আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে রাতের আঁধারে গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু চুরির পর জবাই করে মাংস ভাগ করে নিয়ে গেছে চোরেরা।
শনিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে বাসাইল পৌরসভার কাটাখালীপাড়া এলাকায় এমন ঘটনা ঘটে। বিষয়টি রবিবার (২ মার্চ) সকালে জানাজানি হলে স্থানীয়রা চোরদের এমন কাণ্ডে হতভম্ব হন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার দিবাগত রাতে বাসাইল পৌরসভার কাটাখালীপাড়া এলাকার আতিকুর রহমান খান রুবেল, ফজলু খান ও গফুর খানের গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু চুরি হয়। পরে সেহরির সময় বিষয়টি টের পান গরুর মালিকরা। সকালে বাসাইল-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়কের বাসাইল পশ্চিমপাড়া কবরস্থানের পাশে গরুর ভূরি ও হাড় দেখতে পান স্থানীয়রা। খবরটি তাৎক্ষণিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে গরুর রশি দেখে মালিকরা শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন গরুর মালিকরা। তিনটি গরুর আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা বলে জানা গেছে।
গরুর মালিক ফজলু খান বলেন, পাশের বাড়িতে গরু চুরি হয়েছে শুনতে পাই। পরে আমার গোয়ালঘরে গিয়ে দেখি সেখানে গরু নেই। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করি। পরে সকালে বাসাইল পশ্চিমপাড়া কবরস্থানের পাশে গিয়ে দেখতে পাই গরু জবাই করে মাংস নিয়ে গেছে চোরেরা।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, গরু চুরির পর চোরেরা মাংস ভাগ করে নিয়ে গেছে এমন ঘটনা এই প্রথম শুনলাম। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, বাসাইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঝেমধ্যেই গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের আরও তৎপর হওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
আরমান কবীরঃ মাহে রমজানের প্রথম রোজায় সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)’র এতিম শিশুদের সাথে ইফতার করলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক।
রবিবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) ও সরকারি শিশু পরিবার (বালক) টাঙ্গাইল-এ মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: আব্দুল্যাহ আল মামুন, জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান, সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহবুব উল আলম খাসনবীশ, উপ-তত্বাবধায়ক তানিয়া আক্তার প্রমুখ।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে ভোজ্যতেলের দাম নিয়ন্ত্রণে যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালিত হয়েছে। শনিবার (১ মার্চ) বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের ছয়আনী বাজারে খুচরা ও পাইকারী দোকানগুলোতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় কোন ব্যবসায়ীকে জরিমানা না করলেও বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সতর্ক করা হয়েছে। বাজারের তেলের ব্যবসায়ীদের রমজানে বাড়তি দামে বিক্রি না করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল যৌথবাহিনী অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এসময় তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে তেল বিক্রি করছে এমন অভিযোগে যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে বাজারে গিয়ে বাড়তি দামে বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযানে সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার জিয়াউর রহমান, পাঁচআনী ও ছয়আনী বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক আহসান খান আছুসহ পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্র্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
শনিবার (১ মার্চ) সকালে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া অফিসার) জুয়েল চাকমা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোলচত্বর সংলগ্ন পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মৃত্যুদন্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম শাহাদাত হোসেন (৪০)। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের ওমর আলীর ছেলে। ২০০২ সালে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা মামলায় বিচারক তার মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। এর পর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।
