/ হোম / কৃষি
টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরের লাঙলের ফলায় আটকে কিশোরের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক্টরের লাঙলের ফলায় আটকে কিশোরের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃটাঙ্গাইলের নাগরপুরে ট্রাক্টরের লাঙলের ফলায় আটকে সোহেল (১৬) নামে এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার আগত গয়হাটা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।সোহেল ওই গ্রামের মুক্তার ফকিরের ছেলে।নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল-মামুন মৃত্যুর বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে দেওআকুটিয়া গ্রামের হাশেম মিয়ার ছেলে নবীন ট্রাক্টর নিয়ে আগত গয়হাটার চাঁন মিয়ার জমিতে হাল চাষ করতে যান। এ সময় পাশে দাঁড়িয়ে হালচাষ দেখছিল সোহেল। ট্রাক্টরচালক নবীন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সোহেলকে ডাক দেন। সোহেল চলন্ত ট্রাক্টরে উঠতে গিয়ে লাঙলের ফলায় আটকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, ঘটনাস্থল থেকে সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করে  ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২১ ০২:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চুরি হওয়া দুই ষাঁড় পালিয়ে ফিরল গৃহস্তের গোয়ালে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চুরি হওয়া দুই ষাঁড় পালিয়ে ফিরল গৃহস্তের গোয়ালে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের তিন গ্রামের চার কৃষকের ১২টি গরু চুরি হওয়ার পর দুইটি ষাঁড় চোরদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এক গৃহস্তের গোয়ালে ফিরে আসার ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয়রা জানায়, ঘাটাইল উপজেলার মাকড়াই, সরিষাআটা ও বাঘাড়া গ্রামের চারজন কৃষকের ১২টি গরু গত মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) দিনগত রাতে চুরি হয়।

এরমধ্যে মাকড়াই খালপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের তিনটি, সরিষাআটা গ্রামের শহিদুল্লাহ সিকদারের চারটি, একই গ্রামের সোহেল মিয়ার একটি এবং বাঘারা গ্রামের জব্বার সিকদারের চারটি গরু রয়েছে।

চুরি হওয়া ১২টি গরুর মধ্যে দুইটি ষাঁড় বুধবার(১১ আগস্ট) সকালে সরিষাআটা গ্রামের শহিদুল্লাহর গোয়ালে ফিরে আসে।

কৃষক শহিদুল্লাহ সিকদার জানান, চোরের দল গোয়ালঘরের তালা ভেঙে বাছুর সহ একটি দুধেল গাভী ও দুটি ষাঁড় নিয়ে যায়। তার মধ্যে ষাঁড় দুটি চোরদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। চুরি করা গরু গাড়িতে তোলার সময় ষাঁড় দুটি ভয় পেয়ে দৌঁড় দেওয়ায় চোরের দল আটকাতে পারেনি বলে তিনি ধারণা করছেন।

ধলাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এজহারুল ইসলাম জানান, এলাকায় গরু চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। চুরি ঠেকাতে তিনি পুলিশের টহল জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন।

ধলাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুল হাসান জানান, চুরির বিষয়টি কেউ তাকে অবগত করেনি। খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২১ ০২:০৩:এএম ৫ বছর আগে
একটি সড়কের সংস্কারের অভাবে দুই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে - Ekotar Kantho

একটি সড়কের সংস্কারের অভাবে দুই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে একটি সড়কের সংস্কারের অভাবে দুই গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। নাগরপুরের দপ্তিয়র ইউনিয়নের ধূনাইল-দৌলতপুর চার কিলোমিটার দীর্ঘ একটি কাঁচা সড়ক থাকলেও দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সারোটিয়া গাজি ও পাছ আরড়া গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে পারছেনা। সড়কটির উন্নয়ন না হওয়ায় ওই দুই গ্রামের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিপণ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য মুখ থুবরে পশ্চাৎপদ জনপদ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের নাগরপুরের সাথে মানিকগঞ্জের(তৎকালীন ঢাকা জেলার) দৌলতপুরের যোগাযোগ স্থাপনে পাকিস্তান আমলে ধূনাইল-দৌলতপুর ভায়া সারোটিয়া গাজি ও পাছ আরড়া চার কিলোমিটার কাঁচা সড়ক নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সড়কটি এখন সমতল ভূমিতে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে কাঁদা ও শুকনো মৌসুমে ধূলায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ওই সড়কে নাগরপুর ও দৌলতপুরকে দ্বিখন্ডিত করেছে একটি খাল। বর্ষায় বানের পানিতে খালটি পরিপূর্ণ থাকে। বাধ্য হয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়।

