/ হোম / আমাদের
টাঙ্গাইলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে পার্ক বাজারে বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে পার্ক বাজারে বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযান

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি রোধ, পণ্যের অবৈধ মজুদ প্রতিরোধ এবং বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অধিনে গঠিত জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটির অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে পৌর শহরের সবচেয়ে বড় পাইকার বাজার পার্ক বাজারের পাইকারি ও খুচরা দোকানে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা আক্তার।

অভিযানে কয়েকটি দোকানের অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি এবং পণ্য বিক্রির মূল্য তালিকা টানানোর অপরাধে আর্থিক জরিমানা করা হয়।

এছাড়াও কয়েকটি দোকানের মালিকদের মৌখিক ভাবে সতর্ক করা হয়।

অভিযানে সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. রাকিবুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার মো. মোহাইমিনুল ইসলাম, টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ও বিশেষ টাস্ক ফোর্সের সদস্য সচিব শাহীনুর আলমসহ ছাত্র প্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. অক্টোবর ২০২৪ ০১:৪৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ দুই সীসা তৈরির কারখানা উচ্ছেদ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ দুই সীসা তৈরির কারখানা উচ্ছেদ

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুইটি অবৈধ সীসা তৈরির কারখানায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার(২৩অক্টোবর) দুপুর থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের মালির চালা ও আমবাগান এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালনা করেন ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট(ভূমি) কিশোর কুমার দাস ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম ও পরিদর্শক মোতালেব হোসেন প্রমূখ।

টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম জানান ,পুরাতন ব্যাটারী হতে সীসা উৎপাদনকারী দু’টি কারখানার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

তিনি আরও জানান,এ সময় ভ্যেকু দিয়ে কারখানার সকল স্থাপনা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযান পরিচালনার সময় কারখানার মালিকদের কাউকে পাওয়া যায়নি।পরিবেশ সুরক্ষায় টাঙ্গাইল জেলার অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

তিনি জানান,ঘাটাইল উপজেলার পুলিশ সদস্যবৃন্দ এই উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অক্টোবর ২০২৪ ০২:১৫:এএম ২ বছর আগে
পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন: প্রচারণায় এগিয়ে বটগাছ প্রতীকের মতি - Ekotar Kantho

পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন: প্রচারণায় এগিয়ে বটগাছ প্রতীকের মতি

একতার কণ্ঠঃ আগামী ২ নভেম্বর(শনিবার )ঐতিহ্যবাহী পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারন ব্যবসায়ী মালিক সমিতি নির্বাচনে সাধারন সম্পাদক পদে এগিয়ে রয়েছেন বটগাছ প্রতীকে মোঃ মতিয়ার রহমান মতি। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে সাধারন ভোটাদের মাঝে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন।

এবারের নির্বাচনে পরির্বতন প্রত্যাশী এই বাজারের সাধারন ব্যবসায়ীরা আস্থা রাখতে চান ৪০ বছর ধরে ব্যবসা করা এই বাজারের পুরাতন ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান মতির উপর। ফলে নির্বাচনী প্রচারনায় আগ্রহের কেন্দ্রবৃন্দু হয়ে উঠছেন মতি। প্রচার প্রচারনায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন তিনি সাধারন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে।

জানাগেছে, আগামী ২ নভেম্বর টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারন ব্যবসায়ী মালিক সমিতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষ্যে গত ১৩ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।পরে ১৫ নভেম্বর চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।এই নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৯৬৮জন। নির্দলীয় দুটি প্যানেলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন মোট ৫০জন সাধারন ব্যবসায়ী।

