/ হোম / সদর
টাঙ্গাইলে বিএনপি’র ২ দিনের অবস্থান কর্মসূচি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপি’র ২ দিনের অবস্থান কর্মসূচি

একতার কণ্ঠঃ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি এবং গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচারের দাবিতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি দুই দিনের অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা করেছে।

টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা বিএনপি’র আয়োজনে বুধবার (১৪ আগস্ট) ও বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) দুই দিনের অবস্থান কর্মসূচি চলবে। এ সময় তারা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে।

অবস্থান কর্মসূচিতে জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামীল শাহিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবালের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সহসভাপতি জিয়াউল হক শাহিন, সাবেক সহসভাপতি অমল ব্যানার্জী, সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী, প্রচার সম্পাদক এ কে এম মনিরুল হক মনিরসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু জানান, জেলা বিএনপি’র অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা অনুযায়ী সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে। এদিকে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে সকাল থেকেই তৃণমূল বিএনপি’র অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সমবেত হন ।

সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট. ফরহাদ ইকবাল বলেন, টাঙ্গাইলে এখনো বিভিন্ন মহল্লায় সন্ত্রাসীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনকে জেলা বিএনপি’র পক্ষ থেকে সাত ঘণ্টা সময় দেওয়া হলো।

তিনি আরও বলেন, এই সময়ের মধ্যে টাঙ্গাইল থেকে এসব সন্ত্রাসীদের বিতাড়িত করা না হলে এর জবাব বিএনপি’র নেতাকর্মীরা দেবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২৪ ০২:১৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্র আন্দোলনে নিহত মারুফের পরিবারের সাথে প্রশাসনের সাক্ষাৎ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্র আন্দোলনে নিহত মারুফের পরিবারের সাথে প্রশাসনের সাক্ষাৎ

একতার কণ্ঠঃ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে টাঙ্গাইলে পুলিশের গুলিতে নিহত মারুফ মিয়ার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার (১৪ আগষ্ট)বেলা ১১টায় পৌর শহরের সাবালিয়া এলাকায় মারুফের পরিবারের লোকজনের সাথে সাক্ষাৎ করেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা।

মারুফের পরিবারের পক্ষ থেকে তার হত্যার বিচার দাবি ও শহরের কুমুদিনী কলেজ গেট থেকে ঘারিন্দা রেল স্টেশন সড়কটি মারুফের নামে করার দাবি জানানো হয়।

এসময় জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম সমবেদনা প্রকাশ করে মারুফের মা-বোনকে শান্তনা দেন।
এছাড়াও পরিবারের নিরাপত্তা দেয়াসহ সহযোগিতার আশ্বাস দেন তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার গোলাম সবুর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরফুদ্দীন, সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন শাওন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান বিন মুহাম্মাদ আলী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী আব্দুল নুর তুষার, আল আমিন, ইফফাত রাইসা নূহা, তাওহীদা ইসলাম স্বপ্নীল প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ৫ আগস্ট (সোমবার) বিকেলে শিক্ষার্থীদের মিছিল নিয়ে শহরের প্রধান সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় টাঙ্গাইল সদর থানা এলাকায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশের গুলিতে মারুফ নিহত হন।

পরদিন টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ ময়দানে নামাজে জানাজা শেষে মারুফের গ্রামের বাড়ি বাসাইল উপজেলার জশিহাটি গ্রামে দাফন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২৪ ০১:৫৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল পৌরসভা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আলিম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল পৌরসভা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আলিম

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার অচলাবস্থা কাটিয়ে তোলার লক্ষ্যে ৯ সদস্যের আহ্বায়ক পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হয়েছেন মেহেদী হাসান আলিম।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। মেহেদী হাসান আলী টাঙ্গাইল পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর।

কমিটির সদস্য সচিব পৌরনির্বাহী কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ পারভীন।

অন্যান্য সদস্যরা হলেন, নির্বাহী প্রকৌশল মো. মিজানুর রহমান, কাউন্সিলর আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদশা, মো. রুবেল মিয়া, খালেদা আক্তার স্বপ্না, রকি হায়দার, আবুল কালাম আজাদ ও সেলিনা আক্তার।

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র তানভীর হাসান ফেরদৌস নোমান বলেন, পৌরসভার অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি দ্বারা সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

নবগঠিত পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান আলিম জানান, নাগরিক সেবা সচল ও ভঙ্গুর পৌরসভার ভবন পুনঃনির্মাণে কমিটি মঙ্গলবার থেকেই কাজ শুরু করেছে। সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

