মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

বাসাইলে ১০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের অনুমোদন - Ekotar Kantho

বাসাইলে ১০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের অনুমোদন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় কাশিল ইউনিয়নের নাকাসিম এলাকায় ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সরকারি অনুমোদি মিলেছে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দুইটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

এর মধ্যে টাঙ্গাইলের বাসাইলে একটি ও কক্সবাজার সদরে একটি।এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটির ট্যারিফ অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বৈঠক শেষে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সাঈদ মাহবুব খান জানান, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ পেয়েছে যৌথভাবে রিনিউবেল এনার্জি ইউকে লিমিটেড, বাদল কনস্ট্রাকশন ও জি-টেক সলিউশন লিমিটেড কনসোর্টিয়াম। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ১০ টাকা ৯৯ পয়সা হিসাবে সরকার তাদের আনুমানিক ৩ হাজার ৫৬১ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করবে।

তিনি আরো জানান,কক্সবাজার সদর উপজেলায় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ পেয়েছে যৌথভাবে কেএআই বাংলাদেশ অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড ও অলটেক অ্যালুমিনিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড কনসোর্টিয়াম। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ১০ টাকা ৯৮ পয়সা হিসাবে তাদের সরকার পরিশোধ করবে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

এ প্রসঙ্গে কাশিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রমজান মিয়া বলেন, কাশিল ইউনিয়নের নাকাসিম গ্রামের সায়ের মৌজার এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অনুমোদন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থানীয় বেশ কিছু লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ ছাড়াও উপজেলার লোকজনের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ ভুমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী।

বাদল কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী মোঃ বাদল মিয়া জানান, ইতিমধ্যে প্রকল্পটি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ট্যারিফ অনুমোদন দিয়েছে। বিশ্বব্যাপি পরিবেশ রক্ষায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দেয়া হচ্ছে। উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও জ্বালানি আমদানি কমাতে সরকারও এখাতে জোর দিয়েছে। যার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হলো বাদল কনস্ট্রাকশনের।এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।

তিনি আরও জানান,তবে এখনও অনুমোদনের লিখিত কাগজ হাতে পাইনি। কাগজ হাতে পেলে বিস্তারিত বলবো। তবে এটা বলতে পারি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে, কাশিল তথা বাসাইল উপজেলায় অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:০৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা শেষে বের হওয়ার পর সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদারকে মারধর ও তার গাড়িতে হামলার ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার শওকত সিকদার এই হামলার জন্য টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের অনুসারীদের দায়ী করেছেন।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা যায়, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বুধবার দিনব্যাপী টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগ বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তরা, জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেন।

সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশেষ বর্ধিত সভা চলাকালে সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদারের বক্তৃতা চলাকালে দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের তাকে ধমক দিয়ে বসতে বলেন। এ সময় দুই জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বিকেলে বর্ধিত সভা শেষে প্রেসক্লাব থেকে বের হয়ে শওকত সিকদার তার জিপ গাড়ির কাছে আসেন। এ সময় এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তার গাড়ির দিকে ধেয়ে আসেন। তখন শওকত সিকদার প্রাণের ভয়ে গাড়িতে উঠে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে জোয়াহের সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ওই গাড়ির ওপর হামলা করে এবং সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত সিকদারকে এলোপাথারি লাথি ও কিলঘুষি দিয়ে আঘাত করেন এবং গালাগালি করেন। পরে তিনি গাড়িটি নিয়ে দ্রুত প্রেসক্লাব এলাকা ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদার বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহেরের অনুসারী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসানের নির্দেশে তার কর্মীরা আমার গাড়িতে হামলা ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছে। হামলার বিষয়টি আমি দলের নেতাদের জানিয়েছি। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসান বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ বিষয়ে আমি বা আমার কোন লোকজন জড়িত না। অন্যরা কেউ করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের জানান, শওকত সিকদারের গাড়িতে হামলা হয়নি। তবে বিচ্ছিন্নভাবে গাড়িতে দুই চারটা থাপ্পর দিয়েছে বলে শুনেছেন। এ ব্যাপারে তিনি আর কোন মন্তব্য করবেন না বলে জানান। তবে তিনি অনুসন্ধান করছেন, কারা এটা করেছেন।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। এবার তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনুপম শাহজাহান জয়। সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদার অনুপম শাহজাহান জয়ের পক্ষের নেতা হিসেবে পরিচিত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ০৩:০৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মা-ছেলেসহ ৪ জনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মা-ছেলেসহ ৪ জনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ মা, তার দুই ছেলে ও এক ছেলের স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর-৯৯৯-এ কল পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ। এদের মধ্যে একজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং দুই জনকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মধুপুর পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের পুন্ডুরা গ্রামে নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে।

