আরমান কবীরঃ “মানবাধিকার আমাদের প্রতিদিনের জন্য অপরিহার্য” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইলে ৭৭তম আন্তর্জাতিক বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (১০ডিসেম্বর) সকালে মানবাধিকার সংগঠন “ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস অব বাংলাদেশ” টাঙ্গাইল জেলা শাখা আলোচনা সভা ও মানববন্ধন ও বর্ণাঢ্য র্যালি বের করে।
এ দিন সকালে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানবাধিকারকর্মীরা শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে সমবেত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে মানববন্ধনে মিলিত হয়।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল সদরে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিকের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস অব বাংলাদেশ টাঙ্গাইলের উপদেষ্টা মনোয়ার হোসেন, বুলবুল আহমেদ, সংগঠনের সদস্য সচিব মামুনুর রহমান মামুন, অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জুয়েল।
মানববন্ধন শেষে একটি বিশাল র্যালি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়। এই র্যালিতে বিপুল সংখ্যক মানবাধিকার কর্মী অংশগ্রহণ করে।
এ ছাড়া টাঙ্গাইলের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন দিবসটি উপলক্ষে ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।
উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়েছিল, তার স্মরণে প্রতি বছর এই দিনে দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়।
এই বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় “মানবাধিকার আমাদের প্রতিদিনের জন্য অপরিহার্য”।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে ক্রিয়াশীল তিনটি সাংবাদিক সংগঠনের সাংবাদিকদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার(৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায়, টাঙ্গাইল প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসাদুল আখতার শামীম, সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন, উত্তর টাঙ্গাইল টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে নবাগত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার দায়িত্ব পালনে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, পুলিশ-সাংবাদিক একে অপরের পরিপুরক। আমরা সবাই মিলে টাঙ্গাইলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখবো। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই গণভোটের মাধ্যমে জনগনই সিদ্ধান্ত নিবে আগামি দিনের বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে।
তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৬৪ জেলায় পুলিশ সুপার পদায়ন করা হয়েছে, আমিও তারই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে যোগদান করেছি। আমাদের মূল লক্ষ এখন- আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। বিগত নির্বাচন যেভাবে হয়েছে তা যেন না হয়- এবার ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে আসতে এবং তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে। এটা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের পুলিশ বাহিনীর পক্ষে যা যা করণীয় তা করা হবে। একই সঙ্গে আমাদের যে স্বাভাবিক কার্যক্রম রয়েছে সেগুলো সুষ্ঠুভাবে পালন করবো। এক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাই।
পরিচিতি সভার শুরুতে তিনটি সংগঠনের শতাধিক গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার পরিচিত হন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৮ডিসেম্বর) বিকেলে কাকুয়া ইউনিয়নের কাকুয়া হাই স্কুল মাঠে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
কাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদত হোসেন সাহা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম- সম্পাদক এডভোকেট আজিমুদ্দিন বিপ্লব, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম, কাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান খাদেমুল ইসলাম, কাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন প্রমূখ।
দোয়া মাহফিল স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করেছেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট ফরহাদ ইকবালের কর্মী-সমর্থকরা
সোমবার(৮ ডিসেম্বর )দুপুরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে মৌন মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনরায় পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়।