র্যাব জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের সময় দেশের আইন-শৃঙ্খলার নাজুক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অন্যান্য বন্দীদের সাথে কয়েদী শাহাদাত হোসেন পালিয়ে যায়।
এ ঘটনাটি সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে পলাতক আসামি শাহাদাত হোসেনকে গ্রেপ্তারে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং আসামির অবস্থান শনাক্তের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে। পরে দীর্ঘ সাত মাসের অব্যাহত চেষ্টার পর র্যাবের টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।
সাহান হাসানঃ টেবিলে থরে থরে সাজানো বই। কেউ জমা দিচ্ছেন, কেউ নিচ্ছেন। পড়া শেষে বাসার সেলফে পড়ে থাকা বই দিয়েও নিচ্ছেন আরেকটি পছন্দের বই। সংগ্রহ করা যাচ্ছে প্রিয় লেখকের প্রিয় বইটি। সঙ্গে আছে একাডেমিক ও ম্যাগাজিন সেকশন থেকে অফুরন্ত বই বিনিময়ের সুযোগ। কেবল বই দিয়েই বই বিনিময়, পুরো দিনটিই ছিল বই বিনিময়ের।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে টাঙ্গাইলে এই প্রথমবারের মতো ‘বই বিনিময়’ উৎসবের আয়োজন করে ‘বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার’ নামের একটি সংগঠন।
উৎসব শুরুর পর থেকেই ব্যতিক্রমী এ বই বিনিময়ে বইপ্রেমী তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরীদের ব্যাপক সমাগম লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠান উদ্বোধনের শুরুতেই কুরআন তেলাওয়াত এবং গীতা পাঠ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- লেখক ও গবেষক অধ্যাপক বাদল মাহমুদ, লেখক ও গবেষক ড. আলী রেজা, অধ্যাপক আলীম আল রাজী ও প্রাবন্ধিক জহুরুল হক বুলবুল প্রমুখ।
‘বই হোক বিনিময়, বই জীবনের কথা কয়’ – জানা যায়, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বইকে মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য করে তোলা ও বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বই বিনিময় উৎসবটি। উৎসবে ছিল বইয়ের ৬টি স্টল এবং ২টি রেজিস্ট্রেশন বুথ। ছয়টি স্টলে বিভিন্ন ক্যাটাগরির বই বিনামূল্যে বিনিময় করা হয়েছে।

জানা যায়, উৎসবের পক্ষ থেকে সংগ্রহ করে রাখা হয় এক হাজারের বেশি বই। সারা দিন প্রায় তিন হাজার বই বিনিময় হয়।
এছাড়াও উৎসবে উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, গল্পগ্রন্থসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রায় সহস্রাধিক বই টেবিলে সাজিয়ে রেখেছিলেন স্বেচ্ছাসেবকরা। বইগুলোর পরিবর্তে পাঠকরা তাদের ঘরে পড়ে থাকা বা সাজিয়ে রাখা বইটি বদলে অপঠিত বই নিয়েছেন, এটাই হচ্ছে বই বিনিময়। শিক্ষা ক্ষেত্রে সহায়ক হবে এমন বইয়ের খোঁজও করেছেন অনেকে। হাজারো বইয়ের ভিড়ে পছন্দের বইটি খুঁজে পেতে একজন বইপ্রেমীর দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, লেখকসহ সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে উৎসবটি পরিণত হয়েছিল মিলনমেলায়।
বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আদিবা রহমান বই বিনিময় করতে এসে বলেন, ‘ছোট থেকেই বই পড়তে ভালো লাগে। তাই আমার কাছে থাকা বই পড়া শেষে নতুন বই পড়ার আগ্রহ থেকে বই বিনিময় করতে এসেছি। এই উদ্যোগটা অবশ্যই প্রশংসনীয় এবং আমাদের মতো পাঠকেরা খুব উপকৃত হয়।’
সরকারি সা’দত কলেজের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন ‘আমার বন্ধু ফেসবুকের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বই বিনিময় উৎসবে। তাই ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে এসেছি অনুষ্ঠান দেখতে। এটা ব্যতিক্রম আয়োজন, খুবই ভালো লেগেছে আমার কাছে ’।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল-আমিন বলেন, ‘পড়া বই ঘরে না রেখে নতুন কিছু জানার আশায় বই বিনিময় করতে পেরে ভালো লাগছে। কারণ এতে নতুন বই পড়তে টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে না। এরকম আয়োজন আরো হওয়া প্রয়োজন’।
বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও বই বিনিময় উৎসবের আয়োজক কামরুজ্জামান বলেন, বইকে পাঠকের কাছে সহজ করতে আমাদের এই উদ্যোগ যা থেকে নতুন প্রজন্মের পাঠক তৈরি হবে। এতে তরুণ ও কিশোররা স্মার্টফোন বিমুখ হয়ে বই পড়ার দিকে ধাবিত হবে। তাছাড়া অর্থ ব্যয় করে নতুন বই কেনার চেয়ে পুরোনো বই বিনিময়ের এই উৎসব পাঠের অভ্যাস বাড়াবে। এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সুধীজনরা।