এদের মধ্যে মিজান-আকবার-মতি পরিষদের নির্বাচন করছেন মোট ২৫জন। এই প্যানেলে সভাপতি পদে চেয়ার মার্কায় দাড়িয়েছেন আলহাজ মিজানুর রহমান,গরুর গাড়ী মার্কায় সহ-সভাপতি আকবর আলী ও বটগাছ মার্কায় সাধারন সম্পাদক পদে মোঃ মতিয়ার রহমান মতি। তাদের প্রতিদ্বন্দী প্যানেল হচ্ছেন আলম-জাহিদ-আছু পরিষদ।

পাঁচআনী-ছয়আনী বাজারের বেশ কয়েক জন ব্যবসায়ী জানান, প্রতি দুই বছর পরপর নির্বাচন আসে, নির্বাচন চলে যায়। নির্বাচনের আগে প্রতিটি প্রার্থী গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দেয় । নির্বাচিত হওয়ার পর তারা সেই প্রতিশ্রুতি বেমালুম ভূলে যায়।তাই এবার তারা বিগত নির্বাচনে বার বার সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত মোঃ মতিয়ার রহমান মতিকে বটগাছ প্রতীকে সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত করতে চান।

তারা আরো জানান, সাধারন ব্যবসায়ীদের কল্যানে বিগত বছর গুলোতে তেমন কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।এছাড়া ছয়আনী বাজারের মূল ভবনটি ১৯৭৮ সালে নির্মানের পর আর কোন ধরনের সংস্কার করা হয়নি।বর্তমান ভবনটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে ঝুকিপুর্ন হয়ে পড়েছে।এছাড়া এই বাজারে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরে। বিগত নির্বাচিত কমিটি গুলো এসব সমস্যা নিয়ে কাজ করেনি।
আমরা আশাবাদী, সাধারন সম্পাদক পদে মোঃ মতিয়ার রহমান মতি নির্বাচিত হলে এই সকল সমস্যা সমাধানের উদ্দ্যোগ গ্রহন করবেন।

এ প্রসঙ্গে মিজান-আকবার-মতি পরিষদের সাধারন সম্পাদক পদ প্রার্থী মোঃ মতিয়ার রহমান মতি জানান, তিনি ৪০ বছর যাবত এই বাজারে ব্যবসা করছেন। তিনি ইতিপুর্বে বারবার সহ-সভাপতি নির্বাতিন হলেও বাজার উন্নয়নে কাজ করতে পারেন নাই। তাই এবার সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচনে দাড়িয়েছি।
আমি নির্বাচিত হলে ছয়আনী বাজারের দশতালা ভবন নির্মান করতে কাজ করবো।সেই ভবনের পাঁচ তলায় সমিতির সভা কক্ষ ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মানের ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহন করবো।

তিনি আরো জানান, সমিতির সাধারন ব্যবসায়ীদের মাঝে জবাবদিহিতা ও সচ্ছতা বজায় রেখে সমিতির কার্যক্রম করবো।বাজারে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সমস্যার সমাধন করবো। সমিতির সদস্যদের কল্যান তহবিল গঠনের উদ্যোগ গ্রহন করবো ।

সাধারন মানুষের উদ্দেশ্য জানান,বাজারে প্রতিটি দোকানে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন করতে ব্যবস্থা নিবো।

উল্লেখ্য, আগামী ২ নভেম্বর শনিবার টাঙ্গাইল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা হতে বিরতিহীন ভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অক্টোবর ২০২৪ ০৮:২৫:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নগরজফৈ বাইপাস এলাকায় বাস চাপায় দুই মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২১ অক্টোবর)বিকেল সোয়া ৫ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, সোমবার বিকেলে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নগরজফৈ বাইপাস এলাকায় মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এসময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী একতা পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন এবং ঢাকায় নেওয়ার পথে আরেকজনের মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান,বাসটি আটক করলেও এর চালক ও সহকারি পলাতক রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২৪ ০২:১৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সফল ভাবে কফি চাষ: শুধু ছানোয়ারের বাগানে বছরে উৎপাদন ১ টন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সফল ভাবে কফি চাষ: শুধু ছানোয়ারের বাগানে বছরে উৎপাদন ১ টন

