একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ৯ নেতাকে বহিস্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়ানোর অভিযোগে কেন্দ্র থেকে তাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কেন পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, সেটি লিখিত জানাতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের শৃঙ্খলা ও মর্যাদা পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের এসব নেতাদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কেন পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, আগামী ৭ দিনের মধ্যে তার লিখিত জবাব বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দপ্তর সেলে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বহিষ্কৃত সভাপতি সমর্থিতরা হলেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেন মামুন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ. এইচ. এম. অপু হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবিদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল হাসান রকি, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফিউল হাসান ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিক ইকবাল।
বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সমর্থিতরা হলেন- শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জোবায়ের দৌলা রিওন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাওন ঘোষ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ রাব্বু।
উল্লেখ্য, এর আগে গত (১৩ ফেব্রুয়ারি) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মানিক শীল ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবীর গ্রুপের মধ্যে রাতভর পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত হন বেশকয়েকজন।
এরপর ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটিকে তদন্ত রিপোর্ট প্রেরণের জন্য ১৪ দিনের সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়।এছাড়া হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় মাভাবিপ্রবি ছাত্রলীগের দুপক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলা করেন।
গত (১৬ ফেব্রুয়ারি) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মানিক শীলসহ ১২ জনকে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন সম্পাদকের অনুসারী জয় কুমার ধর।
অন্যদিকে, গত (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবিরসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা করেন সভাপতির অনুসারী রুবেল হাসান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পৃথক ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সাগরদিঘী এলাকার হাইস্কুল সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিনা আক্তার (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত মিনা আক্তার বেইলা এলাকার সৌদি আরব প্রবাসী খসরু মিয়ার স্ত্রী। সে স্থানীয় আইনউদ্দিন কাজী নামে এক ব্যক্তির বাসায় ভাড়া থাকতেন।
সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ভিক্টর ব্যানার্জী বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘর থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে আত্মহত্যার কোনো কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, পৌরসভার খরাবর এলাকায় স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে তার সামনেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আহাদ (২৮) নামে এক যুবক। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টার দিকে পৌরসভার খরাবর এলাকায় আলিম উদ্দিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আহাদ নাটোর জেলার লালপুল থানার যুগাদা ইশ্বরদী গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি ‘আর এফ এল‘ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি এবং পৌরসভার খরাবর এলাকায় আলিম উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের পারিবারিক কলহের জের ধরেই শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহাদ তাদের থাকার ঘরে দরজা দিয়ে স্ত্রী লিমা খাতুনের হাত পা চেয়ারের সাথে বেঁধে স্ত্রীর সামনেই সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলে পড়েন। এ সময় লিমা খাতুনের চিৎকারে স্থানীয়রা দরজা ভেঙ্গে আহাদকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, কী কারণে আহাদ আত্মহত্যা করতে পারে তা জানা যায়নি। তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উভয়ের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এ নির্বাচনে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি রঞ্জন কৃষ্ণ পন্ডিত সভাপতি ও দৈনিক মানব কন্ঠ পত্রিকার কালিহাতী উপজেলা প্রতিনিধি মোল্লা মুশফিকুর রহমান মিল্টন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহম্মেদ।
এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন।
কমিটিতে নির্বাচিত অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি পদে ডেইলি অবজারভার পত্রিকার কালিহাতী প্রতিনিধি কামরুল হাসান মিয়া ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিনিধি রাইসুল ইসলাম লিটল।
সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক আজকের দর্পন পত্রিকার কালিহাতী প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ তালুকদার ও দৈনিক ভোরের পাতা পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার।