সারোটিয়া গাজি গ্রামের আমিরুল ইসলাম আলোক ও মনির হোসেন সহ অনেকেই ক্ষোভের সঙ্গে জানান, বৃষ্টি হলে কাঁদা আর শুকনায় ধূলার সাগর পাড়ি দিয়ে চলাচল করতে হয়। রিকশা, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলতে পারে না। এমনকি পায়ে হেঁটে চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় সময়মতো যেতে পারেনা। প্রসূতিদের সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়না। পণ্য পরিবহনে ঘোড়া ও গরুর গাড়ির কোন বিকল্প নেই।

তারা আরও জানান, এই সড়ক দিয়ে দুই গ্রামের হাজার হাজার মানুষের চলাচল। নির্বাচন এলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতারা নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে বার বার সড়কটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচিত হওয়ার পর কেউ কথা রাখেনি।

দপ্তিয়র ইউপি চেয়ারম্যান এম ফিরোজ সিদ্দিকী জানান, গ্রাম দুটির যোগাযোগ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নাজুক। ইউনিয়ন পরিষদের ছোট-খাট প্রকল্প দিয়ে এ সমস্যার সমাধান আদৌ সম্ভব নয়। মেগা প্রকল্প গ্রহন করার যোগ্যতা ইউনিয়ন পরিষদের নেই। তবে তিনি বিষয়টি উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় উত্থাপন করবেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জুলাই ২০২১ ০২:৩৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কোরবানির গরু আছে ক্রেতা নেই; অনলাইনেও জমেনি পশুর হাট - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কোরবানির গরু আছে ক্রেতা নেই; অনলাইনেও জমেনি পশুর হাট

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে খামার ও কৃষক পর্যায়ে কোরবানির জন্য প্রায় দেড় লাখ গরু প্রস্তুত থাকলেও করোনার কারণে হাট না বসানোয় ক্রেতা মিলছে না।সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কোরবানির পশু বিকিকিনির জন্য অনলাইন হাটের ব্যবস্থা করা হলেও এ বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় জমে ওঠছে না।ফলে কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে কৃষক ও খামারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। তবে ঈদুল আযহার আগে ৩-৪দিন হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া হলে এ অবস্থার কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন হওয়ার আশায় বুক বেঁধেছেন খামারী ও কৃষকরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানাগেছে, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় ছোট-বড় ৬ শতাধিক গরু মোটাতাজা করণের খামার রয়েছে।খামারগুলোতে ৯৫ হাজার ২০০ কোরবানির গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া জেলার কৃষক পর্যায়ে প্রায় ৫০ হাজার পশু মোটাতাজা করে কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সূত্রমতে, সরকারি হিসেবে জেলায় কোরবানির জন্য ৮৪ হাজার ২২০টি(গত দুই বছরের অনুপাতে) পশুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বেসরকারি হিসেবে এর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। করোনার কারণে দেশে কঠোর লকডাউন চলমান থাকায় জেলার গরুর হাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।জেলার গরুর হাট হিসেবে খ্যাত ৩-৪টি হাটে ইজারাদাররা ব্যক্তি উদ্যোগে হাট বসানোর চেষ্টা করায় জেলা-উপজেলা প্রশাসনের তৎপরতায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারা কোরবানির হাট বসানোর বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।

এদিকে, অনলাইন কেনাকাটা উৎসাহিত করতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোরবানিকে সামনে রেখে ১৩টি অনলাইন পশুর হাট পেইজ খোলা হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পেইজে খোলা এসব হাটগুলোর মধ্যে জেলার ১২টি উপজেলায় ১২টি এবং জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে একটি রয়েছে।এসব পেইজে বৃহস্পতিবার(৮ জুলাই) পর্যন্ত তিন হাজার ৬৮১টি পশুর বিবরণ সহ ছবি আপলোড করা হয়েছে। এরমধ্যে ১৩২টি কোরবানির পশু সরকারি অনলাইনে বিক্রি হয়েছে।

