আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার আলোচিত নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহম্মেদ আজমীকে রাজশাহীর নওহাটা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
১৭ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবয় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. কবীর উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়।
একই আদেশে রাজশাহীর নওহাটা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ্জাহান আলীকে শিব্বির আহম্মেদ আজমীর স্থলে টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে বদলি করা হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, আগামী ২৯ এপ্রিলের (মঙ্গলবার) মধ্যে আজমীকে তার বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় আগামী ৩০ এপ্রিল (বুধবার) বর্তমান কর্মস্থল হতে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) বলে গণ্য হবেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে শিব্বির আহম্মেদ আজমী বলেন, ইতিমধ্যে আমি অফিস আদেশের কপিটি হাতে পেয়েছি। অফিস আদেশের নির্দেশ মোতাবেক নতুন কর্মস্থলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যোগদান করবো।
উল্লেখ্য, দুর্ণীতি প্রমানিত হওয়ার পরেও স্বপদে বহাল হয়েছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার আলোচিত বেড়াডোমা ব্রিজের দায়িত্বরত নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহম্মেদ আজমী। বুধবার (১৬ এপ্রিল) লঘুদন্ডের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সচিব মো.রেজাউল মাকসুদ জাহেদী স্বাক্ষরিত এক আদেশে তিনি বহাল হন। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তাকে রাজধানীর নওহাটা পৌরসভায় বদলি করা হয়।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল শহরের আলোচিত বেড়াডোমা ব্রিজের দায়িত্ব পালনকালে নির্মাণাধীন অবস্থায় ঢালাইকাজের পূর্বেই সেন্টারিং-এ ড্রইং ও ডিজাইন অনুসারে না করে গাছের বল্লী ও বাঁশের খুটি ব্যবহারে ঠিকাদারকে শুধু চিঠির মাধ্যমে নিষেধ করেন আজমী। ঢালাই কাজ বন্ধ না করে এবং ঢালাইয়ের সময় উপস্থিত না থাকায় চরম দায়িত্বে অবহেলা করেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহম্মেদ আজমী। একারণে টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৯৯২ সালের বিধি ৪০-এর উপ বিধি (ক) ও (খ) অনুয়ায়ী দায়িত্ব পালনে অবহেলার জন্য ওই প্রকৌশলীর নামে বিভাগীয় মামলা (নং-৪/২০২৩) দায়ের করা হয়।
পরে মামলাটি ২০২৩ সালের ১১ জুলাই শুনানীতে অভিযোগ প্রমানিত হলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি তদন্ত শুরু করলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হয় এবং তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
পরে বিভাগীয় কর্মকর্তা টাঙ্গাইল পৌরসভার বরখাস্তকৃত ওই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ, কারণ দর্শানোর জবাব, বিভাগীয় মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনাক্রমে বর্নিত দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হওয়ায় পৌরসভার কর্মচারী চাকুরি বিধিমালা ১৯৯২ এর বিধি ৪০-এর উপ বিধি ক’ ও খ; অনুযায়ী দায়িত্বে অবহেলা এবং অসদাচারনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে পৌরসভার কর্মচারী চাকুরি বিধিমালা ১৯৯২ এর বিধি ৪১-এর উপ বিধি (ই) অনুযায়ী আদেশ জারির তারিখ হতে ০১ (এক) বছরের জন্য বেতন বর্ধন স্থগিত রাখার লঘুদন্ড প্রদান করেন এবং বরখাস্তকালীন সময় অসাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য করে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে বহাল রাখেন তাকে।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৪), সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল।
শনিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সাগরদীঘি বাজার থেকে ৩২ কেজি গাঁজাসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, চট্রগ্রামের বুজপুর উপজেলার উদিয়া পাথর গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে ইব্রাহিম খলিল (৩৫) ও জোড়ারগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম সোনাই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে বেলাল হোসেন (২৮)।
