/ হোম / ফিচার
এবার ঈদে ধারাবাহিক নাটকে জাহিদ হাসানের সাথে টাঙ্গাইলের মেয়ে আনিকা - Ekotar Kantho

এবার ঈদে ধারাবাহিক নাটকে জাহিদ হাসানের সাথে টাঙ্গাইলের মেয়ে আনিকা

একতার কণ্ঠ বিনোদনঃ ছোট বেলা থেকে নাচ এবং গানের প্রতি খুব বেশি দরদ থাকলেও বড় হতে হতে আনিকা খানের এখন ঝোঁক  নাটকে। বছরের শুরুতে পরিচালক শাহীদ-উন-নবীর “মাইন্ড করবেননা প্লিজ” নামক একটি নাটকের মধ্য দিয়ে অভিনয় শুরু এক সময় নতুন কুঁড়ি, শাপলা কুঁড়িতে অংশগ্রহণকারী সেই ছোট্র আনিকার।

এবার ঈদুল ফিতরে দেখা যাবে তাকে ঈদের ৭ পর্বের বিশেষ ধারাবাহিক ‘বুড়া জামাই-২’ নাটকে নতুন প্রজন্মের এ অভিনেত্রী আনিকা খানকে। গত বছর ঈদে বৈশাখী টিভিতে প্রচারিত বুড়া জামাই নাটকের সিক্যুয়েল এটি।

বুড়া জামাই নাটকের বিপুল জনপ্রিয়তার কারণেই সিক্যুয়েল বুড়া জামাই-২। টিপু আলম মিলনের গল্পে জাকির হোসেন উজ্জলের চিত্রনাট্যে নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন রোহান আহমেদ রুবেল ও হানিফ খান।

নাটকে সুরভি চরিত্রে দেখা যাবে আনিকা খানকে নাটকের গল্প থেকে জানা যায় ফরহাদের খালা  শেফালী বেগম তার মেয়ে সুরভীকে নিয়ে বেড়াতে আসেন। খালার অনেক শখ ছিল ফরহাদের সাথে সুরভীর বিয়ে দেবেন কিন্তু ফরহাদ কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করে ফেলায় সে প্রচণ্ড কষ্ট পায়।

শেফালী বেগম অতি আবেগী এবং কথায় কথায় ওকে ছোট বেলা কোলে-পিঠে করে কত কষ্ট করে মানুষ করেছে বলে কান্নাজুড়ে দেন। দিয়াকে সে মোটেই দেখতে পারেন না। এই মেয়ের জন্যই সে ফরহাদের সাথে তার মেয়ের বিয়ে দিতে পারেনি। বিভিন্ন উছিলায় সে দিয়ার ভুল ধরতে চেষ্টা করেন। অপমান করেন। তার মনে এখনও ইচ্ছা কোনোভাবে দিয়াকে বিদায় করে দিতে পারলে ফরহাদের সাথে সুরভীর বিয়ে দিতে পারবেন।

এক প্রতিক্রিয়ায় আনিকা খান জানান, অনেক সুন্দর একটা নাটক। আশা করি দর্শকদের অনেক ভালো লাগবে । আমি চেষ্টা করেছি ভালো করার, অনুরোধ করবো সকলকে নাটকটা দেখার জন্য ।  সকলের দোয়া চাই। আগামীতে যেন দর্শকদের আরো ভালো ভালো নাটক উপহার দিতে পারি।

নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন, জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান,লাক্স সুন্দরী মীম মানতাশা, আরফান, সাজু খাদেম, মানসী প্রকৃতি, শিরিন আলম প্রমুখ। ঈদের  সপ্তম দিনে রাত ৯.২০ মিনিটে নাটকটি প্রচার হবে বৈশাখী টিভিতে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মে ২০২১ ০৩:১০:এএম ৫ বছর আগে
এবারও  ১০ গানে ঈদ মাতাবেন ড. মাহফুজুর রহমান - Ekotar Kantho

