আরমান কবীরঃ রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন শাখা ব্যবস্থাপকদের অংশগ্রহণে ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার দাপনাজোর ওয়াটার গার্ডেনের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এই ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুপালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
এসময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক “সময় নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা” অনুযায়ী খেলাপী ঋণ আদায় এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন খাঁ । সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান তানভীর।
এ সময় বিভাগের আওতাধীন ৪ জন জোনাল ম্যানেজার ও ৪৯টি শাখার ব্যবস্থাপক এবং ৭ টি উপশাখার ইনচার্জ উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ডাকাতদের কবলে পড়েছে শিক্ষা সফরের চারটি স্কুলবাস। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের লক্ষণের বাধা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডাকাতরা বাস থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণ ও স্মার্টফোন লুট করেছে। এ নিয়ে গত ১০ দিনে এই সড়কে তিনটি ডাকাতির ঘটনা ঘটল।
জানা যায়, ময়মনসিংহ বিভাগের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সোয়াইতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মঙ্গলবার ভোরে চারটি বাস নিয়ে ওই স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক শিক্ষা সফরের জন্য রওনা দেন নাটোরের গ্রীনভ্যালি পার্কের উদ্দেশে। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বাস চারটি ঘাটাইল উপজেলার ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের সাগরদীঘি ইউনিয়নের লক্ষণের বাধা এলাকায় পৌঁছালে তারা ডাকাত দলের কবলে পড়েন। এ সময় সামনের বাসে ছিলেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান। হঠাৎ তিনিসহ অন্যরা খেয়াল করেন সড়কের মাঝ বরাবর গাছের গুঁড়ি। তিনি বুঝে ফেলেন এই কাজ ডাকাতদের। সতর্ক করেন সবাইকে। বন্ধ করে দেওয়া হয় গাড়ির জানালা ও গেট। কিছু বুঝে উঠার আগেই ১০-১২ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আঘাত শুরু করে গাড়িতে। ডাকাতরা পেছনের গাড়ি থেকে তাদের মালামাল লুট করা শুরু করে। এরই মধ্যে তিনি ফোন করেন ৯৯৯ নম্বরে। অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। ততক্ষণে তিনটি গাড়ির যাত্রীদের থেকে মালামাল লুট করা শেষ হয়ে যায়।
সোয়াইতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান বলেন, ডাকাতরা নগদ টাকা নিয়ে গেছে দেড় লাখ। স্বর্ণ দেড় ভরি। স্মার্টফোন ১০টা। এ ঘটনায় মারধরের শিকার হয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর সাখাওয়াত হোসাইন রবিন ও অভিভাবক শহিদুল্লাহ তালুকদার।
সাখাওয়াত হোসাইন রবিন বলেন, আমি ছিলাম দুই নম্বর গাড়িতে। ওই গাড়িতে ছিল শুধু ছাত্রী। ডাকাতরা আমার কাছে থেকে মোবাইল নেওয়ার পর যখন ছাত্রীদের দিকে যাচ্ছিল তখন আমি বাধা দেই। এর ফলে তারা আমাকে দায়ের উল্টো পিঠ দিয়ে আঘাত করে।
ডাকাতদের অস্ত্র ও ভয়ঙ্কর রূপ দেখে গাড়িতে জ্ঞান হারান কৃষি বিষয়ক শিক্ষক আবুল কালাম।
সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী সিনথিয়া আক্তার জানায়, ভয়ে সে অনেক কেঁদেছে। এখনও তার ভয় দূর হয়নি।
ডাকাতির ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য লিয়াকত হোসেন বলেন, মাঝে মধ্যেই ওইস্থানে (লক্ষণের বাধা) ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার ভোরে ঘাটাইল-সাগরদীঘি সড়কে গাছ ফেলে শিক্ষা সফরে যাওয়ার পথে চারটি স্কুলবাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। যতটুকু জানতে পেরেছি সাতটি মোবাইল ও দুই হাজার ৭০০ টাকা নিয়েছে ডাকাতরা। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এলাকার লোকদের নিয়ে বৈঠক করেছি। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দেয়নি।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে শাহাদাৎ নামে ৪ বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের বলরামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু শাহাদাৎ একই গ্রামের জুয়েলের ছেলে বলে জানা গেছে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, যমুনার দুর্গম চরাঞ্চল থেকে বলরামপুর এলাকায় জুয়েল মিয়া নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ করছে। বাড়ি করার জন্য বাড়ির পাশে ডোবা তৈরি করে মাটি উত্তোলন করেছিল। সেই ডোবায় সেচপাম্পের পানি জমে ভরাট হয়।
