/ হোম / জাতীয়
টাঙ্গাইলে জমি নিয়ে শালিসি বৈঠকে যুবক খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জমি নিয়ে শালিসি বৈঠকে যুবক খুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে শালিশি বৈঠকে খায়রুল ইসলাম (৪২) নামের এক যুবকের ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর,সকালে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার কোদালিয়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খায়রুল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের নগর জালফৈ এলাকার মো.জিন্নত আলীর ছেলে।

টাঙ্গাইল পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর মোছাম্মৎ বিউটি বেগম জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে পৌরসভায় জমি বুঝে পাওয়ার জন্য একটি আবেদন করেন খায়রুল ইসলাম । ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুক্রবার সকালে পৌরসভার লোকজন জমি মাপতে গিয়ে দুইপক্ষ নিয়ে শালিসি বৈঠক বসে।

তিনি আরও জানান, শালিসি বৈঠকে হঠাৎ কিছু বুঝে উঠার আগেই মোতালেব নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে পৌরসভার লোকজনদের উপর হামলা করে এবং মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দেয়। একপর্যায়ে হামলাকারিরা অভিযোগকারী খায়রুল ইসলামকে ছুরিকাঘাত করে। পরে আহত অবস্থায় খায়রুলকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মুহাম্মদ আবু ছালাম (পিপিএম) জানান, এ ঘটনায় ডলি খানম নামের এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার হাত কেটে যাওয়ায় তাকে পুলিশ পাহারায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৩৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর কবরের পাশেই শায়িত হলেন খ্যাতিমান পরিচালক সোহান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর কবরের পাশেই শায়িত হলেন খ্যাতিমান পরিচালক সোহান

একতার কণ্ঠঃ খ্যাতিমান চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের লাশ তার শ্বশুরবাড়ি টাঙ্গাইল শহরের পলাশতলী এলাকায় পৌছেছে। বৃহস্পতিবার(১৪ সেপ্টেম্বর )সকাল থেকেই এই গুনি পরিচালকের মুখটা একবার দেখতে ভীড় করছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

স্বজনরা জানিয়েছেন স্ত্রী ও তার (সোহানুর রহমান) ইচ্ছে ছিল মৃত্যুর পর তাদের দুইজনকে যেন পাশাপাশি দাফন করা হয়। সকাল ৯টায় টাঙ্গাইল পুরাতন বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদে জানাযা শেষে সেই ইচ্ছে পূরণেই টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে স্ত্রীর কবরের পাশেই তাকে দাফন করা হয়েছে।

 

তার জানাযার নামাজে জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত পরিচালক রিয়াজুল রিজু, চলচ্চিত্র লেখক আবু সাঈদ চৌধুরী, শ্যালক শাহী, আত্মীয় স্বজনসহ স্থানীয় গন্যামান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর)বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ব্রেইন স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেন তার স্ত্রী প্রিয়া রহমান। পরদিন বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খ্যাতিমান পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান।
মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুইজনের মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে আছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

