/ মূলপাতা / আন্তর্জাতিক
‘ভাড়াটে’ সুলতানদের সামনে আহত বাঘ - Ekotar Kantho

‘ভাড়াটে’ সুলতানদের সামনে আহত বাঘ

একতার কণ্ঠঃ জ্যান্ত বাঘের চেয়েও আহত বাঘ বেশ ভয়ঙ্কর। বাংলা সাহিত্যে এই প্রবাদের প্রচলন বেশ। মরুর বুকে পাহাড়ের শহর মাসকটে এই প্রবাদের সত্যতা প্রমাণের পালা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলের সামনে। স্কটিশদের থাবায় অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, ওমানের বিপক্ষে একটা জয় এনে দিতে পারে পাহাড়সম স্বস্তি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সুলতানাত ওমানের মুখোমুখি লাল সবুজের দল। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে এই মহারণ। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পরাজয়ে বেদনা ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া বাংলাদেশ। শিষ্যরা যে ঠিকই ঘুরে দাঁড়াবেন সেই বিশ্বাস, আস্থা আছে প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর।

‘ছেলেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আছে। আমিও ওদের ওপর আস্থা রাখছি। অনেক টানটান উত্তেজনার ম্যাচ ওরা জিতেছে। ছেলেরা ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির বাধা পার করবে, পরের রাউন্ডে যাবে, এ ব্যাপারে আমি আত্মবিশ্বাসী।’- এই ম্যাচকে সামনে রেখে ঠিক এভাবেই বলছিলেন রাসেল ডমিঙ্গো।

অস্ট্রেলিয়া-নিউ জিল্যান্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার পর এখন মাহমুদউল্লাহদের ভাবতে হচ্ছে পুচকে ওমানের বিপক্ষে জয় পাওয়া নিয়ে। অনিশ্চিয়তার খেলা ক্রিকেটে বুঝি এমনই হয়। বিশেষ করে খেলাটা যখন ২৪০ বলের তখন ফেভারিট বলতে কোনো শব্দ হয়তো নেই। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করায় এই আলোচনার জন্ম দিয়েছে বেশ জোরালোভাবেই।

ওমানকেও হালকা ভাবে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। বেশকিছু বিষয় কাজ করছে তাদের পক্ষে। একে তো স্বাগতিক দল আবার বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছে পাপুয়া নিউ গিনিকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে। তাদের সমীহ করছেন বাংলাদেশ কোচও। তবে এটাও জানিয়ে রেখেছেন ভালো খেললে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনাই বেশি।

‘আমাদের আগামীকাল (আজ) ভালো করতে হবে। ওমান ভালো করছে। ওরাও পরের রাউন্ডে যেতে চাইবে। আমাদের জন্য কাজটা কঠিনই হবে। কিন্তু ছেলেরা জানে যে ওরা যদি ভালো খেলাটা খেলতে পারে, তাহলে আমাদের জেতার সম্ভাবনাই বেশি। কোচ হিসেবে আমি কোনো দলকেই ছোট করে দেখি না। এটাই কোচদের বৈশিষ্ট্য।‘

মাসকটের আল আমিরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্কটিশদের বিপক্ষে প্রবাসীদের জোয়ারে গ্যালারিতে উঠেছিল লাল সবুজের ঢেউ। একই দৃশ্য দেখা যাবে আজও। এতে কোনো সন্দেহ নেই। ওমানিদের ক্রিকেট নিয়ে খুব একটা আগ্রহ না থাকলেও এই ম্যাচে স্থানীয় দর্শকদের মাঠে দেখা যাবে। গতকাল রাতে ওমান ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দেয়, ‘সব টিকিট বিক্রি শেষ। গ্যালারি হাউজফুল।’

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা ১৬ সদস্যের মধ্যে একজন ছাড়া বাকিদের জন্ম ভারত ও পাকিস্তানে। একমাত্র সুফিয়ান মেহমুদের জন্ম ওমানে, তিনি দেশটির বয়সভিত্তিক দলে খেলে উঠে এসেছেন জাতীয় দলে। তাই ওমান দলকে এক কথায় ‘ভাড়াটে’ দল বললেও ভুল হবে না। যদি তারা নাগরিকত্ব পেয়ে এখন ওমানের পতাকা উড়াচ্ছেন।

বাংলাদেশ একাদশে এক পরিবর্তন নিশ্চিত। ওপেনার সৌম্য সরকারের পরিবর্তে মোহাম্মদ নাঈমকে দেখা যাবে। পেস আক্রমণেও দেখা যেতে পারে ভিন্নতা। তাসকিন আহমেদের পরিবর্তে দেখা যেতে পারে শরিফুল ইসলামকে। আর বাংলাদেশ যদি এক পেসার কম খেলায় তাহলে একাদশে আসতে পারেন নাসুম আহমেদ।

এ ছাড়া ব্যাটিং অর্ডারে আসতে পারে পরিবর্তন। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী নামানো হতে পারে ব্যাটসম্যানদের। এই ইঙ্গিত দিয়েছেন খোদ ডমিঙ্গো, ‘আমি ক্রিজে বাঁহাতি ও ডানহাতির সমন্বয় দেখতে পছন্দ করি। সবসময়ই যেন ভিন্ন ভিন্ন দুজন ব্যাটসম্যান ক্রিজে থাকে, সেই চেষ্টা করি। এ নিয়ে গভীরভাবে আলোচনাও করেছি। আমরা ছোট খাটো পরিবর্তনও আনতে পারি। এক-দুই জায়গা হয়তো এদিক ওদিক হবে। শেষ দুটি সিরিজেও দেখেছেন আমরা কিভাবে ব্যাটিং অর্ডার সাজিয়েছি। আমরা এক্ষেত্রে খুবই নমনীয় থাকতে চাই। ম্যাচের অবস্থা অনুযায়ী ব্যাটসম্যান পাঠাতে চাই।’