সোমবার সকালে শাহাদাৎ সেই ডোবার পানিতে পড়ে যায়। বিষয়টি পরিবারের কেউ জানতো না। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে শাহাদাৎকে ডোবায় খুঁজে পায় তার পরিবার। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক শিশু শাহাদাৎকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম জানান, পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যুর ঘটনাটি কেউ জানায়নি।
আরমান কবীরঃ অপারেশন ডেভিল হান্টের অভিযান চালিয়ে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মো. ইসমাইল হোসেন ওরফে ইকো মিঞা (৩৬) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার মাধ্যমে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
এর আগে, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা পৌর শহরের ফসলান্দী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ইকো মিঞা উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের শুশুয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বলেন, ইকো মিঞার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় নাশকতার মামলা থাকায় ডেভিল হান্টের অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে টাঙ্গাইল সদর থানায় সোপর্দ করলে টাঙ্গাইল থানা পুলিশ আদালতে তাকে প্রেরণ করে।
আরমান কবীরঃ দীর্ঘ ১৭ বছর পর নিজ জন্মভূমি টাঙ্গাইলে এসেছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সদ্য কারামুক্ত আব্দুস সালাম পিন্টু।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে তিনি সড়ক পথে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল শহরের প্রবেশদ্বার নগরজলফৈ বাইপাসে পৌঁছালে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ তাঁকে স্বাগত জানায়।
এ সময় তাকে বহনকারী গাড়ি বহরে ফুলের পাপড়ি ছিটানো হয়। নগরজলফৈ বাইপাস থেকে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের আসার পথে তাকে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তার টাঙ্গাইল আগমনকে কেন্দ্র করে জেলা শহর জুড়ে উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
পরে বিকেলে জেলা বিএনপি’র পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সদ্য কারামুক্ত বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টুর গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবেগ-আপ্লুত কণ্ঠে সালাম পিন্টু বলেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আমাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছিল। দেশবাসী ও বিশেষ করে টাঙ্গাইলবাসির দোয়া ও ভালোবাসায় আজ আমি আমার জন্মভূমিতে জীবিত অবস্থায় ফিরতে পেরেছি। মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমি আজ আপনাদের মাঝে পৌঁছাতে পেরেছি। যতদিন জীবিত থাকবো- আপনাদের কল্যাণে আমি নিজেকে উৎসর্গ করলাম।
শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত সংবর্ধনা স্থলে প্রিয় নেতাকে দেখতে নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষের ঢল নামে। নানা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পৌর উদ্যান এলাকা। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন জায়গায় সাজানো হয়েছে তোরণ দিয়ে । লাগানো হয়েছে ব্যানার ও পোস্টার।
জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খান, বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপি’র সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ সোহরাব, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধাা হামিদুল হক মোহন, জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে আব্দুস সালাম পিন্টু দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত ও দোয়া পাঠ করেন।
মোঃ আব্দুল্লাহ আকন্দঃ “আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম”
(কুল্লিল্লাহুম্মা মালিকাল মুলকি তু’তিল মুলকা মানতাশাউ, ওয়া তানযিউল মুলকা মিম্মান তাশাউ, ওয়া তু’যিয্যু মান তাশাউ, ওয়া তুযিল্লু মান তাশাউ, বিইয়াদিকাল খাইর, ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইইন ক্বাদির।)
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া মহান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস নবী (সা:) এর আদর্শকে ধারণ করে লালন করা গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করা রাজনৈতিক দলের নাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেদিন ঘাতকের বুলেটে শহীদ হন, সেদিন গণমাধ্যমের তথ্যমতে উনার ব্যাগ এন্ড ব্যাগেজে ছিল একটি জায়নামাজ, একটি টুপি ও একটি তসবি। উনার বাসা থেকেও হাজার হাজার কোটি টাকা, সম্পদ, স্বর্ণ অলংকার, গাড়ি-বাড়ি এমন কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি ছিলেন দুর্নীতিমুক্ত, মিতব্যয়ি, ধর্মভীরু, বিচক্ষণ স্বাধীন বাংলাদেশের এযাবৎকালের সবচাইতে জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক। তার সততা ও জনপ্রিয়তায় মুগ্ধ হয়ে পরবর্তী সরকার তার পরিবারকে একটি বাড়ি উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন।
