একতার কণ্ঠঃ দেশের ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরে প্রবাহমান ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পূনঃখনন প্রকল্পের (১ম পর্যায়) (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকায় সুন্দরী খাল পূনঃখনন কাজ বন্ধ এবং ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ছয়শত ও সোনালীয়া গ্রামের ভুক্তভোগীরা এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের নিজ নামে রেকর্ডের জমিতে খাল খনন করা যাবে না। আমরা এই জমিতে আবাদ করি। আমরা যদি ফসল আবাদ করতে না পারি তাহলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে। আমাদের জমিতে সরিষা রোপন করেছি। এই রেকর্ডের জমি কেটে ফসলের উপর মাটি ফেলে ফসল নষ্ট করছে। আমরা এর ক্ষতিপূরণ চাই। এই খাল খনন বন্ধ করা হোক।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- হাবলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান নাদু, ইউপি সদস্য সুজন, ফজলুল হক, জমির মালিক বিমলা রানী সরকার, সূর্য বানু, সুরেশ চন্দ্র মন্ডল, মো: আলী আযমসহ অনান্য ভুক্তভোগী জমির মালিকরা।
উল্লেখ্য, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আত্ততাধীন ৬৪টি জেলার অভ্যন্তরে প্রবাহমান ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পূনঃখনন প্রকল্পের (১ম পর্যায়) (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকায় সুন্দরী খাল ও সুন্দরী শাখা খাল পূনঃখনন চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি শুরু হয়। এ কাজের প্রাক্কালিত মূল্য ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখ, ৯৩ হাজার ৩৪০ টাকা। মের্সাস এম রহমান নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খাল পূনঃখননের কাজটি পেয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ যুবরত্ন সম্মাননা পেয়েছেন দ্বীপ এগ্রো ফার্মের প্রতিষ্ঠাতা আল-আলিন শোভন। প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে নানা ধরণের ফল ও সবজি চাষে বিশেষ অবদান রাখায় তিনি এই সম্মাননা ক্রেস্ট পেয়েছেন।
শনিবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে টাঙ্গাইল জেলা যুব সমতি, ঢাকা আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে সম্মাননা অর্জনের বিষয়টি আল-আমিন শোভন নিজেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসেন সংসদ সদস্য ছোট মনির। তিনি আল-আমিন শোভনের হাতে সংসদ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। এসময় টাঙ্গাইল জেলা যুব সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, আল-আমিন শোভনের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়ন বলরামপুর। সে একজন কৃষি উদ্যোক্তা ও পেশায় সাংবাদিক। সে কৃষি উদ্যোক্তা ছাড়াও বেসরকারি টেলিভিশন আনন্দ টিভি’র টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এর পাশাপাশি ড্রাগনসহ বিভিন্ন ফল এবং সবজি চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে যুবকদের মাঝে। কৃষি কাজে আল-আমিনের অভাবনীয় সাফল্যে অসংখ্য তরুণ ও যুবক তার কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছে। এছাড়া ফল ও সবজি চাষে আগ্রহী তরুণ ও যুবকদের নানাভাবে সহযোগিতা করে আসছেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হবে না। যথেষ্ট খাদ্য মজুদ রয়েছে। বাংলাদেশে বড় কোন ধরনের দুর্যোগ না হলে, আমরা খাদ্য সংকটের মধ্যে পড়বো না। সোমবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের পূর্বে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, বিএনপি ২০১৫ সালে ৯০ দিনের হরতাল দিয়েছিলো। তখন যেভাবে ঘরে ঢুকিয়েছিলাম, আগামী দিনেও সেভাবে যেতে হবে। রাজপথ তাদের কাছে থাকবে না। রাজপথ আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে ছিলো। এখনো আছে, আগামীতেও থাকবে।
বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব, দেশের আইনশৃঙ্খলা, মানুষের জীবন রক্ষার্থে পুলিশ থাকতে হবে। পুলিশ থাকবেনা এমনটা হয়? তারা রেল লাইন উপড়ে ফেলবে, আগুন দিবে, জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারবে আর পুলিশ চুপ করে বসে থাকবে, তা হয়না।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন ও সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির প্রমুখ।
এর আগে বৃষ্টি বিঘ্নিত আয়োজন স্থলে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্ষিয়ান আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ছাগলে গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে সাগর আকন্দের পেঁপে বাগানের শতাধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী শাহিদা বেগমের বিরুদ্ধে। শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় থানায় মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেটে ফেলা পেঁপে বাগান পরিদর্শন করেছেন ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন মিয়া।