সরেজমিনে কৃষক জাহাঙ্গীর আলম, বুলবুল হোসেন, দবির উদ্দিন, আজিজুর রহমান, বাবলু মিয়া, রমজান আলী, লালচান মিয়া, নজরুল ইসলাম সহ অনেকেই জানান, তারা প্রতি বছর কোরবানি সামনে রেখে ২-৪টি ষাড় বাছুর কিনে মোটাতাজা করেন।মোটাতাজাকরণে পরিবারের সবাই কম-বেশি শ্রম দেন। কোরবানির সময় বিক্রি করে তারা বেশ লাভবান হন। এ বছরও তারা ষাড় বাছুর কিনে মোটাতাজা করেছেন।কিন্তু এবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় কঠোর লকডাউন চলছে। ফলে এখনও পর্যন্ত কোন পাইকার তাদের গরু কেনার জন্য আসেনি। হাট বন্ধ থাকায় তাদের গরুগুলো বাড়িতেই রয়েছে। অনলাইন হাট সম্পর্কে তাদের ধারণা না থাকায় সেখানেও কোন রকম যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছেনা। সব মিলিয়ে তারা এবার গরু নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

টাঙ্গাইল পৌরসভার বালুচরা এলাকার বীণা এগ্রো ফার্মের মালিক শাহ আজিজ তালুকদার জানান, কোরবানিকে সামনে রেখে তিনি ১৫টি দেশি জাতের গরু লালন-পালন করছেন।ইতোমধ্যে গরুগুলো ক্রয় ও পালনে তিনি ২০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। করোনায় হাট-বাজার বন্ধ থাকায় তিনি অনলাইনে চেষ্টা করে আশানুরূপ সাড়া পাননি। ভারতীয় গরু দেশে না এলে তিনি এবারও লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

ভূঞাপুরের বৃহৎ খামার চকদার গরুর খামারের মালিক মো. দুলাল হোসেন চকদার জানান, এ বছর কোরবানির জন্য তিনি ১০০টি ষাড় ও বলদ মোটাতাজা করেছেন। এরমধ্যে ৪০টি বলদ ও ৬০টি ষাড় গরু রয়েছে।করোনার কারণে এবার তিনি অনলাইনে গরু বিক্রির উপর জোর দিয়েছেন। ফেসবুকে পেইজ খুলে গরুর ছবি দিয়ে তিনি ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করছেন। এতে ভালো সাড়াও পেয়েছেন।প্রতিদিনই অনলাইনে লোকজন যোগাযোগ করছেন, পাইকাররাও ফেসবুকে দেখে স্বশরীরে আসছেন। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি ২৬টি ষাড় ও বলদ বিক্রি করেছেন।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর গরুর হাট ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী গরুর হাটের ইজারাদার মো. লিটন মন্ডল জানান, স্থানীয় নানা জটিলতার কারণে বৃহত্তর এ হাটটি ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে।করোনার কঠিন আঘাত তাদের জন্য ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার হাটবারেও গরু থাকলেও কঠোর লকডাউনের কারণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাটে বিকিকিনি বন্ধ করে দিয়েছে।এছাড়া লকডাউনের কারণে ক্রেতা ও পাইকাররা আসতে পারছেনা। গত বছর হাট ইজারা নিয়ে বেশ লোকসান গুনতে হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে গোবন্দিাসী গরুর হাট অস্তিত্ব হারাবে।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রানা মিয়া জানান, কঠোর লকডাউনের কারণে হাট-বাজার বন্ধ রয়েছে।কোরবানির পশু বিকিকিনি করতে জেলা প্রশাসন ও প্রাণি সম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে একটি এবং জেলার ১২টি উপজেলায় ১২টি মোট ১৩টি ফেসবুক পেইজ খোলা হয়েছে। ওইসব পেইজে খামারী ও সাধারণ কৃষকদের অনলাইনে পশু কেনাবেচাঁর সুযোগ তৈরি হয়েছে।অনেকে এ সুযোগ গ্রহন করছেন। সরকারি নির্দেশনা পেলে পশুর হাট বসানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জুলাই ২০২১ ০৩:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পোল্ট্রি ফার্মের শিয়াল মারা ফাঁদে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পোল্ট্রি ফার্মের শিয়াল মারা ফাঁদে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পোল্ট্রি ফার্মে শিয়াল মারার বিদ্যুতের ফাঁদে পড়ে অজ্ঞাত এক যুবকের (৩২) মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৪) দিনগত রাতের কোন এক সময়ে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের ভাতগড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফার্মের বেড়ায় লাগানো শিয়াল মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম তার ফার্মে কুকুর, শেয়াল ও চুরি রুখতে রাতে চারদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রাখেন। গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাতেও তিনি একই ভাবে ফার্মের বেড়ার সঙ্গে বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে রাখেন। রাতে কোন এক সময় অজ্ঞাত ওই যুবক ফার্মের বেড়ার স্পর্শে এলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম বলেন, পোল্ট্রি ফার্মের মালিক বেড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রাখে এটা তার জানা ছিল না। এছাড়া যে যুবক মারা গেছে তাকেও তিনি চেনেনা। মনে হয়  মৃত যুবকটি ওই ফার্মে চুরি করতে এসেছিল।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) একে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অজ্ঞাত ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অজ্ঞাত এ  লাশের এখনো কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। লাশ শনাক্তের জন্য পিবিআইয়ের সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জুন ২০২১ ১১:৫১:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন

একতার কণ্ঠঃ  সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও জেলা বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার(১৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের পদ্মমনি (বড়) পুকুর পাড়ে এ বৃক্ষ রোপন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি সাদেকুল আলম খোকাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ বান্ধব নিম গাছের চারা রোপন করা হয়। জেলার অন্যান্য উপজেলা পর্যায়েও বৃক্ষ রোপন করা হবে বলেও দলীয় সূত্র জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুন ২০২১ ০১:৫৮:এএম ৫ বছর আগে
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্কুল-কলেজ, ব্রিজ-কালভার্ট, রাস্তা-ঘাট, অবকাঠামোর উন্নয়নসহ কৃষির উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।

রবিবার ( ৩০ মে) টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী ও মধুপুরে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন এবং নিরাপদ সবজি প্রকল্প পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী যার-যার অবস্থানে থেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে এসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করারও আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, কার্যকর গবেষণা করে ধান, গম, ভুট্টা, শাকসবজি, ফলমূল, পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদের উন্নত জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। এ জন্য আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কৃষিতে বিপ্লব এনেছেন। সব রকম সহযোগিতা দিয়ে কৃষকের পাশে থেকেছেন। তার লক্ষ্য শুধু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনই নয়, বরং কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষকের জীবনমানকে উন্নত করা। তার স্বপ্ন হলো সারা পৃথিবীতে আমাদের দেশে উৎপাদিত নিরাপদ শাকসবজি, ফলমূল, মাছ-মাংস, হাঁস-মুরগি রপ্তানি করা।

ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ শামছুল আরেফিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউর রহমান গণি, ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুক আহমাদ, মধুপুর-ধনবাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহিনা আক্তার, মহিলা ভাইস চেয়ারমান জেব-উন-নাহার লিনা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন কালু, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মে ২০২১ ০২:৪৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সেচ পাম্পের ধান বন্টন নিয়ে উত্তেজনা; রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সেচ পাম্পের ধান বন্টন নিয়ে উত্তেজনা; রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা

একাতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মগড়ায় সেচ পাম্পের মালিকদের ধান ভাগাভাগি নিয়ে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে দক্ষিণ মগড়ার ধানু মন্ডলের ছেলে টাঙ্গাইল জুডিসিয়াল ম্যাজিঃ সদর আলমী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা দক্ষিন মগড়া মৌজায় ৫০ বিঘা জমি নিয়ে প্রায় ১৫ বছর পূর্ব হইতে ইরি স্ক্রীম আমির হামজা ও মোজাফর আলী পরিচালনা করিয়া আসিতেছে। পরবর্তীতে একই এলাকার আবুল কাশেম, মজনু, আঃ রহিম কে অংশিদার হিসেবে নিয়ে এই ইরি স্ক্রীম পরিচালনা করেন। উক্ত স্ক্রীম পরিচালনায় সকলে সমান হারে বিদ্যুৎ বিলসহ যাবতীয় খরচাদি পরিশোধ করিবে বলে চুক্তি নামা স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে আবুল কাশেম, মজনু, আঃ রহিম,আমীর হামজার নামে ইরি স্ক্রীমের যাবতীয় বিদ্যুৎ বিল না দিয়া উপরন্তু উৎপাদিত ফসলাদি জোরপূর্বক ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়ার পাঁয়তারা করে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে আমীর হামজা আরও একটি অভিযোগ টাঙ্গাইল সদর থানায় দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উৎপাদিত ধান জমিতেই রাখতে বলে। কিন্তু পুলিশের কথায় কোন কর্ণপাত না করে আবুল কাশেম, মজনু, আঃ রহিম জোরবলে ধান নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে আমীর হামজা বলেন, তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ এই স্ক্রীম চালিয়ে আসছেন। উক্ত স্ক্রীমের ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিল তার নামে হওয়ায় অন্য ভাগিরা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করিলে বিদ্যুৎ বিভাগ হতে তার নামে মামলা হয়। বহু কষ্টে নিজ উপার্জিত অর্থ জরিমানা দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করি। অংশিদারগণ প্রভাবশালী হওয়ায় এ বছরও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমার ভাগের হিস্যা বুঝিয়ে না দিয়ে তিন ভাগি মিলে জোরপূর্বক স্ক্রীমে উৎপাদিত ধান নিয়ে যায়। বুধবার (২৬ মে) তার নিজ দখলীয় ৯০ শতাংশ জমির উৎপাদিত ধান কেটে বাড়ি নেয়ার পথে রাস্তা থেকে তাও ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে পুলিশের নিকট অভিযোগ করেও কোন ফল পাইনি তিনি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সালাউদ্দিন বলেন, এ ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ঘটনায় মগড়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আজহারুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে আমি ইতিপূর্বে কয়েকবার সালিশ করেছি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সালিশের তারিখ নির্ধারণ করেও ওই তারিখে বিবাদীগণ উপস্থিত হননি। এ কারণেএলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মে ২০২১ ০১:৪৯:এএম ৫ বছর আগে
মধুপুরে সফল ভাবে পার্পেল পটেটোর আবাদ - Ekotar Kantho

মধুপুরে সফল ভাবে পার্পেল পটেটোর আবাদ

একতার কন্ঠঃ মন মাতানো ফ্লেভারের কফি, সুমিষ্ট ড্রাগন, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ মাল্টার পর এবার পুষ্টিকর পার্পেল পটেটো চাষে সফলতা দেখিয়েছেন এক অদম্য কৃষক। এ কৃষকের নাম সানোয়ার হোসেন। বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমারা গ্রামে।

গ্রাজুয়েশনের পর সানোয়ার শিক্ষকতা শুরু করেন। কিন্তু বছর না ঘুরতেই সেটি ছেড়ে বাপ-দাদার জীবিকা কৃষিকেই জীবিকা হিসেবে বেছে নেন। পারিবারিকভাবে পাহাড়ি লাল মাটির ছয় একর জমিতে বরাবরই আনারস আবাদ হয়। সেটির পাশাপাশি নতুন করে চার একরে মাল্টা, এক একরে ড্রাগন, তিন একরে কফি, বাতাবি লেবু, অ্যারাবিয়ান খেজুর ও পেঁপের আবাদ যোগ করেন তিনি। গতবার এক কৃষিবিদের মাধ্যমে আমেরিকান জাতের পার্পেল পটেটো বা বেগুনি আলুর কন্দ সংগ্রহ করেন। সেটি লাগান এক একর জমিতে। শতাংশে ফলন পেয়েছেন দুই মণ। কেজিতে বিক্রি ১০০ টাকা দরে। আকর্ষণীয় রং আর ব্যতিক্রম স্বাদের দরুন বেচাবিক্রিতে কোনো সমস্যা হয়নি। সানোয়ার জানান, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক নয়, নিরাপদ ও জৈব কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আনারসসহ বৈচিত্রময় ফল ও ফসল আবাদ করেন তিনি। বাড়িতে রয়েছে গরুর খামার। সেটির গোবরে তৈরি হয় কম্পোস্ট সার।