নির্যাতিতরা হলেন- একই গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী শাফিয়া বেগম (৫৫), বড় ছেলে আলমগীর হোসেন, ছোট ছেলে জুব্বার আলী ও আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম।

ছেলে আলমগীর ও জুব্বারের সঙ্গে প্রতিবেশী মৃত আবু সেকের ছেলে কালু মিয়া ও তার ভাইদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। দুই পক্ষের মধ্যে মামলা মোকদ্দমাও হয়েছে। ২৩ বছর বাটোয়ারা মামলা চলার পর চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি আদালত আলমগীর ও জুব্বাররের পক্ষে রায় দেন। রায় পেয়ে জমির খাজনা খারিজ করেন তারা। মাঠ ও প্রিন্ট পর্চা তাদের নামেই রয়েছে।

প্রতিপক্ষ কালু মিয়া শেখ, ভাই আজগর, সামাদ এ নিয়ে গত কয়েক মাস আগে ওই জমির মালিক দাবি করে আদালতে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে আবেদন করেন। আদালত স্থানীয় সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। আলমগীর, জুব্বাররা কাগজপত্রের ভিত্তিতে ১৪৪ ধারার বিপরীতে জজ কোর্টে আপিল করেছেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে দুই পরিবারে উত্তেজনা চলছিল।

মঙ্গলবার সকালে কালু মিয়া গং ৬০ শতক জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করেন। এসময় আলমগীর ও জুব্বার বাঁধা দিতে গেলে তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে রড ও লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকেন। এসময় তাদের মা শাফিয়া এগিয়ে এলে তাকেও গাঁছে বেঁধে রাখা হয়। শাশুড়িকে রক্ষায় এগিয়ে এলে আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগমকেও হাত পা বেঁধে বসিয়ে রাখা হয় জমিতে। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে কল করেন। পরে মধুপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে ধাক্কা-ধাক্কি হয়েছে। তবে গাছে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়ে তিনি জানেন না। এধরনের কোনো ঘটনা হয়ে থাকলে এবং কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:২৯:এএম ৩ বছর আগে
নৌকার বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

নৌকার বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কৃষিমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আমি মনে করি, দলের কোন নেতাকর্মী দল বা নৌকার বাইরে কাজ করার কোন সুযোগ নেই। যারা দলের আদর্শ মেনে চলে তাদের অবশ্যই নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। এই নৌকাকে আমরা বলি হক ভাসানীর নৌকা, এই নৌকা বঙ্গবন্ধুর নৌকা, এই নৌকা আওয়ামী লীগের নৌকা, এই নৌকা শেখ হাসিনার নৌকা। তাই নৌকার বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর ) বেলা সাড়ে ১১ টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগদানের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা বলেন তিনি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দল থেকে বহিষ্কার হওয়া একটি বিষয়। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, দলের আদর্শের প্রতি অটুট থেকে, অবিচল থেকে, কমিটেড থেকে আদর্শের জন্য কাজ করা। নৌকা হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রতীক, অসাম্প্রদায়িক সমাজ ব্যবস্থা, বাঙালী জাতীয়তাবাদ, গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্রের প্রতীক। ১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে কোন সাম্প্রদায়িকতার সাথে কোন দিন আপোষ করেনি, গনতন্ত্রের সাথে কোন আপোষ করেনি। আমরা চাই, ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। একটি সুন্দর সুষ্ঠ আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই আওয়ামী লীগের লক্ষ।

তিনি আরও বলেন, অর্থনীতির ক্ষেত্রে বৈষম্য ঘুচিয়ে মানুষের মধ্যে ধনী-গরীবের যে পার্থক্য সেটিকে কমিয়ে নিয়ে আসা। কাজেই এটা আদর্শের কমিটমেন্ট। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের স্বার্থে হয়তো বলেছে প্রতিযোগিতার জন্য। কিন্তু তিনি বলেন নাই, নৌকা বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী বা অন্য প্রার্থীর জন্য কাজ করতে হবে। নৌকার বাইরে যারা নির্বাচন করছে, আমার দৃষ্টিতে তারা অবশ্যই বিদ্রোহী প্রার্থী।

