একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী তিশা আক্তার (১১) নামে এক স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার বাবা মো. রেজাউল করিম আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর ৪৮ নম্বর পিলারের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিশা পাবনা জেলার আতাইকুলা উপজেলার মধুপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের রেজাউল করিমের মেয়ে।
এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, বাবা-মেয়ে মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইলের দিক থেকে পাবনায় নিজেদের বাড়ি যাচ্ছিলেন। বঙ্গবন্ধু সেতুর ৪৮ নম্বর পিলারের কাছে পৌঁছালে মোটরসাইকেলটিকে একটি বাস পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিশা নিহত হন। আহত অবস্থায় তার বাবা রেজাউলকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, নিহত তিশার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘাতক বাসটি আটকের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ হঠাৎ করে স্বাধীন হয়েছে ও ১৯৭২’র সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিয়ে নতুন সংবিধান করতে হবে বিএনপির দুই নেতার এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টুর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ মানববন্ধন হয়।
মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে এ মানববন্ধন করে মির্জাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
মির্জাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর শরীফ মুহমুদ, মির্জাপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুর রহমান ও অ্যাড. মোশারফ হোসেন মনি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান সাজু বক্তৃতা করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি ও সংবিধান সম্পর্কে কটূক্তি করার অপরাধে বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপি নেতাদের দাবি, শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জে চালিয়ে তাদের চার নেতাকর্মীকে আহত করেছে। তবে লাঠিচার্জের বিষয়টি নাকচ করেছেন ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ আহমেদ।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুর রহমান শাহীন বলেন, ‘তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে উপজেলা বিএনপি। মিছিলটি ঘাটাইল কলেজ মোড় এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে আমাদের চার নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’
ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ আহমেদ বলেন, ‘কোনো প্রকার লাঠিচার্জ করা হয়নি। বিএনপির নেতাকর্মীরা উপজেলার ভেতরে একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে সংসদ নির্বাচন হবে। সে পর্যন্ত বিএনপির হরতাল, অবরোধ, গণসমাবেশ, গণঅবস্থান, মানববন্ধনসহ আন্দোলন আন্দোলন খেলা চলতে থাকবে। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আর তারা যদি মনে করে সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। সেটি অবাস্তব ও সংবিধান বিরোধী। দেশে সংবিধান অনুযায়ী সময়মতো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
শনিবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বঙ্গবন্ধু আকাশী ক্লাব আয়োজিত ১৫তম ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবে। এটি বিএনপির অবাস্তব ও অলীক স্বপ্ন। ২০০৮ সালের নির্বাচনকে তারা মেনে নেয়নি। ২০১৪ সালের নির্বাচনকে তারা বর্জন করে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০১৫ সালে একটানা ৯০ দিন হরতাল অবরোধ করেছে। মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে। শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবেন না বলে খালেদা জিয়া বিএনপির অফিসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ৯০ দিন আন্দোলনের পর মুখে কালিমা মেখে ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় ফিরে গিয়েছিলেন। তারা সরকারের পতন ঘটাতে পারেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তারা সুবোধ বালকের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল।
আবহমান বাঙালি ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ঘোড়দৌড় আমাদের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি ঘোড়দৌড়কে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। পুরো মধুপুর উপজেলায় উৎসব আনন্দের আবহ তৈরি হয়। সেজন্য ঘোড়দৌড়, নৌকাবাইচ, হাডুডুসহ সকল লোকজ সংস্কৃতিকে আমাদের ধরে রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে তানভীর হাসান ছোটমনির এমপি, খান আহমেদ শুভ এমপি, টাঙ্গাইলে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ লাবিব বিন বিল্লালকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। গ্রেপ্তার হওয়া লাবিব বিন বিল্লাল ইয়াবা ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার জেলখানা মোড়ের কুঁড়েঘর কফি হাউজ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। লাবিব উপজেলার অবিভক্ত কালিয়া ইউনিয়নের (আড়াইপাড়া গ্রাম) ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর নয় সদস্যসের একটি বিশেষ দল সখীপুর উপজেলা থেকে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই চক্রের আরও একজন সুমন মিয়া (৩০) পালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লাবিব দীর্ঘদিন ধরে সখীপুর উপজেলাসহ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে ইয়াবা বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ীর নামে থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত শিশুটির পরিচয় মিলেছে। শিশুটির নাম তাওহীদ। সে পশ্চিম ভূঞাপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) মায়ের সাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মামার বাড়ি মোমিনপুর গ্রামে যাচ্ছিলো। ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার তিন আরোহী মারা যান। নিহতদের মধ্যে শিশু তাওহীদের মা নার্গিস বেগম (২৫) রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) ভোরে আহত তাওহীদকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার ব্যয় বহন করা হবে।
এরআগে অজ্ঞাত শিশু হিসেবে তাওহীদকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মাথায় আঘাত পাওয়া তাওহীদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু তার কোনো স্বজন না থাকায় ঢাকায় নেওয়া যাচ্ছিলো না। রাতে তাওহীদের পরিচয় পাওয়া যায়। তার চাচা তারা মিয়া রাত ১২ টার দিকে ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
