টাঙ্গাইলে নিজেদের অর্থায়নে দেড় কিমি ড্রেনের কাজের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠঃ এলাকা কোন ড্রেন বা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই। ফলে একটু বৃষ্টি হলেই সড়কে পানি জমে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ ছাড়াও বহুতল ভবণের পানি নিষ্কাশনের মতো কোন স্থায়ী ব্যবস্থা নেই। তাই এলাকাবাসীর উদ্যোগে ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। ড্রেন নির্মাণের ব্যয় ৩৫ লাখ টাকা নিজেরেই বহন করবেন। দীর্ঘ দিনের সেই দুর্ভোগ লাঘবে শনিবার (১১ জুন) সকালে  টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া জমিদারবাড়ী পূর্ব তরফ আবাসিক এলাকা পানি নিঃষ্কাশনের জন্য নিজেদের অর্থায়নের ড্রেনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। দেড় কিলোমিটার ড্রেনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু।

স্থানীয় বাসিন্দা এডভোকেট মো. মহিউদ্দিন মামুন বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমতো। এতে বাসার বাইরে বের হলেই কাঁদায় শরীরের পোশাক নষ্ট হতো। এছাড়াও মসজিদে যেতে ও শিক্ষার্থীদের স্কুলে কলেজে যেতে দীর্ঘদিন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। ড্রেন নির্মাণ হলে দুর্ভোগ লাঘব হবে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু জানান, এলাকার সকলের ব্যক্তিগত সহযোগিতা ড্রেন নির্মাণ করছে এটি বাংলাদেশে বিরল। এমন কাজ করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে এলাকার মানুষকে ধন্যবাদ জানান তিনি। সরকারের উন্নয়নের পাশাপাশি এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া উচিত। এলাকার বাকি উন্নয়ন কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

৩ সপ্তাহ আগে

মহানবী (সা.)-কে অবমাননা প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বিক্ষোভ

একতার কণ্ঠঃ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন দলের (বিজেপি’র) মুখপাত্র নূপুর শর্মা ও তার সহযোগী নবীন কুমার জিন্দালের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সেচ্ছাসেবী সংগঠন আল-কারীমু মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন ও স্থানীয় মুসল্লিরা।

শনিবার (১১ জুন) বিকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সিরাজকান্দি বাজারে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। এরপর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব গোল চত্বর হয়ে মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিলটি বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংগঠনের নেতা ও স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ অন্যরা বক্তব্য শেষে পুনরায় ওই স্থানে গিয়ে মিছিল সমাপ্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আল-কারীমু মানব কল্যাণ সংগঠনের পরিচালক সেলিম রেজা পলাশ, সহ-উপদেষ্টা সহিদুল তালুকদার, সভাপতি হুমায়ন কবির, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল খান, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মান্নান, সহ-ধর্ম বিষয়ক মাওলানা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক সোনা মিয়া মন্ডল, পলশিয়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আব্দুল কাদের -সহ সংগঠনের অন্য সদস্য এবং স্থানীয় মুসল্লিরা।

এদিকে, দুপুরে উপজেলার নিকরাইল শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীসহ ছাত্র ও যুব সমাজসহ স্থানীয় মুসল্লিরাও কলেজের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা নিকরাইল বাজার এবং জোকারচর সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। পরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের জোকারচর বাসস্ট্যান্ড প্রায় ১০-১৫ মিনিট সময় অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীসহ ছাত্র ও যুবসমাজ।

বিক্ষোভে মিছিলে ‘ভারতীয় পণ্য, বয়কট, বয়কট’, ‘বিশ্ব নবীর অপমান, সইবে না রে মুসলমান’, ‘নূপুর শর্মার বিচার চাই’-সহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে মহাসড়কে কিছুটা যানজট সৃষ্টি হলে তারা অবরোধ থেকে সরে গিয়ে জোকারচর রেললাইনের পাশে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা করে।

এ সময় বক্তব্য দেন- নিকরাইল শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী মোমিন, জুয়েল, রফিক ও মামুনসহ অন্যরা।

বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, যেকোনো ধর্মের মনিষী বা নেতারা শ্রদ্ধার পাত্র। তাদের নিয়ে অযথা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য অবশ্যই নিচু মানসিকতার কাজ। হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও হযরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে ভারতের বিজেপি নেত্রী যে মন্তব্য করেছেন এটি অত্যন্ত গর্হিত। আমরা এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একইসঙ্গে তার বিচারের দাবি করছি। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

৩ সপ্তাহ আগে

বিশ্বনবীকে কটুক্তির প্রতিবাদে ভাসানীতে মিছিল ও সমাবেশ

একতার কণ্ঠ: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. কে কটুক্তির প্রতিবাদে মিছিল, মানববন্ধন ও সভা করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১১ জুন) সকালে বিক্ষোভ মিছিলটি একাডেমিক কাম রিসার্চ ভবন থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে প্রতিবাদ সভা করে। প্রতিবাদ মিছিল, মানববন্ধন ও সভায় প্রায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকিউলার বায়োলজি (বিএমবি) শেষ বর্ষের শেষ সেমিস্টারের ছাত্র আতিকুর রহমান, ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) শেষ বর্ষের শেষ সেমিস্টারের ছাত্র হাফিজুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা, সম্প্রতি ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও মিডিয়া সেল প্রধান নবীন জিন্দাল মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. ও উম্মাহাতুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাযি. কে নিয়ে চরম অশ্লীল ও অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