এর আগে ওমানের বিপক্ষে একটি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছিল। তবে এবার প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে দলটি। স্বাগতিক বলেই কন্ডিশন তাদের পক্ষে। আর পাঁচ বছর আগের সেই দল আর এই দলের পার্থক্যও অনেক। দিনে দিনে তারা পরিণত হয়েছেন। আল আমিরাতে ওমান ১১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে তার মধ্যে ৭টিতেই জয় পেয়েছে।

বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের এই ম্যাচে জয় চাই-ই। না হয় মাসকট থেকেই ধরতে হবে দেশের বিমান। মাহমুদউল্লাহদের সামনে অগ্নিপরীক্ষা, সেই পরীক্ষায় পাস করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ কি পারবে সুলতানাতের মাটিতে ‘ভাড়াটে’ সুলতানদের হারাতে? বাংলাদেশকে যে পারতেই হবে!

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অক্টোবর ২০২১ ০১:০৫:এএম ৩ বছর আগে
আন্তর্জাতিক “শিশু শান্তি” পুরস্কারের জন্য মনোনিত হলেন টাঙ্গাইলের সিয়াম - Ekotar Kantho

আন্তর্জাতিক “শিশু শান্তি” পুরস্কারের জন্য মনোনিত হলেন টাঙ্গাইলের সিয়াম

একতার কণ্ঠঃ ২০০৫ সালে রোমে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের এক সম্মেলন থেকে আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার চালু করা হয়।নেদারল্যান্ড ভিত্তিক শিশু অধিকার সংগঠন ‘কিডস রাইটস’ এই পুরস্কার প্রদান করে। প্রতিবছর একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী পুরস্কারটি হস্তান্তর করেন।

এ বছর ‘শিশুদের নোবেল’খ্যাত এই পুরষ্কারটির জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিক ভাবে মনোনিত হয়েছেন টাঙ্গাইলের মেধাবী কিশোর ফিরোজ আহম্মেদ সিয়াম।

১৭ বছর বয়সী সিয়াম এ বছর বাংলাদেশ থেকে তার সংগঠন One Step For Tomorrow এর জন্য মনোনিত হয়েছেন।তিনি Education এবং Violence এই দুই ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছেন। শিশুদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে তার সংগঠন। One Step For Tomorrow সংগঠনটির সিইও হওয়ায় ‘কিডস রাইটস’ আর্ন্তজার্তিক এই সংগঠনটি সিয়ামের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মনোনিত করেছেন।

টাঙ্গাইলের কৃতি কিশোর ফিরোজ আহম্মেদ সিয়াম ঢাকা নটর ডেম কলেজ থেকে এ বছর এইচ এস সি পরীক্ষার্থী।তিনি ২০১৯ সালে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ ফাইভ (গোল্ডেন) পেয়ে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস করেছেন।সিয়াম কিশোর আলো বুক ক্লাব, প্রথম আলো বন্ধুসভা, সেভ দ্যা স্টুডেন্টসহ অনেক সংগঠনের সাথে জড়িত।

দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়, সিয়ামের জন্ম কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের রৌহা গামে। বাবা মুহাম্মদ রমজান আলী , পারখী মনির উদ্দিন পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মা ফিরোজা আক্তার কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষিকা। ছোট ভাই ফাহাদ আহম্মেদ শাফি টাঙ্গাইল প্রি ক্যাডেট স্কুলের পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্র। সিয়ামের পরিবার বর্তমানে টাঙ্গাইল শহরের স্টেডিয়াম এলাকায় থাকেন।

এ প্রসঙ্গে ফিরোজ আহম্মেদ সিয়াম বলেন,“ এই অনুভুতি এটা তো ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আলহামদুলিল্লাহ, এরকম বিশ্বমঞ্চে নিজেকে দেখতে পেরে আমি অবশ্যই আনন্দিত। আমার বেড়ে ওঠা অজপাড়া গায়ে তাই স্বভাবতই আমার জানা বাংলাদেশের শিশুরা কত প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে যায়। ছিন্নমূল শিশুরা কিভাবে দিনাতিপাত করছে। নিজের জায়গা থেকে আমার সংগঠন One Step For Tomorrow এর সকল স্টেপারদের সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শিশু অধিকার রক্ষায় কাজ করে যেতে চাই আজীবন। যদিও পুরষ্কার কিংবা সম্মাননা লক্ষ্য নয় তবুও সাদাত ভাই, গ্রেটা কিংবা মালালা ইউসুফজাইয়ের মতো আইকনদের পরবর্তী প্রজন্ম হতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হয়। সবাইকে সাথে নিয়ে বাস্তবায়ন করতে চাই স্বপ্নের পৃথিবী। আজীবন বুকে ধারণ করতে চাই স্টেপার মূলমন্ত্র ” Let’s make dreaming world visual together.

