একতার কণ্ঠঃ সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বাতিল, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন সহ ১০ দফা এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ-জ্বালানি-নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য কমানোর দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি।
শনিবার(১১ মার্চ ) সকালে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের বেপারীপাড়া শান্তিকুঞ্জ মোড় এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি একেএম মনিরুল হক মনির, জেলা তাঁতীদলের সভাপতি শাহ আলম, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী নিলুফার ইয়াসমিন খান, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক দুর্জয় হোড় শুভ।
মানববন্ধনে বিএনপি সহ দলের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমেদ আযম খান বলেন, দুর্নীতি রাহুগ্রাস করে ফেলেছে তার প্রতিবাদে এই সরকারের পতনের দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন যাবত আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে আছি। আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম জনগনের মুক্তির জন্য, জনগনের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্যে, আমাদের সংগ্রাম জনগনের জন্যে।
আজকে চাল, ডাল, তেলসহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ হতাশ হয়ে পরেছে। মানুষ ভোট দিতে চায়, নির্বাচন আসে নির্বাচন যায় মানুষ ভোট দিতে পারে না।
তিনি আরো বলেন,আমারা ২০১৪ তে দেখেছি নির্বাচন ছাড়া এ সরকার ক্ষমতায় এসেছে। আবার ২০১৮তে দেখেছি দিনের ভোট আগের রাতে লুট করে নিয়ে গেছে। আবার নতুন করে সরকার ষড়যন্ত্র করছে ২০২৩ এর শেষের দিকে অথবা ২০২৪ এর প্রথম দিকে যে নির্বাচন হবে কিভাবে সেই ভোটকে লুট করে জনগনের অধিকার বঞ্চিত করা যায়। সেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে সরকার।
একতার কণ্ঠঃ এসো হে নবীন, এগিয়ে চল অবিরাম, অন্তহীন ভোরের সুর্যের প্রথম আলো, স্বপ্নডানা মেলে জয়ের অগ্নি হৃদয়ে ঢালো এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার বানিজ্যিক এলাকা করটিয়া এইচ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবীন বরণের মাধ্যমে কলেজে ভর্তি হওয়া নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের বরণ করে নেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১১ মার্চ) দুপুরে স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতায় বরণ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন তালুকদারের সভাপতিত্বে স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন, কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাংসদ ছানোয়ার হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আনছারী প্রমুখ।
অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন, কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলাম ও প্রভাষক মো. সোলায়মান দেওয়ান।
এসময় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মণ্ডলী, ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক বিমল চন্দ্র সুত্র ধর সহ অনেক শিল্পী গান পরিবেশন করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ব্যবসায়ী কহিনূর হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুইজনকে আটক করেছে র্যাব-১৪।
আটককৃতরা হলেন, উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রবিন হায়দার চৌধুরি সাদি (৪৩)। তিনি মামলার প্রধান আসামি সামী চৌধুরির বড় ভাই। অপরজন হলেন, বায়েজিদ হোসেন বাজে (৪৫)। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ)রাতে পৃথক জায়গা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র্যাব।
শুক্রবার (১০ মার্চ) দুপুরে তাদের ঘাটাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, টাঙ্গাইল র্যাব-১৪ মামলার অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করেছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে গ্রেফতারকৃত ২ আসামিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের শুক্রবার (১০ মার্চ) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যম জানায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কহিনুর আলী হত্যা মামলার ২ ও ৩ নম্বর আসামীকে গ্রেফতার করে র্যাব । গ্রেফতারকৃতরা হলো, ঘাটাইল উপজেলার উত্তর ধলাপাড়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে বায়োজিত ওরফ বাজ (৪৫) ও একই এলাকার মৃত বজলুল হায়দার চৌধুরীর ছেলে ববিন হায়দার চৌধুরী। বায়োজিত ওরফে বাজকে ঘাটাইল উপজলার মমিনপুর এলাকা এবং ববিন হায়দার চৌধুরীকে টাঙ্গাইল শহরের পলিটেকনিক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব আরা জানায়, শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের ঘাটাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ফেসবুকে মহানবী হযরত মোহাম্মদকে (সাঃ) নিয়ে কটুক্তি করে কমেন্ট করায় লিমন (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে কালিহাতী থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার(৯ মার্চ) রাতে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের উৎরাইলের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
