একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে এক জেলের জালে ৫৫ কেজি ওজনের একটি বাঘাইর মাছ ধরা পড়েছে। বাঘাইড়টি ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা নদী অংশ থেকে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি এলাকার সুনীল নামে এক জেলের জালে আটকা পড়ে ওই বাঘাইর মাছটি।
শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার গোবিন্দাসী বাজারে বাঘাইর মাছটি তোলা হয়। পরে বাজারে তোলা মাত্রই স্থানীয় উৎসুক জনতা মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় জমায়। এসময় মাছটি কেনার জন্য অনেক ক্রেতা দাম কাষাকষি করেন। দুপুরে মধুপুরের সাগর নামে এক ব্যবসায়ী বাঘাইর মাছটি ৭৫ হাজার টাকায় কিনে নেন।
জানা যায়, প্রথমে ওই বাঘাইর মাছটি বাজারে তোলেন সুনীল নামের ওই জেলে। এ সময় ওই মাছটি গোবিন্দাসী বাজারের স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী বাবলু হাওলাদার মাছটি কেনেন। পরে বাবলু হাওলাদার মাছটি ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এছাড়াও আরও ছোট-বড় বেশ কয়েকটি বাঘাইর মাছও বাজারে তোলা হয়।
স্থানীয় আমিনুল ইসলামসহ অনেকে জানান, এত বড় বাঘাইর মাছ এরআগে কখনো দেখেনি। যমুনা নদীতে সুনীল নামে জেলের জালে ধরা পরেছে মাছটি। সকালে মাছটি গোবিন্দাসী বাজারে তোলা হলে এক নজর দেখতে অসংখ্য লোকজন ভিড় করেন। দাম কষাকষির একপর্যায়ে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
জেলে সুনীল জানান, যমুনা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করি। প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার রাতে আমরা কয়েকজন জেলে নদীতে জাল ফেলি। পরে রাতের শেষ ভাগে বাঘাইর মাছটি জালে ধরে পড়ে। এত বড় বাঘাইর মাছ এরআগে কখনো জালে ধরে পরেনি। আমি প্রথম জালে এত বড় বাঘাইর মাছ ধরেছি।
এ বিষয়ে বাঘাইর মাছটির ক্রেতা সাগর জানান, গোবিন্দাসী মাছ বাজারে অনেক লোকে ভিড় দেখে এগিয়ে যাই।
বিশাল আকৃতির বাঘাইর। মাছটি দেখে কিনতে ইচ্ছে হল। এসময় অনেকেই মাছটির দাম করছিলেন। বিক্রেতা লাখ টাকা চাইলে পরে একপর্যায়ে ৫৫ কেজি ওজনের বাঘাইরটি আমি ৭৫ হাজার টাকায় কিনে নেই।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা আয়োজনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ও ভাষা সৈনিক শামসুল হকের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এদিকে শামসুল হকের আমেরিকা প্রবাসী দুই মেয়ে প্রায় ৭০ বছর পর প্রথমবারের মত টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার কদিমহামজানি যোকারচর কবরস্থানে বাবার কবর জিয়ারত ও পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনের পর কারাবন্দি শামসুল হকের স্ত্রী আফিয়া খাতুন দুই শিশু কন্যা নিয়ে দেশ ত্যাগ করেন।
বুধবার (১ ফেব্রুয়ার)দুপুরে শামসুল হকের দুই মেয়ে হারবার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. শাহিন ফাতেমা দিল ও নাসার এ্যাস্ট্রোফিজিসিয়েস্ট ড. শায়েকা দিল ভার্টিলেক তাদের আত্মীয়-স্বজন এবং স্থানীয় লোকজন নিয়ে কবর জিয়ারত করেন। তারা বাবার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এর আগে তারা শহরের জেলা সদরে অবস্থিত শামসুল হক তোরণে পুস্পস্তবক অর্পন এবং এলেঙ্গায় অবস্থিত শামসুল হক মহাবিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তারা সেখানে বাবার জন্মদিনের কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করেন।
এসময় শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডাঃ সাইফুল ইসলাম স্বপন ও সাধরন সম্পাদক আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার মোল্লা, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম শিবলী সাদিকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গতঃ ২০০৭ সালের ২৩ জুন “নিঁখোজের ৪২ বছর পর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক শামসুল হকের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন ও কবরের সন্ধান লাভ” শিরোনামে সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। সংবাদটি সেসময় দেশের রাজনীতিতে সাড়া ফেলে। এর পর থেকেই প্রতিবছর শামসুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী ও জন্মবার্ষিকী নিয়মিত পালন করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ আগামী বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর কাজ সমাপ্ত হবে বলে জানিয়েছেন রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।