তারা মিয়া বৃহস্পতিবার সকালে জানান, নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে পরীক্ষা নিরিক্ষার পর চিকিৎসকরা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে ভোর চার টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ দিকে শিশু তাওহীদকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে বুধবার রাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান ও ডেপুটি নেজারত কালেক্টর (এনডিসি) মো. খায়রুল ইসলাম দেখতে যান। খায়রুল ইসলাম জানান শিশু তাওহীদের চিকিৎসার ব্যয় জেলা প্রশাসন বহন করবে।
এ দিকে বৃহস্পতিবার সকালে ভূঞাপুরের মোমিনপুর গ্রামে তাওহীদের মা নার্গিস বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। দাফনের পর তাওহীদের বাবা লাল মিয়া ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রায় আট বছর পর হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সদস্যরা।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক ওই আসামির নাম নুরু (৬৫)। তিনি টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সাকনাইর চর গ্রামের মৃত আব্দুল আলী ঠাণ্ডুর ছেলে।
র্যাব-১৪ এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, ১৯৯৪ সালের মির্জাপুর উপজেলার একটি হত্যা মামলায় নুরু আসামি ছিলেন। ওই মামলায় ২০১৫ সালের ১৫ অক্টোবর টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ হয়।
ওই মামলার বিচার চলাকালীন সময় থেকেই আসামি নুরু পলাতক ছিলেন।
র্যাব জানায়, নুরু কালিয়াকৈরের সূত্রাপুর এলাকায় নিজেকে নাজমুল নামে পরিচয় দিতেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের প্রকৃত পরিচয় নুরু বলে জানান। তাকে বাসাইল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পারিবারিক কলহের জেরে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পৌলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ব্যক্তির নাম আবুল মাজম (৫০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত আক্কেল আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, ওই গ্রামের আজাহার মিয়ার ছেলে বাবুল মন্ডলের সাথে পাশ্ববর্তী স্বরপপুর গ্রামের আব্দুল বারেকের মেয়ের বিয়ে হয়। বুধবার রাতে বাবুলের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে বাবুলের শ্বশুর আব্দুল বারেক, শ্বাশুরী আনোয়ারা বেগম ও মামা শ্বশুর আফসার আলী বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে তাদের বাড়িতে যান।
এ সময় বাবুল ঘরে বসে খাবার খাচ্ছিল। পেছন থেকে তার শ্বাশুরী আনোয়ারা বেগম তাকে লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে। বাবুলের আত্মচিৎকার তার চাচাতো ভাই আবুল মাজম এগিয়ে আসলে তাকেও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে মাজম মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার সময় তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা আনোয়ারা বেগম, বারেক ও আফসারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
স্থানীয় কাউন্সিলর শুকুমার ঘোষ জানান, পারিবারিক কলহের জেরে বাবুলকে পেটানো হয়। মাজম এগিয়ে গেলে তাকে পেটানো হলে তিনি নিহত হন।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসার জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অরক্ষিত রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এই ঘটানায় গুরুত্বর আহত হয়েছে দুই শিশুসহ পাঁচজন।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে তারাকান্দি-বঙ্গবন্ধু সেতু রেললাইনের উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের ঢেপাকান্দি এলাকায় রেলক্রসিংয়ে এই ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে দুই জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।
তারা হচ্ছেন- ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা গ্রামের আগতেরিল্লা গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী লাবনী আক্তার (২৫) ও একই গ্রামের সংগ্রাম আলীর মেয়ে জান্নাতি (১)। নিহত অপর নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজনের মরদেহ ভূঞাপুর থানায় ও অপর একজনের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, জামালপুরের তারাকান্দি থেকে ছেড়ে আসা বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশনগামী একটি ট্রেন ভূঞাপুর উপজেলার ঢেপাকান্দি রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা তিন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচ যাত্রী।
তিনি আরো জানান,অটোরিকশাটি ভূঞাপুর থেকে যাত্রী নিয়ে ফলদা বাজারে যাচ্ছিল। গুরুতর আহতাবস্থায় পাঁচজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আরছব আলী (৬৬) নামে এক বৃদ্ধা ফাঁসিতে ঝুলে রহস্যেজন মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার শালগ্রামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. দুলাল হোসেন ফাঁস দিয়ে বৃদ্ধার আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্র জানা যায়, নিহত আরসব আলী দীর্ঘদিন কোমর ও বুকের ব্যথায় ভুগছিলেন। অসহ্য ব্যথার যন্ত্রণায় মাঝে মধ্যেই রশি নিয়ে আত্মহত্যা করতে ছোটাছুটি করতেন। পূর্বের ঘটনার মত সোমবার সকালে ব্যথা ওঠার কারণে রশি নিয়ে ফাঁসি দিতে যান। পরে প্রতিবেশীরা দুপুরে বাড়ির আঙিনায় গাছের সাথে বৃদ্ধের লাশ ঝুলতে দেখতে পান।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, কারো পক্ষ থেকে কোন প্রকার সন্দেহ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে লাশ ওই বৃদ্ধার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।
১০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপির নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতাকর্মীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, পৌর মেয়র ও শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান স্মৃতি, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সহ আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে শামছুল হক (৬৫) নামে একবৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের কোনাবাড়ি (দানিবাড়ি) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শামছুল হক ঐ গ্রামের মৃত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে। ধলাপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মাইনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এলাকাবাসী জানায়, নিহত শামছুল হক তার ১ম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর বিজলঙ্গী গ্রামের মিন্টু মিয়ার মেয়ে মিনা খাতুনকে বিবাহ করেন। ২য় স্ত্রী মিনা খাতুনের ঘরে শামছুল হকের ২ ছেলে এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। তাদের সংসারে প্রায়ই কলহ লেগেই থাকতো। দীর্ঘদিন যাবত স্ত্রীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে নিজেই বিষপান করে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। পারিবারিক কলহের জেরেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান প্রতিবেশিরা।
এ প্রসঙ্গে ধলাপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মাইনুল ইসলাম জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।