আরমান কবীরঃ রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন শাখা ব্যবস্থাপকদের অংশগ্রহণে ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার দাপনাজোর ওয়াটার গার্ডেনের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এই ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুপালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
এসময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক “সময় নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা” অনুযায়ী খেলাপী ঋণ আদায় এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন খাঁ । সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান তানভীর।
এ সময় বিভাগের আওতাধীন ৪ জন জোনাল ম্যানেজার ও ৪৯টি শাখার ব্যবস্থাপক এবং ৭ টি উপশাখার ইনচার্জ উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ডাকাতদের কবলে পড়েছে শিক্ষা সফরের চারটি স্কুলবাস। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের লক্ষণের বাধা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডাকাতরা বাস থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণ ও স্মার্টফোন লুট করেছে। এ নিয়ে গত ১০ দিনে এই সড়কে তিনটি ডাকাতির ঘটনা ঘটল।
জানা যায়, ময়মনসিংহ বিভাগের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সোয়াইতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মঙ্গলবার ভোরে চারটি বাস নিয়ে ওই স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক শিক্ষা সফরের জন্য রওনা দেন নাটোরের গ্রীনভ্যালি পার্কের উদ্দেশে। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বাস চারটি ঘাটাইল উপজেলার ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের সাগরদীঘি ইউনিয়নের লক্ষণের বাধা এলাকায় পৌঁছালে তারা ডাকাত দলের কবলে পড়েন। এ সময় সামনের বাসে ছিলেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান। হঠাৎ তিনিসহ অন্যরা খেয়াল করেন সড়কের মাঝ বরাবর গাছের গুঁড়ি। তিনি বুঝে ফেলেন এই কাজ ডাকাতদের। সতর্ক করেন সবাইকে। বন্ধ করে দেওয়া হয় গাড়ির জানালা ও গেট। কিছু বুঝে উঠার আগেই ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আঘাত শুরু করে গাড়িতে। ডাকাতরা পেছনের গাড়ি থেকে তাদের মালামাল লুট করা শুরু করে। এরই মধ্যে তিনি ফোন করেন ৯৯৯ নম্বরে। অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। ততক্ষণে তিনটি গাড়ির যাত্রীদের থেকে মালামাল লুট করা শেষ হয়ে যায়।
সোয়াইতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান বলেন, ডাকাতরা নগদ টাকা নিয়ে গেছে দেড় লাখ। স্বর্ণ দেড় ভরি। স্মার্টফোন ১০টা। এ ঘটনায় মারধরের শিকার হয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর সাখাওয়াত হোসাইন রবিন ও অভিভাবক শহিদুল্লাহ তালুকদার।
সাখাওয়াত হোসাইন রবিন বলেন, আমি ছিলাম দুই নম্বর গাড়িতে। ওই গাড়িতে ছিল শুধু ছাত্রী। ডাকাতরা আমার কাছে থেকে মোবাইল নেওয়ার পর যখন ছাত্রীদের দিকে যাচ্ছিল তখন আমি বাধা দেই। এর ফলে তারা আমাকে দায়ের উল্টো পিঠ দিয়ে আঘাত করে।
ডাকাতদের অস্ত্র ও ভয়ঙ্কর রূপ দেখে গাড়িতে জ্ঞান হারান কৃষি বিষয়ক শিক্ষক আবুল কালাম।
সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী সিনথিয়া আক্তার জানায়, ভয়ে সে অনেক কেঁদেছে। এখনও তার ভয় দূর হয়নি।
ডাকাতির ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য লিয়াকত হোসেন বলেন, মাঝে মধ্যেই ওইস্থানে (লক্ষণের বাধা) ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার ভোরে ঘাটাইল-সাগরদীঘি সড়কে গাছ ফেলে শিক্ষা সফরে যাওয়ার পথে চারটি স্কুলবাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। যতটুকু জানতে পেরেছি সাতটি মোবাইল ও দুই হাজার ৭০০ টাকা নিয়েছে ডাকাতরা। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এলাকার লোকদের নিয়ে বৈঠক করেছি। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দেয়নি।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে শাহাদাৎ নামে ৪ বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের বলরামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু শাহাদাৎ একই গ্রামের জুয়েলের ছেলে বলে জানা গেছে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, যমুনার দুর্গম চরাঞ্চল থেকে বলরামপুর এলাকায় জুয়েল মিয়া নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ করছে। বাড়ি করার জন্য বাড়ির পাশে ডোবা তৈরি করে মাটি উত্তোলন করেছিল। সেই ডোবায় সেচপাম্পের পানি জমে ভরাট হয়।