একতার কণ্ঠঃ শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে সফল কৃষকের খ্যাতি পেয়েছেন টাঙ্গাইলের মধুপুরের মো. ছানোয়ার হোসেন (৫০)।

কলা, আনারস,ভূট্টা, পেঁপে, ড্রাগন ফল ও পেয়ারাসহ বিভিন্ন ধরণের শাকসবজির পর এবার কফি চাষেও সফল হয়েছেন তিনি। গড়ে প্রতি বছর প্রায় ১ টন কফি উৎপাদন করছেন কফি চাষী ছানোয়ার।

কফিসহ কমপক্ষে ১০ ধরনের ফলের চাষাবাদ হচ্ছে তার বাগানে। নিরাপদ ফল উৎপাদনে এলাকার মানুষের কাছে আদর্শ চাষীও এখন ছানোয়ার। অনেকেই গ্রামটিতে আসছেন তার কফি বাগান দেখাসহ চাষাবাদের পরামর্শও নিতে।

শুধু আদর্শ চাষী হিসেবেই স্বীকৃতি পাননি ছানোয়ার, পেয়েছেন সফল কৃষক হিসেবে রাষ্ট্রীয় বঙ্গবন্ধু কৃষি স্বর্ণপদক।

পাশাপাশি জেলার মধুপুর গড়ের উঁচু ও লাল মাটিতে আনারস,কলা,পেঁপের মত কফি চাষের উজ্জল সম্ভাবনাও দেখিয়েছেন তিনি। যার ধারাবাহিকতায় কফি চাষকে এ অঞ্চলের কৃষিতে নতুন ফসল হিসেবে যোগ করতে কাজ শুরু করেছে কৃষি বিভাগ। সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এরই মধ্যে কাজুবাদাম এবং কফি গবেষণা উন্নয়ণ ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষি বিভাগও কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়াসহ কফির চারা বিতরণ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাকুরা নাম্নী।

মো. ছানোয়ার হোসেন টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মহিষমারা গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে। ১৯৮৮ সালে মধুপুরের চাপড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি, ১৯৯০ সালে কালিহাতী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি আর ১৯৯২ সালে মধুপুর কলেজ থেকে ডিগ্রী সম্পন্ন করেন মো. ছানোয়ার হোসেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩-৯৮ সাল পর্যন্ত সিলেটের রেঙ্গাহাজীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজী শিক্ষক আর পরবর্তী দুই বছর জেলার ঘাটাইলের গারোবাজার সুনামগঞ্জ পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক এর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপরই শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে এসে গ্রামে শুরু করেন চাষাবাদ।

দেবদারু চারার মত অনেকটাই দেখতে কফির চারা। কফির পাকা গুটিগুলো দেখতে টক টকে লাল ও কোন কোনটা কাঁচা হলুদের মতো। কাঁচাগুলো সবুজ। মার্চ থেকে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে প্রতিটি পরিপক্ক গাছে ফুল ধরা শুরু হয়। কফির পাশাপাশি ২৮০টি ড্রাগন পিলার, ১৯টি সৌদি খেজুর, ৫’শ পেঁপে, এক হাজার মাল্টা, ৫’শ লেবু, আনারস, ঔষধি, কলা, জাম্বুরা গাছে ভরপুর কৃষক ছানোয়ার হোসেনের বাগান। বর্তমানে প্রায় ১৫ একর জমিতে চলছে তার এই চাষাবাদ।