এর আগে,শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খন্ড-খন্ড মিছিল এসে পৌর উদ্যানে সমবেত হয়। পরে বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের পূর্বে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, টাঙ্গাইল সদর আসনটি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি’র দখলে রয়েছে। এবার বহিরাগত প্রার্থী দেওয়ায় আসনটি হাত ছাড়া হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিএনপি’র হাই কমান্ডকে অনুরোধ করবো এখানে সদরের ছেলেকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। এছাড়া তিনি আরও বলেন, বিএনপির হাই কমান্ড যে সিন্ধান্ত নেবে আমরা সেটাই মেনে নিবো।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন,শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলিম, সাধারণ সম্পাদক এজাজুল হক সবুজ, সদর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ, সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেল, সহ-সভাপতি মামুন সরকার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম ঝলক, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু প্রমূখ।
আরমান কবীর: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে খেজুরের রস খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তাওহীদ নামে ৮ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ জন।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের পাকুটিয়া বেইলী ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তাওহীদ উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর দরগাবাড়ি গ্রামের প্রবাসী হারুনের ছেলে। এ ঘটনায় আহত দুইজন একই গ্রামের জিহাদ ও হাসান।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, তিন মোটরসাইকেলে ৯ জন কালিহাতীর ধানগড়া গ্রামে রবিবার ভোরে খেজুরের রস খেতে যান। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে পাকুটিয়া এলাকায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি বেইলি ব্রীজের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তাওহীদের মৃত্যু হয়। এ সময় দুইজন গুরুত্বর আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কতব্যরত চিকিৎসক জিহাদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে ।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, গুরুত্বর আহত জিহাদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। আহত হাসানকে হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, নিহত তাওহীদের মরদেহ কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কাগুজিপাড়া বাজারে একটি খোলা পেট্রোল বিক্রির দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।এই ঘটনায় দোকান মালিক বৃদ্ধ গফুর আলী (৬০) দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডে বাজারের আরো দুইটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কালিহাতী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাসেল মিয়া অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কাগুজিপাড়া বাজার কমিটির সভাপতি মো. ফজলু তালুকদার জানান, সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে হঠাৎ গফুরের তেলের দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখি। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে আমরা পানি দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সময় গফুর ভাই দোকান থেকে বের হতে না পারায় আগুনের তাপে ও ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করে।
তিনি আরও জানান, আগুন গফুরের দোকান থেকে পাশের আরও দুইটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। তিনটি দোকানে মিলিয়ে মোট ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
কালিহাতী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাসেল মিয়া বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরই আমরা ঘটনাস্থলে যাই ।বাজারের গফুর আলীর খোলা পেট্রোলের দোকানেই মূলত আগুন লাগে। পরে ১০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দোকান মালিক গফুর ভেতরে আটকে পড়ায় দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন ।নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে আগুন লাগতে পারে। গফুরের দোকানে আনুমানিক ২ থেকে আড়াই লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রের সাংবাদিকদের সমন্বয়ে প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন” টাঙ্গাইলের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
সোমবার(১ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী শহরের বটতলায় আলোচনার ভিত্তিতে ‘প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন’ টাঙ্গাইল নামে এই সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে।