কোষাধ্যক্ষ পদে আনন্দ টিভির প্রতিনিধি মেহেদী হাসান চৌধুরী মৃদুল, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক পদে মানব দৈনিক জমিন পত্রিকার প্রতিনিধি শাহীন আলম, ক্রীড়া-সম্পাদক পদে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার প্রতিনিধি নুর-নবী রবিন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি শামীম আল মামুন।
এছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন, দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মতিন, দৈনিক সমকাল পত্রিকার প্রতিনিধি মীর আনোয়ার হোসের, দৈনিক যুগধারা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এডভোকেট হুমায়ূন কবির, দৈনিক অপরাধ কন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি গৌরাঙ্গ চন্দ্র বিশ্বাস ।
উল্লেখ্য, কালিহাতী প্রেসক্লাবের নির্বাচনে ৩৬ জন সদস্যের সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সুবিধাবঞ্চিত ২ শতাধিক শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চৌরাকররা গ্রামে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের উদ্যোগে এই বই বিতরণ করা হয়।
এসময় শিশু শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া ২ শতাধিক শিশুর মধ্যে বিভিন্ন ধরণের ৪ শতাধিক বই বিতরণ করা হয়।বইয়ের মধ্যে ছিল- শিশুদের গল্পের বই, কবিতার বই, ছড়ার বই, বর্ণমালা পরিচিত বই, ফল-মূল ও পশু-পাখি ইত্যাদি নানা ধরণের পরিচিত বই। বই পেয়ে শিশুদের চোখে ছিল আনন্দ আর মুখে ছিল উচ্ছ্বাস।
বই বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের সভাপতি শাহজাহান মিয়া।
বিতরণকালে পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান, সদস্য শাকিল আহমেদ, সুমন চৌধুরী, রিপন মিয়া, সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার বলেন, আমার গল্পের বই পড়তে ভালো লাগে। আমি মাঝে মাঝে পাঠাগারে এসে বই পড়ি। আজ বই উপহার পেয়ে আমি আনন্দিত।
বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান বলেন, বই শিশুর বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি ও মনের সুপ্ত ভাবনার বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে। শিশু বয়স থেকেই শিক্ষামূলক বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। তাই গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বই পড়ার সুযোগ করে দিতে আমরা বিনামূল্যে বই বিতরণ করে থাকি।
প্রসঙ্গত, “এসো বই পড়ি, নিজেকে আলোকিত করি” স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চৌরাকররা গ্রামে ২০১০ সালে গড়ে ওঠে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাগারটি গ্রামের মানুষের মধ্যে পাঠ্য অভ্যাস তৈরি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে সেলুন, বাসস্ট্যান্ড ও স্টেশন অণুপাঠাগার স্থাপনসহ শিক্ষামূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অবস্থানরত কৃষিবিদদের নিয়ে ‘কৃষিবিদ টাঙ্গাইল’ এর আয়োজনে মিলনমেলা ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী এ মিলনমেলা ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাধারণ সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন, অর্থ ও সাপোর্ট সার্ভিসেস) মো. জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ফরিদুল হাসান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (অব:) ডা. মোঃ আফাজ উদ্দিন মিঞা, কে-কোচার এর চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ডা. খন্দকার হেলাল উদ্দিনসহ অন্যান্য কৃষিবিদগণ বক্তব্য রাখেন।
সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রেস প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আজিজুল হক।
মিলনমেলা ও সাধারণ সভায় টাঙ্গাইলে অবস্থানরত কৃষিবিদরা সপরিবারে অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নাহিদ হাসান (২৩) নামে এক গ্যারেজ মিস্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের বীর ঘাটাইল এলাকার একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাহিদ উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পোয়াকোলাহা গ্রামের ধলা মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় মেসার্স মনির ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ নামে একটি গ্যারেজের মিস্ত্রী ছিলেন।
স্থানীয় একটি দোকানের কর্মচারী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, সকালে ভেকুর কাজ করছিলাম। নাট খোলার জন্য একটি যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। নাহিদের গ্যারেজ বন্ধ দেখে দোকানের কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করি। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে হঠাৎ খেয়াল করে দেখি গ্যারেজের একটি শার্টার সামান্য উঠানো। শার্টার পুরোটা উঠিয়ে নাহিদের কাছে গিয়ে ডাক দিলে সাড়া মেলেনি। শরীরে হাত দিয়ে ধাক্কা দিলে শরীর শক্ত লাগে। এরপর আশেপাশের লোকদের ডাক দিলে তারা এসে দেখেন নাহিদ মারা গেছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
গ্যারেজ মালিক মনির হোসেন ব্যবসার কাজে চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। তার বড় ভাই মনসুর আলী বলেন, নাহিদ তিন মাস ধরে এই গ্যারেজে কাজ করছেন। ঘটনাস্থলে দেখা যায় মোটরসাইকেলের লুকিং গ্লাস ও নম্বর প্লেট পড়ে আছে।