কোনো বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বৈশ্বিক সংকট না ঘটলে নির্ধারিত সময়ের আগেও নির্মাণ শেষ হতে পারে বলে জানান তিনি।
সোমবার(৩০ জানুয়ারি) সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শনে গিয়ে রেলমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রকল্প নথি অনুযায়ী, ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি আগামী বছরের আগস্টে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, সেতুর ১ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সুপার স্ট্রাকচার ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
ডাবল লাইন ডুয়েলগেজ রেলসেতুটি চালু হলে যমুনা নদী পার হতে ৫ মিনিট সময় লাগবে। বঙ্গবন্ধু সড়ক কাম রেলসেতুতে গতি সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে বর্তমানে যমুনা নদী পার হতে প্রায় ৪৯ মিনিট সময় লাগে ট্রেনের।
২০১৬ সালে নেওয়া ১৬ হাজার ৭৮০ দশমিক ৯৫ কোটি টাকার প্রকল্পটি জাপানি সফট লোনে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ দল থেকে অব্যহতি প্রাপ্ত টাঙ্গাইলের তিন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক একজন চেয়ারম্যানকে ক্ষমা ঘোষনা করেছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।
বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে তাদের ক্ষমার বিষয়টি জানানো হয়। ভবিষ্যতে দলের স্বার্থ পরিপন্থি ও শৃংখলা ভঙ্গ না করার শর্তে তারা এ ক্ষমা পেয়েছেন।
ক্ষমাপ্রাপ্তরা হলেন- জেলা আওয়ামী আওয়ামী লীগের সাবেক উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ, কালিহাতী উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বিকম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম এবং বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম।
জানা যায়, ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়াম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন তারা। দুএকজনকে স্থানীয় সংসদ সদস্য সরাসরি মদদ ও সহয়োগিতা করেন। এরমধ্যে অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ছাড়া অপর তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতাপুর্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে পরাজিত করে তারা বিজয়ী হন। এঘটনায় দলের মধ্যে তৈরী হয় ব্যাপক গ্রুপিং এবং অন্তদ্বন্দ। বিরোধ ছড়িয়ে পড়ে উপজেলা থেকে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের মূলস্রোতে ধাক্কা লাগে। ফলে তাদেরকে দল থেকে বহিস্কারের দাবি উঠে। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ফেব্রয়ারীতে জেলা আওয়ামী লীগের সভায় ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দে সিদ্ধান্তক্রমে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শৃংখলা ভঙ্গ করায় ওই চারজনকে দলের সকল পদ ও দলীয় কাযক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।
ক্ষমাপ্রাপ্তির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে আওয়ামী লীগের স্বার্থ আদর্শ শৃংখলা, তথা গঠনতন্ত্র ও ঘোষনাপত্র পরিপন্থি সমপৃক্ততার জন্য ইতিপুর্বে ওই চারজনকে দল থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছিল। তারা ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছন। দোষ স্বীকার করে তারা ভবিষ্যতে এ ধরণের কর্মকান্ডে আর যুক্ত না হওয়ার লিখিত অঙ্গিকার করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে তাদের ক্ষমা করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এ ধরণের সংগঠন রিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