জানা গেছে, পশ্চিম ভূঞাপুরে ২৫ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে পেঁপে ও কলা গাছের বাগান করেছিলেন কৃষি উদ্যোক্তা সাগর আকন্দ। ইতোমধ্যে বাগানের প্রত্যেকটি গাছে পেঁপে ধরেছিল। এতে কয়েক লাখ টাকার পেঁপে বিক্রির স্বপ্ন দেখেছিলেন সাগর।
সাগর আকন্দ বলেন, ‘প্রতিবেশী শাহিদার ছাগল প্রতিদিন বাগানে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছের চারা খেয়ে ফেলত। বিষয়টি ছাগলের মালিককে জানানো হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে বাগানের পাশেই ছাগল চড়াত।’
তিনি আরও বলেন, ‘শনিবার সকালে ছাগল বাগানে প্রবেশ করে এবং বেশ কয়েকটি পেঁপে, কলা ও বেগুন গাছ নষ্ট করে ফেলে। পরে ছাগলটি আটকে রাখলে ওই নারী ক্ষিপ্ত হয়ে পেঁপে ও কলা গাছগুলো কেটে ফেলে।’
সাগরের বাবা লাল মিয়া আকন্দ বলেন, ‘সাগর নারায়ণগঞ্জে একটি জাহাজ কোম্পানিতে চাকরি করতো। করোনাকালে তার চাকরি চলে গেলে বাড়িতে চলে আসে। পরবর্তীতে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ২৫ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে সবজি বাগান শুরু করে। গাছগুলো কেটে ফেলায় ছেলেটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।’
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান ‘মৌখিকভাবে জানানোর পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. হুমায়ূন কবির জানান, ‘বিষয়টি শুনেছি। সরেজমিনে গিয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গনে মৌসুমী ফলের উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুন) বাদ আসর এ মৌসুমী ফলের উৎসবে মওলানা ভাসানীর অনুসারী, ভক্ত ও মুরিদানগণ অংশগ্রহণ করেন।

মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তাঁর জীবদ্দশায় ভক্ত-মুরিদানদের নিয়ে প্রতি বছরই এ মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন করতেন বলে জানা যায়।

অনুষ্ঠানে ন্যাপ ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী, ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য-সচিব আজাদ খান ভাসানীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, করোনা, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক বাজারে দামবৃদ্ধিসহ নানা কারণে চালের দাম কিছুটা বেড়েছে।
শীঘ্রই চালের বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। এ বছরও পর্যাপ্ত চাল উৎপাদন হয়েছে। দেশে খাদ্য নিয়ে কোনো হাহাকার হবে না, খাদ্যের কোনো সংকট থাকবে না।
সোমবার (৬ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের গণ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আজকের আওয়ামী লীগ যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক সুসংহত, শক্তিশালী ও সচেতন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম। দলের এই অবস্থাকে ধরে রাখতে হবে। সেজন্য যারা বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে, তাদেরকে দলের নেতৃত্বে আনা যাবে না। দলের বিপদে-আপদে সব আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সামনে থাকবে তাদেরকে নেতা নির্বাচন করতে হবে, দলে জায়গা দিতে হবে।
তিনি বলেন, গত ১৪ বছরে আজকের দিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের আমলে একজন মানুষও না খেয়ে মারা যায়নি। কোনো মানুষ না খেয়ে থাকার কষ্ট করেনি। আমাদের যে সম্পদ রয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার যে রিজার্ভ রয়েছে, তাতে যেকোনো পরিস্থিতি আমরা মোকাবিলা করতে পারব।
উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম ওরফে লেবুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিয়াজুল কবীর কাওছার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বিশিষ্ট ভেটেরিনারি চিকিৎসক ডা. খন্দকার গোলাম মোস্তফার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি।
মন্ত্রী শুক্রবার(২৫ মার্চ) এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকসসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রয়াত খন্দকার গোলাম মোস্তফা কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপির মেজো মামা। তিনি টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামের খন্দকার বাড়ি নিবাসী ছিলেন। মামার স্নেহ ও ভালবাসার স্মৃতিচারণ করে শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, ছোটোবেলা থেকে মামার অপার স্নেহ ও ভালবাসা পেয়েছি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ ও পরোপকারী। তিনি এলাকাবাসীর বিপদেআপদে সবসময়ই এগিয়ে আসতেন, তাঁদের পাশে দাঁড়াতেন।
উল্লেখ্য, ডা. খন্দকার গোলাম মোস্তফা শুক্রবার সকালে ঢাকায় আনোয়ার খান মর্ডার্ন হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি স্ত্রী, এক কন্যা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
স্বাক্ষরিত/
কামরুল ইসলাম, পিআরও