উল্লেখ্য, কিডস রাইটস ফাউন্ডেশন হল নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত একটি শিশুদের সহায়তা এবং অ্যাডভোকেসি সংস্থা।ফাউন্ডেশনটি ২০০৩ সালে মার্ক দুলার্ট এবং ইনেগ ইকিংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ডেসমন্ড টুটুকে উদ্ধৃত করে বলেছে, “কিডস রাইটস পুরোপুরি নির্বাককে কণ্ঠ দেওয়ার চেষ্টা করছে।”সংস্থার লক্ষ্য হ’ল বিশ্বজুড়ে দুর্বল শিশুদের সহায়তা ও ক্ষমতায়ন করা, ছোট-ছোট স্থানীয় প্রকল্পগুলির জন্য তহবিল সংগ্রহ করা এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলির মাধ্যমে শিশুদের অধিকারের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অক্টোবর ২০২১ ০১:১৮:এএম ৩ বছর আগে
শান্তিতে নোবেল পেলেন দুই সাংবাদিক - Ekotar Kantho

শান্তিতে নোবেল পেলেন দুই সাংবাদিক

একতার কণ্ঠঃ ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন দুজন সাংবাদিক। তাঁরা হলেন ফিলিপাইনের মারিয়া রেসা ও রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভ। শুক্রবার(৮ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি শান্তিতে এবারের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, যা গণতন্ত্র ও টেকসই শান্তির অন্যতম পূর্বশর্ত, তার পক্ষে লড়াইয়ের স্বীকৃতি হিসেবে মারিয়া ও দিমিত্রিকে এবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

১৯৩৫ সালের পর এই প্রথম শান্তিতে নোবেল পেলেন কোনো সাংবাদিক। ১৯৩৫ সালে জার্মান সাংবাদিক কার্ল ফন অসিয়েতস্কি শান্তিতে নোবেল পান।

মারিয়ার ক্ষেত্রে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বলেছে, তিনি তাঁর জন্মস্থান ফিলিপাইনে ক্ষমতার অপব্যবহার, সহিংসতার ব্যবহার ও দেশটিতে ক্রমেই বেড়ে চলা কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ব্যবহার করছেন।

দিমিত্রি ক্ষেত্রে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বলেছে, তিনি তাঁর দেশ রাশিয়ায় ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যে কয়েক দশক ধরে বাক্‌স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করছেন।

শান্তিতে নোবেলজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির। সব নোবেল পুরস্কার সুইডেনের স্টকহোম থেকে ঘোষণা দেওয়া হলেও শান্তি পুরস্কার ঘোষণা দেওয়া হয় নরওয়ের অসলো থেকে। কাজটি আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছাপত্র অনুযায়ীই করা হয়।

২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পায় জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। ক্ষুধা নিরসনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ডব্লিউএফপিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়ে। তার আগের বছর ২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলী। শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২১ ০২:০৩:এএম ৩ বছর আগে
বিসিবি নির্বাচন: পাপনের হ্যাটট্রিক জয় - Ekotar Kantho

বিসিবি নির্বাচন: পাপনের হ্যাটট্রিক জয়

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ‘পরিচালনা পর্ষদ’ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে হ্যাটট্রিক জয় পেয়েছেন নাজমুল হাসান পাপন।

বুধবার (৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ক্যাটাগরি-২ অর্থাৎ ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে পরিচালক হিসেবে এবারও নির্বাচিত হয়েছেন গত দুই মেয়াদের সভাপতি পাপন।
৫৭ ভোটের মধ্যে বর্তমান বিসিবি প্রধান পেয়েছেন ৫৩ ভোট। পাপনের সমান সংখ্যক ভোট পেয়েছেন আরও দুইজন- গাজী গোলাম মুর্তজা ও এনায়েত হোসেন সিরাজ।

নির্বাচনে কাট্যাগরি-১ এ জিতেছেন নাঈমুর রহমান দুর্জয় ও তানভীর টিটু। তবে রাজশাহী বিভাগে হেরে গেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। রাজশাহী বিভাগে মাসুদকে ৭-২ ভোটে হারান সাইফুল আলম স্বপন। পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে তিনি তৃতীয়বারের মতো বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

ক্যাটাগরি-২ থেকে জয় পেয়েছেন ১২ ক্লাব পরিচালক- নাজমুল হাসান পাপন, ওবেদ নিজাম, গাজী গোলাম মর্তুজা, নজিব আহমেদ, মাহবুব আনাম, সালাউদ্দিন চৌধুরী, ইফতেখার রহমান, ইসমাইল হায়দার মল্লিক, মঞ্জুর কাদের, মঞ্জুর আলম, এনায়েত হোসেন, মঞ্জুর আলম ও ফাহিম সিনহা।

ক্যাটাগরি -৩ এ খালেদ মাহমুদ সুজন ৩৭-৩ ভোটে হারিয়েছেন নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে।

কাউন্সিলররা ভোটের মাধ্যমে মোট ২৩ জন পরিচালক নির্বাচন করেছেন, আর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে মনোনয়ন পেয়ে বোর্ড পরিচালক হয়েছেন আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি ও জালাল ইউনুস।

বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিতদের তালিকা:

ক্যাটাগরি-১

আকরাম খান (চট্টগ্রাম)
আ জ ম নাসির (চট্টগ্রাম)
নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ)
তানভীর আহমেদ টিটু (নারায়ণগঞ্জ)
শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল (সিলেট)
শেখ সোহেল (খুলনা)
কাজী ইনাম আহমেদ (খুলনা)
আলমগির খান (বরিশাল)
আনোয়ারুল ইসলাম (রংপুর)
সাইফুল আলম স্বপন (রাজশাহী)

ক্যাটাগরি-২

নাজমুল হাসান পাপন (আবাহনী)
নজিব আহমেদ (শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব)
ইসমাইল হায়দার চৌধুরী মল্লিক (শেখ জামাল)
গাজী গোলাম মুর্তজা (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)
মাহবুব উল আনাম (মোহামেডান)
ওবেদ রশীদ নিজাম (শাইনপুকুর)
সালাহউদ্দিন চৌধুরী (কাকরাইল বয়েজ ক্লাব)
এনায়েত হোসেন (আজাদ স্পোর্টিং ক্লাব)
ফাহিম সিনহা (সূর্য তরুণ ক্লাব)
ইফতেখার রহমান মিঠু (ফেয়ার ফাইটার্স স্পোর্টিং ক্লাব)
মনজুর কাদের (ঢাকা এসেটস)
মনজুর আলম মনজু (আসিফ শিফা ক্রিকেট একাডেমী)

ক্যাটাগরি-৩
খালেদ মাহমুদ সুজন (সাবেক অধিনায়ক)

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ক্যাটাগরি

আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি
জালাল ইউনুস

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অক্টোবর ২০২১ ০২:১০:এএম ৩ বছর আগে
২৪ লাখ রুপি জরিমানা গুনতে হচ্ছে কেকেআর অধিনায়ককে - Ekotar Kantho

২৪ লাখ রুপি জরিমানা গুনতে হচ্ছে কেকেআর অধিনায়ককে

একতার কণ্ঠঃ মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। রোহিত শর্মার দলকে ৭ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে উঠে এসেছে ইয়ন মর্গানের দল।

অবশ্য এ জয়ের আনন্দকে কিছুটা হলেও মাটি করে দিয়েছে এক দুঃসংবাদ। ২৪ লাখ রুপি জরিমানা গুনতে হচ্ছে কেকেআর অধিনায়ক এইউন মরগ্যানকে। স্লো ওভার রেটের ফাঁদে ধরা পড়েছে কলকাতা। এতেই শেষ নয়, কলকাতা একাদশের অন্যদেরও ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা হিসেবে দিতে হবে।

আইপিএলের নীতিমালা অনুযায়ী, স্লো ওভার রেটের জন্য এক ম্যাচে অধিনায়কের জরিমানা করা হয় ১২ লাখ রুপি। তবে মর্গানকে গুনতে হবে ২৪ লাখ। কারণ একই মৌসুমে দ্বিতীয়বার এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন ইংলিশ তারকা। তাই প্রথমবারের জরিমানার দ্বিগুণ অর্থাৎ ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে মর্গানকে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নির্ধারিত ২০ ওভার সমাপ্তির জন্য ইনিংসের মাঝে দুই বিরতিসহ মোট ৯০ মিনিট সময় বেঁধে দেন ম্যাচ রেফারি। এর বাইরে আরও ৫ থেকে ৭ মিনিট পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে নিলে আপত্তি করেন না রেফারি।

কিন্তু বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে ২০ ওভার শেষ করতে কলকাতার সময় লেগেছে প্রায় ১১৫ মিনিট। এ কারণেই মূলত শাস্তির মুখোমুখি হতে হলো অধিনায়ক মর্গান ও তার দলকে।

ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১৫৬ রান জমা করে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। জবাবে ভেংকটেশ আইয়ার ও রাহুল ত্রিপাঠির ঝড়ে মাত্র ১৫.১ ওভারে ১৫৯ রান করে ফেলে শাহরুখ খানের দল।

সংবাদ সূত্র-যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৫:১৬:পিএম ৩ বছর আগে
অদৃশ্য ট্রেনের খোঁজ মেলেনি ১১০ বছরেও - Ekotar Kantho

অদৃশ্য ট্রেনের খোঁজ মেলেনি ১১০ বছরেও

একতার কণ্ঠঃ ১১০ বছর আগে ১৯১১ সালে ধুমধাম করে একটি ট্রেনের সূচনা করেছিল ইতালির জেনেটি নামে একটি রেল সংস্থা।উদ্বোধনের দিন সব যাত্রীকে বিনা টিকিটে ঘোরানোর ব্যবস্থা করেছিল সংস্থাটি।ছয়জন রেলকর্মী এবং ১০০ যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়েছিল ট্রেনটি। কিন্তু গন্তব্যে আর পৌঁছানো হয়নি। মাঝ পথে রহস্যজনকভাবে আস্ত ট্রেনটিই গায়েব হয়ে যায়! আজ পর্যন্ত যার কোনো খোঁজও মেলেনি।

খোঁজ পাওয়া যায়নি যাত্রীদেরও। ১১০ বছর আগের সেই দিনের কথা ভাবলে আজও গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে। এতগুলো যাত্রী নিয়ে আস্ত ট্রেন কীভাবে মুহূর্তে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে তার কারণ অনুসন্ধান করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। শোনা যায়, অনেক খুঁজেও ট্রেনের কোনো চিহ্ন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