দেলদুয়ার উপজেলা পরিসদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ জানান, ছাত্রলীগের মধ্য দিয়ে আমার রাজনৈতিক হাতেখড়ি। প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি থেকে জেলা আওয়ামী লীগে স্থান পেয়েছিলাম। সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজনীতি করে যেতে চাই। দলের আদর্শ নীতি মেনেই ভবিষ্যতে পথ চলবো। আমাকে ক্ষমা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
কাজী অলিদ ইসলাম জানান, ক্ষমা চেয়ে দলের কাছে আবেদন করেছিলাম। অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ক্ষমা করেছে। আমি কৃতজ্ঞ ও খুশি।
অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম জানান, সারাজীবন দলের জন্য কাজ করেছি। গত উপজেলা নির্বাচনে কর্মীদের অনুরোধ আর আমার আবেগে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমি অনুতপ্ত। শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ও দলীয় শৃংখলা বজায় রাখতে আর কখনো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাবো না।
ক্ষমাপ্রাপ্তদের অনুসারিরা বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছেন। যাতে তারা ভবিষতে আর কোন ধরনের বিশৃংখলা ঘটানোর সাহস না পায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত এক মাস যাবদ শহরের বিভিন্ন এলাকায় সকালে গ্যাসের সংকট ক্রমশ প্রকট আকার ধারণ করছে। লাইনে গ্যাসের চাপ কম থাকায় অধিকাংশ বাসাবাড়িতে সকাল বেলা চুলা জ্বলছে না। ফলে রান্না প্রায় এক প্রকার বন্ধ। সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের জন্য কর্মজীবী লোকজনকে আশপাশের হোটেলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের আর্থিক সংকট আরো বাড়ছে।
এ ছাড়া আবাসিকের পাশাপাশি গ্যাস সংকটের কারণে বিসিক শিল্পনগরীসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
টাঙ্গাইল তিতাস গ্যাস সূত্রে জানা যায়, সারাদেশে ৩ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। উৎপাদন হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ থেকে আড়াই হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। ঘাটতি থেকে যাচ্ছে প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০মিলিয়ন ঘনফুট। যা দেশের বিভিন্ন জেলাগুলোতে সমন্বয় করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত বাসাবাড়িতে গ্যাসের চাপ কম থাকে। ভোর থেকে পাইপলাইনে চাপ কমতে শুরু করে। চুলায় যে পরিমাণ চাপ থাকে তাতে রান্না করা যায় না। বেলা ১২টার পর চাপ বাড়তে থাকে। প্রতিদিনই লাইনের গ্যাস নিয়ে সমস্যার কারণে অনেকেই এলপি গ্যাস ব্যবহার শুরু করেছেন। এলপি গ্যাসের চাহিদা বেড়ে গেছে। এতে গ্রাহকদের গ্যাস ব্যবহার নিয়ে বাড়তি টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
শহরের প্যাড়াডাইস পাড়া এলাকার গৃহিণী ফারজানা লিজা বলেন, সকালে গ্যাসের চাপ কম থাকে। এতে রান্না করতে অনেক সময় লাগে। এদিকে তাঁর ছেলে ও মেয়ের কলেজে যাওয়ার সময়ও হয়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়েই না খেয়ে তাদের কলেজে যেতে হচ্ছে।
শহরের বটতলা এলাকার বাসিন্দা বিলকিস জাহান বলেন, সকালে কোনো রকম গ্যাস থাকে না। থাকলেও তখন চুলা জ্বলে মিটমিট করে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় এমন অবস্থা থাকে। ফলে সকালের রান্নাবান্নার কাজ রাতেই শেষ করে রাখতে হয়।
পৌর এলাকার কলেজ পাড়ার বাসিন্দা সরকারি চাকরিজীবী পারুল আক্তার জানান, গ্যাসের সমস্যার কারণে তিনি ঠিকমতো রান্না করতে পারছেন না। বর্তমানে প্রায় সময়ই পরিবারের সদস্যদের জন্য নাস্তা বাইরে থেকে আনতে হচ্ছে। এছাড়া তিনি দুপুরের খাবারও বাসা থেকে তৈরি করে অফিসে নিয়ে যেতে পারছেন না। ফলে সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
টাঙ্গাইল বিসিক শিল্প নগরীর রাফা ফুড এন্ড বেভারেজের মালিক আব্দুল মালেক জানান, গ্যাস সংকটের কারণে তাদের চলমান পণ্য উৎপাদন এরই মধ্যে চার ভাগের এক ভাগ কমে গেছে। সময়মত গ্যাস সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই বিঘ্ন ঘটছে।
টাঙ্গাইল নাভানা সিএনজি যোগাযোগ ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মাসুদুর রহমান বলেন, “গ্যাস সংকটতো রয়েছে। আমরা শতভাগ প্রেসার পাই না। ৭০ থেকে ৮০ ভাগ প্রেসার পাওয়া যায়। এতে করে গাড়িতে গ্যাস দিতে সময় লাগে। গাড়ির লাইন পড়ে যায়।”