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আগামী দুই বছর পর নির্বাচন। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার বিরোধী দল নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা নানা ধরনের মিথ্যাচার করছে।এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির কারনে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু এ নিয়ে দেশে এমন কোন কিছু তৈরি হয়নি যে এটা নিয়ে দেশে হাহাকার, দেশে একটি হৈ-চৈ সৃষ্টি হয়েছে এমন কিছু নয়। বিএনপির পায়ের নিচে মাটি নেই। তারা যদি মনে করে দ্রব্যমূল্যের সামান্য কিছু উর্ধ্বগতির জন্য দেশের একটা অরাজকতা সৃষ্টি করবে, রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করবে। তাহলে তারা সেই পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবে না। এই সরকার অত্যন্ত সচেতন। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের দুঃখ-কষ্টে সব সময় মানুষের পাশে ছিল। সরকার টিসিবির মাধ্যমে দেশের এক কোটি মানুষকে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য দিচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো বলেন, দেশে কোন হাহাকার হবে না, তারা কোন অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারবে না।প্রয়োজনে আরো খাদ্য ও অনান্য সাহায্য নিয়ে আমরা সাধারন মানুষের পাশে দাড়াঁবো।
মন্ত্রী বলেন, এই নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচন করবে। আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নির্বাচনকে সহযোগিতা করা। যারা দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে চায়, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃস্টি করতে চায় তাদের আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবো।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়া তারা যেভাবে কাজ করছে তাদের এই স্বাধীনতা অব্যাহত থাকবে। তারা স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিতে পারবে। সুশীল সমাজ তাদের স্বাধীনভাবে মতামত দিতে পারবে।রোববার(২০ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সাবেক সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মিসেস মনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম, ছানোয়ার হোসেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি সহ জেলার অনান্য নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের নয় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত-আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম একটি মহাকাব্য। আর এ মহাকাব্যের রূপকার ও মহানায়ক হলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষের কল্যাণে ও মানবতার জন্য আজীবন কাজ করেছেন, নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে, মানবতাকে ভালবেসে বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। শনিবার(১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে উপজেলা পরিষদের উন্মুক্ত মঞ্চে ধনবাড়ী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বীরমুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সমবেত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, তোমরা বড় হয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়বে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিজেদের জীবনে ধারণ করবে এবং বাস্তবে রূপ দিবে। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে না পারলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হবে না। বঙ্গবন্ধুর এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে তোমরা এগিয়ে আসবে। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, শান্তির বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তোমাদের মতো আগামী প্রজন্মের।
বীরমুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের এবং সকলের জন্য গর্বের ও অহংকারের। তাঁরা জীবনবাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা এ দেশটি স্বাধীন করেছিলাম, তাতে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। কাজেই, যতদিন পদ্মা, মেঘনা-যমুনা বহমান থাকবে,যতদিন চন্দ্র-সূর্য থাকবে, ততদিন মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে অম্লান হয়ে থাকবে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আতাউল গণি, পুলিশ সুপার সরকার মো. কায়সার, ধনবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসলাম হোসাইন, পৌরসভার মেয়র মনিরুজ্জামান বকল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুক আহমাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. শামছুল হুদা, খন্দকার জেব-উন নাহার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে কৃষিমন্ত্রী ধনবাড়ীতে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও নিজেদের যুগপূর্তি উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সবুজ পৃথিবী সংগঠনটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
পরে বিকালে মন্ত্রী ধনবাড়ী সরকারি কলেজ মাঠে ‘তরুণের হাট’ এর ১৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে তারুণ্যের উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের প্রয়োজনীয় খাদ্য নিশ্চিত করেছেন। দেশে এখন আর কেউ না খেয়ে থাকে না।