আটককৃত লিমন ওই ইউনিয়নের উৎরাইল গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার ইসলাম সম্পর্কীত একটি স্ট্যাটাসে Li Mon নামক ফেসবুক আইডি হতে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী হযরত মোহাম্মদকে (সাঃ) নিয়ে কটুক্তিকর কমেন্ট করায় স্থানীয়রা তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ধ্যায় তাকে আটক করে মারধর করে।
পরে তার বাবা মো. আব্দুল আজিজ শুক্রবার(১০ মার্চ) জুম্মার নামাজের পর সামাজিকভাবে এর বিচার করা হবে বলে তাকে উদ্ধার করে নিজ হেফাজতে নেয়।
এ ঘটনার খবর পেয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিজে গিয়ে অভিযুক্ত ওই যুবককে রাতেই আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ প্রসঙ্গে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে আমি নিজে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) আদিবাসী ছাত্র সংগঠনের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত আদিবাসী শিক্ষার্থীদের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রুবাইয়াৎ ফেরদৌস, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম ও ময়মনসিংহের কারিতাসে আঞ্চলিক পরিচালক অপূর্ব ম্রং।
স্বাগতিক বক্তা হিসেবে আদিবাসী ছাত্র সংগঠন সাবেক সাধারণ সম্পাদক বকুল চন্দ্র বর্মণ ও সঞ্চালক হিসেবে ছিলেন আনসেং দালবত ও স্নেহা স্নাল।
প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান হিসেবে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় আদিবাসী ছাত্র সংগঠনের সভাপতি ডেভিড নোয়েল বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের বাংলা ভাষার পাশাপাশি নিজেদের মাতৃভাষাতেও কথা বলতে হবে। যদি পারি তবে ইংরেজি ভাষাতেও কথা বলতে হবে। বর্তমানে আমাদের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের অনেক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। সেগুলো গ্রহণ করতে হবে এবং সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব গড়ে তুলতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বালুবাহী ট্রাক চাপায় আরাফাত রহমান (১৪) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার এলেঙ্গার পুংলী মহেলা আদর্শ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আরাফাত ওই গ্রামের মোস্তফা মিয়ার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে আরাফাত মোটরসাইকেল নিয়ে মহেলা আদর্শ গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে যান। এসময় ওই গ্রামের বালুর ঘাট থেকে বালু নিয়ে ট্রাকটি যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী আরাফাত নিহত হয়।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় জনতা ট্রাকটি আটক করলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ব্যবসায়ী কহিনূর মিয়া(৪৫) হত্যাকাণ্ডে জড়িত সামি চৌধুরীকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন নিহতের স্বজনসহ এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ ) বিকেলে ধলাপাড়া-ঘাটাইল আঞ্চলিক সড়কের গাঞ্জানা ব্রিজ মোড় এলাকার সড়কে অবস্থান নেয় তারা। ঘন্টাব্যাপী স্থানীয় শত শত লোক সড়কে অবস্থানের পর আসামি গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়ে সড়ক অবরোধ তুলে নেয়ার অনুরোধ জানান স্থানীয় প্রশাসন।
এর আগে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ব্যবসায়ী কহিনূর মিয়াকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ তুলে তার পরিবার । বুধবার(৮ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের উত্তর ধলাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল বাছেদের ছেলে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লাশ দাফন করা হয়নি।