এর আগে ১০ আগস্ট টাঙ্গাইল পৌর পরিষদের সর্বসম্মতিক্রমে নয় সদস্যের ওই আহ্বায়ক পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে কয়েক দফা হামলার শিকার হয় টাঙ্গাইল পৌরসভা ভবন। এর ফলে বন্ধ হয়ে যায় পৌরসভার সকল কার্যক্রম।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অগাস্ট ২০২৪ ০২:৫০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলের আ’লীগের সাবেক এমপি-মন্ত্রীরা আত্মগোপণে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের আ’লীগের সাবেক এমপি-মন্ত্রীরা আত্মগোপণে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগের এমপি, প্রতিমন্ত্রী ও দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পরই এলাকা ছাড়তে শুরু করেন। বর্তমানে তাদের সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দিতে পারছেন না। অনেকেই আত্মরক্ষার্থে ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন।

চলমান এই পরিস্থিতিতে জেলায় প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ও শামছুন্নাহার চাপা, সাবেক সংসদ সদস্য ডক্টর আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির, সাবেক সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, সাবেক সংসদ সদস্য অনুপম শাজাহান জয়, জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত আমানুর রহমান খান রানার বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেনের বাড়ি ভাঙচুর না করা হলেও তিনি সহ আওয়ামীলীগ দলীয় সাবেক এমপি-প্রতিমন্ত্রী সহ বিভিন্ন পৌরসভার মেয়র ও জেলা-উপজেলার নেতাকর্মীরা বাড়িঘর ছেড়ে আত্মগোপণে চলে গেছেন।

জানাগেছে, সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে ছাত্র-জনতা। গত ৪ আগস্ট টাঙ্গাইল শহরে ওই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা ও গুলিবর্ষণের পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে টাঙ্গাইলের পরিবেশ। এতে গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশত আহত হয়।

এরপরই ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের গাড়িতে আগুন ও বাড়িতে ভাঙচুর করে। এরপর আন্দোলনকারীরা টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনিরের টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালত পাড়ার বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

পরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস নগরজলফৈ এর দরুণ এলাকায় সাবেক এমপি তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনিরের মালিকানাধীন দি টাঙ্গাইল ফিলিং স্টেশন ও ধ্রুব ইন রেস্তোরাতেও ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করা হয়। ওইদিন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল ইসলাম আলমগীরের বাসা ও পৌরসভায় ভাঙচুর করে আগুন দেওয়া হয়।

এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর ও আসবাবপত্রে আগুন দেওয়া হয় এবং সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন তোফার বাসায় ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়।

এসব হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর গত ৪ আগস্ট রাতে সার্কিট হাউসে জেলা আওয়ামী লীগের এক অনানুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫ আগস্ট আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক ও সাবেক এমপি তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি খান আহম্মেদ শুভ, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক স্বতন্ত্র এমপি মো. ছানোয়ার হোসেন, আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন তোফা, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিনুল রহমান মিরন ও সাইফুজ্জামান সোহেলসহ জেলার নেতারা।

আগের দিন রাতে আলোচনা হলেও পরেরদিন আর তাদের মাঠে দেখা যায়নি। ওইদিন দুপুরে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগের পর এমপি ও নেতাকর্মীরা এলাকা ছাড়া হয়ে যান। এরপর তারা কে কোথায়, কেউ তাদের হদিস জানে না।

আওয়ামীলীগের একাধিক নেতাকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, দলীয় মন্ত্রী-এমপি বা জেলার নেতারা কে কোথায় আছেন তা কেউ জানে না। কারও সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। শুধু জেলার নেতারাই নয়, উপজেলা বা ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতারাও হামলার ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আত্মগোপণে চলে গেছেন। তবে এখনও তাদের মধ্যে অনেকেই বিদেশে যেতে না পেরে দেশেই আত্মগোপণে রয়েছেন। সুবিধামতো সময়ে অনেকে হয়তো বিদেশে পারি জমাতে পারেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৪ ০৩:১৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ শিক্ষার্থীদের - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ শিক্ষার্থীদের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কর্মস্থলে ফেরায় পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছে শিক্ষার্থীরা। টানা কয়েকদিনের কর্মবিরতির পর ডিউটিতে ফিরেছে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। থানার কার্যক্রমের পাশাপাশি সড়কেও দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাফিক পুলিশরা। এতে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে জনমনে। স্বাভাবিক হচ্ছে ব্যবসা বাণিজ্যসহ সবখানে।

সোমবার (১২ আগস্ট) সকাল থেকে পুলিশ টাঙ্গাইলের থানায় কাজে যোগ দেওয়া শুরু করেছে। ট্রাফিক পুলিশরাও সকাল থেকে সড়কে ডিউটি পালন করছেন।