বহু ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রের নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান। তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘বিশ্বাস অবিশ্বাস’। এ নির্মাতার হাত ধরেই চলচ্চিত্রে আসেন সালমান শাহ, মৌসুমী, পপি ও ইরিন জামান। শাকিব খানের মুক্তি পাওয়া প্রথম সিনেমার পরিচালকও ছিলেন তিনি।
সোহানুর রহমান সোহানের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে- ‘বিশ্বাস অবিশ্বাস’, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’, ‘আমার দেশ আমার প্রেম’, ‘অনন্ত ভালোবাসা’।
সোহানুর রহমান সোহান বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে টানা দুইবার মহাসচিব এবং দু‘বার সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। শিবলি সাদিকের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রের কর্মজীবন শুরু করেন সোহানুর রহমান সোহান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৫:০৭:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ মতবিনিময় সভার অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শামীম আরা রিনি, সিভিল সার্জন ডা. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) নাফিসা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আইরিন আক্তার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌর মেয়রবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিতি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শ্যালিকাদের নিয়ে পুকুরে গোসলে নেমে লাশ হলেন নতুন জামাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শ্যালিকাদের নিয়ে পুকুরে গোসলে নেমে লাশ হলেন নতুন জামাই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিয়ের দুই দিনের মাথায় শ্যালিকাদের নিয়ে শ্বশুর বাড়ির পুকুরে গোসল করতে নেমে জাহাঙ্গীর হোসেন(২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর)দুপুরে মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের চাতারবাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত জাহাঙ্গীর ওই ইউনিয়নের আতেক্কার চালা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্ব) দুপুরে মহিষমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার জাহঙ্গীরের সঙ্গে চাতারবাইদ গ্রামের সেলিম উদ্দিনের মেয়ের বিয়ে হয়। এরপর রবিবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ‘ফিরানী’ তে যান জাহাঙ্গীর। মেজবানি শেষে ওইদিন বিকেলেই আবার বাড়ি ফেরার কথা ছিল জাহঙ্গীরের। দুপুরে শ্বশুরবাড়ির পাশের পুকুরে শ্যালক-শ্যালিকাদের সঙ্গে গোসলে নামেন জাহাঙ্গীর। হঠাৎ পুকুরে ডুবে যান তিনি। এরপর ভেসে না উঠায় ডাকাডাকি শুরু করে শ্যালক-শ্যালিকারা। এ সময় আশপাশের সবাই এগিয়ে এসে পানিতে নেমে তাকে খুঁজতে শুরু করেন। প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টার পর জাহাঙ্গীরের নিথর দেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। এ সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, পুকুরে ডুবে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়। ধারনা করা হচ্ছে সাঁতার না জানায় মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটতে পারে।

তিনি আরও জানান,মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:০৯:পিএম ৩ বছর আগে
ঢাকায় সুধি সমাবেশে কাপাসিয়া কৃষকলীগের হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ - Ekotar Kantho

ঢাকায় সুধি সমাবেশে কাপাসিয়া কৃষকলীগের হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ

একতার কণ্ঠঃ ঢাকার পুরোনো বাণিজ্য মেলা মাঠে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন প্রচার ও সুধি সমাবেশে গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে কৃষকলীগের হাজারো নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেছেন।

বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মোতাহার হোসেন মোল্লা ও আলম আহমেদের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা উৎসবমুখর পরিবেশে শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সমাবেশে উপস্থিত হন।

রাজধানীর হোটেল হলিডে ইন থেকে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রাটি বের হয়।

এতে অংশগ্রহণ করেন গাজীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মোতাহার হোসেন মোল্লা, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আরিফ, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ সরকার, উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আইন উদ্দিন, কৃষকলীগ নেতা শাহ জানি আলম কনকসহ অসংখ্য নেতাকর্মী।

শেখ হাসিনা সরকার বারবার দরকার ও শেখ হাসিনা ভয় নেই রাজপথ ছাড়ি নাই এসব স্লোগানে স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করেন নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:১৩:এএম ৩ বছর আগে
বিপ্লবী নিকুঞ্জ বিহারী গোস্বামীর মৃত্যু বার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

বিপ্লবী নিকুঞ্জ বিহারী গোস্বামীর মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

একতার কণ্ঠঃ সিলেটের উমেশচন্দ্র নির্মলাবালা ছাত্রাবাসের প্রতিষ্ঠাতা “নিকুঞ্জ বিহারী গোস্বামীর” ৩০তম মৃত্যু বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃত্তি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার নিরাজ কুমার জয়সওয়াল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রাবাস ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী মনোজবিকাশ দেবরায়, সাধারণ সম্পাদক সিলেটের মইনউদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ কৃষ্ণপদ সূত্রধর ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, নিকুঞ্জ বিহারী গোস্বামী ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজ সংস্কারক। তিনি ১৯৬২ সালে ছাত্রাবাসটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দের ২৯ আগস্ট মৃত্যুবরণের আগ পর্যন্ত ছাত্রাবাসটি পরিচালনা করে গেছেন তিনি। ২০২২ সালে এ ছাত্রাবাসে ভারত সরকারের অর্থায়নে ৪ কোটি ৩৫ লাখ ২৪ হাজার দুইশ ৬০ টাকা ব্যয়ে পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ভবনটির নামকরণ করা হয়েছে নিকুঞ্জ সুহাসিনী ভবন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:০৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে হামলা-ভাঙচুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে হামলা-ভাঙচুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও কর্মকর্তাদের নাজেহালের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে শহরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নগর জালফৈ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসের সামনে একটি মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে এসব ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গেছে, চলতি বছরের ৯ মার্চ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে অন্য কোন প্যানেল না থাকায় বালা-মাহতাব পরিষদকে একতরফা ভাবে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়। কিন্তু টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোবাহান মিয়াসহ তার অনুসারীরা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়নি।

