/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চোর সন্দেহে ছানোয়ার হোসেন (৩৭) নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে শহরের কোদালিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতের যুবককে নাম সাইফুল্লাহ সিরাজ(২৭)ওরফে সোহাগ। সে টাঙ্গাইল পৌরসভার কোদালিয়া এলাকার সিরাজুল হকের ছেলে। সাইফুল্লাহ সিরাজের গ্রামের বাড়ি জেলার নাগরপুর উপজেলায়। সিরাজ কোদালিয়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ।

এর পুর্বে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিহত ছানোয়ার হোসেনের পিতা হাসমত আলী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দিনে-দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মতো জায়গায় চুরির অভিযোগে একজন যুবকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় শহরের ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, নিহতের পিতা হাসমত আলী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অজ্ঞাত ৮/ ১০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে সাইফুল্লাহ সিরাজ(২৭)ওরফে সোহাগকে সনাক্তকরণের পর শনিবার রাতে শহরের কোদালিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো জানান, রবিবার(১৯ জানুয়ারি )সকালে সাইফুল্লাহ সিরাজের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে টাঙ্গাইল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য,বৃহস্পতিবার(১৬ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার মেডিসিন ওয়ার্ড (মহিলা) থেকে ৮/ ১০ জন যুবক নিহত ছানোয়ার হোসেনকে জোর করে ধরে এনে চোর বলে বেধড়ক পেটাতে থাকে। এ সময় ছানোয়ার হোসেন জীবন বাঁচাতে যুবকদের হাতে পায়ে ধরে রক্ষা পায়নি। এমনকি ছানোয়ার হোসেনকে বাঁচাতে হাসপাতালের কেউ এগিয়ে আসেনি। পরে ছানোয়ার হোসেন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লে যুবকরা পালিয়ে যায়।নিহত ছানোয়ার হোসেন জেলার মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী ইউনিয়নের ভট্টবাড়ী গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে‌ । সে শহরের আকুর-টাকুর পাড়ায় জনৈক পায়েলের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জানুয়ারী ২০২৫ ১২:৩১:এএম ১ বছর আগে
নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. কুদরত আলীকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার(১৮ জানুয়ারি) বিকালে নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কুদরত আলী একই উপজেলার বাবনাপাড়া গ্রামের আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে এবং সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জুলাই সকালে নাগরপুর বাজারে শান্তিপূর্ণভাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি পালনকালে একটি সন্ত্রাসী দল ছাত্রদের ওপর হামলা চালায়। ওই হামলার ঘটনায় দপ্তিয়র ইউনিয়নের ছাত্র মো. তাইজুল ইসলাম নাগরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নাগরপুর থানার মামলা নম্বর ২।

নাগরপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের দায়েরকৃত মামলায় নাগরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. কুদরত আলীকে মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জানুয়ারী ২০২৫ ০৩:৪৬:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চোর সন্দেহে যুবককে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চোর সন্দেহে যুবককে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ছানোয়ার হোসেন(৩৭) নামে এক যুবককে চোর সন্দেহে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

নিহত ছানোয়ার হোসেন জেলার মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী ইউনিয়নের ভট্টবাড়ী গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার মেডিসিন ওয়ার্ড (মহিলা) থেকে ৪/ ৫ জন যুবক নিহত ছানোয়ার হোসেনকে জোর করে ধরে এনে চোর বলে বেধড়ক পেটাতে থাকে। এ সময় ছানোয়ার হোসেন জীবন বাঁচাতে যুবকদের হাতে পায়ে ধরে রক্ষা পায়নি। এমনকি ছানোয়ার হোসেনকে বাঁচাতে হাসপাতালের কেউ এগিয়ে আসেনি। পরে ছানোয়ার হোসেন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লে যুবকরা পালিয়ে যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন জানায়, এ ভাবে দিনে-দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মতো জায়গায় চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছি না। অবিলম্বে হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, জেনারেল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় এক যুবককে চোর সন্দেহে কয়েকজন দুর্বৃত্ত পিটিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে পালিয়ে যায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান,পুলিশ সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জানুয়ারী ২০২৫ ০৬:৩৯:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে ছাড়াতে জামায়াত নেতাদের থানায় তদবির - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে ছাড়াতে জামায়াত নেতাদের থানায় তদবির