র্যাব-১৪ টাঙ্গাইল অফিস সুত্রে জানা যায়, র্যাবের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যায় ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী-ভালুকা-ঘাটাইল আঞ্চলিক সড়কের পাশে অবস্থিত মেসার্স হাজী থাই এ্যালুমিনিয়াম এন্ড টাইলস হাউজের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে । উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজার মূল্য ৯,৬০,০০০/-(নয় লাখ ষাট হাজার টাকা)। এ সময় ৩২ কেজি গাঁজা ও মাদকদ্রব্য গাঁজা বহনের কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক এবং গাড়িতে রক্ষিত ১৪ টন সরিষাসহ আটক করা হয়।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. কাওসার বাঁধন জানান, এ ঘটনায় ঘাটাইল থানায় মামলা দায়েরর্পূবক আসামী ও আলামত হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরমান কবীরঃ দুর্ণীতি প্রমানিত হওয়ার পরেও স্বপদে বহাল হলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার বেড়াডোমা ব্রিজের দায়িত্বরত প্রকৌশলী শিব্বির আহম্মেদ আজমী। বুধবার (১৬ এপ্রিল) লঘুদন্ডের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সচিব মো.রেজাউল মাকসুদ জাহেদী স্বাক্ষরিত এক আদেশে তিনি বহাল হন।
জানাযায়, টাঙ্গাইল শহরের আলোচিত বেড়াডোমা ব্রিজের দায়িত্ব পালনকালে নির্মাণাধীন অবস্থায় ঢালাইকাজের পূর্বেই সেন্টারিং-এ ড্রইং ও ডিজাইন অনুসারে না করে গাছের বল্লী ও বাঁশের খুটি ব্যবহারে ঠিকাদারকে শুধু চিঠির মাধ্যমে নিষেধ করেন তিনি। ঢালাই কাজ বন্ধ না করে এবং ঢালাইয়ের সময় উপস্থিত না থাকায় চরম দায়িত্বে অবহেলা করেন পৌর প্রকৌশলী শিব্বির আহম্মেদ আজমী। একারণে টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৯৯২ সালের বিধি ৪০-এর উপ বিধি (ক) ও (খ) অনুয়ায়ী দায়িত্ব পালনে অবহেলার জন্য ওই প্রকৌশলীর নামে বিভাগীয় মামলা (নং-৪/২০২৩) দায়ের করা হয়।
পরে মামলাটি ২০২৩ সালের ১১ জুলাই শুনানীতে অভিযোগ প্রমানিত হলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি তদন্ত শুরু করলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হয় এবং তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
পরে বিভাগীয় কর্মকর্তা টাঙ্গাইল পৌরসভার বরখাস্তকৃত ওই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ, কারণ দর্শানোর জবাব, বিভাগীয় মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনাক্রমে বর্নিত দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হওয়ায় পৌরসভার কর্মচারী চাকুরি বিধিমালা ১৯৯২ এর বিধি ৪০-এর উপ বিধি ক’ ও খ; অনুযায়ী দায়িত্বে অবহেলা এবং অসদাচারনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে পৌরসভার কর্মচারী চাকুরি বিধিমালা ১৯৯২ এর বিধি ৪১-এর উপ বিধি (ই) অনুযায়ী আদেশ জারির তারিখ হতে ০১ (এক) বছরের জন্য বেতন বর্ধন স্থগিত রাখার লঘুদন্ড প্রদান করেন এবং বরখাস্তকালীন সময় অসাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য করে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে বহাল রাখেন তাকে।
এদিকে, অভিযুক্ত ওই প্রকৌশলীকে বহালের খবরে টাঙ্গাইল পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এঘটনায় অভিযুক্ত টাঙ্গাইল পৌরভার প্রকৌশলী শিব্বর আহম্মেদ আজমী মুঠোফোনে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহতীত প্রমানিত হওয়ায় পৌর কর্মচারী আইন অনুযায়ী বিভাগীয় কর্মকর্তা বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করেছে। তিনি রবিবার (২০ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় যোগদান করবেন।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌসভার প্রসাশক মো. শিহাব রাহয়ান মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় থেকে পৌরসভার প্রকৌশলীর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার হয়েছে। তবে অফিসিয়ালভাবে তিনি কোন চিঠি বা কাগজপত্র পাননি।
আরমান কবীরঃ ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের করা মামলায় হাইকোর্টের রায় বাতিলসহ ৬ দফা দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক থেকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের রাবনা বাইপাস এলাকা অবরোধ করে। এসময় মহাসড়কের দুই পাশে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজটের।
এর আগেও টাঙ্গাইল পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। তখন প্রশাসন তাদের আশ্বাস দিলে তারা মহাসড়ক ছেড়ে দিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করে।
এদিকে অবরোধের কারণে মহাসড়কের রাবনা বাইপাসের উভয়দিকে ১০ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এক পর্যায়ে প্রচন্ড বৃষ্টি শুরু হলে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় শিক্ষার্থীরা।
পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা বলেন, সম্প্রতি হাইকোর্ট ৩০% পদ দিয়ে ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের পদোন্নোতির পক্ষে রায় দেয়। ফলে তারা প্রমোশন পেয়ে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর হবে। আর এই পদটি হচ্ছে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য। যারা ডিপ্লোমা পাস করে বের হবে তাদের চাকরির শূন্য পদ ৩০% কমে গেল। হাইকোর্টের এমন রায় টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছে না। হাইকোর্টের রায় বাতিল করতে হবে দ্রুত সময়ের মধ্যে। এছাড়া ৬ দফা যে দাবি ঘোষণা করা হয়েছে সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে।