এদিকে ঘটনার পর ওইদিন রাতে নিহতের ছেলে জুয়েল রানা বাদী হয়ে একই এলাকার মৃত খসরু চৌধুরীর ছেলে সামি চৌধুরী সহ অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করে ঘাটাইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, খুনের ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে । এছাড়া যারা সড়কে লাশ রেখে অবরোধ করেছেন তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে টাঙ্গাইলের চার নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছ। বুধবার (৮ মার্চ) বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়।
সংবর্ধিত চার বীর নারী মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন- ঘাটাইল উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরা খাতুন, সখীপুর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছা. ফাতেমা খাতুন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শেফালী ও টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল গ্রামের রবিজান বেওয়া।
এদেরকে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের পক্ষ থেকে নতুন শাড়ি ও উত্তরীয় পরিয়ে, ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে সন্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্বর্ধনা পাওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিজান বেওয়া তার অনুভূতি জানিয়ে বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এতো সম্মান পাবো সেই লোভে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেইনি। তারপরও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সময়ে আমরা অনেক সম্মান পাচ্ছি। এ জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যার শেখ হাসিনার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফাতেমা খাতুন বলেন, দেশকে ভালবেসে ও দেশ মাতৃকাকে রক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। বর্তমান সরকার আমাদের যে সম্মান করছে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অন্য কোন সরকার আমাদের এতো সম্মান করেনি। বর্তমান জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার প্রতিটি ভালো কাজে আমাদের সাথে রাখায় আমরা গর্বিত।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শেফালী বলেন, গত ১৪ বছরে অনেক সম্মান পেয়েছি। আমার বাড়ি ঘরের অবস্থা ভাল নয়। আমাকে সরকারিভাবে বীর নিবাস করে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, টাঙ্গাইলের আট নারী বীর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে দুই জন নিহত ও দুই জন অসুস্থ থাকায় বাকি চার নারী মুক্তিযোদ্ধাকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে সংবর্ধনা জানাতে পারায় জেলা প্রশাসন গর্বিত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এক প্রেমিকা অবস্থান নিয়েছেন। এ সময় প্রেমিকসহ পরিবারের সবাই ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন।
মঙ্গলবার (৭ মার্চ) পাথরাইল ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন, উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে ইলিয়াস।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, অনেক দিন ধরে ইলিয়াসের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইলিয়াস আমার সঙ্গে অনেকবার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক করেছে। প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে আমাদের বাড়িতে ইলিয়াসের যাতায়াত ছিল। সম্প্রতি আমাকে এড়িয়ে চলায় মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিয়ের দাবিতে ইলিয়াসের বাড়িতে উঠেছি।
ভুক্তভোগীর মা ডলি বেগম জানান, আমার মেয়ের সঙ্গে ইলিয়াসের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি জানি। পার্শ্ববর্তী সবাই তাদের চলাফেরা করতে দেখেছে। আমার বাড়িতেও ইলিয়াসের আসা-যাওয়া ছিল। প্রথম পর্যায়ে মেয়েকে বাধা দিয়েছি। এতে কয়েকবার গলায় ফাঁস দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
তিনি আরও জানান, ইলিয়াস বিয়ের আশ্বাস দিয়ে প্রতারণা করায় মেয়ে বাড়িতে না জানিয়ে ইলিয়াসের বাড়িতে উঠেছে। আমরা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও মেয়ে বাড়ি আসছে না।
অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে তালা থাকায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে অভিযুক্ত ইলিয়াসের বাড়ি গিয়ে মেয়ের অবস্থান কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু শিশু ও নারী বিষয়ক ঘটনা মীমাংসা করার অধিকার আমাদের নেই। মেয়ের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করলে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ দিবস পালন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৭ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শামীম আরা রিনি, টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আহসানুল বাসার, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীর প্রতীক, সাবেক ডেপুটি জেলা কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ। পরে এক মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এর আগে সকালে জেলা প্রশাসনের জনসেবা চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সকালে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গাছের ডাব খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধর ও মাকে অপমান করায় তা সহ্য করতে না পেরে ক্ষোভে-দুঃখে ও অপমানে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে বাথরুমে ফাঁসি দিয়ে আবির (১৪) নামে এক স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে।
আবির ভূঞাপুর উপজেলার অজুর্না ইউনিয়নের কুঠিবয়ড়া গ্রামের বাদশা মন্ডলের ছেলে। সে স্থানীয় ঘাটান্দি আলহাজ্ব হায়দার আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র।
মঙ্গলবার(৭ মার্চ) দুপুর ৩ টার দিকে ভূঞাপুর পৌর এলাকার ঘাটান্দি সোনিয়া হাসপাতালের পাশে একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। সে ঘাটান্দি এলাকায় পরিবারের সাথে ভাড়া বাসায় থাকতো।
স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার রাতে মাকে নিয়ে ঘাটাইল উপজেলার যদুরপাড়া গ্রামের তার নানা সুজ্জত আলীর বাড়িতে যায়। পরে ৮-১০ জন বন্ধু মিলে ডাকনাপটল গ্রামে ওয়াজ মাহফিল শুনতে গিয়ে সিংগুরিয়া গ্রামের ডাঃ ওয়াজেদ’র বাড়ির গাছের ডাব খাওয়ার জন্য যায় এবং আবির গাছে ওঠে।
একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেলে তাদের ধাওয়া করে ও বন্ধুরা পালিয়ে যায়। সেসময় আবির গাছে থাকা অবস্থায় পালাতে না পারায় স্থানীয়রা তাকে ধরে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এরপর আবিরের মাকে ডেকে নিয়ে তাকে চুরির অপবাদ দিয়ে মাকেও অপমান করে। পরে আবিরকে বাসায় নিয়ে আসে তার মা।
এ ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে আবিরের মা ও তার বড় ভাই নিজ কর্মস্থলে চলে যায়। দুপুরের দিকে তার মা বাড়িতে এসে আবিরকে ডাকতে থাকে এবং বাথরুমের দরজা ধাক্কা দিয়ে দেখতে পায় ভেতর থেকে আটকানো। পরে তার বড় ছেলেকে ফোন করলে সে বন্ধুদের নিয়ে এসে বাথরুমের দরজা ভেঙে আবিরের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, দুপুরে স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আবির নামে ওই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব আবু নাসার উদ্দিনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার দেবডাঙ্গা গ্রোয়েন বাঁধ এলাকায় ডিসি পল্লী উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে শনিবার (৪ মার্চ) তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নান।
সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আনছার আলী মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সারিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম মিন্টু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত, পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান মতি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক দুলু, অফিসার ইনচার্জ রাজেশ কুমার চক্রবর্তী প্রমূখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্ববধানে ছিলেন ডিসি পল্লী উন্নয়ন সংঘের সভাপতি জাঙ্গাহীর আলম নয়ন এবং দেবডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউনুস আলী সাকিদার। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ এলাকার সকল স্তরের মানুষ অংশ নেন।
সংবর্ধিত অতিথি আবু নাসার উদ্দিন একজন বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তিনি টাঙ্গাইলের কালিহাতী ও রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের ইউএনও এবং গাজীপুরের এডিসি জেনারেলের দায়িত্বপালন করেন। কর্মক্ষেত্রে তার জনবান্ধব এবং ব্যতিক্রমী উদ্যোগের জন্য একদিকে সাধারণ মানুষের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। অন্যদিকে পেয়েছেন জেলার শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তার পদক।
আবু নাসার উদ্দিন বলেন, নিজ এলাকায় সংবর্ধনা পাওয়ার অনুভুতি সত্যি অন্যরকম। আমি অতিথি নই, আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদেরই মাঝে থাকতে চাই। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি যেনো ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে দেশ-জাতির কল্যাণে সরকারি দায়িত্বপালন করতে পারি।