প্রতিবাদ সমাবেশে থেকে,অবমাননাকর এ বক্তব্যের অভিযোগে বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও মিডিয়া সেল প্রধান নবীন জিন্দাল সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

৩ সপ্তাহ আগে

টাঙ্গাইলের সংবাদপত্র ও সম্পাদক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

একতার কন্ঠ:“টাঙ্গাইলের সংবাদপত্র ও সম্পাদক” নামক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুন) সকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে দৈনিক যুগধারা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সরকার হাবিব সম্পাদিত “টাঙ্গাইলের সংবাদপত্র ও সম্পাদক” নামক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচিত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন একুশে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক মজলুমের কন্ঠের সম্পাদক এডভোকেট জাফর আহমেদ, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, যুগ্ম-সম্পাদক আনোয়ার মোল্যা, টাঙ্গাইল জজকোর্টের পিপি এস আকবর খান, প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক কামনাশীষ শেখর, এনটিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মহব্বত হোসেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নাগরপুর উপজেলা কমান্ড মোঃ সুজায়েত হোসেন প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই এর পরিচালক আবু নাসের। আব্দুর রৌফ রিপনের অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ,গ্রন্থে বাংলাদেশের পত্রিকা ও সম্পাদকের নানা বিষয় বিশ্লেষণধর্মী লেখা স্থান পেয়েছে। বইটি সম্পাদক ও সংবাদপত্রের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।

৩ সপ্তাহ আগে

ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন

একতার কণ্ঠঃ আমাদের দৈহিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য ঘুম অপরিহার্য। পর্যাপ্ত ও আরামদায়ক ঘুম আমাদেরকে সক্রিয় ও সতেজ করে তোলে। সাধারণভাবে স্বাস্থ্যকর ঘুম বলতে প্রতি রাতে একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমকে বুঝানো হয়। একে অনেকে ঘুমের পরিমাণ হিসাবে ধরে নেয়। যদিও ঘুমের পরিমাণ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একটি ভালো ঘুমের জন্য এর পরিমাণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হলো গুণগত মান। নিয়মিত আরামদায়ক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘুম আমাদের সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন রাজধানীর ইনজিনিয়াস পালমো ফিটের স্লিপ কনস্যালট্যান্ট ডা. ফাতেমা ইয়াসমিন

ঘুমের পরিমাণ কী?

ঘুমের পরিমাণ বলতে বোঝায় আপনি প্রতি রাতে কত ঘণ্টা ঘুমান। বয়সভেদে মানুষের ঘুমের সময় তারতম্য হয়।

* বয়স : ঘুমের চাহিদা (২৪ ঘণ্টায়)

* নবজাতক (০-৩ মাস) : ১৪-১৭ ঘণ্টা

* শিশু (৪-১২ মাস) : ১২-১৬ ঘণ্টা

* বাচ্চা (১-২ বছর) : ১১-১৪ ঘণ্টা

* প্রি-স্কুল (৩-৫ বছর) : ১০-১৩ ঘণ্টা

* স্কুল বয়সের শিশু (৬-১২ বছর) : ৯-১২ ঘণ্টা

* কিশোর (১৩-১৮ বছর) : ৮-১০ ঘণ্টা

* প্রাপ্তবয়স্ক (১৮-৬৪ বছর) : প্রতি রাতে ৭-৯ ঘণ্টা

* প্রাপ্তবয়স্ক (৬৫+ বছর) : প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা

এটি একটি সাধারণ নির্দেশিকা করা হয়েছে। এমন অনেক লোক রয়েছে যাদের তাদের বয়সের জন্য প্রস্তাবিত পরিমাণের চেয়ে বেশি বা কম ঘুমের প্রয়োজন। এমনকি কিছু নিয়মের ব্যতিক্রমগুলো বিবেচনা করেও এমন অনেক লোক রয়েছে যারা নিয়মিত তাদের প্রয়োজনীয় পরিমাণ ঘুমায় না। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ৫০ থেকে ৭০ মিলিয়ন আমেরিকানরা কোনো না কোনো ধরনের ঘুমের রোগে ভুগছেন এবং প্রায় ৩৫ শতাংশ আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্করা প্রতি রাতে প্রয়োজনীয় সাত ঘণ্টার চেয়ে কম ঘুমায়। অপর্যাপ্ত ঘুমে সড়ক দুর্ঘটনা, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা এবং জটিল রোগের ঝুঁকিগুলোও দেখা যায়। অপর্যাপ্ত ঘুমের প্রভাব আমাদের মস্তিষ্কের উপর সরাসরি পড়ে। হার্ভার্ড মেডিকেলের গবেষণায় দেখা গেছে যারা পাঁচ ঘণ্টা ঘুমান তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি শতকরা ১৫ ভাগ বৃদ্ধি পায়। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে আমাদের শরীরে কর্টিসল নামক একটি হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে আমাদের উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তের উচ্চ মাত্রার গ্লুকোজের উপর। অপর্যাপ্ত ঘুমের প্রভাবে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় এবং দ্রুত মুড পরিবর্তন হয়।

