আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন কলেজে নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মেধা তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের হাতে তিনি এ উপহার সামগ্রী তুলে দেন।
এ সময় সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে জেলা বিএনপির বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বাসায় গিয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেয়ায় অভিভাবকসহ স্থানীয়দের প্রশংসায় ভাসছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তারা জানিয়েছেন, এর আগে কখনো এমনটা দেখেননি তারা। এই প্রথম সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এতে খুশি তারা।
এ বিষয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে করে তারা পরীক্ষায় আরো ভালো ফলাফল করতে অনুপ্রাণিত হয়।
আরমান কবীরঃ মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, কীটনাশকের প্রচারণা দেখে এটি ভাল কিছু মনে হলেও এটি আসলে বিষ। বিষকে কিভাবে আমরা খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহার করি? এই বিষাক্ত কীটনাশক বন্ধ করতে প্রয়োজনে রাস্তায় নামবো।
শনিবার (২৮ জুন) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের মেইন রোডে অবস্থিত বুরো বাংলাদেশের আঞ্চলিক কার্যালয়ের হলরুমে সবুজ পৃথিবী ও নয়াকৃষি আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত নিরাপদ খাদ্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বিষ দিয়ে মাছও ধরা হচ্ছে। গরু ছাগল ঘাস খেতে পারছে না। সেখানে আগাছা নাশক ছিটিয়ে দিয়ে ঘাস মেরে ফেলে তা বিষাক্ত করা হচ্ছে। এ বিষাক্ত পরিবেশ থেকে আমাদের বের হতে হবে। বাংলাদেশ অনেক সুন্দর দেশ, সমৃদ্ধশালী দেশ। আমরা চাইলে এ দেশকে আরও সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য আরো রাখেন, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. আবু নইম মুহাম্মদ আবদুছ ছবুর, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, বুরো ময়মনসিংহ বিভাগের ব্যবস্থাপক ইশতিয়াক আহমেদ, আসপাডা পরিবেশ আন্দোলনের নির্বাহী পরিচালক লায়ন এম এ রশিদ, উবিনিগেরর পরিচালক সীমা দাস সীমু, সবুজ পৃথিবীর সাধারণ সম্পাদক শহিদ মাহমুদ, কৃষক ছানোয়ার হোসেন প্রমুখ।
এ সময় বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা ওপরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ পৃথিবী ও নয়াকৃষি আন্দোলনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল যৌনপল্লীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় নগদ টাকা, বিভিন্ন আসবাবপত্র ও ১২টি থাকার ঘরসহ বেশ কয়েকটি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে গেছে।
শনিবার (২৮ জুন) সকালে টাঙ্গাইল পৌর শহরের কান্দাপাড়া এলাকার যৌনপল্লীতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিটের সদস্যরা ১ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হন।
জানা যায়, সকাল সাড়ে ১১ টাকার দিকে একটি ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে রান্নার কাজ করা হচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে ঘরের চারদিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেখানকার লোকজন পানি দিয়ে আগুন নেভাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আগুন লাগার ঘটনায় ১২টি ঘর ও বেশ কয়েকটি দোকান পুড়ে যায়। ঘরে থাকা নগদ টাকা, আলমিরা, টিভি, ফ্রিজ, সুকেজসহ নানা ধরণের আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা শুকুর, সালমা, লাল মিয়া, সন্ধ্যা ও আলোসহ আরো অনেকে জানান, হঠাৎ করেই গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ঘরে আগুন লেগে যায়। পরে তা মুহুর্তেই পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ঘরে থাকা টাকা-পয়সা ও আসবাবপত্র সব পুড়ে গেছে। আমাদের এখন থাকার জায়গা নেই। সরকারের কাছে দাবি, আমাদের যেন নতুন করে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শফিকুল ইসলাম ভূঞা বলেন, সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে খবর আসে পৌর শহরের কান্দাপাড়া যৌনপল্লীতে আগুন লেগেছে। পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৪টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, ১০ থেকে ১২টি ঘরসহ ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে বলা যাচ্ছে না।
এদিকে, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
আরমান কবীরঃ দেশের পরিবেশ রক্ষায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষ রোপন করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার (২২ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার ধুলেরচর মাদ্রাসা, গালা ইউনিয়নের আহসানুল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়, রসুলপুর বাছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে বিভিন্ন জাতের গাছের চারা রোপন করা হয় ।