১৯১১ সালে রোমের একটি স্টেশন থেকে ১০০ যাত্রী এবং ওই ছয় কর্মী নিয়ে রওনা দিয়েছিল ট্রেনটি। যাত্রীরা সবাই খুব উপভোগ করছিলেন যাত্রা। যাত্রীদের জন্য ট্রেনে এলাহি খাবারের ব্যবস্থাও ছিল। উদ্দেশ্য ছিল ট্রেনে করে যাত্রীদের ইতালির বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখানো।যাত্রাপথে একটি সুড়ঙ্গ পড়েছিল। ট্রেন সেই সুড়ঙ্গে প্রবেশ তো করেছিল কিন্তু আর বের হয়নি। পরবর্তীকালে ট্রেনের সন্ধানে সুড়ঙ্গের মধ্যে অনেকেই গেছেন। কিন্তু তন্ন তন্ন করে খুঁজেও তার চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

পাহাড়ের বুক চিরে তৈরি হওয়া ওই সুড়ঙ্গের ভেতর আর কোনো রাস্তাও ছিল না। ট্রেন দুর্ঘটনারও কোনো চিহ্ন মেলেনি।দুজনের কথার বিষয়বস্তু ছিল একই। সুড়ঙ্গে প্রবেশের মুহূর্তে সাদা ধোঁয়া গ্রাস করেছিল ট্রেনটিকে। সেই সময় নাকি কোনোক্রমে দুজন ট্রেন থেকে ঝাঁপ দেন। তার পর আর কিছু মনে ছিল না তাদের।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বোমা পড়ে সুড়ঙ্গের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খোঁজও থামিয়ে দিতে হয়। এর অনেক বছর পর ট্রেনটিকে ঘিরে এমন কিছু ঘটনা বা তথ্য সামনে আসতে শুরু করে, যা জানলে আরও হতচকিত হয়ে যেতে হয়।

মেক্সিকোর এক চিকিৎসক দাবি করেন, অনেক বছর আগে মেক্সিকোর একটি হাসপাতালে নাকি ওই ১০৪ যাত্রীকে ভর্তি করা হয়েছিল। তারা প্রত্যেকেই অসংলগ্ন কথা বলছিলেন। প্রত্যেকেই কোনো একটি ট্রেনের উল্লেখ করেছিলেন। সেই ট্রেনে করেই নাকি তারা মেক্সিকো পৌঁছেছিলেন।এমনকি ইতালির বিভিন্ন প্রান্তে, জার্মানি, রোমানিয়া এবং রাশিয়াতেও নাকি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষ ঠিক ওই রকমই একটি যাত্রীবোঝাই ট্রেন দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করতে শুরু করেছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ট্রেনের যে বর্ণনা দিয়েছিলেন তা হুবহু ওই অদৃশ্য হওয়া ট্রেনটির মতো ছিল। সেই সময় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ট্রেনটি নাকি ট্রাইম ট্রাভেল করে ১৮৪০ সালের মেক্সিকোয় পৌঁছে গিয়েছিল।যদিও এই সব দাবির পক্ষে কোনো জোরালো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ট্রেনকে ঘিরে টাইম ট্রাভেলের যে কাহিনি ছড়িয়ে পড়ে তাতেও সিলমোহর দেওয়া যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:০৭:এএম ৩ বছর আগে
অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সিরিজ জয় - Ekotar Kantho

অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সিরিজ জয়

একতার কণ্ঠঃ অতীতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ তো দূরে থাক, টি-টোয়েন্টিতে জয়ের দেখাও পায়নি বাংলাদেশ।ক্রিকেট খেলুড়ে শক্তিশালী এই দুই দলকে ঘরের মাঠে ডেকে এনে সিরিজে হারাল বাংলাদেশ।বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ।

নিউজিল্যান্ডকে চলমান পাঁচ ম্যাচের সিরিজের চতুর্থ খেলায় ৩-১ ব্যবধানে হারাল টাইগাররা। সিরিজের শেষ ম্যাচটি শুক্রবার মিরপুরের একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নাসুম আহমেদের স্পিন আর মোস্তাফিজুর রহমানের গতির মুখে পড়ে ১৯.৩ ওভারে ৯৩ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। কিউইদের হয়ে উইলি ইয়াং একাই করেন ৪৬ রান। বাংলাদেশ দলের হয়ে চার ওভারে ১০ ও ১২ রান খরচায় সমান ৪টি করে উইকেট নেন নাসুম আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান।

৯৪ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমেও ৬ ওভারে মাত্র ৩৭ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলীয় ৬৭ রানে নিজের ভুলে রান আউট হয়ে ফেরেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম।

এরপর আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড: ১৯.৩ ওভারে ৯৩/১০
বাংলাদেশ: ১৯.১ ওভারে ৯৬/৪ (রিয়াদ ৪৩*, নাঈম ২৯)।

ফল: বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:০৩:এএম ৩ বছর আগে
নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে র‌্যাংকিংয়ে ছয়ে উঠে গেল বাংলাদেশ - Ekotar Kantho

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে র‌্যাংকিংয়ে ছয়ে উঠে গেল বাংলাদেশ