পার্পেল চাষ সম্পর্কে জানান, মধুপুরের পাহাড়ি এলাকায় শ্রাবণ-ভাদ্রে মাসে বাগান থেকে আনারস তোলার পর এমনিতেই চার মাস জমি পতিত থাকে। সেই জমিতে মধ্যবর্তী ফসল হিসেবে সহজেই পার্পেল আবাদ সম্ভব। খরা প্রতিরোধক হওয়ায় সেচ এমনকি সারও লাগে না। পোকামাকড়ের উপদ্রব তো নেই-ই। আলু তোলার পর জমিতে লতানো গাছ গবাদিপশুর উত্তম খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়।

একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত পুষ্টিবিদ ড. আবু রায়হান জানান, বিশ্বে ৪০০ রকমের মিষ্টি আলুর মধ্যে জাপানি এবং আমেরিকান জাতের বেগুনি আলু বা পার্পেল পটেটো সবচেয়ে পুষ্টি সমৃদ্ধ। আঁশ সমৃদ্ধ এ আলুতে প্রচুর শর্করা ছাড়াও পটাশিয়াম, ভিটামিন এ বি সি বিটা ক্যারোটিন এবং প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি কোষের ক্ষয়রোধ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।সনাতন রীতিতে খাওয়া ছাড়াও ভেজিটেবল, স্যুপ এবং সালাদের সঙ্গেও এটি চলে।

মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ব্লকের উপসহকারী কৃষি অফিসার এরশাদ আলী জানান, দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি পার্পেলসহ যে কোনো মিষ্টি আলু চাষের উপযোগী। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর কন্দ বা চারা লাগানোর উপযুক্ত সময়। আগে নদীতীরের পলি মাটিতে এর আবাদ হতো। এখন সানোয়ার হোসেনের মতো খামারিরা মধুপুরের লাল মাটিতে লাভজনক ফসলের তালিকায় পার্পেলকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। খামারের একই জমিতে পর্যায়ক্রমিকভাবে ফল ও ফসল আবাদ করে তিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। পুষ্টিকর পার্পেল এলাকায় সাড়া ফেলেছে।

মধুপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদুল হাসান জানান, মধুপুর গড়ে প্রায় ৫০ একরে মিষ্টি আলুর আবাদ হয়। তবে পার্পেল জাতের আবাদ এবারই প্রথম। মধ্যবর্তী বা একক ফসল হিসেবে পার্পেলের বানিজ্যিক চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। শতভাগ বিশুদ্ধ খাবার হিসেবে বিদেশে রফতানির সুযোগও রয়েছে। চাষিদের আবাদে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এজন্য ‘কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প’ নেওয়া হয়েছে। হাতে-কলমে শিক্ষার জন্য প্রদর্শনী প্লটও করা হয়েছে। পার্পেল ছাড়াও বারী উদ্ভাবিত দুটি উফসি জাতকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মে ২০২১ ০১:২৫:এএম ৫ বছর আগে
সরকারের নানামুখী উদ্যোগে ধান উৎপাদন প্রতি বছর বাড়ছে :: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

সরকারের নানামুখী উদ্যোগে ধান উৎপাদন প্রতি বছর বাড়ছে :: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, এবছর সারা দেশে আনন্দমুখর পরিবেশে বোরো ধান কাটা চলছে।সরকারের নানামুখী উদ্যোগ ও ভর্তুকি দেওয়ার ফলে ধানসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন প্রতি বছর বাড়ছে। বিশেষ করে চার দফায় সারের দাম কমানো বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