আলোচনা শেষে সর্বসম্মতি ক্রমে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকা টাঙ্গাইলের স্টাফ রিপোর্টার মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুলকে সভাপতি, দৈনিক কালবেলা পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি আবু জুবায়ের উজ্জলকে সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকা প্রতিনিধি ইমরুল হাসান বাবুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট ১ বছর মেয়াদি পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্যরা হচ্ছেন- সহ-সভাপতি রঞ্জন কৃষ্ণ পন্ডিত(দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ), আরমান কবীর সৈকত(দৈনিক নয়া শতাব্দী) ও মোস্তফা কামাল নান্নু(দ্যা ডেইলি নিউনেশন), সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার(দৈনিক ভোরের পাতা) ও শফিকুজ্জামান মোস্তফা(দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান(দৈনিক স্বাধীন সংবাদ), অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা তোফাজ্জল, দৈনিক মজলুমের কন্ঠ, দপ্তর সম্পাদক ,জাহাঙ্গীর আলম(দৈনিক নিরপেক্ষ), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাইসুল ইসলাম লিটন(দৈনিক আমার সংবাদ), প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সবুজ(দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন), ক্রীড়া সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির(দৈনিক ঢাকা), সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন(দৈনিক আজবেলা), সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মীর শামসুদ্দিন সায়েম(দৈনিক কালের স্রোত), তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ কাওছার(দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ)।
কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন- মো.কামরুজ্জামান(দৈনিক বর্তমান কথা), মহিউদ্দিন সুমন(সংবাদ সংস্থা বাসস), সুমন কুমার রায়(দৈনিক সময়ের আলো), মো. আলমগীর হোসেন(দৈনিক আমার সময়) মুক্তার হোসেন ( দৈনিক সংবাদ সংযোগ)
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন ভাবে তৈরি হচ্ছে শত শত ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা। ফলে পৌর এলাকার প্রায় প্রতিটি সড়কে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি রিকশা ও অটোরিকশা চলাচলের কারণে শহরে অসহনীয় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে অফিস টাইমে স্থবির হয়ে পড়ছে শহরের রাস্তাঘাট। ঘন্টার পর ঘণ্টা যান জটের কবলে আটকা পড়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে অফিস যাত্রী ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা
টাঙ্গাইল পৌরসভার লাইসেন্স শাখা সূত্রে জানা যায়, বিগত মেয়র সিরাজুল হক আলমগীরের সময়ে টাঙ্গাইল পৌরসভা থেকে ৬ হাজার প্যাডেল রিকশার লাইসেন্স দেওয়া হয়। প্রতিটি লাইসেন্স বাবদ ফি নেওয়া হয় ১ হাজার টাকা। এই লাইসেন্স প্যাডেল চালিত রিকশার জন্য দেওয়া হলেও পৌরসভার এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে বর্তমানে লাইসেন্স গুলো ব্যবহৃত হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশায়। এটা পৌরসভার আইন অনুযায়ী নিয়ম বহির্ভূত। বিগত সময়ের মেয়র দায়িত্ব থাকাকালীন সময় থেকেই এভাবে চলছে বলে জানা যায়। কিছু কিছু রিকশার মালিকরা একই নামে দশের অধিক লাইসেন্স নিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশা ক্রয় করে চালকদের কাছে ভাড়া দিচ্ছেন।
পৌরসভার তালিকাভূক্ত ৬ হাজার রিকশা থাকলেও বাস্তবে শহরে এর ৩ থেকে ৪ গুন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে। এই রিকশাগুলো টাঙ্গাইলের অননুমোদিত মা-মটরস, বিসমিল্লাহ মটরস, একতা মটরসসহ আরো নামে-বেনামে ৩০টির অধিক অবৈধ কারখানা থেকে তৈরি হচ্ছে।
এইসব কারখানার অধিকাংশ মিস্ত্রিদের কোন ধরনের কারিগরি ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। শুধুমাত্র অতীত অভিজ্ঞতা থেকেই তৈরি এইসব ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে। ফলে শহরে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া এইসব রিকশা গুলোর ব্যাটারি চার্জ করতে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুতের দরকার হচ্ছে। এর ফলে দিনদিন শহরে লোডশেডিং বাড়ছে।
সরজমিনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের টাঙ্গাইল-বাঘিল আঞ্চলিক সড়কের চিলাবাড়ি এলাকায় মা-মটরস কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, তিনজন কারিগর ব্যাটারিচালিত রিকশার নতুন অনেক গুলো বডি তৈরি করছে। এদের দুইজনকে মালিক রংপুর ও ময়মনসিংহ থেকে ভাড়া করে এনেছে। এছাড়া একজন ১২ বছরের কিশোর কোনরকম নিরাপত্তা পোশাক না পড়েই ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করছে। তারা জানায়, প্রতিটি বডি তৈরি করলে ব্যাটারিচালিত রিকশার ক্ষেত্রে ১ হাজার ২শত টাকা ও অটোরিকশা তৈরির ক্ষেত্রে ৩ হাজার টাকা করে মুজুরি পান। এছাড়া থাকা-খাওয়া মালিকের মধ্যে। চিলাবাড়িতেই রয়েছে মা-মটরসের বিক্রয়ের শোরুম। শো রুমের সমানেই সড়কের অপর পাশে ঢাকা থেকে কারিগর এনেছেন রিকশার সিট ও সৌন্দর্য বর্ধনের হুড তৈরির জন্য। এছাড়া রিকশার সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য বিভিন্ন ধরনের নকশার কাজ করছেন স্থানীয় একজন কারিগর।