একতার কণ্ঠঃ নিউজিল্যান্ডকে ৪ রানে হারিয়ে আইসিসির টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে ছয় নম্বর পজিশনে উঠে গেলে বাংলাদেশ। এর আগে কিউইদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় জিতে দশ নম্বর পজিশন থেকে সাতে উঠে যায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন দলটি।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৪১ রান করে বাংলাদেশ। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রানে ইনিংস গুটায় নিউজিল্যান্ড। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ৪ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৪২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২.৩ ওভারে দলীয় ১৬ রানে সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ওপেনার রাচিন রবীন্দ্র। সাকিবের পর কিউই শিবিরে আঘাত হানেন মেহেদি হাসান। তার শিকার হন টম বান্ডেল। ৩.১ ওভারে দলীয় ১৮ রানে ফেরেন এ ওপেনার।

১৮ রানে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর তৃতীয় উইকেটে উইলি ইয়াংকে সঙ্গে নিয়ে ৪৭ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক টম ল্যাথাম।

ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা এই জুটির বিচ্ছেদ ঘটান সাকিব। তার দ্বিতীয় শিকার হয়ে ২৮ বলে ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইয়াং। ১০.৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৬১ রান।

পাঁচ নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারো সেই নাসুম আহমেদের স্পিনে বিভ্রান্ত হন কলিন ডি গ্রান্ডহোম। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১ রানে করে নাসুমের বলে আউট হওয়া নিউজিল্যান্ডের এ তারকা ব্যাটসম্যান এদিনও সেই একই বোলারের স্পিনে শিকার হন। দ্বিতীয় ম্যাচে ফেরেন ১০ বলে মাত্র ৮ রান করে। তার বিদায়ে ১৪.২ ওভারে ৮৫ রানে ৪ উইকেট হারায় কিউইরা।

নাসুমের পর কিউই শিবিরে আঘাত হানেন মেহেদি হাসান। তার বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন হেনরি নিকোলাস। ১৫.৩ ওভারে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন নিকোলাস।

এরপর কলিন ম্যাককলিনচকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ২৮ বলে ৪৫ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক টম ল্যাথাম। এই জুটিই দলকে জয়ের পথে নিয়েছিল।

শেষ ওভারে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম চার বলে দেন ৭ রান। পরের দুই বলে কিউইদের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। পঞ্চম বলটি ‘নো’ করেন ফিজ। শেষ দুই বলে নিউজিল্যান্ডকে ৮ রান করতে হতো। পঞ্চম বলে দুই রান নেয় নিউজিল্যান্ড।

জয়ের জন্য শেষ বলে ছক্কা হাঁকাতে হতো নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ল্যাথামকে। কিন্তু তিনি এক রানের বেশি নিতে পারেননি। ৪ রানের জয় পায় টাইগাররা।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৪১ রান করে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এছাড়া ৩৩ রান করেন আরেক ওপেনার লিটন দাস।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুভ সূচনা করে বাংলাদেশ। লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে ওপেনিংয়ে ৯.৩ ওভারে স্কোর বোর্ডে ৫৯ রান যোগ করেন নাঈম।

২৯ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৩৩ রান করে রাচিন রবিন্দ্রর স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে ফেরেন লিটন। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১ রানে আউট হয়েছিলেন তিনি।

লিটন আউট হওয়ার পর তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিপদে পড়েন মুশফিকুর রহিম। রাচিন রবিন্দ্রর বলে গোল্ডেন ডাক পান জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক।

চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ বলে ১২ রান করে ফেরেন সাকিব আল হাসান। তার বিদায়ে ৭২ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ দল।

এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রান সংগ্রহের চেষ্টা করতে গিয়ে আউট হন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। রাচিন রবিন্দ্রর করা বলটি বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন এ ওপেনার। ৩৯ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ৩৯ রান করে ফেরেন তিনি।

নাঈম আউট হওয়ার পর ৩ বলে ৩ রান করে ফেরেন আফিফ হোসেন। তার বিদায়ে ১৬.২ ওভারে ১০৯ রানে বাংলাদেশ হারায় পঞ্চম উইকেট।

এরপর নুরুল হাসান সোহানকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ২২ বলে ৩২ রান যোগ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন সোহান। তিনি ফেরেন ৯ বলে ১৩ রান করে। ৩২ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন রিয়াদ।

সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:৪১:এএম ৩ বছর আগে
অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডকেও মাটিতে নামাল টাইগাররা - Ekotar Kantho

অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডকেও মাটিতে নামাল টাইগাররা

একতার কণ্ঠঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঠিক আগমুহূর্তে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলকেও মাটিতে নামাল টাইগাররা।নিউজিল্যান্ডকে সর্বনিম্ন ৬০ রানে অলআউট করে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় ৭ উইকেটের সহজ জয় পায় টাইগাররা।

এর আগে অস্ট্রেলিয়াকে সর্বনিম্ন ৬২ রানে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন দলটি। অসিদের পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ।

বুধবার( ১ সেপ্টেম্বর) নিউজিল্যান্ডকে ৬০ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে ৭ উইকেটের জয়ে সিরিজে ১-তে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে টাইগার স্পিনার মেহেদি হাসান, সাকিব আল হাসান, নাসুম আহমেদের ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে মাত্র ৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড।এরপর হেনরি নিকোলসকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে দলকে খেলায় ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন অধিনায়ক টম লাথাম। পঞ্চম উইকেটে তারা সর্বোচ্চ ৩৪ রানের জুটি গড়েন।

