক কাটা মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
সকালে দৈনিক কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান রাসেল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,দৈনিক কালবেলার জেলা প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জল।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজামিল শাহীন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, বিএনপি নেতা শাহীন আকন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।
বক্তারা বলেন, দৈনিক কালবেলা পত্রিকা দ্বিতীয় বছর পার করে তৃতীয় বছরে পদার্পণ করছে। এই অল্প সময়ে পত্রিকাটি মানুষের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বক্তারা নতুন বাংলাদেশে তারুণ্যের স্বপ্নপূরনে দৈনিক কালবেলার পত্রিকার সঙ্গে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি )তানবীর আহম্মেদ সহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থি ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় আইয়ুব আলী (৪৭) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৩ অক্টোবর) সকালে শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আইয়ুব আলী সদর উপজেলার ভবানীপুর পাতুলী এলাকার মৃত নছিম মিয়ার ছেলে। তিনি বিভিন্ন স্থানে নারী সেজে যাত্রাপালায় অভিনয় করতেন বলে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানায়।
পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে নতুন বাসস্ট্যান্ডে এলাকার মাইক্রোবাস্ট্যান্ডের পেছনের পরিত্যক্ত ঘর থেকে গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। ধারনা করা হচ্ছে,রাতে কোনো এক সময় তাকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়।
নিহতের ছেলে অনিক মিয়া বলেন, ‘আমার বাবা শনিবার সন্ধ্যায় কাজের কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। রবিবার সকালে আমার বাবার মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে হাসপাতালে আসি।’
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, ‘নিহতের মুখে আঙ্গুলের ছাপ ছিল। গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যা করার পর তার মরদেহ ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের ১ নং ওয়ার্ডের জেলা সদর লেক থেকে শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে মিজানুর রহমান (৩৪) নামে এক যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত মিজানুর রহমান টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাগমারা এলাকার বাহেজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)তানবীর আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান,শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে জেলা সদরে অবস্থিত টাঙ্গাইল জেলা সৌখিন মৎস শিকারী সমিতির পাশে জেলা সদর লেকে ভাসমান মরদেহ দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশে খবর দেয়।
পরে মাছ শিকারের জন্য ব্যবহৃত কাঠের পাটাতনের গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় থাকা মরদেহটি পুলিশ উদ্ধার করে। এ সময় মরদেহের সাথে থাকা একটি ব্যাগে আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের সঙ্গে যুবকের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ আরো জানান, মিজানুর রহমান (৩৪) নামের ওই যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান,নিহত মিজানুর রহমান টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাগমারা এলাকার বাহেজ উদ্দিনের ছেলে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ওসি আরোও জানান,খবর পেয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টাঙ্গাইল সদর সার্কেল) সোহেল রানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইনা ইউনিয়নের ‘জয় মা’ ক্লাবের উদ্যোগে সার্বজনীন দুর্গোৎসব উদযাপন করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) দুর্গোৎসবের মহা অষ্টমী তিথিতে জয় মা’ ক্লাবের পূজা মণ্ডপে ‘দেবী দুর্গার মর্ত্যে আরোহন, অশূর বধ ও মাতৃধামে ফিরে যাওয়া নিয়ে নাটক মঞ্চস্থ হয়। জয় মা ক্লাবের সদস্যরা এই নাটকে অভিনয় করেন।

এ ছাড়া মন্ডপে চলে পূজা-অর্চনা। ভক্তগণ এসে দেবী দুর্গাকে অর্চনা নিবেদন করেন। ভক্তদের ভিড়ে মুখরিত ছিল পূজা মন্ডপ।
‘জয় মা’ ক্লাবের সভাপতি রামপ্রসাদ সাহার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পলাশ সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দাইনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লাভলু মিয়া লাবু।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ গুণ ঝন্টু, দাইনা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, মহিলা সদস্য বিলকিস বেগম , ক্লাবের