মন্ত্রী বলেন, আমরা সামনের দিনে কিভাবে দেশের অর্থনীতিকে পুর্নজীবিত করবো, আবার আগের ধারায় শক্তিশালী করবো আমরা সেই বিবেচনা রেখে নির্বাচনে যাচ্ছি। জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সিদ্ধান্ত নেবো কিভাবে দল ও নৌকার প্রার্থীকে বিজয় করা যায়। আমাদের সাফল্য অর্জনের ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক কিভাবে মানুষের মাঝে তুলে ধরবো তা নিয়ে আলোচনা করবো। আমাদের কি উদ্দেশ্যে, কি অঙ্গীকার ও কি লক্ষ তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। কৃষি, শিক্ষা, সেবা প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আমরা রক্ষা করতে চাই।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে বিশেষ বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর- দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:০১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে ‘চিরকুট’ লিখে স্বামীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে ‘চিরকুট’ লিখে স্বামীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে শশুর বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মোস্তফা কামাল (৪২) নামের এক ব্যক্তি ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার ফলদা ঘোনাপাড়ায় শশুর বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মোস্তফা কামাল পার্শ্ববর্তী ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের আনন্দপাড়া গ্রামের আমির আলীর ছেলে। তিনি সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন।

পুলিশের ধারণা, মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে সে আত্মহত্যা করেছে। মরদেহের পকেটে একটি ‘চিরকুট’ পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোস্তফা কামালের স্ত্রী রুনা খাতুনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, মোস্তফা কামাল ও স্ত্রী রুনা খাতুনের ঘরে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত হওয়ায় প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এতে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে শশুর বাড়িতে এসে গলায় ওড়না পেঁছিয়ে আত্মহত্যা করে।

মোস্তফা কামালের বড় ভাই সাজেদুল করিম জানান, পরকীয়া নিয়ে ওদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। যে কারণে কামাল হতাশগ্রস্থ হয়ে তার স্ত্রীর ওড়না গলায় পেঁছিয়ে ফাঁস দিতে পারে বলে ধারণা করছি।

ফলদার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আব্দুর রাজ্জাক জানান, গাছে মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ্ বলেন, খবর পেয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় তার পকেট থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে স্ত্রীর পরকীয়া করার বিষয়টি লেখা ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:০৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে লৌহজং নদী দখল ও দূষণ রোধে মতবিনিময় সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লৌহজং নদী দখল ও দূষণ রোধে মতবিনিময় সভা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লৌহজং নদী দখল ও দূষণ রোধে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এ সভার আয়োজন করেছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।

খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমীর উদ্দীন হায়দার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার আবু জুবায়ের, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ, উন্নয়ন কর্মী মীর জালাল আহমেদ উজ্জল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বেলার বিভাগীয় সমন্বয়কারী গৌতম চন্দ্র চন্দ।

এ সময় বিভিন্ন বেসরকারি দপ্তর, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা ও সমাজকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় লৌহজং নদী দখল ও দূষণ এবং উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের সাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলার ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নে কামালপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাগরদিঘি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই আমিরুল ইসলাম।

নিহতরা হচ্ছেন, উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের ইন্দ্রাবাইদ গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (২০) ও একই এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে আদনান সোহাগ (২২)। নিহত আদনান সাগরদিঘি উচ্চ বিদ্যালয়ের এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,সোমবার বিকেল পাঁচটায় দিকে সাগরদিঘী থেকে ঘাটাইলের দিকে মোটরসাইকেল যোগে যাচ্ছিল দুই বন্ধু সবুজ এবং সোহাগ। পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার সাথে ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কামালপুর ফকির মার্কেটের সামনে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী উভয়ে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আদনান সোহাগকে  মৃত ঘোষণা করেন । গুরুতর আহত মোটরসাইকেলের অপর আরোহী সবুজ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাদের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ডিসেম্বর ২০২৩ ০৪:১৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ঋণের দায়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঋণের দায়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিরুপম রাহা (৪০) নামে এক যুবক ঋণের দায়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে । সোমবার(৪ ডিসেম্বর )দুপুরে মির্জাপুর পৌর এলাকার বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিরুপম রাহা উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কোর্টবহুরিয়া গ্রামের নিমাই রাহার ছেলে। সে এক কন্যা সন্তানের জনক।