আমরা যারা বিএনপিকে ভালোবাসি বা বিএনপি করি আমরা মূলত জিয়াউর রহমানের আদর্শ তথা নবী (সা:) এর আদর্শকে ধারণ বা লালন করি। যাহারা বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একই মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ, অথবা একদল খেয়েছে, অন্য দল খাওয়ার জন্য রেডি হয়ে আছে, তাহারা মূলত ভুল বলেছেন।
দাড়িওয়ালা-টুপিওয়ালা-জুব্বা পরা লোক যারা একজন ইসলামিক স্কলার, মিজানুর রহমান আজহারির মত লোককে হ*ত্যা করতে চায় তাহারা যেমন মুসলমান হতে পারে না, অন্যদিকে বিএনপি’র লেবাসধারি আমরা যারা বিএনপিকে ব্যবহার করে দুর্নীতির প্রশ্রয় নিয়ে আওয়ামি কায়দায় হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যেতে চাই, মূলত আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের বিএনপি হতে পারি নাই।
আমরা যে যত বড় নেতাই হইনা কেন আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক জিয়া আমাদের বিরুদ্ধে এমন কিছু দেখলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবেন, ইনশাল্লাহ।

বিনীত,
মোঃ আব্দুল্লাহ আকন্দ
কোনাবাড়ি বাজার, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
মোবাইল: 01718593754
আরমান কবীরঃ বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বাংলাদেশের কিছু রাজনৈতিক দল আছে কিছু নতুন, কিছু পুরাতন। তারা জনগণকে বোঝাতে চেষ্টা করছে বিএনপি নাকি সংস্কার চায় না। সংস্কার কী? খায় না মাথায় দেয়। বাংলাদেশে সকল কল্যাণকর সংস্কার করেছে বিএনপি। বিএনপি যে ৩১ দফা দিয়েছে তার পুরোটাই সংস্কার কর্মসূচি। সংস্কারের প্রত্যেকটা বিষয় ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সদ্য কারামুক্ত বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টুর গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ১৬ বছর ধরে স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদের পতনের জন্য বিএনপি’র নেতাকর্মীরা লড়াই করেছে। এখনও লড়াই শেষ হয়ে যায় নাই। লাখ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অনেকের কারাগারে বা গুম অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। ৫ আগস্ট আমি জেলখানায় ছিলাম। আমাদের ৫১৮ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকর্মী কারাগারে ছিল। অনেক লড়াই, সংগ্রাম, ত্যাগ-তিতিক্ষার পর দেশে পরিবর্তন এসেছে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু গণতন্ত্র এখনও পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় নাই। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় না। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার নির্বাচন হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেজন্য বলি সবার আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন। বলি নাই বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেন। যারা জয়লাভ করবে, তারাই সরকার গঠন করবে।
তিনি বলেন, আব্দুস সালাম পিন্টু মৃত্যুদন্ডের আদেশ মাথায় নিয়ে কারাগারেও অনিশ্চিত জীবন কাটিয়েছেন। শতশত নেতাকর্মী গুম-খুনের স্বীকার হয়েছেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র ভাইচ চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খান, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপি’র সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ সোরহাব, বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির, জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধাা হামিদুল হক মোহন, জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু, ৯০এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের ছাএদল নেতা মোঃ আব্দুল্লাহ আকন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
এদিকে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর আব্দুস সালাম পিন্টু নিজ জেলা টাঙ্গাইলে পৌছলে শহরের নগর জলফৈ বাইপাসে তাকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। বিকেলে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত সংবর্ধনাস্থলে প্রিয় নেতাকে দেখতে নেতাকর্মীসহ সাধারন মানুষের ঢল নামে। নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পৌর উদ্যান এলাকা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে আব্দুস সালাম পিন্টু দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত ও দোয়া পাঠ করেন।