সোমবার সকালে শাহাদাৎ সেই ডোবার পানিতে পড়ে যায়। বিষয়টি পরিবারের কেউ জানতো না। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে শাহাদাৎকে ডোবায় খুঁজে পায় তার পরিবার। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক শিশু শাহাদাৎকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম জানান, পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যুর ঘটনাটি কেউ জানায়নি।
আরমান কবীরঃ অপারেশন ডেভিল হান্টের অভিযান চালিয়ে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মো. ইসমাইল হোসেন ওরফে ইকো মিঞা (৩৬) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার মাধ্যমে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
এর আগে, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা পৌর শহরের ফসলান্দী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ইকো মিঞা উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের শুশুয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বলেন, ইকো মিঞার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় নাশকতার মামলা থাকায় ডেভিল হান্টের অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে টাঙ্গাইল সদর থানায় সোপর্দ করলে টাঙ্গাইল থানা পুলিশ আদালতে তাকে প্রেরণ করে।
আরমান কবীরঃ দীর্ঘ ১৭ বছর পর নিজ জন্মভূমি টাঙ্গাইলে এসেছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সদ্য কারামুক্ত আব্দুস সালাম পিন্টু।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে তিনি সড়ক পথে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল শহরের প্রবেশদ্বার নগরজলফৈ বাইপাসে পৌঁছালে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ তাঁকে স্বাগত জানায়।
এ সময় তাকে বহনকারী গাড়ি বহরে ফুলের পাপড়ি ছিটানো হয়। নগরজলফৈ বাইপাস থেকে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের আসার পথে তাকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তার টাঙ্গাইল আগমনকে কেন্দ্র করে জেলা শহর জুড়ে উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
পরে বিকেলে জেলা বিএনপি’র পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সদ্য কারামুক্ত বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টুর গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবেগ-আপ্লুত কণ্ঠে সালাম পিন্টু বলেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আমাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছিল। দেশবাসী ও বিশেষ করে টাঙ্গাইলবাসির দোয়া ও ভালোবাসায় আজ আমি আমার জন্মভূমিতে জীবিত অবস্থায় ফিরতে পেরেছি। মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমি আজ আপনাদের মাঝে পৌঁছাতে পেরেছি। যতদিন জীবিত থাকবো- আপনাদের কল্যাণে আমি নিজেকে উৎসর্গ করলাম।
শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত সংবর্ধনা স্থলে প্রিয় নেতাকে দেখতে নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষের ঢল নামে। নানা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পৌর উদ্যান এলাকা। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন জায়গায় সাজানো হয়েছে তোরণ দিয়ে । লাগানো হয়েছে ব্যানার ও পোস্টার।
জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খান, বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপি’র সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ সোহরাব, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধাা হামিদুল হক মোহন, জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে আব্দুস সালাম পিন্টু দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত ও দোয়া পাঠ করেন।