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে শহর যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সক্রিয় সদস্য মানিক বাবু ও ছাত্রলীগ নেতা ইসমাইলকে ছাড়ানোর তদবির চালাচ্ছেন জামায়াত নেতাকর্মীরা বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার(১৩ জানুয়ারি )রাতে তাদের পৌর শহরের বৈল্লা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আটককৃতরা হলেন,টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মানিক বাবু ও শহর ছাত্রলীগের কর্মী ইসমাইল।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে দেখা গেছে, টাঙ্গাইল মডেল থানায় জামায়াতের জেলা ও শহর শাখার নেতাকর্মীরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার রুমে বসে আছেন। তারা জানান, তাদের দুইজন কর্মীকে ছাড়াতে এসেছেন। অতীতে তারা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন বলে স্বীকার করেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,বিগত সময়ে মানিক বাবু ও ইসমাইল দু’জনে টাঙ্গাইল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সভাপতি ছানোয়ার হোসেন,টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, শহর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ইমুর ঘনিষ্ঠ ছিলেন মানিক বাবু ও ইসমাইল।

এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে বিভিন্ন সময়ের ছবিও রয়েছে এই দু্ইজনের। পাশাপাশি ২০১৯ সালের টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী যুবলীগের অনুমোদিত আহ্বায়ক কমিটির তালিকায় ২০ নং সদস্য রয়েছেন মানিক বাবু।

টাঙ্গাইল পৌরসভার আমীর মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন,একজনে এক দল করতেই পারে কিন্তু ২০১৯ সালে আটককৃতরা আমাদের দলের সহযোগী কর্মী হয়। অন্য দল হলে আমরা ছাড়াতে আসবো কেন ?

টাঙ্গাইল জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলেন,যে দুজন আটক হয়েছে তারা আমাদের কর্মী, তারা এক সময় আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতো। তবে তারা এখন আমাদের কর্মী।

টাঙ্গাইল জামায়াতের আমীর আহসান হাবীব মাসুদ বলেন,দীর্ঘদিন আগে আটককৃতরা আওয়ামীলীগের কর্মী ছিলো। এরপর থেকে তারা আমাদের দলের হয়ে কাজ করছে ও দলের সক্রিয় সদস্য ।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি) তানবীর আহাম্মেদ জানান,জামায়াতের লোকজন দাবী করছে তাদের কর্মী ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তারা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলো। এছাড়াও মানিক বাবু নিজেকে ছাত্র সমন্বয়ক হিসেবে দাবী করছে। যাছাই বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. জানুয়ারী ২০২৫ ০১:৩০:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদক সেবন ও অশ্লীল নৃত্যের অভিযোগে ৭৬ বছরের পুরনো মেলা বন্ধ ঘোষণা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদক সেবন ও অশ্লীল নৃত্যের অভিযোগে ৭৬ বছরের পুরনো মেলা বন্ধ ঘোষণা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৭৬ বছরের পুরনো ফাইলা পাগলার মেলা বন্ধ ঘোষণা করেছে যৌথ বাহিনী। রবিবার (১২ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলার দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের দাড়িয়াপুরে অবস্থিত ফাইলা পাগলার মাজার প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ অভিযান শেষে মেলা বন্ধের এ ঘোষণা দেন।

অভিযানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী, সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন এ টি এম ফজলে রাব্বি প্রিন্স, সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ১৯৪৯ সালে উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামে প্রথম ফাইলা পাগলার মেলা শুরু হয়। প্রতিবছরের হিজরি রজব মাসের প্রথম দিন থেকে মেলা শুরু হয়ে মাসব্যাপী চলে এর কার্যক্রম। পূর্ণিমার রাতে হয় বড়মেলা। তবে মানতকারী, ভক্ত-দর্শনার্থীদের আনাগোনা থাকে সারা মাস। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাজার হাজার লোক ব্যান্ডপার্টিসহ মানত করা মোরগ, খাসি, গরুসহ নানা পণ্যসামগ্রী নিয়ে হাজির হয়। মাজারের চারপাশের প্রায় এক কিলোমিটার দূর পর্যন্ত লোকজন মোরগ, গরু-খাসি জবাই করে মানত পূরণ করে।

এদিকে, মাজারঘেঁষেই পাগল ভক্তদের বসার আস্তানা। সেখানে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন করা হয়। এই সুযোগে দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্ত ও যুবকরা অনেকটা প্রকাশ্যেই মাদক সেবন করে। এ ছাড়া মেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিরাতে অশ্লীল নৃত্যের আয়োজন করা হয় বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

বিষয়টি নিয়ে সচেতন নাগরিক সমাজ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দেয়। পরে রবিবার বিকালে যৌথ বাহিনী মেলা বন্ধে অভিযান চালায়। এ সময় ব্যবসায়ী ও মেলায় আগত দর্শনার্থীদের মেলাস্থল ত্যাগ করতে ১৫ মিনিট সময় বেঁধে দেওয়া হয়। পরে দোকানপাট সরিয়ে নিতে ব্যবসায়ীদের দুই ঘণ্টা সময় দেয় যৌথ বাহিনী। পরে মেলায় আসা লোকজন দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। এ সময় মেলায় বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। পরে তারা মালামাল সরাতে দুই দিন সময় চান।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী বলেন, ‘মেলার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ ছিল। আমরা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতাও পেয়েছি। এ কারণে মেলাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