টাঙ্গাইল তিতাস গ্যাস টান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম জানান, টাঙ্গাইলে তাদের প্রতিদিন প্রয়োজন ৮০ মিলিয়ন ঘনফুট। তারা পাচ্ছেন চাহিদার অর্ধেক ৪০ মিলিয়ন ঘনফুট। তীব্র শীতের কারণে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ঘাটতি বাড়ছে। শীতের কারণে শহরে বেশিরভাগ বাসাবাড়িতে ২৪ ঘণ্টা চুলা জ্বালিয়ে রাখে। সে কারণে গ্যাসের চাহিদা বেড়ে গেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তাদের হিমশিম খেতে হয়।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আওয়ামী লীগের শক্তি দেশের জনগণ। জনগণকে নিয়েই বিএনপির সকল আন্দোলন মোকাবেলা করা হবে। দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামি নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে কেউ হারাতে পারবে না।
বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার পতনের দিবাস্বপ্ন দেখছে। আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের পতন ঘটানোর শক্তি বিএনপির নেই। বিগত ১৪ বছরে কোন আন্দোলনে বিএনপি সফল হয় নি- ভবিষ্যতেও সফল হবে না।
সম্মেলনে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ার আলম খান আবু, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করে আউশনারা কলেজের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ কামরুজ্জামান জুয়েল। সম্মেলনে জেলা,উপজেলা ও ইউনিয়ন ওর্য়াড আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘ ২৪ বছর পর সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবং তার ছোট ভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী একই মঞ্চে একত্রিত হয়েছেন। একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের এক মঞ্চে হাজির হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা।
এর আগে ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে কালিহাতীর আউলিয়াবাদে একটি অনুষ্ঠানে দুই ভাই একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এরপর নানা কারণে দুই ভাইকে আর এক মঞ্চে দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদানের ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী একই মঞ্চে উঠে বক্তব্য দেন।
কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদানের ৫০ বছর উদযাপন কমিটির সভাপতি এ এম এনায়েত করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। এ সময় কাদেরিয়া বাহিনীর বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন, কবি বুলবুল খান মাহবুব, কবি আল মুজাহিদী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীর প্রতীক, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সহধর্মিণী নাসরিন কাদের সিদ্দিকী প্রমুখ।
এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা একত্রিত হওয়ায় মিলনমেলায় পরিণত হয় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ। জাতির বীর সন্তানরা একে অপরকে কাছে পেয়ে আবেগ আপ্লুত হন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, দীর্ঘ বছর পর একই মঞ্চে দুই ভাই উপস্থিত হয়েছি। অনুষ্ঠানে সরকার থেকে আওয়ামী লীগের মৃনাল কান্তি রায়কে পাঠানো হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে তার বাসভবনে গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী আমাকে ভাই হিসেবে ডেকে ছিলেন। তার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি পরিবার নিয়ে। বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে আমাদের।
একতার কণ্ঠঃ অন্যান্য দিনের মতো রোববার (২২ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারের লাউহাটি বাজারে নিজের স্টেশনারি দোকানে কাজ করছিলেন হাসমত আলী খান। তখন খবর পান, একটি মহিষ এসেছে তাঁদের এলাকায়। যাঁকে সামনে পাচ্ছে, তাঁকেই আক্রমণ করছে। দোকান ফেলে তিনি মানুষকে রক্ষা করতে ছুটে যান। সেখানে মহিষের আক্রমণের শিকার হন। পরে সোমবার (২৩ জানুয়ারি) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