জানা যায়, নিরুপম রাহা আর্থিক অনটনে ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়লে সদরের বাইমহাটী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতে থাকে। এক পর্যায় সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। সোমবার দুপুরে সে বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়া এলাকায় রেললাইনের উপর বসে থাকে। পরে নিলফামারী জেলার চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি একপ্রেস ট্রেনটি দুপুর সোয়া দুইটার দিকে ওই স্থানে পৌছালে নিরুপম রাহা ওই ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে।

উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নিরুপম রাহার চাচাতো ভাই সুজন কুমার জানান, নিরুপম আর্থিক অনটনে ঋণে জর্জরিত হয়ে মাদকাসক্ত হয়। কয়েকদিন আগেও তিনি তাকে কয়েক হাজার টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছেন বলে জানান।

মির্জাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার কামরুল হাসান জানান, ট্রেনেকাটা পড়ে নিরুপম নামে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ডিসেম্বর ২০২৩ ০৩:২৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে আটকে রেখে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে আটকে রেখে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ সমর্থককে আটকে রেখে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ তুলেছেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু।

ঘটনার সত্যতা যাচাই ও তদন্ত চেয়ে শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। তবে লিখিত অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে না দেখে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জানা যায়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১২ (৩ ক) দফা ২ এর উপদফা (ক) অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে মনোনয়ন পত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত স্বাক্ষর যুক্ত তালিকা সংযুক্ত করার বিধান রয়েছে। টাঙ্গাইল-২ নির্বাচনী আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৯৫,২৪৮। যার ১ শতাংশ ভোটার ৩৯৫২ এবং তিনি উক্ত তালিকা দাখিল করেছেন।

তার মনোনয়ন পত্রের সাথে সংযুক্ত ভোটারের স্বাক্ষর যুক্ত তালিকা হতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এর স্মারক নং ১১৭০০০০০০৩৪৩৬০১৮২৩৭৩৮, তারিখ- ২০ নভেম্বর ২০২৩ এর পত্র অনুযায়ী দৈবচয়নের ভিত্তিতে ১০ জন ভোটারের স্বাক্ষর সম্বলিত তালিকা সরজমিনে যাচাই বাছাই করা হয়েছে। যাচাই বাছাই ও তদন্তকালে ৩৯৫২ ভোটারের মধ্যে দাখিলকৃত সমর্থনযুক্ত তালিকার ক্রমিক নং যথাক্রমে ২১১৫, ৩২২৩, ৮৭২, ২২৮৬, ১৫৭৪, ৭৫১, ৫৪৩, ২১৫৩, ২৩৮৮ মোট নয় জনের স্বাক্ষরের বিষয়টি সত্যতা পাওয়া গেলেও ৩৪২৬ ক্রমিকে অন্তর্ভূক্ত ভোটার আরফান আলী শেখ, পিতা- খোরশেদ আলী, ভোটার নম্বর- ৯৩১৩১৩৭৯০৬৯৪, গ্রাম- মাদারিয়া ভূঞাপুর টাঙ্গাইলের বাড়িতে বিগত ১ ডিসেম্বর আনুমানিক সকাল সাড়ে ১১টার সময় তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, মো. আরফান আলী শেখ সমর্থন সম্বলিত তালিকায় প্রদত্ত টিপসহি নিজের নয় বলে উল্লেখ করেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১২ (৩ ক) দফা ২ এর উপদফা (ক) এর শর্ত লঙ্ঘিত হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী (প্রার্থীতার পক্ষে সমর্থন যাচাই) বিধিমালা ২০১১ এর ৫ বিধির আলোকে এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১৪ (৩) (গ) এর বিধান অনুসারে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদারের দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্রটি বাতিল যোগ্য হওয়ায় বাতিল ঘোষনা করা হয়।

অন্যদিকে, গত ১ ডিসেম্বর প্রার্থীর সমর্থক ভূঞাপুরের মাদারিয়া গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে তালিকার ৩৪২৬ ক্রমিকে অন্তর্ভূক্ত ভোটার আরফান আলী শেখের নিখোঁজের বিষয়টি উল্লেখ করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়।

নিখোঁজ সমর্থককে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের দিন ভূঞাপুরের ফলদা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াররম্যান মো. সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদুর ব্যক্তিগত গাড়িতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসা যাওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সত্যতা যাচাই ও নির্বাচনের পরিবেশ অবাধ ও সুষ্ঠু রাখতে জেলা প্রশাসনের অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেছেন প্রার্থী ও তার সমর্থকরা।