আরমান কবীরঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাজশাহীগামী চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, নারীদের কাছ থেকে কিছু স্বর্ণালঙ্কার লুণ্ঠিত হয়েছে। ওই সময় দুষ্কৃতকারী ডাকাত দল নাকফুল কানের দুল নেওয়ার সময় নারীদের টাচে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি এটা আমরা জানতে পেরেছি। শ্লীলতাহানি বলা যেতে পারে।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. শহিদুল ইসলাম (২৯), মো. সবুজ (৩০) ও মো. শরীফুজ্জামান (২৮)।
পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, চলন্ত বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল, একটি ছুরি ও ২৯ হাজার ৩৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়। মামলা হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তথ্য প্রযুক্তি ও বিভিন্ন সোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে।
এ ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার দায়ে মির্জাপুর থানার ডিউটি অফিসার আতিকুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী বাসে মির্জাপুর এলাকায় তিন ঘণ্টা ধরে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। শ্লীলতাহানি করা হয় দুই নারীকে। পরে যাত্রীরা বাসটি আটকে নাটোরের বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের সহায়তা চায়। বাসযাত্রীদের হাতে আটক বাসচালক বাবলু, সুপারভাইজার মাহবুব ও হেলপার সুমনকে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ওই ঘটনায় বাসের যাত্রী ওমর আলী বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় অজ্ঞাত ৮-৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
সাহান হাসানঃ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, দেশ একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি অডিটোরিয়ামে পার্টির সাংগঠনিক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাইফুল হক বলেন, এদেশের মানুষ ১৬ বছর ধরে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। আগে বাজার নিয়ন্ত্রণ করুন, নাহলে জনগণ কিন্তু সহ্য করবে না।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যদি জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ব্যবস্থা করে, তাহলে দেশ আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। এক কথায় এটি একটি হঠকারিতা।
তিনি বলেন, সরকারকে বলব- আপনারা প্রতিটা কমিশনকে দায়িত্ব দিন তাড়াতাড়ি সংস্কারের রোড ম্যাপ দেওয়ার জন্য। আমরা চাই খুবই তাড়াতাড়ি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সাইফুল হক আরও বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার যেমন দেশ চালাতে ব্যর্থ হয়েছে, ঠিক তেমনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও ব্যর্থ হচ্ছে। আমরা যেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশটা স্বাধীন করেছি, সেই স্বাধীনতা এখন নেই। বর্তমান সরকারকে বলব- অতিদ্রুত আপনারা নির্বাচন দিন। দেশবাসী ১৬ বছর ধরে অপেক্ষা করছে একটি জাতীয় নির্বাচনের।
টাঙ্গাইল জেলা সাংগঠনিক সভা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক সাইফুর রেজা মামুনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য শহিদুজ্জামান লাল মিয়া, বহ্নিশিখা জামালী, জেলা জেএসডির সভাপতি মতিয়ার রহমান মতি, সাধারণ সম্পাদক শফিউল ইসলাম, জেলা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান পিপলু প্রমুখ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আব্দুল আলীম (৩০) নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় লুৎফর রহমান নামে এক আ’লীগ নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ যুবদলের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার গোবিন্দাসী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে জহিরুল ইসলাম নামে একজনকে আটক করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
আহত আব্দুল আলীম উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি এবং তিনি একই ওয়ার্ডের বাংগাল শেখের ছেলে।
এদিকে, শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে লুৎফর রহমান নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার মোটরসাইকেল পুড়িয়ে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ যুবদলের নেতাকর্মীরা।
লুৎফর রহমান উপজেলা গোবিন্দাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক। তিনি টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পলাতক ছোট মনিরের কর্মী বলে জানা গেছে।