অবরোধের ফলে মহাসড়কে পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রী ও চালকরা।
চালকরা জানান, শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ে মহাসড়ক বা সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়। এতে যে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে সেটা চিন্তা করছে না।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মো. শরীফ জানান, অবরোধের কারণে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরে অবরোধ তুলে নেয়ার পর দুপুর আড়াইটা থেকে যান চলাচল শুরু হয়।
আরমান কবীরঃ বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রার পরিবর্তে শুধুমাত্র শোভাযাত্রা করেছি। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। আগামীর বাংলাদেশ হবে গণতন্ত্রের বাংলাদেশ।
সোমবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে জেলা বিএনপির উদ্যোগে নববর্ষের শোভাযাত্রা শেষে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, সকলে মিলে সন্ত্রাস মুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত, নৈরাজ্য মুক্ত এবং কিশোর গ্যাং মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। পতিত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ দোসরদের প্রতি বিএনপি সচেতন রয়েছে এবং ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এর আগে শহরের শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন।
এ ছাড়া শোভাযাত্রায় জেলা বিএনপি সভাপতি হাসানুজ্জামান শাহীন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল , সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীর: টাঙ্গাইলে ১৪৩২ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সোমবার সকালে একটি বর্ণাঢ্য রেলি বের করা হয়।রেলিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে জনসেবা চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে লোকজ মেলা উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান,পৌর প্রশাসক শিহাব রায়হান প্রমূখ।
সোমবার সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে দিনটি উপলক্ষে জেলা বিএনপির উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য রেলি বের করা হয়। রেলিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে পুনরায় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়। পরে এখানে আবহমান বাংলার ঐতিহ্য লাঠি বারির আয়োজন করা হয়।
এ দিকে টাঙ্গাইলের পৌরসভার চাউল্ডহুড ও স্টার ওয়ার্ল্ডের আয়োজনে এ ঘোড়া রেলির আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নুরুল ইসলাম,রুবেল,মোহাব্বত হোসেন,মহিউদ্দিন সুমন,বাতেন,শামীম আল মামুন, শাফিউজ্জামান মোস্তফা প্রমূখ।
অন্যদিকে, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলা শুভ নববর্ষ ১লা বৈশাখ-১৪৩২ পালন করা হয়েছে।
সকাল ১০ টায় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল আজীম আখন্দ-এর নেতৃত্বে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় সকল অনুষদের ডিনবৃন্দ, গ্রন্থাগারিক, শিক্ষার্থীকল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, অফিস প্রধান এবং অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া নববর্ষ উপলক্ষে মুক্তমঞ্চে মাভাবিপ্রবি সাহিত্য সংসদের নববর্ষ বই মেলা, রোটারেক্ট ক্লাব অব মাওলানা ভাসানীর খেলাধুলা ও খাবারের দোকান, ধ্রুবতারার আয়োজনে পান্তা-ইলিশ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আরমান কবীরঃ বিএনপি’র কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বা শেখ হাসিনা গণহত্যা করে টিকে থাকতে পারেনি। তেমনি গাজায় গণহত্যা চালিয়ে ইসরায়েলও টিকে থাকতে পারবে না।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফিলিস্তিন মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কেউ এই গণহত্যা সমর্থন করে নাই। আমরা কোনো গণহত্যাকে প্রশ্রয় ও সমর্থন দেব না। আজকে সারা বিশ্বের মানুষ ইসরায়েলি পণ্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। ছাত্র জনতার আন্দোলনে খুনি হাসিনার দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখন তার দোসররা বিভিন্ন কায়দায় মিছিল থেকে দোকানপাটে হামলা ও লুটতরাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
টুকু আরও বলেন, যারা এই আন্দোলনের নামে ভাঙচুর লুটপাট করছেন তারা কখনো মুসলিম হতে পারেন না। যারা ভাঙচুর করছেন তারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চান।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দূর্জয় হোড় শুভর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এম এ বাতেনের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশ আরও বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল ও সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।