স্থানীয়দের ধারণা, রাতের কোনো এক সময় চোর মোটরসাইকেল চুরি করে নেওয়ার সময় নাহিদ দেখে ফেলায় তাকে হত্যা করা হতে পারে।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দান থেকে অবৈধ ট্রাক স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোহাইমিনুল ইসলাম এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে রাখা প্রায় ৫০টি ছোট-বড় ট্রাক সরিয়ে দেওয়া হয়। এর পূর্বে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের পক্ষে উপজেলা সদর ভূমি (এসিল্যান্ড) অফিসের এক কর্মকর্তা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে এসে অবৈধ ট্রাক স্ট্যান্ডটি বিকাল ৬টার মধ্যে সরিয়ে নিতে ট্রাক স্ট্যান্ডের দায়িত্বে থাকা নেতৃবৃন্দকে মৌখিক নির্দেশ প্রদান করে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোহাইমিনুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দান থেকে ট্রাক স্ট্যান্ডটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। আশা করি, এরফলে ১১৮ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানের পরিবেশ ও পবিত্রতা ফিরে পাবে।
এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯০৫ সালে স্থাপিত টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে গত বছরের অক্টোবর মাসে টাঙ্গাইল ভাসানী হলের সামনে থেকে ট্র্যাক স্ট্যান্ডটি সরিয়ে ঈদগাহ্ ময়দানে বসার মৌখিক অনুমোদি দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে ট্রাক স্ট্যান্ড বসার পরে টাঙ্গাইলের সর্বসাধারণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ঈদগাহ্ ময়দানে ট্রাক স্ট্যান্ড বসানোর ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশিত হলে, জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক মিটিংয়ে ঈদগাহ্ থেকে ট্রাক স্ট্যান্ডটি সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের পুষ্পস্তবক শহীদ বেদী থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ময়লার ট্রাকে অপসারণ করেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের দায়িত্ব থাকা টাঙ্গাইল পৌর প্রশাসন।
এ ঘটনায় জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর বিষয়টি একটু ভুল হয়েছে স্বীকার করে জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটবে না। এ বিষয়ে আমরা সচেতন থাকবো।
সংশ্লিষ্ট্য সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রথমে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে প্রথম প্রহরে ও সকালে বিভিন্ন সরকারি-বেসকারি সংস্থা, রাজনৈতিক দল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এবং বিভিন্ন সংগঠন টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা শুরু করে। পর্যায়ক্রমে বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত চলে শহীদ বেদীতে শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর কার্যক্রম।
কিন্তু দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল পৌরসভার ময়লার গাড়ি এসে শহীদ মিনারের পাশে দাঁড়ায়। এ সময় পৌরসভার কয়েকজন কর্মচারীরা গণমানুষের দেওয়া শ্রদ্ধাঞ্জলির ফুলের তোড়া শহীদ বেদী থেকে পৌরসভার ময়লার গাড়িতে তুলতে থাকে। ফুলের তোড়াগুলো তারা পৌরসভার ময়লার গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এতে এক ঘণ্টার মধ্যেই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো ফুলগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ নাগরিক-সমাজের লোকজন। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলেন, যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। মহান ভাষা আন্দোলনে আমরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছি। কিন্তু টাঙ্গাইল পৌরসভা এমন অবিবেচক হলো কিভাবে, যে তারা কয়েক ঘন্টার মধ্যেই শহীদ বেদীর ফুল তুলে ময়লার গাড়িতে তুলে নিয়ে গেল। সকাল ১১ টা পর্যন্ত তো নানা শ্রেণির মানুষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে। তাহলে ১২ টার মধ্যেই নিতে হবে? এতে করে শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলের একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে মেয়র কিভাবে এমন অন্যায় কাজ করতে পারেন।
বিষয়টি একটু ভুল হয়েছে স্বীকার করে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটবে না। এ বিষয়ে আমরা সচেতন থাকবো। বরাবরের মতো এ বছরও দুপুরের আগেই ফুলগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে বিকালের পর অপসারণ করা হলে ভালো হতো বলে তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরাবরাহের সময় হাতে নাতে ধরা পড়ায় দুইজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের বাইরে থেকে নকল সরবরাহের চেষ্টাকালে আল আমিনকে ২১ দিন ও মহির উদ্দিনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক।
এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক জানান, এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের বাইরে থেকে নকল সরবরাহের চেষ্টাকালে ওই দুইজন ব্যক্তিকে নকল সহ হাতেনাতে ধরা হয়। পরে তাদের নিকট নকল সরবরাহের উপকরণ পাওয়া যায় এবং তারা অপরাধ স্বীকার করেন। এসময় একজনকে ২১ দিন এবং অপরজনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরীক্ষায় যে কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং অসদোপায় প্রতিরোধ ও কেন্দ্রের ভেতর এবং বাইরের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন সচেষ্ট আছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার নাগরপুর উপজেলা প্রতিনিধি ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উপজেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল হক বাবু একজন শিক্ষকের দায়ের করা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন চাঁদাবাজি মামলায় আদালত থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলাটি থেকে খালাস সংক্রান্ত একটি রি-কল পত্র নাগরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিক মো. আজিজুল হক বাবু বলেন, আমাকে হেনস্তা ও আমার পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করতেই চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগে মামলা করা হয়েছিলো যা আদালতের সিদ্ধান্তে বেকসুর খালাসের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। সব প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে সুষ্ঠু ধারায় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতায় সামনে এগিয়ে যেতে চাই।
উল্লেখ্য, গত ২০২২ সালের ২১ এপ্রিল একটি বানোয়াট অভিযোগে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে, নাগরপুর থানা পুলিশ সাংবাদিক আজিজুল হক বাবুকে আটক করে এবং থানা হাজতে রেখে পরের দিন ২২ এপ্রিল আদালতে প্রেরণ করে।
প্রায় একমাস কারাগারে থাকার পর পরবর্তীতে তিনি ওই বছরের ২৩ মে জামিনে মুক্তি পান।
এছাড়াও ভিত্তিহীন চাঁদাবাজি মামলায় আটকের প্রতিবাদে সে সময় নাগরপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা ও বিভিন্ন সাংবাদিক মহল মানববন্ধনসহ প্রতিবাদ সমাবেশ করেছিল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ ১৬ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভূঞাপুর ইব্রাহীম খাঁ সরকারি কলেজ ও বীরহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, ভূঞাপুর পৌর শহরের বীরহাটি গ্রামের আব্দুল হালিম (৩৮), বামনা হাটা গ্রামের জহুরুল ইসলাম (২৩), ফসলান্দি গ্রামের আতিকুর রহমান (৩৮), পশ্চিম ভূঞাপুর গ্রামের লিলি বেগম (৩০), ফলদা ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া গ্রামের কেরামত আলী (৬৫), স্কুলছাত্রী জুই খাতুন (৯), পৌরসভার বেতুয়া এলাকার জহুরা (৫০) এবং নিকরাইল এলাকার নাসিমা বেগম (৪৫)। অপর আহত আরও ৮ জনের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আহত জহুরুল ইসলাম জানান, ইব্রাহীম খাঁ মাজারের কাছে একটি পাগলা কুকুর লাফ দিয়ে আমার উপর এসে পড়ে এবং পায়ে কামড়ে দেয়। এরপরই সেখানে থাকা আরও কয়েকজনকে কামড়ে দিয়েছে।
অপর আহত উপজেলার কষ্টাপাড়া ফাজিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক আতিকুর রহমান জানান, বাসা থেকে বের হয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে খোঁজ নিতে যাওয়ার সময়ই দৌড়ে এসে কুকুর কামড়ে দিয়েছে। পরে হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিতে এসে দেখি ভ্যাকসিন নেই। বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে এনে দিতে হয়েছে।
এদিকে, পাগলা কুকুরটিকে নিয়ন্ত্রণ না করায় বিভিন্ন জায়গাতে গিয়ে পথচারীদের উপর আক্রমণ ও কামড়াচ্ছেন। এতে আহতদের সংখ্যা বাড়ছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভ্যাকসিনসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এরমধ্যে গুরুত্বর আহত রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. ইফাত ফারজানা জানান, কুকুরের আক্রমণে শিকার হয়ে ১৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুত্বর ৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভ্যাকসিন সরবরাহ না থাকায় বাইরে থেকে রোগীদের কিনে আনতে হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদুর রহমান জানান, ‘বিষয়টি জানা নেই। জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল হক মাস্টারকে পরিকল্পিভাবে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ভূঞাপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও’র) মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এর আগে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ ও মিছিল করে শিক্ষকরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন – ‘পরিকল্পিতভাবে শিক্ষক আব্দুল হক মাস্টারকে হত্যা করা হয়েছে। নৃশংস এই হত্যার ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য একটি মহল পাঁয়তারা করছে। আমরা আমাদের সহকর্মী শিক্ষক আব্দুল হক মাস্টার হত্যার কঠোর শাস্তিসহ আসামিদের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।’
উপজেলা মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আফসার আলীর সভাপতিত্বে সেখানে বক্তব্য রাখেন – উপজেলা চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম, শিক্ষক আব্দুস ছোবহান, আব্দুর রউফ তালুকদার, নূরুল হুদা, আতিকুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, নূরুন্নবী, মাহবুব আলম ও মাজহারুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার নিকড়াইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া গ্রামের শিক্ষক আব্দুল হক মাস্টার নিখোঁজ হন। মূলত, ওই সময় আসামি জাহানারা ওরফে জয়নব বেগম ও তার স্বামীসহ কয়েকজন মিলে শিক্ষক আব্দুল হককে হত্যা করে ঘরের সামনে বালুচাপা দিয়ে রাখে।
এরপর শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাহানারার বাড়ি থেকে ওই শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই রাতে শিক্ষককের স্ত্রী আয়েশা খাতুন বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের আসামিরা হলেন – জাহানারা ওরফে জয়নব বেগম, তার স্বামী আব্দুল বারেক, প্রতিবেশী ছবুর ও জাকির।