এবারও ১০ গানে ঈদ মাতাবেন ড. মাহফুজুর রহমান

একতার কণ্ঠ বিনোদনঃ  এবারের ঈদেও গান শোনাবেন বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। তাঁর একক সংগীতানুষ্ঠানের নাম ‘সুখে থাকো তুমি’। থাকছে মোট ১০টি গান। প্রচার হবে ঈদের দ্বিতীয় দিন রাত সাড়ে ১০টায়।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটিএন বাংলার পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, এবারের অ্যালবামের গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ। গানের কথা লিখেছেন নাজমা মোহাম্মদ, রাজেশ ঘোষ ও ড. মাহফুজুর রহমান। এটিএন বাংলার স্টুডিও এবং দেশের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে গানগুলো চিত্রায়ণ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের কারণে ঘরবন্দি দর্শকের একঘেয়েমি কাটাতে মাহফুজুর রহমানের অনুষ্ঠানটি ভিন্ন মাত্রার আনন্দ যোগ করবে বলে এটিএন বাংলা কর্তৃপক্ষ প্রত্যাশা করছে।

২০১৬ সালের পবিত্র ঈদুল আজহায় নিজের টেলিভিশন চ্যানেলে একক সংগীতানুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে আলোচনায় আসেন ড. মাহফুজুর রহমান।
এর পর থেকে প্রত্যেক ঈদে তিনি নিয়মিত গাইছেন। প্রতিবার ঈদ আয়োজনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠানের তালিকায় থাকে তাঁর একক সংগীতানুষ্ঠান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. মে ২০২১ ০৪:২১:এএম ৫ বছর আগে
দুই দপ্তরের কাজে সমন্বয়হীনতাঃঃ  বৈরাণ নদী গর্ভে ব্রিজ ও পাকা সড়ক - Ekotar Kantho

দুই দপ্তরের কাজে সমন্বয়হীনতাঃঃ বৈরাণ নদী গর্ভে ব্রিজ ও পাকা সড়ক

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নে একটি আরসিসি ব্রিজ ও প্রায় এক কিলোমিটার পাকা সড়ক স্থানীয় বৈরাণ নদীর গর্ভে চলে যাচ্ছে। পাউবো’র সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় না করে নদী খননের কারণে সরকারের প্রায় কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ বৈরাণ নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে। ফলে স্থানীয়দের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ধস নেমে এসেছে।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) গোপালপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বৈরাণ নদী খনন করছে। বৈরাণ নদীর মোট ৩৭.৫ কিলোমিটার ২১ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে তিন ধাপে খনন করা হচ্ছে। এরমধ্যে ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দী থেকে গোপালপুর উপজেলার হাটবৈরাণ পর্যন্ত প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৬ কিলোমিটার নদী খনন ২০২০ সালের জুনে শেষ হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বৈরাণ নদীর ভাটিতে আরও সাড়ে ১১ কিলোমিটার খনন কাজ চলছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের(পাউবো) কর্মকর্তারা নদী খননে পরিকল্পনাকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও এলজিইডি’র সঙ্গে সমন্বয় না করার কারণে স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫৪ লাখ চার হাজার ৬৫১টাকায় ৬০ ফুট দৈর্ঘ্যরে একটি আরসিসি ব্রিজ ও বন্দহাদিরা গ্রামের অংশে এলজিইডি’র প্রায় ৮০ লাখ টাকায় নির্মিত এক কিলোমিটার পাকা সড়ক নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে।
ইতোমধ্যে গত বর্ষায় পাকা সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার নদীগর্ভে চলে গেছে। ফলে নগদাশিমলা বাজার থেকে হাদিরা হয়ে ধনবাড়ী উপজেলা সদরে সরাসরি যান চলাচল দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ রয়েছে। শুস্ক মৌসুমেও ওই অংশে পাকা সড়ক ভেঙে পড়ছে। উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও মালামাল নিয়ে বিকল্প পথে যাতায়াত করায় মানুষের খরচ ও ভোগান্তি বেড়েছে। রাতে চলাচল করতে গিয়ে ইতোমধ্যে ১০-১২ ব্যক্তি আহত হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমেই ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে বন্দহাদিরা গ্রামের অনেক বাড়িঘর আগামি বর্ষায় নদীগর্ভে চলে যাবে।