এখন প্রধানমন্ত্রী মানুষের বাসস্থান ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে কাজ করছেন। ঘরহীনকে ঘর দিচ্ছেন, যাতে করে কেউ ঘরহীন, গৃহহীন না থাকে। এ দেশে কেউ ঘরহীন থাকবে না।
শনিবার (৫ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের মধুপুরে শোলাকুড়িতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিতরণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। মধুপুর উপজলা প্রশাসন ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মধুপুরের আদিবাসী গারোদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, বাঙালি, গারো, হাজং, চাকমা, মারমাসহ অবাঙালি ও সকল ধর্মের বর্ণের সবাই মিলে আমরা একটা পরিবার। বর্তমান সরকার আদিবাসী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু কিছু এনজিও আদিবাসীদের উন্নয়নের নামে বিদেশি সাহায্য এনে নিজেদের ব্যক্তিগত উন্নয়নে ও বাড়ি-গাড়ি কেনায় তা ব্যয় করছে। এ ব্যাপারে আদিবাসীদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, গারোদের ওপর বন বিভাগের অযৌক্তিক মামলা প্রত্যাহারে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। কোনো গারোকে তার বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হবে না এবং কেউ বন বিভাগের অযৌক্তিক মামলার মাধ্যমে হয়রানির শিকার হবেন না।
অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা ইয়াসমিন, পৌরসভার মেয়র মো. সিদ্দিক হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াকুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহম্মেদ নাসির, শোলাকুড়ি ইউপির চেয়ারম্যান আখতার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরের কালিয়া ইউনিয়নে কৃষি জমি ভরাট করে এবং জোর করে জমি দখলের মাধ্যমে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। রোববার(২৩ জানুয়ারি) সকালে সখীপুর-সাগরদিঘী রোডের ঘোনার চলা এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় ।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় লিয়াকত হোসেন, কাশেম মিয়া, নূরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, আব্দুল কাদের প্রমুখ।
মানববন্ধন কর্মসূচী থেকে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ দিন যাবৎ লাবিব গ্রুপ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এখানে শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ শুরু করেছে। প্রকৃত জমির মালিকদের কাছ থেকে জমি না কিনে দালালদের মাধ্যমে ভুয়া কাগজে অধিকাংশ জায়গা কিনে মাটি ভরাট করছে ফলে কয়েক বছর ধরে কৃষি চাষ করা যাচ্ছে না। তাদের অভিযোগ স্থানীয় ভুমি দালালরা নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি ঘর থেকে অনেককে উচ্ছেদের হুমকিও দিচ্ছে। এ ব্যাপারে বারবার প্রতিবাদ করে কোন ফল হচ্ছেনা। এ ব্যাপারে মানববন্ধন থেকে তারা প্রধনামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বর ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো.আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দুনীর্তির মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত খালেদার জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার অযুহাতে বিএনপি আন্দোলনের হুমকী দিচ্ছে। তারা দেশে আবারো আগুন সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। তাদের এই অপতৎপরতা রুখতে দেশের জনগনকে সজাগ থাকতে হবে।
মন্ত্রী রোববার (২ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যোনে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, তারা নির্বাচনে আসবে না বলে হুমকি দিচ্ছে। কেন আসবে না নির্বাচনে তাদের আসতে হবে। কেননা সংবিধান অনুযায়ি নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচনের আয়োজন করবে। সেই ক্ষেত্রে সকল দলের অংশ গ্রহণ করা উচিৎ। এরপরও যদি কোন দল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করে তাহলে সেই দায় দায়িত্ব তাদের। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব থাকবে সকল রাজনৈতিক দলের জন্য লেভেল ফিল্ড নিশ্চিত করবেন। সেনাবাহিনী, প্রশাসনসহ সব কিছুই নিয়ন্ত্রণ করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকালীন সময়ে সংবিধান অনুযায়ি মাননীয় প্রধানমন্ত্রসহ কোন মন্ত্রীর কোন দায়িত্ব থাকবে না নির্বাচনের বিষয়ে।
তিনি বলেন, আমি মনে করি বিএনপিরও সুমতি ফিরে আসবে ও তারা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে। দেশে একটু সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন হবে। এছাড়া হুমকি দিয়ে আমাদের সংবিধানে বিধান থেকে সরাতে পারবেনা।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বর্তমান সরকার দেশের সকল শ্রেনীর মানুষের পাশে রয়েছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে অসহায় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করছে।
অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সদও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারীসহ জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপুর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিন করে।