হাসমত আলী খান উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি তারুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক জানান, হাসমত তাঁকে ফোন করে মহিষের আক্রমণের কথা জানান। এ ব্যাপারে পুলিশ ও প্রাণিসম্পদ বিভাগে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। এর মধ্যে মানুষের যাতে ক্ষতি না হয়, সে জন্য তিনি মহিষটির আশপাশেই অবস্থান করছিলেন। মানুষকে সতর্ক করছিলেন। এর মধ্যে হঠাৎ তাঁকেই আক্রমণ করে বসে মহিষটি।
হাসমত আলীর মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তাঁর স্বজন ও এলাকার মানুষ। এই মহিষের আক্রমণে হাসমত আলী ছাড়াও হাজেরা বেগম ও কিতাব আলী নামের দুজন মারা গেছেন। তাঁদের মৃত্যুতে এলাকার সবাই শোকাহত।
স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, রোববার পার্শ্ববর্তী বারোপাখিয়া গ্রামের শরীফ মিয়ার মহিষ হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। যাঁকে সামনে পায়, তাকেই গুঁতা দিতে থাকে। মহিষের আক্রমণে শরীফ মিয়া আহত হন। একপর্যায়ে মহিষটিকে স্থানীয় লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া করেন। পরে মহিষটি লাউহাটি এলাকায় চলে আসে। সেখানেও মানুষের ওপর আক্রমণ শুরু করে।
লাউহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন মোহাম্মদ খান জানান, মহিষের আক্রমণে ১০–১২ জন আহত হন। এর মধ্যে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারুটিয়া গ্রামের আজগর আলীর স্ত্রী হাজেরা বেগম (৪২) রোববার বিকেলে মারা যান। সোমবার রাতে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হাসমত আলী (৫৭)। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বারোপাখিয়া গ্রামের কিতাব আলীর অবস্থার অবনতি হয় সোমবার রাতে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
একতার কণ্ঠঃ নিজের পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করেছিলেন টাঙ্গাইলের কালিহাতীর পারুল আক্তার। তাঁর বাবা সেই বিয়ে মেনে নেননি। ঢাকা জেলার আশুলিয়া এলাকায় এসে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন পারুল ও তাঁর স্বামী নাছির উদ্দিন ওরফে বাবু। দুজন যা বেতন পেতেন, তা দিয়ে তাঁদের সংসার খুব ভালোভাবে চলত না। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া হতো। বিয়ের তিন বছর পর ঝগড়া করে স্ত্রীকে বাসায় রেখে বেরিয়ে যান নাছির। পারুল তাঁর বাবাকে ফোন করে পারিবারিক অশান্তির কথা বলেন।
মেয়ের প্রতি ক্ষুব্ধ বাবা মেয়েকে বাড়ি ফিরতে বলেন। বাবার কথায় স্বামীর সংসার ছেড়ে গ্রামে চলে যান পারুল। এবার ক্ষুব্ধ বাবা নিজের ও পরিবারের অসম্মান করায় মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পারুলের বাবা আ. কুদ্দুস খাঁ মেয়েকে ভালো ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে টাঙ্গাইল থেকে জয়পুরহাটে নিয়ে যান। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুদ্দুসের সঙ্গে তাঁর বন্ধু মোকাদ্দেছ ওরফে মোকা মণ্ডলও যান।
সেখানে যাওয়ার পর জয়পুরহাটের পাঁচবিবি এলাকায় একটি নদীর পাশে নির্জন জায়গায় রাতের অন্ধকারে পারুলকে তাঁর বাবা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। পরে মোকাদ্দেছের সহযোগিতায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেন।
২০ জানুয়ারি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মেয়ে হত্যার এমন লোমহর্ষক, বর্বরোচিত বিবরণ তুলে ধরেন আ. কুদ্দুছ খাঁ। তিনি এখন কারাগারে। তাঁর দেওয়া জবানবন্দি আজ রোববার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। এ সংবাদ সম্মেলন হয় ধানমন্ডিতে পিবিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে।
পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার বলেন, পারুল সব ভাইবোনের মধ্যে মেধাবী ছিলেন। স্কুলে তাঁর রোল নম্বর ছিল ২। দেখতেও ছিলেন সুন্দরী। বাবা কুদ্দুসের স্বপ্ন ছিল মেয়েকে শিক্ষিত করবেন। কিন্তু নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় পালিয়ে বিয়ে করায় বাবা ক্ষুব্ধ হন।