কার্যকরী সভাপতি শুভ সাহা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জনি সাহা, সহ-সাধারণ সম্পাদক তাপস সাহা, আকাশ সাহা, স্বাধীন সাহা, কোষাধ্যক্ষ, আবির সাহা, সদস্য অন্তত সাহা,অনিক সাহা,নীবির সাহা প্রমূখ।
উল্লেখ্য,বুধবার ২ অক্টোবর মহালয়ার শুরুর মধ্যে দিয়ে হিন্দু ধর্মালম্বীদের মনে পূজোর ভাব চলে আসছে। দেবী দূর্গা এবার দোলায় চড়ে আগমন করেছেন এবং প্রস্থানও করবেন ঘোটকে চড়ে। আগমন শুভ এবং প্রস্থান এবার অশুভ।
এবার পূজায় প্রার্থনা থাকবে পৃথিবী ও দেশ থাকুক শান্তিময়। ৯ অক্টোবর ষষ্ঠীতে দেবীর দুর্গার বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। আগামী ১৩ অক্টোবর বিজয় দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন ও বিজয়া শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে শেষ হবে এই বর্ণিল উৎসব।
একতার কণ্ঠঃ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য স্থিতিশীল রাখা ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেনে টাঙ্গাইলে বাজার পরিদর্শন করছে জেলা প্রশাসনের দ্রব্যমুল্য পর্যালোচনা তদারকির বিশেষ টাস্কফোর্স টিম।
শুক্রবার (১১অক্টোবর) সকালে শহরের সবচেয়ে বড় পাইকারী বাজার পার্ক বাজারে এই তদারকি শুরু করা হয়।
এসময় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে চাল, ডাল, ডিম, মাছ, মাংস ও মুরগীর বাজার তদারকি করা হয়।এতে মুরগী, ডিম ও মাছের ‘বাজার মুল্যে’ তালিকা টানানো সহ পণ্যের ক্রয়ের রশিদ খতিয়া দেখা হয়।
বাজার তদারকিতে নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও দ্রব্যমুল্য পর্যালোচনা তদারকির বিশেষ টাস্কফোর্সের আহবায়ক মো.জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন টাঙ্গাইল এর সহকারী পরিচালক ও বিশেষ টাস্কফোর্সের সদস্য সচিব সিকদার শাহীনুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও বিশেষ টিমের সদস্য মো.সোহেল রানা, কৃষি কর্মকর্তা ও সদস্য ফারজানা, ক্যাবের জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ও সদস্য মো.আবু জুবায়ের উজ্জল, উপজেলা প্রানী সম্পাদ কর্মকর্তা ও সদস্য মো.মেহেদী হাসান, উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা মো.আইয়ুব আলী, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ মো.মুসা প্রমুখ ।
এছাড়াও ছাত্র প্রতিনিধি ও বিশেষ টাস্কফোর্সের সদস্য মনিরুল ইসলাম ও মো.আল আমিন বাজার পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মিছিলে হামলা ও গুলির ঘটনার মামলায় সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার(১০ অক্টোবর ) বিকালে পার্শ্ববর্তী জেলা গাজীপুরের উত্তর ছায়া বীথি এলাকা থেকে তাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত শাহজাহান আনছারী (৬৫) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করটিয়া কলেজ পাড়া এলাকার মৃত সাহেব আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, টাঙ্গাইল শহরে গত ৪ আগস্ট সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের জেলা সদর সড়কের বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে পৌঁছালে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শটগান, পিস্তলসহ আগ্নেয়াস্ত্র এবং চাপাতি, রামদা, কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিলে হামলা করা হয়। তাদের ছোড়া গুলি লাল মিয়া নামে একজনের বাম পায়ের হাঁটুর নিচে বিদ্ধ হয়। পরে গত ৩১ আগস্ট লাল মিয়া বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি শাহজাহান আনসারী।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান ,শাহজাহান আনছারী এ মামলার ৮ নাম্বার আসামি ছিলেন। এ ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। শুক্রবার দুপুরে তাকে ৩ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাস-মিনিবাস মালিক সমিতিকে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের মতো ব্যবহার করেছেন গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড়মনি। সমিতিকে দলীয়করণের মাধ্যমে সাধারণ শ্রমিক ও মালিকদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সদস্যগণ।
তারা জানান, প্রতিদিন আনন্দ ভ্রমণের নামে ৫০ টাকার কুপন বানিয়ে সেই টাকা থেকে ৪০ টাকা ভ্রমণ খরচ দেখিয়ে ১০ টাকা করে তার নিজ পকেটে নিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মালিক সমিতির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক বলেন, ২০১৩ সালের পূর্বে টাঙ্গাইল জেলা বাস মালিক সমিতি ও টাঙ্গাইল জেলা লাক্সারি মিনিবাস মালিক সমিতি নামে দুটি আলাদা পৃথক সমিতি শ্রম মন্ত্রণালয়ের রেজিস্ট্রেশন ছিল। তবে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রভাবে বড়মনি ও ছোট মনির দুটি সমিতিকে একত্রিকরণসহ রাজত্ব কায়েম করে। সর্বশেষ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির ২৬ তারিখে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড়মনি বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব করে অবৈধ ভাবে নতুন কমিটি গঠন করে দেন। যা এখনও বহাল আছে। জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনি ছাত্র হত্যা ও একাধিক ধর্ষণ মামলার আসামী।
তিনি আরও বলেন, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে বড় মনি ছাত্রদের ওপর প্রকাশ্যে গুলি ছোড়েন যা টাঙ্গাইলবাসীসহ সারাদেশের মানুষ দেখেছেন। আমরা এ দলীয়করণ বাদ দিয়ে একটি গঠন মূলক কমিটি চাই। বড় মনি ও ওই কমিটির নেতারা মোট ৮১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, আমরা মালিকরা ওই টাকা ফেরত চাই।
সম্মেলনে জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সদস্য সৈয়দ জাহিদুল হক, নিলুফার ইয়াছমিন খান, নজরুল ইসলাম খান, ছানোয়ার হোসেন ছানা, শহিদুর রহমান, রুমি ভূইয়াসহ অন্যান্য সদস্যরাসহ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ গত ৪ আগস্ট টাঙ্গাইল জেলা সদর রোডের বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলা ও গুলির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজহারভুক্ত আসামি শহিদুল ইসলাম সমেজকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪ সিপিসি-৩।
সোমবার (৭ অক্টোবর) বিকালে টাঙ্গাইল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ধুলেরচর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রেপ্তারকৃত শহিদুল ইসলাম সমেজ টাঙ্গাইল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বৈল্লা এলাকার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে। সে পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৪, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি শহিদুল ইসলাম সমেজের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর র্যাবের একটি চৌকোষ দল সোমবার বিকালে শহরের ধুলেরচর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। সে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মিছিলে হামলা ও গুলির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ১২১নং আসামি।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি শহিদুল ইসলাম সমেজকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই মামলার অন্যান্য এজহারভুক্ত ভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইল স্পেশাল জর্জ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে এই রায় দিয়েছেন।
দন্ডিত ব্যক্তির নাম রুহুল আমীন (৪৪)। তিনি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আগ এলাসিন গ্রামের তাজুল মিয়ার ছেলে। তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সরকারী কৌশুলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, বিগত ২০১২ সালের (১২ এপ্রিল) দন্ডিত রুহুল আমিনসহ আরও কয়েকজন আগ এলাসিন গ্রামের আলম বাদশার ছেলে ফিরোজ আল মামুনকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ওই দিন রাতেই মামুন বাড়ি ফেরার পথে তার উপর হামলা করা হয়। হামলাকারীরা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর আহত করে তাকে। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, পরদিন নিহত মামুনের মা শামসুন্নাহার বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ বিগত ২০১৩ সালের (২৭ মে) আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলার অপর ৪ আসামী জাহাঙ্গীর, আনিসুর রহমান, কালু ও রবি’র বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দেন।
একতার কন্ঠঃ মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, গত কেবিনেট সভায় গুরুত্বের সাথে আলোচনা হয়েছে এবারের পূজাটি যেন নতুন বাংলাদেশের পূজা হয়। ইতিপুর্বে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাথে প্রধান উপদেষ্টা সভা করেছেন।
সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের সকলেই একটি পরিবার। এখানে সংখ্যালঘু সংখ্যাগরিষ্ঠ বলতে কিছু নেই।
সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, আমরা ঈদে আনন্দ করবো আর পূজায় ভয় পাবো এটা হয়না। আমরা সবাই মিলে যদি চেষ্টা করি তাহলে ভাল একটা পূজা করতে পারবো।
পূজা উপলক্ষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যেই যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে নিরাপত্তার কোন ঘাটতি নেই বলে জানান উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
জেলা প্রশাসক শরিফা হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাবু চিত্তরঞ্জন সরকার ও সাধারন সম্পাদক প্রদীপ কুমার গুন ঝন্টুসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।