তবে মাজার কমিটির সভাপতি কবির হাসান অভিযোগ করে বলেন, ‘একটি মহল মেলাটি বন্ধ করার জন্য পাঁয়তারা করছে। মাজারের পাশ থেকে পাগল ভক্তদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবুও মেলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মেলাটি বন্ধ করায় ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে ফাইলা পাগলার মাজারে পরপর দুটি শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে মাজারের খাদেমসহ আট জন নিহত হন। আহত হন কমপক্ষে ১৫ জন। এ হামলার পর কয়েক বছর মেলায় লোকজন কম হচ্ছিল। ধীরে ধীরে সেই ভয় কেটে যাওয়ার পর থেকে লোকজন মেলায় বেশি আসছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জানুয়ারী ২০২৫ ০৪:৪৮:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: ফাহমিদা লস্করের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

রবিবার (১২ জানুয়ারি)দুপুরে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্থানীয় এলাকাবাসীর ব্যানারে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম, যুবদল নেতা মাসুদ, মাসুদ রানা, হাবিব হোসেন, ব্যবসায়ী আয়নাল হোসেন, হাবিব হোসেন, নুরজাহান বেগম, সোমা আক্তার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রোগীরা পরিপূর্ণ স্বাস্থ্য সেবা ও ওষুধ পত্র পাচ্ছে না। এ ছাড়া প্যাথোলজি বিভাগ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় রোগীরা এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

তারা আরও অভিযোগ করে বলেন,অন্যদিকে টাকার বিনিময়ে আউটসোর্সিং পদে তার ইচ্ছেমত লোক নিয়োগসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিচ্ছেন ডা: ফাহমিদা লস্কর।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জানুয়ারী ২০২৫ ০৯:৫৪:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহান ৩ দিনের রিমান্ডে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহান ৩ দিনের রিমান্ডে

একতার কণ্ঠঃ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল জেলা সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানসহ ৩ জনকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করে কলাবাগান থানা পুলিশ।

অন্য আসামিরা হলেন- টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানার যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী রাসেল কবির (৪০) ও গোপালপুর উপজেলার ছাত্রলীগ কর্মী কবির হোসেন (২১)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক তারেক মোহাম্মদ মাসুম তাদের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাঁদের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ ডিসেম্বর ভোরে রাজধানীর কলাবাগান থানাধীন পান্থপথের আল বারাকা রেস্টুরেন্টের সামনে পাকা রাস্তার ওপর এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতানামা ১০০ থেকে ১৫০ জন আসামি একত্রে সমবেত হয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ব্যানার ব্যবহার করে জনসম্মুখে সরকারের বিরুদ্ধে অপ-প্রচারের উদ্দেশ্যে এবং ছাত্রলীগের কার্যক্রমকে গতিশীল করার জন্য মিছিল বের করে। আসামিরা বিভিন্ন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দেয়। এছাড়া তাদের মিছিল ও স্লোগান ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচার করতে থাকে। সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার জন্য তারা পরিকল্পনা করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকার পতনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির মুখে ‘সন্ত্রাসী’ কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৩ অক্টোবর ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
এ ছাড়া টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় স্কুল ছাত্র মারুফ হত্যা ও সন্ত্রাস দমন আইনে করা দুটি মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জানুয়ারী ২০২৫ ১১:২৬:পিএম ১ বছর আগে
বিএনপি নেতা আশরাফ পাহেলীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

বিএনপি নেতা আশরাফ পাহেলীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন মানববন্ধনে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে শহরের পার্ক বাজার মোড়ে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।এই মানববন্ধনে বিপুল সংখ্যক বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সম্রাট পাহলী, টাঙ্গাইলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী ইসরাত জাহান ইতি, পৌর মৎস্যজীবী ব্যবসায়ী সমিতি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হোসেন রানা, জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এম আমিনুল হক,এনামুল হক মনি পাহেলী, আশরাফ পাহেলীর বোন শম্পা পাহেলি, মোঃ শরিফুল ইসলাম প্রমূখ।

মানববন্ধন বক্তারা বলেন, বিএনপি নেতা আশরাফ পাহেলী একদিনে তৈরি হয়নি। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামের পরীক্ষিত নেতা আশরাফ পাহেলী। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার মাত্র এক ঘন্টা আগেও পাহেলী বাসায় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