জানা যায়, মে থেকে জুন মাসের মধ্যে ফুল থেকে গুটিতে পরিণত হয়। আগষ্ট মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে গুটিগুলো পরিপক্ক হয়। লালচে হয়ে যাওয়া কফির ফল গাছ থেকে সংগ্রহ করে প্রথমে পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হয়। এরপর লম্বা সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। একটু নরম হওয়ার পর কফির ওপরের চামড়া ছাড়িয়ে নিতে হয়। পরে গুটিগুলো রৌদে শুকিয়ে নিতে হয়। বাজারজাত ও কফিপান করার উপযোগী করতে মেশিনের মাধ্যমে গুড়া পাউডারের মতো করে নিতে হয়। আবার কফির বীজ থেকে চারা উৎপাদনও করা যায়।
আরও জানা যায়, ফলন ভাল ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে হেক্টর প্রতি ৭৫০ থেকে ১০০০ কেজি এবং বছরে গাছ প্রতি ৫ কেজি কফি পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও ফলন দেওয়া শুরু হলে গাছগুলো থেকে একটানা ২০ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত কফি পাওয়া যায়।
মধুপুর উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, কাজুবাদাম এবং কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত মধুপুরের ১২০ জন কৃষক ৩৫ হেক্টর জমিতে কফি চাষ শুরু করেছে। চাষাবাদ বৃদ্ধিতে ২০২১-২২ অর্থ বছরে কফি গবেষণা উন্নয়ণ ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেয়াসহ প্রথম পর্যায়ে ৫৩ জন কৃষকের মধ্যে সাড়ে ৭ হাজার কফির চারা বিতরণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৭ টি প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করাসহ জনপ্রতি ১৩৫ টি করে মোট ৯৪৫ টি কফি চারা দেয়া হয়। কৃষিবিভাগ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কফির চারা বিতরণ করা হয়েছে।
বিশ্বে ৬০ প্রজাতির কফি থাকলেও এ এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে অ্যারাবিকা ও রোবাস্টা জাতের কফি চাষ শুরু হয়েছে। চাষ উপযোগী আবহাওয়া ও জলবায়ু অনুকুল থাকায় মধুপুর পাহাড়ী এলাকায় উন্নতমানের এবং ঘ্রাণের কফি চাষের বিশেষ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রোবাস্টা জাতের কফি চাষে বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল ও টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের আবহাওয়া আর মাটি যথেষ্ট উপযোগী বলেও জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

কফি চাষী ছানোয়ার হোসেন জানান, ২০১৭ সালে রাঙ্গামাটি জেলার রায়খালী থেকে ২’শ চারা সংগ্রহ করে এ উপজেলায় প্রথম আমি কফি চাষ শুরু করি। চাষ শুরুর দুই বছর পর থেকেই আমি কফি বিক্রি করতে পারছি। বর্তমানে আমার প্রায় ৫০ শতাংশ জমিতে কফির আবাদ রয়েছে। আমার বাগানে অ্যারাবিক ও রোবাস্টা জাতের কফি গাছ আছে। প্রতি বছর আমি গড়ে প্রায় ১ টন কফি বিক্রি করতে পারছি। এছাড়াও কফির বীজ থেকে চারাও তৈরি করছি।

তিনি আরও জানান,বর্তমানে আমার বাগানের ৫’শ কফি গাছে ফলন হচ্ছে। গত সাত বছরে কফি বাগান বাবদ আমার ৩ লাখ টাকার মত খরচ হয়েছে। তবে এরই মধ্যে আমি প্রায় দ্বিগুণ টাকা আয় করতে পেরেছি। এভাবে টানা ২০ বছর আয় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ছানোয়ার জানান, প্রসাধনী কোম্পানির মাধ্যমে আমি প্রতি কেজি উৎপাদিত গ্রীণ কফি দুই হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করছি। উৎপাদিত কফির মধ্যে ১৮ প্রকারের স্বাদ ও গন্ধ আছে। বাজারজাত ও কফিপান করার উপযোগী করতে মেশিনের মাধ্যমে কফিবীজ গুঁড়া করে নিতে হয়। কফি প্রক্রিয়াজাত করার কাজটিই কঠিন। এ কারণে আমি কফি প্রক্রিয়াজাত করার মেশিন কিনেছি। কফিকে একটি বড় শিল্পে পরিনত করাই এখন আমার স্বপ্ন।
মধুপুরসহ দেশের কয়েকস্থানে শখের বশে ও বাণিজ্যিকভাবে কফির সফল চাষাবাদ হচ্ছে। দেশের মাটিতে কফি চাষের বিরাট সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। কৃষকের আগ্রহ কাজে লাগিয়ে কফি চাষের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব বলে মনে করেন ছানোয়ার।

মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাকুরা নাম্নী বলেন, এ উপজেলায় অ্যারাবিক ও রোবাস্টা জাতের কফি চাষ হচ্ছে। কৃষক ছানোয়ার হোসেন এ উপজেলায় ২০১৭ সাল থেকে কফি চাষ শুরু করলেও কাজু বাদাম এবং কফি গবেষণা উন্নয়ণ ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেয়াসহ কফির চারা বিতরণ করেছে কৃষি বিভাগ।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এ উপজেলা কফি চাষের কৃষক সংখ্যা ১২০জন আর আবাদ হচ্ছে ৩৫ হেক্টর জমিতে। এ উপজেলার কৃষক ছানোয়ার হোসেন ব্যক্তি উদ্যোগে কফি বিক্রি করলেও বাণিজ্যিক ভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ শুরু হয়নি।

তিনি বলেন, সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ৭জন কৃষকের ৭ টি প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করাসহ জনপ্রতি ১৩৫ টি করে মোট ৯৪৫ টি কফি চারা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. কবির হোসেন জানান, মধুপুরের মাটির উর্বরতা শক্তি কফি চাষের উপযোগী। এ এলাকায় সহজে বন্যার পানি ওঠে না, তেমন খরাও হয় না। বৃষ্টিপাত ও মাটির গঠন বিন্যাস মিলে গড় এলাকার লাল মাটিতে কফি চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
কফিকে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজু বাদাম ও কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়াসহ কফির চারা বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২৪ ০২:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাসের চাপায় মহিউদ্দিন আকন্দ (৩৮) নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১৯ অক্টোবর)দুপুরে ঢাকা-যমুনা সেতু মহাসড়কের উপজেলার চরভাবলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মহিউদ্দিন আকন্দ কালিহাতী উপজেলার দেউপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন আকন্দের ছেলে।

দুপুর ১ টার দিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। স্বজনরা তার লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা মিয়া নিশ্চিত করে জানিয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে এলেঙ্গা দিকে যাচ্ছিলেন আকন্দ। উপজেলা চরভাবলা এলাকায় পৌঁছালে একটি বাসের চাপায় মহিউদ্দিন গুরুত্বর আহত হয়। এসময় স্থানীয়রা গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১টার দিকে মৃত্যু বরণ করেন তিনি।

যমুনা সেতু পূর্ব পার থানার এসআই আবিদ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই আহত মহিউদ্দিনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। দুপুরের পর জানতে পারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:৫২:এএম ২ বছর আগে
রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুকের দাফন সম্পন্ন  - Ekotar Kantho

রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুকের দাফন সম্পন্ন 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকের দাফন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫ টায় শহরের বেবীস্টান্ড গোরস্থান মসজিদে জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।

জানাজা নামাজে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন অংশ নিলেও নিজ দলের উল্লেখযোগ্য কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে বিকেল সাড়ে তিনটায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকে কোনো প্রকার রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ছাড়াই সাধারণ ভাবে দাফনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের সরকারি বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

এসময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থতির স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেন।

শনিবার সকালে ফারুকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার বাড়িতে জেলার বিভিন্ন স্তরের মানুষ সমবেদনা জানাতে জড়ো হলেও তার ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ ও নিজ দলের নেতাকর্মীদের দেখা যায়নি। প্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুক ও তার ছেলে খান আহমেদ শুভ সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি।

ফারুকের পারিপারিক সূত্র জানান, দীর্ঘ দিন ধরে ফারুক শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফজলুর রহমান ফারুক ১৯৪৪ সালের ১২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ওয়ার্শী ইউনিয়নের কহেলা গ্রামে জন্ম নেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ফজলুর রহমান খান ফারুক সাবেক গণপরিষদ সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য এবং টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