দীর্ঘদিন যাবত কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও পুলিশের সম্পর্ক সাপে নেউলে অবস্থার পর গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশ তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। নিরাপত্তা ঝুঁকি দাবি করে কর্মবিরতিসহ ১১ দফা দাবি করে পুলিশ সদস্যরা।

এদিকে পুলিশ কর্মবিরতি পালন করায় সারা দেশে ভেঙে পরে ট্রাফিক সিস্টেমসহ আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা।
এতে দেশের বিভিন্ন স্থানে চুরি, ডাকাতির আশঙ্কা দেখা দেয়। এছাড়া সাধারণ মানুষ থানায় বিভিন্ন ঘটনার অভিযোগ জানাতে এসে ফিরে যায়। বিষয়টি নজরে আসে পুলিশ বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) এর মধ্যে নতুন পুলিশ প্রধান বাহিনীর সব সদস্যদের স্ব-স্ব কর্মস্থলে যোগ দিতে অনুরোধ করেন। আর তাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসও দেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কড়া নির্দেশ দিয়েছেন এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে কর্মস্থলে যোগ না দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সকাল থেকে পুলিশ টাঙ্গাইলের থানায় কাজে যোগদানসহ ট্রাফিকরাও সকাল থেকে ডিউটি পালন করছে। অনেক শিক্ষার্থী পুলিশ কর্মস্থলে ফেরায় ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

অপরদিকে, সোমবার ও শিক্ষার্থীরা ট্রাফিকের দায়িত্ব নিয়ে যানবাহন চলাচল ও সড়কে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে। আবার অনেক শিক্ষার্থী দেশটাকে ঢেলে সাজাতে দেয়ালে দেয়ালে প্রতিবাদী শ্লোগান লিখছে। পরিষ্কার করছেন বিভিন্ন স্থান ও রাস্তা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৪ ০৩:১০:এএম ২ বছর আগে
জীবনে আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হওয়ার ঘোষণা লতিফ সিদ্দিকীর - Ekotar Kantho

জীবনে আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হওয়ার ঘোষণা লতিফ সিদ্দিকীর

একতার কন্ঠঃ সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী জীবনে আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি শনিবার (১০ আগস্ট) বিকেলে তাঁর ভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের সঙ্গে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানীর কবরে শ্রদ্ধা জানান। পরে সেখানে সমবেতদের উদ্দেশে বক্তৃতাকালে এ ঘোষণা দেন।

লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি আজ মাওলানা ভাসানীর মাজারে এসেছি উপলক্ষ হিসেবে। লক্ষ্য হলো, ’৭১–এর স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং ’৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে যে যুদ্ধ এখানে শুরু হয়েছিল এবং আজও এই বাংলার গণমানুষের, নিপীড়িত মানুষের, অধিকারবঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে যিনি পরিচিত, সেই বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, তাঁকে আমি সমর্থন করি। তাঁর সঙ্গে আমৃত্যু আমি থাকব। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমি আর জীবনে সম্পৃক্ত হব না। মাওলানা ভাসানীর এই মাজারে দাঁড়িয়ে আমি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীকে টাঙ্গাইলবাসীর সমর্থনে, বাংলার মানুষের সমর্থনে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’ পরে তিনি জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলে বক্তৃতা শেষ করে বলেন, ‘মাওলানা ভাসানী আমাদের চিত্তকে শুদ্ধ করুন।’

বর্ষীয়ান রাজনীতিক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ওই বছর সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে একটি সভায় বক্তৃতাকালে হজ¦ও তাবলিগ জামাত নিয়ে কটূক্তি করেন। পরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার, মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ করা হয়। সংসদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন।

লতিফ সিদ্দিকীর বক্তৃতার পর তাঁর ভাই কাদের সিদ্দিকী বক্তৃতাকালে কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকী বলেন, তিনি আর রাজনীতি করবেন না। আমি তোমাদের বলছি, আমার শেষ শ্বাস যেন রাজনীতি করতে করতেই বের হয়ে যায়।’

এ সময় তাঁদের ছোট ভাই কালিহাতী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকীসহ শতাধিক নেতা–কর্মী উপস্থিত ছিলেন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২৪ ০৪:০৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন  শিক্ষার্থীরা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষার্থীরা

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে যানজট নিরসনের জন্য কাজ করতে দেখা গেছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কে অবস্থান নিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছেন শিক্ষার্থীরা। কারও হাতে লাঠি, কারও মুখে বাঁশি। ট্রাফিক পুলিশের মতো ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছেন তারা।