ঘুমের গুণগত মান কী

ঘুমের গুণমান বলতে বোঝায় আপনি কতটা ভালো ঘুমান।

সঠিক মানের ঘুমের জন্য রয়েছে ৫টি উপকরণ :

* ঘুমিয়ে পড়ার সময় : আপনি কত দ্রুত এবং কত সহজেই ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। সাধারণত বেশিরভাগ মানুষ বিছানায় যাওয়ার ২০-২৫ মিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে সক্ষম হয়।

* ঘুমের ধারাবাহিকতা বজায় : একবার ঘুমিয়ে পড়লে একটানা আপনার ঘুমিয়ে থাকার ক্ষমতা। ভালো মানের ঘুম হয় ক্রমাগত, রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায় না।

* ঘুমের কার্যকারিতা : ঘুমের কার্যকারিতা মানে আপনি কতটা সময় ঘুমিয়েছেন বনাম আপনি কতটা সময় ঘুমানোর জন্য বিছানায় কাটিয়েছেন। সঠিক মানের ঘুমের জন্য ঘুমের কার্যকারিতা মোট সময়ের অন্তত ৮৫ শতাংশ মানদণ্ড হিসাবে ধরা হয়।

* ঘুমের সময় : ঘুমের সময় বলতে বোঝায় যখন প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমানো। আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি নির্দেশ করে প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং জেগে ওঠা।

* ঘুমের তৃপ্তি : ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ লাগা ও সারা দিন উদ্যমী থাকা। এভাবে ঘুমের পরিতৃপ্তি পরিমাপ করা হয়।

খারাপ মানের ঘুমের ক্ষতি কী?

খারাপ মানের ঘুমের স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি উভয় ক্ষেত্রেই গুরুতর স্বাস্থ্য ঘাটতি দেখা যায়। যেমন-কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, ভুলে যাওয়া প্রবণতা, মনোযোগ কমে যাওয়া, মানসিক চাপ বৃদ্ধি, বিষণ্নতা এবং উদ্বেগ দেখা দেয়। সকালে ঘুম থেকে উঠতে সমস্যা হচ্ছে অথবা খিটখিটে মেজাজ নিয়ে ঘুম থেকে ওঠা, সারা দিন ক্লান্তি ভাব থাকা, দিনের বেলা ঘুমানো, দিনে অনেক বেশি ঘুমানো। এ ছাড়া ওজন বৃদ্ধি এবং স্থূলতা, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কলস্টেরল, হৃদরোগ এবং স্ট্রোক হয়।

রাতের আরামদায়ক ঘুমের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ঘুমের কিছু চিহ্ন আছে। যেমন-

* সকালে ঘুম থেকে উঠেই সতেজ অনুভূতি

* সারা দিন সতেজ থাকা

* ভালো মেজাজে থাকা

* পরিষ্কার-মাথা অনুভব করা

কীভাবে ঘুমের পরিমাণ এবং গুণগত মান উন্নত করা যায়

ভালো ও স্বাস্থ্যকর ঘুম পেতে আপনি যে পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন তার মধ্যে রয়েছে-

* ঘুমের সমস্যা নির্ণয় করা : আপনি যদি মনে করেন যে আপনার ঘুমের সমস্যা আছে যা আপনার ঘুমকে প্রভাবিত করছে, তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত।

* জীবনযাত্রায় পরিবর্তন করুন : যদিও আপনার জীবনের কিছু অংশ অন্যদের তুলনায় পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে, আপনি কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন যা সম্ভবত আপনার ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে এবং আপনার ঘুমকে ব্যাপকভাবে উন্নত করতে পারে। যেমন-নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধূমপান, অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইন বাদ দিন।

* ঘুমের পরিবেশ নিশ্চিত করুন : বেশিরভাগ লোক তাদের ঘুমের পরিবেশের গুরুত্বকে অবমূল্যায়ন করেন। যদিও প্রত্যেকেরই নিজস্ব পছন্দ রয়েছে, মানুষ সাধারণত অন্ধকার, শান্ত, আরামদায়ক পরিবেশে ঘুমাতে পছন্দ করে।

* ফোন ও ট্যাব বন্ধ : গবেষণায় দেখা গেছে শোওয়ার সময় ফোনের ব্যবহার ঘুমের ব্যাঘাত হয়। বিছানায় ফোন এবং অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহার করায়, ঘুমের সময়ের গতি হারাতে পারেন এবং আপনার প্রকৃত শোওয়ার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে দেরি হতে পারে।

স্বাস্থ্যকর ঘুমের অভ্যাস কীভাবে প্রয়োগ করবেন তা আপনি নিশ্চিত না হলে, আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

৩ সপ্তাহ আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।