বনজ মজুমদার বলেন, তখন থেকেই কুদ্দুসের পরিকল্পনা ছিল মেয়ে তাঁকে যে অসম্মান করেছে, তাতে তার বেঁচে থাকার অধিকার নেই। মেয়ের বিয়ের তিন বছর পর সেই সুযোগ পেয়ে তিনি তাঁর বন্ধুর সহযোগিতায় মেয়েকে হত্যা করেন। কুদ্দুসের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোকাদ্দেছকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে বনজ কুমার মজুমদার বলেন, মেয়েকে হত্যার পর কুদ্দুসের মধ্যে আরেকটা বিষয় কাজ করছিল যে তাঁর মেয়ের এই পরিণতির জন্য নাছির দায়ী। তাঁকেও শাস্তি দিতে হবে। তাই মেয়ের জামাইকে ফাঁসাতে একের পর এক মামলা করেছেন তিনি। রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারায় থানা–পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই পুলিশ প্রতিবেদন দেন। মেয়ের বাবাও বারবার নারাজি দেন।
পিবিআই জানায়, পারুলের বাবা শুরুতে অপহরণ ও গুমের মামলা করলেও সর্বশেষ তিনি আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। সেই মামলার তদন্ত আবার পিবিআইকে দেওয়া হয়। তদন্তে নেমে ২০১২ সালে মেয়ের বাবার করা সাধারণ ডায়রিতে দেওয়া একটি ফোন নম্বরের সূত্র ধরে এ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়।
পিবিআই জানায়, মেয়েকে হত্যার পর নাছিরকে শাস্তি দিতে দীর্ঘ সাত বছর ধরে তিনি মামলা চালিয়েছেন। এর জন্য তিনি নিজের জমিও বিক্রি করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।
১০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপির নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতাকর্মীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, পৌর মেয়র ও শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান স্মৃতি, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সহ আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯ টা ১০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলইমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলামকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধু ম্যূরালে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিকাল ৪ টায় বঙ্গবন্ধু ম্যূরাল চত্ত্বরে ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং ঐ দিনের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচারের আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএনপি যদি দলীয় ভাবে নির্বাচনে না আসে, এমন হতে পারে দলের একটা অংশ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে ।একই সাথে অন্যন্য অনেক দল অংশ গ্রহণ করবে। দেশের নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সংবিধান অনুযায়ী সময় মতো অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি নির্বাচনে আসলো না আসলো তাতে কিছু যায় আসে না। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপ্র্যাণ চেষ্টা করবো বিএনপি যাতে নির্বাচনে আসে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আপনারা অপেক্ষা করেন এর জবাব বিএনপির কাছে থেকেই পাবেন।
শনিবার (৭ জানুয়ারি ) সকালে টাঙ্গাইলের মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছিল, সেই নির্বাচনকেও বিএনপি সহজভাবে নেই নাই। বিএনপি কোনো দিনও বলে নাই নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে। গত ১৪ বছর যাবত একই রের্কড বিএনপি বার বার বাজাচ্ছে। যে বাংলাদেশে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে না। পৃথিবীর কোনো দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় না। একমাত্র আমাদের দেখে শুরু করেছিল পাকিস্তান, যারা আজকে দাবি করছে বিএনপি জামাত তাদের পাকিস্তানিরাই প্রভু। সেই ধারায় বিএনপি জামাত চলতে চায়। বিএনপি জামাত একি কথা বার বার বলছে।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধানে সুস্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, যে সরকার ক্ষমতায় থাকবে সেই সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ মো. নুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম) শরফুদ্দীন আহমেদ,উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মো. ছারোয়ার আলম খান আবু,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমীন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি,মধুপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ মো. সিদ্দিক হোসেন খানসহ প্রমুখ।