অন্যদিকে, হাদিরা ইউনিয়নের ভাদুরীরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্বপাশে জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর পূর্ব-পশ্চিমে ৬০ ফুট দীর্ঘ একটি আরসিসি ব্রিজ নির্মাণ করে। ব্রিজটি বৈরাণ নদীর পূর্ব ও পশ্চিম(ডান ও বামতীরে) পাশের ৮-১০টি গ্রামের সেতুবন্ধন। পাউবো বৈরাণ নদীর ওই অংশে খনন করতে গিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় না করে নিজেদের প্রকল্পের স্বার্থে ব্রিজের অ্যাপ্রোচের মাটি কেটে তীরে জমা করে রেখেছে। অ্যাপ্রোচের মাটি কেটে ফেলায় ইতোমধ্যে গত বর্ষায় ব্রিজের আরসিসি পিলারে ফাঁটল ধরে দেবে গেছে। শুস্ক মৌসুমে ব্রিজের দুই পাশে বাঁশের সাঁকো লাগিয়ে স্থানীয়রা জরুরি প্রয়োজনে পায়ে হেঁটে চলাচল করছে। কোন প্রকার ভ্যান-রিকশা বা অন্য যানচলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
বন্দহাদিরা গ্রামের ব্যবসায়ী আজহার আলী, হাদিরা গ্রামের বাসিন্দা মো. গোলাম ফারুখ সহ অনেকেই জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার গোয়ালবাড়ী ঘাট ব্রিজের উত্তরে জনৈক প্রভাবশালীর জবরদখল করা জমি রক্ষার জন্য পূর্বদিকে ধনুকের মতো বাঁকিয়ে নদী খনন সম্পন্ন করেন। এতেই পাকা সড়ক ভেঙে নদীতে চলে যাচ্ছে।

হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মোজাম্মেল হোসেন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফিল্ড অফিসার এবং ঠিকাদারের প্রতিনিধিকে একাধিকবার বলেও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের চ্যানেলে খনন করানো যায়নি। ফলে বর্ষায় নদীর ¯্রােত ওখানে বাঁক খেয়ে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি করায় নদীতীর ও এলজিইডি’র পাকা সড়কে ভাঙন দেখা দেয়। প্রায় এক কিলোমিটার পাকা সড়ক ইতোমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে।

তিনি আর জানান, ভাদুরীরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্বপাশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ৬০ ফুট দীর্ঘ ব্রিজটির অ্যাপ্রোচের মাটি না কেটে নদী খনন করার জন্য স্কুলের শিক্ষক-অভিভাবক সহ স্থানীয় লোকজন অনুরোধ করলেও ঠিকাদার ও পাউবো’র ফিল্ড অফিসার কথা রাখেন নি। এতে শুকনো মৌসুমেই ব্রিজটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তিনি বিষয়টি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।

হাদিরা ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের তালুকদার জানান, বৈরাণ নদী খনন পাউবো একতরফাভাবে করেছে। এলজিইডি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সাথে তারা কোন সমন্বয় করে নাই। ফলে নির্মিত পাকা সড়ক ও ব্রিজের সুফল থেকে স্থানীয় জনসাধারণ বঞ্ছিত হচ্ছে।

গোপালপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আল মাসুদ জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে তাদের কোন কথাই হয়নি। পাউবো’র ঠিকাদার স্থানীয় সমস্যা বিবেচনায় না নিয়ে কাজ শেষ করেছে। এছাড়া জেলা নদী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তাদের ব্রিজটি সরিয়ে নেওয়ার কথা হয়েছিল কি-না তা তিনি জানেন না। ব্রিজের ক্ষয়ক্ষতির দায়ভার অবশ্যই পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

গোপালপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের(এলজিইডি) প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারের খামখেয়ালির কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তারা এলজিইডি’র নগদাশিমলা-হাদিরাবাজার সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারে হাত দিয়েছেন। কিন্তু বন্দহাদিরা এলাকায় নদীতীর না থাকায় সড়ক সংস্কার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

টাঙ্গাইল এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্ষা আসার আগেই কাজ শেষ করা হবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঐতিহ্যবাহী বৈরাণ নদী যথাযথভাবে খনন করা হচ্ছে। বন্দহাদিরায় গত বর্ষায় তীর ভেঙে যাওয়ায় এলজিইডি’র সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কটি যেহেতু এলজিইডি’র সুতরাং সংস্কার বা মেরামতের দায়িত্বও তাদের। নদীতীর সুরক্ষায় বর্ষা মৌসুমে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়ে থাকে- তখন ওখানে কাজ করা সম্ভব।

তিনি আরও জানান, বৈরাণ নদী খননের প্রাক্কালে জেলা নদী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় ভাদুরীরচরের ৬০ ফুট ব্রিজটি সরিয়ে নিয়ে নতুন ব্রিজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত ব্রিজটি কেন সরানো হয়নি তা বোধগম্য নয়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. এপ্রিল ২০২১ ০৩:১০:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।