এসময় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, পরিবেশ রক্ষায় আমাদের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলমান থাকবে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলাকে একটি আদর্শিক টাঙ্গাইল হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। কোন চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের জায়গা এই টাঙ্গাইলে হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদ আলম রাশেদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় হোড় শুভ প্রমুখ।
এই বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীতে ছাত্রদল, যুবদলসহ বিএনপি ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রয়াত সামসুল হকের স্মরণে শামসুল হক স্মৃতি মিনি ফ্লাট লাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে শামছুল হক স্মৃতি সংসদের আয়োজনে ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের (ডিএফএ) সার্বিক সহযোগিতায় টুর্নামেন্টির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল ডিএফএ এর সভাপতি এডভোকেট আলী ইমাম তপন, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলি, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলা কমিটির আহ্বায়ক আল-আমিন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, শামসুল হক স্মৃতি মিনি ফ্লাট লাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের আহবায়ক ও জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।
এই উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহণ করেন, সুপ্রভাত রাইডার্স বনাম হেলিপ্যাড লায়ন’স ও ভাসানী ক্লাব বনাম টাইগার সুলতানা স্পোর্টিং ক্লাব।
এই টুর্নামেন্টে চারটি গ্রুপে মোট ১৭টি দল অংশগ্রহণ করছে। আগামী ৮ জুলাই টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলো হচ্ছে, গ্রুপ-ক : শতায়ু অঙ্গন ক্লাব, সোনালী সকাল ক্রীড়া সংঘ, আরামবাগ ক্লাব, শুভ সকাল ক্লাব।
গ্রুপ-খ : সুপ্রভাত রাইডার্স, হেলিপ্যাড লায়ন্স, হেলিপ্যাড টাইগার’স, ফতেপুর পল্লীমা সংস্কৃতিক সংসদ।
গ্রুপ-গ: দেহঘড়ি শরীর চর্চা ক্লাব, নুরা পরিবার ক্লাব, সু-প্রভাত জুনিয়র, পার্ক বাজার সমবায় সমিতি লিমিটেড।
গ্রুপ-ঘ : ভাসানী ক্লাব, টাইগার সুলতানা স্পোর্টিং ক্লাব, সৈয়দ জালাল ক্লাব, সুপ্রভাত কিংস, অফিসার্স ক্লাব টাঙ্গাইল।
উল্লেখ্য, মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর জামাতা শামসুল হক টাঙ্গাইল পৌরসভার দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ১৯৮৪ থেকে ১৯৯০ সাল ও ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত টাঙ্গাইল পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। মরহুম সামসুল হক টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর পিতা।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের ‘পোড়াবাড়ী জনকল্যাণ সংস্থার’ পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন মো. রাজিবুল ইসলাম রানা ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো. আকিবুর রহমান।
শুক্রবার (৬ জুন) সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের বড় বেলতা ঈদগাহ্ মাঠে এই কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর সিকদার, সহ-সভাপতি মো. ইব্রাহিম মিয়া, মো. বুলবুল হাসান, মো. সুমন জোয়ারদার, মো. সমশের আলী, মো. রেজাউল করিম, মো. রুবেল মিয়া, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. সুমন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন জোয়ারদার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম রানা, মো. উজ্জ্বল হাসান, মো. মুছা বেপারি, মো. পারভেজ মিয়া, মো. লালন মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসিফ, মো. রকি, কোষাধক্ষ রাসেল রানা, দপ্তর সম্পাদক মো. খোকোন মিয়া, আইন সম্পাদক হৃদয় মিয়া, প্রচার সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, ক্রিয়া সম্পাদক মো. সোহেল রানা।

সাধারণ সদস্যরা হলেন, হৃদয় হাসান, সবুজ খান, মনিরুল ইসলাম, মো. সুজাত হাসান, মো. মানিক মিয়া, মো. জাহিদ হাসান, মো. রিপন সিকদার, মো. মাসুদ মিয়া, মো. মুসতাক হাসান, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. সজিব হাসান, মো. আজাদ মিয়া, মো. শরিফুল ইসলাম, মো. সাদ্দাম হোসেন, মো. সোহেল রানা, মো. মেহেদী হাসান, মো. সেরাজুল ইসলাম, মো. আজিজুল ইসলাম, মো. রাজিব হাসান, মো. শাকিল হাসান, মো. জুয়েল রানা, মো. সোহেল রানা, মো. মাজিদুল ইসলাম।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নির্বাচনী প্রচারণা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাহমুদনগর ইউনিয়নের গোল চত্বর বিএনপি কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মাহমুদনগর ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী মহিলাদল আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমানের সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম, সদর থানা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার কবিরুজ্জামান কবির, সদস্য সচিব ইকবাল তালুকদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে মহিলা কর্মীদের হাতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী তুলে দেন নেতৃবৃন্দরা।