ইতোমধ্যে তারা একাধিকবার মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে। এরই ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসুচির আয়োজন করে সোবহান অনুসারীরা। কর্মসুচির এক পর্যায়ে বর্তমান কমিটির সভাপতি মো. বালা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মাহতাব সহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত হলে মানববন্ধনে উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে বাকবিতন্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। ধস্তাধস্তির সময় বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মাহতাবের উপর সোবাহানের নেতৃত্বে মানববন্ধনে আসা শ্রমিকরা চড়াও হয়। তাকে উদ্ধার করতে গেলে সভাপতি বালা মিয়া ও দপ্তর সম্পাদক মো. শাহিন আলীর পরনের পাঞ্জাবি ছিড়ে ফেলা হয়। এছাড়া উত্তেজিত শ্রমিকেরা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস রুমে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে খুবই উত্তেজনাপুর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোন সময়ে রক্তক্ষয়ী সংর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু বক্কর সিদ্দিক মাহতাব জানান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোবাহানের বিরুদ্ধে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের ৬১ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়ে মামলা হয়েছে। পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্তে সেটা সত্যতা প্রমানিত হয়েছে। উক্ত তদন্ত রির্পোট ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আজকের এ মানববন্ধন ও হামলা। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. বালা মিয়া জানান, গত ৩৫ বছর ধরে শ্রমিক রাজনীতির সাথে জড়িত। সাধারণ শ্রমিকের ভোটেই আমি বার-বার সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। এবং সুনামের সাথে সংগঠন পরিচালনা করে আসছি। গত কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোবাহানের অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাইে নির্বাচিত হয়েছি। সামান্য কিছু বাহামভুক্ত শ্রমিক ও বহিরাগত লোক নিয়ে আজকের এই হামলা কাপুরুষোচিত ও বর্বরোচিত। আমরা এ হামলা ও ভাঙচুরের বিরুদ্ধে সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত ও উপদেষ্টাদের পরামর্শক্রমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

অভিযুক্ত ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোবাহান মিয়া জানান, গঠনতন্ত্রের কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বর্তমান কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা এই কমিটি মানি না। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি সত্য নয়। আমি যদি টাকা আত্মসাৎ করে থাকি তাহলে বর্তমান কমিটির অনেকেই ওই টাকা আত্মসাতের সাথে জড়িত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন দিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে এই কমিটিকে প্রতিহত করা হবে।

টাঙ্গাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া(পিপিএম) জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখনো পর্যন্ত হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ৯ মার্চ কোন প্রতিদ্বন্দী না থাকায় বালা-মাহতাব পুরো পরিষদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। নব-নির্বাচিত সভাপতি হন মো. বালা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবু বক্কর সিদ্দিক মাহতাব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৪০:এএম ৩ বছর আগে
করটিয়া ইউনিয়নে জাতীয় শোক দিবস পালন - Ekotar Kantho

করটিয়া ইউনিয়নে জাতীয় শোক দিবস পালন

একতার কণ্ঠঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোক সভার আয়োজন করে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

বুধবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সা’দত বাজার মসজিদ রোডে এ শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শোক সভায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মাজেদুল আলম নাঈমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আনছারীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল -৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু প্রমুখ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. মমিন হোসেন খান পাপন, মো. আকবর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী দোয়েল, ছিলিমপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিকদার, আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শোক সভায় অংশ নেন।

পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে সকল শহীদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
যদি পাকিস্তান ভালো লাগে তাহলে মির্জা ফখরুল পাকিস্তান চলে যান: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