এদিকে, রাস্তায় পুলিশ প্রশাসনকে দেখা যায়নি। তবে সতর্কতা অবস্থায় দেখা গিয়েছে সেনাবাহিনীদের।

শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, আমরা সকাল থেকেই পুরাতন বাস স্ট্যান্ডে অবস্থান করি নিজ উদ্যোগে। যাতে যানজট না হয় সেদিকের খেয়াল রাখার জন্য আমাদের এই উদ্যোগ।

শহীদ শাহেদ হাজারী ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাদাত তালুকদার বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে গোটা শহরে কোনো ট্রাফিক পুলিশ নেই। এ অবস্থায় শহরবাসীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা আমাদের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব বোধ থেকে আমরা সড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণে নেমেছি। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা দায়িত্বে না আসা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এই কাজ চালিয়ে যাবে।

পথচারী বছির উদ্দিন বলেন, দেশটি নতুন করে স্বাধীন হয়েছে। এই স্বাধীনতার জন্য আমরা খুবই খুশি। দীর্ঘ ১৫ বছর অপেক্ষার পর এই দিনটি পেয়েছি। সাধারণ শিক্ষার্থীরা রাস্তায় যানজট নিরসনের জন্য কাজ করছে এতেও আরও বেশি ভালো লাগছে।

তিনি আরও বলেন, নতুন উদ্যোগে নতুন উদ্যমে দেশটি এগিয়ে যাক বিগত দিনের মতো দিন আর যেন না আসে।

রিকশা চালক মোতালেব মিয়া বলেন, দেশটা নতুন করে স্বাধীন হয়েছে। যাদের কারণে দেশ স্বাধীন হলো তারা আজ আবার ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছে দেখে খুব ভালো লাগছে।

উল্লেখ্য, সোমবার (৫ আগস্ট) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর থেকে টাঙ্গাইলে লাখো জনতার ঢল নামে, বিভিন্ন জায়গায় আনন্দ উল্লাসসহ মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৪ ১০:৩৩:এএম ২ বছর আগে
আমরা মানুষ, দেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই: মেজর জেনারেল মাসীহুর - Ekotar Kantho

আমরা মানুষ, দেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই: মেজর জেনারেল মাসীহুর

আরমান কবীরঃ সেনাবাহিনীর ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) মেজর জেনারেল মাসীহুর বলেছেন, আমরা সবাই মানুষ, বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই । হিন্দু, মুসলিম, খৃস্টান, বৌদ্ধ, পাহাড়ি সবাই আমরা এ দেশের মানুষ।

আমরা বুঝি যে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। সেজন্য আমি আজকে সারাদিন ঘুরতে বের হয়েছি। আশা করছি,ধর্মীয় উপাসনালয়ে কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। এই জন্য জেলা পর্যাপ্ত টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় উপাসনালয় পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, হাজার বছর ধরে এ দেশে আমরা থাকি। অত্যন্ত সম্প্রীতির সাথে বসবাস করে আসছি।

কোনোভাবে যেন কেউ কোনো সহিংসতা না করে সে দিকে সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে। আমরা আশা করি, কেউ যেন কোনো উস্কানিমূলক কার্যক্রম না করে। সাধারণ মানুষের কাছে অনুরোধ তারা যেন এই‌ বিষয়ে সজাগ থাকে।

এসময় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান বীন মোহাম্মদ আলীসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অগাস্ট ২০২৪ ০৫:১৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কোটা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কোটা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

একতার কন্ঠ:বৈষম্য বিরোধী কোটা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে সমবেদন জ্ঞাপন করেছেন টাঙ্গাইলের আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

শনিবার(৩ আগষ্ট )সন্ধ্যা ছয়টা থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত আড়াই ঘন্টা ব্যাপি শহরের ছয়আনী পুকুর পাড়ের চারপাশে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। কর্মসূচিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও হাজার হাজার সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, সরকার পতনের এক দফা দাবি বাস্তবায়ন না পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। দাবি আদায়ে আগামীকাল ৪ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বৈষম্য বিরোধী কোটা আন্দোলনকারীদের ডাকা অসহযোগ আন্দোলন সফল করতে দেশবাসির সহযোগিতা ও একাত্মতা কামনা করাসহ সকলকে আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এর আগে শনিবার বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব চত্বর ও বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দেশ ব্যাপি ডাকা বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রায় আধা ঘন্টা বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের অবরোধ করে।

পরে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার দেয়াল লিখন ও শুক্রবার বিক্ষোভ সমাবেশ করে আন্দোলনরতরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২৪ ০৫:৩৮:এএম ২ বছর আগে
গেটের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা - Ekotar Kantho