আরমান কবীরঃ ফিলিস্তিনের গাজা ও রাফায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর গণহত্যার প্রতিবাদে দিনব্যাপী বিক্ষোভে উত্তাল ছিল টাঙ্গাইল শহর।
সোমবার (৭ এপ্রিল) বৈশ্বিক ধর্মঘট কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে টাঙ্গাইলে দিনব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।
দুই হাজারের বেশি ছাত্র-ছাত্রী সোমবার সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ফিলিস্তিনের গাজায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন। পরে উপস্থিত পথচারীদের মাঝে ফিলিস্তিনের ওপর নৃশংসতার কথা ব্যক্ত করেন তারা।
পরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব চত্বর থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের ময়মনসিংহ রোড হয়ে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়।
মিছিলের ধ্বনি ছিল ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহ্ আকবার, মুসলিমদের ওপর অত্যাচার বন্ধ হউক, ইহুদিরা নিপাত যাক। বিশাল এই মিছিলটি টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে আয়োজন করা হয়।
সোমবার বাদ জোহর একই দাবিতে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখা ও জেলা ইমাম মোয়াজ্জেম সমিতি। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়।
এরপর বিকালে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার পক্ষ থেকে একই দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
একই দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ সমাবেশে করেছেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন টাঙ্গাইল জেলা শাখা ও সৃষ্টি একাডেমিক স্কুল। এই মিছিলে সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।
আরমান কবীরঃ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার নেতা সাদ্দাম হোসেন (৩০) ওরফে স্বাক্ষর রাজধানী ঢাকার উওরায় পুলিশের এক মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।
বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন সোনারগাঁও রোডের জমজম টাওয়ারের সামনে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত সাদ্দাম হোসেন টাঙ্গাইল পৌর শহরের পূর্ব আদালত পাড়া এলাকার এডভোকেট মকবুল হোসেন চৌধুরীর ছেলে।
স্বাক্ষর টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির ও তার বড় ভাই টাঙ্গাইল শহর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্যও ছিলেন।
তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় ধারা-৩৬ (৫) মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানায় উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভির আহমেদ জানান, গ্রেপ্তারের বিষয়টি আমি অবগত নই।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ আগষ্ট বড় মনিরের সাথে টাঙ্গাইল শহরের বড় কালী রোডে ছাত্র জনতার উপর অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় স্বাক্ষর। গত ৫ আগষ্টের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। স্বাক্ষর ছাত্র জনতার উপর হামলার মামলায় অভিযুক্ত আসামী।
আরমান কবীর/সাহান হাসানঃ আগামী ৩১মে (শনিবার) টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে বিন্দুবাসিনী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২৫ (বিবিএফসি) এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গান গেয়ে দর্শকদের মাতাবেন নগর বাউল ব্র্যান্ডের রক তারকা জেমস।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে টুর্নামেন্ট উপলক্ষে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানান, বিন্দুবাসিনী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৫ এর চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সভাপতিত্বে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক মিয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান খান, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট আলী ইমাম তপন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদ হক সানু, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন দুরন্ত-১৬ ব্যাচের অসিফ তুষার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ২০১৬ সালে বিন্দুবাসিনীর ২০০৮ সালের এসএসসি ব্যাচের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এই বিন্দুবাসিনী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন শুরু করা হয়। এ বছর এই চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজক হচ্ছে দুরন্ত-১৬ (এসএসসি ব্যাচ-২০১৬)। এবারের আসরে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের মোট ২৫টি দল অংশগ্রহণ করবে।
লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, আগামী ৩১মে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্য দিয়ে বিবিএফসি-২০২৫ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে । ঈদুল আজহার পরবর্তী তিনদিনব্যাপী এই টুর্নামেন্ট চলবে। টুর্নামেন্টের সমাপ্তি হবে চূড়ান্ত পর্ব ও জমকলো সমাপ্তি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।
মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীর টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে(২৫) ভিডিও কলে রেখে এক কিশোর প্রেমিকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। পরকিয়া প্রেমের জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন উত্তরপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই প্রেমিকাকে গাছে বেঁধে রাখে স্থানীয়রা । পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তানভীর আহমেদ।
নিহত ঐ কিশোরের নাম রাসেল মিয়া (১৬)। সে দরুন উত্তর পাড়া এলাকার মোঃ চাঁন মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। রাসেল পেশায় একজন অটোরিকশা মেকানিক ছিল।
স্থানীয়রা জানায়,প্রেমের সম্পর্ক ছিল রাসেল ও স্থানীয় মারিয়ার মধ্যে। মারিয়ার বিয়ে হয়ে গেছে এক প্রফেসরের সঙ্গে এবং একটি ছেলেও আছে তাদের। এদিন হঠাৎ সকাল ১১টার সময় খবর পাই রাসেল আত্মহত্যা করেছে। তখন মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে দেখতে পাই মারিয়ার সঙ্গে কথোপকথন।
রাসেল ও মারিয়ার মধ্যে ঝগড়া চলছিল মনে হয়। রাসেল আত্মহত্যা করার সময় মারিয়ার সঙ্গে কথাও বলেছে। আত্মহত্যার বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়। অপরদিকে, প্রেমিকা মারিয়াকে এলাকাবাসী আটক করে গাছের সঙ্গে বেধে রাখে।
নিহতের পিতা চাঁন মিয়া জানান, তিনি ঈদ উপলক্ষে তার বড় ছেলের শশুর বাড়ী ঘাটাইল বেড়াতে গিয়েছিলেন। টাঙ্গাইলের অন্য একটি বাড়িতে তার স্ত্রী ও মেঝ ছেলে ছিল । ছোট ছেলে রাসেল একাই বাড়িতে ছিল। বুধবার সকালে তার মেঝ ছেলে বাড়ি গিয়ে রাসেলের ঘর ভিতর থেকে বন্ধ দেখে, বাহির থেকে ডাকাডাকি শুরু করে। রাসেলের কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে তারা ঘরের খোলা জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে রাসেলকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখে। পরে তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙে রাসেলকে সিলিং ফ্যান থেকে নামিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
তিনি আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে রাসেল অভিমান করে মঙ্গলবার বিকাল ৪ টা ৩০ মিনিট থেকে বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে যে কোন সময় আত্মহত্যা করেছে।আমি এই ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছি।
টাঙ্গাইল সদর থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের পিতা চাঁন মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরমান কবীরঃ ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। ঈদের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে নেই কোনো যানজট। কোথাও কোনো ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কিছুটা বাড়লেও স্বাভাবিক গতিতেই চলছে যানবাহন।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ অনেকটা কম থাকলেও সময়ের সাথে সাথে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। মহাসড়কে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলছে। মহাসড়কে কোন যানজট নেই। যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দে যার যার কাঙ্খিত গন্তব্যে পৌছাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদযাত্রায় মহাসড়কে দ্বিগুণ হয়েছে যানবাহনের সংখ্যা, যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ, বিভিন্ন সড়কের লোকাল বাস, লেগুনায় যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। যানবাহনে করে গন্তব্যে যাচ্ছে শিশু, বৃদ্ধ, নারী ও পুরুষরা। পাশাপাশি যাত্রী পরিবহন করছে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার। মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, থানা পুলিশ এবং ট্রাফিক পুলিশ নিরলস কাজ করছে।
এছাড়াও মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সেনাবাহিনীর টহলও পরিলক্ষিত হয়।
জানা যায়, মহাসড়কের চন্দ্রা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেন সুবিধা থাকলেও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত চারলেন প্রকল্পের দুই লেনের কাজ চলমান রয়েছে। যার ফলে চন্দ্রা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে আসতে পারলেও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার রাস্তায় ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েই গেছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ জানান, মহাসড়কে স্বাভাবিক ভাবেই যানবাহন চলাচল করছে। রাস্তায় যানবাহনের চাপ থাকলেও কোন যানজট নেই। যানজট যাতে না হয় সেজন্য হাইওয়ে পুলিশ ২৪ ঘন্টা নিরলস ভাবে কাজ করেছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত পরিমাণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।