বক্তারা আরোও বলেন, সম্প্রতি টাঙ্গাইল জজ কোর্টে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলার ঘটনায় আশরাফ পাহেলীকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন মানববন্ধনে অপপ্রচারের চালানো হচ্ছে। মামলায় বাদী জয়নাল আবেদিন আশরাফ পাহেলীর রাজনৈতিক সহকর্মী। তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহত হয়েছেন। এবং এর বিচার চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আমাদের জানা মতে, তিনি যাদের নামে মামলা করেছেন তাঁরা সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আমরা এই মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে সেই সব মিথ্যা অপপ্রচার কারীদের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় তাঁদের বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা দায়ের করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জানুয়ারী ২০২৫ ০৭:৪২:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দ্রুতগতির বিনিময় বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাইফুল ইসলাম (২১) নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার দিগর ইউনিয়নের আঠারোদানা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সাইফুল ঘাটাইল উপজেলার দিগর ইউনিয়নের আঠারোদানা এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে। সাইফুল কালিহাতীর শাহজান সিরাজ কলেজের ছাত্র ছিলেন।
এ ঘটনায় নিহতের বন্ধু মোটরসাইকেল আরোহী শাহীনুর (২০) গুরুতর আহত হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার বিকালে দুই বন্ধু চাচাত ভাইয়ের মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হন। এ সময় বাড়ির কাছেই টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে ঢাকাগামী বিনিময় বাসের সাথে মোটরসাইকেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের থাকা সাইফুল মাথা থেতলে মৃত্যু বরণ করে।

পরে মোটরসাইকেলের অপর আরোহী শাহীনকে স্থানীয়রা উদ্ধারকরে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,মোটরসাইকেলের সাথে অজ্ঞাত একটি বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছেন । এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জানুয়ারী ২০২৫ ০২:৫৯:এএম ১ বছর আগে
দেলদুয়ারে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে চুরি,থানায় অভিযোগ - Ekotar Kantho

দেলদুয়ারে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে চুরি,থানায় অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান তোতার বাসায় রাতের আধারে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মালামাল ও নগদ অর্থসহ চুরি যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গত বুধবার (১ জানুয়ারি) ভুক্তভোগীর মেয়ে শাহনাজ আক্তার তৃষ্ণা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মঙ্গরবার দিবাগত রাতে দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের শুভকী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শাহনাজ আক্তার তৃষ্ণা উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের শুভকী গ্রামে চাঁন মিয়ার স্ত্রী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান তোতার মেয়ে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত ৩১ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার শুভকী গ্রামে তার বাড়িতে প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে তার ভাগনী জামাই সজীব ঘরের দরজা-জানালা ভালভাবে আটকিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতের যেকোন সময় অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা উক্ত বাড়ি-ঘরের দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে ঘরে রাখা আলমারীর তালা ভেঙ্গে আলমারীতে রাখা নগদ ১ লাখ সত্তুর হাজার টাকা এবং ১ ভরি ৫ আনা ওজনের স্বর্ণের গহনা (যার মূল্য অনুমান ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা) নিয়ে যায়। অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা চলে যাওয়ার সময় উক্ত ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে রাখে যায়। তার ভাগনী জামাই ও ভাগনী শব্দ পেয়ে ঘুম থেকে উঠে দেখে যে, ঘরের দরজা এবং ঘরের আলমারী খোলা। আলমারীতে রাখা উক্ত টাকা এবং গহনা অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা নিয়ে গেছে। পরে শাহনাজ আক্তার তৃষ্ণা বুধবার (১ জানুয়ারি) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

প্রতিবেশী সামেদা আক্তার, রাশেদা বেগম, নুরুল ইসলাম ,মো. আফজাল হোসেনসহ অনেকেই জানায়, আযান দেওয়ার আধঘন্টা পুর্বে মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান তোতার বাড়িতে হাউমাউ করার শব্দ পেয়ে তারা এগিয়ে যান। পরে দেখেন স্টিলের আলমারী ও সুকেচ ভাঙা। ওই বাড়িতে বেড়াতে আসা আলতাফ হোসেন নামের এক ব্যক্তি জানান, মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আরিফ তার খালাতো ভাই। কিছুদিন পুর্বে তার খালাতো ভাই আরিফ ৩ লাখ টাকা ধার করেন। সেই ধারের টাকার জন্য বাড়িতে সাইনবোর্ড লাগিয়েছে পাওনাদার। পাওনাদারের টাকা পরিশোধ করার জন্য তিনি গরু বিক্রি করে ১ লাখ সত্তুর হাজার টাকা নিয়ে এসেছেন।

মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে ও মামলার বাদী শাহনাজ আক্তার তৃষ্ণা বলেন, তার ভাই সম্প্রীতি ৩ লাখ টাকা সুদ করেন। সেই টাকার জন্য সুদ কারবারীরা আদালতে মামলা দায়ের করেন। ইতোমধ্যে তিনি ওই সুদকারবারীকে কিছু টাকা পরিশোধ করেছেন। সাকুল্য টাকা দিতে না পারায় তাদের বাড়িতে ওই সুদ কারবারীরা সাইনবোর্ড লাগায়। ওই টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য আমার খালতো ভাই আক্তার হোসেন গরু বিক্রি টাকা নিয়ে আসছিলো। সেই টাকা ও আমাদের স্বর্ণ অলংকার গুলো চুরি করে নিয়ে যায়। এঘটনায় তিনি দেলদুয়ার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সোয়েব খান বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত পুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জানুয়ারী ২০২৫ ০৭:৪৩:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝটিকা মিছিল করায় অভিযান চালিয়ে ২জন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ জানুয়ারি)দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক হাসান মুন্না(২৩) ও যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক রাহাত,(১৯)।

জানা গেছে, শনিবার ভোরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মীর ওয়াছেদুল হক ওরফে তানজীলের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকর্মী শহরের নিরালা মোড় থেকে ঝটিকা মিছিল করেন। পরে শহরের মেইন রোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী কার্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করে তারা ।শনিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকাল ৭ টার দিকে নিরালা মোড় এলাকা থেকে ঝটিকা মিছিলটি বের করা হয় । পরে তারা মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগের অফিসের দিকে যায়। পরে সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে চলে যায়। মীর ওয়াছেদুল হকসহ মিছিলে অংশ নেওয়া অনেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল শহর শাখার নেতাকর্মী। তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা রয়েছে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তারা আত্মগোপনে আছেন।

এ প্রসঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক আল আমিন বলেন, ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী দল হিসেবে আখ্যায়িত। সেই দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ কখনও কোনো কর্মকাণ্ড করতে পারবে না। এ বিষয় সরকারের কঠোর নজরদারি রাখা উচিত।
তিনি আরও বলেন, সরকারের উচিত এ নিষিদ্ধ দলের সন্ত্রাসীরা যে যেখানেই লুকিয়ে থাকুক তাদের প্রত্যেককে দ্রুত গ্রেপ্তার করা। তা না হলে এর দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)তানবীর আহমেদ জানান ,পুলিশের বিশেষ অভিযানে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে পৌর এলাকা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দুজনের নামে মামলা রয়েছে।

তিনি আরো জানান,রবিবার (৫ জানুয়ারি) তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জানুয়ারী ২০২৫ ০৭:২২:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঝটিকা মিছিল ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) ভোরে টাঙ্গাইল শহরে নিষিদ্ধ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা এ কর্মসূচি পালন করে।

জানা গেছে, শনিবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্র নিরালার মোড় থেকে মিছিলটি বের করে নিষিদ্ধ সংগঠনটি। মিছিলটি নিরালার মোড়ে হয়ে মেইন রোডের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে গিয়ে পূণরায় ঘুরে জগলু রোডের দিকে চলে যায়। ‘জয় বাংলা’স্লোগান দিয়ে মিছিলটি বের করলেও বেশিক্ষণ শহরে অবস্থান করতে পারেনি তারা।এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়াসহ মিছিলের নেতৃত্ব দেয় শহর ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়ারেছুল হক তানজীল। কর্মসূচিতে ৮ থেকে ১০জন নেতাকর্মীউপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।

এ দিকে নিষিদ্ধ সংগঠনের হঠাৎ কর্মসূচি পালনে হতবাক টাঙ্গাইল শহরের সাধারণ মানুষ। এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ছাত্র ফেডারেশনের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি ফাতেমা রহমান বিথী তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগের মিছিল ও পুষ্পস্তবক অর্পণের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘টাঙ্গাইল ছাত্রলীগের আজকের মিছিল এটা। শহর ছাত্রলীগের সভাপতি তানজীলসহ বাকি গুন্ডা বাহিনী দিব্যি ঘুরে বেড়ায়, উদ্যানে এসে মুড়ি খেয়ে যায়। তাহলে টাঙ্গাইলের প্রশাসন আসলে কি করে?

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুরো শহরে টহল দেওয়া হয়েছে। তবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য,গত ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর জেলায় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই ধরনের কর্মসূচি এই প্রথম পালন করা হলো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৫ ১০:৩৬:পিএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।