ইতোমধ্যে হাওরের প্রায় শতভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে। প্রতি বছর হাওর এলাকায় আগাম বন্যায় ধান তলিয়ে যায়- এবার সে আশঙ্কা নেই। আশা করা যায় সারাদেশে সফলভাবে ধান কাটা শেষ করা যাবে।মন্ত্রী বলেন, এখন দেশে বোরো মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ধান হয়। এক সময় এ মৌসুমে তেমন কোন ধান হত না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, সেচের মূল্য হ্রাস, সারের দাম নিয়ন্ত্রণ, বীজ, কীটনাশকসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ সহজলভ্যকরণ এবং নতুন নতুন উন্নত জাতের ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী শুক্রবার(৭ মে) বিকালে টাঙ্গাইলের মধুপুরে ব্রাহ্মণবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে মধুপুর কৃষক লীগ আয়োজিত “ধান কাটা উৎসব” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মধুপুর উপজেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক এসএম মঈনুল ইসামের সভাপতিত্বে ধান কাটা উৎসবে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও মধুপুর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি, মধুপুর উপজেলাপরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবু, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম হিরণ, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল ইসলাম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শামস উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন আকন্দ, মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, মো. শহিদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, আনিছুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনায় করেন, মধুপুর উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মহসীনুল কবীর।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মে ২০২১ ০৩:৫৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হাসিনা বেগমের সূর্যমুখী ও ভুট্টা চাষে সফলতা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হাসিনা বেগমের সূর্যমুখী ও ভুট্টা চাষে সফলতা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ সুষ্ঠু পরিকল্পনা, ইচ্ছেশক্তি আর যথাযথ শ্রম দিলে, যে কোন কাজেই যে, প্রতিষ্ঠা লাভ করা সম্ভব-সেটাই প্রমাণ করেছে টাঙ্গাইলের সখীপুরের কচুয়া গ্রামের গৃহবধূ হাসিনা বেগম । স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় বাণিজ্যিকভাবে ভূট্টা ও সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন তিনি । স্বামী আর সন্তানদের সময় দেওয়ার পর অবসরে নিজেদের সীমিত সম্পদের প্রতি ইঞ্চি মাটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে অধিক ফসল ফলিয়ে একের পর এক সফলতা বয়ে এনেছেন হাসিনা বেগম। তার এ সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে আশপাশের গ্রামের চাষীরাও ঝুকছেন ভূট্টা ও সূর্যমুখী ফুল চাষে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি সূর্যমুখী গাছে মৌচাকের মতো বিশাল একেকটি গোল ফুল হলুদ রঙের নজরকাড়া রূপ ছড়িয়ে দিচ্ছে। সূর্যের মুখোমুখি প্রতিটি ফুল ফলভারে কিছুটা নুয়ে আছে। খেতজুড়ে হলুদ আর সবুজের মাখামাখি। পাশেই ভুট্টাখেত। তাতেও নরম সবুজের প্রতিটি ভুট্টাগাছের মাথায় কাশফুলের মতো ছড়ানো খয়েরি রঙের ফুল। প্রতিটি গাছেই ভুট্টা ধরেছে। ক্রমশ পুরুষ্ট হয়ে উঠছে ভুট্টার দানা। ভুট্টা আর সূর্যমুখীর দুটি খেতই এলাকায় নতুন আলো ছড়াচ্ছে।

চাষী হাসিনা বেগম জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সূর্যমুখী ও ভুট্টার প্রদর্শনী প্লট নিয়ে এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ও ৪৫ শতাংশ জমিতে ভুট্টার চাষ করেছি। আমাকে কৃষি অফিস থেকে সার্বক্ষণিক পরামর্শে দিয়েছে। আশার চেয়েও ফলন ভালো হয়েছে ।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো.আব্দুস ছাত্তার বলেন, হাসিনা বেগম কৃষি অফিসের প্রদর্শনী প্লট নিয়ে ভুট্রা ও সূর্যমুখী চাষ করেছে।ফলনও ভালো হয়েছে। অন্য ফসলের চেয়ে ভুট্টা ও সূর্যমুখী ফুল চাষে খরচ কম। এতে সার, ওষুধও কম লাগে। তেমন পরিচর্যা করতে হয় না। উপজেলার অনেক কৃষক এখন ভুট্টা ও সূর্যমুখী ফুল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা চাইছি অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় নিয়ে আসতে। গতানুগতিক চাষের বাইরে কম খরচে যাতে বেশি লাভ হয়, সে রকম চাষাবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে সূর্যমুখীর চাহিদা আছে। এখন সাধারণ মিলেও এগুলো প্রক্রিয়াজাত করা যায়। প্রথমে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করা হবে। কোলেস্টেরলমুক্ত। অন্য তেলের মতো ক্ষতিকর না। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর তেলের এখন অনেক চাহিদা। এখানেও আস্তে আস্তে চাহিদা তৈরি হবে। সূর্যমুখী ও ভুট্টা বাড়তি হলে বাজার চেইন আমরা সৃষ্টি করে দিব। ফসল বিক্রি করতে তখন অসুবিধা হবে না। কৃষক এক বিঘা জমিতে লক্ষ টাকা আয় করতে পারবে। ধান চাষে এটা পাবে না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২১ ১০:৪৮:পিএম ৫ বছর আগে
কিভাবে টবে চাষ করবেন বেল পেপার বা ক্যাপসিকাম - Ekotar Kantho