যদি পাকিস্তান ভালো লাগে তাহলে মির্জা ফখরুল পাকিস্তান চলে যান: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, রক্ত দিয়ে যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি, সেই বাংলাদেশকে পাকিস্তান হতে দেওয়া যাবেনা। বিএনপি’র কাছে বাংলাদেশ ভালো না পাকিস্তান ভালো লাগে। বিএনপি’র, মির্জা ফখরুল বলেছে পাকিস্তান ভালো, তাই মনে করি পাকিস্তানে চলে যাওয়া উচিত। যদি পাকিস্তান ভালো লাগে তাহলে মির্জা ফখরুল পাকিস্তান চলে যান।

বুধবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকী ও শোক সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন, যদি শেখ হাসিনা আরো ১০ বছর ক্ষমতায় থাকে থাকুক তাও পাকিস্তান সমর্থক কারী বিএনপিকে চাই না, এই বাংলাদেশকে আর পাকিস্তান বানাতে দেওয়া হবে না।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নেত্রীর সাথে কথা হয়েছে, তিনি নানা সমস্যার মধ্যে রয়েছে, তার সাথে চারিদিকে যারা থাকে তাদের চাইলেই লাথি দিয়ে ফেলে দিতে পারে না।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রধান সহায়তাকারী ছিলেন জিয়াউর রহমান, যদি সেনাবাহিনীদেরকে জিয়াউর রহমান আশ্রয় না দিতেন তাহলে এই সাহস পেতো না।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সদস্য এ এইচ এম আব্দুল হাই’র সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন , সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী (কায়সার চৌধুরী), কেন্দ্রীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীর প্রতিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, সদস্য শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, বাসাইল পৌরসভার মেয়র রাহাত হাসান টিপু প্রমুখ।

এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২৩ ০২:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে র‌্যাব পরিচয়ে ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে র‌্যাব পরিচয়ে ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার শুভল্যা এলাকা থেকে গত ২২ আগষ্ট ছিনতাই চক্রের চার জন সদস্য র‌্যাব পরিচয় দিয়ে ১৯ লক্ষ ১৯ হাজার ২০০ টাকা ছিনতাই হওয়ার ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৯ আগষ্ট) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলেন, ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালি থানার নারায়নপুর গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে সফর উদ্দিন মুন্না (২২) ও কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার দরিগাও গ্রামের মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে শামীম আহমেদ সবুজ (৩৩)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীসহ ৪ ডাকাত দল গত ২২ আগস্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের শুভুল্যা নামক এলাকা থেকে র‌্যাব পরিচয়ে বিনিময় বাসে উঠে। বাসে থাকা ভিক্টিম হেলাল মোল্লাকে বাস থেকে নামিয়ে প্রাইভেটকারে উঠিয়ে গামছা দিয়ে চোখ বেঁধে হাতে হ্যান্ডকাফ পড়ায়। পরে তার সাথে থাকা ১৯ লাখ ১৯ হাজার ২০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। কিছু দুরে গিয়ে হেলাল মোল্লাকে মহাসড়কের একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরদিন ২৩ আগষ্ট হেলাল মোল্লা মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার প্রেক্ষিতে ডিবি ও মির্জাপুর থানা পুলিশের একটি টিম একজনকে ময়মনসিংহ ও অপরজনকে সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেফতারকৃতদের সাথে থাকা একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ ৩৭৫০৭০), ক্যাপ, চশমা, বাঁশের লাঠি, গামছা, মোবাইল, ছিনতাইকৃত টাকায় কেনা একটি মোটরসাইকেল ও ১ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে আসামীদের ১০ দিন রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২৩ ০১:১৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল শহরে কবি নজরুল স্কুল ও নজরুল স্মরণী যেভাবে হলো - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল শহরে কবি নজরুল স্কুল ও নজরুল স্মরণী যেভাবে হলো

একতার কণ্ঠঃ ১৯৭৪ সালের ১০মে বাংলাদেশের জাতীয় কবি নজরুল ইসলামকে নিয়ে আসা হয় টাঙ্গাইলে। উদ্যোক্তা ছিলেন বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। কাদেররিয়া বাহিনীর প্রধান কাদের সিদ্দিকীর গাড়ির বহরের সাথে এম্বুলেন্সে এ কবি আসেন টাঙ্গাইল শহরে। পুরো প্রোটোকলের দায়িত্ব পালন করেন বঙ্গবীর।