জানা যায়, শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে স্থানীয় তানিয়া খাতুন নূরানী মাদরাসার সামনে একদল দুর্বৃত্ত যুবদল নেতা আলীমকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করে রাস্তার পাশে বালুর স্তুপে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
এরপর গোবিন্দাসী এলাকার জহিরুল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। পরের দিন শনিবার সকালে গোবিন্দাসী যুবদলের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে গোবিন্দাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক লুৎফর রহমানের মোটরসাইকেল পুড়িয়ে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
উপজেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার জুলহাস উদ্দিন জানান, আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল আলীমকে হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে হামলা করেছে। এতে তিনি গুরুত্বর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতিও চলছে।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম জানান, হামলার ঘটনায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েয়েছে। পরবর্তীতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সাহান হাসানঃ ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের ইউনিক রোড রয়েলসের ‘আমরি ট্রাভেলস’ বাসে ডাকাতির ঘটনার ৩ দিন পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ওমর আলী বাদি হয়ে শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে এই মামলা দায়ের করেছেন। মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন মামলা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে যাত্রীবাহী ওই বাসটিতে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে।
ওমর আলীর বর্ণনা অনুসারে, সোমবার রাত ১১টায় ঢাকার গাবতলী থেকে বাসটি ছেড়ে আসে। সাড়ে ১২টার দিকে বাসটিতে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কয়েকজনকে রক্তাক্ত করে ডাকাতি শুরু করে। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বাসটিকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানি শেষে ডাকাতরা বাস থেকে নেমে যায়।
ডাকাতরা বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর বাসচালক বাসটি নিয়ে গন্তব্যে যেতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে যাত্রীদের চাপের মুখে বাস নিয়ে যাত্রা শুরু করেন চালক। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার পর যাত্রীরা বাসটি নাটোরের বড়াইগ্রাম থানায় নিয়ে যান।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার পর বাসটি বড়াইগ্রাম থানায় ঢোকানো হয়। এ সময় বাসের চালক বাবলু আলী (৩০), সুপারভাইজার সুমন ইসলাম (৩৩) ও তার সহকারী মাহবুব আলম (২৮) কে আটক করে ৫৪ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে পাঠায় বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ। পরে তারা আদালতের মাধ্যমে জামিনে মুক্তি পান।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে।
২১ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) মহান শহীদ দিবসে কর্মসূচির মধ্যে ছিল- দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ, ভোরে প্রভাতফেরী, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতভাবে উত্তোলন, কালোব্যাজ ধারণ, চিত্রাঙ্কন-রচনা প্রতিযোগিতা, কবিতাবৃত্তি, আলোচনা সভা, পুরষ্কার বিতরণ ইত্যাদি।
জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মসূচিগুলো দিনভর পালন করে।
এ উপলক্ষে প্রথম প্রহরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা প্রশাসক শরীফা হক ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে দিবসের কর্মসূচি শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এদিন ভোরে বিভিন্ন দপ্তর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে প্রভাত ফেরী বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, টাঙ্গাইল স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শিহাব রায়হান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল্যাহ আল মামুন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা আক্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এ উপলক্ষে শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিনভর টাঙ্গাইলের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশের গান ও ত্রিবেণী-টাঙ্গাইলের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সড়ক ও সড়কদ্বীপ এবং শহীদ মিনারে আল্পনা আঁকা হয়।