মা-মটরসের মালিক দুলাল মিয়া এক সময় রিকশার মেকার হিসেবে টাঙ্গাইল শহরে কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা তৈরির কারখানা দিয়েছেন। তিনি জানান, এই ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা তৈরির কোন ধরনের বৈধ অনুমোদন পত্র তার নেই এবং কোন ধরনের কারিগরি জ্ঞানও নেই। তিনি দীর্ঘদিন রিকশা মেরামত অথাৎ মেকারের কাজ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এই রিকশা তৈরির কারখানা করেছেন।
এমনকি বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) টাঙ্গাইলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হিসেবে কাজ করার কোন অনুমোদন আছে কিনা তার কাছে জানতে চাইলে তিনি সে ব্যাপারেও না করেন। কোন ধরনের অনুমোদনের তোয়াক্কা করেন না বলেও তিনি জানান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সোরহাব হোসেন জানান, মা-মটরস নামের একটি ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা তৈরির কারখানা আমার ৬নং ওয়ার্ডে রয়েছে। তবে সরকারি ভাবে তাদের এই রিকশা ও অটোরিকশা তৈরির কোন কাগজপত্র আছে কিনা সেটা আমার জানা নেই। প্রয়োজনে বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো।
এডভোকেট জসিম উদ্দিন, এডভোকেট মিজানুর রহমান, জুয়েল রানা, সহকারী অধ্যাপক মো. শাহজাহান মিয়া, শিক্ষিকা সেলিনা হোসেন জানান, শহরের প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা চলাচল করছে। এর সাথে প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম্বার বিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা। ফলে ব্যস্ততম সময়ে শহর এক প্রকার অচল হয়ে পড়ে। এছাড়া এই ধরনের রিকশা চলাকদের কোন ধরনের প্রশিক্ষণ না থাকায় যত্রতত্র রিকশা পার্কিং ও যাত্রী তোলার ফলে এই যানজট আরও প্রকট আকার ধারণ করে। এইসব অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা তৈরির কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। তাহলে শহরে কিছুটা হলেও যানজট কমবে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) শাহীন মিয়া জানান, আমি টাঙ্গাইলে নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা তৈরি আইনগতভাবে বৈধ নয়। তাই এই ধরনের কোন রিকশা তৈরির কারখানার সন্ধান পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক (উপসচিব) মো. শিহাব রায়হান জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন করে কোন ব্যাটারিচালিত রিকশার লাইসেন্স প্রদান করা হয়নি। আর টাঙ্গাইল পৌরসভা কর্তৃপক্ষ অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা মুক্ত শহর করতে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও এই অবৈধ রিকশা গুলো আটক করে ডাম্পিং করা যায় কিনা সেই বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে আলাপ আলোচনা চলছে। খুব দ্রুতই এইসব অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
আরমান কবীরঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্ত অবস্থায় যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ এক তরুণী ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। তাঁর নাম মীম (২২)।
মঙ্গলবার(১৮ নভেম্বর )সকাল ১০টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
গত ১২ নভেম্বর দিবাগত রাত একটার দিকে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাঐখোলা এলাকায় চলন্ত অবস্থায় যাত্রীবাহী ওই বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। তখন পুলিশ জানিয়েছিল, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।
নিহত মীমের স্বামী মোহাম্মদ আলী জানান, তাঁরা ঢাকার তুরাগ এলাকায় থাকেন। মীমের দাদার মৃত্যুর খবর পেয়ে ১২ নভেম্বর রাতে তাঁরা পাবনার বেড়া উপজেলায় যাচ্ছিলেন। তাঁদের বাস টাঙ্গাইলের বাসাইল এলাকায় আসার পর বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে তিনি সামান্য দগ্ধ হলেও মীমের শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মীমকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
মঙ্গলবার(১৮ নভেম্বর) রাতে টাঙ্গাইলের বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি) জালালউদ্দিন জানান, ঘটনার পর তাঁরা জানতেন না কেউ আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপর সব যাত্রী চলে যান। দুই দিন পর জানতে পারেন মীম নামের একজন আহত হয়েছেন। তিনি পাবনার বেড়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথমে চিকিৎসা নেন। পরে ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নেন।