৪ উইকেটে ৫৩ রান করা দলটি এরপর মাত্র ৭ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬.৫ ওভারে ৬০ রানে অলআউট হয়।৬১ রানের সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৪.৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয় পেলেও শুরুতেই বিপাকে পড়েছিল বাংলাদেশ।২.৫ ওভারে মাত্র ৭ রানে সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও লিটন কুমার দাস।এরপর মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ৩২ রানের জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান। ৩৩ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই অলরাউন্ডার।

সাকিব আউট হওয়ার পর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন মুশফিকুর রহিম। ১৬ ও ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক-রিয়াদ।

সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৫:৪২:এএম ৩ বছর আগে
বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ - Ekotar Kantho

বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

একতার কণ্ঠঃ ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ বিমানের পাইলট নওশাদ আতাউল কাইউম ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দিতে অনুমতির অপেক্ষা করছে। বিমানের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রোববার(২৯ আগস্ট) দুপুরে নওশাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিমানের বেশ কয়েকটি অসমর্থিত সূত্র তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নওশাদের মৃত্যুর ঘোষণা এখনও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেয়নি। তিনি এখনও লাইফ সাপোর্টে আছেন।

সূত্রে জানা গেছে, নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে কোমায় থাকা নওশাদ ক্লিনিক্যালি ডেড। পাইলট নওশাদের স্বজনরা এখনই লাইফ সাপোর্ট খুলে দিতে চাচ্ছেন না। তাদের দাবি, নতুন করে মেডিকেল বোর্ড বসানো হোক। পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর তারাই সিদ্ধান্ত দিক। এ দাবিতে বিমান কর্তৃপক্ষেরও সায় রয়েছে।

বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান জানান, ক্যাপ্টেন নওশাদের মৃত্যুর খবর সঠিক নয়। এখনও তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন।

এদিকে নওশাদের দুই বোন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

গত শুক্রবার মাসকাট-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শিডিউল ফ্লাইট বিজি ০২২ মোট ১২৪ যাত্রী নিয়ে ঢাকা আসার পথে পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে। এরপর নাগপুরের ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করা হয়।

শনিবার রাতেই নওশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

এর আগে ওই হাসপাতালের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রোশান ফুলবান্ধে জানিয়েছিলেন, ক্যাপ্টেন নওশাদ ‘কোমায়’আছেন। মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাকে সম্পূর্ণ ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২১ ০২:১৩:এএম ৩ বছর আগে
বাংলাদেশ থেকে কিছু লোক তালেবানের সাথে যোগ দিতে চাচ্ছেঃঃঢাকার পুলিশ কমিশনার - Ekotar Kantho

বাংলাদেশ থেকে কিছু লোক তালেবানের সাথে যোগ দিতে চাচ্ছেঃঃঢাকার পুলিশ কমিশনার

একতার কন্ঠঃ বাংলাদেশের পুলিশের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বলেছেন, আফগানিস্তানে তালেবানের সাথে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকে কিছু ব্যক্তি সে দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।

ঢাকার পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম শনিবার(১৪ আগস্ট) সাংবাদিকদের বলেছেন, তালেবানের সাথে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকে এরই মধ্যে কিছু মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যাবার পর সেখানে ধরা পড়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।আফগানিস্তানে তালেবান যেরকম দ্রুত গতিতে একের পর এক জায়গা দখল করে নিচ্ছে, তার আঁচ কিছুটা হলেও পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশে।

ঢাকার পুলিশ কমিশনারের বক্তব্যে এ বিষয়টি নিয়ে কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যায়।

সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, তালেবানের হাতে রাজধানী কাবুলের পতন এখন শুধুই সময়ের ব্যাপার ।

আফগানিস্তানের উগ্রপন্থীদের সাথে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর যোগাযোগ অনেক পুরনো বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করেন।

এমন প্রেক্ষাপটে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে কিছু মানুষ এরই মধ্যে তালেবানের সাথে যোগ দিতে চলে গেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বলেন, “আফগানিস্তানে যুদ্ধে যাবার জন্য একটি আহবান জানানো হয়েছে তালেবানদের পক্ষ থেকে। এবং বাংলাদেশ থেকে কিছু মানুষ অলরেডি তালেবানদের সাথে যুদ্ধে যোগদান করার জন্য হিজরত করেছে। কিছু মানুষ আমরা ধারণা করছি যে ইন্ডিয়ায় ধরা পরেছে। আর কিছু পায়ে হেঁটে বিভিন্নভাবে আফগানিস্তানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।”

আফগানিস্তানে যাবার পথে কোন বাংলাদেশি ভারতে ধরা পড়েছে কিনা – সেটি ভারতের দিক থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উগ্রপন্থীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এমন গবেষণা সংস্থাগুলো বলছে, আফগানিস্তানের পট-পরিবর্তন বাংলাদেশকে প্রাভাবিত করবেই – তাতে কোন সন্দেহ নেই।

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস এন্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের চেয়ারপার্সন মেজর জেনারেল (অব.) মুনিরুজ্জামান ব্যাখ্যা বলেন, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হবার কারণ আছে।

“বাংলাদেশে ১৯৯০’র দশকের শুরুর দিকে যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু হয়, সে লগ্ন থেকে আফগান জিহাদের সাথে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সরাসরি একটি যোগসূত্র আমরা দেখতে পেয়েছি।”

১৯৯০’র দশকে আফগানিস্তানে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে বাংলাদেশ থেকে অনেকে আফগানিস্তান গিয়েছিল।