নিখোঁজ আরফান আলী শেখ বলেন, আমি কারো পক্ষে কোথাও কোন স্বাক্ষর দেইনি। এছাড়া নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।

ফলদা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদু বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোন সমর্থক নিখোঁজের বিষয়টি জানেন না। আরফান আমার প্রতিবেশী ও আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা। সেই হিসেবে আমি তাকে সাথে নিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়েছিলাম।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বলেন, আমি ১ ডিসেম্বর সমর্থক নিখোঁজের বিষয়টি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। অভিযোগের কোন ব্যবস্থা না নিয়ে আমার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছি, আমার বিশ্বাস আমি ন্যায় বিচার পাবো।

এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, সমর্থক নিখোঁজের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর একজন ভোটার স্বাক্ষর দেননি বলে দাবি করায় নিয়মানুযায়ী ওই মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:২১:এএম ৩ বছর আগে
ভূমিকম্পনের উৎপত্তিস্থল লক্ষ্মীপুরে - Ekotar Kantho

ভূমিকম্পনের উৎপত্তিস্থল লক্ষ্মীপুরে

একতার কণ্ঠঃ জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ভাদুর ইউনিয়নের হানুবাইশ গ্রামে ভূকম্পন উৎপন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কম্পনটি ৫.৬ রিখটার স্কেল মাত্রা ও মাঝারি আকারের ছিল। শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা এক চিঠিতে বিষয়টি জানিয়েছেন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সকাল ৯টা ৩৫ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে ৫.৬ রিখটার স্কেলের মাত্রায় মাঝারি আকারের ভূকম্পনটি হয়েছে।

ভাদুর ইউনিয়নের সমেষপুর গ্রামের বাসিন্দা শেখ ফরিদ বলেন, ভূমিকম্পের সময় আমি রামগঞ্জ উপজেলা শহরে ছিলাম। এজন্য কম্পনের বিষয়টি বেশি বুঝতে পারিনি। বাড়িতে এসে শুনেছি৷ আমাদের পুরো বিল্ডিং কেঁপে উঠেছে। এ ধরণের ভূকম্পন আমাদের এলাকায় আর দেখা যায়নি।

উপজেলার লামচর ইউনিয়নের পানপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেম বলেন, আমি বাঁশ ঝাড়ের নিচে ছিলাম। হঠাৎ পুরো এলাকা কেঁপে উঠেছে। এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে,যেন বাঁশগুলো আমার ওপর ভেঙে পড়ছে। এ ধরণের ভূমিকম্প আর দেখিনি।

রামগঞ্জের ভাদুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাবেদ হোসেন বলেন, আমি শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে খাট নড়ে উঠছিল। পুরো বিল্ডিংটাই নড়ছিল। এ ধরণের ভূমিকম্প গত কয়েকবছরে দেখিনি। গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছি আমাদের হানুবাইশ গ্রামে ভূকম্পনের উৎপত্তিস্থল। তাৎক্ষণিক স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন হোসেনের সঙ্গে কথা বলেছি। কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবুও খোঁজ নেওয়া হয়েছে।

রামগতি প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যেবক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক সোহরাব হোসেন বলেন, রামগঞ্জে ভূকম্পনের উৎপত্তি হয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে আমাদেরকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে। রামগতিও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুরাইয়া জাহান বলেন, ভূমিকম্পটি রামগঞ্জ থেকে উৎপত্তি হয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবুও রামগঞ্জ ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খোঁজ নিতে বলা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এমপি প্রার্থী সিদ্দিক পরিবারের ৩ সহোদর ভাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এমপি প্রার্থী সিদ্দিক পরিবারের ৩ সহোদর ভাই

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছেন টাঙ্গাইলের আলোচিত সিদ্দিকী পরিবারের সহোদর ৩ ভাই। জেলার চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা। নির্বাচনে অংশ নেয়া আসন গুলোর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল-৩,৪,৫ ও ৮।

সিদ্দিকী পরিবারের প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম আর ছোট ভাই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মুরাদ সিদ্দিকী।

এর মধ্যে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৮ ও ৩ দুটি আসন, মুরাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ ও ৫ দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এছাড়া টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী।