এটাই সম্ভবত ঢাকার বাহিরে কোন জেলা শহরে কবির প্রথম আগমন। কবির সাথী হয়ে এসেছিলেন নাতনি ছোট বয়সী খিলখিল কাজী। প্রথমে কবিকে নিয়ে আসা হয় তৎকালীন পুলিশ প্যারেড ময়দানে। এখন যেটিকে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান বলা হয়।

টাঙ্গাইলের অন্যতম বৃহৎ শিশু-কিশোর সংগঠন নজরুল সেনার পক্ষ থেকে কবিকে গার্ড অব অনার দেয়া হয় সেখানে। কবিকে এম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে হুইল চেয়ারে বসিয়ে নিয়ে আসা হয় ময়দানে। বৃষ্টির মধ‍্যে কয়েকশত নজরুল সেনা সদস্য সাদা পোশাক পরে গার্ড অব অনার দেন কবিকে। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী কবির মাথায় পরম মমতা আর শ্রদ্ধায় ছাতা ধরে থাকেন।

এই অনন্য ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন নজরুল সেনার প্রতিষ্ঠাতা এডভোকেট ফজলুল হক খান সাথী। যিনি হাইকোর্টের একজন স্বনামধন্য আইনজীবী। প্যারেড পর্ব পরিচালনা করেন প্যারেড টিমের প্রধান মরহুম সাংবাদিক কামরুল হাসান চৌধুরী। প্যারেড পরিচালনায় তাকে সহযোগিতায় ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন মরহুম হাফিজুর রহমান, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ, নারীদের মধ্যে ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন লিপি খন্দকার রানু, গ্রুপ ক্যাপ্টেন ওয়াহিদা রহমান নতুন।

নজরুল সেনার ব্যান্ড দলে ছিলেন এম,এ মতিন, শাহীন তালুকদার ও বতর্মানে আমেরিকা প্রবাসী শিবলী সাদিক।

জাতীয় কবির টাঙ্গাইলে আগমনের এই আলোকিত স্মরণীয় করে রাখতে নজরুল প্রেমী ফজলুল হক সাথী ভাই টাঙ্গাইল পুলিশ প্যারেড ময়দানের পাশেই ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন নজরুল সেনা স্কুল।

তাকে সেসময় অর্থদানসহ নানাভাবে সহযোগিতা করেন মরহুম সামসুর রহমান খান শাহজাহান, মরহুম শওকত আলী তালুকদার, খন্দকার জাহিদ মাহমুদ, মরহুম সাংবাদিক কামরুল হাসান চৌধুরী, নুরুল আমীন, প্রয়াত কামাক্ষা নাথ সেন প্রমুখ।

জাতীয় কবির টাঙ্গাইলে আগমনের এই আলোকিত দিনকে স্মরণীয় রাখতে কবি নজরুলের স্মৃতিধন্য তৎকালীন পুলিশ প্যারেড ময়দানের সামনের রাস্তাটিকে অর্থাৎ নিরালা মোড় থেকে জেলা সদর রাস্তাকে কবির প্রতি সন্মান জানিয়ে কবি নজরুল স্মরণী বলা হয়ে থাকে। (ঈষৎ সংশোধিত)

লেখক: প্রফেসর ড.জি.এম.শফিউর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

সূত্র: আল রুহী, আতাউর রহমান আজাদ, এবিএম সালাউদ্দিন আহমেদ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:২১:এএম ৩ বছর আগে
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা ৬ মাসে নিষ্পত্তির নির্দেশ - Ekotar Kantho

বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা ৬ মাসে নিষ্পত্তির নির্দেশ

একতার কণ্ঠঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তির জামিন আবেদন খারিজের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এ হত্যা মামলা ৬ মাসের মধ্যে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন সর্ব্বোচ আদালত।

রবিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম।

এর আগে গত ১৯ জুলাই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তির জামিন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তথ্য গোপন করে জামিন আবেদন করায় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।

বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তে এই হত্যায় তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান ও তার ভাইদের নাম বের হয়ে আসে। ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় আমানুর ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ওরফে কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান ওরফে বাপ্পাসহ ১৪ জন আসামি রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২৩ ০২:১০:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।