“যারা তখন আফগানিস্তানে গিয়েছিল, তারা সেখান থেকে ফিরে এসে বাংলাদেশে সন্ত্রাসের গোড়াপত্তন করে,” বলেন জেনারেল মুনিরুজ্জামান।

আফগানিস্তান এই অঞ্চলের দেশ হলেও বাংলাদেশের সাথে তাদের কোন সীমান্ত নেই। বাংলাদেশ থেকে কেউ অবৈধ পথে আফগানিস্তানে যেতে চাইলে তাকে ভারত ও পাকিস্তান পাড়ি দিতে হবে।

গত ১২ বছর যাবত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরাপত্তা বিষয়ে যে জোরালো সহযোগিতা আছে – তাতে করে বাংলাদেশের সীমান্ত পেরিয়ে ভারত হয়ে পাকিস্তান পর্যন্ত যাওয়া উগ্রপন্থীদের জন্য কতটা সহজ হবে?

জবাবে মি. মুনিরুজ্জামান বলেন, ” ব্যাপারটা আপাতদৃষ্টিতে কঠিন মনে হলেও যারা এ ধরণের কর্মকাণ্ডের সাথে লিপ্ত – তাদের জন্য এটা বেশ সহজ। সিরিয়াতে যখন আইএস যুদ্ধ করছিল, তখনও বাংলাদেশ থেকে যোদ্ধাদের যাওয়া সম্ভব হয়েছিল। কাজেই বাংলাদেশ থেকে আফগানিস্তানে যাওয়াটা অপেক্ষাকৃত সহজ।”

পুলিশ বলছে, বাংলাদেশের ভেতরে উগ্রপন্থীদের একটি অংশ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছে।

কিন্তু তাদের এরই মধ্যে নানা অভিযানে আটক করা হয়েছে এবং কোন ধরণের হামলার ক্ষমতা তাদের সেই বলে পুলিশ দাবি করছে।

সংবাদ সূত্রঃ বিবিসি বাংলা অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২১ ০২:১৫:এএম ৩ বছর আগে
জার্সি বিক্রি করেই মেসির ৪০ বছরের বেতনের সমান আয়! - Ekotar Kantho

জার্সি বিক্রি করেই মেসির ৪০ বছরের বেতনের সমান আয়!

একতার কণ্ঠঃ স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার সঙ্গে ২১ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে লিগ ওয়ানের ক্লাব পিএসজিতে যোগ দিয়েছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। পিএসজিতে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেসি হয়ে গেলেন ক্লাবটির সর্বোচ্চ বেতন পাওয়া খেলোয়াড়।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা বেশ কিছু ফরাসি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলছে, পিএসজি থেকে বার্ষিক ৪০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪০০ কোটি) করে পাবেন আর্জেন্টাইন এ অধিনায়ক। এছাড়া সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, পিএসজি থেকে কোনোপ্রকার বোনাস নেবেন না সাবেক এ বার্সা লিজেন্ড।

বার্ষিক ৪০ মিলিয়ন ইউরো আয়ের মাধ্যমে মেসি প্যারিসের ক্লাবটির সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হবেন। তাছাড়া ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে লিগ ওয়ানের সর্বোচ্চ বেতন এখন মেসির। একই ক্লাবের ফুটবলার নেইমারের বার্ষিক ৩৬.৮ এবং এমবাপ্পের ২৫ মিলিয়ন ইউরো উপার্জনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন এ ফরোয়ার্ড।

তবে মজার ব্যাপার হলো, আর্জেন্টাইন এ তারকাকে দলে ভেড়ানোর পর তার ৩০ নম্বর জার্সি বিক্রি করেই পিএসজি ও নাইকির যৌথ আয় আসবে ১ হাজার ৫৮০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় ১৫ হাজার ৭২৪ কোটি টাকারও বেশি)। যা বর্তমান সময়ের হিসেবে পিএসজিতে মেসির প্রায় ৪০ বছরের আয়!

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) আর্জেন্টিনার বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ভেরোনিকা ব্রুনাতি তার টুইটার একাউন্টে এই তথ্য জানিয়েছেন।

ওই টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, “মেসির প্রতিটি পিএসজি জার্সির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৮ ইউরো। আর ‘নাইকি’ অনুমান করেছে যে, তারা এই মৌসুমে ১০ মিলিয়ন ‘মেসির পিএসজি জার্সি’ বিক্রি করবে! অংকটা এবার করুন… এটা মেসির চুক্তির থেকেও অনেক বেশি। ”

এর আগে আর্জেন্টাইন এ তারকাকে দলে ভেড়ানোর পর নিজেদের অফিসিয়াল অনলাইন স্টোরে তার ৩০ নম্বর জার্সি বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে ফরাসি জায়ান্টরা। ৯২ পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১০,৭৩৫ টাকা) চড়া মূল্যেও রেকর্ড পরিমাণ সময়ে মাত্র ২০ মিনিটের মাথায় জার্সিটির স্টক ফুরিয়ে যায়। অথচ মেসির জার্সির দাম ছিল নেইমার-এমবাপ্পে-রামোসদের চেয়ে দেড় গুণ বেশি! তবে এর দাম দোকানভেদে এখন আরও বেশি রাখা হচ্ছে।

সংবাদ সূত্র-বাংলা নিউজ ২৪.কম

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অগাস্ট ২০২১ ০১:৫৩:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।