১৯৬০ সালে ফারুক ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৬২ সালে টাঙ্গাইল মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৮৪ সাল থেকে ২০১৫ সালের ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সাল থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অক্টোবর ২০২৪ ০৩:৪৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দৈনিক কালবেলার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দৈনিক কালবেলার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক কালবেলার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা, কেক কাটা মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

সকালে দৈনিক কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান রাসেল।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,দৈনিক কালবেলার জেলা প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জল।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজামিল শাহীন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, বিএনপি নেতা শাহীন আকন্দ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।

বক্তারা বলেন, দৈনিক কালবেলা পত্রিকা দ্বিতীয় বছর পার করে তৃতীয় বছরে পদার্পণ করছে। এই অল্প সময়ে পত্রিকাটি মানুষের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বক্তারা নতুন বাংলাদেশে তারুণ্যের স্বপ্নপূরনে দৈনিক কালবেলার পত্রিকার সঙ্গে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি )তানবীর আহম্মেদ সহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অক্টোবর ২০২৪ ০৪:২৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেল দুই শিক্ষক দম্পতির যমজ চার মেয়ে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেল দুই শিক্ষক দম্পতির যমজ চার মেয়ে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে শিক্ষক দম্পতিসহ দুই দম্পতির চার যমজ মেয়ে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর )এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে কুমুদিনী সরকারি কলেজ ও হলিক্রস কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশগ্রহণ করে তারা জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।

সখীপুর পৌর এলাকার আল আমিন মিয়া ও আফিয়া আক্তার দম্পতির সন্তান সামিয়া জাহান আফসানা ও সাদিয়া জাহান শাহানা সরকারি কুমুদিনী সরকারি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তারা পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষাতেও জিপিএ-৫ পেয়েছিল।

বাবা আল আমিন বড়চওনা কুতুবপুর কলেজের সহকারী অধ্যাপক এবং মা আফিয়া আক্তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

শাহানা ও আফসানার বাবা উপজেলা জামায়াতের আমীর আল আমিন মিয়া বলেন, আমরা দুজনেই শিক্ষকতা পেশায় থাকার কারণে মেয়েদের সময় দিতে পারিনি। তবে মেয়েরা পড়াশোনার বিষয়ে খুবই মনোযোগী ছিলো বলেই তারা ভালো ফলাফল অর্জন করেছে। ডাক্তার হয়ে মানুষের স্বপ্ন দেখছেন তার দুই মেয়ে বলেও জানান তিনি।

জিপিএ-৫ প্রাপ্ত আফসানা ও শাহানা বলেন, আমাদের ভালো ফলাফলে বাবা-মার পাশাপাশি শিক্ষকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আমরা পড়াশোনায় সময়ের গুরুত্ব দিয়েছি বলেই ভালো ফলাফল করতে পেরেছি। ভবিষ্যতে তারা দুইজনই ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।

অপরদিকে, আবু জুয়েল সবুজ ও চায়না আক্তার শিক্ষক দম্পতির সন্তান যারীন তাসনীম ও যাহরা তাসনীম হলিক্রস কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। তারাও পিএসসি জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিল। যারীন ইঞ্জিনিয়ার আর যাহরা ডাক্তার হতে চায়।

আবু জুয়েল সবুজ সূর্য তরুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তাদের মা চায়না আক্তার গজারিয়া শান্তিকুঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

যারীন ও যাহারার বাবা আবু জুয়েল সবুজ বলেন, আমি মেয়েদের পড়ার জন্য চাপ দিইনি,তারা তাদের মতো পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল করেছে। যারীন তাসনিম ইঞ্জিনিয়ার এবং যাহরা তাসনিম ডাক্তারী পড়তে ইচ্ছুক।