গেটের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

একতার কণ্ঠঃ গেটের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে ঢুকেছেন টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এর আগে শনিবার(৩ আগষ্ট )বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খুলে দেওয়ার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে জমায়েত হন কয়েকশ শিক্ষার্থী।

পরে প্রক্টর এসে শিক্ষার্থীদের জানান, বোর্ডের সিদ্ধান্ত ছাড়া হল খুলে দেওয়া সম্ভব নয়। তখন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গেটের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন।

এরপর তারা ভিসির বাসভবনে গিয়ে তাকে স্মারকলিপি দেন এবং রবিবার (৪ আগষ্ট)দুপুর ১২টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খুলে না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারা সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক আচরণের শিকার হচ্ছে। এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে তাদের নিরাপত্তা হীনতায় ভুগতে হচ্ছে। এজন্য তারা তাদের নিরাপদস্থল বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে ফিরতে চায়। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের হল খুলের দেয়ার দাবি জানানো হয়। দাবি না মানলে তারাবিশ্ববিদ্যালয়ের হলে প্রবেশ করার জন্য কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও হঠাৎই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করায় উত্তপ্ত রয়েছে ক্যাম্পাস অঙ্গন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৮টা) ক্যাম্পাসের ভেতরেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করতে দেখা গেছে।

এ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হলে উপাচার্য অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমি চাইলেই তো আর হল খুলে দিতে পারি না। তবে শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি আমি যথাযথ কতৃপক্ষকে জানাব।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২৪ ০৩:৩৮:এএম ২ বছর আগে
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিক্ষোভ-মিছিলে উত্তাল টাঙ্গাইল - Ekotar Kantho

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিক্ষোভ-মিছিলে উত্তাল টাঙ্গাইল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিলে উত্তাল হয়ে উঠেছে।

শনিবার (৩ আগষ্ট) বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব চত্বর ও বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সমবেত হন প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দেশব্যাপি ডাকা বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি হিসেবে টাঙ্গাইলে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এক দফা এক দাবি শেখ হাসিনার পদত্যাগসহ পুলিশকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ সহ সরকার বিরোধী নানা স্লোগান দেওয়া হয় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে।

প্রেসক্লাব চত্বরে সরকার পতনসহ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের হত্যাকারিদের বিচার দাবি করে বক্তব্য রাখেন মিছিলের সমন্বয়করা।

পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নিরালা মোড় হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় প্রেসক্লাব চত্বরে জমায়েত হন।

মিছিলে প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করেন। শহরের কর্মসূচি শেষে দেশ ব্যাপি ডাকা অসহযোগ আন্দোলন সফল করতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দেওয়াল লিখন ও শুক্রবার বিক্ষোভ সমাবেশ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এ সময় রুপক, সনি, আমেনাসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, এখন আমাদের এক দাবি সরকার পতন। এই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ। পতন ব্যতিত এই সরকারের কাছে আমাদের কোন দাবি নেই।

মিছিলে আসা এক অভিভাবক বলেন, সন্তানদের যৌক্তিক দাবি পূরণে আমিসহ অনেক অভিভাবক এসেছেন এই মিছিলে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আমরাও আছি। নীরবে আর সরকারের এত অত্যাচার সহ্য করা যায়না।

শনিবার সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হলেও কোনো ধরনের সহিংসতা ঘটনা এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দিন জানান, পুলিশ ধৈর্য সহকারে ও জান মালের নিরাপত্তা দিতে সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২৪ ০৫:১৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বৃষ্টি উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বৃষ্টি উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ

একতার কণ্ঠঃ পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, গণগ্রেপ্তার ও হত্যার প্রতিবাদে এবং নয় দফা দাবিতে টাঙ্গাইলে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কয়েক সহস্রাধিক বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

শুক্রবার (২ আগস্ট) জুমার নামাজের পর শহরের হেলিপ্যাড থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে সমাবেশ করে।
পরে নগরজলফৈ বাইপাসে গিয়ে একঘন্টা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মহাসড়কের উত্তরবঙ্গ ও ঢাকা যাওয়ার দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এতে দুই পাশে অন্তত ১৭ কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়।

এদিকে বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে পুরো শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বন্ধ রয়েছে অধিকাংশ দোকানপাট। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের ৯ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দিন জানান, পুলিশ অতি ধৈর্য সহকারে দায়িত্ব পালন করেছে। শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করে ফিরে গেছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অগাস্ট ২০২৪ ০২:০০:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।