কিভাবে টবে চাষ করবেন বেল পেপার বা ক্যাপসিকাম

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ আমাদের দেশে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ক্যাপসিকাম । যাকে বেল পেপার ও বলা হয়। এ নামে অবশ্য খুব বেশি মানুষ চিনবে না। কিন্তু যদি ক্যাপসিকাম বা সিমলা মরিচ বলা হয় তাহলে সবাই চিনবেন। মরিচ নাম হলেও এটি সবজি। মাছ, মাংস, সবজি, সালাদ—সবকিছুতেই এর ব্যবহার রয়েছে। সবুজ, লাল ও হলুদ রঙ সহ বিভিন্ন রঙের ক্যাপসিকাম এখন কিনতে পাওয়া যায় কাঁচাবাজার ও সুপারশপগুলোয়। তবে একটু চেষ্টা করলে বারান্দা কিংবা ছাদের টবে খুব সহজেই বেল পেপার বা ক্যাপসিকাম চাষ করা যায়।

ক্যাপসিকামের কয়েকটি উন্নত মানের জাত হলো ক্যালিফোর্নিয়া ওয়ান্ডার, ইয়েলো ওয়ান্ডার এবং হাইব্রিডের মধ্যে মধ্যে রয়েছে ম্যানহাটন, অনুপম ভারত, রতন, মহাভারত, মানহেম-৩০১৯, মানহেম–৩০২০ ইত্যাদি।

চাষপদ্ধতি

ঝুরঝুরে বেলে দোআঁশ মাটি ক্যাপসিকাম চাষের জন্য উপযুক্ত। যদিও সব মৌসুমেই ক্যাপসিকাম চাষ সম্ভব, তবে ভাদ্র ও মাঘ মাসে বীজ বপন করলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা বেশি থাকে।

বীজ বা চারা সংগ্রহ করে নিচের দিকে ছিদ্রযুক্ত একটি টব বাছাই করতে হবে, যেন অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনে সুবিধা হয়। টবের মাটির সঙ্গে এক-তৃতীয়াংশ জৈব সার মেশাতে হবে। মোটামুটি এক মাস বয়সী চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত। ক্যাপসিকাম চাষের জন্য আলো, বাতাস ও প্রখর তাপহীন রোদ উপকারী। কারণ, তীব্র রোদে চারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই তাপ কম থাকা অবস্থায় চারা রোপণ করা উচিত। চারা রোপণের কমপক্ষে ২০ দিন পর থেকে এক চামচ করে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে। সেই সঙ্গে নিয়মিত পরিমান মত পানি দিতে হবে যেন মাটি শুকিয়ে না যায়।

চারা একটু বড় হলে শক্ত খুঁটি দিতে হবে যাতে হেলে না পড়ে। এ ছাড়া গাছের গোড়ার আগাছা থাকলে সেগুলো সাবধানে তুলে ফেলতে হবে। চারা বসানোর প্রায় দুই মাস পর থেকে অর্থাৎ চারা গাছ তিন মাস হলেই ফল দিতে শুরু করে, যা পরবর্তী এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত ফল দিতে থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২১ ০৯:২৪:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।