আরমান কবীরঃ বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বাংলাদেশের কিছু রাজনৈতিক দল আছে কিছু নতুন, কিছু পুরাতন। তারা জনগণকে বোঝাতে চেষ্টা করছে বিএনপি নাকি সংস্কার চায় না। সংস্কার কী? খায় না মাথায় দেয়। বাংলাদেশে সকল কল্যাণকর সংস্কার করেছে বিএনপি। বিএনপি যে ৩১ দফা দিয়েছে তার পুরোটাই সংস্কার কর্মসূচি। সংস্কারের প্রত্যেকটা বিষয় ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সদ্য কারামুক্ত বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টুর গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ১৬ বছর ধরে স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদের পতনের জন্য বিএনপি’র নেতাকর্মীরা লড়াই করেছে। এখনও লড়াই শেষ হয়ে যায় নাই। লাখ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অনেকের কারাগারে বা গুম অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। ৫ আগস্ট আমি জেলখানায় ছিলাম। আমাদের ৫১৮ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকর্মী কারাগারে ছিল। অনেক লড়াই, সংগ্রাম, ত্যাগ-তিতিক্ষার পর দেশে পরিবর্তন এসেছে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু গণতন্ত্র এখনও পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় নাই। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় না। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার নির্বাচন হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেজন্য বলি সবার আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন। বলি নাই বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেন। যারা জয়লাভ করবে, তারাই সরকার গঠন করবে।
তিনি বলেন, আব্দুস সালাম পিন্টু মৃত্যুদন্ডের আদেশ মাথায় নিয়ে কারাগারেও অনিশ্চিত জীবন কাটিয়েছেন। শতশত নেতাকর্মী গুম-খুনের স্বীকার হয়েছেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র ভাইচ চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খান, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপি’র সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ সোরহাব, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধাা হামিদুল হক মোহন, জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু, ৯০এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের ছাএদল নেতা মোঃ আব্দুল্লাহ আকন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
এদিকে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর আব্দুস সালাম পিন্টু নিজ জেলা টাঙ্গাইলে পৌছলে শহরের নগর জলফৈ বাইপাসে তাকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। বিকেলে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত সংবর্ধনাস্থলে প্রিয় নেতাকে দেখতে নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষের ঢল নামে। নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পৌর উদ্যান এলাকা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে আব্দুস সালাম পিন্টু দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত ও দোয়া পাঠ করেন।
আরমান কবীরঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাজশাহীগামী চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, নারীদের কাছ থেকে কিছু স্বর্ণালঙ্কার লুণ্ঠিত হয়েছে। ওই সময় দুষ্কৃতকারী ডাকাত দল নাকফুল কানের দুল নেওয়ার সময় নারীদের টাচে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি এটা আমরা জানতে পেরেছি। শ্লীলতাহানি বলা যেতে পারে।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. শহিদুল ইসলাম (২৯), মো. সবুজ (৩০) ও মো. শরীফুজ্জামান (২৮)।
পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, চলন্ত বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল, একটি ছুরি ও ২৯ হাজার ৩৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়। মামলা হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তথ্য প্রযুক্তি ও বিভিন্ন সোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে।
এ ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার দায়ে মির্জাপুর থানার ডিউটি অফিসার আতিকুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী বাসে মির্জাপুর এলাকায় তিন ঘণ্টা ধরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। শ্লীলতাহানি করা হয় দুই নারীকে। পরে যাত্রীরা বাসটি আটকে নাটোরের বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের সহায়তা চায়। বাসযাত্রীদের হাতে আটক বাসচালক বাবলু, সুপারভাইজার মাহবুব ও হেলপার সুমনকে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ওই ঘটনায় বাসের যাত্রী ওমর আলী বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় অজ্ঞাত ৮-৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন।