একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার চিনামুড়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে চুমু খাওয়া, বুকে জড়িয়ে ধরা, গোসলের সময় অঙ্গ-ভঙ্গি করে উত্যক্ত করার ঘটনায় দেড়লাখ টাকায় রফার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মাতাব্বরদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয় কাউন্সিলর মতিয়ার রহমান খান বাবলু।
শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে স্থানীয় মাতাব্বরদের উপস্থিতিতে চিনামুড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শালিসী বৈঠকে এ রফা হয়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার চিনামুড়া গ্রামে রওজাতুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসায় পড়–য়া পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে উত্যক্ত করে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠতা পরিচালক তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তুলা মুন্সী। ঘটনাটি মাদ্রাসাছাত্রী তার মাকে জানায়। একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে স্বার্থন্বেষী একটি মহল ঘটনা ধামাচাপা দিতে ছাত্রীর পরিবারকে চাপসৃষ্টি করে। মাদ্রাসা ছাত্রীর পরিবার অসহায় ও দুর্বল হওয়ায় শালিসী বৈঠকে তাদের কথা মেনে নেওয়া ছাড়া আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেননি। শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে এলেঙ্গা পৌর মেয়র নুর- এ-আলম সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে দেড়লাখ টাকায় রফা করেন ছবদের কমিশনার ও স্থানীয় গুটিকয়েকজন মাতাব্বর।
পৌর কাউন্সিলর বাবলু খাঁন বলেন, শালিসে অভিযুক্ত মাদ্রাসা পরিচালক তোফাজ্জল হোসেনকে দেড়লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেইসাথে মাদ্রাসাটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত তোফাজ্জল হোসেনের সাথে যোযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় একাধীক মাতাব্বররা জানান, শিক্ষক জাতীর মেরুদন্ড তাদের দ্ধারা ছাত্রীকে উত্যক্ত’র ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা আরও জানান, অভিযুক্তকে আইনের আওতায় না দিয়ে জরিমানার বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ।
এ বিষয়ে এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র নুর-এ-আলম সিদ্দিকী মুঠোফোনে বলেন, মাদ্রাসার পরিচালক ওই ছাত্রীকে নানাভাবে উত্যক্ত ও যৌন নির্যাতন করায় তাকে শালিসী বৈঠকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম জানান, আমি বিষয়টি জানিনা, জেনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ ঝালকাঠিতে গভীর রাতে লঞ্চে আগুন লেগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪১ জন। এদিকে সুগন্ধা নদীতে ভেসে বেড়াচ্ছে পোড়া লাশের গন্ধ।
বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের সুগন্ধা নদীতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে লঞ্চের ইঞ্জিন রুম থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে।শতাধিক যাত্রীকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ভিবিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জানা যায়, লঞ্চটিতে প্রায় ৫০০ এর অধিক যাত্রী ছিল। লঞ্চটি ঢাকা থেকে বরগুনা যাওয়ার পথে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর দপদপিয়া এলাকায় পৌঁছালে বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ইঞ্জিন কক্ষে আগুন লাগে। পরে লঞ্চটি সদর উপজেলার দিয়াকুল এলাকায় গিয়ে নদীর তীরে নোঙর করে। খবর পেয়ে ঝালকাঠির ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরই মধ্যে দগ্ধ যাত্রীদের উদ্ধার করে ঝালকাঠি ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করছেন।
লঞ্চের যাত্রীরা জানিয়েছেন, অনেকেই লঞ্চ থেকে লাফিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচিয়েছেন। যাত্রীদের ধারণা হতাহতের সংখ্যা অনেক। তবে কেউ এখনো নির্দিষ্ট করে কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
লঞ্চের যাত্রী সাইদুর রহমান বলেন, তিনি ঢাকা থেকে বরগুনা ফিরছিলেন। ঝালকাঠি লঞ্চ টার্মিনালের ঠিক আগে গাবখান সেতুর কিছু আগে লঞ্চের ইঞ্চিনরুমে আগুন লেগে যায়। এরপর সেই আগুন পর্যায়ক্রমে ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে। রাত তিনটা থেকে আগুন জ্বলতে থাকে। যাত্রীরা অনেকেই নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন। অনেকে হয়তো পারেননি। লঞ্চে শিশু, বুড়ো, নারীসহ কমপক্ষে পাঁচ শতাধিক যাত্রী ছিল।
তিনি আরো বলেন, পোড়া গন্ধ পেয়ে আমি ভিআইপি কেবিন থেকে বেড়িয়ে এসে দেখি লঞ্চে আগুন লেগেছে। তখন আমার স্ত্রী, শ্যালক নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রচণ্ড ঠান্ডায় নদী সাঁতরে তীরে উঠেছি। লঞ্চ ভাসতে ভাসতে কোথাও গিয়ে থেমেছে। তবে এটুকু বলছি, লঞ্চের কোনো অংশ পোড়ার বাকি নেই।
সংবাদ সূত্র-আমাদেরসময়.কম
একতার কণ্ঠঃ মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা ইউনিট’-এর বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের পক্ষ থেকে ‘মোনালিসা ওমেন’স স্পোর্টস একাডেমী’র নারী ফুটবলারদের ‘শীতউপহার’ প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ-এর অস্থায়ী কার্যালয়ে টাঙ্গাইলের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উঠে আসা উদীয়মান নারী খেলোয়াড়দের ক্রীড়াক্ষেত্রে উৎসাহ অনুপ্রেরণা যোগাতে ‘শীতউপহার’ প্রদান অনুষ্ঠানে বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের অভিভাবক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যুগ্ম-সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব সাঈদ মোঃ লুৎফুল্লাহ ও ঢাকা মহানগর উত্তর এর ৫০নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মোনালিসা ওমেন’স স্পোর্টস একাডেমীর কর্ণধার কামরুন্নাহার খান মুন্নি, বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এবিএম আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ইঞ্জিঃ মিজান, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি মোকাম্মেল হক খান রিচার্ড, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সজীব খন্দকার, শাহরিয়ার আনোয়ার রাজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্ জনি, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আমিনুর রহমান মিল্টন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আহ্বায়ক আব্দুল আলীম, বাসাইল উপজেলার আহ্বায়ক শামীমা খান সিমা, শহর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ইমদাদুল হক, সদস্য শিউলি খান সনিসহ টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ইঞ্জিনে আগুন লেগে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন এক চালক।
শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল দশটার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সল্লা ১৩ নং ব্রীজের নিকট এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এসময় মহাসড়কের প্রায় ১৫ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়।
অগ্নিদগ্ধ ওই চালককে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে । তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এসআই নাজমুল হাসান জানান, সকাল দশটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক ও উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকামুখী ভুট্টা বোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সাথে সাথেই ট্রাকের ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। এ সময় দুই ট্রাকে থাকা সবাই দ্রুত সরে যেতে পারলেও আটকা পড়েন সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকের চালক ।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রায় ৩০ মিনিট চেষ্টার পর ওই ট্রাক চালককে উদ্ধার করে মুমূর্ষ অবস্থায় টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আগুনে প্রায় তার শরীরের ৪০ শতাংশ অংশ পুড়ে গেছে।
দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক দুটি সরিয়ে নিলে প্রায় এক ঘন্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর।
বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন হিসাব নিরীক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক এম আনোয়ারুল ইসলাম স্বপন। বিশেষ অতিথি ছিলেন হিসাব নিরীক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সচিব আলহাজ্ব নকিব উদ্দিন, বাপসু কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক মো. মোকছেদুর রহমান হারুন, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মো. হাসান উদ্দিন ও উৎপল ভট্টাচার্য, শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি একেএম মোসাদ্দেক ফেরদৌস, মানিকগঞ্জ জেলার সভাপতি ইকবাল হোসেন ও কিশোরগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান। টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হারুন-অর-রশিদ।
এ সময় জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে আগুন লেগে অন্তত ৩৭ জন মারা গেছে।কর্মকর্তারা আশংকা করছেন, মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মইনুল হক বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন লঞ্চের ভেতরে এবং বাইরে ৩৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।তিনি আরো জানিয়েছেন, লঞ্চে আগুন লাগার পরে অনেক নদীতে লাফিয়ে পড়ে। ফলে নদী থেকে এখনো মৃতদেহ পাওয়া যাচ্ছে।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বিবিসি বাংলাকে জানান, ‘এমভি অভিযান’ নামে একটি লঞ্চ ঢাকা থেকে বরগুনার উদ্দেশ্যে গতরাতে ছেড়ে যায়। ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ভোরে লঞ্চে আগুন ধরে যায়।আহতদের বরিশাল সদর হাসপাতাল এবং স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান বিভাগীয় কমিশনার।লঞ্চটিতে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে – সেটি এখনো বলতে পারছেন না কর্মকর্তারা।

ঝালকাঠি থেকে স্থানীয় সাংবাদিক আক্কাস শিকদার বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, ভোর সাড়ে তিনটার দিকে লঞ্চে আগুনের সূত্রপাত হবার খবর পান তিনি।এসময় লঞ্চ থেকে অনেক যাত্রী জীবন বাঁচানোর জন্য নদীতে লাফ দেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

এই লঞ্চটির যাত্রী ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করছিল বলে জানা গেছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ইঞ্জিন রুম থেকে আগুণের সূত্রপাত হয়েছে।

যাত্রীদের বরাত দিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক আক্কাস শিকদার জানিয়েছেন, লঞ্চটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবার সময় দোতলার ডেক বেশ গরম ছিল। এনিয়ে যাত্রীরা অভিযোগ করলে লঞ্চের স্টাফরা তখন কার্পেট বিছিয়ে দেন। কিন্তু এই গরম ক্রমাগত বাড়তেই থাকে।একপর্যায়ে ইঞ্জিন রুমে আগুন ধরে যায় বলে যাত্রীদের অভিযোগ।

আহতদের মধ্যে অন্তত ৮০ জনকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে আনা হয়েছিল এর মধ্যে ২০জনকে সেখানে রেখে বাকিদের বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান সাংবাদিক আক্কাস শিকদার।
সংবাদ সূত্র- বিবিসি বাংলা( আপলোড বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা)
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এগারো বছর বয়সী স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র্যাব-১২) ।শুক্রবার(২৪ ডিসেম্বর) ভোরে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের পারদিঘী গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়ির একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ অনিকের (১৯) বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ পোষ্টকামুরী গ্রামে এবং পেশায় একজন শ্রমিক।
জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে তার বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে অনিক। পরে শিক্ষার্থীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় অনিক।
ঘটনার পরদিন শিক্ষার্থীর মা মির্জাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। স্থানীয় র্যাব ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগও দেন তিনি।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানান, ‘বার বার স্থান পরিবর্তন করায় অনিককে ধরতে পারছিল না আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে, তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।’
তিনি আরো জানান, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে অনিক।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসার অপহৃত শিক্ষক মো. খায়রুল ইসলাম(৩৮) বুধবার(২২ ডিসেম্বর) উদ্ধার ও তিন অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত অপহরণকারীরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার মৃত আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে মো. রুবেল মিয়া(৩৩), মো. আ. রাজ্জাক মৃধার ছেলে মো. শাওন মৃধা(২৫) ও কচুয়াডাঙ্গার নূর মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. আব্দুল আল মামুন(২০)।
জানা যায়, সাবালিয়া তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসার শিক্ষক মো. খায়রুল ইসলামকে গত ২১ ডিসেম্বর দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের মাইক্রো স্ট্যান্ড থেকে একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে ওই শিক্ষককে উদ্ধারের জন্য র্যাব-১২’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডারের কাছে আবেদন করা হয়।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে র্যাবের একটি চৌকষ দল অভিযানে নামে। তারা গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে জানতে পারে- অপহরণকারীরা বার বার স্থান বদল করছে এবং পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপন আদায়ের চেষ্টা করছে।
সর্বশেষ টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় অপহরণকারীদের অবস্থান জানতে পেরে ওই শিক্ষকের পরিবারের সহায়তায় মুক্তিপনের টাকা নিয়ে দেন-দরকার করতে থাকে। অপহরণকারীরা র্যাবের তৎপরতা টের পেয়ে ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ওই শিক্ষককে রাবনা বাইপাসে ফেলে পালিয়ে যায়।
এক পর্যায়ে বিকাশের মাধ্যমে দুই লাখ টাকা পাঠানোর জন্য রাজি হয়ে র্যাব দল ফাঁদ পাতে। র্যাবের ‘বিকাশ ফাঁদে’র কারণেই তিন অপহরণকারীকে র্যাব গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
অপহৃত মাদ্রাসা শিক্ষক মো. খায়রুল ইসলাম র্যাবকে জানান, সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে এক নারীর সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি তুলে রাখে এবং মুক্তিপন দাবি করে। মুক্তিপনের টাকা না দিলে এবং পুলিশকে জানালে ওই অশ্লীল ভিডিও ও ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়।
র্যাব-১২’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ভিকটিমের পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে তারা আভিযানিক তৎপরতা শুরু করেন এবং বিকাশের ফাঁদে ফেলে তিন অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে ভিকটিমের সঙ্গে জড়িয়ে এক নারীর অশ্লীল ভিডিও ও ছবি উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে ভিকটিম মো. খায়রুল ইসলাম বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা, দোকানপাট ও ইউনিয়ন পরিষদ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে গ্রাম পুলিশের সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাচটিকড়ির এলাকার লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ ফজল হক বলেন, নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শরিফ হোসেনসহ কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বসেছিল। এসময় স্বতন্ত্র আনারস প্রতীকের প্রার্থীর লাঠি সোটা নিয়ে একটি মিছিল পরিষদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। পরে হঠাৎ করেই মিছিলে থাকা লোকজন চেয়ারম্যানের ও পরিষদে হামলা চালায়। এছাড়া পাশের বেশ কিছু দোকানপাটও ভাঙচুর করা হয়। পরে পরিষদের সামনে থাকা মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এসময় তাদের বাঁধা দিলে গ্রাম পুলিশদের উপর হামলা করে এবং ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। এতে গ্রাম পুলিশ ফারুক আহত হয়।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার সাথে সাথে পুলিশ ও প্রশাসনকে জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
হামলায় আহত গ্রাম পুলিশ সদস্য ফারুক জানায়, পরিষদে হামলা ঠেকাতে গিয়ে আহত হই। তবে এতো বড় ঘটনা তবুও কোন প্রশাসন আসেনি।

লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও নৌকার প্রার্থী মোহাম্মদ শরিফ হোসেন বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল হক মিলনের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে মিছিল করে পরিষদে হামলা করে। এতে গ্রাম পুলিশসহ কয়েকজন আহত হয়েছে। এছাড়া একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে এবং আরো দুইটি সাইকেল ভাঙচুর করেছে। এঘটনায় বারবার ফোন করলেও থানার পুলিশ রিসিভ করেননি।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি জানান, আরও সংঘর্ষের ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর-পাথরঘাটা আঞ্চলিক সড়কে ত্রিমোহন নামকস্থানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে পাশের বংশাই নদীতে পড়ে আখি আক্তার নামে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরীক্ষা দিয়ে মায়ের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। আখি আক্তার মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের গায়রাবেতিল গ্রামের আব্দুল মিয়া ও উত্তর পেকুয়া জাগরনী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফরিদা ইয়াসমিনের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানায়, সিএনজি চালিত একটি অটোরিকশা বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ত্রিমোহনায় বাঁক নিতে গিয়ে উল্টে প্রায় ১০০ ফুট গভীরে বংশাই নদীতে পড়ে ডুবে যায়। স্থানীয় লোকজন চালক ফরহাদ মিয়া, আখির মা ফরিদা ইয়াসমিন ও অটোরিকশাটি উদ্ধার করলেও আখি আক্তার নিখোঁজ ছিল। পরে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীদল এসে উদ্ধার কাজ চালিয়ে দুপুর দুইটার দিকে আখির মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানান, আখি আক্তার এ বছর বাঁশতৈল খলিলুর রহমান কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে মায়ের সঙ্গে মামা ফরহাদ মিয়ার সিএনজি চালিত অটোরিকশায় মির্জাপুরে পরীক্ষা দিতে যায়। পরীক্ষা শেষে একই সিএনজি চালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে দুপুর ১২টার দিকে মির্জাপুর-পাথরঘাটা আঞ্চলিক সড়কের ত্রিমোহন নামকস্থানে পৌঁছলে চালক সামনে থাকা একটি রিকশা ওভারটেক করার চেষ্টা করে। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা অপর একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে উল্টে প্রায় ১০০ ফুট গভীরে বংশাই নদীতে পড়ে ডুবে যায়। আখি আক্তারের সহপাঠী হেলেনা আক্তার ও রিয়া আক্তার জানান, আখির এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হলে রায়হান নামে এক সহপাঠির সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৩০ ভাগ সিলেবাস বহালের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ওই দাবিতে ঘন্টাব্যাপি মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এ অবরোধের ফলে মহাসড়কের উত্তরবঙ্গমুখি এলেঙ্গা আর ঢাকামুখি করটিয়া বাইপাস পর্যন্ত জানযটের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তা অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা।
এর আগে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে যোগ দেয় টাঙ্গাইলের সৃষ্টি স্কুল এন্ড কলেজসহ বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। শিক্ষার্থীরা আশেকপুর মহাসড়কে বসে অবস্থান নেয় ও মিছিল করে।
সৃষ্টি স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণীর ছাত্র সোহান বলেন, ২০২১ সালের এসএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০ ভাগ সিলেবাস বহাল ছিল। ২২ সালের শিক্ষার্থীদের ৩০ ভাগ সিলেবাসের সুযোগ রাখা হয়নি। তবে করোনা মহামারির কারণে আমরা পর্যাপ্ত লেখাপাড়া সুযোগ বঞ্চিত হয়েছি। এ কারণে আমরা ৩০ ভাগ সিলেবাস বহাল রাখার দাবি জানাচ্ছি। ইতোপূর্বে এ দাবিতে আমরা জেলা প্রশাসক মহাদয়ের স্মরণাপন্ন হই। তবে তেমন কোন আশ্বাস না পাওয়া আমরা বিক্ষোভ মিছিল ও মহাসড়ক অবরোধের মাধ্যমে দাবি আদায়ের চেষ্টা করছি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন জানান, শিক্ষার্থীরা ৩০ ভাগ সিলেবাস বহাল রাখার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। সংবাদ পেয়ে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এসে শিক্ষার্থীদের দাবি বিবেচনার আশ^াস দিলে সড়ক অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ঘটনার পাঁচ দিনের মধ্যে চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বুধবার(২২ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পিবিআই এর পুলিশ সুপার সিরাজ আল মাসুদ এক প্রেস বিফিং এর মাধ্যমে ওই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, উপজেলার আজগনা ইউনিয়নের ঘাগড়া এলাকার একটি কলাবাগানে গত ১৭ ডিসেম্বর অজ্ঞাত এক মহিলার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। পরে পিবিআই টাঙ্গাইল জেলা এই হত্যা মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকারী নিহতের স্বামী মো: ওয়াসীমকে সনাক্ত করে এবং তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মো: ওয়াসিম দিনাজপুর জেলার খানসামা থানার ডাঙ্গারপাড়া এলাকার ইছাহক এর ছেলে।
এসময় ওয়াসিম জানায়, ২০১৯ সালে মোহাম্মদপুর ঢাকা উদ্যানের পাশে একটি ইট ভাটায় কাজ করার সময় নাজমা বেগমের সাথে পরিচয় হয়। সে ভোলা জেলার লালমহন থানার দেবীর চর বেরীবাঁধ হাওলাদার বাড়ী এলাকার আব্দুর রহমানের মেয়ে। নাজমা ওই ইট ভাটায় বাবুর্চির কাজ করতো।
ইট ভাটায় কাজ করার সময় নাজমার সাথে ওয়াসিমের প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। পরে ২০২০ সালে করোনা মহামারীর কারণে ইট ভাটার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তখন ওয়াসিম নিজ এলাকা দিনাজপুর চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একথা শুনে নাজমা ওয়াসিমকে ঢাকা উদ্যানে দেখা করার কথা বলে। পরে নাজমার ভাড়া করা বসায় নিয়ে যায়। সেখানে নাজমা ও তার লোকজন জোরপূর্বক ওয়াসিমের সাথে নাজমার বিয়ে পড়ায় এবং তিন লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে।
পরবর্তীতে চলতি বছরের ১১ ডিসেম্বর মির্জাপুর ইট ভাটায় নাজমা বেগম ওয়াসিমের সাথে দেখা করতে আসে। পরে সেখানে দুই জনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকটির এক পর্যায়ে নাজমা তাকে দেনমোহরের তিন লক্ষ টাকা ও ডিভোর্স চায় তা না হলে মামলা করার ভয় দেখায়।
এ নিয়ে দুই জনের মধ্যে আরো ঝগড়া হয়। পরে ইট ভাটার পাশে কলাবাগানে ওয়াসিম নাজমার গলায় থাকা উড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং লাশ গুম করার জন্য কলাবাগানের ভিতর মাটি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।