আরমান কবীর: টাঙ্গাইলে জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজের (ভিএফসি) ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১১ জুন) রাতে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভিএফসির চেয়ারম্যান ও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, সিনিয়র- যুগ্ম আহবায়ক জাহিদ হাসান মালা।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই এই ফুটবল টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণকারী সকল দলের জার্সি উন্মোচন করা হয়। একই সাথে টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন করেন অতিথিবৃন্দ।
পরে বিবেকানন্দ স্কুলের শিক্ষার্থী, টাঙ্গাইল ক্লাব রোড ব্যান্ড ও জনপ্রিয় ব্যান্ড দল ‘ওয়ারফেজ’ সঙ্গীত পরিবেশন করে।
এই জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বিদ্যালয়টির সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে পৌর উদ্যানকে মুখরিত করে তোলে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া এলাকার যৌনপল্লিতে বাসনা আক্তার (১৯) নামে এক যৌনকর্মীর রহস্য জনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) বিকেল আনুমানিক ৫ টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে যৌনকর্মীদের অভিযোগ বাসনা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে তার কথিত প্রেমিক মাসুদ।
তবে পুলিশ বলছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাটির বিষয়ে বর্তমানে তদন্ত চলমান রয়েছে।
জানা গেছে, বাসনা আক্তারের মা-বাবা নেই। ছোটবেলা থেকেই শহরের কান্দাপাড়া যৌনপল্লিতে বড় হয়েছে সে। পরে সেখানেই যৌনকর্মী হিসেবে যোগ দেন তিনি। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চর খিদিরপুর গ্রামের মৃত মোঃ লাল মিয়ার ছেলে মাসুদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বাসনা। মাসুদ পেশায় একজন রিকশাচালক।
ঘটনা প্রসঙ্গে কর্মরত যৌনকর্মীরা জানায়, প্রতিনিয়তই বাসনার ঘরে যাতায়াত করতেন মাসুদ। তাদের মধ্যে প্রায় সব সময়ই ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। মঙ্গলবার দুপুরে মাসুদকে বাসনা কয়েকবার ফোন দিয়ে আসতে বলেন। বারবার ফোন দেওয়ার ফলে মাসুদ সেখানে আসতে বাধ্য হয়। পতিতালয়ের পাশেই বিক্রি হয় রেক্টিফাইড স্পিরিট। সেই দোকান থেকে মাসুদ রেক্টিফাইড স্পিরিট নিয়ে আসেন। তারপর তারা বেশ কিছুক্ষণ বাসনার ঘরে অবস্থান করেন। কিছুক্ষণ পরে মাসুদ ডাক চিৎকার শুরু করেন। তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের যৌনকর্মীরা বাসনার ঘরের কাছে ছুটে আসেন। তারা এসে বাসনাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা মাসুদকে ঘরের বাহিরে এনে হাত-পা বেঁধে মারধর করেন। ঘরের মালিক টাঙ্গাইল সদর থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ অভিযুক্ত মাসুদকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তানবীর আহাম্মেদ মুঠোফোনে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা একটি আত্মহত্যার ঘটনা। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বর্তমানে তদন্ত চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বাসনা আক্তারের কথিত প্রেমিক মাসুদকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আরমান কবীরঃ যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আযহা’র জেলার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৭জুন)সকাল আটটায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মুফতি সোলাইমান, নামাজ শেষে দেশ-জাতির কল্যান কামনা ও বিশ্বের মুসলিম উম্মার জন্য দোয়া করা হয়।
ঈদ জামাত শেষে একে অপরের সাথে কোলা-কুলি ও কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার টাঙ্গাইলের উপপরিচালক ও টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক মো: শিহাব রায়হান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: আব্দুল্যাহ আল মামুন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: মাহবুব হাসান, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
এ ছাড়াও জেলার এই প্রধান ঈদ জামাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নানা শ্রেণী পেশার সহস্রাধিক মানুষ এতে অংশ নেয়।
প্রসঙ্গত,টাঙ্গাইল জেলার এবার ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৫৩২টি ঈদগাঁ মাঠে শনিবার (৭ জুন) সকালে পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে কালিহাতী উপজেলায় সর্বোচ্চ ৩৪২টি এবং ধনবাড়ী উপজেলায় সর্বনিম্ন ১৬টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এ হিসাবের বাইরেও গ্রাম-পাড়া-মহল্লার অনেক স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আরমান কবীরঃ আর মাত্র কয়েক দিন পরেই মুসলমানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় উৎসব ‘ঈদুল আজহা’। এই উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা কোরবানীর পশু ক্রয়ের জন্য বিভিন্ন হাটে হাটে দোড়ঝাপ শুরু করেছেন। অন্যদিকে, কোরবানির পশু জবাই ও মাংস বানানোর জন্য বিভিন্ন সরঞ্জামাদি বানাতে ও কিনতে ছুটছেন কামারের দোকান গুলোতে। তবে কামাররা জানান, এখনো আশানুরূপ ক্রেতার দেখা মিলছে না দোকান গুলোতে।
সরেজমিনে টাঙ্গাইল পার্ক বাজারের কামারের দোকান গুলো ঘুরে দেখা যায়, দা, বটি, চাপাতি, ছুরি, দেশি কুড়াল,চাইনিজ কুড়ালসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদির পসরা সাজিয়ে বসে আছেন কামাররা।
ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকলেও জমে উঠেনি আগের মতো কামারিদের দোকানগুলো। কামার শিল্পীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পশুর চামড়া ছাড়ানো ছুরি ২’শ থেকে ৩’শ টাকা, দা ৬’শ থেকে ৯’শ টাকা, বটি ৯’শ থেকে হাজারেরও উপরে, পশু জবাই ছুরি ৮’শ থেকে দেড় হাজার টাকা, চাইনিজ কুড়াল ৮’শ, দেশিও কুড়াল ৬’শ টাকা দরে বিক্রি করছেন তারা।
তাদের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, তাদের সকলেরই পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া এ পেশা। তাই তারা ঐতিহ্য হিসাবে ধরে রাখছেন এ পেশাকে।
কামার সত্যরঞ্জন দাস ও উদয় সরকারের সাথে কথা হয়। তাঁরা ৪০ বছর ধরে এই পেশার সাথে জড়িত।
তারা জানান, আগের মত আর তেমন কাজ নেই। এখন আমাদের এ পেশায় নুন আনতে পানতা ফুরানোর মত অবস্থা। সারা বছর কাজ না থাকায় মুসলমানদের ধর্মীয় এ উৎসবের অপেক্ষায় থাকি। তাতে কিছুটা হলেও পুষিয়ে উঠা যায়। বাপ-দাদার পেশা, এ পেশাই জীবন বাঁচাই, ছাড়তেও পারি না। তারপরেও কয়লার দাম বেশী হওয়ায় আমাদের হিমশিম খেতে হয়। এর সাথে কাজ করা লোক ও এখন আর পাওয়া যায় না, পরিশ্রম বেশি তাই এ পেশা থেকে লোক সরে যাচ্ছে । আগে কয়লা ও লোহার দাম কম ছিল তাই খাটা খাটনি করে ভালো দাম পাওয়া যেত। এখন তেমন টা হয় না।
তারা আরও বলেন, বাপ দাদার পৈত্তিক এই পেশায় জীবন বাঁচানো খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। আমাদের জন্য কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি সরকার। তাই পেটের দায়ে পৈত্রিক পেশা ছেড়ে বাধ্য হয়ে অনেকেই এখন অন্য পেশায় ঝুকছেন।
টাঙ্গাইল পার্ক বাজারে কথা হয় জেলা সদর থেকে আসা ক্রেতা আব্দুর রহমানের সাথে তিনি জানান, গরু কোরবানীর জন্য দা, ছুরি ও চাপাতির অর্ডার দিয়েছি। ঈদ আসলে দাম একটু বাড়ে। তবুও আমাদের বানাতে হয়। কোরবানীর পশু কেনার যে সময় লাগে এখন তার চেয়ে বেশী সময় লাগে সরঞ্জামাদি বানাতে ।
তিনি আরও বলেন, তবে গতবারের তুলনায় এবার দাম একটু কম বলেই মনে হচ্ছে। এছাড়া এবার কামারের দোকান গুলোতে ভীড়ও কম পরিলক্ষিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার জেলায় ২ লাখ ১১ হাজার ৯৭৪টি কোরবানির পশুর চাহিদার বিপরিতে প্রস্তুত করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৯৭০টি পশু। তবে জেলায় কত পরিবার কামার পেশার সাথে যুক্ত আছেন সে তথ্য জানাতে পারেননি সরকারের সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যান দপ্তর।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির (কাদের) চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ জুন) সকালে শহরের ছয়আনী বাজার রোডস্থ পার্টি কার্যালয়ে জেলা জাতীয় পার্টির আয়োজনে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টি জেলা কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান যুবরাজ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, দপ্তর সম্পাদক হুমায়ুন কবির, জাতীয় মহিলা পার্টি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মনোয়ারা খন্দকার প্রমুখ।
সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সলিমুল্লাহ খান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার ঘটনাটি কাপুরুষিত ঘটনা। অবিলম্বে এই ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।অন্যথায় এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে যে সিদ্ধান্ত দেবে টাঙ্গাইল জেলা কমিটির উদ্যোগে সেটা কঠোরভাবে পালন করা হবে বলে হুঁশিয়ার উচ্চারণ করা হয় প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে।
বক্তারা আরও বলেন, জাতীয় পার্টি শুরু থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন করেছে। এই আন্দোলনে দলের নেতাকর্মীরা সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করে। তারপরও জাতীয় পার্টিকে ফ্যাসিবাদের দোসর বলাটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
প্রতিবাদ সমাবেশে জাতীয় পার্টির টাঙ্গাইল জেলা শাখা ও উপজেলা কমিটির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।