তবে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু ছাড়াও সহোদর ছোট ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী, স্বাধীনতার ইস্তেহার পাঠক ও বিএনপি’র সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজের মেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সিদ্দিকী পরিবারের সহোদর এই ৩ ভাই স্ব স্ব আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সিদ্দিকী পরিবারের ৩ সহোদর ভাইয়ের নির্বাচনে অংশ নেওয়া আসন গুলোর মধ্যে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে কৃষক শ্রমিক জনতালীগ প্রার্থী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, আওয়ামীলীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আমানুর রহমান খান রানা। অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বির মধ্যে রয়েছেন- আজিজ খান (জাকের পার্টি) আব্দুল হালিম (জাতীয় পার্টি), মো. হাসান আল মামুন সোহাগ (এনপিপি), চৌধুরী হাবিবুর রহমান (স্বতন্ত্র) ,মো. জাকির হোসেন (বিএনএম), ফরিদা রহমান খান (স্বতন্ত্র), মো. সাখাওয়াত খান সৈকত (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল)।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু ছাড়াও সহোদর ছোট ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী, স্বাধীনতার ইস্তেহার পাঠক ও বিএনপির সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজের মেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী।

অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন- মোন্তাজ আলী (জাকের পার্টি), শহিদুল ইসলাম (তৃণমূল বিএনপি),এস এম আবু মোস্তফা (জাসদ), মো.শুকুর মাহমুদ (বিএসপি), সাদেক সিদ্দিকী (জাতীয় পার্টি জেপি)।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মামুনুর রশিদ, বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরণ, কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আহসান হাবিব, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মোজাম্মেল হক।

এই আসনে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী মহিলালীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেরনিগার হোসেন তন্ময়, মো. তৌহিদুর রহমান চাকলাদার( বিএনএম), মো.দুলাল মিয়া (জাকের পাার্টি), হাসরত খান ভাসানী (ন্যাপ ভাসানী) ও মো.শরীফুজ্জামান খান (তৃনমুল বিএনপি)।

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম এর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী অনুপম শাহজাহান জয়।

অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন- মো. আবুল হাসেম (বাংলাদেশ বিকল্পধারা), আ.জলিল (জাকের পার্টি), শাম্বুল (তৃনমুল বিএনপি) আর রেজাউল করিম (জাতীয় পার্টি)।

আওয়ামী রাজনীতির এক সময়ের জেলার পরিচয়বহণ করা সিদ্দিকী পরিবারের বড় ছেলে ও বাংলাদেশ আওয়াশীলীগের বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম মেম্বার আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে একাধিকবার এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হয়েছেন। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে একটি সভায় হজ, তাবলিগ জামাত ও প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করে মন্ত্রিত্ব হারান। এরপর তাঁকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। দেশে ফেরার পর তাঁকে কারাগারেও যেতে হয়। পরে তিনি সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। সর্বশেষ ২০১৮ সালেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে পরবর্তীতে নির্বাচন থেকে সরে যান। দ্বাদশ নির্বাচনে আবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দলের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ১৯৯৯ সালে জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ ত্যাগ করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ গঠন করেন। এরপর নিজ দল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র নেতা মুরাদ সিদ্দিকী কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতালীগে যোগ দেন। ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। এরপর ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মুরাদ সিদ্দিকী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। ২০০৯ সাল থেকে মুরাদ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০৯ সাল থেকে মুরাদ সিদ্দিকী অদ্যবধিও আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন।

২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে পরাজিত হন মুরাদ সিদ্দিকী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল

একতার কণ্ঠঃ ভোটারের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার অভিযোগে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও পদত্যাগকারী উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

জানা যায়, ঠান্ডু মনোনয়নপত্রে ভোটারের স্বাক্ষরে ভূঞাপুর উপজেলার মাদারিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের আরফান আলী সেকের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তবে আরফান আলী সেক স্বাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বলেন, ওই ব্যক্তি স্বাক্ষর দেওয়ার পর অস্বীকার করছেন। তবে তার বাড়িতে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে আমি আপিল করবো।

আরফান আলী সেক বলেন, আমি কোথাও স্বাক্ষর দেই নাই। তবে আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়েছে। আমি এটার সুষ্ঠু বিচার চাই।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম জানান, ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর আবেদনে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর করে জমা দিয়েছেন। সেখান থেকে ১০ ভোটারের স্বাক্ষর ও তথ্য যাচাই বাছাই করার জন্য অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। সেখানে ৯টি ভোটারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, তবে একটি ভোটারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়নি। ফলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থন যাচাই বিধিমালা ২০১১ এর ৫ বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। পরে আইন অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তিনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:৩০:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।