শিক্ষার্থী যারীন ও যাহারা বলেন, আমরা নিয়মিত পড়াশোনা করেছি বলেই পরিশ্রম অনুযায়ী সাফল্য পেয়েছি। আমরা যাতে বুয়েট এবং ঢাকা মেডিকেলে চান্স পেয়ে বাবা মার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি সে চেষ্টা অব্যাহত রাখবো। আমাদের সাফল্য কামনায় সকলের দোয়া কামনা করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অক্টোবর ২০২৪ ০২:৪০:এএম ২ বছর আগে
মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শতভাগ জিপিএ-৫ - Ekotar Kantho

মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শতভাগ জিপিএ-৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এ বছর এই ক্যাডেট কলেজ থেকে ৪৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তারা প্রত্যেকেই বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র।

কলেজ সূত্র জানায়, চলতি বছর এই কলেজ থেকে ৫৬ তম ব্যাচের ৪৮ জন ক্যাডেট এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নেয়। সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে তাদের প্রত্যেকেই জিপিএ-৫ পেয়েছে। এদের মধ্যে ৪৬ জন গোল্ডেন জিপিএ পেয়েছে।

কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল রিয়াজ আহমেদ চৌধুরী পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, সেনা সদরের দিক নির্দেশনা, বিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলীর ঐকান্তিক প্রয়াস, সুশৃঙ্খল পরিবেশ, অভিভাবকবৃন্দের নিয়মিত অনুপ্রেরণা ও ক্যাডেটদের কঠোর অনুশীলনের সমন্বিত রূপায়ণ হচ্ছে এ অনন্য সাফল্য। এ ধারা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. অক্টোবর ২০২৪ ১২:৫৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়ে দুই নৌকার সংঘর্ষে কিশোর নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়ে দুই নৌকার সংঘর্ষে কিশোর নিহত

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার ঝিনাই নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়ে দুই নৌকার সংঘর্ষে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (১৩ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার পুরাতন থানা ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই কিশোরের নাম অপু পাল (১২)। সে কালিহাতী পৌরসভার দক্ষিণ বেতডোবা এলাকার বিষ্ণু পালের ছেলে। কালিহাতী উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গণেশ সাহা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, প্রতি বছরের মতো এবারো প্রতিমা বিসর্জ্জন দেওয়ার আগ মুহুর্তে বিভিন্ন নৌকা নিয়ে এলাকাবাসী ভ্রমণ করে থাকে। বিকালের দিকে নৌকার স্পিড বেশি থাকার ফলে দুইটি নৌকার সংঘর্ষ হয়, এতে অপুসহ কয়েকজন আহত হয়।

তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের সহযোগীতায় পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে কালিহাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অপু পালকে মৃত ঘোষণা করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২৪ ০৩:০৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গলায় কাপড় পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় কাপড় পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় আইয়ুব আলী (৪৭) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৩ অক্টোবর) সকালে শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আইয়ুব আলী সদর উপজেলার ভবানীপুর পাতুলী এলাকার মৃত নছিম মিয়ার ছেলে। তিনি বিভিন্ন স্থানে নারী সেজে যাত্রাপালায় অভিনয় করতেন বলে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানায়।

পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে নতুন বাসস্ট্যান্ডে এলাকার মাইক্রোবাস্ট্যান্ডের পেছনের পরিত্যক্ত ঘর থেকে গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। ধারনা করা হচ্ছে,রাতে কোনো এক সময় তাকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়।

নিহতের ছেলে অনিক মিয়া বলেন, ‘আমার বাবা শনিবার সন্ধ্যায় কাজের কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। রবিবার সকালে আমার বাবার মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে হাসপাতালে আসি।’

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, ‘নিহতের মুখে আঙ্গুলের ছাপ ছিল। গলায় পরনের কাপড় পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যা করার পর তার মরদেহ ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অক্টোবর ২০২৪ ০২:২৩:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।