আগুনের ঘটনায় ১৩ নভেম্বর গোড়াই হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মারুফা লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠান। বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনেরা মৃতদেহ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে নিয়ে যান। মীমের বাড়ি পাবনার বেড়া উপজেলার চর প্যাচাকোলা গ্রামে।
মীমের চাচা সাইদুল ইসলাম বলেন, গত তিন মাস আগে মীমের বিয়ে হয়। তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে ডিপ্লোমা কোর্স করছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোট ও কালচারাল রিফর্মেশন ফোরাম টাঙ্গাইলের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু(৬০)।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের হোটেল আপ্যায়নের সামনে ভিক্টোরিয়া রোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বুধবার রাতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহনের শোকসভা থেকে ফেরার পথে ব্যবসায়ী লাবুর ওপর ছয়জন সন্ত্রাসী রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
আত্মরক্ষার জন্য হাতে থাকা ছাতা ব্যবহার করলেও তিনি হামলা থেকে রক্ষা পাননি। হামলাকারীদের কোপে তার ডান হাতে কবজির নিচে এবং পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। রাম দায়ের কোপের আঘাতে তার ডান হাতের হাড় ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গুরুতর আহত আবুল কালাম মোস্তফা লাবু জানান, তাকে পূর্ব থেকেই অনুসরণ করা হচ্ছিল। ঘটনার সময় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল ফলে রাস্তাঘাট ফাঁকা ছিল এই সুযোগে ৬ জন সন্ত্রাসী তার উপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়। তার হাতে থাকা ছাতা দিয়ে তিনি হামলা ঠেকানোর চেষ্টা করেন। পরে তার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, পূর্বের একটি ঘটনার জের ধরেই এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। এই বিষয়ে তিনি সুস্থ হলে থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, এই ঘটনায় কেউ থানায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ দায়ের করেনি।ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
আরমান কবীরঃ সন্ত্রাসী হামলায় নিহত টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শহীদ আব্দুর রউফের ২১তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল,স্মরণসভা ও গণভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার ( ২৮ অক্টোবর) রাতে শহীদ আব্দুর রউফ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে পার দিঘুলিয়ায় শহীদ রৌফের বাসভবনের সামনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সাবেক ছাত্রদল নেতা আকিবুর রহমান ইকবালের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, শহর বিএনপির সদস্য নুরুল ইসলাম ভিপি প্রমুখ।
এর পূর্বে দুপুরে শহীদ রউফের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে পার দিঘুলিয়া শহীদ রউফের বাসায় সামনে দোয়া মাহফিল ও গণভোজের আয়োজন করা হয়।
এই দোয়া মাহফিল ও গণভোজে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট আলী ইমাম তপন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর উপজেলার বিএনপি’র সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেল , শহর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন আকন্দ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ভিপি মনির প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন রাহেলা জাকিরসহ তার সমর্থিত পুরো প্যানেল ।
কমিটির নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন-সহ-সভাপতি তৌফিকা রশিদ, পরিচালক কে এম তৌহিদুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান, মো. আশরাফ হোসেন আনসারী (বিপ্লব), সৈয়দ মনিরুজ্জামান, এসএম ফাহাদুল ইসলাম ও মোসা. নিলুফা ইয়াসমিন খানম।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেড নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী ও বাসাইল উপজেলা সমবায় অফিসার মীর ময়-ই-নুল হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় এ কমিটির সদস্যদের নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
এর আগে, গত ২১ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা, ৮ ও ৯ অক্টোবর নির্বাচনী মনোনয়নপত্র বিতরণ, ১০ অক্টোবর জমা প্রদান, ১৬ অক্টোবর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের খসড়া তালিকা প্রকাশ, ২৬ অক্টোবর বৈধ প্রার্থীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয় ও ২৭ অক্টোবর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ঘোষণা করা হয়।